দেশনায়ক – ৬

ভারতের মুক্তি সংগ্রামে চরমপন্থী মতবাদের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও নায়ক লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলককে সুভাষচন্দ্র গভীর শ্রদ্ধা করতেন। তিলককে তিনি আদর্শের প্রেমিক ও আদর্শের সঙ্গে বাস্তবের অভিনব সংমিশ্রণের দৃষ্টান্ত বলে মনে করতেন। তিলক ছিলেন শিবাজির প্রতীক। কিন্তু শিবাজি শুধু মহারাষ্ট্রের স্বাধীনতার জন্যে সংগ্রাম করেছিলেন। তিলক করেছিলেন ভারতবর্ষে স্বরাজ প্রতিষ্ঠার জন্যে। তিলকের মহত্ত্বের বিশালতা সুভাষচন্দ্র ছাত্রজীবনে তেমন উপলব্ধি করতে পারেননি। পেরেছিলেন মান্দালয়ে বন্দী জীবনে। যে ভাবে তিলক দীর্ঘ ছ’ বছর মান্দালয়ের নির্জন কারাগারে অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক পীড়ন সহ্য করেছিলেন তা চিন্তা করে সুভাষচন্দ্র অভিভূত হয়েছিলেন। সুভাষের মনে হয়েছিল গীতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ বলেই তিলক ওইসব যন্ত্রণার ঊর্ধ্বে উঠতে পেরেছিলেন। তাঁর নিজের জীবনেও ওই দৃষ্টান্ত সব ক্লেশ, অবসাদ ও যন্ত্রণা সহ্য করতে শক্তি যুগিয়েছিল।

১৯১৩ বা ১৯১৪ সালের কোনও এক সময় সুভাষচন্দ্র প্রথম সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখেন। কলকাতার টাউন হলে দক্ষিণ আফ্রিকায় মহাত্মা গান্ধীর সত্যাগ্রহ অভিযানের ব্যাপারে ডাকা একটি সভায় সুভাষ তাঁর বক্তৃতা শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু সুরেন্দ্রনাথের বাগ্মিতা তাঁকে মুগ্ধ করলেও তিনি ওই বক্তৃতায় গভীরতর ভাবাবেগ পাননি। কলেজের অধ্যাপকদের মধ্যে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের মানবপ্রেম ও মহান ব্যক্তিত্ব সুভাষচন্দ্রকে আকৃষ্ট করেছিল। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র ছিলেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক। সুতরাং সুভাষচন্দ্র তাঁর প্রত্যক্ষ ছাত্র ছিলেন না, কিন্তু কলেজের সকল ছাত্রই তাঁকে গভীর শ্রদ্ধা করত। সুভাষচন্দ্র ও অন্যান্য ছাত্ররা তাঁর সঙ্গে নিজেরা এগিয়ে গিয়ে আলাপ করত। আর একজন বরেণ্য মানুষও ছাত্রদের কাছে আদর্শ পুরুষ ছিলেন। বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু। জগদীশচন্দ্র বসুকে সুভাষচন্দ্র কী অসীম শ্রদ্ধা করতেন, কী চোখে দেখতেন তার পরিচয় পাওয়া যায় একটি ঘটনায়।

১৯১৫ সালের ৮ ডিসেম্বর কলকাতার ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট হলে জগদীশচন্দ্রের একটি সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। সুভাষচন্দ্র গভীর আগ্রহ নিয়ে ওই সভায় গিয়েছিলেন শুধুমাত্র তাঁকে দেখতে, তাঁর মুখের কিছু কথা শুনতে। শৈশব থেকেই জগদীশচন্দ্র বসু ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি তাঁর ছিল প্রগাঢ় ভক্তি। অনেক আশা ও উত্তেজনা নিয়ে সুভাষ জগদীশচন্দ্রের সংবর্ধনা সভায় গিয়েছিলেন। কিন্তু অনুষ্ঠান দেখে খুব মর্মাহত হন। প্রোগ্রামের মধ্যে ছিল ইংরাজি থিয়েটার। যেমন নাটকটির বিষয়, অভিনয়ও তেমনি। সভা শেষ হয় ‘God save the King’ গান দিয়ে। সুভাষচন্দ্র একবার ভেবেছিলেন হল থেকে বেরিয়ে আসবেন। কিন্তু জগদীশচন্দ্রের বক্তৃতা শোনার লোভে তা না করে অভিনয়ের সময় ঘুমবার চেষ্টা করলেন। কিন্তু যুবক শ্রোতাদের উচ্চহাস্যের ফলে তাও হল না। সভা শেষ হল। কিন্তু যার লোভে তিনি ক্ষোভ ও বিরক্তি নিয়ে শেষপর্যন্ত বসে ছিলেন তাও হল না। জগদীশচন্দ্রের বক্তৃতা হয়নি। এই তিক্ত অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি লেখেন যে, যতদিন না আমরা ‘greatmen’ (মহাপুরুষ)-দের উপযুক্তভাবে সম্মান দিতে শিখছি ততদিন আমাদের কিছু হবে না। ধিক্কার জানিয়ে এক চিঠিতে লিখেছিলেন, “থিয়েটার দিয়ে আবার অভিনন্দন! ছি! ছি! হায় ভারত! হায় বাঙ্গালী! তোমার কি এতদূর অধঃপতন হয়েছে?” সুভাষচন্দ্র জানতেন তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি অনেকেই অতিরিক্ত গোঁড়ামি বলে মনে করবে। কিন্তু তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে ‘Puritanic principles’-এ বিশ্বাসী যুবকদেরই প্রয়োজন ওই অধঃপতন ঠেকাবার জন্যে। শেষে লিখেছিলেন, “জানি না জগদীশচন্দ্র এই অভ্যর্থনা কীভাবে নিয়েছিলেন। স্বদেশভক্ত জগদীশচন্দ্র দেশের দান দুই হাত পাতিয়া অবশ্যই লইবেন—ছাইভস্মই দিক আর ফুলচন্দনই দিক। কিন্তু এই অভ্যর্থনাতে তিনি যে হৃদয়ে বেদনা পাইয়াছেন তাতে কোনো সন্দেহ নাই।” এই ঘটনা ও তার প্রতিক্রিয়ায় সুভাষচন্দ্রের মানসিক গঠন, মূল্যবোধ ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ছিল। পরবর্তীকালেও তার মৌলিক পরিবর্তন ঘটেনি। এর ফলে অনেকেই তাঁকে ভুল বুঝেছেন। ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে বহু সময়ে। জগদীশচন্দ্রের সম্ভাব্য মনোভাব সম্বন্ধে, তিনি যা বলেছিলেন, তা বোধহয় তাঁর নিজেরই পরবর্তী জীবনে ঘটেছিল।

রবীন্দ্রনাথের প্রতি সুভাষচন্দ্রের গভীর শ্রদ্ধা ও আকর্ষণ কটকে ছাত্রজীবনেই শুরু হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথের কাছে তিনি ও তাঁর কয়েকজন সহপাঠী গিয়েছিলেন তা পূর্বেই উল্লেখ করেছি। রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাদর্শ, শান্তিনিকেতন, রবীন্দ্র সাহিত্য, রবীন্দ্রনাথের গান তাঁকে প্রভাবিত করছিল। ১৯১৫ সালের শেষাশেষি লেখা (২৭ ডিসেম্বর) একটি চিঠিতে দেখা যায় তিনি কতটা বাংলা গান ও কবিতায় অনুপ্রাণিত হচ্ছিলেন। ভারতবাসী ‘অন্তঃসারবিহীন’ হয়ে পড়ায় মর্মাহত হলেও সুভাষচন্দ্র ছিলেন আশাবাদী। তিনি উৎসাহিত হতেন, তা বলে ভাবনা করা চলবে না’, ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘কি ঘোর দুঃখরাশি, ভারত গগন ব্যাপিয়া’র মতো গানে-কবিতায় আর, বিবেকানন্দের উদাত্ত ‘উত্তিষ্ঠিত, জাগ্রত’ আহ্বানে।

প্রথম সাক্ষাতেই সুভাষচন্দ্র তাঁর সহপাঠী দিলীপ রায়কে বিস্মিত করে তাঁর পিতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন: “চোখের সামনে ধরিয়া রাখিয়া অতীতের সেই মহা আদর্শ/জাগিব নূতন ভাবের রাজ্যে রচিব প্রেমের ভারতবর্ষ’! অবাক হয়ে দিলীপকুমার প্রশ্ন করেছিলেন, “তাঁর কবিতা আপনার মনে আছে?” উজ্জ্বল দৃষ্টিতে তাঁর দিকে চেয়ে সুভাষ বলেন, “অন্তরে গাঁথা আছে।” শুধু বাংলা গান, কবিতাই নয়, ইংরাজি সাহিত্যেও সুভাষচন্দ্রের পড়াশোনা ছিল যেমন ব্যাপক তেমনি গভীর। কলেজ ছাত্র সুভাষচন্দ্র অনায়াসে কথাবার্তায় নানান লেখকের রচনা উদ্ধৃত করতেন। দিলীপকুমার রায়কে বলেছিলেন যে, ভারতীয়রা নিজেদের ওপর ভরসা রাখতে পারে না বলেই দেশের এই শোচনীয় অবস্থা। “শেক্সপীয়র পড়ুন, নিজের শক্তির চরম পরীক্ষার জন্য সব সময় তৈরি হয়ে থাকুন, দেখবেন কোথাও আপনি হঠবেন না।” এত স্বাভাবিকভাবে তিনি এসব কথা বলতেন যে এই বইপড়া কথাগুলি সুভাষের মুখে মোটেই বেমানান শোনাত না।

প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা সুভাষচন্দ্রের ভাল লাগেনি। বেশির ভাগ অধ্যাপকের পড়ানো তাঁকে আকৃষ্ট করতে পারেনি। রাজনীতির প্রতি তাঁর তখনও তেমন আগ্রহ জন্মায়নি যদিও স্বদেশচিন্তা ও স্বদেশহিতৈষণা বোধ তাঁকে গভীরভাবে আলোড়িত করছিল। শুধুমাত্র বই-এর পোকা হয়ে ভাল রেজাল্ট করার কোনও মোহও তাঁর ছিল না। সমাজসেবার এবং তীব্র ধর্মীয় আবেগ তাঁর মনকে অশান্ত করে তুলছিল। কটকে থাকাকালেই তাঁর ‘সাধু সন্ধানে’র ঝোঁক দেখা দিয়েছিল। কলকাতায় এসে ওই ‘পাগলামি’ যায়নি। কলকাতার অদূরে এক জেলা শহরে তিনি এক পাঞ্জাবী যুবক সাধুর খোঁজ পান। বন্ধু হেমন্তকুমার সরকারকে সঙ্গে নিয়ে তিনি প্রায়ই তাঁর কাছে যেতেন। ওই সাধুর পার্থিব আকাঙক্ষামুক্ত মন, শুদ্ধতা ও স্নেহময় প্রকৃতি সুভাষের মনে গভীর রেখাপাত করে। এর ফলে তাঁর গুরুলাভের ইচ্ছা আরও বৃদ্ধি পায়।

১৯১৪ সালে গরমের ছুটির সময় তিনি ও তাঁর এক বন্ধু এক সহপাঠীর কাছ থেকে কিছু টাকা ধার করে গোপনে তীর্থযাত্রায় বেরিয়ে পড়েন। বাড়িতে কিছুই বলে যাননি। পরে শুধু একটা পোস্টকার্ড লিখে জানিয়েছিলেন। উত্তর ভারতের বহু তীর্থস্থান দেখা ছাড়াও দিল্লি ও আগ্রার মতো কিছু ঐতিহাসিক স্থানও তাঁরা দেখেন। বহু আশ্রম, গুরুকুল ও ঋষিকুলের মতো প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও তিনি দেখেন। সাধু, সন্ত ও সন্ন্যাসীদের সান্নিধ্য ও সাহচর্য লাভ করেন। প্রায় দু’মাস ব্যাপী ভারত ভ্রমণের সময় সুভাষচন্দ্র বহু মানুষের সঙ্গে পরিচিত হন ও মেলামেশা করেন। হিন্দু সমাজ তথা ভারতবর্ষের মৌলিক দোষত্রুটিগুলি প্রত্যক্ষ করেন। ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কার, অস্পৃশ্যতার অভিশাপ, জাতপাতের মিথ্যা অহঙ্কার ও আচরণ সম্বন্ধে তাঁর বাস্তব অভিজ্ঞতা হয়। তেমনি কিছু কিছু প্রকৃত সাধু সজ্জনের সঙ্গেও তাঁর পরিচয় হয়েছিল। দীর্ঘদিন তাঁর কোনও খবরাখবর না পাওয়ায় সবাই খুবই উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। পুলিশে খবর দিয়ে সন্ধান করার কথা মনে হলেও বাড়ির লোকেরা তা করেননি। কেননা, তাঁদের আশঙ্কা ছিল যে, পুলিশ কাজের কাজ কিছু না করে হয়রানি করবে বেশি। শেষপর্যন্ত কাশীতে এসে সুভাষচন্দ্র রামকৃষ্ণ মিশনে স্বামী ব্রহ্মানন্দের সঙ্গে দেখা করেন। ব্রহ্মানন্দ সুভাষচন্দ্রের পিতা-মাতা ও পরিবারের সকলকে খুব ভাল চিনতেন। তাঁর পরামর্শমত সুভাষচন্দ্র তীর্থভ্রমণ ও গুরুর সন্ধান ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন।

সুভাষের হঠাৎ প্রত্যাবর্তনে বাড়িতে হইচই পড়ে যায়। ছেলেকে ফিরে পেয়ে মা প্রভাবতী আনন্দে ও অভিমানে বলেন, “আমার মত্যুর জন্যে তোমার জন্ম।” বাবা জানকীনাথ ছেলেকে বুকে জড়িয়ে কেঁদে ফেলেন। তারপর সব কিছু খোঁজখবর নেন। পরে দুপুরবেলা পিতা-পুত্রে একান্তে যে কথাবার্তা হয়েছিল তা বিস্ময়কর। সতের বছরের এক আপাত অপরিণত পুত্রের সঙ্গে প্রাজ্ঞ জীবন-অভিজ্ঞ পিতার যে ওই রকম কথোপকথন হতে পারে তা অবিশ্বাস্য মনে হবে। সংসারে থেকে ধর্ম হয় কি না, ত্যাগের জন্যে কেমন প্রস্তুতির প্রয়োজন, ত্যাগ সংস্কারনির্ভরশীল কি না, কর্তব্য ও জ্ঞানের পারস্পরিক সম্পর্ক ‘ব্রহ্ম সত্য জগন্মিথ্যা’ এই অদ্বৈতান শুধুই তত্ত্ব, না জীবনে তা realise করা সম্ভব ইত্যাদি গভীর দার্শনিক প্রশ্ন ও তার উত্তর নিয়ে যে আলোচনা উভয়ের মধ্যে হয়েছিল তার মান ছিল অসাধারণ। জানকীনাথের সঙ্গে কথাবার্তার পর সুভাষের মনে হয়েছিল যে, তিনি পিতাকে তাঁর কথা বোঝাতে পেরেছেন, ভবিষ্যতে তিনি পুত্রকে জোর করে আর কিছু করাবার চেষ্টা করবেন না। এমনকি ভবিষ্যতে সুভাষ যদি আবার গৃহত্যাগ করে চলে যান তাহলেও তিনি বোধহয় আর তাঁকে ফেরাবার চেষ্টা করবেন না। মা কিন্তু কোনও কথাই বুঝতে চাননি। সুভাষের মনে হয়েছিল মা ‘fanatic’। তাঁকে কিছুতেই বোঝান যায় না। নিজের সন্তানের প্রতি এত গভীর অন্ধ ভালবাসা সুভাষচন্দ্রের মনকে বিদ্রোহী করে তুলেছিল। তাঁর মনে হয়েছিল নিজের সন্তানের প্রতি ভালবাসা যদি না পথের একটি ছেলের প্রতি ভালবাসার সমতুল্য হয় তাহলে সে মাতৃস্নেহ ‘সাথহীন’ হয় না। বাড়ি ফেরার ক’দিন পরে তিনি তাঁর এক বন্ধুকে ওই অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করে লেখেন, “আমি যে প্রেমসাগরে ভাসিয়াছি—তাহার নিকট মাতৃস্নেহ গোষ্পদ সমান।” কথাটি রূঢ়, হৃদয়হীন মনে হবে। কিন্তু সুভাষচন্দ্রের কাছে ওই বয়সেই মাতৃভূমির প্রতি ভালবাসা গর্ভধারিণী মা’র প্রতি ভালবাসাকে ছাড়িয়ে যেতে শুরু করেছিল। অথচ তাঁর মাতৃভক্তি ছিল অতুলনীয়।

লিওনার্ড গর্ডন বলেছেন, সুভাষচন্দ্রের ওই ভারত আবিষ্কারের অভিজ্ঞতা রবীন্দ্রনাথের ‘গোরা’র ভারত-আত্মার উপলব্ধির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তুলনাটি সুন্দর। কিন্তু সুভাষচন্দ্রের এই ভারত দর্শনের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিতে যেন স্বামী বিবেকানন্দের পরিব্রজ্যার প্রতিফলন দেখা যায়। এরপর সুভাষচন্দ্রের জীবন এক নতুন মোড় নিয়েছিল। যেমন ঘটেছিল স্বামী বিবেকানন্দের জীবনে।

সকল অধ্যায়
১.
দেশনায়ক – ১
২.
দেশনায়ক – ২
৩.
দেশনায়ক – ৩
৪.
দেশনায়ক – ৪
৫.
দেশনায়ক – ৫
৬.
দেশনায়ক – ৬
৭.
দেশনায়ক – ৭
৮.
দেশনায়ক – ৮
৯.
দেশনায়ক – ৯
১০.
দেশনায়ক – ১০
১১.
দেশনায়ক – ১১
১২.
দেশনায়ক – ১২
১৩.
দেশনায়ক – ১৩
১৪.
দেশনায়ক – ১৪
১৫.
দেশনায়ক – ১৫
১৬.
দেশনায়ক – ১৬
১৭.
দেশনায়ক – ১৭
১৮.
দেশনায়ক – ১৮
১৯.
দেশনায়ক – ১৯
২০.
দেশনায়ক – ২০
২১.
দেশনায়ক – ২১
২২.
দেশনায়ক – ২২
২৩.
দেশনায়ক – ২৩
২৪.
দেশনায়ক – ২৪
২৫.
দেশনায়ক – ২৫
২৬.
দেশনায়ক – ২৬
২৭.
দেশনায়ক – ২৭
২৮.
দেশনায়ক – ২৮
২৯.
দেশনায়ক – ২৯
৩০.
দেশনায়ক – ৩০
৩১.
দেশনায়ক – ৩১
৩২.
দেশনায়ক – ৩২
৩৩.
দেশনায়ক – ৩৩
৩৪.
দেশনায়ক – ৩৪
৩৫.
দেশনায়ক – ৩৫
৩৬.
দেশনায়ক – ৩৬
৩৭.
দেশনায়ক – ৩৭
৩৮.
দেশনায়ক – ৩৮
৩৯.
দেশনায়ক – ৩৯
৪০.
দেশনায়ক – ৪০
৪১.
দেশনায়ক – ৪১
৪২.
দেশনায়ক – ৪২
৪৩.
দেশনায়ক – ৪৩
৪৪.
দেশনায়ক – ৪৪
৪৫.
দেশনায়ক – ৪৫
৪৬.
দেশনায়ক – ৪৬
৪৭.
দেশনায়ক – ৪৭
৪৮.
দেশনায়ক – ৪৮
৪৯.
দেশনায়ক – ৪৯
৫০.
দেশনায়ক – ৫০

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%