ইমানুল হক
১. বামফ্রন্ট সরকার তার ঘোষিত শিক্ষানীতির কাজ, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় বিল ২০০৯-কে তড়িঘড়ি আইনে পরিণত করতে চলেছে৷ এ বিষয়ে কথা বলা হয়নি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে৷ আহ্বান করা হয়নি সুস্থ বিতর্ক৷ উল্টে বিকৃত করা হয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট৷ সুবিমল সেন কমিটির রিপোর্টে প্রেসিডেন্সির উন্নতির জন্য যে ১২টি সুপারিশ করা হয়েছিল তার একটিও কার্যকর হয়নি৷ সরকারি কলেজে দুটি অধ্যাপক সংগঠন আছে৷ তাঁদের সঙ্গেও কথা হয়নি৷ এত ভয়? এত গোপনীয়তা? সরাসরি বিল পেশ করা হল৷ শিক্ষক সংগঠনগুলির কোনও মতামত নেওয়া হয়নি৷ অতীতে এই সরকার কখনও কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত শিক্ষক সমিতির সঙ্গে আলোচনা ছাড়া নেয়নি৷
২. বস্তুত, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় বিল ২০০৯ নিয়ে অধ্যাপক সংগঠনগুলি সম্পূর্ণ অন্ধকারে৷ শিক্ষার ভালো চাইলে শিক্ষক সংগঠনের কাছে সিদ্ধান্ত গোপন কেন? কেন কথা বলা হল না শিক্ষাবিদদের সঙ্গে? কেন ১৯২ বছরের একটা ঐতিহ্যবাহী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানকে আর পাঁচটা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার গোপন প্রচেষ্টা?
৩. আসলে সেন্টার অব এক্সেলেন্স গড়ার নামে প্রেসিডেন্সিকে একটা সাধারণ মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার চেষ্টা৷ নেতাজি ওপেন ইউনিভার্সিটি বিল, বারাসাত স্টেট ইউনিভার্সিটি, মালদহের গৌড় বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বিলের কপি পেস্ট করে বসানো হয়েছে৷ কোনও নতুন দিশা নেই, নতুন কথা নেই৷ শুধু ধারা আর পৃষ্ঠা সংখ্যা বদলে গেছে৷ শব্দ, বাক্য, কমা, ফুলস্টপ সব এক৷ নেতাজি ওপেন ইউনিভার্সিটি যা প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় ও কি তাই? প্রথা বহির্ভূত শিক্ষা আর প্রথাগত শিক্ষা একমানের হবে?
৪. গত এক দশক ধরে সরকারি কলেজ শিক্ষক সমিতি প্রেসিডেন্সি কলেজ সহ সব সরকারি কলেজকে নিয়ে সরকারি পরিচালনায় একটি রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার দাবি জানিয়ে আসছে৷ তা না করে শুধু প্রেসিডেন্সি কলেজকে আলাদা বিশ্বদ্যিালয় করার যুক্তি কী? অ্যাফিলিয়েটেড বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে আপত্তি৷ অথচ, প্রাইভেট ছাত্রদের এনরোলমেন্ট করার কথা বিলে বলা হয়েছে৷ (চ্যাপটার ১৷৷ ধারা ২.১৬)৷ এতে বলা হয়েছে : স্টুডেন্ট মিনস এ স্টুডেন্ট অফ দ্য ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুডস ইনি পার্সন এনরোল্ড বাই দ্য ইউনিভার্সিটি…’
৫. অদ্ভুত এক প্রতারণার শিকার আমরা৷ মুখে বলা হচ্ছে, একক বিশ্ববিদ্যালয় হবে প্রেসিডেন্সি৷ সে কারণে কোনও কলেজকে অ্যাফিলিয়েশন দেওয়া যাবে না৷ অথচ, বিলে বহু বার অ্যাফিলিয়েশনের কথা আছে৷ বিশেষত, বিলের শেষ পাতায় ফিনান্সিয়াল মেমোরেন্ডাম অংশে বলা হয়েছে, এ পার্ট অফ দ্য রেকারিং এক্সপেন্ডিচার ক্যান বি মেট বাই ইউনিভার্সিটি আউট অফ ইটস ওন রিসোর্সেস দ্যাট মে বি মোবিলাইজড বাই ওয়ে অফ রেজিস্ট্রেশন ফিজ, এক্সামিনেশন ফিজ, ইন্সপেকশন ফিজ, অ্যাফিলিয়েশন ফিজ, ইটিসি৷
এখন প্রশ্ন : অ্যাফিলিয়েশন না থাকলে অ্যাফিলিয়েশন ফি পাওয়া যাবে কোথা থেকে? আসলে আগামীতে বেসরকারি নানা আজে বাজে প্রতিষ্ঠানকে অ্যাফিলিয়েশন দেওয়া হবে৷ সেকথা বিলে সুস্পষ্ট ভাষায় লেখা আছে৷ বিলের ১ নং অধ্যায়ে, ধারা ২.২০-তে ইউনিভার্সিটি কলেজ-এর সংজ্ঞায় পরিষ্কার বলা হয়েছে, ইউনিভার্সিটি কলেজ মিনস এ কলেজ, অর অ্যান ইনস্টিটিউট, অর এ কলেজ কম্বাইনড উইথ অ্যান ইনস্টিটিউট, মেনটেইনড অ্যান্ড ম্যানেজড বাই দ্য ইউনিভার্সিটি, হোয়েদার এস্টাব্লিশড বাই ইট অর নট৷ এই ইউনিভার্সিটি কলেজ যে প্রেসিডেন্সি নয় সেটা তো পরিষ্কার ২.২ ধারায়—‘কলেজ’ মিনস আর্স্টহোয়াইল প্রেসিডেন্সি কলেজ, কলকাতা৷’
আর নিজেদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নয়, এমন সেন্টার, স্কুল, ইউনিভার্সিটি, কলেজ থেকেই তো অ্যাফিলিয়েশন ফি নেওয়া৷ এরা কারা? কাদের সেন্টার এগুলি? ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি, রাইস নামক সংস্থার বিজ্ঞাপনে প্রেসিডেন্সির স্ব-ঘোষিত উপাচার্যের অর্থবহ উপস্থিতি৷ তাতে আছেন অ্যালামনি শিরোমণি অমল পরিচিতি৷ তাহলে পয়সা কামানো বা শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ-ই আসল লক্ষ্য? যা সরকারি কলেজগুলিকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় গড়লে বাধাপ্রাপ্ত হবে?
কলেজ, সেন্টার, ইনস্টিটিউটকে স্বীকৃতি দেওয়ার গোপন প্রচেষ্টা আছে অথচ নামী, ঐতিহ্যপূর্ণ সরকারি কলেজগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়া যাবে না? এ কেমন অঙ্গীকার? সরকারিকে বেসরকারি করাই তাহলে আসল উদ্দেশ্য? অন্য কিছু নয়? হুগলি মহসিন কলেজ ১৭৫ বছরে পা দিয়েছে৷ ১৭৫ বছর পূর্তি উৎসব শুরু হয়েছে ১৯ মার্চ ২০০৯৷ সরকার তাদের কি সম্মান দিচ্ছেন? কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজ দেশের প্রথম সাধারণ সরকারি কলেজ (১৮৪৬ খ্রিস্টাব্দে)৷ মৌলানা আজাদ কলেজ, কোচহিার এ বি এন শীল কলেজ, ব্রেবোর্ন কলেজ, বেথুন কলেজ, যথেষ্ট ঐতিহ্যবাহী ও উচ্চমানের প্রতিষ্ঠান৷ ইউ জি সি সম্প্রতি প্রেসিডেন্সি ও এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে৷ এদের অ্যাফিলিয়েশন দিলে কি ক্ষতি হত?
৬. সরকারি কলেজগুলির ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থাগার, গবেষণাগার, পরিকাঠামো, কলা-বিজ্ঞান-চারুকলা-বাণিজ্য-বুনিয়াদি শিক্ষাসহ বিবিধ বিদ্যা অধ্যয়ন ও পঠনের প্রভূত অভিজ্ঞতা, বদলি ও পদোন্নতির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় গড়া হলে তা যে কোনও উন্নত বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে সম্পূর্ণ সক্ষম৷ বহু দুষ্প্রাপ্য বই আছে অন্যান্য সরকারি কলেজে৷ ডিজিটালাইজড করে ওয়েবসাইটের সাহায্যে তার সংযুক্তি সাধন শিক্ষা বিশ্বকে পথ দেখাতে পারতো৷ খুলে দিতে পারত শিক্ষার নতুন দিগন্ত৷
৭. অধ্যাপকদের দাবি, প্রেসিডেন্সি কলেজ সহ সব সরকারি কলেজকে নিয়ে রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়৷ তাদের প্রদর্শিত পথেই স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়, কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে৷
৮. প্রেসিডেন্সির ক্ষেত্রে বামফ্রন্টের শিক্ষানীতির সম্পূর্ণ বিরোধী কাজ করা হচ্ছে৷ মুখে ও লিখিতভাবে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার বিরোধিতা করা৷ কিন্তু প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় বিল ২০০৯-এ বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা, ডিগ্রি দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে৷ (চ্যাপ্টার ২৷৷ ধারা ৪.২৬)৷
শিক্ষার বেসরকারিকরণের বিরোধিতা করা হচ্ছে, অথচ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেওয়া বা প্রেসিডেন্সি কলেজের জমি বিক্রির প্রস্তাব বেসরকারিকরণের ইঙ্গিতবাহী৷ (চ্যাপ্টার ২৷৷ ধারা ৪.২০)৷ বলা হয়েছে To acquire, hold and dispose of property, movable and immovable.
সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম থেকে কোনও শিক্ষা কি নেওয়া হবে না?
৯. আমরা প্রেসিডেন্সির উন্নতির কোনও রকম বিরোধী নই৷ বরং উল্টো৷ আমরা চাই, প্রেসিডেন্সি কলেজ সহ সব সরকারি কলেজের আধুনিকতম ও বৈজ্ঞানিক বিকাশ৷ সর্বাঙ্গীণ উন্নতি৷ এর জন্য সরকারি ব্যয়বরাদ্দ বাড়ানো, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস, অতিথি অধ্যাপক আনা, একাধিক উন্নত মানের ছাত্র ও ছাত্রী নিবাস, আরো ছাত্রছাত্রী বৃত্তি, গবেষণা বৃত্তি, অতিথি আবাস, শিক্ষক আবাস, নিজস্ব বাস সার্ভিস, ডিজিটালাইজড গ্রন্থাগার, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাগার৷ প্রেসিডেন্সি কলেজে বহু আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা হয়েছে, হচ্ছে৷ পরিকাঠামো আরও উন্নত হলে শিক্ষাজগৎ, দেশ ও সমাজ উপকৃত হবে৷
১০. বিশেষজ্ঞ কমিটি ও বিধানসভার কমিটিও পরিকাঠামো বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে৷ তা না করেই তড়িঘড়ি বিল পাস করানোর চেষ্টা কেন?
১১. প্রেসিডেন্সি কলেজে ৬৮টি শিক্ষক পদ শূন্য, শূন্য গ্রন্থাগারিক ও শিক্ষাকর্মীপদ৷ সে কাজ না করে, দেশের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠানকে বেসরকারিকরণ/অসরকারিকরণ করা ভয়ংকর বিপদের ইঙ্গিতবাহী৷
১২. এই বিল চরম গণতন্ত্র বিরোধী৷ বিলের ৩ নং চ্যাপ্টারে ২২ নং পাতায় ৩২ নং ধারায় মারাত্মক গণতন্ত্র বিরোধী কথা আছে৷ বলা হয়েছে, কোনও কর্মচারী বা অধ্যাপক কোনও ডিসপুটের ক্ষেত্রে আদালতে যেতে পারবেন না৷ তাঁকে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত মানতে হবে৷ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত ফাইনাল৷ এটা ফ্যাসিস্ট সিদ্ধান্ত৷ গণতন্ত্রের প্রতি অনাস্থা৷
১৩. সরকার চেষ্টা করুক, যাতে গরিব মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চিত না হয়৷ প্রেসিডেন্সি কলেজে বহু গরিব মেধাবী ছাত্রছাত্রী সুযোগ পেয়েছে৷ সরকারি ছাত্রাবাস ও ছাত্রী আবাসে কম খরচে থেকে, কম বেতনে পড়ে, গবেষণা করে দেশের ও প্রতিষ্ঠানের মুখ উজ্জ্বল করেছে৷ প্রেসিডেন্সি সরকারি তকমা হারালে গরিব মেধাবী ছাত্রছাত্রীর স্বার্থ বিপন্ন হতে বাধ্য৷ সবাই জানেন, সরকারি কলেজে পড়ার খরচ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের থেকে বহু গুণ কম৷ বহু সরকারি ছাত্রবৃত্তি আছে, সে সুযোগ হারাবে ছাত্রছাত্রীরা৷ বঞ্চিত হবে সংখ্যালঘু, তপশিলি জাতি উপজাতিরা৷
১৪. এখন সরাসরি প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বহু ছাত্রছাত্রী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু উন্নতমানের বিভাগে সরাসরি ভর্তি হয়৷ ভবিষ্যতে মাত্র ৫ শতাংশ আসনে ভর্তির সুযোগ পাবে বা ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে৷ বি এড বা বি টেক তারা পড়বে কোথায়?
১৫. কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য জানাচ্ছে, একক বিশ্ববিদ্যালয় বা ডিমড বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার অভিজ্ঞতা হতাশাব্যঞ্জক৷ এই ধরনের ৪৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বাতিল করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার (২০০৯)৷ শিবপুর বি ই কলেজের অভিজ্ঞতাও আমাদের সকলের জানা৷ বহু ছাত্রছাত্রীর সঙ্গে সুস্থ প্রতিযোগিতার সুযোগ হারালে প্রেসিডেন্সি কলেজের ছাত্রছাত্রীদের মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন হবে না৷ যোগ্যতার অভাব ঘটবে৷
১৬. প্রেসিডেন্সি কলেজে বর্তমান নিয়মে পি এস সি মারফৎ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ হয়৷ ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ সেখানে প্রযোজ্য নয়৷ প্রযোজ্য নয় দলতন্ত্র৷ বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে অনিয়ম-বেনিয়মের অভিযোগ ওঠে৷ বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সম্পর্কে বলা হয়, আগে লোক ঠিক হয়, পরে বিজ্ঞাপন হয়৷ পি এস সি-র নিয়োগ এখনো প্রশ্নাতীত৷ নিজেদের লোক না বসালে কি চলছে না? যাবার আগে প্রতিষ্ঠানকে শেষ করে দিয়ে যাবেন?
১৭. ছাত্রছাত্রী ভর্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, সততা মেনে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি হয়৷ কোন প্রশ্ন ওঠে না৷ আগামীতে তা থাকবে কি?
১৮. প্রেসিডেন্সি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃষ্ণনগর, হুগলি মহসিন, কোচবিহার এ বি এন শীল, সংস্কৃত কলেজ, ঝাড়গ্রাম, চন্দননগর, দার্জিলিং-এও একক বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার দাবি কোনও কোনও মহল থেকে তোলা হচ্ছে৷ কী করবেন রাজ্য সরকার? সমগ্রতা না বিচ্ছিন্নতা—কোনটা আমাদের কাম্য?
১৯. সবাই জানেন, স্নাতক স্তরের একটি সরকারি কলেজ হিসেবে প্রেসিডেন্সি কলেজ গৌরবের শিখরে উঠেছে৷ আদায় করেছে শিক্ষা বিশ্বের সমীহ৷ সুশোভন সরকার, তারক সেন, জনার্দন চক্রবর্তী, ভবতোষ দত্তরা স্নাতক স্তরেই পড়িয়েছেন সরকারি বদলির নিয়ম মেনেই৷
চাই, প্রেসিডেন্সি কলেজসহ সব সরকারি কলেজকে নিয়ে রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়৷ এতে শিক্ষার উন্নতি, সমাজের উন্নতি, উন্নতি দেশের দশের গরিব মেধাবী ছাত্রদের৷ সেন্ট জেভিয়ার্সের মতো একটি নামী প্রতিষ্ঠানের কী হাল দাঁড়িয়েছে? সেখানকার ছাত্রদের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আদালতে মামলা করতে হচ্ছে৷ শিবপুর বি ই কলেজে দেশের এক নম্বর প্রতিষ্ঠান ছিল, আজ তা খ্যাত মারামারির জন্য৷ আমরা কি আর একটা বি ই কলেজ চাইছি?
শেষ কথা: ২০১০-এ প্রেসিডেন্সি কলেজ ছিল দেশের সেরা কলেজ। এখন বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ২০২৩-এ ১৫০ নম্বরেও ঠাঁই পায় না।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন