মহরম পর্ব ০৪ প্রবাহ

মীর মশাররফ হোসেন

পথিক ঊর্ধ্বশ্বাসে চলিতেছেন, বিরাম নাই। মুহূর্তকালের জন্য বিশ্রাম নাই। এজিদ্ গোপনে বলিয়া দিয়াছেন, যখন নিতান্ত ক্লান্ত হইবে, চলৎ-শক্তি রহিত হইবে, ক্ষুধা পিপাসায় কাতর হইয়া পড়িবে, সেই সময় একটু বিশ্রাম করিয়ো। কিন্তু বিশ্রামহেতু সময়টুকু অপব্যয় হইবে, বিশ্রামের পর দ্বিগুণ বেগে চলিয়া তাহা পরিপূর্ণ করিবে। পথিক এজিদের আজ্ঞা লঙ্ঘন না করিয়া অবিশ্রান্ত যাইতেছেন। একে মরুভূমি, তাহাতে প্রচণ্ড আতপতাপ, বিশেষ ছায়াশূন্য প্রান্তর,-বিশ্রাম করিবার স্থান অতি বিরল, দেশীয় পথিকের পক্ষে বরং সহজ, অপরিচিত ভিন্নদেশীয় পথিকের পক্ষে এই মরুস্থানে ভ্রমণ করা নিতান্তই দুঃসাধ্য। এ পথিক দেশীয় এবং পরিচিত। দামেস্ক হইতে যাত্রা করিয়াছেন। কোথায় কোন্ পর্বত, কোথায় কোন্ নির্ঝরিণীর জল পরিষ্কার ও পানোপযোগী তাহাও পূর্ব হইতে জানা আছে। পথিক একটি ক্ষুদ্র পর্বত লক্ষ্য করিয়া তদভিমুখে যাইতেছেন। কয়েকদিন পর্যন্ত অবিশ্রান্ত চলিয়া এক্ষণে অনেক দুর্বল হইয়া অতি কষ্টে যাইতেছেন। নির্দিষ্ট পর্বতের নিকটস্থ হইলে পূর্ব পরিচিত আক্কাস ও তৎসহ কয়েকজন অনুচরের সহিত দেখা হইল।

মোস্‌লেমকে দেখিয়া আক্কাস জিজ্ঞাসা করিলেন, “ভাই মোস্‌লেম! কোথায় যাইতেছ?” মোস্‌লেম উত্তর করিলেন, “পিপাসায় বড়ই কাতর, অগ্রে পিপাসা-নিবৃত্তি করি, পরে আপনার কথার উত্তর দিতেছি।”

আক্কাস বলিলেন, “জল নিকটেই আছে। ঐ কয়েকটি খর্জুর বৃক্ষের নিকট দিয়া সুশীতল নির্ঝরিণী অতি মৃদু মৃদু ভাবে বহিয়া যাইতেছে। চল ঐ খর্জুর-বৃতলে বসিয়া সকলেই একটু বিশ্রাম করি, আমিও কয়েকদিন পর্যন্ত অত্যন্ত ক্লান্ত হইতেছি।”

সকলে একত্র হইয়া সেই নির্দিষ্ট খর্জুর-বৃতলে উপবেশন করিলেন। আক্কাস একখণ্ড প্রস্তর ভূমি হইতে উঠাইয়া, তত্তলস্থ ঝর্ণার সুস্নিগ্ধ জলে জলপাত্র পূর্ণ করিয়া এবং থলিয়া হইতে কতকগুলি র্খোমা বাহির করিয়া মোস্‌লেমের সম্মুখে রাখিয়া দিলেন। মোস্‌লেম প্রথমে জলপান করিয়া কথঞ্চিৎ সুস্থ হইলেন। দুই একটি র্খোমা মুখে দিয়া বলিতে লাগিলেন, “ভাই আক্কাস! এজিদের বিবাহ-পয়গাম (প্রস্তাব) লইয়া আমি জয়নাবের ভবনে যাত্রা করিতেছি।”

আক্কাস বলিলেন, “সে কী! আবদুল জাব্বার কী মরিয়াছে?”

মোস্‌লেম বলিলেন, “না, আবদুল জাব্বার মরে নাই! জয়নাবকে তালাক দিয়াছে।”

আক্কাস বলিলেন, “আহা! এমন সুন্দরী স্ত্রীকে কী দোষে পরিত্যাগ করিল? জয়নাবের মত পতিপরায়ণা ধর্মশীলা পতিপ্রাণা নম্রস্বভাবা রমণী এ প্রদেশে অতি কমই দেখা যায়। আবদুল জাব্বারের প্রাণ এত কঠিন, ইহা তো আমি আগে জানিতাম না। কোন্ প্রাণে সোনার জয়নাবকে পথের ভিখারিণী করিয়া বিষাদ সমুদ্রে ভাসাইয়া দিয়াছে?”

মোস্‌লেম বলিল, “ভাই! ঈশ্বরের কার্য মনুষ্যবুদ্ধির অগোচর। তিনি কি উদ্দেশ্য সাধন করিতে যে কি করেন, কাহার মনের কী গতি, কী কারণে কোন্ কার্যসাধনে কোন্ সময়ে কী কৌশলে কী-রূপ করিয়া যে কোন কার্যের অনুষ্ঠান করেন, তাহা তিনিই জানেন। আমরা ভ্রমপূর্ণ অজ্ঞ মানব, আমাদের এই ক্ষুদ্র মস্তকে এই ক্ষুদ্র চিন্তায় সেই অনন্ত বিশ্বকৌশলীর বিচিত্র কৌশলের অণুমাত্র বুঝিবার ক্ষমতাও নাই, সাধ্যও নাই!”

আক্কাস জিজ্ঞাসিলেন, “কত দিন আবদুল জাব্বার জয়নাবকে পরিত্যাগ করিয়াছে?”

“অতি অল্প দিন মাত্র।”

“বোধ হয়, এখন ইদ্দত্ (শাস্ত্রসঙ্গত বৈধব্য ব্রত) সময় উত্তীর্ণ হয় নাই?”

“প্রস্তাবে তো আর কোন বাধা নাই। ইদ্দত্ সময় উত্তীর্ণ হইলেই শুভকার্য সম্পন্ন হইবে।”

“ভাই মোস্‌লেম! আমিও তোমাকে আমার পক্ষে উকীল নিযুক্ত করিলাম। জয়নাবের নিকট প্রথমে এজিদের প্রস্তাব, শেষে আমার প্রার্থনার বিষয়ও প্রকাশ করিয়ো। রাজভোগ পরিত্যাগ করিয়া যে আমার প্রার্থনা গ্রাহ্য করিবে, যদিও ইহা সম্ভব নহে, তথাপি ভুলিয়ো না। দেখ ভাই! আশাতেই সংসার, আশাতেই সুখ এবং আশাতেই জীবন, আশা কাহারই কম নহে। আমার কথা ভুলিয়ো না। জয়নাব রূপলাবণ্যে দেশবিখ্যাত, পুরুষমাত্রেরই চক্ষু জয়নাবরূপে মোহিত; স্বভাব, চরিত্র, ধীরতা এবং নম্রতাগুণে জয়নাব সকলের নিকটেই সমাদৃত; তাহা আমি বেশ জানি। এ অবস্থাতেও বোধ হয় আমার আশা দুরাশা নহে। দেখ ভাই! ভুলিয়ো না-মনের অধিকারী ঈশ্বর। তিনি যে দিকে মন ফিরাইবেন, যেদিকে চালাইবেন, তাহা নিবারণ করিতে এজিদের রূপের ক্ষমতা নাই, অর্থেরও কোনও ক্ষমতা নাই, সেই ক্ষমতাতীদের নিকটে কোন ক্ষমতারই ক্ষমতা নাই। যাহাই হউক, আমার প্রার্থনা জয়নাবের নিকট অবশ্যই জানাইও; আমার মাথা খাও, ঈশ্বরের দোহাই, এ বিষয়ে অবহেলা করিয়ো না।”

এইরূপ কথোপকথনের পর পরস্পর অভিবাদন করিয়া উভয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে চলিয়া গেলেন। মোস্‌লেম কিছুদূর যাইয়া দেখিলেন, মাননীয় ইমাম হাসান সশস্ত্র মৃগয়ার্থ বহির্গত হইয়াছেন। ইমাম হাসান এক্ষণে স্বয়ং মদিনার সিংহাসনে বসিয়া শাহীমুকুট ধারণ করিয়াছেন; রাজ্যভার স্বহস্তে গ্রহণ করিয়াছেন। মোস্‌লেমকে দূর হতে আগমন করিতে দেখিয়া তিনি আলিঙ্গনার্থে হস্ত প্রসারণ করিলেন। মোস্‌লেম পদানত হইয়া হাসানের পদচুম্বন করিয়া জোড়করে সম্মুখে দণ্ডায়মান রহিলেন।

শাহজাদা হাসান বলিলেন, “ভাই মোস্‌লেম! আমার নিকট এত বিনয় কেন? কি বলিতে ইচ্ছা করিতেছ, অসঙ্কোচে প্রকাশ কর। তুমি তো আমার বাল্যকালের বন্ধু।”

মোস্‌লেম কহিলেন, “আপনি ধর্মের অবতার, ঐহিক পারত্রিক উভয় রাজ্যের রাজা; আপনার পদাশ্রয়েই সমস্ত মুসলমানের পরিত্রাণ। আপনার পবিত্র চরণযুগল দর্শনেই মহাপুণ্য,-আপনার পদধূলি পাপবিমোচনের উপযুক্ত মহৌষধি; আপনাকে অন্তরের সহিত ভক্তি করিতে কাহার না ইচ্ছা করে? আপনার পদসেবা করিতে কে না লালায়িত হয়? আপনার পবিত্র উপদেশ শ্রবণ করিতে কে না সমুৎসুক হইয়া থাকে? আমি দাসানুদাস, আদেশের ভিখারী, আদেশ প্রতিপালনই আমার সৌভাগ্য।”

“আজ আমার শিকারযাত্রা সুযাত্রা। আজিকার প্রভাত আমার সুপ্রভাত। বহুদিনান্তরে আজ বাল্যসখার দেখা পাইলাম। এক্ষণে তুমি ভাই কোথায় যাইতেছ?”

“এজিদের পরিণয়ের পয়গাম জয়নাবের নিকট লইয়া যাইতেছি। হজরত মাবিয়ার আদেশ, যত শীঘ্র হয়, জয়নাবের অভিপ্রায় জানিয়া সংবাদ দিতে হইবে।”

“এজিদ্ যে কৌশলে এই ঘটনা ঘটাইয়াছে, তাহা সকলই আমি শুনিয়াছি। হজরত মাবিয়া যে যে কারণে এজিদের কার্যের প্রতিপোষকতা করিয়াছেন, তাহাও জানিয়াছি। অথবা মাবিয়া যে ঐ সকল ষড়যন্ত্রের মূল বৃত্তান্ত ঘুণাক্ষেরও অবগত নহেন, তাহাও আমার জানিতে বাকি নাই।”

“আক্কাসও জয়নাবের প্রার্থী। বিশেষ অনুনয় করিয়া এমন কি, ঈশ্বরের শপথ দিয়া তিনি বলিয়াছেন, অগ্রে এজিদের প্রস্তাব করিয়া পরিশেষে আমার প্রস্তাবটি করিয়ো। এজিদ্ এবং আক্কাস, উভয়েরই পয়গাম লইয়া আমি জয়নাবের নিকট যাইতেছি। তিনি যে কাহার প্রস্তাব গ্রাহ্য করিবেন, তাহা ঈশ্বরই জানেন।”

হাস্য করিয়া হাসান কহিলেন, “মোস্লেম! আক্কাসের প্রস্তাব লইয়া যাইতে যখন সম্মত হইয়াছ, তখন এ গরীবের কথাটিই বা বাকি থাকে কেন? আমিও তোমাকে উকীল নিযুক্ত করিলাম। সকলের শেষে আমার প্রার্থনাটিও জয়নাবকে জ্ঞাপন করিও। স্ত্রী-জাতি প্রায়ই ধনপিপাসু হয়, আবার কেহ কেহ রূপেরও প্রত্যাশী হইয়া থাকে। আমার না আছে ধন, না আছে রূপ। এজিদের তো কথাই নাই; আক্কাসও যেমন ধনবান, তেমনি রূপবান; অবশ্যই ইহাদের প্রার্থনা অগ্রগণ্য! জয়নাব-রত্ন ইহাদেরই হৃদয়ভাণ্ডারে থাকিবার উপযুক্ত ধন। সে ভাণ্ডারে যত্নের ত্রুটি হইবে না, আদরেরও সীমা থাকিবে না। স্ত্রীলোকেরা প্রায়ই বাহ্যিক সুখকেই যথার্থ সুখ বিবেচনা করিয়া থাকে। আমার গৃহে সাংসারিক সুখ যত হইবে তাহা তোমার অবিদিত কিছুই নাই। যদিও আমি মদিনার সিংহাসনে উপবেশন করিয়াছি, কিন্তু ধরিতে গেলে আমি ভিখারী। আমার গৃহে ঈশ্বরের উপাসনা ব্যতীত কোন প্রকার সুখবিলাসের আশা নাই। বাহ্য জগতে সুখী হইবার এমন কোন উপকরণ নাই যে, তাহাতে জয়নাব সুখী হইবে। সকলের শেষে আমার এই প্রস্তাব জয়নাবকে জানাইতে ভুলিয়ো না। দেখ ভাই! মনে রাখিয়ো। ফিরিয়া যাইবার সময় যেন জানিতে পারি যে, জয়নাব কাহার প্রার্থনা মঞ্জুর করিলেন।”

এই বলিয়া পরস্পর অভিবাদনপূর্বক উভয়ে ভিন্ন ভিন্ন দিকে গমন করিলেন। পথিক যাইতেছেন। মনে মনে ভাবিতেছেন, “হাঁ! ঈশ্বরের কী অপূর্ব মহিমা! এক জয়নাব-রত্নের তিন প্রার্থী,-এজিদ্, আক্কাস আর মাননীয় হাসান। এজিদ্ তো পূর্ব হইতেই জয়নাবরূপে আত্মসমর্পণ করিয়া বসিয়া আছে। যে দিন জয়নাবকে দেখিয়াছে, জয়নাবের অজ্ঞাতে যে দিন এজিদের নয়ন-চকোর জয়নাবের মুখচন্দ্রিমার পরিমলময় সুধা পান করিয়াছে, সেই দিন এজিদ্ জয়নাবকে মনপ্রাণ সমর্পণ করিয়া জয়নাব-রূপ-সাগরে আত্ম-বিসর্জন করিয়াছে; জয়নাবকেই জপমালা করিয়া দিবানিশি জয়নাব নাম জপ করিতেছে। জয়নাব ধ্যান, জয়নাব জ্ঞান!-আক্কাস তো এত অর্থশালী, এমন রূপবান্ পুরুষ তাহারও মন আজ জয়নাব নামে গলিয়া গেল! ইমাম হাসান-যাঁহার পদছায়াতেই আমাদের মুক্তি, যাঁহার মাতামহ প্রসাদাৎ আমরা এই অক্ষয় ধর্মের সুবিস্তারিত পবিত্র পথ দেখিয়া পরম কারুণিক পরমেশ্বরকে চিনিয়াছি, যাঁহার ভক্তের জন্যই সর্বদা স্বর্গের দ্বার বিমোচিত রহিয়াছে, এমন মহাপুরুষও জয়নাব লাভের অভিলাষী! অহো!-জয়নাব কী ভাগ্যবতী!” পথিক মনে মনে এইরূপ নানা কথা আন্দোলন করিতে করিতে পথবাহন করিতে লাগিলেন। চিন্তারও বিরাম নাই, গতির বিশ্রাম নাই।

সকল অধ্যায়
১.
মহরম পর্ব ০১ প্রবাহ
২.
মহরম পর্ব ০২ প্রবাহ
৩.
মহরম পর্ব ০৩ প্রবাহ
৪.
মহরম পর্ব ০৪ প্রবাহ
৫.
মহরম পর্ব ০৫ প্রবাহ
৬.
মহরম পর্ব ০৬ প্রবাহ
৭.
মহরম পর্ব ০৭ প্রবাহ
৮.
মহরম পর্ব ০৮ প্রবাহ
৯.
মহরম পর্ব ০৯ প্রবাহ
১০.
মহরম পর্ব ১০ প্রবাহ
১১.
মহরম পর্ব ১১ প্রবাহ
১২.
মহরম পর্ব ১২ প্রবাহ
১৩.
মহরম পর্ব ১৩ প্রবাহ
১৪.
মহরম পর্ব ১৪ প্রবাহ
১৫.
মহরম পর্ব ১৫ প্রবাহ
১৬.
মহরম পর্ব ১৬ প্রবাহ
১৭.
মহরম পর্ব ১৭ প্রবাহ
১৮.
মহরম পর্ব ১৮ প্রবাহ
১৯.
মহরম পর্ব ১৯ প্রবাহ
২০.
মহরম পর্ব ২০ প্রবাহ
২১.
মহরম পর্ব ২১ প্রবাহ
২২.
মহরম পর্ব ২২ প্রবাহ
২৩.
মহরম পর্ব ২৩ প্রবাহ
২৪.
মহরম পর্ব ২৪ প্রবাহ
২৫.
মহরম পর্ব ২৫ প্রবাহ
২৬.
মহরম পর্ব ২৬ প্রবাহ
২৭.
উদ্ধার পর্ব ০১ প্রবাহ
২৮.
উদ্ধার পর্ব ০২ প্রবাহ
২৯.
উদ্ধার পর্ব ০৩ প্রবাহ
৩০.
উদ্ধার পর্ব ০৪ প্রবাহ
৩১.
উদ্ধার পর্ব ০৫ প্রবাহ
৩২.
উদ্ধার পর্ব ০৬ প্রবাহ
৩৩.
উদ্ধার পর্ব ০৭ প্রবাহ
৩৪.
উদ্ধার পর্ব ০৮ প্রবাহ
৩৫.
উদ্ধার পর্ব ০৯ প্রবাহ
৩৬.
উদ্ধার পর্ব ১০ প্রবাহ
৩৭.
উদ্ধার পর্ব ১১ প্রবাহ
৩৮.
উদ্ধার পর্ব ১২ প্রবাহ
৩৯.
উদ্ধার পর্ব ১৩ প্রবাহ
৪০.
উদ্ধার পর্ব ১৪ প্রবাহ
৪১.
উদ্ধার পর্ব ১৫ প্রবাহ
৪২.
উদ্ধার পর্ব ১৬ প্রবাহ
৪৩.
উদ্ধার পর্ব ১৭ প্রবাহ
৪৪.
উদ্ধার পর্ব ১৮ প্রবাহ
৪৫.
উদ্ধার পর্ব ১৯ প্রবাহ
৪৬.
উদ্ধার পর্ব ২০ প্রবাহ
৪৭.
উদ্ধার পর্ব ২১ প্রবাহ
৪৮.
উদ্ধার পর্ব ২২ প্রবাহ
৪৯.
উদ্ধার পর্ব ২৩ প্রবাহ
৫০.
উদ্ধার পর্ব ২৪ প্রবাহ
৫১.
উদ্ধার পর্ব ২৫ প্রবাহ
৫২.
উদ্ধার পর্ব ২৬ প্রবাহ
৫৩.
উদ্ধার পর্ব ২৭ প্রবাহ
৫৪.
উদ্ধার পর্ব ২৮ প্রবাহ
৫৫.
উদ্ধার পর্ব ২৯ প্রবাহ
৫৬.
উদ্ধার পর্ব ৩০ প্রবাহ
৫৭.
এজিদ-বধ পর্ব ০১ প্রবাহ
৫৮.
এজিদ-বধ পর্ব ০২ প্রবাহ
৫৯.
এজিদ-বধ পর্ব ০৩ প্রবাহ
৬০.
এজিদ-বধ পর্ব ০৪ প্রবাহ
৬১.
এজিদ-বধ পর্ব ০৫ প্রবাহ
৬২.
এজিদ-বধ পর্ব ০৬ উপসংহার

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%