হাঁস

জীবনানন্দ দাশ

নয়টি হাঁসকে রোজ চোখ মেলে ভোরে
দেখা যায় জলপাই পল্লবের মতো স্নিগ্ধ জলে;
তিনবার তিন গুনে নয় হয় পৃথিবীর পথে;
এরা তবু নয়জন মায়াবীর মতো জাদুবলে!

সে নদীর জল খুব গভীর–গভীর;
সেইখানে শাদা মেঘ–লঘু মেঘ এসে
দিনমানে কারো নীচে ডুবে গিয়ে তবু
যেতে পারেনাকো কোনো সময়ের শেষে।

চারিদিকে উঁচু উঁচু উলুবন, ঘাসের বিছানা;
অনেক সময় ধ’রে চুপ থেকে হেমন্তের জল
প্রতিপন্ন হ’য়ে গেছে যে সময়ে নীলাকাশ ব’লে
সুদূরে নারীর কোলে তখন হাঁসের দলবল

মিশে গেছে অপরাহ্নে রোদের ঝিলিকে;
অথবা ঝাঁপির থেকে অমেয় খইয়ের রঙ ঝরে;
সহসা নদীর মতো প্রতিভাত হয়ে যায় সব;
নয়টি অমল হাঁস নদীতে রয়েছে মনে পড়ে।

সকল অধ্যায়
১.
সপ্তক
২.
স্বভাব
৩.
সূর্যতামসী
৪.
ফিরে এসো
৫.
আকাশলীনা
৬.
ঘোড়া
৭.
সমারূঢ়
৮.
নিরঙ্কুশ
৯.
রিস্টওয়াচ
১০.
গোধূলিসন্ধির নৃত্য
১১.
যেই সব শেয়ালেরা
১২.
একটি কবিতা
১৩.
অভিভাবিকা
১৪.
কবিতা
১৫.
মনোসরণি
১৬.
নাবিক
১৭.
রাত্রি
১৮.
লঘু মুহূর্ত
১৯.
হাঁস
২০.
উন্মেষ
২১.
চক্ষুস্থির
২২.
ক্ষেতে প্রান্তরে
২৩.
বিভিন্ন কোরাস
২৪.
স্বভাব
২৫.
প্রতীতি
২৬.
ভাষিত
২৭.
সৃষ্টির তীরে
২৮.
জুহু
২৯.
সোনালি সিংহের গল্প
৩০.
অনুসূর্যের গান
৩১.
তিমির হননের গান
৩২.
বিস্ময়
৩৩.
সৌরকরোজ্জ্বল
৩৪.
রাত্রির কোরাস
৩৫.
নাবিকী
৩৬.
সময়ের কাছে
৩৭.
লোকসামান্য
৩৮.
জনান্তিকে
৩৯.
মকরসংক্রান্তির রাতে
৪০.
উত্তরপ্রবেশ
৪১.
দীপ্তি
৪২.
সূর্যপ্রতিম
৪৩.
যাত্রী

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%