বাক্যের যে ছন্দোজাল শিখেছি গাঁথিতে

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বাক্যের যে ছন্দোজাল শিখেছি গাঁথিতে
সেই জালে ধরা পড়ে
অধরা যা চেতনার সতর্কতা ছিল এড়াইয়া
আগোচরে মনের গহনে।
নামে বাঁধিবারে চাই, না মানে নামের পরিচয়।
মূল্য তার থাকে যদি
দিনে দিনে হয় তাহা জানা
হাতে হাতে ফিরে।
অকস্মাৎ পরিচয়ে বিস্ময় তাহার
ভুলায় যদি বা,
লোকালয়ে নাহি পায় স্থান,
মনের সৈকততটে বিকীর্ণ সে রহে কিছুকাল,
লালিত যা গোপনের
প্রকাশ্যের অপমানে
দিনে দিনে মিশায় বালুতে।
পণ্যহাটে অচিহ্নিত পরিত্যক্ত রিক্ত এ জীর্ণতা
যুগে যুগে কিছু কিছু দিয়ে গেছে অখ্যাতের দান
সাহিত্যের ভাষা-মহাদ্বীপে
প্রাণহীন প্রবালের মতো।

উদয়ন, ৪ ফ্রেবুয়ারি, ১৯৪১ – বিকাল

সকল অধ্যায়
১.
এ দ্যুলোক মধুময়, মধুময় পৃথিবীর ধূলি
২.
পরম সুন্দর আলোকের স্নানপুণ্য প্রাতে
৩.
নির্জন রোগীর ঘর
৪.
ঘন্টা বাজে দূরে
৫.
মুক্তবাতায়নপ্রান্তে জনশূন্য ঘরে
৬.
অতি দূরে আকাশের সুকুমার পান্ডুর নীলিমা
৭.
হিংস্র রাত্রি আসে চুপে চুপে
৮.
একা ব’সে সংসারের প্রান্ত-জানালায়
৯.
বিরাট সৃষ্টির ক্ষেত্রে
১০.
অলস সময়-ধারা বেয়ে
১১.
পলাশ আনন্দমূর্তি জীবনের ফাগুনদিনের
১২.
দ্বার খোলা ছিল মনে
১৩.
ভালোবাসা এসেছিল একদিন তরুণ বয়সে
১৪.
প্রত্যহ প্রভাতকালে ভক্ত এ কুকুর
১৫.
খ্যাতি নিন্দা পার হয়ে জীবনের এসেছি প্রদোষে
১৬.
দিন পরে যায় দিন
১৭.
যখন এ দেহ হতে রোগে ও জরায়
১৮.
ফসল কাটা হলে সারা মাঠ হয়ে যায় ফাঁক
১৯.
দিদিমণি– অফুরান সান্ত্বনার খনি
২০.
বিশুদাদা– দীর্ঘবপু, দৃঢ়বাহু, দুঃসহ কর্তব্যে নাহি বাধা
২১.
চিরদিন আছি আমি অকেজোর দলে
২২.
নারী তুমি ধন্যা
২৩.
নগাধিরাজের দূর নেবু-নিকুঞ্জের
২৪.
অলস শয্যার পাশে জীবন মন্থরগতি চলে
২৫.
বিরাট মানবচিত্তে
২৬.
এ কথা সে কথা মনে আসে
২৭.
বাক্যের যে ছন্দোজাল শিখেছি গাঁথিতে
২৮.
মিলের চুমকি গাঁথি ছন্দের পাড়ের মাঝে মাঝে
২৯.
এ জীবনে সুন্দরের পেয়েছি মধুর আশীর্বাদ
৩০.
ধীরে সন্ধ্যা আসে
৩১.
ক্ষণে ক্ষণে মনে হয় যাত্রার সময় বুঝি এল
৩২.
আলোকের অন্তরে যে আনন্দের পরশন পাই
৩৩.
এ আমির আবরণ সহজে স্খলিত হয়ে যাক

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%