অভিরামায়ণ – ৮০

৮০

সেই রাতেই যতীন্দ্র আগরতলা গেল,
থানায় করল সে হামলার ডাইরি,
অভিরামের জন্য থানা তৈরিই ছিল,
এসে তুলে নিয়ে গেল থানার জিপ গাড়ি।
পরদিন সকালে সব অন্যরকম,
কোথায় গেল অভির জন্য ভালোবাসা,
কথাবার্তা আর সব রকমসকম,
ব্যবহার সবার দেখি বড়ো সর্বনাশা।
‘যাই বল না কেন কারও ঘরে ঢুকে,
তার উপর দৈহিক অত্যাচার করা,
বিষয়টা দেখলে আইনের আলোকে,
না না এ ব্যাপারে যেতে পারি না আমরা।’
পরের কাজ করলে জেনে-শোনে করো,
পরের জন্য মরলে বুঝে-সুঝে মরো।
৮১
(এই স্তবকটা পড়বার জন্য নয়,
এটা শুধু ইতিহাস ঠিক করে লেখা,
যতীন্দ্রর বউ ফিরে দুপুরের সময়,
তাকে সব বলে তার সই স্মৃতিরেখা।
ভামিনী তবে [নাম যতীন্দ্রর বউয়ের],
দাঁড়িয়ে প্রধানের বাড়ির সামনেই,
বক্তৃতা আর নৃত্য শুরু করে ছৌএর;
‘ওরে ঢ্যামনা ওরে বেজন্মা তোর মা নেই?
জিজ্ঞেস কর বউরে মারাটা ঠিক কি না,
ওরে হারামি বউরে রোজ যে পিটে,
ওই মিনসেরে মারলে দোষ হয় কি না,
তারে পুলিশ ধরা কোন আইনে খাটে।’
আদ্যাশক্তি মহাশক্তি সর্বলোকে জানে,
সেইজন্য সর্বজনে আদ্যাশক্তি মানে।)
৮২

মতির বউ দেবী স্বামীকে ভাত দিচ্ছিল,
খালি থালাটায় রেখে দিয়ে তার হাতা,
শাড়ির আঁচলে মুছে নিয়ে তার হাত,
গেল ঘোমটা দিয়ে ঢেকে নিজের মাথা।
একে একে সব মহিলা এলো রাস্তায়,
বক্তৃতা হল ছাপার অযোগ্য ভাষায়,
এতক্ষণে পতিদেবতারা যে পস্তায়,
ঘরে বসে থাকবে আর কোন আশায়।
তবে আসে সবে অভুক্ত ত্যক্ত বিরক্ত,
নিজের স্ত্রীর ভাষায় অত্যন্ত লজ্জিত,
শিক্ষা-দীক্ষা লজ্জা সজ্জা সব পরিত্যক্ত,
পতিদ্রোহে অদ্য যেন সকলে সজ্জিত।
মেয়েরা মোল্লা পাদরি পুরুত হয় না,
সব মেয়ে একজাত মেয়েরা জানে না।
৮৩

তখন ভামিনীকে নিয়ে তিন-চার জন,
আগরতলা থানায় যেতে হল রাজি,
কিন্তু আজ মহিলারা সকলে দুর্জন,
থানায় যেতে সকলেই উঠল সাজি।
চলল সেই শোভাযাত্রা পূর্ব থানায়,
শ-তিনেক ডুকলীর অভুক্ত মহিলা,
(কে জানি আগেই গিয়ে খবর জানায়,
সাজ’ সাজ’ পূর্ব থানায় বিকেল বেলা।)
পত্রিকার লোকেরা খবর পেয়ে যায়,
ফটো তোলার বাক্স নিয়ে সকলে আসে,
মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে খবর জানায়,
তাড়াতাড়ি সেখান থেকে আদেশ আসে।
অভিরাম বেচারা আবার মুক্ত হল,
প্রেমানন্দে সকলেই খোদাহরি বলো।
৮৪

ক্ষমা করবেন আমি কামিনীর কথা,
প্রায় কিছুই এখনও আপনাদের বলিনি,
শুনেছেন গ্রামের বিচারের কথাটা,
রবি যে পালিয়ে গেল বলতে ভুলিনি।
বলেছি রবির মা গাঁয়ের জন্য কী করত,
কেন গাঁয়ে লোকেরা ওকে খেপাত না,
বলেছি রবির মা সবার হাত ধরত,
খেপলে সে বড়ো-ছোটো কিছু মানত না।
ছত্রিশী রবির মার চেহারা বলেছি,
তার আগের কথা কিন্তু কিছু বলিনি,
হ্যাঁ, না বলে কিছুটা ভুল করে ফেলেছি,
অন্য কিছু বলার আগে এখন বলে নিই।
আসুন বসুন ধান দূর্বা নিন হাতে,
যেভাবে বসতেন আগে পঞ্জিকা শুনতে।
৮৫

পঞ্চাশ সাল নাগাদ একজন লোক,
আখাউড়া রাস্তা দিয়ে মাঠা নিয়ে আসত,
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাঠা দেবতার ভোগ,
একেক দিন একেক পাড়ায় বেচত।
মেলার মাঠ যেত ও বনমালীপুর আর,
কৃষ্ণনগর শিবনগর মধ্যপাড়া,
প্রতাপগড় আর জগহরিমুড়ার,
সবাই খদ্দের তার যত ছেলে-বুড়া।
রামনগর তখনো ধানখেত মাঠ,
গঙ্গাইল রোডের দক্ষিণটাও খালি,
গোলবাজারে বসত বুধ রবি হাট,
বটতলায় বিক্রি হত ঘাস-বিচালি।
লোডশেডিং হলে হাঁসফাঁস করো দাদু,
আগে বিদ্যুৎ ছিল না মনে পড়ে যাদু?
৮৬

মাথায় চকচকে টাক কাঁধে গামছা,
গামছার উপরে বাঁক, মাঠা দু-হাঁড়ি,
মোটা গোঁফ একজোড়া দাড়ি সদ্য চাঁছা,
পেটটা একটু মোটা গড়ন মাঝারি।
আদুল গা খালি পা ধনেশকাকা নামে,
খাটো ধুতি হাঁটু দু-টি কোনো মতে ঢাকে,
নিয়ে বাঁক ঘুরপাক আগরতলা গ্রামে,
মাঠা রাখবে গো মাঠা, মাঝে মাঝে হাঁকে।
সৌম্য চেহারা কাকা বেচারা স্ক্রু-টি ঢিলা,
নইলে এমন অদ্ভুত কান্ড কি করে,
ভারী বাঁক দিয়ে হাঁক ঘুরে আগরতলা,
কিন্তু এক জায়গায় সব বেচতে পারে।
গাইতে জানলে গায় নয় গান শিখায়,
এ দু’টো না জানলে আসে সমালোচনায়।
৮৭

ধনেশকাকা হঠাৎ আসা বন্ধ করল,
মাঠা নিয়ে আর কেউ রাস্তায় হাঁকে না,
জানলাম না কিছু বাঁচল না মরল,
এমন অনেক কিছুই জানা থাকে না।
আসলে কাকা বউ বাচ্চা নিয়ে এসে গেছে,
বউ আর বছর দশের একটা মেয়ে,
ভইসখলার কাছে সংসার পেতেছে,
একটুকরো জমি ও দুটো গোরু নিয়ে।
জীবন আরও অনেক কঠিন হয়েছে,
কাকার খাটুনি গিয়েছে অনেক বেড়ে,
দেখছে অনেক বড়োরাও তো রয়েছে,
দেশটা ভেঙে গেছে আজ কর্মের ফেরে।
গাছ যখন ডুবে যায় কাক থাকে না,
দুঃখের বিষয় হল শেয়াল তা দেখে না।
৮৮

ফুট ফুটে ওই মেয়েটি বড়োই সুশীলা,
সারাদিন মায়ের কাজে সাহায্য করে,
সকাল-বিকাল বই নিয়ে বসে দু-বেলা,
বাবার সঙ্গে একটু লেখাপড়া করে।
নিষ্ঠুর প্রকৃতি গরিব-ধনী মানে না,
সঠিক সময়ে বয়সের বান আসে,
বেচারি কিশোরী নিজেই কিছু জানে না,
অকারণ উচাটন কী কারণ আসে।
ধনেশকাকার মেয়ের সে বয়স হল,
বেশি বেশি সে তখন মাঠেঘাটে যায়,
আপনার জ্বালায় আপনিই সে ম’ল
খিল খিল হাসে মেয়ে পাগলের প্রায়।
ফাগুন আগুন লাগায় বর্ণে ও গন্ধে,
প্রজাপতি নেচে ফেরে অজানা আনন্দে।
৮৯

রবিরও তখন ওই বয়স কামাল,
একটা নতুন কিছু করো প্রাণ বলে,
রবি এক নবকিশোর ছেলে দামাল
হাসিতে-খুশিতে উছলে উথলে চলে।
সুতরাং কেন জানি মন তার টানে,
চোখের সামনে থাকুক বড়ো ইচ্ছে করে,
সেইজন্য যায় তার পেছনে পেছনে,
কথা বলতে গেলে জিভ জড় হয়ে পড়ে।
রাধিকা বুঝে রবির নীরব পূজাটা,
সলাজ দৃষ্টির প্রসাদ মাঝে মাঝে দেয়,
মাঝে মাঝে মনে হয় হ্যাংলা ওই ছেলেটা,
অতএব নিজেকে গুটিয়েই সে নেয়।
এই খেলা সংসারে সকলেই খেলছে,
টেনে টেনে ধরে ধরে মনটা মেলছে।
৯০

ধনেশকাকা ভালো লোক খবর রাখে না,
রাধুর মা সারাদিন কাজেকর্মে থাকে,
রাধিকা কোনোদিন কিছু গায়ে মাখে না,
পাড়ার লোক এদের দূর থেকে দেখে।
এই গাঁয়ে সকলেই নতুন দরিদ্র,
শুকনো পুকুরে শেষ মাছটির মতন,
চুপচাপ থাকবার অদ্ভুত চরিত্র,
শেষ জলটুকু রাখার কী যে যতন।
একফোঁটা ওই জলে কিছু যদি বা পড়ে,
ফড় ফড় করে উঠে নির্জীব মাছটা,
দরিদ্র সমাজে যদি কেউ কিছু করে,
ধড়ফড় করে উঠে গোটা সমাজটা।
এস্কিমোদের দেশে ছ-মাস অন্ধকার,
সূর্য যদি উঠল তো সে ডুবে না আর।
৯১

এমনি গাঁয়ে কেউ কারো খবর রাখে না,
প্রথম কথা কার এত সময় আছে,
আর ভয়ে লোকে মেশামেশিও করে না,
আলুটা মুলোটা চায় যদি পাছে।
অভাবের সংসার চাইতেই পারে,
মেশামেশি থাকলে না করা যায় না,
সেইজন্য সকলে থাকে নিজের ঘরে,
পারতপক্ষে বেশি আদর ঘষটায় না।
কিন্তু মুফতে এই গার্জিয়ান হওয়াটা,
ধনীদের যদিও বেশি হয় রোগটা,
এ লোভ কেবল ধনীদের শুধু নয়,
দরিদ্রেরও সময়ে এ ব্যারাম হয়।
নাক মুখ চোখ যদি একই প্রকার,
বেশি ফারাক হবে না ওদের লিপ্সার।
৯২

সর্দারি করার আকাঙ্ক্ষা থাকে সকলের,
এতে ছোটো-বড়ো নর-নারী ভেদ নেই,
এ ইচ্ছে আরও প্রবল ওই পশুদের,
যত বিবাদ বিসংবাদ এটা নিয়েই।
সাম্য ও সাম্রাজ্যবাদে যত বাদাবাদি,
ওয়াশিংটন মস্কো বেইজিং ও বন,
বুশ মেজর দেঙ রাও বা বিলায়েতি,
মিজাজ শরীফ যত সর্দারিতে মন।
হস্তীযুথে থাকে একজনই সর্দার,
সিংহীনীর দলে সিংহ থাকে একটা,
সর্দারি নিয়েই শাশুড়ি বউ দরবার,
বিচ্ছেদের পেছনেও থাকে সর্দারিটা।
আপনারে বড়ো বলে বড়ো সেই হয়,
লোকে কারে বড়ো বলে? বড়ো কেউ নয়।
৯৩

আমাদের একবার ইচ্ছেটা হয়েছিল,
দুই সহকর্মীতে হয় তুমুল ঝগড়া,
সীমানা নিয়ে ওদের গন্ডগোল ছিল,
মনে নেই কোনজন দিচ্ছিল বাগড়া।
আমরা গেলাম শুনে সর্দারি করতে,
দেয়াল তুলতে দিলাম তো পরামর্শ,
দু-জনেই অস্বীকৃত খরচটা দিতে,
সর্দারেরা দিলাম হিসাব পনেরো শ’।
দেয়াল উঠেনি ঝগড়াটা মিটে গেছে,
শুনেছি শান্তিতেই আছে ওরা দু-জনে,
সর্দারদের পনের-শো জরিমানা গেছে,
তবে সর্দারি রোগটা কিন্তু গেছে নেমে।
মাঝে মাঝে সংসারে এমনটা হয়,
চালাক লোকের বোঝা আহাম্মকে বয়।
৯৪

রাধিকা বড়ো হয়েছে বাবা-মা দেখেনি,
কিন্তু প্রতিবেশী লোকেরা ঠিক দেখেছে,
রবিকেও বাবা-মা চোখে চোখে রাখেনি,
কিন্তু প্রতিবেশী বাবা-মা ঠিক রেখেছে।
এমনিতে কারো কথায় কেউ থাকে না,
কিন্তু এবার যখন সুযোগ এসেছে,
এমনিতে কথা বলতে তারা আসে না,
কিন্তু এবার সর্দারির ইচ্ছে জেগেছে।
ফিসফাস হুসহাস দিন কয় চল্লো,
গাঁয়ের সকলেই জেনে গেল ঘটনা,
এ ওকে সে তাকে বিস্তারিত বলল,
শুধু রবি রাধুর বাড়িতে জানল না।
যাত্রা গানে বিবেকের গান সবে শোনে,
নায়ক-নায়িকা শুধু থাকে আনমনে।
৯৫

সেদিন বোধ হয় মঙ্গলবার ছিল,
বেলা ন-টা, ধনেশ কাকা বাড়িতে নেই,
এমন সময় না থাকারই কথা ছিল,
কিন্তু আজ বাড়িতে আছে অনেকেই।
হঠাৎ কলরব তর্জন শোনা যায়,
পাড়াটা কি বাবা পেয়ে গেছ বৃন্দাবন,
এখানে যে ভদ্রলোকের বাস করা দায়,
বলছেন জেঠামশায় সাধুচরণ।
সাধুর চরণ তিনি মহান গৃহস্থ,
গরিব ডুকলি গাঁয়ে জেঠা বেশ সচ্ছল,
তিনির সর্দারিতে অনেকেই তটস্থ,
পূজাঅর্চা না করে মুখে দেন না জল।
নামে খুব আসে-যায় নামটাই ধন,
কানা ছেলের নাম রাখো পদ্মলোচন।
৯৬

সাধু জেঠাদের ঘরে তিনজন লোক,
কাজকর্ম বোধহয় কিছু করেন না,
জেঠারা স্বামী-স্ত্রী আর একটি স্ত্রীলোক,
স্ত্রীলোকদের কেউ বাইরে বেরোন না।
সাধু জেঠার স্ত্রীটি রোগী সারাবছর,
জীর্ণ শরীরটি নিয়ে বিছানায় থাকেন,
বিধবা ভ্রাতৃবধূটি তার বেঁধে কোমর,
ঘরের কাজকর্ম সব একা করেন।
সাধু জেঠা আহারে-বিহারে বেশ শাক্ত,
রোজ থলে নিয়ে নিজে যান জেঠা বাজারে,
মৎস্য-মাংস-আদিতে তিনি অনুরক্ত,
রোজ খাটান ওই বিধবা ভাই বউটারে।
একবার রাম নামে সব পাপ হরে,
নর যত ইচ্ছেমতো তাই পাপ করে।
৯৭

সাধু জেঠা প্রতিদিন আহ্নিক করেন,
শিব শম্ভু না বলে কথাটি বলেন না,
ক্ষণে ক্ষণে সাধু জেঠা জোড় হাত করেন,
ভালো করে না দেখে পা-টি ফেলেন না।
লোকে বলে জেঠা শাক্ত একটু বেশিই,
শৃঙ্গার রসের শ্লোক বেশি মুখে তার,
তার ভক্তির ঘটা দেখলে পায় হাসিই,
অনুক্ষণ উচ্চারণ নাম দেবতার।
ভ্রাতৃবধূটির সঙ্গে জেঠার সম্বন্ধ,
(বলুন না কার মুখে ধরে রাখবেন?)
বিষয়ে আছে অনেকের মনেতে সন্দ,
রটে যা বটে তা অনেকটা জানবেন।
মুখ মনের আয়না শুনি চিরদিন,
এই প্রবাদটা একেবারে অর্থহীন।
৯৮

তবে ওই সাধুচরণ সমাজের মাথা,
প্রতিদিন বিকালে বৃদ্ধ সকল আসে,
চলে পান তামাক আর অনেক কথা,
মাঝে মাঝে কেউ কাশে মাঝে মাঝে হাসে।
যৌবনে মানুষে কত কিছু করে ফেলে,
তখন শিরায় রক্ত বহে বড়ো উষ্ণ,
বার্ধক্যে শীতলরক্ত ধীরে ধীরে চলে,
যৌবনের রোমন্থনে তা হয় কবোষ্ণ।
সুতরাং পরিতাপ-ছলায় বৃদ্ধেরা,
অনেকেই যৌবনের স্মৃতি চর্বণ করে,
সাধুচরণ এবং পাড়ার বয়স্যরা,
চক্ষু বুজে বসে স্মৃতিকে ধর্ষণ করে।
বক বড়ো ধার্মিক তপস্যা এক পায়ে,
বিড়াল বড়ো তপস্বী নখাগ্র লুকায়ে।
৯৯ বলছেন জেঠামশাই সাধুচরণ,
আরও অনেকেই তর্জন গর্জন করছে,
গ্রামটা একেবারে হয়েছে বৃন্দাবন,
পাঁচজনে পাঁচকথা একসাথে বলছে।
কারো কারো রায় পিঠের চামড়া তোল,
কেউ বলছে ভেঙে দিতে হাড়গোড়,
বিভিন্ন বিচারে বেশ বিলম্বই হল,
তর্কও বেঁধে গেল তখন বেশ জোর।
রবি অশ্লীল কোনো কার্যে ধরা পড়েনি,
কেবল নাকি সে কুপ্রস্তাব করেছে,
অমুকে শুনেছে কিন্তু বিশদ বলেনি,
জেঠার আদেশে ছেলেরা তাকে ধরেছে।
সিজারের পত্নী সতী সকলেই জানে,
কাজী বলছে ঠিকই সকলেই মানে।

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%