দৈনন্দিন জীবন

তসলিমা নাসরিন

১. দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচনের হৈ চৈ চলছে। কংগ্রেস মনে হচ্ছে ভারতের রাজনীতি থেকে এখন অনেকটাই আউট। এত শীঘ্র এত বড় দলের এই হাল হয়েছে, কল্পনা করা মুশকিল। প্রতিযোগিতা চলছে ভারতীয় জনতা পার্টি আর আম আদমি পার্টির মধ্যে। কিরণ বেদি আর অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে। কিরণ বেদি অবসরপ্রাপ্ত পুরস্কারপ্রাপ্ত পুলিশ। দুর্নীতিবিরোধী আন্না হাজারের সঙ্গে বসে আন্দোলন করেছিলেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে। টিভির বিতর্কে ন্যায় নীতি নিয়ে প্রায়ই বলতে আসেন। একসময় মোদি আর বিজিপির বিরুদ্ধে বলেছেন। তাঁর বিজেপিতে প্রবেশ বেশ চমকে দিয়েছে অনেককে। বিজিপির অঢেল ক্ষমতা এখন। টাকা পয়সা, কর্পোরেট, মিডিয়া সবই বিজেপির হাতের মুঠোয় এখন। শেষ পর্যন্ত কিরণ বেদিও কি ক্ষমতার লোভ করলেন? অরবিন্দ কেজরিওয়ালও ছিলেন নীতি আদর্শের লোক। মূলত কংগ্রেসের দুর্নীতির বিরুদ্ধেই তিনি পথে নেমেছিলেন। গতবার জিতেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীনই সরকার বিরোধী ধর্না দিয়েছেন। একসময় আবেগের আতিসয্যে দলবলসহ ছেড়েই দিয়েছিলেন দিল্লির মসনদ। গোপন খায়েস ছিল প্রধানমন্ত্রী হওয়ার। সেই থেকে অরবিন্দ কেজরিওয়াল তাঁর জনপ্রিয়তা হারান। একসময় প্রচণ্ড জনপ্রিয় ছিলেন তিনি দিল্লিতে। এখন তাঁর আর আগের সেই জনপ্রিয়তা নেই। অনেকে বড় বড় নেতা আম আদমি পার্টি ছেড়ে চলেও গেছে। কে জিতবেন? কিরণ বেদি নাকি অরবিন্দ কেজরিওয়াল? আমার মনে হয় কিরণ বেদিই জিতবেন। কারণ কেজরিওয়ালের ওপর থেকে মানুষের আস্থা আসলেই কমে গেছে। আর দিল্লির জন্য কাজ করতে হলে একই দলের সরকার থাকলে সুবিধে হয়, এ কথা মানুষ জানে। কেজরিওয়াল লোক ভাল হতে পারে, তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি আপিসে সময় না কাটিয়ে রাস্তায় সরকারের বিরুদ্ধে ধর্না দিয়ে কাটাবেন বলেই অনেকে আশংকা করছে।

২. ওবামা আসছেন দিল্লিতে রিপাবলিক দিবস পালন করতে। সেদিন দিল্লির আকাশে কোনও উড়োজাহাজ উড়বে না। কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এদিকে যুক্তরাজ্য বলেছে, ভারত সাবধান, আইসিস ভারতে আসছে। আইসিসের আলামত ইতিমধ্যে ভারতে পাওয়া গেছে। সিরিয়া থেকে কিছু ভারতীয় মুসলমান মানুষ মারার ট্রেনিং নিয়ে ফিরে এসেছে ভারতে। ওরা নিশ্চয়ই বসে বসে আঙুল চুষবে না। আইসিসের মনে হচ্ছে শুধু ইরাক আর সিরিয়ায় বসে থাকার কোনও ইচ্ছে নেই। বিশ্ব জয় করার জন্যও বেরিয়ে পড়বে। জঙ্গী প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর আইসিস সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন দেশে পাঠিয়ে দিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করা হবে। আমার ইদানীং আশংকা হচ্ছে যে, আমাকে এরা জবাই করবে কোনও একদিন। আমি তাদের পুরোনো শত্রু। টুইটারে আল কায়দা আর আইসিস দুদলই আমাকে লিখেছে জবাই হওয়ার জন্য আমি যেন তৈরি থাকি। টুইটার ফেসবুকেই এদের যোগাযোগের মাধ্যম। এরা তীরের আগায় হুমকি বেঁধে বাড়ি বাড়ি ছোঁড়ে না।

ভারতে থাকাটা আমার জন্য নিরাপদ নয় জানি। কিন্তু কোনও নিরাপদ দেশে, ইওরোপ বা আমেরিকায় আমার পক্ষে বাস করাও সম্ভব নয়। সোজা কথা, খরচ পোষাতে পারবো না। কিন্তু ভারতে যদিও আমার নিরাপত্তা রক্ষী প্রচুর, তবুও ভয় হয়। এখানকার নিরাপত্তা রক্ষী তো পাশ্চাত্যের নিরাপত্তা রক্ষীদের মতো নিরাপত্তা দেওয়ায় দক্ষ নয়। মাঝে মাঝে মনে হয়, যদি মারেই আমাকে, যেন মাথায় গুলি করে মারে। ছুরি দিয়ে গলা কাটবে, ভাবতেই গা শিউরে ওঠে। না, ছুরি আমার একেবারেই পছন্দ নয়। দুজন জাপানি লোককে দুপাশে বসিয়ে ছুরি হাতে নিয়ে আইসিসের খুনীরা সেদিন দুশ মিলিয়ন ডলার চেয়েছে জাপান সরকারের কাছে। জাপান সরকার জানিয়ে দিয়েছে সন্ত্রাসের জন্য তারা কোনও টাকা দেবে না। অতএব, সন্ত্রাসীরা জাপানি লোকদুটোকে জবাই করবে। জবাই করবে আর আল্লাহু আকবর বলে চিৎকার করবে।

যে মুসলমানরা ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলে প্রচার করে, তারা কজন আইসিসের হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ করে, আমার খুব জানার ইচ্ছে।

৩. আমার বেড়ালটার জন্য দেশের বাইরে কোথাও যেতে গেলে আমার সাতবার ভাবতে হয়। যাওয়ার ইচ্ছেগুলোকে বিদেয় করে দিই। না গেলেই নয় এমন কিছুতেই শুধু যাই। নারীবাদ, মানববাদ ইত্যাদি বিষয়ে বলার জন্য যেতে হয়। তখন আমার বেড়ালটাকে দেখাশোনার ভার কাজের লোক, চেনা লোক, পরিচিত লোক, বন্ধু লোক– এদের হাতে দিয়ে যেতে হয়। ভারতে খুব কম লোককে পেয়েছি যারা বেড়াল ভালোবাসে, বা বেড়ালের যত্ন করতে জানে বা একশভাগ ঘরের বেড়ালের জীবন যাপন বোঝে। বাড়িতে কাউকে রেখেই ঠিক শান্তি পাইনি। বাড়ি ফিরে দেখেছি বেড়াল ভুগছে। যারা দেখাশোনার দায়িত্বে ছিল তারা ওকে রাস্তার বেড়ালের সঙ্গে যেমন ব্যবহার করে, তেমন করেছে। আমার বেড়ালের যে টয়লেট অপরিষ্কার থাকা পছন্দ নয়, তার খাবার পানি বদলে বদলে দিতে হয় দিনে দুবার, পছন্দের মাছ হাজির থাকতে হয় চাওয়ার আগেই, ড্রাইফুড তাজা তাজা দিতে হয়, শীতকালে হিটারের পাশে তার কম্বল চাই, গরমকালে নরম বিছানা আর ঠাণ্ডা হাওয়া চাই, নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া পেলে বারান্দায় তার সূর্যস্নান করা চাই, সকাল বিকেল ফুটবল, হাই জাম্প, এসব খেলা চাই, তা কে বুঝবে। এ বেড়াল তো যেন তেন বেড়াল নয়। এ বেড়ালের টুইটার একাউন্ট আছে। রীতিমত জনপ্রিয় বেড়াল। এ বেড়াল নিয়ে বই লেখা হয়েছে, পত্রপত্রিকায় বিস্তর লেখালেখি হয়েছে, চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়েছে। আমাকে বিদেশ বিভূঁইয়ে যেতে হলে আমার বেড়াল রাখতে গিয়ে বাড়ি জুড়ে উৎসবের তাণ্ডব চালায় লোকেরা। এ দেশে যারাই আমার কাছাকাছি এসেছে, ঠকাতে বেশির ভাগই খুব ওস্তাদ। আসলে শুরু থেকেই আমার দরজা ছিল সবার জন্য খোলা। যে কেউ আসতো, যে কেউ চাকরি পেতে চাইতো বা বন্ধুত্ব পাতাতে চাইতো, আমার না ছিল না কারো জন্য। অতিথিপরায়ণতা আমার রক্তে। সুতরাং মুগ্ধ হয় সকলেই, জোঁকের মতো সেঁটেও থাকতে চায়। সারাজীবন এই করেছি, ভুল মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা করেছি। সঠিক মানুষের সঙ্গে কেন আমার দেখা হয় না, জানি না। বেড়ালটা অনেকটা আমার মানুষ বোঝার লিটমাস। আজও আমি সৎ মানুষের খোঁজে। এ খোঁজা জীবনভর চলবে বলে মনে হয়।

৪. নিউইয়র্কে অসুস্থ ভাই পড়ে আছে। বোনটা তার দেখাশোনা করছে। বোনটা অমানুষিক পরিশ্রম করে। কুড়ি বছর বিদেশে বাস করার পর বলে, দেশেই ভালো ছিল। মানুষ সোনার হরিণের আশায় দেশ ছাড়ে। আমার বোনটা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে, আমার বোন হওয়ার অপরাধে ওর দেশে কোথাও কোনও চাকরি জুটছিল না বলে, দেশে ওকে হুমকি দিচ্ছিল ধর্মের রক্ষকরা। কুড়ি বছর চলে যাওয়ার পর ভুল শোধরানো যায় না। মেয়ে বড় হয়ে গেছে। মেয়ের টানে রয়ে যেতে হয়। আমার বোনই শুধু নয়, হাজারো অভিবাসীর প্রায় একই গল্প। বোনটাকে কোনও সান্ত্বনা আমি দিতে পারি না। জীবন আমাদের ফুরিয়ে যাচ্ছে। কেবল কষ্টে, কেবল সংগ্রামে, কেবল হতাশায়। দুটো তিনটে জীবন হলে স্বস্তি পেতাম। কিন্তু একটাই জীবন। এই একটা জীবনই কাটাতে হচ্ছে জীবনের কোনও রূপ রস গন্ধ আস্বাদন করা ছাড়াই। কে বলে স্বর্গ নরক এই জগতেই! মিথ্যে কথা। এই জগতের বেশির ভাগ অসৎ, ধর্ষক, ঠগবাজ, দুর্নীতিবাজ, খুনী স্বর্গসুখে আছে। যারা সৎ, কর্মঠ, উদার– তাদের বেশির ভাগই ভোগে নরকের যন্ত্রণায়, অভাবে, আর নিরাপত্তাহীনতায়।

বোনের সঙ্গে ইচ্ছে হয় প্রতিদিন কথা বলি। কিন্তু বোন বলে, তার সময় নেই কথা বলার। মন খারাপ হয়ে যায়। আত্মীয় স্বজনহীন জীবন আমি যাপন করছি আজ কুড়ি বছরেরও বেশি। বোনটা তো আমার মায়ের মতো উদার। ও কেন আমার সঙ্গে কথা বলার সময় পায় না! অভিমান হয়। আবার ভাবি, সময় পাবেই বা কী করে! দুদণ্ড সময় ওর নিজের জন্যই নেই। একটি পুরুষতান্ত্রিক পরিবার তো বাংলাদেশ থেকে মানুষ বহন করে নিয়ে যায় বিদেশে, যে পরিবারে গাধার খাটুনি খাটতে হয় মেয়েদের। দেশে থাকলে অন্তত সাহায্য করার কাউকে জুটতো। ওখানে কেউ নেই। স্বামী কাজ করবে, ঘরে ফিরে টিভি দেখবে। স্ত্রী বাইরে কাজ করবে, ঘরে ফিরে ঘরদোর পয়-পরিষ্কার করবে, কাটাবাছা করবে, রান্না করবে, লঞ্জী করবে, বাজার করবে, বাচ্চা লালন পালন করবে, বাচ্চা কুকুরবেড়াল রাখতে চায়, সুতরাং কুকুর বেড়ালের লালন পালনের ভারও স্ত্রীর ওপর। আমার বোনটা স্ত্রীর দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করছে। আরও একটি দায়িত্ব পালন করছে, সেটি হলো স্বামীর চিৎকার চেঁচামেচি দুর্ব্যবহার সওয়া। হাজারো মেয়ের তো একই গল্প। মাঝে মাঝে ভালো লাগে ভাবতে যে, আমার গল্প ওরকম নয়। আমার গল্পে দুঃখ আছে, কিন্তু দুঃখটা অন্যরকম। পুরুষতন্ত্রের অত্যাচার আমাকে বাইরে সইতে হয়, ঘরে নয়। ঘরটা পুরুষতন্ত্র থেকে মুক্ত। ঘরে কোনও পুরুষ নেই। আছি আমি আর আমার বেড়াল। আমার বেড়ালটা কিন্তু মেয়ে বেড়াল।

সকল অধ্যায়
১.
কুপমন্ডুক
২.
ধর্মীয় সন্ত্রাস
৩.
গৃহকর্মীদের নির্যাতন করছে গৃহকর্ত্রীরা!
৪.
নাকুশা
৫.
সন্ত্রাসের দুনিয়া
৬.
একটি মৃত্যু
৭.
ঈদের নামাজ নিষিদ্ধ
৮.
ঈদ
৯.
ও আমার দেশের মাটি
১০.
মেয়েদের কেন ঠকানো হয়?
১১.
লজ্জা দিবস
১২.
গোমাংস নিষিদ্ধ
১৩.
ব্যক্তিগত শোক
১৪.
নতুন পৃথিবী
১৫.
বজরঙ্গি ভাইজান
১৬.
হুমায়ুন আজাদ
১৭.
ভারতে পর্নোগ্রাফি নিষিদ্ধ
১৮.
নার্গিস
১৯.
অসহিষ্ণুতা
২০.
ইসলামী খুনী
২১.
বইমেলায় প্রবেশ নিষেধ
২২.
দৈনন্দিন জীবন
২৩.
উইকিপিডিয়া
২৪.
কোথায় আছি
২৫.
দ্বিখণ্ডিত
২৬.
ফাঁসি
২৭.
স্টেটমেন্ট
২৮.
হাতি ঘোড়া
২৯.
আইসিস
৩০.
খুন
৩১.
দুর্বৃত্ত
৩২.
প্রতিবাদ
৩৩.
ফ্রিডম ফ্রম রিলিজন
৩৪.
গুলাম আলী
৩৫.
হজ্ব
৩৬.
সৌদি আরবের কীর্তিকলাপ
৩৭.
কোরবানির ঈদ
৩৮.
ডেঙ্গি
৩৯.
তাইপেই
৪০.
কবিতা
৪১.
এস
৪২.
কবিতা
৪৩.
সৌদি আরবে সেক্স শপ
৪৪.
অভিজিৎকে কেন মরতে হলো
৪৫.
বারসেলোনা
৪৬.
মেক্সিকো
৪৭.
অনুভূতিতে আঘাত না করে সমাজ বদলানো যায় না
৪৮.
অভিজিৎকে যেভাবে চিনি
৪৯.
পড়ানো
৫০.
অসম্মান
৫১.
গরবাচেভ
৫২.
ভাষা দিবস
৫৩.
ভারতের হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা মুক্তমনাদের খুন করছে
৫৪.
অ্যাসেম্বলি
৫৫.
আমার দুঃখিনী বর্ণমালা
৫৬.
খাওয়াদাওয়া
৫৭.
আমি কোথায় এখন?
৫৮.
গার্হস্থ্য
৫৯.
পুরোনো পাপী
৬০.
উপহার
৬১.
বর্ণবাদ
৬২.
বিলবাও
৬৩.
ইলিশ কোরবানি
৬৪.
পাটনা
৬৫.
লিঁও
৬৬.
ইহা বোমা নহে
৬৭.
এই সময়
৬৮.
এলোমেলো
৬৯.
জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রকে নিষিদ্ধ করার পাঁয়তারা
৭০.
মা
৭১.
ফেসবুক
৭২.
দেশ ১
৭৩.
কল্পনার রাজ্য
৭৪.
ওরা আটজন
৭৫.
চূর্ণী গাঙ্গুলী
৭৬.
এসব কী হচ্ছে দেশে?
৭৭.
ভিন্নমতের নিরাপত্তা নেই, বাংলাদেশ কি আদৌ কোনও ডেমোক্রেসিং?
৭৮.
অভিজিৎ
৭৯.
কীরকম যেন ভয় ভয় লাগে
৮০.
গরিবের গ্রেনেড
৮১.
কোকো, খালেদা আর দেশের দগ্ধ সন্তানেরা
৮২.
গুন্টার গ্রাস
৮৩.
চুম্বন
৮৪.
ছিঃ!
৮৫.
ছোট ছোট ভাবনা
৮৬.
নারী
৮৭.
নারী দিবস
৮৮.
নাস্তিক নাগরিকদের নিরাপত্তা দিন
৮৯.
নারী দিবস
৯০.
ধর্ম আর রাজনীতি
৯১.
টুকরো ভাবনা
৯২.
পতিতাপ্রথা বন্ধ হোক
৯৩.
পাকিস্তানে খুন
৯৪.
বাংলা সংস্কৃতি চলবে কী চলবে না
৯৫.
টুকরো টুকরো জীবন
৯৬.
বাংলাদেশের কী কী করা উচিত ছিল এবং ছিল না
৯৭.
বাক স্বাধীনতা
৯৮.
বাঘ আর বেড়াল
৯৯.
ভূমিকম্প, গরুর মাংস
১০০.
স্বপ্নগুলো
১০১.
ব্লগার হত্যা?
১০২.
মানুষ মানুষের জন্য?
১০৩.
মেনোপজ?
১০৪.
ইসলামী ইনকুইজেশন
১০৫.
লিঙ্গসূত্র
১০৬.
মুসলিম শরণার্থীদের সাহায্য করছে অমুসলিম দেশগুলো
১০৭.
স্যানিটারি প্রতিবাদ

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%