এবারের কুম্ভমেলায় – চিন্ময় চক্রবর্তী

অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

এবারের কুম্ভমেলায় – চিন্ময় চক্রবর্তী

এবছরের ১২ এপ্রিল পুণ্য কুম্ভক্ষেত্রে ঘুম ভাঙল মাইকের সরকারি ঘোষণায়-‘যমনা বাঈ জিনকী উমর সত্তর, যো জম্মুসে আঁয়ে হ্যাঁয়, আপনে সাথী সে বিছর কর, বহুত থকে হুয়ে খোয়া পায়া কেন্দ্রমে আপনে সাথীকা ইনতেজার কর রহে হ্যাঁয় ৷ সুরেশ, বিক্রম ইয়া উনকা কোই ভি সাথী উনকো ইঁহাসে লে যায়ে’ ৷ মিনিটখানেক পরেই আরেকটি ঘোষণায় জানা যায় কেরল থেকে আসা একটি দশ বছরের ছেলের হারিয়ে যাবার কথা ৷ কদিন ধরে সারাদিন, সারারাত সরকারি ঘোষণা কেন্দ্র থেকে এই ধরনের ঘোষণা প্রমাণ করে ভারতের প্রত্যেকটি কোণ থেকে লোক এসেছে কুম্ভমেলায় ৷ শুধু ভারত কেন, আমার সঙ্গে এই দুদিনে পরিচয় হয়েছে জার্মানির উলফগ্যাঙের, লস এঞ্জেলসের স্বামী-স্ত্রী জুটি জন আর নাটালিয়ার, ইটালি থেকে আগত একটি দলের, ইংল্যান্ডের ফটোগ্রাফার স্টুয়ার্টের ৷

নারদ-পুরাণে আছে যে ব্যক্তি হরিদ্বারে কুম্ভরাশিস্থ বৃহস্পতি ও মেষরাশিস্থ সূর্যযোগে (কুম্ভযোগে) স্নান করে সে সাক্ষাৎ বৃহস্পতিত্ব ও সূর্যত্ব প্রাপ্ত হয় ৷ এই মহাপুণ্যের লোভেই আপামর ভারতের সাধু-সন্ত আর সাধারণ মানুষেরা কুম্ভযোগে হরিদ্বারের গঙ্গায় স্নানার্থে আসেন ৷ যেসব উচ্চকোটির সাধকরা মানুষের সামনে আসেন না, তাঁরাও নাকি পূর্ণকুম্ভে স্নান করতে তাঁদের গুপ্ত আবাস ছেড়ে হরিদ্বারে আসেন ৷ আর সাধুসঙ্গ ও স্নানের পুণ্যলাভের আশায় আসেন লাখ লাখ পুণ্যার্থী ৷

হরিদ্বার শহরের বাইরে বাস থেমে গেল ৷ আর যাবে না ৷ সরকারি গাড়ি আর রিকশা ছাড়া অন্য যানবাহনের শহরে প্রবেশ নিষেধ ৷ হাজার হাজার যাত্রী বোঁচকা-বুঁচকি কাঁধে হেঁটে চলেছে হরিদ্বার শহর অভিমুখে ৷ আমিও সামিল হই সেই মিছিলে ৷

সারা হরিদ্বার বাঁশে বাঁশে ঘেরা আর তাঁবুতে তাঁবুতে ছাওয়া ৷ সব ফাঁকা মাঠে সার সার তাঁবু ৷ হর-কি-পৌড়ির অপর পারে নীলধারা আর চণ্ডী পাহাড়ের দিকটা বাঁশে বাঁশে ব্যারিকেড করা ৷ সব রাস্তাই একমুখী ৷ চারদিকে পুলিশের কড়া পাহারা ৷ রাস্তা একমুখী হওয়াতে যাত্রীদের ব্রহ্মকুণ্ড অঞ্চলে যেতে হাঁটতে হচ্ছে বেশি, কিন্তু উল্টো জনস্রোত না থাকায় ভিড়ের ধাক্কাধাক্কি নেই ৷ প্রতি কুম্ভে এই ধাক্কাধাক্কি আর হুড়োহুড়িতে পদদলিত হয়ে মারা যান বেশ কিছু তীর্থযাত্রী ৷

১৯৫৪-র কুম্ভে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে স্নান করাতে গিয়ে প্রশাসন সাধারণ স্নানার্থীদের স্নান কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখে ৷ অধৈর্য স্নানার্থীদের ধাক্কাধাক্কিতে, ভিড়ের চাপে আর পদদলিত হয়ে প্রাণ হারান ১০০০ জন পুণ্যার্থী ৷ ১৯৮৬-র হরিদ্বারেই পূর্ণকুম্ভে উত্তরপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে স্নান করাতে গিয়ে আবার দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ৫০ জন স্নানার্থী ৷ এইসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ১৯৮৯-এর প্রয়াগের কুম্ভেয় ভি আই পি স্নান বন্ধ করা হয় ৷ সেই নিষেধাজ্ঞা এবছরও বহাল ছিল ৷ ভি আই পি স্নানের জন্য ব্রহ্মকুণ্ড অঞ্চলে ছিল নিষিদ্ধ এলাকা ৷

১৪ জানুয়ারি, মকরসংক্রান্তি থেকে স্নান শুরু হয় ৷ প্রথম শাহী বা মহাস্নান ছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি শিবরাত্রিতে ৷ ওইদিন ব্রহ্মকুণ্ড ও সংলগ্ন অঞ্চলে ২০ লক্ষ পুণ্যার্থী স্নান করেন ৷ দ্বিতীয় শাহী স্নান ২৮ মার্চ মৌনি অমাবস্যায়, ২৫ লক্ষ লোক স্নান করেন ৷ আর তৃতীয় তথা শেষ শাহী স্নান হয় ১৪ এপ্রিল ৷ সংবাদ সংস্থার দেওয়া হিসাব অনুসারে ওইদিন কুম্ভক্ষেত্রে মোট ১ কোটি পুণ্যার্থী স্নান করেন ৷

১৩ এপ্রিল রাত বারোটা থেকে লাখ লাখ মানুষের ঢল নামে হরিদ্বারের পথেঘাটে ৷ সবার লক্ষ্য হর-কি-পৌড়ি আর ব্রহ্মকুণ্ড ৷ এত লোকের পক্ষে ব্রহ্মকুণ্ডে স্নান সম্ভব নয় ৷ তাই অধিকাংশ স্নানার্থীকেই হর-কি-পৌড়ির কয়েক মাইলের মধ্যে আসতে দেওয়া হয়নি ৷ ১৩ ও ১৪ তারিখ হরিদ্বারে সমস্ত যানবাহন মায় রিকশা চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয় ৷ হাজার হাজার পুলিশ, র্যাফ, বি এস এফ ও ভলান্টিয়ার পথে নামে ভিড় সামলাতে ৷ সবার উদ্দেশ্য এক, দুর্ঘটনা না ঘটে ৷ কেননা, ২৮ মার্চের স্নান নিয়ে এক খণ্ডযুদ্ধ হয়ে গেছে সাধু আর পুলিশে ৷ আহত হয়েছে বিস্তর ৷ নিহত একজন পুণ্যার্থী ৷

২৮ মার্চ আগে থেকে তৈরি ক্রমানুযায়ী ও প্রথাগত নিয়ম মেনে নিরঞ্জনী আখড়ার সাধুরা প্রথমে স্নানে আসেন ৷ তাতে জুনা আখড়ার সন্ন্যাসীদের গোঁসা হয় ৷ তাঁরা স্নান করতে এসে তাঁদের স্নানের জন্য নির্দিষ্ট সময় যথেষ্ট নয় বলে ব্রহ্মকুণ্ড থেকে উঠতে অস্বীকার করেন ৷ পুলিশ এসে জোর করে তুলতে গেলে দাঙ্গা বাঁধে ৷ সাধারণ দাঙ্গাকারীদের মতো সন্ন্যাসীরা ভাঙচুর করেন ও অন্য আশ্রমে আগুন ধরিয়ে দেন ৷ পুলিশ-সাধুতে খণ্ডযুদ্ধ চলে ৷

তবে কুম্ভয় প্রথম স্নানের অধিকার নিয়ে এই দাঙ্গা নতুন নয় ৷ ১৭৬০ সালে অর্থাৎ প্রায় ২৩৮ বছর আগে গোস্বামী আর বৈরাগীদের দাঙ্গায় প্রাণ হারান ১৮,০০০ পুণ্যার্থী ৷ ১৭৯৬-এ ৫০০ স্নানার্থীর মৃত্যু হয়, ১৮১৯ সালে মারা যায় ৪৫০ নরনারী ৷

এই দাঙ্গার ভয়েই ১৪ এপ্রিল ছিল কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা ৷ ২৮ মার্চের গণ্ডগোলের ফলে আখড়ায় আখড়ায় প্রচণ্ড বিবাদ শুরু হয় ৷ তাই ১৪ এপ্রিলের স্নানে কোন আখড়া প্রথম স্নান করবে, পরবর্তী ক্রম কী হবে তার কোনও সর্বসম্মত সূচি তৈরি করা যাচ্ছিল না ৷ অগত্যা প্রশাসন ১৪ এপ্রিলের স্নানই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন ৷ এই অভূতপূর্ব ঘোষণায় হতবাক হয়ে যান স্নানার্থে আসা লাখ লাখ পুণ্যার্থী ও সাধু সম্প্রদায় ৷ এই অচলাবস্থা কাটাতে একটানা বৈঠক চলে সাধুসমাজ আর প্রশাসনের ৷ ১৪ এপ্রিল রাত আড়াইটায় সমঝোতা সূত্র বেরোয় ৷ স্নানের বাধা ওঠে ৷ কিন্তু জুনা আখড়া স্নান বয়কট করেন ৷ আর শেষ মুহূর্তে নিষেধাজ্ঞা ওঠাতে সাধুদের বর্ণাঢ্য মিছিলের জৌলুস কমে যায় ৷ এত কম সময়ে সব জোগাড় সম্ভব করে উঠতে পারে না বিভিন্ন আখড়া ৷

অবশেষে ১৪ এপ্রিল বেলা ১২টা নাগাদ নিরঞ্জনী আখড়ার সাধুরা শোভাযাত্রা করে স্নানে আসেন ৷ তারপর মহানির্বাণ ও আনন্দ আখড়ার সন্ন্যাসীরা ৷ যদিও শোভাযাত্রায় ছিল না বাদ্যযন্ত্র, ছিল না জৌলুস, তবু নাগা সন্ন্যাসীদের দর্শনার্থে পুণ্যার্থীদের ভিড় জমে ৷ শেষে স্নানে আসেন বৈরাগী, উদাসীন ও অন্য আখড়ার সাধুরা ৷

হরিদ্বার স্টেশনের কাছে জুনা আখড়ায় সার সার তাঁবু পড়েছে ৷ হাজার কুড়ি নাগা সন্ন্যাসী এই আখড়ার অন্তর্ভুক্ত ৷ পুণ্যার্থীরা ভিড় করে দর্শনে মত্ত ৷

বৈরাগ্য আর ত্যাগের মূর্ত প্রতীক নাগা সন্ন্যাসীদের বিলাস-ব্যসন দেখে হতবাক হয়ে গেলাম ৷ আখড়ায় আখড়ায় নরম দামি কার্পেট পাতা ৷ রঙিন টিভি, টেবিল ফ্যান আর টু-ইন-ওয়ানের ছড়াছড়ি ৷ টেপে ভক্তিগীতি বাজছে ৷ এদিক-ওদিক ছড়ানো ছিটানো গাঁজার কলকে আর বিদেশী সিগারেট ৷ বাবা উদোম হয়ে, সারা গায়ে ভস্ম মেখে, পদ্মাসনে বসে টেবিল ফ্যানের হাওয়া খাচ্ছেন ৷ দেশী-বিদেশী পুরুষ-মহিলা ভক্তদের আনাগোনা আর উপঢৌকন প্রদান চলছে ৷ বাবা কলকেয় টান মেরে অর্ধ নিমীলিত চক্ষে বুঁদ হয়ে বসে আছেন ৷ হুঁশ নেই ৷

১৪ এপ্রিল রাত দুটো ৷ চলেছি হর-কি-পৌড়ির ব্রহ্মকুণ্ডের দিকে ৷ সারাটা রাত ধরে লাখ লাখ যাত্রী চলেছেন ব্রহ্মকুণ্ডের দিকে ৷ এক নিরবচ্ছিন্ন মনুষ্য-প্রবাহ ৷ রাস্তা দেখা যাচ্ছে না ৷ শুধু কালো কালো মাথা ৷ কে নেই সে মহামিছিলে-বুড়ো-বুড়ি, প্রৌঢ়-প্রৌঢ়া, যুবক-যুবতী, বাচ্চা, বিদেশী-দেহাতি ৷ মানুষের সে ঢল না দেখলে মনে হবে অবিশ্বাস্য ৷ সমস্ত রাস্তা একমুখী ৷ যে রাস্তায় যাওয়া সে রাস্তায় ফেরা নয় ৷ দুই বিপরীতমুখী জনস্রোত না থাকায় ধাক্কাধাক্কি কম ৷ কিছুদূর অন্তর পুলিশের ব্যারিকেড ৷ যদিও এই মিছিল মোটামুটি মসৃণ গতিতে এগোচ্ছে, তবুও পুণ্যার্থী মানুষ বড় অবুঝ ৷ সবারই তাড়া ব্রহ্মকুণ্ডে পৌঁছনোর ৷ বেলা দশটা থেকে ব্রহ্মকুণ্ডে সাধারণের স্নান নিষিদ্ধ ৷ তখন স্নান করবে সন্ন্যাসীরা ৷ তাই চেষ্টা চলছে পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে ব্যারিকেডের ফাঁকফোকর দিয়ে শর্টকাট পথে চলার ৷ ধৈর্য হারিয়ে পুলিশকে বেশ কবার মৃদু লাঠিচার্জ করে ভিড়কে নিয়ন্ত্রণে আনতে দেখলাম ৷

হর-কি-পৌড়ির ওপরে দুটি টাওয়ার করা হয়েছে ৷ একটিতে ভিড়ের ওপর নজর রাখার জন্য বসেছে ক্লোজ সার্কিট টিভি ৷ অন্যটি দেশ-বিদেশের সংবাদ মাধ্যমের ফটোগ্রাফারদের জন্য সংরক্ষিত ৷ এই টাওয়ারেই জুটে গেল একটু জায়গা ৷ আলোয় আলোয় হর-কি-পৌড়িতে দিন-রাতের পার্থক্য ঘুচে গেছে ৷ দূরে চিল্লা অরণ্যের ওপর শিবালিক পর্বতমালায় সূর্যোদয় হয় ৷ আলতারাঙা ভোরে সূর্যের তির্যক প্রথম রশ্মি এসে পড়ে ব্রহ্মকুণ্ডে স্নানরত নরনারীর ওপরে ৷

বেলা দশটায় বন্ধ হয় সাধারণের স্নান ৷ ব্রহ্মকুণ্ডকে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে প্রস্তুত করা হয় সন্ন্যাসীদের শাহী স্নানের জন্য ৷ বেলা বারোটা নাগাদ আসে প্রথম সন্ন্যাসী দল শোভাযাত্রা করে ৷ সে দলে নাগা সন্ন্যাসীদের আধিক্য ৷ ততক্ষণে ব্রহ্মকুণ্ডের এপারে আর চারপাশে হাজার হাজার দর্শনার্থীর ভিড় ৷ নাগাদের পর অন্য সম্প্রদায়ের সাধুরাও একে একে মিছিল করে স্নান করে গেলেন ৷ সাধুদের পিছনে পিছনে একই মিছিলে সামিল গৃহী ভক্তরাও স্নান করে গেলেন ৷ একেকটা আখড়ার স্নানের পর ব্রহ্মকুণ্ড ধুয়ে মুছে ঝকঝকে করে দেওয়া হয় পরের আখড়ার জন্য ৷ সন্ন্যাসীদের এই স্নান পর্ব চলল সন্ধে সাতটা পর্যন্ত ৷

হরিদ্বারে সন্ধে সাতটায় বেশ দিনের আলো ৷ হর-কি-পৌড়ির ঘাটে ঘাটে ঘুরে বেড়াই ইতস্তত ৷ রাজস্থানের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা ভগৎরামের সঙ্গে দেখা ৷ সে এক বিশাল প্ল্যাকার্ড নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে হরিদ্বারের পথেঘাটে ৷ প্ল্যাকার্ডে দহেজ তথা পণবিরোধী স্লোগান ৷ আমেরিকার শিকাগো থেকে মিলার আর তাঁর বান্ধবী শ্যারন এসেছেন সৎগুরুর খোঁজে ৷ আর নিউজিল্যান্ডের মার্গারিটা এসেছেন এক বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ৷ বিশাল প্ল্যাকার্ড বয়ে একদিনে চষে ফেলেছেন হরিদ্বারের পথঘাট ৷ প্ল্যাকার্ডে তাঁর হারিয়ে যাওয়া স্বামী জনের ছবি ৷ জন ভারতে এসে নিখোঁজ আজ তিন বছর ৷ কেউ খোঁজ দিলে দশ হাজার টাকা পুরস্কার ৷ ভারতের প্রত্যেক কোণ থেকে এক কোটির ওপর লোক এসেছে হরিদ্বারের কুম্ভে ৷ মার্গারিটার স্থির বিশ্বাস কেউ না কেউ ঠিক খোঁজ দেবে জনের ৷

কুম্ভমেলা ভাঙার মুখে ৷ মানুষের ঢল বিপরীতমুখী, রেলস্টেশন আর বাসস্টেশনের দিকে ৷ আমি এসেছিলাম কুম্ভমেলা দেখতে ৷ পুণ্যস্নান করা হয়নি ৷ কিন্তু কুম্ভে হরিদ্বারে এলেই যদি পুণ্য হয়, তবে আমার অর্জিত পুণ্যের পুরোটাই আমি মার্গারিটাকে দিলাম ৷ সার্থক হোক তাঁর অণ্বেষণ ৷

ভ্রমণ জুলাই, ১৯৯৮

সকল অধ্যায়
১.
অর্ধশতাব্দীর আগের বদ্রীনাথ যাত্রা – প্রতাপকুমার রায়
২.
মানস অভয়ারণ্য – সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
৩.
জলদাপাড়া অরণ্য – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৪.
জলের ধারে ঘর – নবনীতা দেব সেন
৫.
জয়ন্তীর মহাকাল মন্দির – উষা সেন
৬.
তাহিতি – হরপ্রসাদ মিত্র
৭.
মার্কন্ডেয় গঙ্গার উত্স সন্ধানে – অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায়
৮.
কেদার বদ্রী – মৈত্রেয়ী চট্টোপাধ্যায়
৯.
তেহরানি হয়রানি – অমিতাভ চৌধুরি
১০.
শোনপুরের মেলায় – বরুণ দত্ত
১১.
এলেম নতুন দেশে – কমলা মুখোপাধ্যায়
১২.
মস্কো থেকে সাইবেরিয়া হয়ে পিকিং – গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
১৩.
পাতাল-ভুবনেশ্বর – বিশ্বদীপ দত্ত
১৪.
ইছামতীর মশা – শঙ্খ ঘোষ
১৫.
নিকোবরের দ্বীপে – তিলকরঞ্জন বেরা
১৬.
তিরতিরে নদী আর শাল জঙ্গলের দেশে – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
১৭.
আমার ভ্রমণ – মহাশ্বেতা দেবী
১৮.
সুন্দরবন – হীরক নন্দী
১৯.
ওপারবাংলার সুন্দরবনে – সমীর সেনগুপ্ত
২০.
সাইকেলে পাঁচ বছরে ভূ-পর্যটন – ভূপর্যটক বিমল দে
২১.
আঙ্কোর ভাট – প্রীতি সান্যাল
২২.
হিমালয়ের সাতকাহন – ত্রিদিব বসু
২৩.
স্বপ্নের পথেই যাওয়া যায় – মহাশ্বেতা দেবী
২৪.
ছোট কৈলাস – সুভাষ দত্ত
২৫.
বালতাল হয়ে অমরনাথ – প্রতাপকুমার রায়
২৬.
মধ্য এশিয়া অভিযান – গৌতম ঘোষ
২৭.
পথ হারিয়ে সিকিমের জঙ্গলে – রতনলাল বিশ্বাস
২৮.
নতুন করে পাব বলে – বন্দনা সান্যাল
২৯.
সেবার ব্রেকজার্নি করে – জয়া মিত্র
৩০.
চন্দ্রভাগার উৎস চন্দ্রতাল সুর্যতাল – সুনীলকুমার সরদার
৩১.
ওঙ্কারেশ্বর – বিশ্বদীপ দত্ত
৩২.
সুন্দরবনে দুদিন – পবিত্র সরকার
৩৩.
মণিমহেশ – কমলা মুখোপাধ্যায়
৩৪.
দিকবিদিকে – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
৩৫.
তিস্তানদীর উৎসে – শরৎ ঘোষ
৩৬.
পশ্চিমে হাওয়াবদল – মধুপর্ণা দত্ত বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৭.
এক টুকরো নীল চাঁদ – সুমিত মুখোপাধ্যায়
৩৮.
কালিম্পং থেকে তিব্বত – অরুণকুমার মুখোপাধ্যায়
৩৯.
সাইলেন্ট ভ্যালি – শিবনাথ বসু
৪০.
মির্জা শেখ ইতেসামুদ্দিনের বিলেত যাত্রা এবং আমি – নবনীতা দেব সেন
৪১.
বক্সা বাঘ-প্রকল্প – বুদ্ধদেব গুহ
৪২.
গানতোক থেকে ইয়ুমথাং – সুতপা ভট্টাচার্য
৪৩.
ক্যামেরুন, আগ্নেয়গিরি ও গভীর জঙ্গলের খুদে মানুষেরা – প্রীতি সান্যাল
৪৪.
ডুয়ার্সের দুয়ার এখন খোলা – সমরেশ মজুমদার
৪৫.
ইউরোপে দিন কয়েক – পূর্ণেন্দু পত্রী
৪৬.
রামচন্দ্রের বনবাসের পথ পরিক্রমা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৪৭.
আসমুদ্রককেশাস – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
৪৮.
নিরলংকার ভ্রমণ – শঙ্খ ঘোষ
৪৯.
চেঙ্গিস খানের দেশে – প্রতাপকুমার রায়
৫০.
মিজোরামের নীল পাহাড়ে – দীপঙ্কর ঘোষ
৫১.
সিন্ধুদুর্গ – বিশ্বদীপ দত্ত
৫২.
জিম করবেটের জঙ্গলে – মণিদীপা বন্দ্যোপাধ্যায়
৫৩.
থর মরুভূমিতে ট্রেকিং – শিবনাথ বসু
৫৪.
মরোক্কো ভ্রমণ – হরপ্রসাদ মিত্র
৫৫.
ভাগীরথী, রূপনারায়ণ, নোবেল প্রাইজ – নবনীতা দেব সেন
৫৬.
গন্তব্য মাচুপিচু – প্রতাপকুমার রায়
৫৭.
কই যাইত্যাছি জানি না – শঙ্খ ঘোষ
৫৮.
পারাংলা অভিযান – সুনীলকুমার সরদার
৫৯.
পুশকিন, মলদভা আর কচি পাতার বাঁশিতে মোত্সার্ট – প্রীতি সান্যাল
৬০.
আমাদের ছোট নদী : পার্বতী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৬১.
দেবলোকের পথে পথে – অশোক চক্রবর্তী
৬২.
না-ভ্রমণের বৃত্তান্ত – আশাপূর্ণা দেবী
৬৩.
এভারেস্টের পাদদেশে যাত্রা – কমলা মুখোপাধ্যায়
৬৪.
নীল নদে পাঁচদিন – হরপ্রসাদ মিত্র
৬৫.
বারাণসীর ঘাটের কথা – মণিদীপা বন্দ্যোপাধ্যায়
৬৬.
বালফাক্রমের পাহাড়-জঙ্গলে – সুমিত মুখোপাধ্যায়
৬৭.
গৌরীগঙ্গার উৎসব মিলাম হিমবাহ – পুরুষোত্তম বন্দ্যোপাধ্যায়
৬৮.
মরুভূমির দিনরাত্রি – পবিত্র সরকার
৬৯.
ঢাকা : একুশ বছর পর – অন্নদাশঙ্কর রায়
৭০.
ফোকসোমদো হ্রদ – ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত
৭১.
ইন্টারলাকেন থেকে ইয়ুংফ্রাউ – মণিদীপা বন্দ্যোপাধ্যায়
৭২.
কালিন্দী গিরিবর্ত্ম – রথীন চক্রবর্তী
৭৩.
একযাত্রায় ভোরামদেরও আর কানহা – হীরক নন্দী
৭৪.
মদমহেশ্বরের ডোলিযাত্রা – কাজল দত্ত
৭৫.
কেনিয়ায় পাঁচ অরণ্য – প্রতাপকুমার রায়
৭৬.
কোনাডা থেকে রেভুপাল ভরম – রতনলাল বিশ্বাস
৭৭.
চাঁদের দেশ লাদাখ – কমলেশ কামিলা
৭৮.
বোকের তোভ, ইজরায়েল – নবনীতা দেব সেন
৭৯.
বিষ্ণুপুর মুকুটমণিপুর – হরপ্রসাদ মিত্র
৮০.
ডোকরিয়ানি বামক – অনিন্দ্য মজুমদার
৮১.
তাওয়াং থেকে তাসি-চু জং – কমলা মুখোপাধ্যায়
৮২.
মেক্সিকো শহরের একটি দিন – প্রীতি সান্যাল
৮৩.
আকাশচূড়ায় অভিযান – অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায়
৮৪.
ভ্রমণের ঝঞ্ঝাট – শঙ্খ ঘোষ
৮৫.
সারেঙ্গেটির জঙ্গলে – হরপ্রসাদ মিত্র
৮৬.
এবারের কুম্ভমেলায় – চিন্ময় চক্রবর্তী
৮৭.
অন্য পথের পথিক – বুদ্ধদেব গুহ
৮৮.
গরুমারা জঙ্গলে – টুটুল রায়
৮৯.
নিশীথ সূর্যের দেশ – প্রতাপকুমার রায়
৯০.
সবুজ নামদাফাতে – সঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায়
৯১.
পঞ্চকেদার – শিবনাথ বসু
৯২.
গোঁসাইকুণ্ড – কমলা মুখোপাধ্যায়
৯৩.
অমরকন্টক – হীরক নন্দী
৯৪.
আদিম ডুয়ার্সের আধুনিক রূপকথা – সূর্য ঘোষ
৯৫.
পার্বতী উপত্যকায় সার পাস – বিদ্যুৎ দে
৯৬.
মিয়ানমার, ইরাবতীর সঙ্গে – পবিত্র সরকার
৯৭.
রূপসী রিশপ – হীরক নন্দী
৯৮.
হিমবাহের জন্মভূমিতে – শেখর ভট্টাচার্য
৯৯.
ভাবা জোত পেরিয়ে কিন্নর থেকে স্পিতি – অনিন্দ্য মজুমদার
১০০.
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত – হরপ্রসাদ মিত্র
১০১.
বক্সা দুর্গ – টুটুল রায়
১০২.
সিন্ধু নদের ধারে – রতনলাল বিশ্বাস
১০৩.
মেঘালয়ের দাউকি – সুমিত মুখোপাধ্যায়
১০৪.
আমাদের ছোট নদী : লিডার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
১০৫.
লাসা – সমীর রায়
১০৬.
২ নম্বর লোভালোয়া স্ট্রিট – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
১০৭.
অযোধ্যা পাহাড় – বিশ্বদীপ দত্ত

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%