বাংলাদেশের কী কী করা উচিত ছিল এবং ছিল না

তসলিমা নাসরিন

১. পাকিস্তানি সেনারা বাংলাদেশে নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তিরিশ লক্ষ মানুষকে খুন করেছে আর দু’লক্ষ মেয়েকে ধর্ষণ করেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর উচিত ছিল ওই বর্বর যুদ্ধবন্দিদের নিঃশর্ত ক্ষমা না করে দিয়ে শাস্তির ব্যবস্থা করা।

২. দেশি রাজাকার, আল বদর, আল শামস যারা লুটপাটে, মানুষ হত্যায় আর ধর্ষণে পাকিস্তানি সেনাদের সাহায্য করেছিলো, উচিত ছিল যুদ্ধ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওদের বিচার করা।

৩. দেশদ্রোহীদের জন্য ‘সাধারণ ক্ষমা’ ঘোষণা করাটা উচিত ছিল না।

৪. যুদ্ধাপরাধীদের যাবজ্জীবন হওয়া উচিত ছিল। ওই দীর্ঘ সময়ে নিজেকে শুদ্ধ করার সুযোগ পেতো। ওদের শোধরানোর ব্যবস্থা রাষ্ট্র থেকেও করা উচিত ছিল।

৫. ধর্মভিত্তিক রাজনীতি চিরকালের জন্য নিষিদ্ধ করা উচিত ছিল। জামায়াতে ইসলামী এবং অন্য কোনও ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল যেন কোনও কারণেই ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করার সুযোগ আর না পায়।

৬. শেখ মুজিবুর রহমানের উচিত ছিল না বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানে ওআইসি (অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন) সম্মেলনে যোগ দেওয়া। বরং সেক্যুলার আদর্শে দৃঢ় থাকা উচিত ছিল।

৭. শেখ মুজিবুর রহমানের উচিত ছিল না বাকশাল গঠন করা। এবং সব রাজনৈতিক দলকে বাতিল ঘোষণা করা।

৮. কারও উচিত ছিল না শেখ মুজিবকে হত্যা করা এবং সেনাবাহিনীর লোককে ক্ষমতায় বসানো।

৯. উচিত ছিল না ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানকে বদলানো, বিসমিল্লাহ বসানো।

১০. উচিত ছিল না সেক্যুলার সংবিধানকে ধর্ষণ করা। রাষ্ট্রধর্ম আনা।

১১. উচিত ছিল না রাজাকারদের প্রেসিডেন্ট বানানোর। মন্ত্রী বানানোর। সংসদ সদস্য বানানোর।

১২. উচিত ছিল না মহল্লা মহল্লায় মসজিদ বানানোর এবং মসজিদ চালাবার দায়িত্ব পাকিস্তানপন্থী রাজাকারপন্থী জিহাদপন্থী মুসলিম মৌলবাদীদের হাতে ছেড়ে দেওয়া।

১৩. উচিত ছিল না কচুরিপানার মত মাদ্রাসায় ছেয়ে ফেলা বাংলাদেশ, মাদ্রাসাগুলোকে মৌলবাদীর আঁতুরঘর যেন মোটেও না বানানো হয়, উচিত ছিল সতর্ক থাকা।

১৪. রোধ করা উচিত ছিল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা মৌলবাদীদের অর্থে বাংলাদেশের ইসলামিকরণ, ওয়াহাবিকরণ।

১৫. বন্ধ করা উচিত ছিল সংখ্যালঘু নির্যাতন। উচিত ছিল সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেওয়া।

৪৪ বছর অনেকগুলো বছর। এতগুলো বছরে একাত্তরের বাংলাদেশ-বিরোধী ইসলামি-মৌলবাদী শক্তি দেশটাকে প্রায় পুরোটাই নষ্ট করে ফেলেছে। ওই অপশক্তিকে ইন্ধন জুগিয়ে গেছে শাসকগোষ্ঠী। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যারা গর্তে লুকিয়েছিল, আজ তারা দেশের বিশাল এক রাজনৈতিক শক্তি, ওদের তৈরি ধর্মান্ধ সন্ত্রাসী সৈনিকে দেশ আজ টইটম্বুর। এই দেশটাকে শুদ্ধ করতে আর কত ৪৪ বছরের দরকার হবে কে জানে।

কাল ফাঁসি হয়েছে আলবদর নেতা যুদ্ধাপরাধী কামারুজ্জামানের। কামারুজ্জামানের ফাঁসি হওয়ার পর বাংলাদেশের কি কোনও পরিবর্তন হবে? জামাতির সন্ত্রাস বন্ধ হবে? শিবিরের হত্যাকাণ্ড থামবে? হুমায়ুন আজাদরা আক্রান্ত হবেন না? অভিজিৎরা আর খুন হবেন না? ওয়াশিকুরদের কেউ মারবে না? এর উত্তরে যে কেউ বলবে, হত্যাকাণ্ড চলতেই থাকবে। আমিও জানি চলতেই থাকবে।

অনেকে ভুল করে, ক্ষমা চায়, নিজেকে শোধরায়। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে কামারুজ্জামান কি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছিলেন? যদি একবারও ভাবতেন যে তিনি একাত্তরে অন্যায় করেছিলেন, তবে তিনি আর যাই করতেন, জামায়াতে ইসলামীর মতো একটা সন্ত্রাসী দলের নেতা হতেন না। বাংলাদেশের যে ছেলেমেয়েরা প্রতিদিন সন্ত্রাস দেখতে দেখতে ক্লান্ত, তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি দিতে। আমার মনে হয় রাগটা যত না ৪৪ বছর আগের সন্ত্রাসের জন্য, তার চেয়ে বেশি এখনকার সন্ত্রাসের জন্য, কামারুজ্জামানের শিষ্যরা যে সন্ত্রাস বুক ফুলিয়ে করছে। মানুষ বাধ্য হচ্ছে ঘোর অনিশ্চয়তা আর নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে প্রতিদিন বাস করতে। মৌলবাদী সন্ত্রাসীরা ধর্মমুক্ত মানুষদের অনেকদিন থেকেই ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করছে। সন্ত্রাস-বিরোধী-শক্তি যেহেতু হাতে চাপাতি নিয়ে ঘুরে বেড়ায় না, তারা রাষ্ট্রকে চাপ দিয়ে দুএকটা মৃত্যুদণ্ড ঘটায়।

যথেষ্ট খুনোখুনি হলো। বাংলাদেশের মানুষ এবার পেছনে কবে কী করেছিলো ভুলে এখন কে কী করছে সেটা দেখুক। এখন থেকে যেন জামাতিরা কোনও সন্ত্রাস, কোনও রগ কাটা, গলা কাটা, বোমা ছোড়া কিছুই করতে না পারে। মাদ্রাসা মসজিদের আতংকবাদী রাজনীতি আর অশ্লীল ওয়াজ মাহফিলগুলো বন্ধ না করলে শুধু কামারুজ্জামানদের মেরে কোনও ফল পাওয়া যাবে না।

দেশটাকে ভালো করতে হলে দেশটার গলায় ছাগলের দড়ি বেঁধে ছেড়ে দিলে হয় না। দেশটাকে দেখে দেখে রাখতে হয়। দেশটার পেছনে প্রচুর সময় দিতে হয়। দেশ বলতে তো মানুষ। মানুষের জন্য কাজ করতে হয়। মানুষের জন্য সুশিক্ষা আর সুস্বাস্থ্যর ব্যবস্থা করতে হয়। জীবন যাপনের মান বাড়াতে হয়। কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা, মৌলবাদ, সন্ত্রাস থেকে মানুষকে মুক্ত রাখতে হয়। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ তৈরি করতে হয়। ধর্মনিরপেক্ষ সংস্কৃতিকে ছড়িয়ে দিতে হয়। ধর্মভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতি—এসব যেহেতু সমাজের ধ্বংস ডেকে আনে, এগুলো থেকে দেশকে দূরে রাখতে হয়। শেখাতে হয় ধর্ম মানে হিজাব বোরখা টুপি জোব্বা নয়, ধর্ম মানে মানবতা। ধর্ম মানে মসজিদ মাদ্রাসা নয়, ধর্ম মানে মানবতা। ধর্ম মানে পাঁচবেলা নামাজ আর একমাস রোজা নয়, ধর্ম মানে মানবতা। ধর্ম মানে অন্য ধর্মকে ঘৃণা করা নয়, ধর্ম মানে মানবতা। ধর্ম মানে ধর্মে-অবিশ্বাসীদের হত্যা করা নয়, ধর্ম মানে মানবতা। আর সব কিছুর মতো ধর্মেরও বিবর্তন ঘটে। ১৪০০ বছর ধরে ইসলামের কোনও বিবর্তনই যদি না ঘটে, তাহলে এ নিশ্চয়ই বিষম দুশ্চিন্তার বিষয়। ধর্মের বিবর্তন আপনাআপনি হয় না, এটিকে হওয়াতে হয়। হওয়ায় সমাজের মানুষরা। ইসলামের বিবর্তনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ধর্মান্ধ অপশক্তি, যারা এই ধর্মকে অবিবর্তিত অপরিবর্তিত অবস্থায় রেখে দিতে চায় ব্যবসা করার জন্য, অপব্যবহার করার জন্য, সন্ত্রাস করার জন্য, রাজনীতি করার জন্য। এরাই এই ধর্মের মূল শত্রু। এদের কারণে ইসলাম একটি অমানবিক ধর্ম হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। খ্রিস্টান ধর্ম বা ইহুদি ধর্ম কম অমানবিক নয়, কিন্তু বিবর্তিত হয়েছে বলে আজ এটিকে মানবিক বলে মনে হয়। পুরোনো ইসলামের বিবর্তন বা পরিবর্তন ছাড়া এখন আর উপায় নেই। হয় তলিয়ে যাও ধর্মান্ধতায়, নয় উঠে দাঁড়াও, শক্ত করে হাল ধরো, সমাজকে শুদ্ধ করো, দেশকে সেক্যুলার করো।

কামারুজ্জামানের ফাঁসি হয়ে বাংলাদেশের কী লাভ হয়েছে? কামারুজ্জামান ছিলেন ৬২ বছর বয়সের এক বৃদ্ধ। তিনি যৌবনেই যত অপকর্ম আছে করে ফেলেছেন। তাঁকে চার দশকের চেয়েও বেশি সময় দেওয়া হয়েছে অপকর্ম করার। তিনি একাত্তরে যত অন্যায় করেছেন, যত ক্ষতি করেছেন দেশের, তার চেয়েও বেশি করেছেন একাত্তরের পরে। তিনি বিশাল এক ধর্মান্ধ খুনীবাহিনী তৈরি করেছেন, তিনি দেশের নিরীহ ছেলে মেয়েদের মগজধোলাই করেছেন। তাঁর খুনীবাহিনীই আজ লেখক অভিজিৎ রায়কে খুন করে, তাঁর খুনীবাহিনীই আজ ব্লগার ওয়াশিকুর বাবুকে খুন করে। এক কামারুজ্জামান মরে গেছেন, লক্ষ কামরুজ্জামান আজ বাংলার ঘরে ঘরে।

খুব সাবধান বাংলাদেশ, বাঁচতে চাও তো চাপাতি ছুড়ে ফেলো, ফাঁসির দড়ি ছিঁড়ে ফেলো, শুভবুদ্ধি জাগাও সবার মধ্যে।

সকল অধ্যায়
১.
লিঙ্গসূত্র
২.
যৌবনে ছেলেরা ডেয়ারিং
৩.
পতিতা প্রথা বন্ধ হোক
৪.
অপ্রত্যাশিত
৫.
বিয়ের প্রয়োজনীয়তা আদৌ আছে কি?
৬.
পুরুষ নিয়ে মেয়েদের কাড়াকাড়ি বাড়াবাড়ি
৭.
নারীর যৌন কামনা থাকতে নেই
৮.
দেশ আর দেশ নেই
৯.
আমার গৌরব, আমি স্বেচ্ছাচারী
১০.
ধর্মে নেই, উৎসবে আছি
১১.
বেলা যায় মেলা যায়
১২.
তোমাকে অভিবাদন, এলফ্রিডা
১৩.
যাই বল নইপল
১৪.
আমার দেহ নিয়ে আমি যা খুশি করব
১৫.
বাবা
১৬.
সেক্সবয় (গল্প)
১৭.
সকল গৃহ হারালো যার
১৮.
অন্ধকার আমাকে গ্রাস করতে থাকে
১৯.
মেয়েদের শরীর পুরুষের চোখে
২০.
পৃথিবীর প্রাচীনতম নির্যাতন
২১.
পেছনের দিনগুলো ধুসর ধুসর
২২.
খারাপ মেয়ের গল্প (গল্প)
২৩.
হুমায়ূন : পুরুষতন্ত্রের সম্রাট
২৪.
তুই নিষিদ্ধ তুই কথা কইস না
২৫.
অনুমতি না নিয়ে আমার শরীর স্পর্শ করেছিলেন সুনীল
২৬.
পৃথিবীর পথে
২৭.
পৃথিবীর পথে ২
২৮.
মিডিয়া এবং মানুষ
২৯.
নারীবিদ্বেষের কারণ পুরুষতন্ত্র
৩০.
সন্ত্রাস
৩১.
বিহারি সমস্যা
৩২.
রঘু রাই এবং শরণার্থী
৩৩.
এ লড়াই প্রাচ্যের সঙ্গে পাশ্চাত্যের নয়
৩৪.
বেড়ালের গল্প
৩৫.
ফিলিস্তিন এক টুকরো মাটির নাম
৩৬.
পর্নোগ্রাফি
৩৭.
সেইসব ঈদ
৩৮.
কামড়ে খামচে মেয়েদের ‘আদর’ করছে পুরুষেরা
৩৯.
সুন্দরী
৪০.
ধর্ম থাকবে, নারীর অধিকারও থাকবে, এটা হয় না
৪১.
সানেরার মতো মেয়ে চাই- আছে?
৪২.
প্রতিবেশি দেশ
৪৩.
বামপন্থীদের ভুল
৪৪.
বাঙালির বোরখা
৪৫.
শাড়ি ব্লাউজ
৪৬.
বিয়ের বয়স
৪৭.
সেইসব ঈদ
৪৮.
ন্যাড়া কি বেলতলা যায়
৪৯.
লতিফ সিদ্দিকী এবং মানুষের ধর্মানুভূতি
৫০.
বাকস্বাধীনতার অর্থ কি এতটাই কঠিন?
৫১.
কেন পারি না
৫২.
নাবালিকা ধর্ষণ
৫৩.
রেলমন্ত্রীর বয়স এবং বিয়ে
৫৪.
চুমু চুমু চুমু চুমু
৫৫.
এত ঘৃণা করে ওরা মেয়েদের!
৫৬.
সুমন চট্টোপাধ্যায় থেকে কবির সুমন
৫৭.
তারপর কী হলো
৫৮.
কিছু প্রশ্ন। কিছু উত্তর।
৫৯.
দূর থেকে হয় না
৬০.
আরীব মজিদরা জেলের বাইরে থাকলে আমরা অনেকেই নিরাপদ নই
৬১.
এতদিনে ভারতে সভ্য আইন
৬২.
বোয়াল মাছের গল্প
৬৩.
মেয়ে বলে ‘কম মানুষ’ নই
৬৪.
উপন্যাস : ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে
৬৫.
প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি ব্যক্তিগত চিঠি
৬৬.
ধর্মান্তরণ
৬৭.
গণধর্ষণ
৬৮.
নির্বাসিত একটি ছবির নাম
৬৯.
শার্লি আবদো
৭০.
কল্পনার রাজ্য
৭১.
কোকো, খালেদা আর দেশের দগ্ধ সন্তানেরা
৭২.
গরিবের গ্রেনেড
৭৩.
বাংলা একাডেমির অসভ্যতা
৭৪.
অভিজিৎকে যেভাবে চিনি
৭৫.
নারী দিবস
৭৬.
বাঘ আর বেড়াল
৭৭.
বাংলাদেশিদের দেশপ্রেম
৭৮.
বাক স্বাধীনতা
৭৯.
স্যানিটারি প্যাডে প্রতিবাদ
৮০.
বাংলাদেশের কী কী করা উচিত ছিল এবং ছিল না
৮১.
বাংলা সংস্কৃতি চলবে কী চলবে না
৮২.
ঢাকাও কমাতে পারে জ্যাম আর দূষণ
৮৩.
গ্যালিলিও এবং তার ‘জারজ মেয়ে’
৮৪.
লজ্জাহীনতা
৮৫.
প্রচলিত নারীবিদ্বেষী শব্দ ও প্রবাদ
৮৬.
নিজের গোলা শূন্য
৮৭.
শৃংখল ভেঙেছি আমি
৮৮.
দেশপ্রেম না থাকাও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার
৮৯.
ঢাকার বইমেলা ও একটি প্রেমের গল্প
৯০.
খুব কাছে ওত পেতে আছে আততায়ী
৯১.
নারী দিবস
৯২.
ভারত এবং গরু
৯৩.
আমার প্রথম সংসার
৯৪.
খাজুরাহোর অভিজ্ঞতা
৯৫.
চীনের অভিজ্ঞতা
৯৬.
আমার জন্য কথা বলার কেউ নেই…
৯৭.
সমাজ কি থেমে আছে?
৯৮.
পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ
৯৯.
কিছু প্রশ্ন, কিছু আশা
১০০.
এই বাংলাদেশ আমার অচেনা
১০১.
দেশের ভবিষ্যৎ
১০২.
রোজা রাখার স্বাধীনতা
১০৩.
চারদিকে প্রচুর ওমর মতিন
১০৪.
আমার চোখের জলের ঈদ
১০৫.
যদি পুরুষ হতাম
১০৬.
জাকির নায়েকের বাকস্বাধীনতা
১০৭.
কিছু সেলিব্রিটি মেয়ে তো ফাটাফাটি
১০৮.
বিরুদ্ধ স্রোত
১০৯.
মেয়েরা সেরা
১১০.
মেয়েদের কাপড় চোপড়
১১১.
মেয়েদের কাপড় চোপড়
১১২.
সত্য বললে বিপদ
১১৩.
আমরা আর তারা
১১৪.
এরা কি মানুষ!
১১৫.
লজ্জা বইটি এখনও নিষিদ্ধ কেন?
১১৬.
বায়ু দূষণ
১১৭.
সাঁওতালদের কথা
১১৮.
হাতে টাকা নেই
১১৯.
শিশুদের জন্য লোভের জিভ
১২০.
যৌনকর্ম নাম দিয়ে পতিতাবৃত্তিকে বৈধ করার ষড়যন্ত্র
১২১.
বুদ্ধিজীবী দিবস
১২২.
সন্ত্রাস কোনো সমস্যার সমাধান নয়
১২৩.
বাংলা একাডেমির হয়েছেটা কী
১২৪.
যে বই তোমায় দেখায় ভয়, সে বইও পড়া উচিত
১২৫.
পাঠ্যপুস্তকের পরিবর্তন
১২৬.
দঙ্গলের মেয়ে
১২৭.
নিষিদ্ধের তো একটা সীমা আছে
১২৮.
ভারতে অসহিষ্ণুতা
১২৯.
মেয়েদের পোশাক নিয়ে লোকের এত মাথাব্যথা কেন?
১৩০.
ভ্যালেন্টাইন ডে’র ভাবনা
১৩১.
উদারতার চেয়ে মহান কিছু নেই
১৩২.
নারীবাদী হওয়া সহজ নয়
১৩৩.
নেপাল থেকে বলছি
১৩৪.
বাংলাদেশ বদলে গেছে
১৩৫.
কেন আত্মঘাতী বোমারু হতে ইচ্ছে করে
১৩৬.
অপুরা যেন হেরে না যায়
১৩৭.
শেখ হাসিনার জন্য দুশ্চিন্তা
১৩৮.
ওরা কেন আমাদের চেয়েও ভালো
১৩৯.
ধর্ষকদের পৃথিবীতে বেঁচে যে আছি, এই তো অনেক
১৪০.
চাই ধর্ষণহীন দিন
১৪১.
আমার গ্রিন কার্ড, আমেরিকার ট্রাম্প কার্ড

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%