নির্বাসিত একটি ছবির নাম

তসলিমা নাসরিন

চূর্ণী গাঙ্গুলীর ‘নির্বাসিত’ আমার জীবনের কোনও এক সময়ের কোনও এক ঘটনা অবলম্বনে তৈরি। চূর্ণীর প্রথম ছবি এটি। চূর্ণী মূলত অভিনেত্রী। অসাধারণ অভিনয় করেন। কৌশিক গাঙ্গুলীর ছবিতে প্রচুর করেছেন অভিনয়। এমন প্রতিভাময়ী ব্যক্তিত্ব ঠিক ঠিকই আমার ওপর একটা ছবি বানিয়ে ফেললেন, যখন অন্য অনেকে বানাচ্ছি বানাচ্ছি করেও আজ অবধি কিছুই বানাতে পারেননি। এ অবধি কম লোকতো পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য অনুমতিপত্রে সই নিয়ে যান নি! কিন্তু কেউ এখনও শুরুই করতে পারেননি কোনও ছবি। না আমাকে নিয়ে, না আমার গল্প নিয়ে।

‘ব্যাগ ফিল্মস’ নামের একটা কোম্পানি আমার ‘ফরাসি প্রেমিক’ উপন্যাসটির চলচ্চিত্র সত্ত্ব কিনেছে প্রায় দশ বছর আগে। দশ বছর ‘ব্যাগ ফিল্মস’ আর যোগাযোগ করেনি। ভারতের বিখ্যাত মুভি কোম্পানি ইউটিভিও আমার আত্মজীবনীভিত্তিক ছবি করতে চেয়েছে। কেউ একজন চিত্রনাট্য লেখার কাজও শুরু করেছিল। পরে ওদেরও আর কোনও খবর নেই।

বোম্বের নামী পরিচালক মহেশ ভাট দু’হাজার সালে ঘোষণা দিয়েছিলেন আমার জীবন নিয়ে ছবি বানাবেন। তিনিও তাঁর ওই ইচ্ছে থেকে কবেই একদিন আলগোছে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। এখনও আমার কাছে পড়ে আছে নিমন্ত্রণ আর ফেরার চলচ্চিত্র সত্ত্ব বিক্রির টাকা। সৌরভ দে, প্রেমাংশু রায়রা চিত্রনাট্য লিখে কাস্টিংও ঠিক করে ফেলেছিলেন। সৌরভ তো বোম্বে থেকে নিয়ে এসেছিলেন নায়ক, নায়িকাকে নিয়ে মহড়াও শুরু করেছিলেন। কাপে প্লেটে ‘নিমন্ত্রণ’ লিখে বিলিয়েওছিলেন। প্রেমাংশু তো রুনা লায়লাকে দিয়ে গানও পর্যন্ত রেকর্ড করিয়ে নিয়েছিলেন। লোকেশন দেখতে গিয়েও টাকা খরচ হয়েছে। এত টাকা খরচ করেও প্রযোজক ছবি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর কারণ ‘তসলিমা’।

এই নামটাকে নিয়ে ভীষণ ভয় সবার। টালিগঞ্জের তৃণমূলীরা নাকি শাসিয়ে যায়। আমার নাম গন্ধ আছে এমন কিছু নিয়ে ছবি করা, সাফ সাফ বলে দিয়েছে, আর যেখানেই সম্ভব হোক, বাংলায় হবে না। তৃণমূলী না হয়ে অন্য যে কোনও রাজনৈতিক দল হলেও, আমার বিশ্বাস, একই ভঙ্গিতে শাসাতো। সব দলের অবস্থানই, দুঃখজনক হলেও সত্যি, আমার বিরুদ্ধে। যুদ্ধটা, সবাই ধরেই নিয়েছে যে, আমার আর মুসলিম মৌলবাদীদের মধ্যে। সবাই খুব হিসেবে করেই মুসলিম মৌলবাদীর পক্ষ নিচ্ছে।

পক্ষ নেওয়ার আরেকটা পদ্ধতি হলো তসলিমার ক্ষতি করা, ক্ষতি করা সম্ভব না হলে নিদেনপক্ষে বিরোধিতা করা। পশ্চিমবঙ্গের লোকেরা নিশ্চয়ই জানে বছর দুয়েক আগে তাদের মুখ্যমন্ত্রী কী করে টেলিভিশনের ‘আকাশ আট’ চ্যানেলে হতে যাওয়া আমার মেগা সিরিয়াল দুঃসহবাসের প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে। কলকাতার রাস্তায় বিশাল বিশাল বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং টাঙানো হয়েছিল, টিভিতে আমার মেগা সিরিয়াল, সত্যি বলতে কী, খুব ঘটা করেই আসছিল। চ্যানেলে ঘন ঘন বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছে দুঃসহবাসের। স্কাইপের মাধ্যমে সাংবাদিক সম্মেলনও একদিন করতে হলো। কিন্তু যেদিন শুরু হবে আমার মেগা সিরিয়াল, তার দুদিন আগে, বলা নেই কওয়া নেই, মমতা ব্যানার্জী পুলিশ পাঠিয়ে টিভি চ্যানেলকে হুমকি দিলেন, দুঃসহবাস দেখানো চলবে না। পঞ্চাশ এপিসোড সুটিং হয়ে গেছে, আর কিনা সিরিয়াল দেখানো চলবে না! আমার বেলায় ‘কেন চলবে না’র উত্তর সব সরকারের জিভের ডগায়, চলবে না কারণ মুসলিম মৌলবাদিরা ‘রায়ট’ লাগাবে, দাঙ্গা বাঁধাবে। আমার বই নিষিদ্ধ করার বেলায় মমতা ব্যানার্জীর আগে যিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন পশ্চিমবঙ্গে, একই যুক্তি দিয়েছিলেন।

মুসলিম মৌলবাদিদের আবার ভারতের হিন্দুরা বিশেষ করে বাঙালি হিন্দুরা যমের মতো ভয় পায়। মহররমের তাজিয়া বের হলেও ঘরের কোণায় লুকিয়ে থাকে। কলকাতার মানুষ জানে, কলকাতা-বইমেলার এসি অডিটোরিয়ামে আমার ‘নির্বাসন’ নামের বইটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি বাতিল করে দিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জী। তাছাড়া মানুষ তো দেখেছেই কী করে কলকাতা থেকে আমাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। কী করে আমাকে হেনস্থা করা হয়েছে বছরের পর বছর। কী করে দৈনিক স্টেটসম্যান আমার নিয়মিত কলাম ছাপানো বন্ধ করে দিল। কী করে ঋতুপর্ণ ঘোষও বাধ্য হয়েছিলেন ‘রোববার’ ম্যাগাজিনে আমার লেখা নিয়মিত ছাপা হবে ঘোষণা দেওয়ার পরও লেখা ছাপা বন্ধ করে দিতে।

এইসব দেখার পর কার সাহস হয় আমার ছিটেফোঁটা নিয়ে বা আমার গল্পের বিন্দুমাত্র কিছু নিয়ে ছবি করার! কারোর হয়নি। কেউ কেউ ভুল করে এ পথে পা বাড়িয়েও ভুল বুঝতে পেরে সরে গেছে। মানুষ দেখেছে কী করে পুরো পশ্চিমবঙ্গে আমাকে ব্ল্যাকআউট করে দেওয়া হয়েছে। যে আনন্দবাজার দু’দু’বার আনন্দ পুরস্কার দিয়েছে আমাকে, সে আনন্দবাজারেরও নিষিদ্ধ তালিকায় আমার নাম। এই অর্জন কি চাট্টিখানি অর্জন? সমাজের সকল স্তরের সকল শ্রেণীর সকল দলের ভয় এবং ঘৃণা, অবজ্ঞা আর অসম্মান অর্জন করা কি আদৌ সহজ? নিশ্চয়ই আমি কোনও কঠিন সত্য কথা বলেছি।

এমন যখন অবস্থা, তখন বাংলার প্রতিভাবান চলচ্চিত্র পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলী চাইলেন কলকাতা থেকে আমাকে বের করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে একটা কমেডি বানাতে। মূখ্য চরিত্রে থাকবে আমার বেড়াল। কৌশিক একদিন তাঁর লেখা স্ক্রিপ্টও আমাকে পাঠিয়ে দিলেন। কৌশিককে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কৌতুকের আশ্রয় না নিয়ে সরাসরি বললে ভালো হতো না? কৌশিকের বক্তব্য, কৌতুকের মাধ্যমে বললে বেঁধে ভালো। চার্লি চ্যাপলিনের ছবিগুলো মনে ভাসলো। প্রযোজক জুটে গেছে, সুতরাং কৌশিক একদিন কলকাতা থেকে দিল্লি চলে এলেন আমার কাছ থেকে ছবি করার লিখিত অনুমতি নিতে। ছিলেন দু’দিন। বেশ আড্ডা হলো।

কৌশিক খুব ভালো ছবি করেন, প্রতিটি ছবির জন্য কোনও না কোনও পুরস্কার পাচ্ছেন, এরকমই জানে লোকে। যেটা জানে না সেটা হলো কৌশিক মানুষটা অসাধারণ, তাঁর রসবোধের কোনও তুলনা হয় না। কলকাতার পত্র পত্রিকায় কৌশিকের ‘নির্বাসিত’ নিয়ে বড় বড় খবর ছাপা হলো। আমার পোষা বেড়াল মিনুর ছবিখানাও বেশ চমৎকার ছাপা হতে লাগলো ওইসব খবরের সঙ্গে। কৌশিক জানালো বেড়ালের অডিশন চলছে। বেড়ালের মায়েরা ভিড় করছে বেড়াল নিয়ে। ছবির শ্যুটিং সামনের মাসেই শুরু হবে। কিন্তু সামনের মাসে স্তব্ধতার ঝড় বইতে শুরু করলো।

একদিন পত্রিকায় দেখলাম কৌশিক তাঁর নতুন ছবি ‘শব্দ’র শ্যুটিং করছেন। কৌশিক বলেছিলেন তাঁর প্রযোজক ‘শব্দ’ আর ‘নির্বাসিত’র গল্প শুনে ‘নির্বাসিত’কেই বেছে নিয়েছেন। বুঝি যে সেই বেছে নেওয়াটা শেষ বেছে নেওয়া নয়। শেষ পর্যন্ত ‘নির্বাসিত’কে ছুড়ে ফেলে শব্দকেই নির্বাচন করেছেন প্রযোজক। গণ্ডগোলটা তাহলে আমাকে নিয়েই!

কৌশিকের কাছে আমি আর জানতে চাইনি কী ঘটেছে। মনে মনে তো জানিই কী ঘটতে পারে। মাসের পর মাস চলে গেলো। কৌশিক এক ছবি করে আরেক ছবিতে হাত দিচ্ছেন, ‘নির্বাসিত’ ওদিকে কবরে, অন্ধকারে, একা। অনুমান করি, অন্য পরিচালকেরা যেমন কোনও ছবি, শেষ করা তো দূরের কথা, শুরুই করতে পারেননি। কৌশিকও পারবেন না। কৌশিকের সঙ্গে মাঝে মাঝে তাঁর অন্য ছবি টবি নিয়ে কথা হয়। ‘নির্বাসিত’র কথা তুলিনা। তুলে ওকে অপ্রস্তুত করি না।

এমন সময় হঠাৎ একদিন অভিনেত্রী চূণী গাঙ্গুলী, কৌশিকেরই স্ত্রী, আমাকে জানালেন ‘নির্বাসিত’টা কৌশিক নয়, উনি করবেন। চূর্ণী নতুন করে স্ক্রিপ্ট লিখছেন। প্রযোজক পেয়ে গেছেন। বিশাল প্রযোজক। ভেঙ্কটেস। চূর্ণী আমার সঙ্গে দেখা করতে এলেন দিল্লিতে। কয়েকদিন কাটালেন আমার আর আমার বেড়ালের সঙ্গে। কলকাতায় ফিরে গিয়ে শ্যুটিং শুরু করলেন। সবকিছুই অপ্রত্যাশিত। তবে ছবিটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি নিশ্চিত নই ছবিটা শেষ হতে আদৌ পারবে কিনা। শত সহস্র উপদ্রপ ওত পেতে আছে। সে কী এতদিনেও বুঝিনি!

একদিন পত্রিকায় পড়লাম, চূর্ণী আর কৌশিক সুইডেন থেকে শ্যুটিং করে এলেন। না, তারপরও আমার বিশ্বাস হয় না ছবিটাকে চূর্ণী শেষ পর্যন্ত আলোর চেহারা দেখাতে পারবেন। আমাকে ছবি নিয়ে চুপ থাকতে বলেছিলেন চূর্ণী। আমি চুপই ছিলাম।

এরপর বেশ কয়েকমাস পর আরেকটি ফোন। চূর্ণীর। ছবির এডিটিং হয়ে গেছে। আসছেন দেখা করতে। চূর্ণী এলে অনেক রাত অবধি দেখলাম ছবিটি। আমাকে বিশ্বাস করতে হলো যে শেষ পর্যন্ত পূণদৈর্ঘ্য একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়েছে। ছবিটি আমাকে নিয়ে, কিন্তু কোথাও লেখা নেই, বলা নেই, আমাকে নিয়ে। ছবিটির কোথাও আমার নাম উচ্চারিত হয়নি। আমাকে লোকে ভদ্রমহিলা, উনি, তিনি, লেখিকা নামে সম্বোধন করেছে ছবিতে। তসলিমা নামটি নেই। চূর্ণী বললেন, বিদেশের ফিল্ম ফেস্টিভেলে যে কপি পাঠানো হবে, তার ভূমিকায় লেখা থাকবে ছবিটি আমার জীবনের কিছু ঘটনার ওপর ভিত্তি করে বানানো। কিন্তু ভারতীয় উপমহাদেশে ছবিটি চলবে আমার নাম উল্লেখ না করে। ছবিটিকে চলতে হলে যদি আমার নাম গন্ধ কেটে বাদ দিতে হয়, তাই দিক। ভেঙ্কটেস তো প্রযোজক হিসেবেও নিজেদের নাম দেয়নি। এতে আমার কোনও আপত্তি নেই। ছবিতে আমার জীবন সংগ্রাম, আমার ওপর রাজনৈতিক অত্যাচার, আমার লেখালেখি, আমার আদর্শ বিশ্বাস, খুব স্পষ্ট করে দেখানো হয়নি, যা হয়েছে দেখানো তা হলো আমার সঙ্গে আমার বেড়ালের বিচ্ছেদ। মায়ের সঙ্গে কন্যার বিচ্ছেদ। বেড়াল আমাকে চাইছে, আমি বেড়ালকে চাইছি। চূর্ণী এভাবেই প্রতিবাদ করেছেন আমাকে দেশ থেকে, রাজ্য থেকে বিতাড়িত করে যে অন্যায় করা হয়েছে তার।এভাবেই উনি প্রকাশ করেছেন মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে ওর মত। অন্যভাবে হলে, উচ্চকণ্ঠ হলে হয়তো ছবিটা ছাড়পত্রই পেতো না। তাই খুব বেশি ঝুঁকি না নিয়ে তৈরি করেছেন ছবি।

ছবিটি শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ হয়েছে বলে, সেন্সরবোর্ডের অনুমতি পেয়েছে বলে আমি খুশি। চূর্ণী হয়তো আশংকা করছিলেন সেন্সর বোর্ড ছবিটাকে আটকে দেবে। মমতার পুলিশ বাহিনী কলকাতার টিভি চ্যানেলে গিয়ে সিরিয়াল প্রচার বন্ধ করতে পারে, সেন্সর বোর্ডকে হুমকি দিয়ে ছবি বন্ধ করার কৌশল এখনও বোধহয় রপ্ত করেনি। আমি খুশি ছবিটি বোম্বে, গোয়া আর দিল্লির ফিল্ম ফেস্টিভেলে দেখানো হয়েছে বলে, আমি খুশি দিল্লির ফিল্ম ফেস্টিভেল থেকে ছবিটি বেস্ট ফিল্ম এর পুরস্কার পেয়েছে বলে। আমি খুশি বাক স্বাধীনতা লংঘনের বিরুদ্ধে সামান্য হলেও, খুব শান্তকণ্ঠে হলেও, ‘নির্বাসিত’ নামের একটি প্রতিবাদ হয়েছে বলে, আমি খুশি নিষিদ্ধ একটি মানুষের কথা ছবিটিতে বলা হয়েছে বলে। বাক স্বাধীনতার পক্ষে তিন যুগ লড়ছি। নির্বাসিতর গল্প আমার গল্প না হয়ে অন্য কারো গল্প হলেও আমি একইরকম পাশে দাঁড়াতাম। একইরকম বাহবা দিতাম। নির্বাসিত সম্ভবত এ বছরের মে মাসের দিকে ভারতবর্ষে মুক্তি পাবে। এ ছবি কেউ দেখুক না দেখুক, এ ছবি ফ্লপ হোক, এ ছবি এই সময়ের মুক্তচিন্তায় বিশ্বাসী এক লেখকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নির্যাতনের প্রতিবাদ। মুখ বুজে থাকা আপোসকামী মানুষের ভিড়ে চূর্ণী অনেকটা দেবীর মতো। আহ দেবীতে তো আমার বিশ্বাস নেই। তবে কি সুপারহিরোর মতো? সুপারহিরোতেও তো বিশ্বাস নেই। তাহলে কী? সত্যিকার মানুষের মতো! মনে হয় মহিয়ষীর মতো।

সকল অধ্যায়
১.
লিঙ্গসূত্র
২.
যৌবনে ছেলেরা ডেয়ারিং
৩.
পতিতা প্রথা বন্ধ হোক
৪.
অপ্রত্যাশিত
৫.
বিয়ের প্রয়োজনীয়তা আদৌ আছে কি?
৬.
পুরুষ নিয়ে মেয়েদের কাড়াকাড়ি বাড়াবাড়ি
৭.
নারীর যৌন কামনা থাকতে নেই
৮.
দেশ আর দেশ নেই
৯.
আমার গৌরব, আমি স্বেচ্ছাচারী
১০.
ধর্মে নেই, উৎসবে আছি
১১.
বেলা যায় মেলা যায়
১২.
তোমাকে অভিবাদন, এলফ্রিডা
১৩.
যাই বল নইপল
১৪.
আমার দেহ নিয়ে আমি যা খুশি করব
১৫.
বাবা
১৬.
সেক্সবয় (গল্প)
১৭.
সকল গৃহ হারালো যার
১৮.
অন্ধকার আমাকে গ্রাস করতে থাকে
১৯.
মেয়েদের শরীর পুরুষের চোখে
২০.
পৃথিবীর প্রাচীনতম নির্যাতন
২১.
পেছনের দিনগুলো ধুসর ধুসর
২২.
খারাপ মেয়ের গল্প (গল্প)
২৩.
হুমায়ূন : পুরুষতন্ত্রের সম্রাট
২৪.
তুই নিষিদ্ধ তুই কথা কইস না
২৫.
অনুমতি না নিয়ে আমার শরীর স্পর্শ করেছিলেন সুনীল
২৬.
পৃথিবীর পথে
২৭.
পৃথিবীর পথে ২
২৮.
মিডিয়া এবং মানুষ
২৯.
নারীবিদ্বেষের কারণ পুরুষতন্ত্র
৩০.
সন্ত্রাস
৩১.
বিহারি সমস্যা
৩২.
রঘু রাই এবং শরণার্থী
৩৩.
এ লড়াই প্রাচ্যের সঙ্গে পাশ্চাত্যের নয়
৩৪.
বেড়ালের গল্প
৩৫.
ফিলিস্তিন এক টুকরো মাটির নাম
৩৬.
পর্নোগ্রাফি
৩৭.
সেইসব ঈদ
৩৮.
কামড়ে খামচে মেয়েদের ‘আদর’ করছে পুরুষেরা
৩৯.
সুন্দরী
৪০.
ধর্ম থাকবে, নারীর অধিকারও থাকবে, এটা হয় না
৪১.
সানেরার মতো মেয়ে চাই- আছে?
৪২.
প্রতিবেশি দেশ
৪৩.
বামপন্থীদের ভুল
৪৪.
বাঙালির বোরখা
৪৫.
শাড়ি ব্লাউজ
৪৬.
বিয়ের বয়স
৪৭.
সেইসব ঈদ
৪৮.
ন্যাড়া কি বেলতলা যায়
৪৯.
লতিফ সিদ্দিকী এবং মানুষের ধর্মানুভূতি
৫০.
বাকস্বাধীনতার অর্থ কি এতটাই কঠিন?
৫১.
কেন পারি না
৫২.
নাবালিকা ধর্ষণ
৫৩.
রেলমন্ত্রীর বয়স এবং বিয়ে
৫৪.
চুমু চুমু চুমু চুমু
৫৫.
এত ঘৃণা করে ওরা মেয়েদের!
৫৬.
সুমন চট্টোপাধ্যায় থেকে কবির সুমন
৫৭.
তারপর কী হলো
৫৮.
কিছু প্রশ্ন। কিছু উত্তর।
৫৯.
দূর থেকে হয় না
৬০.
আরীব মজিদরা জেলের বাইরে থাকলে আমরা অনেকেই নিরাপদ নই
৬১.
এতদিনে ভারতে সভ্য আইন
৬২.
বোয়াল মাছের গল্প
৬৩.
মেয়ে বলে ‘কম মানুষ’ নই
৬৪.
উপন্যাস : ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে
৬৫.
প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি ব্যক্তিগত চিঠি
৬৬.
ধর্মান্তরণ
৬৭.
গণধর্ষণ
৬৮.
নির্বাসিত একটি ছবির নাম
৬৯.
শার্লি আবদো
৭০.
কল্পনার রাজ্য
৭১.
কোকো, খালেদা আর দেশের দগ্ধ সন্তানেরা
৭২.
গরিবের গ্রেনেড
৭৩.
বাংলা একাডেমির অসভ্যতা
৭৪.
অভিজিৎকে যেভাবে চিনি
৭৫.
নারী দিবস
৭৬.
বাঘ আর বেড়াল
৭৭.
বাংলাদেশিদের দেশপ্রেম
৭৮.
বাক স্বাধীনতা
৭৯.
স্যানিটারি প্যাডে প্রতিবাদ
৮০.
বাংলাদেশের কী কী করা উচিত ছিল এবং ছিল না
৮১.
বাংলা সংস্কৃতি চলবে কী চলবে না
৮২.
ঢাকাও কমাতে পারে জ্যাম আর দূষণ
৮৩.
গ্যালিলিও এবং তার ‘জারজ মেয়ে’
৮৪.
লজ্জাহীনতা
৮৫.
প্রচলিত নারীবিদ্বেষী শব্দ ও প্রবাদ
৮৬.
নিজের গোলা শূন্য
৮৭.
শৃংখল ভেঙেছি আমি
৮৮.
দেশপ্রেম না থাকাও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার
৮৯.
ঢাকার বইমেলা ও একটি প্রেমের গল্প
৯০.
খুব কাছে ওত পেতে আছে আততায়ী
৯১.
নারী দিবস
৯২.
ভারত এবং গরু
৯৩.
আমার প্রথম সংসার
৯৪.
খাজুরাহোর অভিজ্ঞতা
৯৫.
চীনের অভিজ্ঞতা
৯৬.
আমার জন্য কথা বলার কেউ নেই…
৯৭.
সমাজ কি থেমে আছে?
৯৮.
পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ
৯৯.
কিছু প্রশ্ন, কিছু আশা
১০০.
এই বাংলাদেশ আমার অচেনা
১০১.
দেশের ভবিষ্যৎ
১০২.
রোজা রাখার স্বাধীনতা
১০৩.
চারদিকে প্রচুর ওমর মতিন
১০৪.
আমার চোখের জলের ঈদ
১০৫.
যদি পুরুষ হতাম
১০৬.
জাকির নায়েকের বাকস্বাধীনতা
১০৭.
কিছু সেলিব্রিটি মেয়ে তো ফাটাফাটি
১০৮.
বিরুদ্ধ স্রোত
১০৯.
মেয়েরা সেরা
১১০.
মেয়েদের কাপড় চোপড়
১১১.
মেয়েদের কাপড় চোপড়
১১২.
সত্য বললে বিপদ
১১৩.
আমরা আর তারা
১১৪.
এরা কি মানুষ!
১১৫.
লজ্জা বইটি এখনও নিষিদ্ধ কেন?
১১৬.
বায়ু দূষণ
১১৭.
সাঁওতালদের কথা
১১৮.
হাতে টাকা নেই
১১৯.
শিশুদের জন্য লোভের জিভ
১২০.
যৌনকর্ম নাম দিয়ে পতিতাবৃত্তিকে বৈধ করার ষড়যন্ত্র
১২১.
বুদ্ধিজীবী দিবস
১২২.
সন্ত্রাস কোনো সমস্যার সমাধান নয়
১২৩.
বাংলা একাডেমির হয়েছেটা কী
১২৪.
যে বই তোমায় দেখায় ভয়, সে বইও পড়া উচিত
১২৫.
পাঠ্যপুস্তকের পরিবর্তন
১২৬.
দঙ্গলের মেয়ে
১২৭.
নিষিদ্ধের তো একটা সীমা আছে
১২৮.
ভারতে অসহিষ্ণুতা
১২৯.
মেয়েদের পোশাক নিয়ে লোকের এত মাথাব্যথা কেন?
১৩০.
ভ্যালেন্টাইন ডে’র ভাবনা
১৩১.
উদারতার চেয়ে মহান কিছু নেই
১৩২.
নারীবাদী হওয়া সহজ নয়
১৩৩.
নেপাল থেকে বলছি
১৩৪.
বাংলাদেশ বদলে গেছে
১৩৫.
কেন আত্মঘাতী বোমারু হতে ইচ্ছে করে
১৩৬.
অপুরা যেন হেরে না যায়
১৩৭.
শেখ হাসিনার জন্য দুশ্চিন্তা
১৩৮.
ওরা কেন আমাদের চেয়েও ভালো
১৩৯.
ধর্ষকদের পৃথিবীতে বেঁচে যে আছি, এই তো অনেক
১৪০.
চাই ধর্ষণহীন দিন
১৪১.
আমার গ্রিন কার্ড, আমেরিকার ট্রাম্প কার্ড

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%