দ্বিতীয় অধ্যায়

সুচিত্রা ভট্টাচার্য

মিতিন অবশ্য তেমন অবাক হয়নি। যেন এমন একটা কিছুই সে জেসমিনের মুখে শুনবে বলে আশা করেছিল। ভাবলেশহীন ভঙ্গিতে হেলান দিল সোফায়। স্বাভাবিক স্বরে বলল, “আমাকে হিরেটা উদ্ধার করে দিতে হবে, তাই তো?”

জেসমিন উৎকণ্ঠিত মুখে মিতিনকে দেখছিল। মিনতির সুরে বলল, “হ্যাঁ, ম্যাডাম। অনেক আশা নিয়ে আপনার কাছে এসেছি।”

“এক্ষুনি-এক্ষুনি কথা দিতে পারছি না। আগে সাফ-সাফ কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর চাই।”

“বলুন কী জানতে চান?”

“ডায়মন্ডটা এগ্‌জাক্টলি কবে খোওয়া গিয়েছে?”

“আঙ্কলের মৃত্যুর পর আন্টি সিন্দুকটা প্রথম খোলেন পঁচিশে ডিসেম্বর সকালে। তখনই আবিষ্কার করেন হিরের বাক্সটা খালি।”

“অমন একটা দামি স্টোন বাড়িতে থাকত কেন?”

“তিন পুরুষ ধরে ওটা তো আয়রন চেস্টেই ছিল ম্যাডাম।”

“ইনশিওরেন্স করানো হয়নি নিশ্চয়ই?”

“থাকলে কি আর আপনার কাছে আসতাম?”

“ইনশিওরেন্স কোম্পানিতে ক্লেম ঠুকে বসে থাকতেন, তাই তো? সেটা সোজাও হত অনেক।” মিতিন টানটান, “কিন্তু কেন ইনশিওরেন্স করানো হয়নি?”

“বলতে পারব না। ইনশিওরেন্সের ব্যাপারটা কখনও মাথাতেই আসেনি। চিরকালই শুনে আসছি, আরাকিয়েল পরিবারের গুড লাক হিসেবে হিরে আয়রন চেস্টে আছে, থাকবে…।”

পার্থ জিজ্ঞেস করল, “আপনার পিসেমশাইয়ের টাইটেল বুঝি আরাকিয়েল?”

“হ্যাঁ স্যার। আঙ্কলের পুরো নাম জোসেফ মেলিক আরাকিয়েল। ওঁরা কলকাতার খুব পুরনো বাসিন্দা। প্রায় সওয়া দু’শো বছর আগে ওঁদের পূর্বপুরুষ মিস্টার আগা ক্যাচিক আরাকিয়েল কলকাতার আর্মেনিয়ান চার্চকে একটা বড় ঘড়ি উপহার দেন। গির্জার পাঁচিলটাও ওঁরই পয়সায় তৈরি।”

“বলেন কী?” পার্থর চোখ গোল-গোল, “আরাকিয়েল ফ্যামিলি দু’-আড়াইশো বছর ধরে কলকাতায়?”

“না না, মাঝে সুরাটে চলে গিয়েছিলেন। আঙ্কলের গ্রেট গ্র্যান্ড ফাদার আবার কলকাতায় ফিরে আসেন। মারকুইস স্ট্রিটের বাড়িটা তাঁরই তৈরি। হিরেটাও তাঁর সময় থেকেই ও বাড়িতে।”

“বুঝলাম।” মিতিনের কপালে পাতলা ভাঁজ, “তা হিরে চুরির তিন মাস পরে আমার কাছে এলেন যে বড়?”

“আগে পুলিশেরই দ্বারস্থ হয়েছিলাম ম্যাডাম। তারা তো এখনও কিছুই করে উঠতে পারল না। থানায় গেলেই শুধু শুনতে হয়, হচ্ছে-হচ্ছে, আমরা তো তদন্ত চালাচ্ছি…! এদিকে আন্টির তো চিন্তায়-চিন্তায় শরীর ভেঙে যাওয়ার জোগাড়। একে আঙ্কলকে হারানোর শোক, তার উপর ওই হিরে…। মরিয়া হয়ে ভাবলাম যদি কোনও প্রাইভেট ডিটেকটিভের সাহায্য নেওয়া যায়…। আমার এক বাঙালি বন্ধু আপনার নামটা সাজেস্ট করল। ইনফ্যাক্ট, কালই আপনার ফোন নাম্বার পেয়েছি।”

“উম। পুলিশকে কবে ইনফর্ম করেছিলেন?”

“ওই দিনই। পঁচিশে ডিসেম্বর।”

“পুলিশ কি সঙ্গে-সঙ্গেই এল?”

“তা এল। প্রচুর জেরা করল সবাইকে। আন্টিকেও বাদ দেয়নি।”

“চাবি আর সিন্দুকের ফিংগারপ্রিন্ট নেয়নি?”

সবই করেছিল ম্যাডাম। আবার কিছুই করেনি। অর্থাৎ কিস্যু পায়নি।”

“মানে?”

“চাবি আর সিন্দুকে তো তখন শুধু আন্টির হাতের ছাপ।”

“হুম। তা চাবি কি আন্টির কাছেই থাকত?”

“না না, চাবি তো সর্বদাই আঙ্কলের জিম্মায়। কোমরে বাঁধা থাকত। সিন্দুকও আঙ্কল ছাড়া কেউ খুলতেন না। তবে এখন চাবি আন্টির হাতে এসেছে।”

“এখন মানে কখন?”

“অবশ্যই আঙ্কলের মৃত্যুর পর।”

“আপনার পিসেমশাইয়ের হার্ট অ্যাটাকটা কখন হয়েছিল?”

“রাতে। শোওয়ার পর। চেস্ট পেন ওঠার মিনিট পনেরো-কুড়ির মধ্যেই তো সব শেষ।”

“তখন বাড়িতে আপনারা কে কে ছিলেন?”

“আমি, আন্টি আর নির্মলা।”

“নির্মলাটি কে?”

নির্মলা মেরি বিশ্বাস। আমাদের হাউস মেড। রাতদিন থাকে। বাড়ির লোকের মতোই হয়ে গিয়েছে।”

“অর্থাৎ আঙ্কল যখন মারা যান, বাড়িতে আপনারা তিনজনই…?”

“তা কেন, ডাক্তারবাবুও ছিলেন। ডাক্তারের হাতের উপরেই তো আঙ্কল…। ফোনে খবর পেয়ে হ্যারিও প্রায় সঙ্গে সঙ্গে চলে এল।”

“হ্যারি…?”

“আঙ্কলের দাদার ছেলে। ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে থাকে। কারনানি ম্যানশনে। এ ছাড়া নির্মলা ঘাবড়ে গিয়ে ভাড়াটেদের খবর দেয়। তারাও এসে গিয়েছিল।”

“আপনাদের ক’জন ভাড়াটে?”

“দু’টো ফ্যামিলি। একতলায় থাকে।”

“তাঁরাও কি আর্মেনিয়ান?”

“এই শহরে আর্মেনিয়ান আর কোথায় ম্যাডাম! কমতে কমতে সাকুল্যে আমরা এখন একশো’জন হব কিনা সন্দেহ। বেশির ভাগই হয় অস্ট্রেলিয়ায় কেটে পড়েছে, নয়তো ব্যাক টু আর্মেনিয়া।” জেসমিনের মুখে বিষন্ন হাসি, “আমাদের টেনেন্টদের মধ্যে একটা ফ্যামিলি অ্যাংলো ইন্ডিয়ান, অন্যটি কেরালাইট ক্রিশ্চান।”

“আর কে এসেছিল সেদিন?”

“বাহাদুর… মানে আমাদের দারোয়ান এক-দু’বার দোতলায় উঠেছিল। ডাক্তারবাবু যে ইঞ্জেকশনটা লিখে দিয়েছিলেন, বাহাদুরই দৌড়ে গিয়ে কিনে আনে। ওষুধটা অবশ্য পুশ করার আর সময় পাওয়া যায়নি।”

“তার মানে সেদিন রাত্তিরে আপনাদের বাড়িতে অনেক লোক?”

“হ্যাঁ, যাদের কথা বললাম। ভাড়াটেরা আসা-যাওয়া করছিল, হ্যারি তো থেকেই গেল। ও হ্যাঁ, হ্যারির বউ সুজানও এসেছিল। ভোর রাতে।”

“আপনারা কি সারারাত আঙ্কলের ডেডবডির পাশে ছিলেন?”

“কেউ না-কেউ তো ছিলই। হয় নির্মলা, নয় হ্যারি, কিংবা একতলার কেউ। আমি ঢুকছি, বেরোচ্ছি…। মাঝে অবশ্য ঘণ্টা খানেকের জন্য নিজের ঘরে গিয়েছিলাম। আন্টি খুব কান্নাকাটি করছিলেন তো, তাই জোর করে তাঁকে আমার ঘরে শোওয়াতে হয়েছিল। আন্টির মাথায় হাত বোলাতে-বোলাতে কখন আমারও চোখ দু’টো একটু জড়িয়ে আসে। সুজান আসার পরে অবশ্য জেগে যাই। তারপর তো একের পর-এক আত্মীয়, প্রতিবেশী, আর বন্ধুরা আসতে শুরু করল।”

“ফিউনারেল কি পরদিনই হয়েছিল?”

“হ্যাঁ। সকালেই বডি পিস হ্যাভেনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারপর সব ব্যবস্থা-ট্যবস্থা করে সূর্যাস্তের আগেই…।” জেসমিন রুমালের খুঁটে চোখের কোল মুছল। শুকনো হেসে বলল, “এর পর আপনি কী প্রশ্ন করবেন, আমি জানি ম্যাডাম। …হ্যাঁ, পিস হ্যাভেনে পাঠানোর আগে আঙ্কলকে যখন সুট পরানো হচ্ছে, তখনই সুজান আঙ্কলের কোমর থেকে সিন্দুকের চাবিটা খুলে আন্টির হাতে দেয়। যদ্দুর জানি, আন্টি তারপর থেকে চাবি আর কাছছাড়া করেননি।”

মিতিন হেসে ফেলল, “ভালই থট রিডিং পারেন দেখছি।”

“তা নয় ম্যাডাম। বেশ কয়েকবার পুলিশের কাছে এই ভাইটাল কোয়েশ্চেনটার উত্তর দিতে হয়েছে যে।”

পার্থ বলল, “হবেই তো। ওটাই তো আসল পয়েন্ট। একটা বাচ্চা ছেলেও বুঝতে পারবে, রাত্তির থেকে ভোরের গ্যাপটুকুর মধ্যে হিরেটাকে সরানো হয়েছে। মিস্টার আরাকিয়েলের কোমর থেকে চাবি নিয়ে সিন্দুক খুলে হাতানো এবং সিন্দুক লক করে আবার চাবি কোমরে গুঁজে দেওয়া, এ তো জাস্ট মিনিট কয়েকের কাজ।”

“পুলিশও তো তাই বলছে। যুক্তিও।” জেসমিন দু’দিকে মাথা নাড়ল, “কিন্তু আমার মন যে কিছুতেই সায় দিচ্ছে না। ভেবেই পাচ্ছি না, শোকের মুহূর্তে কে ওই অপকর্ম করতে পারে।”

“আপনার মনটা বোধ হয় একটু বেশি সরল মিস ভারদোন।” পার্থ ভুরুতে ঢেউ খেলাল, “ভেবে দেখুন, সেই রাত্তিরে যারা ডেডবডির কাছাকাছি ছিল, তারা সকলেই তো ডায়মন্ডটার কথা জানত?”

“তা ঠিক। তবে…।”

“তবেটবে কিছু নেই। লোভের বশবর্তী হয়ে মানুষ কী না করতে পারে। আমার তো মাথাতেই ঢুকছে না, কী করে আপনার পিসেমশাই ওরকম একটা দামি জিনিস ঘরে রাখার সাহস পেয়েছিলেন! সেদিন নয় ডামাডোল ছিল, এমনি দিনেই তো ওটা যে-কোনও সময় চুরি-ডাকাতি হয়ে যেতে পারত।”

“না, সেটা বোধ হয় সহজ ছিল না। আঙ্কল অসম্ভব সাবধানি ছিলেন। বাইরের লোক তো দূরস্থান, আমাদের কারওর সামনে উনি সিন্দুক খুলতেন না। এমনকী আন্টির সামনেও নয়। তা ছাড়া সিন্দুকে সিকিউরিটি অ্যালার্মের বন্দোবস্ত আছে। চাবি ছাড়া খোলা বা ভাঙার চেষ্টা করলে সাইরেন বেজে উঠবে।”

“কিন্তু চাবিটার জন্য তো উনি যে-কোনও দিন মার্ডারও হয়ে যেতে পারতেন।”

“সে ভয় তো ছিলই। আমি আর আন্টি কতবার বুঝিয়েছি… বলেছি, ব্যাঙ্কের ভল্টে রেখে আসতে… আঙ্কল শুনতেনই না। হিরেটা বাড়িতে না থাকলে সংসারে নাকি অমঙ্গল হবে।”

টুপুর ফস করে বলে উঠল, “আপনি কখনও হিরেটা দেখেছেন?”

“একবার। অষ্ট্রেলিয়া থেকে ওঁর এক কাজিন এসেছিলেন, তাঁর পীড়াপীড়িতেই বের হয়েছিল।”

“কেমন দেখতে?”

“অনেকটা পায়রার ডিমের মতো। তবে আর-একটু ছোট। গোটা গা নিখুঁতভাবে কাটা-কাটা। পালিশটাও অসাধারণ। বাক্স খুললেই ঝলমল করে ওঠে। ওই অপরূপ হিরে চুরি যাওয়াটা যে কত দুর্ভাগ্যের…।”

জেসমিনের বাক্য শেষ হল না, মিতিনের মোবাইল ঝংকার তুলেছে। সেলফোন কানে চেপে উঠে গেল মিতিন। ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে কথা সারছে।

টুপুর জেসমিনকে দেখছিল। কথা থামিয়ে বসে আছে চুপচাপ। মাথা ঝুকিয়ে। গোলাপি নেল-পলিশ লাগানো নখে আঙুল বোলাচ্ছে আনমনে। বোঝাই যায়, ভারী উদ্বেগে রয়েছে। একে পিতৃসম পিসেমশাইয়ের আকস্মিক মৃত্যু, তায় একখানা আস্ত হিরে লোপাট, জেসমিনের তো বিচলিত হয়ে পড়া স্বাভাবিক। বেচারা।

মিতিন ফিরেছে। মোবাইল ফোন টেবিলে রেখে কোনও ভূমিকা না করেই বলল, “হ্যাঁ, কেসটা আমি নিচ্ছি।”

বিষাদের ছায়া সরে পলকে জেসমিনের মুখে অনাবিল হাসি। কৃতজ্ঞ স্বরে বলল, “সো কাইন্ড অফ ইউ। এই মুহূর্তে আপনার মতো একজন নামী গোয়েন্দাকেই আমাদের প্রয়োজন। আন্টি অবশ্যই এবার মনে খানিকটা বল পাবেন।”

“আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব,” মিতিন মিষ্টি করে হাসল, “কবে আপনাদের বাড়ি যাওয়া যায় বলুন তো? কাল?”

“কালকের দিনটা বাদ দিন ম্যাডাম। পরশু আসুন। কাল আমার কিছু বিজনেস অ্যাসাইনমেন্ট আছে।”

“আপনি ব্যবসা করেন বুঝি?”

“তেমন বড় কিছু নয়। নিজেই ডিজাইন করে শৌখিন মোমবাতি বানাই। নিউ মার্কেট আর নতুন শপিং-মলগুলোয় দু’-চারটে বাঁধা দোকান আছে, ক্যান্ডেলগুলো তাদের সাপ্লাই দিই।” বলতে-বলতে ভ্যানিটিব্যাগ থেকে ভিজিটিং কার্ড বের করেছে জেসমিন। মিতিনকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “এতে বাড়ির অ্যাড্রেস আর ফোন নাম্বারটাও পেয়ে যাবেন। আর ডিরেকশনটা হল, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট দিয়ে মারকুইস স্ট্রিটে ঢুকে…”

“আমি চিনে নেব। তা হলে পরশুই যাচ্ছি? বিকেলে? অ্যারাউন্ড সিক্স?”

“ও কে। আন্টিকে আমি আজই জানিয়ে রাখছি।” জেসমিন উঠে পড়ল। দরজার দিকে যেতে গিয়েও থমকেছে। ঘুরে ঈষৎ সংকোচের সুরে বলল, “ম্যাডাম, আপনার ফিজটা…?”

“পরে সেট্‌ল করব। আগে কাজ তো স্টার্ট করি।”

“তবু… এখন একটা অ্যাডভান্স…।”

“পরশু তো যাচ্ছি। তখন দেখা যাবে।”

খটখটিয়ে হিল বাজিয়ে জেসমিন চলে যেতেই পার্থ গজগজ করে উঠেছে, “তোমার কোনও দিন আক্কেল হবে না?”

মিতিন ভ্রুকুটি হানল, “কেন?”

“মিস হাসমিক ভারদোনের পেট থেকে আরও কিছু ইনফরমেশন টেনে আনব ভাবছিলাম। তুমি এমন তাড়া দিয়ে ভাগালে…!”

“নতুন কী জানতে, শুনি?”

“অ্যাটমস্‌ফিয়ারটা। যাদের-যাদের নাম করল, তাদের কাকে- কাকে সন্দেহ করা উচিত… তারা সব কে কেমন লোক… হিরের প্রতি কার কতটা লোভ আছে…।”

“হিরের উপর লোভ?” মিতিন শব্দ করে হেসে উঠল, “সে তো দুনিয়ার সবার। চান্স পেলে তুমি, আমি হিরে চুরি করে ফেলব কিনা তার ঠিক আছে?”

“হাহ, তোমার দৌড় জানা! অ্যাডভান্সের টাকাটাও তো ছেড়ে দিলে।”

“ঠিকই তো।” টুপুর সায় দিল, “আরাকিয়েল ফ্যামিলির যথেষ্ট পয়সা আছে। টাকা তোমার নেওয়াই উচিত ছিল।”

“টাকা তো এসেই যাবে।” মিতিন চোখ নাচাল, “তা হ্যাঁ রে, হাঁ করে জেসমিনের কথা তো গিললি। কিছু বুঝলি কি?”

“কেস তো সোজা। তুমি একটু সুতো নাড়লেই কালপ্রিট ধরা পড়ে যাবে।”

“অত জলভাত নয় রে টুপুর। আমার তো ধারণা, প্যাঁচ একটা আছে।”

“কী রকম?”

“দেখা যাক।”

মিতিন উঠে বুমবুমের খাবার গরম করতে গেল। পার্থও রিমোট টিপে টিভি চালিয়েছে। চুপচাপ বসে ভাবছিল টুপুর। প্যাঁচের কথা বলল কেন মিতিনমাসি? এই কেসে কী ধরনের প্যাঁচ থাকতে পারে?

টুপুর জোরে-জোরে মাথা ঝাঁকাল। নাহ, মগজে কিছু আসছে না।

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%