গ্রহের নাম গ্লিং

কৃষ্ণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

দিগন্তবিস্তৃত বরফের প্রান্তর৷ যতদূর দৃষ্টি যায়, ততদূর৷ এমনকী দৃষ্টিসীমার বাইরেও লক্ষ লক্ষ মাইল জুড়ে শুধু বরফ আর বরফ৷ এই বিশাল গ্রহের পুরোটাই এখন শুধু বরফ দিয়ে মোড়া৷ কারণ এ গ্রহের তাপমাত্রা এখন হিমাঙ্কের বহু বহু ডিগ্রি নীচে৷

এই ভয়ংকর আবহাওয়ায় এখানে কোনো প্রাণী আজ আর জীবিত নেই৷ শীতলতম পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে নিতে যে দু-চারটি প্রজাতি টিকে গিয়েছিল, তাদের মধ্যে শেষ প্রজাতিটি লুপ্ত হয়েছে আজ থেকে প্রায় সত্তর হাজার বছর আগে৷ তারপর গ্রহটির এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত শুধুই নিষ্প্রাণ শীতলতা৷

যদিও এই ভয়াবহ পরিবেশ এই মুহূর্তে আর নিষ্প্রাণ নয়৷ গ্রহটার দক্ষিণসীমায় এক ছোট্ট অংশ জুড়ে দেখা যায় প্রাণের মহিমা৷

সেখানে বরফের মধ্যে একটা আয়তাকার ফাটল৷ সেই ফাটলের মধ্যে থেকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে উঠেছে একটা অদ্ভুত আকৃতির ট্রান্সপারেন্ট স্ট্রাকচার৷ আচমকা দেখলে সেটা ওই বরফেরই কোনো অংশ বলে মনে হতে পারে, কিন্তু আসলে সেটা কোনো প্রাকৃতিক বস্তু নয়৷ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ একটা ধাতু 'স্ক্রোমা' দিয়ে তৈরি সেই স্ট্রাকচারটি, যেটা বরফ ভেদ করে নেমে গেছে প্রায় পনেরো মাইল গভীরে৷ আর এই পনেরো মাইলের মধ্যে বিভিন্ন উচ্চতায়, স্ট্রাকচারটির বিভিন্ন অংশে, বিশেষ দক্ষতায় তৈরি করা হয়েছে কয়েকটা হলঘরের সাইজের ক্রিস্টাল গোলক৷

স্ট্রাকচারটা আসলে একটা পোর্টেবল ল্যাবরেটরি৷ ওখান থেকে নজরদারি এবং গবেষণা চলছে গোটা গ্রহটার ওপর৷ আর সে নজরদারি চালাচ্ছে তারাই, যারা এই অকল্পনীয় পরিবেশেও অবলীলায় তৈরি করেছে ওই স্ট্রাকচার, তৈরি করেছে তাদের গবেষণার উপযুক্ত ব্যবস্থা, আর তারপর ওখান থেকেই অনায়াস দক্ষতায় এক্সপ্লোর করে চলেছে এ-গ্রহের আদ্যোপান্ত৷ ওরা হল আটটি অদ্ভুত প্রকারের জীবের একটি দল, যার নাম 'টিম টাউ'৷

স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ ওদের শরীর৷ সেই শরীরের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই৷ প্রয়োজনমতো ওরা সেই শরীরগুলোকে বিভিন্ন অবয়বে রূপ দিতে পারে৷ সেখানে মুখমণ্ডল বলে কিছু বোঝা যায় না৷ নাক-মুখ কিছু নেই৷ চোখের বদলে আছে একটা লম্বা নলের মতো ভিশন পয়েন্ট, যা দিয়ে শুধু দেখা নয়, টেলিস্কোপ বা মাইক্রোস্কোপের মতো মাল্টিপারপাস কাজে তা ব্যবহার করা যায়৷ তবে সবকিছু ছাপিয়ে আছে ওদের ক্ষুরধার আই-কিউ, যা দিয়ে এই মহাবিশ্বের যেকোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে ওরা তৈরি৷

আর সেরকমই এক পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা আজ ওদের এখানে নিয়ে এসেছে৷ এই গ্লিং গ্রহে৷

প্রায় তিন-শো পরমাণুবর্ষ দূরের এক নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে যে এক্সপ্লোরিং টিমগুলো ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা গ্যালাক্সি জুড়ে, ওরা ছিল তাদের অন্যতম৷ কম্যান্ডার টাউ-এর নেতৃত্বে ওরা বেরিয়ে পড়েছিল অজানা অভিযানে, শুধু নিজেদের বুদ্ধিমত্তা আর লেটেস্ট টেকনোলজি সম্বল করে৷ ওদের উদ্দেশ্য ছিল, বসবাসের উপযুক্ত কোনো গ্রহ খুঁজে বার করা৷ কারণ ওরা এই মুহূর্তে এক ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে! ওদের অত্যাধুনিক বিজ্ঞান ওদের জানিয়ে দিয়েছে, খুব শীঘ্রই ওদের গ্রহ এক বিরাট প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে৷

খবরটা ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গেসঙ্গে প্রায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় গোটা গ্যালাক্সি জুড়ে শুরু হয়েছে ওদের অনুসন্ধান৷ একেকটা টিম ছুটে গেছে মহাকাশের একেক প্রান্তে৷ যেখানেই হোক, যত দূরেই হোক, খুঁজে বার করতে হবে বাসযোগ্য কোনো গ্রহ৷

মাঝে মাঝে হয়তো খুঁজেও পাওয়া গেছে কোনো কোনো গ্রহ, যেখানে প্রাকৃতিক সম্পদ বা জলবায়ু মোটামুটি চলনসই, কিন্তু না, প্রাণের সন্ধান কোথাও পাওয়া যায়নি৷ ফলে ওদের রিপোর্ট পাওয়ামাত্রই সে গ্রহ বাতিল হয়ে গেছে ওদের হাইকম্যান্ডের নির্দেশে৷ সুতরাং আবার অনিশ্চিত যাত্রা, আবার নতুন করে সন্ধানের পালা৷

এইভাবে বহু অনুসন্ধানের পর, মাত্র কিছুকাল হল খুঁজে পাওয়া গেছে এই গ্রহটাকে, ওরা যার নাম রেখেছে গ্লিং৷ খুঁজে পাওয়ামাত্র ওরা ছেড়েছে স্বস্তির নিশ্বাস, কারণ গোটা গ্যালাক্সির মধ্যে এই হল ওদের আবিষ্কৃত একমাত্র গ্রহ, যেখানে পাওয়া গেছে প্রাণের ইশারা৷ আর সে আবিষ্কারের ভাগীদার ওরাই, 'টিম টাউ'৷

সময়টা দিনের প্রায় মধ্যভাগ৷ কিন্তু এই ভরদুপুরেও চারিদিকটা কেমন যেন ম্রিয়মাণ৷ মাথার ওপর আলো বিকিরণকারী নক্ষত্রটা যেন বহুকাল ধরে আলো দিতে দিতে নিস্তেজ হয়ে পড়েছে৷

চারদিকে হিমেল নিস্তব্ধতা৷ স্ট্রাকচারের ডিম্বাকৃতি দরজাটা খুলে ফ্যাকাশে রঙা বরফের ওপর এসে দাঁড়াল তিনটি জীব৷ এদিকে-ওদিকে তাকিয়ে চারপাশটা পর্যবেক্ষণ করল কিছুক্ষণ৷ তারপর নিজেদের মধ্যে ভাবের আদানপ্রদান শুরু করল নিঃশব্দ ভাষায়৷

ওদের আচার-আচরণে স্পষ্টতই খুশির লক্ষণ৷ সম্ভবত আজই এই গ্রহে ওদের শেষ দিন৷ কারণ এক্সপ্লোরেশন সাকসেসফুল৷ খবর পেয়ে উড়ে আসছেন বিজ্ঞানী জিটা৷ ওদের প্রজেক্ট রিপোর্ট সন্তোষজনক হলেই আপাতত কর্তব্য শেষ৷ নিজেদের গ্রহে ফিরে যাবার তোড়জোড়৷

আসলে বহুকাল ধরে ওরা নিজেদের গ্রহছাড়া হয়ে আছে৷ এই গ্লিং গ্রহেই তো হয়ে গেল কতকাল৷ এ গ্রহের ঘূর্ণনকাল অনুযায়ী প্রায় এক-শো কুড়ি রাউন্ড৷ তারও কত আগে থেকেই তো ওরা ঘুরে বেড়াচ্ছে মহাকাশে৷ আর ভালো লাগে!

গ্রহের পর গ্রহে ঘুরতে ঘুরতে আর সেইসব গ্রহের জল, মাটি হাওয়া নিয়ে পরীক্ষা করতে করতে ওরা যখন হাঁফিয়ে উঠেছিল, তেমনই এক সময়ে ওরা এসে পড়ে গ্লিং গ্রহে৷ আর তখনই রুটিন চেক-আপ করতে গিয়ে হঠাৎ ওরা খুঁজে পায় প্রাচীন শিলাস্তরে লুকিয়ে থাকা কয়েকটা ফসিলের অস্তিত্ব৷ সামান্য দু-একটা পরীক্ষার পরেই ওরা নিশ্চিত হয় যে, লক্ষ লক্ষ বা কোটি কোটি বছর আগে এখানে ছিল এক অবিচ্ছিন্ন প্রাণের প্রবাহ৷

সঙ্গেসঙ্গে সেই রিপোর্ট তারা পাঠিয়ে দেয় তাদের গ্রহে৷ হাইকম্যান্ডের নির্দেশও আসে তৎক্ষণাৎ৷ আর সেই নির্দেশের ফলেই সেই থেকে আজ পর্যন্ত ওদের পড়ে থাকতে হয়েছে এই গ্রহে, সম্পূর্ণ করতে হয়েছে প্রজেক্টের কাজ, যার সফলতার ওপর নির্ভর করছে ওদের গোটা গ্রহের ভবিষ্যৎ৷ আজ তাই সে কর্তব্য সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরে ওরা নিশ্চিন্ত এবং একইসঙ্গে আনন্দিত৷

এইসব কথাগুলোই বোধ হয় বলাবলি করছিল তিনটি জীব৷ যেভাবে ওরা কথা বলে, সেভাবেই৷ ওদের কথায় কোনো শব্দ হয় না, শুধু বিশেষ এক ওয়েভলেংথে ওরা নিজেদের মধ্যে বিনিময় করছিল ওদের এতদিনের অভিজ্ঞতা, পুরোনো স্মৃতির সঙ্গে মিলিয়ে নিচ্ছিল বর্তমান পরিস্থিতিকে৷

হঠাৎ ওদের প্রত্যেকের শরীরে লেগে থাকা সেন্সরে একটা বিদ্যুৎ-তরঙ্গ৷ ডাক পড়েছে৷ বিকেলে বিজ্ঞানী জিটার সামনে রিপোর্ট পেশ করার আগে শেষ মিটিং৷ আর কিছু নয়, পুরো ব্যাপারটা আর একবার ঝালিয়ে নেওয়া৷ ডকুমেন্টেশন ঠিকঠাক আছে কি না একবার দেখে নেওয়া৷

তিনজনে পরস্পরের মুখের দিকে তাকাল একবার৷ তারপর দরজা খুলে হারিয়ে গেল সেই স্বচ্ছ স্ট্রাকচারের ভেতর৷

কন্ট্রোল রুমে মনিটরের সামনে চুপ করে বসে ছিলেন কম্যান্ডার টাউ৷ মনটা নানান চিন্তায় মগ্ন৷ প্রোজেক্টের প্রথম দিন থেকে শুরু করে একে একে সমস্ত কথা যেন আজ ভিড় করে আসছে তাঁর মনে৷

মাত্র সাতজন সঙ্গীকে নিয়ে সেই অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে যাত্রা, কত গ্রহ-নক্ষত্র, কত উল্কা আর ধূমকেতুর মুখোমুখি হবার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, ছায়াপথের ভয়ংকর সব জানা-অজানা বিপদের মোকাবিলা করা, আর তারপর এই গ্লিং গ্রহের বুকে বসে একটু একটু করে এ গ্রহের রহস্য উন্মোচন, এই সমস্ত কথাই এই বিকেলবেলায় তাঁকে উন্মনা করে তুলছিল৷

এমন সময় হঠাৎ কন্ট্রোল প্যানেলের দিক থেকে একটা মৃদু গুঞ্জনধ্বনি৷ যেন কোত্থেকে একটা পোকা হঠাৎ ঢুকে পড়েছে ঘরে৷ চমকে মনিটরের দিকে চোখের নলটা তুলে ধরলেন টাউ৷ না, পোকা নয়, একটা মাইক্রো-রকেট উড়ে আসছে তাঁদের ল্যাটিচিউড আর লঙ্গিচিউড লক্ষ্য করে, এ তারই সংকেত৷ একটা লাল বিন্দু ঘুরতে ঘুরতে ক্রমশ বড়ো হয়ে উঠছিল টাউয়ের মনিটরে৷

কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুরে চলা বিন্দুটা স্থির হয়ে গেল৷ আর তার রংটা বদলে গিয়ে লাল থেকে সবুজ হয়ে গেল৷ প্রায় চার-শো কি.মি. ওপরে আয়নোস্ফিয়ারে ভেসে রয়েছে মাইক্রো-রকেটটা৷

পরক্ষণেই মনিটরে ছবির পরিবর্তন৷ মুছে গেল মহাকাশের ছবি৷ ভেসে উঠল বিজ্ঞানী জিটার মুখ৷ অভিবাদন করলেন টাউ৷ একটা সামান্য প্রত্যুত্তর৷ তারপরেই শুরু হয়ে গেল মহামহিম বিজ্ঞানী জিটার নির্মম প্রশ্নবাণের পালা৷

আলোর সংকেতে সেইসব প্রশ্ন ভেসে উঠছিল মনিটরে আর বোতাম টিপে এক এক করে সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাচ্ছিলেন টাউ৷ খনিজ পদার্থের নিদর্শন খুঁজতে গিয়ে শিলাস্তরের গভীরে প্রথম ফসিল খুঁজে পাওয়ার ঘটনা, তারপর এক থেকে অনেক, বিভিন্ন স্তরের শিলায় বিভিন্ন যুগের প্রাণীর নিদর্শন—শুনতে শুনতে ক্রমশই জিটা উত্তেজিত ও চঞ্চল হয়ে উঠছেন, টের পাচ্ছিলেন টাউ৷ বুঝতে পারছিলেন, তিনি খুব ভালোভাবেই জিটার মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরেছেন৷

—কম্যান্ডার টাউ, আপনি কি তাহলে বলতে চান যে, এই গ্লিং গ্রহে বহু লক্ষ বছর ধরে প্রাণীরা বসবাস করেছে?

—সরি স্যার, লক্ষ নয় কোটি৷ প্রায় সাড়ে তিন-শো কোটি বছর ধরে এই গ্রহে লক্ষ লক্ষ প্রাণী ঘুরে বেড়িয়েছে, যার সমাপ্তি ঘটেছে আজ থেকে মাত্র সত্তর হাজার বছর আগে৷

—তাই নাকি? অথচ আমরা এতদিন কিছুই জানতে পারিনি! তার মানে এখানে প্রাণী ছিল, কিন্তু তারা উন্নত ছিল না মোটেই৷ একেবারেই নীচুস্তরের প্রাণী, কী বলেন?

—স্যার, আমাদের হিসেব অনুযায়ী এখানে প্রায় দেড় কোটি প্রজাতির প্রাণী বিভিন্ন যুগে বাস করেছিল, যার মধ্যে শুধুমাত্র একটি প্রজাতি ছিল উন্নত শ্রেণির৷ তারাই একমাত্র বিজ্ঞান নিয়ে চর্চা করে নিজেদের উন্নত করে তুলেছিল খুব অল্প সময়ের মধ্যে৷ শিলাস্তরের সবচেয়ে উপরের স্তরে তাদেরই ফসিল পাওয়া গেছে৷ ফসিলগুলো আড়াই লক্ষ বছরের পুরোনো৷ আর প্রজাতিটার নাম হোমো স্যাপিয়েঞ্জ৷

—বাঃ! তাহলে তো আর চিন্তা নেই৷ ওদের শেষ করা জায়গা থেকে আমরা অনায়াসেই বাকি কাজটা করে নিতে পারব৷ অতি সহজেই গ্রহটা বসবাসের উপযুক্ত করে নেওয়া যাবে৷ শুধু একটা প্রশ্ন কম্যান্ডার, গ্রহটার বরফগুলো নিয়ে আপনি কিছু ভেবেছেন কি?

—আমি জানতাম স্যার, এ প্রশ্নটা আপনি করবেন৷ তাই উত্তরটা তৈরি রেখেছি৷ আমার সাজেশন হল, আমরা গ্লিং-এর সমস্ত বরফটাকে জলে পরিণত করে উড়িয়ে নিয়ে চলে যেতে পারি মহাকাশে৷ তারপর একটা উপগ্রহ তৈরি করে পুরো জলটা সেখানে রেখে দিতে পারি৷

—ওয়েল ডান, ওয়েল ডান কম্যান্ডার৷ আপনার টিমের কাজ দেখে আমি অত্যন্ত খুশি৷ হাইকম্যান্ডের কাছে আমি আপনার নাম রেকমেন্ড করব, যাতে এই শিফটিং-এর প্রজেক্টে আপনাকে রাখা হয়৷ এবার আপনার টিমের ছুটি৷ সব গুছিয়ে নিয়ে আপনারা চলে আসুন৷ গুড বাই৷

—থ্যাঙ্ক ইউ স্যার, থ্যাঙ্ক ইউ৷ বাই৷

মনিটর থেকে বিজ্ঞানী জিটার ছবি অদৃশ্য হয়৷ কম্যান্ডার টাউয়ের চোখের সামনে স্থির সবুজ বিন্দুটা আবার সচল লাল বিন্দুতে পরিণত হয়৷ প্রখর আলোকপ্রভ এক নক্ষত্রের গ্রহমণ্ডলীর তৃতীয় গ্রহটা ছেড়ে ক্রমশ দূরে, আরও দূরে চলে যাচ্ছে মাইক্রো-রকেটটা৷

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%