আজরাইলের ডাক

হামিরউদ্দিন মিদ্যা

হ্যারিকেনের হলুদ শিখাটা টিমটিম করে জ্বলছে ঘরের মেঝেতে। খাদুবুড়ি চোখ মেলে পড়ে আছে বিছানায়। আর উঠতে পারছে না কিছুতেই। নুলোপারা মাথাতে পাকা চুলের কয়েকগাছি অবশিষ্ট। সরু সরু প্যাঁকাটির মতো হাতে-পায়ে শীর্ণ চামড়া লেপ্টে আছে হাড়ের সঙ্গে। এই হাত, পা, শরীর কিছুই তার শাসন মানে না আর। নড়তে, চড়তে পারে না। শুধু চোখগুলি দ্যাখে, কানগুলি শোনে। উঠতে বসতে চলতে না পারলে কী আর দেখবে? এই দেড়টা মাস শুধু ঘরের ‘টুই’-এর দিকে তাকিয়ে শুয়ে আছে। মধুনি, কাঠামো আর তাদের হাড়পাঁজরায় মাকড়সার জাল ছাড়া কিছুই দেখা যায় না। আচমকা টিকটিকি কিংবা ইঁদুর তালকাঁড়ির কড়ে দিয়ে তড়বড় করে হেঁটে গেলে কানগুলো সঙ্গে সঙ্গে সজাগ হয়ে উঠে। ভাবে সে বুঝি এল! মৃত মানুষের মতো অসাড় শরীর। বিছানাতেই হেগে-মুতে ল্যাপ্টালেপ্টি। বয়সটা তো আর কম হল না। পঁচাশির কাঁটা অতিক্রম করার পর মাঝেমধ্যে থমকে যাবার আভাস দেয়। পেটে দুধ, ফল, হরলিক্স পড়লে ব্যাটারি পালটানো ঘড়ির মতো কিছুদিন টিক টিক করে বেশ চলতে থাকে, তারপর আবার যে কে সেই।

এবারে খাদুবুড়ি এমন পড়া পড়েছে, আর কিছুতেই উঠছে না। যেন চরম জেদ ধরেছে সে, যতই তুমি দুধ, ফল, হরলিক্স পেটে জামিন দাও আর কিছুতেই তুলতে লারবে বাছাধন। আর লয়, ইবার সুময় হয়ি এইচে।

বড়ো ছেলে দিলবাহারের ঘরে দুই মাসের থাকার পালি শেষ করে ছোটো ছেলে একতারের ঘরে এখন ঠাঁই নিয়েছে। এই দেড়টা মাস শয্যাশায়ী। যাকে বলে লিদেন অবস্থা। ছোটো ছেলের ঘরে কম ভালোমন্দ তো খাওয়া হল না, শরীরে তাকত আসছে কই? এবার শুধু তার ডাকের অপেক্ষা। মৃত্যুদূত আজরাইল কখন এসে তাকে জানান দিয়ে যাবে, বুড়ি তোমার দিন শেষ, এবার তৈরি হও। — তা খাদুবুড়ি তো মরার জন্য প্রস্তুত, তার কি এখনও আসার সময় হয়নি?

নিজের ভিটেমাটি সব এখানেই। একতার আগে একাই সমস্ত জমিজায়গা চাষবাস করত। মায়ের দেখভাল করত সে একাই। তারপর বড়ো ছেলে দিলবাহার যেদিন সমস্ত জমিজায়গা ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নিজের প্রাপ্য অংশটুকু বুঝে নিল, সেদিন থেকেই খাদুবুড়ির লল্লাটের শেষ নেই। শুধু তো জমিজায়গা নয়, তার সঙ্গে মা-টাকেও ভাগ করে নিল।

ছোটো বউমা বলেছিল, আর তো আমরা একাই জমিগুলো চাষ করে গিলিনি, গিলছে আরও একজন। তাইলে বুড়ির দায়িত্ব আমরা একাই নিতে যাব কেনে?

প্রথম প্রথম ছয় মাস করে পালি। বউমারা আলাতন হয়ে পড়ছিল। একটানা ছয় মাস বুড়ির সেবা করা সম্ভব নয়। তাই এখন সেটা কমিয়ে দুই মাস করে নিয়েছে। দিলবাহার এই নামোপাড়ায় থাকে না, ঘর তুলেছে মোড়ের কাছে। দুই মাস অন্তর অন্তর খাদুবুড়িকে নিতে আসে।

বুড়িটাকে নিয়ে নুরেসার হাড়পিত্তি জ্বলে ছারখার হয়ে গেল। এমনও লেখন ছিল তার কপালে? খোদাতাল্লার দিলে কি একটুও রহম জাগে না? বুড়িটাকে টুক করে তুলে নিচ্ছে কই? তাকেও জানে কষ্ট দিচ্ছে, আর তাদেরকেও জ্বালিয়ে পুড়িয়ে মারছে। এই দু-দুটো মাস বুড়ির পেছনে ফাইফরমাশ খাটতে খাটতে নুরেসা নিজেও যেন বুড়ি হয়ে যাবে। আর পড়ল পড়ল, তার এখানেই লিদেন হয়ে পড়ল? ঘেন্না ধরে গেল জীবনটা। খেতে বসলে মুখে ভাত রুচে না, শুধু গা গুলায়, বমি পায়। সারাদিনে চারবার-পাঁচবার কাপড় পালটানো, কাঁথা-বালিশ পরিষ্কার করা, খাইয়ে দেওয়া, যা-তা ব্যাপার! ছ্যা ছ্যা ছ্যা! কী বিতিকিচ্ছিরি দুর্গন্ধ! যেন রোজ মরা গোরু গিলছে।

একতার নদীপাড়ের একটা ইটভাঁটায় হুকুমদারির কাজ করে। ভাঁটা থেকে ফিরে দ্যাখে নুরেসা মুখ গোমড়া করে বসে আছে। খেতে বসে ভাত নিয়ে নাড়াচাড়া করছে।

একতার সান্ত্বনা দিয়ে বলে, আরে ওরকম কোরো না, খামোখা পেটকে কষ্ট দাও কেনে?

যত ক্ষোভ ঝরে পড়ে নুরেসার, ঝাঁঝিয়ে উঠে, আমি খামোখা কষ্ট দিচ্ছি? বুঝো আমার কষ্ট? নিজে তো সকাল হলে বেরিয়ে পড়ছ, একদিন ঘরে থেকে মায়ের সেবা করে দেখাও না। তোমার তো জন্মদাত্রী মা। কত মা দরদি বুঝা যাবে সেদিন।

হা দেখ-অ। খালি রেগে যায়। রাঁধা খাওয়া কাজ আবার কী, আর ক-টা দিন পার করে দিতে লারবে? আমি ঘরে থাকলে চলবে, কাজে ধান্দায় না বেরোলে তুমাদের খাওয়াব কী?

বসে বসে খেতে তো আসি নাই, কামিন খাটতে এইছি।

একতার এবার নরম হয়ে বলে, কী করবে বলো তো। না দেখলেও তো নয়। আমাদিকেও তো একদিন বুড়ো-বুড়ি হয়ে মরতে হবে।

আর আগুনের উপর ঘি ঢালতে আসো না বলে দিচ্ছি। কেনে, সন্ধে থেকে তো ঘরে থাকো, তখন তুমি কী কাজটা করো শুনি? মাকে দেখতে পারো না তখন? যত দায়িত্ব সব মেয়েদের, না? — নাকে কান্না জুড়ে দিল নুরেসা।

বোবা রাতের কথোপকথনগুলো আবছা আলো-আঁধারে দেওয়াল টপকে, দরজা ডিঙিয়ে হুড়মুড় করে ঢুকে খাদুবুড়ির কানের কাছে গিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। মুখ দিয়ে প্রতিবাদের ভাষা ফুটে উঠে না। শুধু চোখ দিয়ে পানি গড়ায়, বালিশ ভিজিয়ে দেয়। তার নিজের ছেলেই যদি না করে, পরের মেয়েকে দোষ দিয়ে কী লাভ! মেয়েটা তো কম করে না।

পশ্চিমের মেঝেটা খাদুবুড়ির। ইলেকট্রিক বালবের আলো তার চোখের ঘুম কেড়ে নেয়। হারিকেনটা শিথানের নিচে টিমটিম করে জ্বলছে। জানালা দিয়ে ভূতুড়ে বাতাস ঢুকে হলুদ শিখাটাকে নাড়িয়ে দিয়ে যাচ্ছে। হারিকেনটার মতোই খাদুবুড়ির অবস্থা। ওটা দপ করে নিভে গেলেই কি তার আয়ু শেষ? তা আবার হয় নাকি! মৃত্যুদূত আজরাইল এসে তাকে দেখা দেবে, তারপর জান কবজ করে নিয়ে যাবে। তবেই তো মওত। জানলাটা আজ খোলাই থাকুক। বউমাকে লাগাতে বারণ করবে। জানালাটা দিয়েই তো জান কবজকারী ফেরেশতা আজরাইল আসবে। আজরাইল দেখতে কেমন কে জানে! প্রচণ্ড ভয়ংকর? যাকে দেখলেই কলজে ফেটে যায়, সারা শরীরের রক্ত জমে হিম হয়ে তৎক্ষণাৎ মৃত্যু ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে আঁধার রাত ঘনিয়ে আসে, চিরঘুমে ডুবে যায় মানুষ!

আজ সকাল থেকেই পানি হচ্ছে প্রচণ্ড। গাছের পাতারা উন্মাদ তালে দুলে দুলে এই ধরণীকে যেন লণ্ডভণ্ড করে দিতে চাইছে। খাদুবুড়ির আজই একতারের ঘরে পালি শেষ। হয়তো আজ বিকালে এসে নিয়ে যাবে বড়ো ছেলে দিলবাহার। জানালা দিয়ে পানির ঝিট ঢুকছিল বলে পাল্লাগুলো বন্ধ করে দিয়ে গেছে বউমা। আধো অন্ধকারে চোখ মেলে পড়ে আছে খাদুবুড়ি। তার দারুণ শীত শীত করছে। জলীয় বাতাসের জন্য বুকের ভেতর আত্মগোপনকারী মরণকাশিটা আরম্ভ হল। খক্ খক্ খক্... একটানা, অবিরাম।

ওঘরে একতারের ছোটো মেয়ে ইয়াসমিনা পড়তে বসেছে। দুলে দুলে ছড়া মুখস্থ করছে। বড়ো ছেলেটা বর্ধমানে হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে।

খক্ খক্ খক্... কাশি আর থামে না। আজই কি তাহলে আজরাইল আসবে? এলে ভালো হয়, তাহলে বড়ো ছেলের ঘরে যেতে হবে না। এই ভিটেমাটিতেই বুড়ির মরার ইচ্ছা। আজই তো শেষদিন এখানে!

দড়াম করে দরজাটা বন্ধ করে দিল কেউ। কাশির শব্দে ইয়াসমিনার পড়ার অসুবিধা হচ্ছে বোধ হয়। বেঁচে থাক মা, অনেকদিন বেঁচে থাক। — মনে মনে বিড়বিড় করল খাদুবুড়ি।

একটুক্ষণ আগেই পানি থেমে গেছে। গাছের পাতারা স্তব্ধ হয়ে যেন কোনও মৃত মানুষের নীরবতা পালন করছে। নিশ্ছিদ্র আঁধার ও গভীর নীরবতা ভারী হয়ে নামল খাদুবুড়ির বুকের উপর। কঠিন পাথরের মতো, অসহনীয় অচল বোঝার মতো। দু-চোখ জুড়ে নেমে আসছে কী নিকষ কালো আঁধার! মৃত্যুর সময় এমনই তো আঁধার ঘনিয়ে আসে!

কান পেতে রইল খাদুবুড়ি। আজরাইল এলে তার পায়ের শব্দ শুনতে পাবে কি জিনের চলার মতো? জিনের নাকি পা নয়, খুর। মসজিদে জিনরা যখন মানুষের ভেক ধরে নামাজ পড়তে আসে, তখন ওদের খুরের শব্দ পেয়েই নাকি ইমাম সাহেব টের পায়। ভিড়ের মধ্যে ঘাপটি মেরে মিশে থাকে। অনেকসময় যে মুসল্লি নামাজ ক্বাজা করে, তার ভেক ধরেই আসে। তাই কেউ বুঝতে পারে না।

এই সময় আর কাউকে মনে পড়ছে না খাদুবুড়ির। শুধু মাকে মনে পড়ছে। মায়ের মৃত্যুর সময় কী কষ্টই না করেছে সে। তিনটে মাস লিদেন অবস্থায় পড়েছিল মা। সারা রাত জেগে জেগে কাটাতে হয়েছে। খাটিয়ার উপর সুজনি কাঁথা বিছিয়ে শুতে দিয়েছিল। পাশে বসে তালপাতার পাখা নেড়ে বাতাস করত, তাতেও মায়ের কী ছটফটানি! ইমাম সাহেব রোজ দুইবেলা শিথানের পাশে বসে কোরান তেলাওয়াত করে যেত। শেষের দিকে গলা দিয়ে পানিও নামছিল না। সেদিন সাঁঝের বেলায় ভিড় জমল অনেক, মাকে দেখতে। সবাই গোল করে মাকে ঘিরে আছে, হঠাৎ ধড়ফড় করে উঠে বসে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। যে মানুষটা নড়াচড়া করতে পারছিল না, হেগে মুতে বিছানা ডাঁই করে রাখছিল, সেই মানুষ আচমকা উঠে বসে বলেছিল, খাদু দেখ দেখ, কালো বিড়ালটা কেমন ড্যাবড্যাব করে চেয়ে আছে আমার পানে। ওকে তাড়া আমার ছামু থেকে, খুব ডর করছে। — বলে একটা ফাঁকা জায়গার দিকে আঙুল বাড়িয়ে দেখিয়েছিল।

পাড়ার মেয়েরা বলেছিল, কই গো চাচি, কুথায় বিড়াল?

ওই যে লো, ওই। কানা হয়ে গেচিস নাকি? — বলেই থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে ধপ করে পড়ে যায় বিছানায়। চোখের পাতা উলটে যায়, হাত-পাগুলো হয়ে যায় ঠান্ডা বরফ। ইমাম সাহেব ব্যাপারটা বুঝতে পেরে কোরান পাঠ থামিয়ে দোয়া করেছিল।

সেদিন থেকেই খাদুবুড়ি বুঝেছিল, আজরাইল শুধু নিজের রূপ ধরেই আসে না, অনেকরকম ভেক ধরে আসে। তার জান কবজ করতে আজরাইল কীসের ভেক ধরে আসবে কে জানে!

কোনোরকমে চোখ মেলে তাকাল খাদুবুড়ি। শুধু তাকালই না, ঘোলাটে চোখ দুটো মেঝের ভেতর পাঁই পাঁই করে ঘুরছে। কী দেখছে খাদুবুড়ি? ঘরের কড়িবরগা, চাল-বাতা, দেওয়ালের পেরেকে টাঙানো থলি, জামাকাপড়, দেওয়ালের ধারে বিঁড়ের ওপর থাক থাক সাজানো মাটির হাঁড়িকুড়ি, ঘরের এককোণে ডাঁই করা চাকতি বেল্লা, থালাবাসন, ঘটি গেলাস কি? তাহলে কি এখনও এ ঘরের মায়া কাটেনি বুড়ির? নাকি শেষ মায়াজাল ছিঁড়ছে খাদুবুড়ি?

‘খুট’ করে কে যেন দরজাটা খুলল। মানুষ এত নিস্তেজ দরজা খোলে! কে এল তবে? আজরাইল? এবার খুব ভয় করল খাদুবুড়ির। শরীরটা দরদর করে ঘামছে। কীসের ভয় তার? মরণকে? এই দুটো মাস তো সে নিজেই মরণকে ডেকেছে, এই দুনিয়ার সমস্ত মোহ কাটিয়ে চলে যেতে চেয়েছে। তাহলে?

কানগুলো সজাগ হয়ে উঠল খাদুবুড়ির। থপ... থপ... থপ... থপ... করে কে যেন এগিয়ে আসছে। সারা শরীরটা দরদর করে ঘেমে উঠল। মুহূর্তে মনে মনে কলমা পড়ে নিল, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্, মোহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ্।

একতার খাদুবুড়ির মাথাটা কোলে তুলে নিল। খাদুবুড়ির ঠোঁট দুটো তিরতির করে কাঁপছে। আর বাঁশির মতো কেমন একটা শব্দ বেরিয়ে আসছে ঠোঁট বেয়ে, ফুর-র-র, ফুর-র-র... একতারের বুকটা ভয়ে ঢিপ করে উঠল। কাল ফুঁ নয় তো!

ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল, বড়োভাই দিলবাহার কখন পা টিপে টিপে পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে।

খাদুবুড়ির বাহু দুটো ধরে আস্তে আস্তে নড়াতে লাগল একতার, দ্যাখো মা, কে এসেছে। খাদুবুড়ি দেখল না। চোখ দুটো আরও ঘোলাটে হয়ে গেল।

একতার আবার বলল, তোমার বড়ো ছেলে এসেছে মা, তোমাকে নিয়ে যেতে। যাবে তো?

খাদুবুড়ি কোনও সায় দিল না।

নুরেসা এগিয়ে এল এবার।

এত ঝাঁকানোর কী আছে? মা কি কথা বলতে পারবে? — তারপর দিলবাহারের দিকে ঘুরে বলে, বেলা থাকতে এসেছেন যখন ভালোই হয়েছে। রাত হয়ে গেলে নিয়ে যেতে অসুবিধা হত। দাঁড়ান আমি সুজনি কাঁথাটা খাটিয়ার ওপর বিছিয়ে দিচ্ছি। — বলেই নুরেসা পাশের ঘর থেকে তাড়াতাড়ি করে কাঁথাটা বের করে এনে বিছিয়ে দিল। খাটের ওপর টেনে তুলল মাকে।

খাদুবুড়ি তখনও দুই ঠোঁটের কাঁপন তুলে বাঁশি বাজাচ্ছে। কাল ফুঁ। ফুর-র-র, ফুর-র-র...

খাদুবুড়ি দুই ছেলের কাঁধে চড়ে কোথায় যাচ্ছে? গোরস্থানে? দুই ছেলে, ছেলে বটে তো? একতার, একতার বটে তো? দিলবাহার, দিলবাহার বটে তো? নাকি আজরাইল নিজে এসেছে তার সহযোগী ফেরেশতাদের সঙ্গী করে খাদুবুড়িকে নিয়ে যেতে? আজরাইল কখন কার ভেক ধরে আসে, কেউ কী তা জানে!

তথ্যকেন্দ্র, জানুয়ারি, ২০১৮

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%