বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
শঙ্কর একটু ঘুমিয়ে পড়েছিল বোধহয়, কিন্তু হয়তো অজ্ঞান হয়েই পড়ে থাকবে। মোটের ওপর যখন আবার জ্ঞান ফিরে এল, তখন ঘড়িতে বারোটা—সম্ভবত রাত বারোটাই হবে। ও উঠে আবার চলতে শুরু করল। এক জায়গায় তার সামনে একটা পাথরের দেওয়াল পড়ল—তার রাস্তা যেন আটকে রেখেছে। টর্চের রাঙা আলো একটিবার মাত্র জ্বালিয়ে সে দেখলে, যে দেওয়াল ধরে সে এতক্ষণ যাচ্ছিল, তারই সঙ্গে সমকোণ করে এ দেওয়ালটা আড়াআড়িভাবে তার পথ রোধ করে দাঁড়িয়ে।
হঠাৎ সে কান খাড়া করলে...অন্ধকারের মধ্যে কোথায় যেন ক্ষীণ জলের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে না?...
হ্যাঁ ঠিক জলের শব্দই বটে...কুলু, কুলু, কুলু, কুলু-ঝরনা-ধারার শব্দ—যেন পাথরের নুড়ির ওপর দিয়ে মাঝে মাঝে বেধে জল বইছে কোথাও। ভালো করে শুনে ওর মনে হল, জলের শব্দটা হচ্ছে এই পাথরের দেওয়ালের ওপারে। দেওয়ালে কান পেতে শুনে ওর সে ধারণা আরও বদ্ধমূল হল। দেওয়াল ফুঁড়ে যাবার উপযুক্ত ফাঁক আছে কি না, টর্চের রাঙা আলোয় সন্ধান করতে করতে এক জায়গায় নীচু ও সংকীর্ণ প্রাকৃতিক রন্ধ্র দেখতে পেল। সেখান দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে অনেকটা গিয়ে হাতে জল ঠেকল। সন্তর্পণে ওপরের দিকে হাত দিয়ে বুঝল, সেখানটাতে দাঁড়ানো যেতে পারে। দাঁড়িয়ে উঠে ঘন অন্ধকারের মধ্যে কয়েক পা যেতেই, স্রোতযুক্ত বরফের মতো ঠাণ্ডা জলে পায়ের পাতা ডুবে গেল।...
ঘন অন্ধকারের মধ্যেই নীচু হয়ে, ও প্রাণ ভরে ঠাণ্ডা জল পান করে নিল। তারপর টর্চের ক্ষীণ আলোয় জলের স্রোতের গতি লক্ষ করলে। এ ধরনের নির্ঝরের স্ত্রোতের উজান দিকে গুহার মুখও সাধারণত হয় না। টর্চ নিবিয়ে সেই মহা নিবিড় অন্ধকারে পায়ে পায়ে জলের ধারা অনুভব করতে করতে অনেকক্ষণ ধরে চলল। নির্ঝর চলেছে এঁকে বেঁকে, কখনও ডাইনে, কখনও বাঁয়ে। এক জায়গায় যেন সেটা তিন-চারটে ছোটো বড়ো ধারায় বিভক্ত হয়ে গিয়ে এদিক ওদিক চলে গিয়েছে বলে ওর মনে হল।
সেখানে এসে সে দিশাহারা হয়ে পড়ল। টর্চ জ্বেলে দেখলে স্রোত নানামুখী। আলভারেজের কথা মনে পড়ল, পথে চিহ্ন রেখে না গেলে, এখানে আবার গোল পাকিয়ে যাবার সম্ভাবনা।
নীচু হয়ে চিহ্ন রেখে যাওয়ার উপযোগী কিছু খুঁজতে গিয়ে দেখলে, স্বচ্ছ, নির্মল জলাধারায় এপারে ওপারে দুপারেই এক ধরনের পাথরের নুড়ি বিস্তর পড়ে আছে। সেই ধরনের পাথরের নুড়ির ওপর দিয়েও প্রধান জলধারা বয়ে চলেছে।
অনেকগুলো নুড়ি পকেটে নিয়ে, সে প্রত্যেক শাখাটা শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা করবে ভেবে দুটো নুড়ি ধারার পাশে রাখতে গেল। একটা স্রোত থেকে খানিকদূর গিয়ে আবার অনেকগুলো ফেকড়ি বেরিয়েছে। প্রত্যেক সংযোগস্থলে ও নুড়ি সাজিয়ে একটা ‘S’ অক্ষর তৈরি করে রাখলে।
অনেকগুলো স্রোতশাখা আবার ঘুরে শঙ্কর যেদিক থেকে এসেছিল, সেদিকেই যেন ঘুরে গেল। পথে চিহ্ন না রেখে শঙ্করের মাথা গোলমাল হয়ে যাবার যোগাড় হল। একবার শঙ্করের পায়ে খুব ঠাণ্ডা কী ঠেকতেই, সে আলো জ্বেলে দেখলে, জলের ধারে এক প্রকান্ডকায় অজগর পাইথন কুন্ডলী পাকিয়ে আছে। পাইথন ওর স্পর্শে আলস্য পরিত্যাগ করে মাথাটা উঠিয়ে কড়ির দানার মতো চোখে চাইতেই টর্চের আলোয় দিশাহারা হয়ে গেল—নতুবা শঙ্করের প্রাণসংশয় হয়ে উঠত। শঙ্কর জানে অজগর সাপ অতি ভয়ানক জন্তু—বাঘ সিংহের মুখ থেকেও হয়তো পরিত্রাণ পাওয়া যেতে পারে, অজগর সাপের নাগপাশ থেকে উদ্ধার পাওয়া অসম্ভব। একটিবার লেজ ছুড়ে পা জড়িয়ে ধরলে আর দেখতে হত না।

এক প্রকান্ডকায় অজগর পাইথন কুন্ডলী পাকিয়ে আছে ।
এবার অন্ধকারে চলতে ওর ভয়ানক ভয় করছিল। কী জানি, আবার কোথায় কোন পাইথন সাপ কুন্ডলী পাকিয়ে আছে! দুটো তিনটে স্রোতশাখা পরীক্ষা করে দেখবার পরে ও তার কৃত চিহ্নের সাহায্যে পুনরায় সংযোগস্থলে ফিরে এল। প্রধান সংযোগস্থলে ও নুড়ি দিয়ে একটা ক্রুশচিহ্ন করে রেখে গিয়েছিল। একবার ওরই মধ্যে যেটাকে প্রধান বলে মনে হল, সেটা ধরে চলতে গিয়ে দেখলে সেও সোজামুখে যায়নি। তারও নানা ফেঁকড়ি বেরিয়েছে কিছু দূরে গিয়েই। এক-এক জায়গায় গুহার ছাদ এত নিচু হয়ে নেমে এসেছে যে কুঁজো হয়ে, কোথাও বা মাজা দুমড়ে, অশীতিপর বৃদ্ধের ভঙ্গিতে চলতে হয়।
হঠাৎ এক জায়গায় টর্চ জ্বেলে সেই অতি ক্ষীণ আলোতেও শঙ্কর বুঝতে পারলে গুহাটা সেখানে ত্রিভুজাকৃতি—সেই ত্রিভুজ গুহা, যাকে খুঁজে বার না করতে পেরে, মৃত্যুর দ্বার পর্যন্ত যেতে হয়েছিল। একটু পরেই দেখলে বহুদূরে যেন অন্ধকারের ফ্রেমে আঁটা কয়েকটি নক্ষত্র জ্বলছে। গুহার মুখ! এবার আর ভয় নেই। এ-যাত্রার মতো সে বেঁচে গেল।
শঙ্কর যখন বাইরে এসে দাঁড়াল, তখন রাত তিনটে। সেখানটায় গাছপালা কিছু কম, মাথার ওপর নক্ষত্রভরা আকাশ দেখা যায়। রৌরবের মহা অন্ধকার থেকে বার হয়ে এসে রাত্রির নক্ষত্রালোকিত স্বচ্ছ অন্ধকার তার কাছে দীপালোকখচিত নগরপথের মতো মনে হল। প্রাণভরে সে ভগবানকে ধন্যবাদ দিলে, এ অপ্রত্যাশিত মুক্তির জন্যে।
ভোর হল। সূর্যের আলো গাছের ডালে ডালে ফুটল। শঙ্কর ভাবল এ অমঙ্গলজনক স্থানে আর একদন্ডও সে থাকবে না। পকেটে একখানা পাথরের নুড়ি তখনও ছিল, ফেলে না দিয়ে গুহার বিপদের স্মারকস্বরূপ সেখানা সে কাছে রেখে দিল।
পরদিন এলিফ্যান্ট ঘাস দেখা গেল বনের মধ্যে, সেদিনই সন্ধ্যার পূর্বে অরণ্য শেষ হয়ে খোলা জায়গা দেখা দিল। রাত্রে শঙ্কর অনেকক্ষণ বসে ম্যাপ দেখল। সামনে যে মুক্ত প্রান্তরবৎ দেশ পড়ল, এখান থেকে এটা প্রায় তিনশো মাইল বিস্তৃত, একেবারে জাম্বেসী নদীর তীর পর্যন্ত। এই তিনশো মাইলের খানিকটা পড়েছে বিখ্যাত কালাহারি মরুভূমির মধ্যে, প্রায় ১৭৫ মাইল, অতি ভীষণ, জনমানবহীন, জলহীন, পথহীন মরুভূমি। মিলিটারি ম্যাপ থেকে আলভারেজ নোট করেছে যে, এই অঞ্চলের উত্তরপূর্ব কোণ লক্ষ্য করে একটি বিশেষ পথ ধরে না গেলে মাঝামাঝি পার হতে যাওয়ার মানেই মৃত্যু। ম্যাপে এর নাম দিয়েছে ‘তৃষ্ণার দেশ’ (Thristland Trek)। রোডেসিয়া পৌঁছুতে পারলে যাওয়া অনেকটা সহজ হয়ে উঠবে, কারণ সে-সব স্থানে মানুষ আছে।
শঙ্কর এখানে অত্যন্ত সাহসের পরিচয় দিল। পথের এই ভয়ানক অবস্থা জেনে-শুনেও সে দমে গেল না, হাত-পা-হারা হয়ে পড়ল না। এই পথে আলভারেজ একা গিয়ে সলসবেরি থেকে টোটা ও খাবার কিনে আনবে বলেছিল। বাষট্টি বছরের বৃদ্ধ যা পারবে বলে স্থির করেছিল, সে তা থেকে পিছিয়ে যাবে?
কিন্তু সাহস ও নির্ভীকতা এক জিনিস, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ অন্য জিনিস। ম্যাপ দেখে গন্তব্যস্থানের দিক নির্ণয় করার ক্ষমতা শঙ্করের ছিল না। সে দেখলে ম্যাপের সে কিছুই বোঝে না। মিলিটারি ম্যাপগুলোতে দুটো মরুমধ্যস্থ কূপের অবস্থান-স্থানের ল্যাটিচিউড লঙ্গিচিউড দেওয়া আছে, ‘ম্যাগনেটিক নর্থ’ আর ‘ট্রু নর্থ’ ঘটিত কী একটা গোলমালে অঙ্ক কষে বার করত আলভারেজ, শঙ্কর দেখেছে কিন্তু শিখে নেয়নি।
সুতরাং অদৃষ্টের ওপর নির্ভর করা ছাড়া উপায় কী? অদৃষ্টের ওপর নির্ভর করেই শঙ্কর এই দুস্তর মরুভূমিতে পাড়ি দিতে প্রস্তুত হল। ফলে, দুদিন যেতে না যেতেই শঙ্কর সম্পূর্ণ দিগভ্রান্ত হয়ে পড়ল। ম্যাপ দৃষ্টে যে-কোনো অভিজ্ঞ লোক যে জলাশয় চোখ বুজে খুঁজে বার করতে পারত—শঙ্কর তার তিন মাইল উত্তর দিয়ে চলে গেল, অথচ তখন তার জল ফুরিয়ে এসেছে। নতুন পানীয় জল সংগ্রহ করে না নিলে জীবন বিপদাপন্ন হবে।
প্রথমত শুধু প্রান্তর আর পাহাড়, কাকটাস ও ইউফোর্বিয়ার বন, মাঝে মাঝে গ্রানাইটের স্তূপ। তার পর কী ভীষণ কষ্টের সে পথ-চলা। খাদ্য নেই, জল নেই, পথ ঠিক নেই, মানুষের মুখ দেখা নেই। দিনের পর দিন শুধু সুদূর, শূন্য-দিগ্বলয় লক্ষ করে সে হতাশ পথযাত্রা—মাথার ওপর আগুনের মতো সূর্য, পায়ের নীচে বালি পাথর যেন জ্বলন্ত অঙ্গার, সূর্য উঠছে, অস্ত যাচ্ছে—নক্ষত্র উঠছে, চাঁদ উঠছে—আবার অস্ত যাচ্ছে। মরুভূমির গিরগিটি একঘেয়ে সুরে ডাকছে, ঝিঁঝি ডাকছে—সন্ধ্যায়, গভীর নিশীথে।
মাইল-লেখা পাথরও নেই, কত মাইল অতিক্রম করা হল তার হিসেব নেই। খাদ্য দু-একটা পাখি, কখনো বা মরুভূমির বুজার্ড শকুনি, যার মাংস জঠুর ও বিস্বাদ। এমন কি একদিন একটা পাহাড়ি বিষাক্ত কাঁকড়া বিছে, যার দংশনে, মৃত্যু—তাও যেন পরম সুখাদ্য মিললে মহা সৌভাগ্য।
দুদিন ঘোর তৃষ্ণার কষ্ট পাবার পরে পাহাড়ের ফাটলে একটা জলাশয় পাওয়া গেল। কিন্তু জলের চেহারা লাল, কতকগুলো কী পোকা ভাসছে জলে—ডাঙায় একটা কী জন্তু মরে পচে ঢোল হয়ে আছে। সেই জলই আকন্ঠ পান করে শঙ্কর প্রাণ বাঁচাল।
দিনের পর দিন কাটছে—মাস গেল, কি সপ্তাহ গেল, কি বছর গেল, হিসেব নেই। শঙ্কর রোগা হয়ে গিয়েছে শুকিয়ে। কোথায় চলেছে তার কিছু ঠিক নেই—শুধু সামনের দিকে যেতে হবে এই জানে। সামনের দিকেই ভারতবর্ষ—বাংলা দেশ।
তারপর পড়ল আসল মরু, কালাহারি মরুভূমির এক অংশ দূর থেকে তার চেহারা দেখে শঙ্করও ভয়ে শিউরে উঠল। মানুষে কী করে পার হতে পারে এই অগ্নিদগ্ধ প্রান্তর! শুধু বালির পাহাড়, তাম্রাভ কটা বালির সমুদ্র ধূ ধু করে যেন জ্বলছে দুপুরের রোদে। মরুর কিনারায় প্রথম দিনেই ছায়ায় ১২৭ ডিগ্রি উত্তাপ উঠল থার্মোমিটারে।
ম্যাপে বার বার লিখে দিয়েছে, উত্তর-পূর্ব কোণ ঘেঁষে ছাড়া কেউ এই মরুভূমি মাঝামাঝি পার হতে যাবে না। গেলেই মৃত্যু, কারণ সেখানে জল একদম নেই। জল যে উত্তরপূর্ব ধারে আছে তাও নয়, তবে ত্রিশ মাইল, সত্তর মাইল ও নব্বই মাইল ব্যবধানে তিনটি স্বাভাবিক উণুই আছে—যাতে জল পাওয়া যায়। ওই উণুইগুলিই প্রায়ই পাহাড়ের ফাটলে, খুঁজে বার করা বড়োই কঠিন। এইজন্যে মিলিটারি ম্যাপে ওদের অবস্থান-স্থানের অক্ষ ও দ্রাঘিমা দেওয়া আছে।
শঙ্কর ভাবলে, ওসব বার করতে পারব না। সেক্সটান্ট আছে, নক্ষত্রের চার্ট আছে কিন্তু তাদের ব্যবহার সে জানে না। যা হয় হবে, ভগবান ভরসা। তবে যতদূর সম্ভব উত্তর-পূর্ব কোণ ঘেঁষে যাবার চেষ্টা সে করল।
তৃতীয় দিনে নিতান্ত দৈববলে সে একটা উণুই দেখতে পেল। জল কাদাগোলা, আগুনের মতো গরম, কিন্তু তাই তখন অমৃতের মতো দুর্লভ। মরুভূমি ক্রমে ঘোরতর হয়ে উঠল। কোনো প্রকার জীবের বা উদ্ভিদের চিহ্ন ক্রমশ লুপ্ত হয়ে গেল। আগে রাত্রে আলো জ্বাললে দু-একটা কীটপতঙ্গ আলোয় আকৃষ্ট হয়ে আসত, ক্রমে তাও আর আসে না।
দিনে উত্তাপ যেমন ভীষণ, রাত্রে তেমনি শীত। শেষ রাত্রে শীতে হাত পা জমে যায় এমন অবস্থা, অথচ ক্রমশ আগুন জ্বালাবার উপায় গেল, কারণ জ্বালানি কাঠ একেবারে নেই। কয়েকদিনের মধ্যে সঞ্চিত জল গেল ফুরিয়ে। সে সুবিস্তীর্ণ বালুকা-সমুদ্রে একটি পরিচিত বালুকণা খুঁজে বার করা যতদূর অসম্ভব, তার চেয়ে অসম্ভব ক্ষুদ্র এক হাত-দুই ব্যাসবিশিষ্ট জলের উণুই বার করা।
সেদিন সন্ধ্যার সময় তৃষ্ণার কষ্টে শঙ্কর উন্মত্তপ্রায় হয়ে উঠল। এতক্ষণে শঙ্কর বুঝেছে যে, এ ভীষণ মরুভূমি একা পার হওয়ার চেষ্টা করা আত্মহত্যার শামিল। সে এমন জায়গায় এসে পড়েছে, যেখান থেকে ফেরবার উপায়ও নেই।
একটা উঁচু বালিয়াড়ির ওপর উঠে সে দেখলে, চারিধারে শুধু কটা বালির পাহাড়, পূর্বদিকে ক্রমশ উঁচু হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমে সূর্য ডুবে গেলেও সারা আকাশ সূর্যাস্তের আভায় লাল। কিছুদূরে একটা ছোটো ঢিবির মতো পাহাড় এবং দূর থেকে মনে হল একটা গুহাও আছে। এ ধরনের গ্রানাইটের ছোটো ঢিবি এদেশে সর্বত্র—ট্রান্সভাল ও রোডেসিয়ায় এদের নাম ‘Kopje’ অর্থাৎ ক্ষুদ্র পাহাড়। রাত্রে শীতের হাত থেকে উদ্ধার পাবার জন্যে শঙ্কর সেই গুহায় আশ্রয় নিলে।
এইখানে এক ব্যাপার ঘটল।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন