রূপসী

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

আমি অবিবাহিত এবং অনাত্মীয় যুবক। একটি ছোট্ট বাড়ি বাড়া করিয়া থাকি এবং দালালি করি।

আমাকে বোধ হয় ভগবান দালাল করিয়াই পৃথিবীতে পাঠাইয়াছিলেন। পরের মাল পরের কাছে বিক্রয় করিয়া তাহারি ভিতর হইতে দু’পয়সা লাভ করিয়া আমার একান্ত অদ্বৈতবাদী সংসার চলিত। নিজের বলিয়া কোনও দিন কোনও বস্তুর প্রতি প্রবল আকর্ষণ অনুভব করি নাই। পৃথিবীর সব জিনিসই আমার কাছে পরস্ব; শুধু দালালিটুকু আমার।

এরূপ জীবন যাত্রার একটা সুখ এই যে ভাবনা চিন্তা বড় একটা থাকে না। মানুষের সহিত যাহার সামাজিক বন্ধন নাই, শুধু টাকার বন্ধন, সে মুক্ত। আমিও ছিলাম মুক্ত। একেবারে ঋষিকল্প পুরুষ ছিলাম এমন কথা বলি না। এ জগতে সেরূপ লোক ক’জনই বা আছে? তবে ঋষি না হইয়াও যাহারা মুক্ত, যাহারা শরীরটাকে সুখ দিয়াও মনটাকে বন্ধনের জাল হইতে বাঁচাইয়া রাখে আমি ছিলাম তাহাদেরি একজন।

বছরখানেক পূর্বের কথা বলিতেছি। প্রতি রবিবারে একটি স্ত্রীলোক আমার বাড়িতে ভিক্ষা লইয়া যাইত। একদিন হঠাৎ চোখে পড়িয়া গেল। স্ত্রীলোকটির সর্বাঙ্গে বস্ত্রাবৃত; এমন কী মুখ পর্যন্ত পুরু কাপড়ের ঘোমটায় ঢাকা। পা ছাড়া শরীরের কোনও অংশ চোখে পড়ে না। কিন্তু কি অপূর্ব গতিভঙ্গি! পূর্ণ যৌবন না হইলে এরূপ দর্পিত অথচ সুমন্দ, উজ্জ্বল অথচ সংযত গতিভঙ্গি হয় না! পরিপক্ক ডালিম যেমন বস্ত্র বন্ধনের অন্তরালে থাকিয়াও নিজের পরিপূর্ণ শ্রীকে প্রস্ফুট করিবার চেষ্টা করে, তাহার প্রত্যেক অঙ্গসঞ্চালন যেন তাহার অবরুদ্ধ যৌবনের আভাস ইঙ্গিতে ব্যক্ত করিতেছিল।

আমি তাহাকে নিকটে ডাকিলাম। কাছে আসিলে তাহার ঘোমটার ভিতর একটা ব্যর্থ দৃষ্টি হানিয়া জিজ্ঞাসা করিলাম—‘তুমি প্রতি রবিবার আস?’ প্রশ্নটা নিতান্তই অর্থহীন; কিন্তু যখন ডাকিয়াছি তখন কিছু বলা চাইত।

সে ঘাড় নাড়িয়া প্রশ্নর উত্তর দিল।

আমি জিজ্ঞাসা করিলাম—‘তুমি একলা আস দেখতে পাই—তোমার কী কেহ নেই?’

সে ঘাড় নাড়িয়া জবাব দিল—না নাই। কিন্তু তাহার মুখ দেখিবার চেষ্টা আমার সফল হইল না। ঘোমটা মুখ হইতে এক চুলও সরিল না।

আমি একটু ইতস্তত করিয়া বলিলাম—‘তোমার বয়স কাঁচা বলে বোধ হচ্ছে। তুমি আর দোরে দোরে ভিক্ষে করে বেড়িও না। যখন অভাব হবে আমার কাছে এসো।’ বলিয়া তাহার আঁচলের উপর চার আনা পয়সা দিলাম। সে পয়সা লইয়া চলিয়া গেল। আমার কথার ইঙ্গিত বুঝিল কিনা জানি না, কিন্তু তাহার অদৃশ্য দেহটা যেন অদম্য হাসির উচ্ছ্বাসে তরঙ্গায়িত হইতে হইতে দূরে চলিয়া গেল।

পরের রবিবারে সে আবার আসিল। আমি তাহাকে ঘরের ভিতর আসিতে বলিলাম, সে আসিল না, দ্বারের কাছে দাঁড়াইয়া রহিল।

আমি বলিলাম—‘তুমি মুখ খোল না কেন?’

কোনও জবাব নাই। সে স্থির হইয়া দাঁড়াইয়া রহিল।

আমি তাহাকে কথা কহাইবার জন্য বলিলাম— ‘তুমি কথা কও না কেন? বোবা বুঝি!’

ঘোমটার ভিতর হইতে হাসির শব্দ আসিল। আমার সমস্ত অন্তরাত্মা সেই হাসির শব্দে তড়িৎপৃষ্টের মতো চমকিয়া উঠিল। কি মিষ্ট অথচ কি বিষাক্ত হাসি! স্বর্গের সুধা যেন নরকের অন্ধকারে পচিয়া পচিয়া বিষ হইয়া উঠিয়াছে! বুক শিহরিয়া উঠে কিন্তু শরীর পুলকিত হয়। আমি তাহার দিকে তাকাইয়া রহিলাম। এ কীরূপ ভিখারিণী?

তাহাকে চলিয়া যাইতে দেখিয়া আমার চমক ভাঙিল। উঠিয়া তাহাকে আট আনা পয়সা দিলাম। শুধু বলিলাম— ‘আবার এসো।’

তারপর সমস্ত সপ্তাহ আমার মন একটা মোহে আচ্ছন্ন হইয়া রহিল। সেই হাসি! এত অল্প যেন একটি আঙুরের রস, এত তীব্র যেন সাপের ছোবল, এত গভীর যেন পাতাল ভেদ করিয়া উঠিয়াছে। এই অবগুণ্ঠনতার দেহই বা কিরূপ, তাহার অন্তঃকরণই বা কেমন! সবই যেন যবনিকার অন্তরালে রহিয়াছে। আমার মুগ্ধ ইন্দ্রিয়গুলা তাহার অন্তর বাহিরের আবরণ উদঘাটন করিয়া দেখিবার জন্য অনুক্ষণ উন্মুখ হইয়া রহিল।

রবিবারে পূর্ববৎ সে দেখা দিল। আমি তাহার প্রত্যাশাতেই বসিয়া ছিলাম। একসঙ্গে অনেকগুলা প্রশ্ন করিয়া ফেলিলাম—‘তুমি কে? কোথায় থাক! মুখ খোলো না—কথা কওনা কেন? ভিক্ষা কর কেন? আমার মনে হয় তুমি বাস্তবিক ভিকিরি নও—চিরদিন এমন ছিলে না।’

সে চুপ করিয়া রহিল।

আমি বলিলাম—‘আমার কথার জবাব দাও। এই সাত দিন আমি তোমার কথা ছাড়া আর কিছু ভাবিনি।

‘আমার কথা শুনে আপনার কী হবে?’

তাহার কথা না কহাটা আমার এতই অভ্যস্ত হইয়া গিয়াছিল যে এই কথাগুলা ধাক্কার মতো আমার বুকে আসিয়া লাগিল। কিছুক্ষণ অভিভূত থাকিয়া বলিলাম—‘কী সুন্দর গলা। তুমি কী কণ্ঠস্বর লুকোবার জন্যেই চুপ করে থাক!’

‘হ্যা।’

‘কেন?’

‘শুনে আপনার লাভ কি?’

আমি বলিলাম—‘ও কথা থাক। তুমি মুখ খোল—আমি দেখি।’

বস্ত্রান্তরাল হইতে উত্তর আসিল—‘কেন?’

আমি হাসিলাম—‘কেন আবার! মেয়ে মানুষের মুখ লোকে দেখতে চায় কেন,—ভাল লাগে বলে।’

‘আমার মুখ আপনার ভাল লাগবে না।’

‘সে আমি বুঝব। তোমার রূপ কী কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে পার? ভরা কলসীর মতো চলতে গেলেই যে চল্‌কে ওঠে!’

‘সত্যি?’ কথাটার আনুসঙ্গিক যে ভ্রূভঙ্গি ও অধর কুঞ্চন বস্ত্রের মধ্যেই লুকাইয়া রহিল তাহা মনের মধ্যে অনুভব করিলাম। আমি দালাল, জিনিস চিনি। বুঝিলাম এ নারী রসিকা। আরও বুঝিলাম এ সত্যকার ভিখারিণী নয়—এত সুনিপুণ বাক্যভঙ্গি আজন্ম ভিখারিণীর হয় না। কৌতূহল এবং আকর্ষণ দুই-ই বাড়িতে লাগিল। বলিলাম—‘রূপ লুকিয়ে রাখবার জিনিস নয়।’

সে কথার কোনও জবাব না দিয়া সে বলিল—‘আজ উঠি।’

আমি তাহাকে একটা টাকা দিয়া বলিলাম—‘অন্তত তোমার নাম কি বল।’

‘রূপসী’ বলিয়া সে দ্রুতবেগে চলিয়া গেল। দূর হইতে সেই তীব্র তিক্ত চাপাহাসি আবার শুনিতে পাইলাম।

যাহা ভাল করিয়া বুঝিতে পারি না তাহার একটা দুর্দমনীয় আকর্ষণ আছে; তাহার উপর আমার আর একটা টান ছিল—ওই অবগুণ্ঠিতার যৌবন। কথায়, কণ্ঠস্বরে, অঙ্গভঙ্গিমায় যেটুকু পাইয়াছিলাম তাহাতে আমার তৃষ্ণা আরও বাড়িয়া গিয়াছিল। নারীর যৌবন ও রূপ এতদিন আমার কাছে কেবল ক্ষণকালের উপভোগের বস্তু ছিল— বিশেষের প্রতি আমার কোনও পক্ষপাত ছিল না। কিন্তু এই নারী আমাকে—আমার সমস্তটাকে—সর্বাঙ্গ দিয়া টানিতেছিল। আমি স্থির করিলাম এবার আসিলে তাহাকে আমি মুখ খুলিয়া দেখিব—তাহাকে—যাক, আমার মনের সঙ্কল্প শুনিয়া পাঠকের কাজ নাই।

রবিবার যখন সে আসিল তখন প্রথম চোখে পড়িল তাহার মুখের উপর ঘোমটার এক জায়গায় একটু রক্ত শুকাইয়া আছে। আমি জিজ্ঞাসা করিলাম—‘ওকি, রক্ত কিসের।’ ক্ষণকালের জন্য সে যেন ত্রস্ত হইয়া উঠিল। তারপর স্থির হইয়া বলিল—‘ও কিছু নয়।’

আমার অসংযত মনটা তাহাকে লইয়া একটা উচ্ছৃঙ্খল কাণ্ড বাধাইবার জন্য ক্ষুধিত শ্বাপদের মতো ভিতরে ভিতরে গর্জন করিতেছিল। কিন্তু আমি তাহাকে সবলে সংযত করিয়া আস্তে আস্তে আরম্ভ করিলাম—‘দেখ রূপসী, আমি ক’দিন থেকে ভাবছি যে তোমাকে একটা প্রস্তাব করব।’

সে বলিল—‘কী প্রস্তাব, বলুন।’ কথার মধ্যে বোধ হয় একটা নিগূঢ় ব্যঙ্গ ছিল যাহার অর্থ—‘তুমি যা প্রস্তাব করিবে আমি জানি।’ কিন্তু আমার মাথার মধ্যে তখন তরল আগুন ছুটাছুটি করিতেছিল। আমি বলিলাম—‘তার আগে তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞাসা করব। তোমার কি আত্মীয়-স্বজন বাপ ভাই কেউ নেই?’

রূপসী কিছুক্ষণ চুপ করিয়া থাকিয়া পরে বলিল—‘আছে।’

আমি বলিলাম—‘তবে তোমার এ দশা কেন? তুমি তো ছোটলোকের মেয়ে নও।’

সে বলিল—‘না। কিন্তু বাপ ভাই থাকতেও কী করে মেয়ে মানুষের এদশা হয় আপনি জানেন না?’

আমি সাগ্রহে বলিলাম—‘বেরিয়ে এসেছ?’

সে অস্বাভাবিক কণ্ঠে বলিল—‘চার বৎসর স্বামীর ঘর করার পর আমি বিধবা হই। বিধবা হবার দু’মাস পরে একজন মুসলমানের সঙ্গে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি।’ আবার সেই হাসি— তিক্ত মধুর; আমার বক্ষের মধ্যে মদের মতো ফেনাইয়া উঠিতে লাগিল।

আমি গা-ঝাড়া দিয়া উঠিয়া বলিলাম—‘তবে আর কোনও কথা নেই। তুমি আমার কাছে থাকবে?’

সে বলিল—‘আমাকে একবার দেখবেন না!’

আমি দু’হাত বাড়াইয়া তাহার দিকে অগ্রসর হইলাম।

সে দ্রুত সরিয়া গিয়া বলিল—‘আমাকে ছোঁবেন না। আগে দেখুন’—এই বলিয়া ঘোমটা সরাইয়া মুখ খুলিয়া দাঁড়াইল!

অন্ধকারের মধ্যে হঠাৎ তীব্র আলো জ্বলিয়া উঠিলে মানুষের চোখ যেমন ধাঁধিয়া যায় আমারও তাহাই হইল। তারপর চক্ষু পরিষ্কার হইলে দেখিলাম,—মুখ নয়, মুখের পরিবর্তে একটা রক্তাক্ত দগদগে ঘা! সে মুখ কখনও সুন্দর ছিল কিনা বুঝিবার কোনও উপায় নাই। চক্ষুর নিম্নের মাংস পচিয়া খসিয়া গিয়াছে, যেখানে নাক ছিল সেখানে কেবল একটা গভীর রক্তবর্ণ গহ্বর; ঠোঁট দুটা ফুলিয়া অত্যন্ত পুরু এবং শ্বেত হইয়া উঠিয়াছে। গালে ও কপালে রক্তমুখ ব্রণ ফুটিয়া ঘা হইবার অপেক্ষায় আছে। এই জীবন্ত বিভীষিকাকে দেখিয়া আমি চিৎকার করিয়া উঠিলাম—‘কুষ্ঠ-কুষ্ঠ-কুষ্ঠ’—আর কোনও কথা মুখ দিয়া বাহির হইল না। তারপর শরীরের সমস্ত স্নায়ুগুলা যেন শিথিল হইয়া গেল, আমি মুখ ঢাকিয়া মাটিতে বসিয়া পড়িলাম। সেই অবস্থায় অর্ধ্বমূৰ্ছিত ভাবে শুনিলাম—‘কেমন? চান আমাকে?’

আমি মুখ তুলিলাম না—শুধু তাহার তীব্র সূচ্যগ্র সূক্ষ্মা হাসি আমার সর্বাঙ্গে বিঁধিতে লাগিল।

১৩৩৩
সকল অধ্যায়
১.
প্রেতপুরী
২.
বিজ্ঞাপন বিভ্রাট
৩.
উড়ো মেঘ
৪.
বেড়ালের ডাক
৫.
প্লেগ
৬.
রূপসী
৭.
কবি-প্রিয়া
৮.
রক্ত-খদ্যোত
৯.
টিকটিকির ডিম
১০.
দৈবাৎ
১১.
অন্ধকারে
১২.
বিজয়ী
১৩.
করুণাময়ী
১৪.
দুই দিক্
১৫.
শীলা-সোমেশ
১৬.
কুলপ্রদীপ
১৭.
মরণ-ভোমরা
১৮.
ইতর-ভদ্র
১৯.
রূপকথা
২০.
কর্তার কীর্তি
২১.
কালকূট
২২.
অশরীরী
২৩.
ব্রজলাট
২৪.
সন্ধি-বিগ্রহ
২৫.
উল্কার আলো
২৬.
অরণ্যে
২৭.
মেথুশীলা
২৮.
মনে মনে
২৯.
সবুজ চশমা
৩০.
নারীর মূল্য
৩১.
আলোর নেশা
৩২.
বহুবিঘ্নানি
৩৩.
ট্রেনে আধঘণ্টা
৩৪.
গ্রন্থকার
৩৫.
কুবের ও কন্দর্প 
৩৬.
মরণ দোল
৩৭.
অমরবৃন্দ 
৩৮.
আঙটি 
৩৯.
তিমিঙ্গিল
৪০.
ভেন্‌ডেটা
৪১.
ভল্লু সর্দার
৪২.
বিদ্রোহী
৪৩.
স্বখাত সলিল
৪৪.
অভিজ্ঞান
৪৫.
জটিল ব্যাপার
৪৬.
আদিম নৃত্য
৪৭.
একূল ওকূল
৪৮.
প্রতিদ্বন্দ্বী
৪৯.
কেতুর পুচ্ছ
৫০.
শালীবাহন
৫১.
বরলাভ
৫২.
প্রেমের কথা
৫৩.
ভালবাসা লিমিটেড
৫৪.
মায়ামৃগ
৫৫.
সন্দেহজনক ব্যাপার
৫৬.
তন্দ্রাহরণ
৫৭.
বহুরূপী
৫৮.
হাসি-কান্না
৫৯.
প্রণয়-কলহ
৬০.
ধীরে রজনি!
৬১.
ন্যুডিস্‌ম-এর গোড়ার কথা
৬২.
শুক্লা একাদশী
৬৩.
মন্দ লোক
৬৪.
দন্তরুচি
৬৫.
প্রেমিক
৬৬.
স্বর্গের বিচার
৬৭.
মায়া কানন
৬৮.
প্রতিধ্বনি
৬৯.
অযাত্রা
৭০.
কুতুব শীর্ষে
৭১.
টুথ-ব্রাশ
৭২.
নাইট ক্লাব
৭৩.
নিশীথে
৭৪.
রোমান্স
৭৫.
যস্মিন্ দেশে
৭৬.
পিছু ডাক
৭৭.
গোপন কথা
৭৮.
অপরিচিতা
৭৯.
ঘড়ি
৮০.
গ্যাঁড়া
৮১.
মাৎসন্যায়
৮২.
লম্পট
৮৩.
আরব সাগরের রসিকতা
৮৪.
এপিঠ ওপিঠ
৮৫.
ঝি
৮৬.
অসমাপ্ত
৮৭.
শাপে বর
৮৮.
ইচ্ছাশক্তি
৮৯.
পঞ্চভূত
৯০.
ভাল বাসা
৯১.
আধিদৈবিক
৯২.
বাঘিনী
৯৩.
ভূতোর চন্দ্রবিন্দু
৯৪.
সেকালিনী
৯৫.
দিগ্‌দর্শন
৯৬.
মুখোস
৯৭.
আণবিক বোমা
৯৮.
স্মর-গরল
৯৯.
ছুরি
১০০.
আকাশবাণী
১০১.
নিষ্পত্তি
১০২.
শাদা পৃথিবী
১০৩.
ভাগ্যবন্ত
১০৪.
মেঘদূত
১০৫.
পরীক্ষা
১০৬.
বালখিল্য
১০৭.
পূর্ণিমা
১০৮.
নূতন মানুষ
১০৯.
স্বাধীনতার রস
১১০.
ও কুমারী
১১১.
যুধিষ্ঠিরের স্বর্গ
১১২.
ধীরেন ঘোষের বিবাহ
১১৩.
দেহান্তর
১১৪.
ভূত-ভবিষ্যৎ
১১৫.
ভক্তিভাজন
১১৬.
গ্রন্থি-রহস্য
১১৭.
জোড় বিজোড়
১১৮.
নিরুত্তর
১১৯.
অলৌকিক
১২০.
সন্ন্যাস
১২১.
তা তা থৈ থৈ
১২২.
আদায় কাঁচকলায়
১২৩.
বনমানুষ
১২৪.
বড় ঘরের কথা
১২৫.
শ্রেষ্ঠ বিসর্জন
১২৬.
অষ্টমে মঙ্গল
১২৭.
কল্পনা
১২৮.
তাই নে রে মন তাই নে
১২৯.
কানু কহে রাই
১৩০.
অপদার্থ
১৩১.
চরিত্র
১৩২.
দেখা হবে
১৩৩.
গীতা
১৩৪.
গুহা
১৩৫.
শরণার্থী
১৩৬.
শূন্য শুধু শূন্য নয়
১৩৭.
মধু-মালতী
১৩৮.
চিরঞ্জীব
১৩৯.
মায়া করঙ্গী
১৪০.
ঘড়িদাসের গুপ্তকথা
১৪১.
সতী
১৪২.
নীলকর
১৪৩.
এমন দিনে
১৪৪.
কালো মোরগ
১৪৫.
নখদর্পণ
১৪৬.
সাক্ষী
১৪৭.
হেমনলিনী
১৪৮.
পতিতার পত্র
১৪৯.
সেই আমি
১৫০.
মানবী
১৫১.
প্রিয় চরিত্র
১৫২.
স্ত্রী-ভাগ্য
১৫৩.
সুত-মিত-রমণী
১৫৪.
কা তব কান্তা
১৫৫.
প্রত্নকেতকী
১৫৬.
সুন্দরী ঝর্ণা
১৫৭.
চিড়িক্‌দাস
১৫৮.
চিন্ময়ের চাকরি
১৫৯.
ডিক্‌টেটর
১৬০.
মুষ্টিযোগ
১৬১.
ছোট কর্তা
১৬২.
মালকোষ
১৬৩.
গোদাবরী
১৬৪.
ফকির-বাবা
১৬৫.
অবিকল
১৬৬.
কিসের লজ্জা
১৬৭.
বোম্বাইকা ডাকু
১৬৮.
চলচ্চিত্র প্রবেশিকা
১৬৯.
আর একটু হলেই
১৭০.
কিষ্টোলাল
১৭১.
পিছু পিছু চলে
১৭২.
কামিনী
১৭৩.
জননান্তর সৌহৃদানি
১৭৪.
হৃৎকম্প
১৭৫.
পলাতক
১৭৬.
ভাই ভাই
১৭৭.
প্রেম
১৭৮.
রমণীর মন
১৭৯.
মটর মাস্টারের কৃতজ্ঞতা
১৮০.
বুড়ো বুড়ি দু’জনাতে
১৮১.
কালস্রোত
১৮২.
অমাবস্যা
১৮৩.
বক্কেশ্বরী
১৮৪.
গল্প-পরিচয়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%