আমাদের ছোট নদী : লিডার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

আমাদের ছোট নদী : লিডার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

প্রথমে একটা ছোট্ট স্বপ্নের কথা বলি ৷ প্রতিদিনই আমরা অনেক স্বপ্ন দেখি, অধিকাংশ স্বপ্নই পরে আর মনে থাকে না, ধূপের গন্ধের মতো মিলিয়ে যায় ৷ কোনও কোনওটি সকালে জেগে ওঠার পরেও কিছুক্ষণ মনে থাকে, দুয়েকটা বেশ স্থায়ী দাগ রেখে যায় স্মৃতিতে ৷ এই স্বপ্নটা বেশ মনে আছে ৷

আমি একটি নদীতে নামছি একটু একটু করে ৷ প্রথমে হাঁটু জল, তারপর কোমর পর্যন্ত, তারপর বুক, আমি কিছুই পরে নেই, একেবারে নগ্ন ৷ দিনেরবেলা নয়, রাত্তিরবেলা, আকাশে চাঁদ জ্যোৎস্না ছড়াচ্ছে ৷ তারপর দেখলাম দূরে বড় বড় পাহাড়, রাত্তিরবেলাও জ্যোৎস্নায় চকচক করছে শিখরের তুষার ৷ সাঁতার কাটার বদলে আমি আস্তে আস্তে ডুবে গেলাম সেই নদীর গভীরে, তারপরই দূরে কামানের গোলার মতো কিসের প্রচণ্ড শব্দ হল ৷

ব্যস, এখানেই স্বপ্নের শেষ ৷

স্বপ্নের অনেকে অনেক রকম ব্যাখ্যা দেবার চেষ্টা করেন ৷ অধিকাংশই বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না ৷ একেকটা স্বপ্ন নিজের কাছেই একটা বাঁধা হয়ে থাকে ৷ কলকাতা শহরে, বিছানায় শুয়ে হঠাৎ আমি একটা নদীতে ডুব দেওয়ার স্বপ্ন দেখলাম কেন? দিনেরবেলা নানান কাজে ব্যস্ত থেকে আমি তো কোনও নদীর কথা একবারও চিন্তা করিনি ৷ তাহলে কি এটা কোনও প্রতীক? এ আমার মৃত্যু-বাসনা? কিন্তু কোনও নদীতে ডুবে মরা তো আমার পক্ষে সম্ভব নয় ৷ পূর্ববঙ্গে জন্ম, আমি বেশ ভালোই সাঁতার জানি ৷

তাহলে কি অতৃপ্ত বাসনা? তাই-ই বা কী করে হবে, আমি জীবনে বহুবার বহু নদীতে ডুব দিয়েছি, এমনকী বিশ্ববিখ্যাত নদী ড্যানিয়ুবেও সাঁতার কেটেছি ৷

সে যাই হোক, স্বপ্নের ব্যাখ্যা থাক ৷ স্বপ্নে আমি কোন নদীটাকে দেখলাম? রাত্তিরবেলা কোনও পাহাড় ঘেরা নদীতে কখনও স্নান করিনি, সুতরাং এটা আমার পূর্ব স্মৃতি হতে পারে না ৷

স্বপ্নে অবশ্য আমরা অনেক অদৃষ্টপূর্ব জায়গা দেখি ৷ মনে মনে অনেক নতুন দৃশ্য তৈরি করি ৷ তবু অনেক ভেবে ভেবে একদিন মনে হল, আমার স্বপ্নে দেখা নদীটি একেবারে কল্পিত নয়, অনেকটা পহেলগাঁও-এর লিদার নদীর মতো ৷

লিদার বা লিদ্দার বা লিডার নদীটি অনেকের কাছেই পরিচিত ৷ কাশ্মীরের ভ্রমণকারীরা সকলেই পহেলগাঁও যান ৷ আর অমরনাথের তীর্থযাত্রীদের বারবার এই নদীকে প্রত্যক্ষ করতে হয় ৷ কাশ্মীর বাঙালিদের খুবই প্রিয় জায়গা, এখন কয়েক বছর ধরে অবশ্য সেখানে যাওয়া বিপজ্জনক, কখন উগ্রপন্থীদের গুলিতে প্রাণটি যাবে তার ঠিক নেই ৷ আবার কবে ওই স্বর্গসম উপত্যকায় সহজ, সাবলীল ও স্বচ্ছন্দে ভ্রমণ করা যাবে কে জানে! তাই লিদার নদী তীরের একটি অভিজ্ঞতার কথা লিখতে ইচ্ছে হল ৷ এর সঙ্গে আমার ওই স্বপ্নের অবশ্য কোনও যোগ নেই ৷ লিদার নদীর জলে যেমন তীব্র স্রোত, তেমনই ঠান্ডার কামড়, ওখানে স্নান করতে কখনও ইচ্ছেও হয়নি ৷

পহেলগাঁওতে আমি গেছি দুবার ৷

প্রথমবার গিয়েছিলাম বয়েজ স্কাউটদের সঙ্গে, সব মিলিয়ে বোধহয় পঞ্চাশজন, সকলেরই পরনে খাঁকি হাফ প্যান্ট ও সাদা শার্ট ৷ দলবেঁধে ঘোরার মজা আছে ঠিকই, অনেক হৈ চৈ ও আমোদ হয়, কিন্তু নিসর্গ উপভোগ করা যায় না ৷ সেবারে রিজার্ভ বাসে করে ঘোরা, চেঁচিয়ে গান গাওয়া, লুকিয়ে চুরিয়ে ব্র্যান্ডি পান, এই সবই মনে আছে, নদীর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক স্থাপনের স্মৃতি নেই ৷

দ্বিতীয়বার গিয়েছিলাম স্ত্রী ও পুত্রকে নিয়ে, তিনজনের ছোট্ট দল, কোনও কারণে সেবার পহেলগাঁওতে তখন ভিড়ও ছিল না ৷ ঠিকই করেছিলাম, ওখানে নিরিবিলিতে কয়েকটা দিন কাটাব ৷

পহেলগাঁওতে প্রচুর হোটেল আছে, আমাদের সাধ হল তাঁবুতে থাকার ৷ হোটেলের ঘর অনেক আরামদায়ক, কিন্তু স্বাতী অতি রোমান্টিক, তাঁবুতে রাত্তিরযাপনই তার বেশি পছন্দ ৷ আমাদের ছেলে পুপলুর তখন ছ-সাত বছর বয়স ৷ তার কাছেও তাঁবুতে থাকা বেশ একটা অ্যাডভেঞ্চারের মতো ৷

অনেক তাঁবু ভাড়া পাওয়া যায় ৷ দোকানের লোকরাই তাঁবু খাটিয়ে দিয়ে যায়, একখানা শোবার ঘর, ছোট্ট রান্না ঘর, পিছনে বাথরুম, বিছানা, বালিশ, চাদর, থালা-গ্লাস, চায়ের কাপ-ডিশ, সব কিছুর জন্যই আলাদা-আলাদা ভাড়া ৷ আমরা অবশ্য রান্নাবান্নার ঝামেলার মধ্যে যাইনি ৷ দুবেলা খেয়ে আসতাম শহরের দোকান থেকে ৷ রাত্তিরবেলা খেয়েদেয়ে তাঁবুতে ফেরাটাই ছিল সবচেয়ে কষ্টের ৷ পহেলগাঁও দিনেরবেলা চমৎকার, সন্ধের পর থেকেই খুব শীত পড়তে শুরু করে, রাত আটটা-নটার সময়ই বাইরে থাকলে ঠান্ডা বাতাস হাড় পর্যন্ত কাঁপিয়ে দেয় ৷ হু হু হু হু করতে করতে স্বামী, স্ত্রী ও সন্তান একসঙ্গে দৌড় লাগাতাম তাঁবুর দিকে ৷

তাঁবুতে ফেরার পরেও কনকনে বিছানায় শোওয়াও যেন এক শান্তি ৷ বিছানা গরম করার জন্য তার ওপর আমরা লাফালাফি করতাম কিছুক্ষণ ৷

একটা ব্যাপারে আমাদের খুব সাবধান থাকতে হত ৷ পহেলগাঁও আসবার আগে শ্রীনগরের অদূরে নাগিন হ্রদের এক বজরাতেও আমরা কাটিয়েছি কয়েকটি দিন ৷ সেখানে একদিন পুপলুকে প্রায় অবধারিত মৃত্যুর কাছ থেকে ছিনিয়ে আনা হয়েছে কোনওক্রমে ৷ আশপাশের কয়েকটি বজরায় থাকত কিছু সাহেব-মেম ৷ তাদের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে পুপলুর ভাব হয়ে গিয়েছিল, তাদের সঙ্গে খেলা করত ৷ এক বজরা থেকে আরেক বজরায় লাফিয়ে যাবার চেষ্টা করতে গিয়ে পুপলু হঠাৎ জলে পড়ে যায় ৷ একে তো জল দারুণ ঠান্ডা, তাছাড়া তলাটা ঝাঁঝিতে ভরা ৷ ওই ঝাঁঝিতে পা জড়িয়ে গেলে আর কিছুই করার থাকে না ৷ আমি আর স্বাতী তখন বজরার ছাদে বসে এক ফেরিওয়ালার কাছে রংবেরঙের পাথর যাচাই করছি ৷ চ্যাঁচামেচি শুনে উঁকি মেরে দেখি পুপলু জলের মধ্যে খাবি খাচ্ছে ৷ দুয়েক মিনিটের মধ্যে কিছু করতে না পারলে তার বাঁচার আশা নেই ৷ আমি উঠে দাঁড়িয়ে লাফাবার জন্য গায়ের কোট খুলে ফেললাম ৷ যদিও এক ঝলকের জন্য মনে হল, ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়লে আমি নিজেই ঝাঁঝির মধ্যে গেঁথে যাব, পুপলুকে তো ধরতে পারবই না ৷ নিজেকে বাঁচানোই তখন কঠিন হবে ৷ তবু, নিজের সন্তানকে উদ্ধার করার জন্য কিছু একটা তো করতেই হবে, সে সময় যুক্তিবোধ কাজ করে না ৷ আমি লাফ মারার জন্য উদ্যত হয়েছি, ঠিক সেই মুহূর্তে কোথা থেকে এ শিকারাওয়ালা এসে ঝুঁকে পুপলুর চুলের মুঠি ধরে তুলে এনে আমাদের চিরকৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছিল ৷

পহেলগাঁওতে এসে সেইজন্যই সে দুরন্ত বালককে সব সময় চোখে চোখে রাখতে হয় ৷ কোনওক্রমে লিদার নদীর জলে পড়লে তাকে কেউ উদ্ধার করতে পারবে না ৷ নদীর মধ্যে বড় বড় পাথর, তীব্র স্রোত, স্রোতের টানে কোনও পাথরে গিয়ে পড়লেই মাথাটা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে ৷

তবু, রাত্তিরবেলা তাঁবুতে শুয়ে নিস্তব্ধতার মধ্যে নদীর অবিরাম কুলকুল ধ্বনি শুনতে পাওয়াও এক অপূর্ব অভিজ্ঞতা ৷

লিদার নদীটি তেমন কিছু বড় নয়, যদিও দুটি নদী মিলে এখানে একটি নদী হয়েছে ৷ কোলহাই হিমবাহ আর শেষনাগ থেকে বয়ে এসেছে দুটি ধারা, পাহাড় থেকে নেমে এসে মিলিত হয়েছে এই উপত্যকায় ৷ অনেকে বলে লিদারের আদি নাম নীলগঙ্গা ৷ পহেলগাঁও থেকে অনন্তনাগ পর্যন্ত বয়ে গিয়ে এই নদী মিশে গেছে ঝিলম নদীতে ৷

আমরা দিন চারেক চুপচাপ কাটিয়ে দিলাম পহেলগাঁওতে ৷ অধিকাংশ সময় বসে থাকতাম নদীর ধারে ৷ তাঁবুতে কিছু রান্না না করলেও চা তৈরির ব্যবস্থা ছিল, ফ্লাস্কে ভরা থাকত চা ৷ পুপলু আমাদের দৃষ্টি সীমার মধ্যে পাথর নিয়ে খেলা করত ৷ অবিরাম ঘোরাঘুরি কিংবা দর্শনীয় স্থানে যাবার ব্যাকুলতার বদলে কোনও একটা জায়গায় স্থির হলে কয়েকদিন বসে থাকলেই সেই জায়গাটির সৌন্দর্য সঠিক উপলব্ধি করা যায় ৷

আরও কয়েকদিন হয়তো থাকতাম, কিন্তু অমরনাথের তীর্থযাত্রীদের ভিড় শুরু হয়ে গেল ৷ সুন্দরের লীলাভূমিতে বেশি মানুষের ভিড় আমার পছন্দ হয় না, তীর্থ দর্শনেরও কোনও লোভ নেই ৷ অনেকেই হয়তো শুনলে বিশ্বাস করবে না, একবার পূর্ণকুম্ভের স্নানের সময় আমি এলাহাবাদের সঙ্গমের কাছে এক তাঁবুতে টানা চোদ্দ দিন ছিলাম, কিন্তু একবারও নদীতে নেমে স্নান করিনি ৷ ওই ধরনের পুণ্য অর্জনে আমি বিশ্বাস করি না ৷ যে-কোনও নদীতে ডুব দিলেই পুণ্য হতে পারে, শুধু শুধু এক লক্ষ মানুষের সঙ্গে গাদাগাদি করে ওই সঙ্গমে গিয়ে ডুব দিতে হবে কেন?

অমরনাথের পথে, চন্দনবাড়ি পর্যন্ত আমরা ঘোড়ায় চেপে ঘুরে এসেছি একদিন ৷ পুপলুর রোমাঞ্চটাই আমরা উপভোগ করেছি বেশি ৷ ওই বয়েসের ছেলেরা ঘোড়ায় চাপলেই নিজেকে রাজপুত্র বা সেনাপতি-পুত্র বলে ভাবে ৷ হাতে থাকে কাল্পনিক তলোয়ার ৷ পুপলু তখন রবীন্দ্রনাথের ‘বীরপুরুষ’ কবিতাটা মুখস্থ বলতে পারত ৷

চন্দনবাড়ির কাছে দেখেছি, লিদার নদীর জল প্রায় দুধের মতো সাদা ৷ নদীর সঙ্গে আমরা নারীর তুলনা দিতেই পছন্দ করি ৷ কিন্তু লিদার নদীকে দেখে আমার দুর্দান্ত প্রাণশক্তি-সম্পন্ন এক কিশোর বলে মনে হয়েছে ৷

একদিন একটা ছোট্ট ঘটনা ঘটেছিল ৷ দুপুরবেলা নদীর ধারে একটা পাথরে হেলান দিয়ে শুয়ে আছি আমি ৷ রোদ্দুর একেবারে নরম মখমলের মতো ৷ এক সময় শন শন করে হাওয়া বইতে লাগল ৷ শীত সব সময় বাতাসের সওয়ার হয়ে আসে ৷ বরফ পড়লেও তেমন শীত করে না, বাতাস বইলেই কাঁপুনি শুরু হয় ৷

বেশি গরম জামা আনিনি, সব রয়েছে তাঁবুর মধ্যে ৷ সেখান থেকে সোয়েটার-শাল নিয়ে আসার জন্য স্বাতী উঠে দাঁড়িয়েই, এই এই বলে চিৎকার করে উঠল ৷

স্বাতীর গলায় জড়ানো ছিল একটা চিত্র-বিচিত্র সিল্কের স্কার্ফ, সেটা হাওয়ায় উড়ে গেছে ৷

পাছে পুপলু সেটা ধরতে যায়, তাই এক হাতে তাকে নিষেধ করে আমি ছুটে গেলাম ৷ স্কার্ফটা সুতো কাটা ঘুড়ির মতো দুলতে দুলতে উড়ছে ৷ স্কুল বয়সে আমার খুব ঘুড়ি ওড়ানোর নেশা ছিল, রাস্তায় অনেকবার ভো-কাট্টা ঘুড়ি ধরার জন্য ছুটেছি ৷ তখন দিকবিদিক জ্ঞান থাকে না, অনেক ছেলে এই অবস্থায় গাড়ি চাপা পড়ে, আমারও দুয়েকবার সেরকম সম্ভাবনা হয়েছিল ৷

এবারেও সেরকম হল ৷ স্কার্ফটা যে নদীর দিকে উড়ে যাচ্ছে আমি তা খেয়াল করলাম না ৷ আমার চোখ ওপর দিকে ৷ পিছন থেকে স্বাতী এবং আরও কয়েকজন লোক চিৎকার করছে, আমি শুনতে পাচ্ছি না ৷ একটা পাথরে হোঁচট খেয়ে আমি পড়লাম জলে ৷

না, ততটা জলে নয়, যাতে স্রোতে আমাকে টেনে নিয়ে যেতে পারে ৷ কেউ এসে ধরবার আগেই আমি উঠে দাঁড়াতে সক্ষম হলাম ৷ তবে, অন্ধের মতো ওইভাবে ছুটলে, পাথরে ধাক্কা না খেলে, আমার কপালে ঘোর বিপদ ছিল ৷ স্কার্ফটা জলে পড়ে অদৃশ্য হয়ে গেল মুহূর্তের মধ্যে ৷

পাথরটাই আমাকে বাঁচাল? কিংবা নদী ৷ আমি জানি, কোনও নদীই কোনওদিন আমাকে মৃত্যুর দিকে টেনে নিয়ে যাবে না ৷

ভ্রমণ সেপ্টেম্বর-অক্টোবর, ১৯৯৬

সকল অধ্যায়
১.
অর্ধশতাব্দীর আগের বদ্রীনাথ যাত্রা – প্রতাপকুমার রায়
২.
মানস অভয়ারণ্য – সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
৩.
জলদাপাড়া অরণ্য – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৪.
জলের ধারে ঘর – নবনীতা দেব সেন
৫.
জয়ন্তীর মহাকাল মন্দির – উষা সেন
৬.
তাহিতি – হরপ্রসাদ মিত্র
৭.
মার্কন্ডেয় গঙ্গার উত্স সন্ধানে – অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায়
৮.
কেদার বদ্রী – মৈত্রেয়ী চট্টোপাধ্যায়
৯.
তেহরানি হয়রানি – অমিতাভ চৌধুরি
১০.
শোনপুরের মেলায় – বরুণ দত্ত
১১.
এলেম নতুন দেশে – কমলা মুখোপাধ্যায়
১২.
মস্কো থেকে সাইবেরিয়া হয়ে পিকিং – গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
১৩.
পাতাল-ভুবনেশ্বর – বিশ্বদীপ দত্ত
১৪.
ইছামতীর মশা – শঙ্খ ঘোষ
১৫.
নিকোবরের দ্বীপে – তিলকরঞ্জন বেরা
১৬.
তিরতিরে নদী আর শাল জঙ্গলের দেশে – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
১৭.
আমার ভ্রমণ – মহাশ্বেতা দেবী
১৮.
সুন্দরবন – হীরক নন্দী
১৯.
ওপারবাংলার সুন্দরবনে – সমীর সেনগুপ্ত
২০.
সাইকেলে পাঁচ বছরে ভূ-পর্যটন – ভূপর্যটক বিমল দে
২১.
আঙ্কোর ভাট – প্রীতি সান্যাল
২২.
হিমালয়ের সাতকাহন – ত্রিদিব বসু
২৩.
স্বপ্নের পথেই যাওয়া যায় – মহাশ্বেতা দেবী
২৪.
ছোট কৈলাস – সুভাষ দত্ত
২৫.
বালতাল হয়ে অমরনাথ – প্রতাপকুমার রায়
২৬.
মধ্য এশিয়া অভিযান – গৌতম ঘোষ
২৭.
পথ হারিয়ে সিকিমের জঙ্গলে – রতনলাল বিশ্বাস
২৮.
নতুন করে পাব বলে – বন্দনা সান্যাল
২৯.
সেবার ব্রেকজার্নি করে – জয়া মিত্র
৩০.
চন্দ্রভাগার উৎস চন্দ্রতাল সুর্যতাল – সুনীলকুমার সরদার
৩১.
ওঙ্কারেশ্বর – বিশ্বদীপ দত্ত
৩২.
সুন্দরবনে দুদিন – পবিত্র সরকার
৩৩.
মণিমহেশ – কমলা মুখোপাধ্যায়
৩৪.
দিকবিদিকে – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
৩৫.
তিস্তানদীর উৎসে – শরৎ ঘোষ
৩৬.
পশ্চিমে হাওয়াবদল – মধুপর্ণা দত্ত বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৭.
এক টুকরো নীল চাঁদ – সুমিত মুখোপাধ্যায়
৩৮.
কালিম্পং থেকে তিব্বত – অরুণকুমার মুখোপাধ্যায়
৩৯.
সাইলেন্ট ভ্যালি – শিবনাথ বসু
৪০.
মির্জা শেখ ইতেসামুদ্দিনের বিলেত যাত্রা এবং আমি – নবনীতা দেব সেন
৪১.
বক্সা বাঘ-প্রকল্প – বুদ্ধদেব গুহ
৪২.
গানতোক থেকে ইয়ুমথাং – সুতপা ভট্টাচার্য
৪৩.
ক্যামেরুন, আগ্নেয়গিরি ও গভীর জঙ্গলের খুদে মানুষেরা – প্রীতি সান্যাল
৪৪.
ডুয়ার্সের দুয়ার এখন খোলা – সমরেশ মজুমদার
৪৫.
ইউরোপে দিন কয়েক – পূর্ণেন্দু পত্রী
৪৬.
রামচন্দ্রের বনবাসের পথ পরিক্রমা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৪৭.
আসমুদ্রককেশাস – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
৪৮.
নিরলংকার ভ্রমণ – শঙ্খ ঘোষ
৪৯.
চেঙ্গিস খানের দেশে – প্রতাপকুমার রায়
৫০.
মিজোরামের নীল পাহাড়ে – দীপঙ্কর ঘোষ
৫১.
সিন্ধুদুর্গ – বিশ্বদীপ দত্ত
৫২.
জিম করবেটের জঙ্গলে – মণিদীপা বন্দ্যোপাধ্যায়
৫৩.
থর মরুভূমিতে ট্রেকিং – শিবনাথ বসু
৫৪.
মরোক্কো ভ্রমণ – হরপ্রসাদ মিত্র
৫৫.
ভাগীরথী, রূপনারায়ণ, নোবেল প্রাইজ – নবনীতা দেব সেন
৫৬.
গন্তব্য মাচুপিচু – প্রতাপকুমার রায়
৫৭.
কই যাইত্যাছি জানি না – শঙ্খ ঘোষ
৫৮.
পারাংলা অভিযান – সুনীলকুমার সরদার
৫৯.
পুশকিন, মলদভা আর কচি পাতার বাঁশিতে মোত্সার্ট – প্রীতি সান্যাল
৬০.
আমাদের ছোট নদী : পার্বতী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৬১.
দেবলোকের পথে পথে – অশোক চক্রবর্তী
৬২.
না-ভ্রমণের বৃত্তান্ত – আশাপূর্ণা দেবী
৬৩.
এভারেস্টের পাদদেশে যাত্রা – কমলা মুখোপাধ্যায়
৬৪.
নীল নদে পাঁচদিন – হরপ্রসাদ মিত্র
৬৫.
বারাণসীর ঘাটের কথা – মণিদীপা বন্দ্যোপাধ্যায়
৬৬.
বালফাক্রমের পাহাড়-জঙ্গলে – সুমিত মুখোপাধ্যায়
৬৭.
গৌরীগঙ্গার উৎসব মিলাম হিমবাহ – পুরুষোত্তম বন্দ্যোপাধ্যায়
৬৮.
মরুভূমির দিনরাত্রি – পবিত্র সরকার
৬৯.
ঢাকা : একুশ বছর পর – অন্নদাশঙ্কর রায়
৭০.
ফোকসোমদো হ্রদ – ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত
৭১.
ইন্টারলাকেন থেকে ইয়ুংফ্রাউ – মণিদীপা বন্দ্যোপাধ্যায়
৭২.
কালিন্দী গিরিবর্ত্ম – রথীন চক্রবর্তী
৭৩.
একযাত্রায় ভোরামদেরও আর কানহা – হীরক নন্দী
৭৪.
মদমহেশ্বরের ডোলিযাত্রা – কাজল দত্ত
৭৫.
কেনিয়ায় পাঁচ অরণ্য – প্রতাপকুমার রায়
৭৬.
কোনাডা থেকে রেভুপাল ভরম – রতনলাল বিশ্বাস
৭৭.
চাঁদের দেশ লাদাখ – কমলেশ কামিলা
৭৮.
বোকের তোভ, ইজরায়েল – নবনীতা দেব সেন
৭৯.
বিষ্ণুপুর মুকুটমণিপুর – হরপ্রসাদ মিত্র
৮০.
ডোকরিয়ানি বামক – অনিন্দ্য মজুমদার
৮১.
তাওয়াং থেকে তাসি-চু জং – কমলা মুখোপাধ্যায়
৮২.
মেক্সিকো শহরের একটি দিন – প্রীতি সান্যাল
৮৩.
আকাশচূড়ায় অভিযান – অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায়
৮৪.
ভ্রমণের ঝঞ্ঝাট – শঙ্খ ঘোষ
৮৫.
সারেঙ্গেটির জঙ্গলে – হরপ্রসাদ মিত্র
৮৬.
এবারের কুম্ভমেলায় – চিন্ময় চক্রবর্তী
৮৭.
অন্য পথের পথিক – বুদ্ধদেব গুহ
৮৮.
গরুমারা জঙ্গলে – টুটুল রায়
৮৯.
নিশীথ সূর্যের দেশ – প্রতাপকুমার রায়
৯০.
সবুজ নামদাফাতে – সঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায়
৯১.
পঞ্চকেদার – শিবনাথ বসু
৯২.
গোঁসাইকুণ্ড – কমলা মুখোপাধ্যায়
৯৩.
অমরকন্টক – হীরক নন্দী
৯৪.
আদিম ডুয়ার্সের আধুনিক রূপকথা – সূর্য ঘোষ
৯৫.
পার্বতী উপত্যকায় সার পাস – বিদ্যুৎ দে
৯৬.
মিয়ানমার, ইরাবতীর সঙ্গে – পবিত্র সরকার
৯৭.
রূপসী রিশপ – হীরক নন্দী
৯৮.
হিমবাহের জন্মভূমিতে – শেখর ভট্টাচার্য
৯৯.
ভাবা জোত পেরিয়ে কিন্নর থেকে স্পিতি – অনিন্দ্য মজুমদার
১০০.
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত – হরপ্রসাদ মিত্র
১০১.
বক্সা দুর্গ – টুটুল রায়
১০২.
সিন্ধু নদের ধারে – রতনলাল বিশ্বাস
১০৩.
মেঘালয়ের দাউকি – সুমিত মুখোপাধ্যায়
১০৪.
আমাদের ছোট নদী : লিডার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
১০৫.
লাসা – সমীর রায়
১০৬.
২ নম্বর লোভালোয়া স্ট্রিট – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
১০৭.
অযোধ্যা পাহাড় – বিশ্বদীপ দত্ত

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%