আর-একজন কোকিল

অনীশ দেব

1

নমোসকার। এখোন যেটা লিখবো সেটা বড়োদের জননো নয় কিনতু। মানে শুধু ছোটদের    জননো। আমাদের বাংলা বইয়ে পড়েচি—বড়োরা লিখেচে আর ছোটরা—মানে আমরা পড়চি। বুটু কিনতু অনেক ছোট। আমার চেয়েও ছোট। তাই ওর জননো কে লিখবে। কেউ তো লিখছে না। তাই আমি লিখছি। বুটুর জননো বাংলা বই। ওর পড়ার বই।

অনেকদিন ভেবেছি কি করে বই লেখা যায়। লিখে-লিখে আর ভেবে পারি না। কী যে মুসকিল এই বই লেখা। একটু কঠিন করে লিখতে হবে কিনতু। গলপের বই তো নয় আর। পড়ার বই। সব্বাই বলে গলপের বইয়ের চেয়ে পড়ার বই কঠিন হয় তাই।

আমি গোটা বইটা একা লিখবো না কিনতু। সব বইতে দেখি একেকজন একেকটা পড়ার কঠিন গলপো (ওটাকে কি বলে ঠিক জানি না) লিখেছে। আমিও তাই। সেইরকোম আমি একটা লিখবো। অননোগুলো পাপিয়া, সুমি, কণিকে দিয়ে লেখাবো। তারপর একসংগে বই করে বুটুকে দেবো। আর না পড়তে পারলে বাবার বেতটা নিয়ে মারবো। বাবার মতোন জোরে মারবো না, কিনতু অলপো আস্তে মারবো যাতে ব্যথা লাগবে না মোটেই, কিনতু ভয় পাবে।

নমিতাকে দিয়েও বই লেখাতাম। কিনতু না। ওর সংগে আমার দারুণ ঝগড়া হোয়ে গ্যাচে। ঝগড়া হোত না, কিনতু ও-ই আমাকে কালো বলেচে। আর কেউ কিনতু বলেনি। আমাকে মা বলেচিল, যে যাই তাকে তাই বললে খারাপ হোলে রেগে যায়। যেমোন ভিকু খোঁড়াকে ল্যাংড়া বললে রেগে গিয়ে আমাদের মারতে আসে। বাবাকে একদিন মা মাতাল বলেচিল। তাই শুনে বাবার কি রাগ। মারতে আসে আর কি মাকে। আমি শুয়ে শুয়ে চোখ পিটপিট করে দেখচিলুম। ভয়ে চোখ বুজে ফেলেচিলুম। মাতাল মানে আমি জানি, বুটু জানে না। জানবে কি, ও বাবাকে শুধু বা বলে। আর কাঠের যে ঘোড়াটা মামু দিয়েচিল ওটাকে বলে ঘোরা। আমি ঘোড়া বলি কিনতু। বুটু তো বলবেই। বাচ্চা তো।

মাতাল মানে আমি পাপিয়াকে জিগগেস করেচিলাম। ও জানে না। আমার মনে হয় বেতাল বলে যে ছোটদের বই আচে (গলপের বই কিনতু) মাতাল মনে হয় তাই। শুধু ব এর জায়গায় ম। মানে বেটাছেলের জায়গায় মেয়েছেলে। তাই বোধহয় ব এর জায়গায় ম। মাতাল মানে বোধহয় তাহোলে মেয়ে বেতাল। কিনতু মা যে বাবাকে মাতাল বোললো বাবা কি মেয়ে? কে জানে!

তাই রাগ হোয়েচিলো আমার যখন নমিতা আমাকে কালো বলেচিল খেলবার সময় মাঠে। ওদের মসতো গাড়ি আছে। ভালো জামা পরা লোক চালায়। কিরকম সব মেশিন লাগিয়েচে আবার গাড়ির ভেতোরে। তাতে গান হয়, পাখা ঘোরে। নমিতা ঐ গাড়ি চোড়ে ইসকুলে আসে। আমাদের সংগে খেললে ওর মা বকে, কিনতু তবু ও খেলে। দারুণ স্টাইল করে থাকে সবসময় সিনেমার পোসটারে দেখা সব মেয়েদের মতোন। আমি কিনতু বেশি সাজি না মা মারবে বলে।

যাগগে, যেকথা বলচিলুম। নীলাদি বোলতো যার মা ফরসা, বাবা ফরসা হয় সেও ফরসা হয়। নমিতার মা বাবা সবাই ফরসা, আমার কিনতু নয়। বাবা ফরসা খালি, মা কিনতু কালো, ফরসা নয়। মাঝে মাঝে তাই ভাবি ইশ মাও যদি ফরসা হোতো। নমিতা সবসময় আমাকে কালি বলে ডাকে, তাতে কিনতু আমি রাগি না। কালি তো ঠাকুরের নাম। কিনতু আমায় কালো বলেচিলো বলেই রাগ হয়েচিলো আমার।

আমি কি ইচ্ছে করে কালো হয়েছি? আমি মাকে জিগগেস করেচিলুম, আমি কালো কেন, ফরসা নই কেন। মা হেসে বলেচিলো, ভগোবান যে রং দেন সে রংই ভালো।

মাঝে মাঝে লুকিয়ে-লুকিয়ে অনেক সাবান মেখেচি কিনতু ফরসা হইনি। শুধু শীতকালে একটু অল্প ফরসা হই কারণ সাবান মাখলে গাটা কিরকম সাদা সাদা খড়ির মতোন হয়। পাপিয়া সুমি, কণি—ওরা খড়ি উঠলে জল দিয়ে ধুয়ে দেয় কিনতু আমি দিই না। যতোক্ষণ থাকে ততোক্ষণ রেখে দিই। মাকে ডেকে দেখাই। আয়নায় বার বার দেখি। আসলে আমার গায়ের রংটাই কালো।

কিনতু একটা কথা ভাবলে অবাক লাগে। আমাদের অমলকাকুর কথা। অমলকাকু আমার মতোন কালো ছিল কিনতু একদিন দেখি অমলকাকুর ঠোঁট দুটো সাহেবদের মতোন সাদা। আর সব কিনতু তেমনি কালো, সাদা নয়। মাকে আমি জিগগেস করেচিলুম, মা বলেচে ওটা একটা অসুখ। কিনতু অনেকদিনের মধ্যেই অমলকাকুর হাত পা সব সাদা হয়ে গেল। সাহেবদের মতোন। আমার কিনতু ইচ্ছে করচিলো ওরকম হয়ে যেতে। ঠিক মেমদের মতোন। কিনতু আমার হোলো না।

বুটু কিনতু আমার চেয়ে ফরসা, কিনতু বাবার চেয়ে কালো। মা বলে বড়ো হলে ও নাকি আমার মতোই কালো হয়ে যাবে। পাপিয়া, সুমি, কণি, ওরা ফরসা নয় কিনতু অলপো কালো। আমাকে একদিন কণি বলেচিলো—ইস, তুই অলপের জননো ফরসা হতে পারলি না। তোর মা যদি ফরসা হোতো তবে তুইও ফরসা হোতি। তাহোলে আর তোর বিয়ের জননো কষ্টো হোতো না।—তখোন থেকেই আমি ভাবচি কি করে ফরসা হওয়া যায়। আবার ভাবি এখোন মা যদি ফরসা হয় তবে কি আমিও হবো। মনে হয় হবো। তাহোলে প্রথমে মাকে ফরসা করা দরকার কিনতু কি করে হবে। মাকে রোজ বলি সাবান মাখতে, মা হাসে। ভেবে ভেবে বুঝতে পারি না কি করে উপায় হবে। ধুর ছাই।

*

পড়ার বইতে যেমোন চ্যাপটা (এক, দুই এমনি) থাকে আমার লেখারও তেমনি থাকবে কিনতু এক দুই নমবোর না দিয়ে তারার ছোবি দেবো। বুটু তারা ভালোবাসে।

কণিকে, সুমিকে আর পাপিয়াকে বলেছি পড়ার বই লেখার কথা। ওরা তো হেসেই খুন। লিখবে কি, খালি হাসছে। কিনতু বলেছে লিখবে। সবগুলো হোলে চাদুমিঁয়াকে দিয়ে একসঙ্গে বাঁধিয়ে বই করে বুটুকে দেবো।

কাল রাতে বোতল ভেঙে বাবার হাত কেটে গেচে। তাই বাবা কি অসোব্য সব কথা বলচিলো মাকে। আমি ছুটটে গিয়ে বুটুর কান চেপে ধরেছিলুম। যদি ও শোনে তাই। আমি তো বড় হয়েচি, সব বুঝি, বুটু ছোট তো তাই। বাবার হাত দিয়ে দরদর কোরে রকতো পড়চিলো। কিরকম করে যেন বাবার ফরসা হাতটা আরো অনেক ফরসা হয়ে যাচ্চিলো। ঘরে রকতো আর বিচ্চিরি গনধো ভরতি। বোতলের মধ্যে জল ছিলো, সব পড়ে গ্যাচে মাটিতে, তার গন্ধ বোধহয়। বাবা কি তাহলে নরদমার জল খায় যে ওতে এমোন বাজে গনধো।

তখখুনি কিনতু মাথায় এলো ফনদিটা। মানে ফরসা হওয়ার কায়দাটা। কাউকে এখোন বলবো না। কিনতু মাকে বোলতেই হবে, কারণ মাকে আগে ফরসা করতে হবে।

*

বেশী চ্যাপটা করলে বাচ্চাদের ভালো লাগে তাই আরো একটা চ্যাপটা কোরলুম। বুটুর ভাল লাগবে। কিনতু আর একটু কঠিন কোরতে হবে লেখাটাকে। বেশি কোঠিন হচ্ছে না। পাপিয়া লিখতে সুরু করেচে। ও আমাদের খেলার কথা আর ভিকু খোঁড়ার কথা লিখছে। সুমি নীলাদি কবে ওকে লজেনস দিয়েচিলো সেকথা লিখছে। কণি কিনতু ওদের কুকুর আর বেড়ালটার কথা লিখেছে খালি। একদিকে ভালোই হয়েছে। সব রকমের লেখা থাকা ভালো।

আজ সককালে মার হাত কেটে গেচিল তরকারি কুটতে গিয়ে। ঠিক বাবার মতোন রকতো পড়চিলো খুব। কিনতু একই রকতো ঠিক বাবার মতোন। যারা ফরসা তাদের রকতো আর যারা কালো তাদের রকতো কি একই রকোম হয়। তাই হবে বোধহয়। তাই মা আর বাবার রকতো একইরকম লাল। রকতো পড়ে-পড়ে মার হাতটা সাদা হয়ে গেলো। ব্যানডেজ বেঁধেও রকতো বনধো হচ্ছে না। শেষে অনেক পরে বনধো হলো রকতোটা। মা যনতোনায় মুখ কুচকে রইলো। এটটু পরেই মাকে বললাম ফনদিটা। শুনে মা এতো বকলো যে কি বলবো। মাকে বলেচিলুম—মা আমার হাতটা তুমি অমনি করে কেটে দাও তবে আমার হাতটাও সাদা ফরসা হয়ে যাবে।—বকুনি খেয়ে মন খারাপ হয়ে গেল। বুটুকে নিয়ে বাইরে চলে এলাম। এখন আর তাহোলে লিখবো না।

*

বোধহয় ঘুমিয়ে পড়েছিলাম আমি তাই ঘুম ভেঙে গেল চিৎকারে। আমি রোজ মার পাশে বুটুকে নিয়ে শুই। আজও তাই। ঘরে শুধু একটা পিদিম জ্বলচে। সেই আলোয় দেখি মা বিছানায় বসে কাঁদচে আর বাবা ঘরময় ঘুরে বেড়াচ্চে ঠিক যেন কণিদের এলসিয়ান কুকুরটা। বুটুর কানে হাত চাপা দিলাম যাতে ওর ঘুম না ভেঙে যায়, উঠে পড়ে। বাবা চেঁচিয়ে বলচিলো—রোজ রোজ আমি সঝঝো কোরবো না। আজ আমার চাই। কোথায় আচে বলো শিগগিরি। মা কাঁদচিলো, মুখ তুলে বললো—আমার যা আচে সবই তোমার পিণ্ডি গিলতে (বেঁচে থাকলে পিণ্ডি হয় নাকি। পাপিয়ার দাদু তো মারা গেচে। তাই ওরা পিণ্ডি দিয়েচে। পিণ্ডিটা বোধহয় খাবারটাবার কিছু হবে।) যাচ্ছে। আর কত চাও। ছেলেমেয়ের মুখটা একবার দেখবে না। বাবা কণিদের পুসির মতোন দাঁত খিচিয়ে বললো—চুপ কর মাগী, কথা বলবি তো জিব টেনে ছিঁড়ে নেবো। কোথায় আছে বের কর। মা একবার পেছন দিকে চেয়ে দেখল আমরা শুয়ে আচি কিনা। আমি চুপ করে শুয়ে চোখ বেশী নয় অলপো ফাঁক করে দেখচিলুম। তাই মা বুঝতে পারলো না। বাবাকে বললো—ওগো, তোমার পায়ে ধোরচি, রাত বিরেতে এখন চেঁচামেচি কোর না। ওরা উঠে পোড়বে। একটু থেমে মা আবার বললো—সবই তো তোমাকে দিয়েচি। যা অলপো সনচয় রেখেছি তা মেয়েটা আর ছোট ছেলেটার জন্য। তাও তুমি ওসব অখাদদো জিনিসের পেছোনে ওড়াবে। আমি বেঁচে থাকতে তা হোতে দেবো না। তুমি নিজে তো একটা অমানুষ, এখন ছেলেমেয়েগুলোকেও অমানুষ করবে। বাবা হঠাৎ এগিয়ে এল। এক হ্যাচকায় টেনে তুললো আমাকে আর বুটুকে। টেনে নিয়ে চললো রাননাঘরে। ওখানে মেঝেতে দড়াম করে ফেলে দিয়ে দরজা বনধো করে দিল। তারপর দুপদুপ করে চলে গেল।

এদিকে বুটু ঘুম ভেঙে গিয়ে কাঁদতে শুরু করেচে। আমি তাড়াতাড়ি ওকে ঘুম পাড়াতে লাগলাম। অলপো পরেই ও আবার ঘুমিয়ে পড়লো। আমি বসে রইলুম। কিনতু কিছুই শুনতে পেলাম না।

এইরে, বুটুর জননো লেখা বইয়ে বুটুর কথাই অনেক লিখে ফেলেছি। তবে কোন ভয় নেই। বাঁধাবার আগে যখন পুফ (সুমিদের পেরেস আচে। ওরা পেসে পুফ দেখে, ঠিক তেমন করে আমিও পুফ দেখবো) দেখবো তখন কেটে বাদ দিয়ে দেবো। নয়তো বুটু হাসবে। এখন আর লিখবো না। ভীষণ ঘুম পাচ্চে। (এখোন কিনতু ঘুম পাচ্চে না। যখোনকার কথা লিখচি তখোন ঘুম পাচ্চিলো তাই লিখলুম। বড়োরাও এমনি লেখে।)

*

সককালে উঠে যা দেখলাম কি বোলবো। এতো মজা আননদো আর খুশি হোল যে আমার নাচতে ইচ্চে কোরচিলো। সককালে উঠে দেখি রাননাঘরে পড়ে আচি। দরজা তো বাইরে থেকে বনধো। কেমনি করে বেরই। বুটু কিনতু ঘুমোচ্চে। বাচ্চা তো। তখনই দেখলুম বেড়ার তলার ফাঁকটা, যেখান দিয়ে ভুলু রাননাঘরে ঢোকে মাংসোর হাড় খাবার জননো। চটপট সেখান দিয়ে বেরিয়ে পড়লুম। অমলকাকু যে ফ্রকটা দিয়েচিলো ওটা পরেছিলাম। একটু ছিঁড়ে গেলো। ছুটটে গিয়ে সদর দিয়ে বাড়িতে ঢুকলাম। তারপর রাননাঘরে গিয়ে দরজা খুলে বুটুকে বের করে আনলাম। তারপর শোওয়ার ঘরে গিয়েই আননদোটা হোল। তাড়াতাড়ি বুটুকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম তারপর ছুটটে গেলাম মার কাচে। মা শুয়েচিলো আর—আর কি ফরসা। অনেক-অনেক ফরসা। আগের বারের মতোন শুধু হাত নয়, এবার পুরোটা ফরসা।

হটাৎ দেখি একটু দূরে মার আঁচলের চাবিটা পড়ে আচে আর এটটু রকতো। তাহলে বোধহয় মারামারির সময় বাবার হাত থেকে, মার হাত থেকে কাটা থেকে রকতো পড়েচে। বাবা দেখলুম রোজকার মতোনই বাড়িতে নেই। মাকে অনেক ডাকাডাকি কোরলুম—মা, দেখো, তুমি ফরসা হোয়ে গেচো। মা—ওমা। কি মজা এবার। তাহোলে আমিও ফরসা হবো। নীলাদি বোলেচিলো যে তোর মা যদি ফরসা হোত তবে তুইও ফরসা হোতিস। তাহোলে মা তো হয়েই গেচে, এবার আমি হব। বুটুর হওয়ার কোনো দরকার নেই—ও তো ছেলে। যতোককন মা ঘুমোচ্ছে ততক্ষণ এটা লিখে ফেলছি। শেষদিকটা ইচ্চে করে একটু কঠিন দিলুম। পড়ার বই তো, গলপের বই তো নয় আর। আজ গিয়ে নমিতাকে কোষে বকুনি লাগাবো আমাকে কালি বলার জননো। রোজ রোজ ইয়ারকি ভালো লাগে না। ওকে বোলবো—এত বড় ধেড়ে মেয়ে হোয়ে মিতথে কথা বলিস কেমন করে রে। চোখের ওপর দেখচিস আমি ফরসা তবু কালি বোলচিস, বরনচো তোদের কুকুরটার নাম কালি রাখিস। নাঃ, বডডো খিদে পেয়ে যাচ্চে। কতোকখন যে বসে থাকতে হবে কে জানে। বাইরে মনে হয় কারা আসছে। একটা গাড়ির আওয়াজ পেলাম। তারপরই গসগস গসগস করে বুটের শবদো। বোধহয় হরিশ কাকুরা বেড়াতে এল। সোততি, কি অবাকই না ওরা হয়ে যাবে মাকে দেখে। কিনতু আর এটটু দেরি কোরে আসতে পারলো না ওরা! ততোকখনে আমিও ফরসা হোয়ে যেতুম। একেই বলে কানডোজ্ঞানহীন এর মতো কাজ করা। মরণ...!

সকল অধ্যায়
১.
আমার বাঁ-হাতের পাঁচ আঙুল
২.
উনিশ বিষ
৩.
সন্ধের পর, একা
৪.
মনে করি, খুনির নাম এক্স
৫.
হঠাৎ বজ্রপাত
৬.
একটা ঘুঁটি কম ছিল
৭.
ফিরে আসা
৮.
জীবন যখন ফুরিয়ে যায়
৯.
ব্ল্যাকমেল ডট কম
১০.
আকাশবাণী নরক
১১.
সাবধান! সাপ আছে (১)
১২.
শেষ লেখা
১৩.
নীলবর্ণ বিড়াল
১৪.
সংঘর্ষ যদি হয়
১৫.
মায়াযৌবন
১৬.
চন্দনকাঠের বাক্স
১৭.
মুদ্রারাক্ষস
১৮.
যখন কিছুই মনে পড়ছে না
১৯.
নীল আলো ভালো নয়
২০.
বুকের ভিতরে
২১.
আলো নিভে গেলে বুঝবে
২২.
জিহাদপুরের সেই লোকটা
২৩.
সুখের সংসার ডট কম
২৪.
৩২শে জানুয়ারির রাত
২৫.
কুয়াশা, অন্ধকার এবং...
২৬.
ছলাবউ কলাবউ
২৭.
চেইন রিয়্যাকশন
২৮.
অপারেশন দাঁড়কাক
২৯.
সাবধান! সাপ আছে (২)
৩০.
আসুন, এদিকেই নরকের দরজা
৩১.
শুয়োর বিষয়ক একটি অসম্পূর্ণ গবেষণাপত্র
৩২.
আর-একজন কোকিল
৩৩.
পাখির রাজা
৩৪.
একটু-একটু দেখা যায়
৩৫.
আগে বোঝা যায় না
৩৬.
চিকুর স্বপ্ন
৩৭.
নির্মল বেকারির বাস্তুভূত
৩৮.
ভালোবাসা ফুরিয়ে গেলে
৩৯.
চিত্রার অদৃশ্য মৃতদেহ
৪০.
যারা গাড়ি জোরে চালায়
৪১.
মাননীয় বিচারকমণ্ডলী
৪২.
বিদায় সংবর্ধনা
৪৩.
হারান স্যারের ভূত
৪৪.
বন্‌বনিয়া
৪৫.
চোর ধরল ঝামেলা
৪৬.
রাত ফুরোল, কথা ফুরোল
৪৭.
দাগের বাইরে যাবেন না
৪৮.
রাতের ট্রেনে দেখা হয়েছিল
৪৯.
অন্ধকারে, হাতে হাত রেখে
৫০.
ভয় পাওয়া মানুষ
৫১.
নগ্ন নির্জন রাত
৫২.
তিরিশ বছর পর চব্বিশজন
৫৩.
বিড়াল
৫৪.
মনে ভয় আছে
৫৫.
দৃশ্য-শেষ
৫৬.
অপারেশন ভারচুরিয়্যালিটি
৫৭.
একতিলের জন্য
৫৮.
আপনার নির্বাচন
৫৯.
সুন্দরী
৬০.
ভূতের গন্ধ
৬১.
হারিয়ে যাওয়া
৬২.
নখের আঁচড়
৬৩.
চুনিলালবাবুর লাল চুনি
৬৪.
ড্রাকুলা
৬৫.
অয়স্কান্তের অন্তিম ইতিহাস
৬৬.
অবচেতন
৬৭.
না ভেবে খুন কোরো না...
৬৮.
নষ্ট চাঁদ, কষ্ট চাঁদ
৬৯.
ভুলোমন ভুলোদা
৭০.
সন্দেহের এক কণা
৭১.
বকুলফুলের দিনগুলি
৭২.
আরশিনগরের অসভ্য লোকটা
৭৩.
আমার স্ত্রীর আততায়ী
৭৪.
খুন করা সহজ
৭৫.
ডাম্পির সুখ-দুঃখ
৭৬.
বিকল্পকবি সুবল বসু
৭৭.
মোনালিসার নতুন বন্ধু
৭৮.
মুশকিল আসান
৭৯.
বুদ্ধি যদি বৃদ্ধি পায়
৮০.
সাত ঋতুর জীবন
৮১.
তোমার আসা চাই
৮২.
আকাশে কীসের শব্দ
৮৩.
বিপদে পড়ে আপনাকে বলছি
৮৪.
ঝামেলা ও লম্ফমান ফুটবল
৮৫.
আস্তিনের তাস
৮৬.
ভোলাকে ভোলা যাবে না কিছুতেই
৮৭.
আমরা সবাই সমান
৮৮.
ভয়ের খুব কাছে
৮৯.
বাক্সের ভিতরে কী আছে?
৯০.
টিরা গ্রহের ভয়ংকর
৯১.
ছকের বাইরে
৯২.
অর্ধেক পুরুষ
৯৩.
ইনস্পেক্টর রনি ও অলৌকিক সার্কাস
৯৪.
রক্তের দাগ ছিল
৯৫.
(খুনি) তুমি রবে নীরবে
৯৬.
হারিয়ে যাওয়ার ভয়
৯৭.
অসুর
৯৮.
দধীচি সংবাদ
৯৯.
মরা মানুষের হাত
১০০.
টাইম-কিলার
১০১.
অমানুষিক হাত

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%