তারা ও আঁখি (কাল সন্ধ্যাকালে ধীরে সন্ধ্যার বাতাস)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাল সন্ধ্যাকালে ধীরে সন্ধ্যার বাতাস
বহিয়া আনিতেছিল ফুলের সুবাস।
রাত্রি হ’ল, আঁধারের ঘনীভূত ছায়ে
পাখিগুলি একে একে পড়িল ঘুমায়ে।
প্রফুল্ল বসন্ত ছিল ঘেরি চারি ধার
আছিল প্রফুল্লতর যৌবন তোমার,
তারকা হাসিতেছিল আকাশের মেয়ে,
ও আঁখি হাসিতেছিল তাহাদের চেয়ে।
দুজনে কহিতেছিনু কথা কানে কানে,
হৃদয় গাহিতেছিল মিষ্টতম তানে।
রজনী দেখিনু অতি পবিত্র বিমল,
ও মুখ দেখিনু অতি সুন্দর উজ্জ্বল।
সোনার তারকাদের ডেকে ধীরে ধীরে,
কহিনু, “সমস্ত স্বর্গ ঢাকলো এর শিরে!”
বলিনু আঁখিরে তব “ওগো আঁখি-তারা,
ঢালো গো আমার পরে প্রণয়ের ধারা।”

Victor Hugo

সকল অধ্যায়
১.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ১ (মধুর সূর্যের আলো, আকাশ বিমল)
২.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ২ (সারাদিন গিয়েছিনু বনে)
৩.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ৩ (আমায় রেখো না ধরে আর)
৪.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ৪ (প্রভাতে একটি দীর্ঘশ্বাস)
৫.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ৫ (গোলাপ হাসিয়া বলে, আগে বৃষ্টি যাক চলে)
৬.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ৬ (হাসির সময় বড়ো নেই)
৭.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ৭ (বেঁচেছিল, হেসে হেসে)
৮.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ৮ (নিদাথের শেষ গোলাপ কুসুম)
৯.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ৯ (ওই আদরের নামে ডেকো সখা মোরে)
১০.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ১০ (কেমনে কী হল পারি নে বলিতে)
১১.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ১১ (রবির কিরণ হতে আড়াল করিয়া রেখে)
১২.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ১২ (দেখিনু যে এক আশার স্বপন)
১৩.
বিদেশী ফুলের গুচ্ছ – ১৩ (নহে নহে এ মনে মরণ)
১৪.
সম্মিলন (সেথায় কপোত-বধূ লতার আড়ালে)
১৫.
তারা ও আঁখি (কাল সন্ধ্যাকালে ধীরে সন্ধ্যার বাতাস)
১৬.
সূর্য ও ফুল (মহীয়সী মহিমার আগ্নেয় কুসুম)
১৭.
বিসর্জন (যে তোরে বাসেরে ভালো, তারে ভালোবেসে বাছা)
১৮.
কবি (ওই যেতেছেন কবি কাননের পথ দিয়া)
১৯.
কোনো জাপানি কবিতার ইংরাজি অনুবাদ হইতে (বাতাসে অশথপাতা পড়িছে খসিয়া)

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%