সমবায়নীতি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সমবায়নীতি' মূলত গ্রামীণ সমাজের পুনর্গঠন ও আত্মনির্ভরশীলতার এক দূরদর্শী পরিকল্পনা। এই প্রবন্ধে ঠাকুর পরাধীনতা ও দারিদ্র্য থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে সমবায় প্রথার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, গ্রামীণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং স্থানীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমেই প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব। সরকার বা জমিদারদের উপর নির্ভরশীল না থেকে নিজেদের ভাগ্য নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ঠাকুর দেখিয়েছেন কীভাবে সমবায় কেবল অর্থনৈতিক নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনতে পারে। তাঁর শান্তিনিকেতন ও শ্রীনিকেতনের অভিজ্ঞতা এই ধারণাকে আরও শক্তিশালী করে। এটি কেবল একটি অর্থনৈতিক মডেল নয়, বরং একটি জীবনদর্শন, যা গ্রামীণ ভারতকে স্বাবলম্বী ও শক্তিশালী করার পথ দেখায়।
পাঠকদের রিভিউ
এখনও কোন রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউ লিখুন!
আরও রিভিউ লোড হচ্ছে...