জাকির নায়েকের বাকস্বাধীনতা

তসলিমা নাসরিন

আমি মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। আমার চরম শত্রুর মত প্রকাশের অধিকারের জন্যও আমি লড়ি। জাকির নায়েকের মত প্রকাশের অধিকারেও আমি বিশ্বাস করি, কিন্তু আমি যেটাতে বিশ্বাস করি না, সেটা হলো ভায়োলেন্স। হিংস্রতা, বর্বরতা, সন্ত্রাস, নির্যাতনে আমি বিশ্বাস করি না। খুনোখুনিতে আমার বিশ্বাস নেই। জাকির নায়েক কি মুসলমানদের সরাসরি সন্ত্রাসী হওয়ার উপদেশ দিয়েছেন? উপদেশ হয়তো দেননি, কিন্তু তিনি ওসামা বিন লাদেনকে সন্ত্রাসী বলতে রাজি নন, তিনি নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসীদেরও মনে করেন না সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে সন্ত্রাস করার পক্ষপাতী তিনি, সুতরাং মুসলমানদের সবারই সন্ত্রাসী হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। যে মুসলমানরা মুসলমানদের দেশে আমেরিকার বোমা ফেলা, ইসরায়েলের সঙ্গে আমেরিকার বন্ধুত্ব করা— ইত্যাদির ঘোরবিরোধী তারা খুব পছন্দ করে সন্ত্রাস বিষয়ে জাকির নায়েকের এই মন্তব্যগুলো। এদের মধ্যে ক’জন সত্যি সত্যি অস্ত্র হাতে নেয় আমি জানি না। রোহান, ইমতিয়াজ আর নিবরাস ইসলাম জাকির নায়েকের ভাষণ শুনতো কিন্তু তারা কি সন্ত্রাসী হয়েছে ওই ভাষণের কারণেই? ভাষণ যদি কিছুটা ভূমিকা রেখে থাকে তবে কতটা ভূমিকা রেখেছে? ঠিক জানি না, দুনিয়ার ক’জন তরুণ জাকির নায়েকের ভাষণ শুনে জঙ্গি হওয়ার আর গণহত্যা করার পরিকল্পনা করছে। যদি সন্ত্রাস তৈরিতে নায়েকের কোনো ভূমিকা না থাকে, তবে জাকির নায়েকের বাকস্বাধীনতায় আমি বিশ্বাস করি। আমি তো নয়া নািসদের বাকস্বাধীনতায়ও বিশ্বাস করি। তারা কী বলতে চায় বলুক, ভায়োলেন্সের আহ্বান না দিয়ে বলে যাক। তাদের নীতি-আদর্শ যদি কারও পছন্দ হয়, গ্রহণ করবে।

তসলিমা-বিরোধীদের বাকস্বাধীনতায় আমি বিশ্বাস করি, কিন্তু ততক্ষণ পর্যন্ত বিশ্বাস করি যতক্ষণ পর্যন্ত আমাকে হত্যা করার, বা আমার শরীরে আঘাত হানার জন্য ওরা আহ্বান না জানায়। মানসিক আঘাতের পরোয়া করি না আমি। অন্যের নিন্দে সমালোচনা শোনার মনের জোর সবার আছে, থাকে। ওটি নেই বলে যারা চিৎকার চেঁচামেচি করে, তারা অসৎ উদ্দেশে চিৎকার চেঁচামেচি করে। জাকির নায়েকের ভাষণ আমি শুনেছি। তিনি মূলত কোরআন থেকেই উদ্ধৃতি দেন। কোরআনকেই জ্ঞান-বিজ্ঞানের, উদারতা-মানবতার শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচনা করেন। ইসলামে পুরুষের জন্য বহুবিবাহ, বহুগামিতা, বধূ নির্যাতন, ক্রীতদাসী-সঙ্গমের অনুমতি আছে, এসবকেও নানা যুক্তি দাঁড় করিয়ে তিনি মেনে নেন। জাকির নায়েকের চেয়েও হাজার গুণে ভয়ঙ্কর মোল্লা-মৌলানা আছেন, ভাষণ দিচ্ছেন বিভিন্ন পাড়ায় মহল্লায়, মসজিদে মাদ্রাসায়, ওয়াজ মাহফিলে, ইসলামী জলসায়। ওসব শুনে নির্ঘাত মাথা নষ্ট হচ্ছে প্রচুর মানুষের। ওইসব মোল্লা-মৌলানা অধিকাংশই নারীবিরোধী, মানবাধিকারবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী। জাকির নায়েক যত না মুসলমানদের নষ্ট বানান, তারও চেয়ে বেশি বানান ওইসব মোল্লা-মৌলানা। জাকির নায়েকের পিস টিভি বন্ধ হলে মৌলানাদের মুখ তো বন্ধ হচ্ছে না। ওইসব মুখ তো চলবেই একুশ শতকের সমাজকে সপ্তম শতকে ঠেলে দেওয়ার জন্য, পেছনে, অন্ধকারে, টেনে নেওয়ার জন্য, বদ্ধ ঘরে বন্ধ করার জন্য। সরকারের কাজ ওদের ভাষণের দিকে লক্ষ রাখা, ওরা মানুষকে বর্বর হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করছে কিনা দেখা। জাকির নায়েকের বাকস্বাধীনতা যে কারণে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, সে কারণে এদের বাকস্বাধীনতাও কেন কেড়ে নেওয়া হবে না, তার উত্তরও চাই। নায়েক ইংরেজিতে বলেন, অন্যরা অন্য ভাষায় বলেন বলে শ্রোতা কিন্তু নেহাত কম নয়। আসলে শ্রোতা যত বেশি, বিপদ তত বেশি। বোস্টন ম্যারাথনে বোমা হামলাকারীরাও নিরীহ শ্রোতা হয়ে ঢুকেছিল বোস্টনের মসজিদে, বের হয়েছিল জঙ্গি হয়ে। মসজিদে কী শিক্ষা দিচ্ছে ইমামরা, খুতবায় কী বলা হচ্ছে, সন্ত্রাসের পক্ষে মগজধোলাই হচ্ছে কি না— কেউ কি আছে দেখার? আজকাল তো মাদ্রাসা মসজিদকে এককভাবে দায়ী করাও ঠিক নয়, যখন বড়লোকের প্রাইভেট ইস্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি থেকেই বেরোচ্ছে জঙ্গি!

জাকির নায়েক যদি বলেন তিনি সন্ত্রাসের পক্ষে আর মদদ দেবেন না, তিনি সৌদি আরব থেকে সালাফি ইসলামের আমদানি করবেন না, তিনি সুফি ইসলামের মাটিতে কট্টরবাদের চাষ করবেন না, যদি নিজের ভুল শুধরে নেন তিনি, তবে তার অধিকার থাকা উচিত আবার পিস টিভি ফিরে পাওয়ার। মুসলিম বিশ্বে যে হারে সন্ত্রাস চলছে, সতর্ক তো হতেই হবে। পিস টিভি বন্ধ করা যত না বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘন করা, তারও চেয়ে বেশি সন্ত্রাসের লাগাম ধরা। মানবতার স্বার্থে এই কাজটি ভারত বাংলাদেশ দু’দেশের সরকার করেছে। এর আগে যুক্তরাজ্য আর কানাডাও নায়েককে নিষিদ্ধ করেছে। বাকস্বাধীনতার পক্ষের অত বড় দুটো দেশ যখন কাউকে নিষিদ্ধ করলো, তার পেছনে নিশ্চয়ই বড় কোনো কারণ আছে।

সব সন্ত্রাসীকে হাতে নাতে ধরা সম্ভব নয়। গোপনে কে কোথায় কার মাথায় কী ঢুকিয়ে কাকে সন্ত্রাসী বানাচ্ছে, তাও জানা সম্ভব নয়। যেটা সম্ভব এবং জঙ্গি দমনে যেটা করা উচিত সেটা হলো জঙ্গি কার্যকলাপ কোথায় চলছে না চলছে তার খবরাখবর রাখা, জঙ্গিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া। অবশ্য আমি মনে করি জঙ্গিদের শাস্তি দিয়ে সত্যিকারের জঙ্গি দমন হয় না, জঙ্গিরা কেন জঙ্গি হচ্ছে— কী কথা, কী ভাবনা, কোন বই, কোন আদর্শ, কার মতবাদ, কার উৎসাহ তরুণদের জঙ্গি বানাচ্ছে তা জানতে হবে এবং সেই উৎসগুলোকে নির্মূল করতে হবে, সেগুলো টিকে থাকলে জঙ্গির জন্ম হতেই থাকবে। উৎস একেবারে নির্মূল করা সম্ভব না হলে অন্তত বদল বা বিবর্তন ঘটাতে হবে। সমাজ পরিবর্তনের ভার সব সময় সময়ের হাতে ছেড়ে দিলে কাজ হয় না। নিজেরা উদ্যোগী হয়ে পরিবর্তনগুলো ঘটিয়ে ফেলতে হয়।

কোরআন হাদিস বোঝার জন্য কেন জাকির নায়েকের কাছে যেতে হয়। আরবি যাদের মাতৃভাষা নয়, তারা তো অনুবাদ পড়লেই পারেন। নিজেরা যেভাবে ধর্ম বুঝবেন, সেভাবে বোঝাই তো ভালো। নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করলে অন্যের ব্যাখ্যার আশ্রয় নিতে হয় না। যার ধর্ম তার কাছে। আমার মা মনে করতেন ধর্ম মানেই ভালো কথা, ভালো কাজ, দরিদ্রকে দান, আর্তের সেবা, ধর্ম মানেই সাম্য, সমতা, সমানাধিকার, ধর্ম মানেই সুস্থতা, সততা, সৌন্দর্য। আমার মায়ের মতো করে সবাই যদি ধর্মের ব্যাখ্যা করে, তবে সমাজে ধর্ম দ্বারা কোনো অশান্তি সৃষ্টি হবে না। এ কথা জোর দিয়েই বলতে পারি।

সোর্স : বাংলাদেশ প্রতিদিন, ১৪ জুলাই, ২০১৬

সকল অধ্যায়
১.
লিঙ্গসূত্র
২.
যৌবনে ছেলেরা ডেয়ারিং
৩.
পতিতা প্রথা বন্ধ হোক
৪.
অপ্রত্যাশিত
৫.
বিয়ের প্রয়োজনীয়তা আদৌ আছে কি?
৬.
পুরুষ নিয়ে মেয়েদের কাড়াকাড়ি বাড়াবাড়ি
৭.
নারীর যৌন কামনা থাকতে নেই
৮.
দেশ আর দেশ নেই
৯.
আমার গৌরব, আমি স্বেচ্ছাচারী
১০.
ধর্মে নেই, উৎসবে আছি
১১.
বেলা যায় মেলা যায়
১২.
তোমাকে অভিবাদন, এলফ্রিডা
১৩.
যাই বল নইপল
১৪.
আমার দেহ নিয়ে আমি যা খুশি করব
১৫.
বাবা
১৬.
সেক্সবয় (গল্প)
১৭.
সকল গৃহ হারালো যার
১৮.
অন্ধকার আমাকে গ্রাস করতে থাকে
১৯.
মেয়েদের শরীর পুরুষের চোখে
২০.
পৃথিবীর প্রাচীনতম নির্যাতন
২১.
পেছনের দিনগুলো ধুসর ধুসর
২২.
খারাপ মেয়ের গল্প (গল্প)
২৩.
হুমায়ূন : পুরুষতন্ত্রের সম্রাট
২৪.
তুই নিষিদ্ধ তুই কথা কইস না
২৫.
অনুমতি না নিয়ে আমার শরীর স্পর্শ করেছিলেন সুনীল
২৬.
পৃথিবীর পথে
২৭.
পৃথিবীর পথে ২
২৮.
মিডিয়া এবং মানুষ
২৯.
নারীবিদ্বেষের কারণ পুরুষতন্ত্র
৩০.
সন্ত্রাস
৩১.
বিহারি সমস্যা
৩২.
রঘু রাই এবং শরণার্থী
৩৩.
এ লড়াই প্রাচ্যের সঙ্গে পাশ্চাত্যের নয়
৩৪.
বেড়ালের গল্প
৩৫.
ফিলিস্তিন এক টুকরো মাটির নাম
৩৬.
পর্নোগ্রাফি
৩৭.
সেইসব ঈদ
৩৮.
কামড়ে খামচে মেয়েদের ‘আদর’ করছে পুরুষেরা
৩৯.
সুন্দরী
৪০.
ধর্ম থাকবে, নারীর অধিকারও থাকবে, এটা হয় না
৪১.
সানেরার মতো মেয়ে চাই- আছে?
৪২.
প্রতিবেশি দেশ
৪৩.
বামপন্থীদের ভুল
৪৪.
বাঙালির বোরখা
৪৫.
শাড়ি ব্লাউজ
৪৬.
বিয়ের বয়স
৪৭.
সেইসব ঈদ
৪৮.
ন্যাড়া কি বেলতলা যায়
৪৯.
লতিফ সিদ্দিকী এবং মানুষের ধর্মানুভূতি
৫০.
বাকস্বাধীনতার অর্থ কি এতটাই কঠিন?
৫১.
কেন পারি না
৫২.
নাবালিকা ধর্ষণ
৫৩.
রেলমন্ত্রীর বয়স এবং বিয়ে
৫৪.
চুমু চুমু চুমু চুমু
৫৫.
এত ঘৃণা করে ওরা মেয়েদের!
৫৬.
সুমন চট্টোপাধ্যায় থেকে কবির সুমন
৫৭.
তারপর কী হলো
৫৮.
কিছু প্রশ্ন। কিছু উত্তর।
৫৯.
দূর থেকে হয় না
৬০.
আরীব মজিদরা জেলের বাইরে থাকলে আমরা অনেকেই নিরাপদ নই
৬১.
এতদিনে ভারতে সভ্য আইন
৬২.
বোয়াল মাছের গল্প
৬৩.
মেয়ে বলে ‘কম মানুষ’ নই
৬৪.
উপন্যাস : ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে
৬৫.
প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি ব্যক্তিগত চিঠি
৬৬.
ধর্মান্তরণ
৬৭.
গণধর্ষণ
৬৮.
নির্বাসিত একটি ছবির নাম
৬৯.
শার্লি আবদো
৭০.
কল্পনার রাজ্য
৭১.
কোকো, খালেদা আর দেশের দগ্ধ সন্তানেরা
৭২.
গরিবের গ্রেনেড
৭৩.
বাংলা একাডেমির অসভ্যতা
৭৪.
অভিজিৎকে যেভাবে চিনি
৭৫.
নারী দিবস
৭৬.
বাঘ আর বেড়াল
৭৭.
বাংলাদেশিদের দেশপ্রেম
৭৮.
বাক স্বাধীনতা
৭৯.
স্যানিটারি প্যাডে প্রতিবাদ
৮০.
বাংলাদেশের কী কী করা উচিত ছিল এবং ছিল না
৮১.
বাংলা সংস্কৃতি চলবে কী চলবে না
৮২.
ঢাকাও কমাতে পারে জ্যাম আর দূষণ
৮৩.
গ্যালিলিও এবং তার ‘জারজ মেয়ে’
৮৪.
লজ্জাহীনতা
৮৫.
প্রচলিত নারীবিদ্বেষী শব্দ ও প্রবাদ
৮৬.
নিজের গোলা শূন্য
৮৭.
শৃংখল ভেঙেছি আমি
৮৮.
দেশপ্রেম না থাকাও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার
৮৯.
ঢাকার বইমেলা ও একটি প্রেমের গল্প
৯০.
খুব কাছে ওত পেতে আছে আততায়ী
৯১.
নারী দিবস
৯২.
ভারত এবং গরু
৯৩.
আমার প্রথম সংসার
৯৪.
খাজুরাহোর অভিজ্ঞতা
৯৫.
চীনের অভিজ্ঞতা
৯৬.
আমার জন্য কথা বলার কেউ নেই…
৯৭.
সমাজ কি থেমে আছে?
৯৮.
পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ
৯৯.
কিছু প্রশ্ন, কিছু আশা
১০০.
এই বাংলাদেশ আমার অচেনা
১০১.
দেশের ভবিষ্যৎ
১০২.
রোজা রাখার স্বাধীনতা
১০৩.
চারদিকে প্রচুর ওমর মতিন
১০৪.
আমার চোখের জলের ঈদ
১০৫.
যদি পুরুষ হতাম
১০৬.
জাকির নায়েকের বাকস্বাধীনতা
১০৭.
কিছু সেলিব্রিটি মেয়ে তো ফাটাফাটি
১০৮.
বিরুদ্ধ স্রোত
১০৯.
মেয়েরা সেরা
১১০.
মেয়েদের কাপড় চোপড়
১১১.
মেয়েদের কাপড় চোপড়
১১২.
সত্য বললে বিপদ
১১৩.
আমরা আর তারা
১১৪.
এরা কি মানুষ!
১১৫.
লজ্জা বইটি এখনও নিষিদ্ধ কেন?
১১৬.
বায়ু দূষণ
১১৭.
সাঁওতালদের কথা
১১৮.
হাতে টাকা নেই
১১৯.
শিশুদের জন্য লোভের জিভ
১২০.
যৌনকর্ম নাম দিয়ে পতিতাবৃত্তিকে বৈধ করার ষড়যন্ত্র
১২১.
বুদ্ধিজীবী দিবস
১২২.
সন্ত্রাস কোনো সমস্যার সমাধান নয়
১২৩.
বাংলা একাডেমির হয়েছেটা কী
১২৪.
যে বই তোমায় দেখায় ভয়, সে বইও পড়া উচিত
১২৫.
পাঠ্যপুস্তকের পরিবর্তন
১২৬.
দঙ্গলের মেয়ে
১২৭.
নিষিদ্ধের তো একটা সীমা আছে
১২৮.
ভারতে অসহিষ্ণুতা
১২৯.
মেয়েদের পোশাক নিয়ে লোকের এত মাথাব্যথা কেন?
১৩০.
ভ্যালেন্টাইন ডে’র ভাবনা
১৩১.
উদারতার চেয়ে মহান কিছু নেই
১৩২.
নারীবাদী হওয়া সহজ নয়
১৩৩.
নেপাল থেকে বলছি
১৩৪.
বাংলাদেশ বদলে গেছে
১৩৫.
কেন আত্মঘাতী বোমারু হতে ইচ্ছে করে
১৩৬.
অপুরা যেন হেরে না যায়
১৩৭.
শেখ হাসিনার জন্য দুশ্চিন্তা
১৩৮.
ওরা কেন আমাদের চেয়েও ভালো
১৩৯.
ধর্ষকদের পৃথিবীতে বেঁচে যে আছি, এই তো অনেক
১৪০.
চাই ধর্ষণহীন দিন
১৪১.
আমার গ্রিন কার্ড, আমেরিকার ট্রাম্প কার্ড

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%