দেশপ্রেম না থাকাও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার

তসলিমা নাসরিন

দেশপ্রেমিক মানে যদি যা কিছুই ঘটুক দেশকে সমর্থন করতে হবেই, দেশের শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হবে, তাহলে আমি দেশপ্রেমিক নই। জাতীয়তাবাদী মানে যদি যে করেই হোক দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে দাঁড়াতে হবে, তাহলে আমি জাতীয়তাবাদীও নই। টুকরো টুকরো রাজ্যে বা দেশে আমি বিশ্বাসী নই। দেশে দেশে যে সীমানা, যে কাঁটাতার তা আমি জরুরি বলে মনে করি না। আমি পৃথিবীর সব দেশকে একত্র করার পক্ষে। যে ইউরোপ এক সময় যুদ্ধে মেতে থাকতো, সেই ইউরোপও আজ এক হয়ে গেছে। বিভেদ বিচ্ছেদ ভুলে পরস্পরের সহযোগিতায় সামনে পা ফেললে যাত্রা নিরাপদ হওয়ার সম্ভাবনা সবসময়ই বেশি। আমরা বেড়াল জাতের প্রাণী নই। নিজের চৌহদ্দিতে একা একা বাস করা আমাদের রীতি নয়। আমাদের পূর্বপুরুষ তো সদলবলেই আফ্রিকা ছেড়ে অজানা বিশ্বের দিকে পা বাড়িয়েছিল। আমরা একা একা বিবর্তিত হইনি। শুরু থেকেই আমরা একসঙ্গে থাকার পক্ষে। রাজনীতিকরা আমাদের আলাদা করেছে। এক মানুষজাতকে ভিন্ন ভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতে ভাগ করেছে। দেশের সীমানা এঁকে দিয়েছে। বিচিত্র মানচিত্র দিয়েছে। ভুলটা রাজনীতিকদেরই।

আমি যে ভূমিতে জন্মেছি, বেড়ে উঠেছি, সে ভূমিতে যা কিছু অবিচার অত্যাচার দেখি, প্রতিবাদ করি। কিন্তু এমন নয় যে দুনিয়ার অন্য কোথাও অবিচার অত্যাচার দেখলে প্রতিবাদ করি না। কেন এত রুখে উঠি, কেন ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াই! তাড়াই কারণ পৃথিবীটা সুন্দর হোক চাই। পৃথিবীতে মানুষ ভালোবাসা পেতে পেতে, সুখ আনন্দ পেতে পেতে বাঁচুক, চাই। জীবন তো একবারের জন্যই আসে। জীবনের মতো অমূল্য সম্পদকে হিংসে, যুদ্ধ আর বর্বরতা দিয়ে মলিন করার, অশান্তিময় করার, দুর্যোগে-দুর্দিনে-দুশ্চিন্তায়- নষ্ট করার কোনও অর্থ হয় না।

কোথায় আমি তাড়াতে চেয়েছি যাবতীয় অশুভ, উল্টে আমাকেই দেশ থেকে তাড়িয়েছে সরকার। উগ্রপন্থি মৌলবাদীদের সমর্থন করে বলেই আমাকে দূর করেছে। তা নয়তো কী! নির্বাসন দণ্ড ভোগ করছি, একই সঙ্গে পৃথিবীটাকে আরও কাছ থেকে দেখার, আরও আপন করে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। এক অঞ্চলকে আঁকড়ে ধরে থাকলে আরেক অঞ্চল সম্পর্কে অজ্ঞতাই রয়ে যায়। আমার কাছে সত্যি বলতে কোনও অঞ্চলই আলাদা নয়। সবই পৃথিবীর উত্তর-দক্ষিণ, অথবা পূর্ব-পশ্চিম।

বাংলাদেশের রোদেলা নামের এক প্রকাশনীকে জাতীয় বইমেলা থেকে বের করে দিয়েছে বাংলা একাডেমি। এ বছরও বের করে দিয়েছে ব-দ্বীপ নামের প্রকাশনীকে। যা-ইচ্ছে-তাই এর রাজনীতিতে দেশের সরকার যেমন পারদর্শী, দেশের বাংলা একাডেমিও তেমন। আর যে স্বাধীনতা বা অধিকারকে তারা বিশ্বাস করুন, কারও মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা অধিকারে তারা বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করেন না।

ভারতবর্ষে ইতিমধ্যে কিছু ঘটনা ঘটেছে, যা আমাকে স্বস্তি দিচ্ছে না। আমি যেহেতু চাই গোটা পৃথিবীটাই এক হয়ে যাক, গোটা উপমহাদেশই এক হয়ে যাক, আমি নিশ্চয়ই চাই না ভারতবর্ষ টুকরো টুকরো হোক। যারা দেশকে টুকরো করতে চায়, তাদের সঙ্গে আমি নেই। আমি ভারতের দু’টুকরো হওয়াকে আজও মেনে নিতে পারি না। দেশ ভাগের ফলেই আরও ধর্ম, আরও মৌলবাদ, আরও হিংস্রতা, আরও শত্রুতা, আরও ক্ষুদ্রতা জাঁকিয়ে বসেছে উপমহাদেশে।

দিল্লির জেএনইউ ইউনিভার্সিটিতে কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী আফজাল গুরুর ফাঁসির বিপক্ষে স্লোগান দেওয়া কানহাইয়া কুমারকে বেঁধে নিয়ে গেলো পুলিশ। অভিযোগ, কানহাইয়া দেশদ্রোহিতা করেছে, সন্ত্রাসীর পক্ষ নিয়েছে, বিচ্ছিন্নতাবাদে ইন্ধন জোগাচ্ছে। জেএনইউ আদি থেকেই বাম রাজনীতির পীঠস্থান। ডানপন্থি রাজনীতির বিরুদ্ধে মিছিল মিটিং প্রায়ই হয় ওখানে। আফজাল গুরুকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে ২০০১ সালে ভারতের লোকসভায় সন্ত্রাসী হামলার নীলনকশা আঁকার জন্য। কিন্তু পরিকল্পনাটা আফজাল গুরুরই করা, এ বিষয়ে খুব একটা প্রমাণ নেই। আফজাল গুরুর কমপিউটারে জাতীয় সংসদের ভেতরের ছবি ছিল। সংসদ ভবনে ঢোকার নকল আইডির কপি ছিল। আফজাল গুরু বন্দি থাকাকালীন পুলিশের কোনও লোক তার কমপিউটারে ভরে দিয়েছে, প্রশ্ন উঠেছে। যারা গুরুকে লোকসভায় সন্ত্রাসী হামলার নেপথ্য নায়ক হিসেবে মানতে রাজি নয়, যেহেতু এর পক্ষে শক্তপোক্ত কোনও প্রমাণ নেই— তারা থেকে থেকেই আফজাল গুরুর ফাঁসি দিয়ে ভারত নিজের গণতন্ত্রকে কলঙ্কময় করলো, এমন কথা প্রায়ই বলে। গুরুর ফাঁসি নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। নামী দামী কিছু বুদ্ধিজীবীও আফজাল গুরুর ফাঁসির বিপক্ষে। কিন্তু এই বিতর্কিত ফাঁসির বিপক্ষে স্লোগান দিলে গ্রেফতার হতে হবে কেন? দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত সে, এমন অভিযোগই বা উঠবে কেন?

জেএনইউতে যারা আফজাল গুরুর ফাঁসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছিল, তারা কি সকলেই দেশদ্রোহী? আমার কিন্তু তা মনে হয় না। আমি যে বাংলাদেশ সরকারের, বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজ, ফতোয়াবাজ, নারীবিদ্বেষী কুলাঙ্গার, ধর্ষক, খুনী, শোষক, শাসকদের উঠতে বসতে গালি দিচ্ছি, সেটা কি দেশটাকে ঘৃণা করি বলি, নাকি ভালোবাসি বলে? ভালোবাসি বলে চাই দেশটা ভুলত্রুটিমুক্ত হয়ে সুস্থ সুন্দর হোক, বাসযোগ্য হোক। বিখ্যাত যুক্তিবাদী লেখক টমাস পেইনকে সেই সতেরোশ তিরানব্বই সালে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁর ‘মানবাধিকার’ বইটি লেখার কারণে। সতেরোশ তিরানব্বইয়ের পর বদলানোর কথা তো পৃথিবী। মাঝে মাঝে কিছু কিছু দেশের কীর্তিকলাপ দেখে মনে হয় সময় বদলায়নি।

ধরা যাক, কানহাইয়া আর তার সঙ্গীরা দেশপ্রেমিক নয়, জাতীয়তাবাদী তো নয়ই। তাতে কার কী অসুবিধে? তাদের কি অধিকার নেই দেশের সমালোচনা করার, দেশকে অপছন্দ করার, অথবা ঘৃণা করার? দেশে স্বাধীনভাবে বাস করতে হলে কি দেশকে ভালোবাসতেই হবে? এই শর্ত কি গণতন্ত্রের? নাকি গণতন্ত্র ভিন্ন ভিন্ন মত থাকার অধিকারের কথা বলে? দেশকে অখণ্ড রাখতে চাইলেই তুমি দেশের ভালো চাও, তা নয়তো তুমি দেশদ্রোহী, তোমাকে শাস্তি দিতে হবে— এ তো সেই অত্যাচারী রাজাদের আমলের কাহিনী, যখন গণতন্ত্র বলে কিছুর ধারণা ছিল না, মানবাধিকারের কিছুই মানুষ জানতো না। রাজাকে কুর্ণিশ করো, নয়তো শূলে চড়ো। এই ছিল নিয়ম। এই একবিংশ শতাব্দীতে সভ্য পৃথিবীর গণতান্ত্রিক রীতিনীতিকে রাজতান্ত্রিক রীতিনীতিতে রূপান্তরিত হলে চলবে কেন, নির্বাচিত সরকারকে অত্যাচারী রাজার ভূমিকায় নামলে চলবে কেন! আমরা তো সামনে এগোচ্ছি। পেছোবো কেন? কিছু কূপমণ্ডূক আমাদের পেছনে ঠেলতে চায়। সে কারণে ওই কূপমণ্ডূককে জেলখানায় ভরে রাখলে কি পেছনে ঠেলতে চাওয়ার লোকের সংখ্যা কমে যাবে? শিক্ষা-দীক্ষায় ভুল থাকলেই নির্বুদ্ধিতা বাড়ে। জেল জরিমানা ফাঁসি নির্বাসন দিয়ে মানুষকে আলোকিত করা যায় না।

গণতন্ত্র যারা মানে বলে বড়াই করে, তাদের অধিকাংশকেই দেখেছি বাকস্বাধীনতা মানে না। তারাও বলে, মত প্রকাশের অধিকারের নামে যা ইচ্ছে তা বলা চলবে না। তারা জানে না, যে, যা ইচ্ছে তাই বলার নামই তো বাকস্বাধীনতা। ভিন্ন মত প্রকাশ করার অধিকার চাই বলেই চাই মত প্রকাশের অধিকার। অধিকাংশ মানুষ যে কথায় খুশি হয় তা বলতে গেলে মত প্রকাশের জন্য আলাদা করে অধিকার চাওয়ার দরকার হয় না। জেএনইউএর কানহাইয়া সম্ভবত বিশ্বাস করেন ভারত থেকে কাশ্মীরের আলাদা হয়ে যাওয়া উচিত। আমার মতের সঙ্গে কানহাইয়ার মত মেলে না। কিন্তু তারপরও আমি মনে করি না কানহাইয়াকে গ্রেফতার করা, কোনও কারণে, উচিত। যতক্ষণ না কানহাইয়া ভায়োলেন্সে নামছে, যতক্ষণ না সে সন্ত্রাসী কার্যকলাপে সরাসরি যোগ দিচ্ছে, ততক্ষণ তাকে গ্রেফতার করাটা গণতন্ত্র বিরোধী।

কেউ ধর্মের বিরুদ্ধে বললে বলা হয় যে ‘কারও নিন্দায় বা সমালোচনায় ধর্মের কিছু যায় আসে না। ধর্ম মানুষের চেয়েও অনেক শক্তিশালী। মানুষের শক্তি নেই ধর্মকে ভাঙার বা মচকাবার’! এ কথা প্রচুর লোক বিশ্বাস করে। দেশের বেলায় একইরকম কেন বলা হয় না? কেন বলা হয় না, ‘কারও নিন্দায় বা সমালোচনায় দেশের কিছু যায় আসে না। দেশ মানুষের চেয়েও অনেক শক্তিশালী। মানুষের শক্তি নেই দেশকে ভাঙার বা মচকাবার’! কেউ একজন একটা দেশকে টুকরো টুকরো করতে চাইলেই কি পারে?  পারে না। যদি পারে, তাহলে বুঝতে হবে, দেশটা এমনিতেই ভঙ্গুরই ছিল।

সোর্স : বাংলাদেশ প্রতিদিন, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

সকল অধ্যায়
১.
লিঙ্গসূত্র
২.
যৌবনে ছেলেরা ডেয়ারিং
৩.
পতিতা প্রথা বন্ধ হোক
৪.
অপ্রত্যাশিত
৫.
বিয়ের প্রয়োজনীয়তা আদৌ আছে কি?
৬.
পুরুষ নিয়ে মেয়েদের কাড়াকাড়ি বাড়াবাড়ি
৭.
নারীর যৌন কামনা থাকতে নেই
৮.
দেশ আর দেশ নেই
৯.
আমার গৌরব, আমি স্বেচ্ছাচারী
১০.
ধর্মে নেই, উৎসবে আছি
১১.
বেলা যায় মেলা যায়
১২.
তোমাকে অভিবাদন, এলফ্রিডা
১৩.
যাই বল নইপল
১৪.
আমার দেহ নিয়ে আমি যা খুশি করব
১৫.
বাবা
১৬.
সেক্সবয় (গল্প)
১৭.
সকল গৃহ হারালো যার
১৮.
অন্ধকার আমাকে গ্রাস করতে থাকে
১৯.
মেয়েদের শরীর পুরুষের চোখে
২০.
পৃথিবীর প্রাচীনতম নির্যাতন
২১.
পেছনের দিনগুলো ধুসর ধুসর
২২.
খারাপ মেয়ের গল্প (গল্প)
২৩.
হুমায়ূন : পুরুষতন্ত্রের সম্রাট
২৪.
তুই নিষিদ্ধ তুই কথা কইস না
২৫.
অনুমতি না নিয়ে আমার শরীর স্পর্শ করেছিলেন সুনীল
২৬.
পৃথিবীর পথে
২৭.
পৃথিবীর পথে ২
২৮.
মিডিয়া এবং মানুষ
২৯.
নারীবিদ্বেষের কারণ পুরুষতন্ত্র
৩০.
সন্ত্রাস
৩১.
বিহারি সমস্যা
৩২.
রঘু রাই এবং শরণার্থী
৩৩.
এ লড়াই প্রাচ্যের সঙ্গে পাশ্চাত্যের নয়
৩৪.
বেড়ালের গল্প
৩৫.
ফিলিস্তিন এক টুকরো মাটির নাম
৩৬.
পর্নোগ্রাফি
৩৭.
সেইসব ঈদ
৩৮.
কামড়ে খামচে মেয়েদের ‘আদর’ করছে পুরুষেরা
৩৯.
সুন্দরী
৪০.
ধর্ম থাকবে, নারীর অধিকারও থাকবে, এটা হয় না
৪১.
সানেরার মতো মেয়ে চাই- আছে?
৪২.
প্রতিবেশি দেশ
৪৩.
বামপন্থীদের ভুল
৪৪.
বাঙালির বোরখা
৪৫.
শাড়ি ব্লাউজ
৪৬.
বিয়ের বয়স
৪৭.
সেইসব ঈদ
৪৮.
ন্যাড়া কি বেলতলা যায়
৪৯.
লতিফ সিদ্দিকী এবং মানুষের ধর্মানুভূতি
৫০.
বাকস্বাধীনতার অর্থ কি এতটাই কঠিন?
৫১.
কেন পারি না
৫২.
নাবালিকা ধর্ষণ
৫৩.
রেলমন্ত্রীর বয়স এবং বিয়ে
৫৪.
চুমু চুমু চুমু চুমু
৫৫.
এত ঘৃণা করে ওরা মেয়েদের!
৫৬.
সুমন চট্টোপাধ্যায় থেকে কবির সুমন
৫৭.
তারপর কী হলো
৫৮.
কিছু প্রশ্ন। কিছু উত্তর।
৫৯.
দূর থেকে হয় না
৬০.
আরীব মজিদরা জেলের বাইরে থাকলে আমরা অনেকেই নিরাপদ নই
৬১.
এতদিনে ভারতে সভ্য আইন
৬২.
বোয়াল মাছের গল্প
৬৩.
মেয়ে বলে ‘কম মানুষ’ নই
৬৪.
উপন্যাস : ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে
৬৫.
প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি ব্যক্তিগত চিঠি
৬৬.
ধর্মান্তরণ
৬৭.
গণধর্ষণ
৬৮.
নির্বাসিত একটি ছবির নাম
৬৯.
শার্লি আবদো
৭০.
কল্পনার রাজ্য
৭১.
কোকো, খালেদা আর দেশের দগ্ধ সন্তানেরা
৭২.
গরিবের গ্রেনেড
৭৩.
বাংলা একাডেমির অসভ্যতা
৭৪.
অভিজিৎকে যেভাবে চিনি
৭৫.
নারী দিবস
৭৬.
বাঘ আর বেড়াল
৭৭.
বাংলাদেশিদের দেশপ্রেম
৭৮.
বাক স্বাধীনতা
৭৯.
স্যানিটারি প্যাডে প্রতিবাদ
৮০.
বাংলাদেশের কী কী করা উচিত ছিল এবং ছিল না
৮১.
বাংলা সংস্কৃতি চলবে কী চলবে না
৮২.
ঢাকাও কমাতে পারে জ্যাম আর দূষণ
৮৩.
গ্যালিলিও এবং তার ‘জারজ মেয়ে’
৮৪.
লজ্জাহীনতা
৮৫.
প্রচলিত নারীবিদ্বেষী শব্দ ও প্রবাদ
৮৬.
নিজের গোলা শূন্য
৮৭.
শৃংখল ভেঙেছি আমি
৮৮.
দেশপ্রেম না থাকাও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার
৮৯.
ঢাকার বইমেলা ও একটি প্রেমের গল্প
৯০.
খুব কাছে ওত পেতে আছে আততায়ী
৯১.
নারী দিবস
৯২.
ভারত এবং গরু
৯৩.
আমার প্রথম সংসার
৯৪.
খাজুরাহোর অভিজ্ঞতা
৯৫.
চীনের অভিজ্ঞতা
৯৬.
আমার জন্য কথা বলার কেউ নেই…
৯৭.
সমাজ কি থেমে আছে?
৯৮.
পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ
৯৯.
কিছু প্রশ্ন, কিছু আশা
১০০.
এই বাংলাদেশ আমার অচেনা
১০১.
দেশের ভবিষ্যৎ
১০২.
রোজা রাখার স্বাধীনতা
১০৩.
চারদিকে প্রচুর ওমর মতিন
১০৪.
আমার চোখের জলের ঈদ
১০৫.
যদি পুরুষ হতাম
১০৬.
জাকির নায়েকের বাকস্বাধীনতা
১০৭.
কিছু সেলিব্রিটি মেয়ে তো ফাটাফাটি
১০৮.
বিরুদ্ধ স্রোত
১০৯.
মেয়েরা সেরা
১১০.
মেয়েদের কাপড় চোপড়
১১১.
মেয়েদের কাপড় চোপড়
১১২.
সত্য বললে বিপদ
১১৩.
আমরা আর তারা
১১৪.
এরা কি মানুষ!
১১৫.
লজ্জা বইটি এখনও নিষিদ্ধ কেন?
১১৬.
বায়ু দূষণ
১১৭.
সাঁওতালদের কথা
১১৮.
হাতে টাকা নেই
১১৯.
শিশুদের জন্য লোভের জিভ
১২০.
যৌনকর্ম নাম দিয়ে পতিতাবৃত্তিকে বৈধ করার ষড়যন্ত্র
১২১.
বুদ্ধিজীবী দিবস
১২২.
সন্ত্রাস কোনো সমস্যার সমাধান নয়
১২৩.
বাংলা একাডেমির হয়েছেটা কী
১২৪.
যে বই তোমায় দেখায় ভয়, সে বইও পড়া উচিত
১২৫.
পাঠ্যপুস্তকের পরিবর্তন
১২৬.
দঙ্গলের মেয়ে
১২৭.
নিষিদ্ধের তো একটা সীমা আছে
১২৮.
ভারতে অসহিষ্ণুতা
১২৯.
মেয়েদের পোশাক নিয়ে লোকের এত মাথাব্যথা কেন?
১৩০.
ভ্যালেন্টাইন ডে’র ভাবনা
১৩১.
উদারতার চেয়ে মহান কিছু নেই
১৩২.
নারীবাদী হওয়া সহজ নয়
১৩৩.
নেপাল থেকে বলছি
১৩৪.
বাংলাদেশ বদলে গেছে
১৩৫.
কেন আত্মঘাতী বোমারু হতে ইচ্ছে করে
১৩৬.
অপুরা যেন হেরে না যায়
১৩৭.
শেখ হাসিনার জন্য দুশ্চিন্তা
১৩৮.
ওরা কেন আমাদের চেয়েও ভালো
১৩৯.
ধর্ষকদের পৃথিবীতে বেঁচে যে আছি, এই তো অনেক
১৪০.
চাই ধর্ষণহীন দিন
১৪১.
আমার গ্রিন কার্ড, আমেরিকার ট্রাম্প কার্ড

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%