শেষ-কথা

শশী থারুর

আমার এই নভেল-এর অনেক চরিত্র, ঘটনাপ্রবাহ এবং প্রেক্ষাপট মহাভারতের মূল কাহিনিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। আজও ভারতীয় পাঠকদের কাছে মহাভারত সবচেয়ে জনপ্রিয়। আমি সংস্কৃতের পণ্ডিত নই। তাই আমাকে এই উপন্যাস লেখার জন্য নির্ভর করতে হয়েছে মূলত ইংরেজি অনুবাদগুলির ওপর। আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ সি. রাজাগোপালচারি এবং পি. লাল-এর অনুবাদ দুটির ওপর। এই দুটিকে ধরে নেওয়া হয় দক্ষিণ ভারত এবং উত্তর ভারতের দুই ধারার মহাভারত বিবরণী হিসেবে। এই দুটির বাচনভঙ্গির এবং তাত্বিকতার বেশ ফারাক রয়েছে। দুটিতেই অবশ্য একই গল্প বলা হয়েছে। আমি এই দুটির ওপরেই বিশেষভাবে নির্ভর করেছি।

উপন্যাসটির ঘটনাপ্রবাহ যদিও মহাভারতের গল্পের সঙ্গে মেলে, আমি আমার কাহিনিতে অনেক কাটা-ছেঁড়া করেছি। মূল কাহিনির স্রোত-এর থেকে অনেক জায়গাতেই আমি তাই আলাদা। আমি পি. লাল বা রাজাগোপালচারিকে আমার পাপের ভাগী করতে পারি না। আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

পাঠককে বলব তিনি যেন অবশ্য মহাভারতের এই দুটি ভাষান্তর পড়ে ফেলেন। প্রফেসর জে এ বি বুইটেনেনের ভাষান্তরটাও পড়ে দেখা যেতে পারে। আমার বইটা যখন প্রকাশের অপেক্ষায়, তখন আমি জিন-ক্লড-ক্যারিয়েরের মহাভারত নিয়ে লেখা নাটকের স্ক্রিপ্ট পড়ে ফেলি। আমি পড়েছিলাম পিটার ব্রুকের ভাষান্তরটিও।

আমার এই লেখার দায়িত্ব সম্পূর্ণ আমার।

শশী থারুর

অধ্যায় ১৯ / ১৯
সকল অধ্যায়
১.
প্রথম অধ্যায় । সেই পুরোনো গল্পটা
২.
দ্বিতীয় অধ্যায়। যুদ্ধ
৩.
তৃতীয় অধ্যায়। বৃষ্টি এল ঝেঁপে
৪.
চতুর্থ অধ্যায়। রাজকাহিনি
৫.
পঞ্চম অধ্যায়। নিস্তব্ধতার শক্তি
৬.
ষষ্ঠ অধ্যায়। নিষিদ্ধ ফল
৭.
সপ্তম অধ্যায়। পুত্রের উত্থান
৮.
অষ্টম অধ্যায়। মধ্যরাত্রের মাতা-পিতা
৯.
নবম অধ্যায়। ধৃতরাষ্ট্র না পাণ্ডু?
১০.
দশম অধ্যায়। আঁধারে আলো
১১.
একাদশ অধ্যায়। ত্যাগীর শরশয্যা
১২.
দ্বাদশ অধ্যায়। যে রাজা হতে পারল না
১৩.
ত্রয়োদশ অধ্যায়। ভারত দর্শন
১৪.
চতুর্দশ অধ্যায়। বেদের কালিমা
১৫.
পঞ্চদশ অধ্যায়। পছন্দের স্বাধীনতা
১৬.
ষষ্ঠদশ অধ্যায়। সবই যখন ভুল হল
১৭.
সপ্তদশ অধ্যায়। এক ফোঁটা মধু—অমৃত সমান
১৮.
অষ্টাদশ অধ্যায় । মোক্ষলাভের পথে
১৯.
শেষ-কথা

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%