পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায়
বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছে অনুশ্রী আর সৈকত৷ তবে মাঝখানে বেশ খানিকটা দূরত্ব৷ একটু আগেই কলেজে ভীষণ ঝগড়া হয়েছে ওদের দুজনের৷ তাই এখন একে অপরের মুখদর্শনও বন্ধ৷ অন্যদিন হলে এতক্ষণে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী—সব রকমের টপিক নিয়ে আলোচনা করা হয়ে যেত! বাসস্ট্যান্ডের গা ঘেঁষে বসা ঝালমুড়িদাদাও কিছু একটা আন্দাজ করতে পারছেন বোধ হয়৷ তাকিয়ে হাসছেন মিটিমিটি৷ বিরক্ত লাগছে সৈকতের- বাসটা যে কখন আসবে? ওদিকে একমনে মোবাইলে খুটখাট করে যাচ্ছে অনুশ্রী৷ চোখ তুলে তাকাচ্ছে না পর্যন্ত৷ হঠাৎ ‘হাওড়া, হাওড়া’ ডাক শুনে সোজা হয়ে দাঁড়াল সৈকত৷ এইটা অনুশ্রীর রুটের বাস৷ অতএব যাবার সময় ও একবার অন্তত সৈকতকে ‘বাই’ বলবে৷ কিন্তু সৈকতকে অবাক করে দিয়ে, কোনওরকম বাক্যব্যয় না করে গটমট করে হেঁটে বাসে উঠে পড়ল অনুশ্রী৷ একবার হাসলও না পর্যন্ত৷ এবার রাগের থেকে বেশি অভিমান হচ্ছে সৈকতের৷ কীই বা এমন হয়েছিল? মুভি দেখা নিয়ে একটু মতদ্বৈততা আর কী! আগামিকাল রবিবার৷ অনুশ্রীর ইচ্ছে ছিল মুভি দেখে ছুটি কাটানোর৷ কিন্তু কাল আবার সৈকতের ছোটবেলার বন্ধু রাহুলের জন্মদিন৷ ওর বাড়িতে স্কুলফ্রেন্ডজদের একটা রি-ইউনিয়ন মতো হবে৷ এই নিয়ে দুজনের মধ্যে একটু কথাকাটাকাটি হতেই, মন কষাকষি শুরু হয়ে গেল৷ ‘এক্সাইড মোড়! পিজি! ও ভাই, এসো৷ বাস তো ফাঁকা,’ কন্ডাক্টরদাদা হাত নেড়ে ডাকছেন সৈকতকে৷ আসলে গত দুবছর রোজ এই রুটে যাতায়াত করতে করতে সকলেই বেশ চেনা হয়ে গিয়েছে৷ ব্যাগটাকে সামনে নিয়ে বাসে উঠে পড়ল সৈকত৷ সত্যিই বেশ ফাঁকা আছে বাসটা আজ৷ এক বয়স্ক ভদ্রলোকের পাশে বসার জায়গাও পেয়ে গেল ও৷ ভদ্রলোক আবার জানলার পাশের সিট ছেড়ে দিলেন ওকে৷
বাড়ি পৌঁছতে প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট মতো সময় লাগবে৷ রাস্তায় জ্যামও আছে ভালোই৷ পাশে বসা ভদ্রলোক মাঝে মাঝেই ওর দিকে দেখছেন৷ বোঝাই যাচ্ছে— কথা বলতে চাইছেন৷ জানলা দিয়ে বাসের বাইরে তাকাল সৈকত৷ অচেনা লোকের সঙ্গে আলাপ করতে বেশ আনকার্টেবল লাগে ওর৷ ঠিক কী বলা উচিত আর বলা উচিত নয়— বুঝতে পারে না৷ এইসব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতেই পকেটে ফোনটা বেজে উঠলো হঠাৎ, ‘কলকাতা! তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা...৷’ মা ফোন করছেন৷ কলটা রিসিভ করল ও, ‘হ্যালো!’
—‘...’
—‘হ্যাঁ, বেরিয়েছি৷’
—‘...’
—‘হ্যাহ, বাসে৷’
—‘...’
—‘ডাইরেক্ট বাড়িই আসব৷’
—‘...’
—‘একা একা কোথায়ই বা যাব এখন? আশ্চর্য!’
—‘...’
—‘খেয়েছি, হ্যাঁ৷’
—‘...’
—‘কিছু নিতে হবে দোকান থেকে?’
—‘...’
—‘আচ্ছা! রাখছি৷’
ফোনটা হাতের দুই আঙুলের মাঝে নিয়ে ঘোরাতে শুরু করল সৈকত৷ টেনশনের বহিঃপ্রকাশ৷ যদিও চোখ চলে গেছে জানলার বাইরে৷ বাসের পাশেই একটা অডি দাঁড়িয়ে আছে৷ ভালো করে মডেলটাকে দেখল ও৷ —‘কলকাতার সবটাই বুঝি চেনো?’ সৈকতের দিকে তাকিয়ে কথা শুরু করলেন ভদ্রলোক৷
—‘মানে?’ অবাক সৈকত৷
—‘তোমার ফোনের গান তো সেই কথাই বলল, হে!’
—‘ওহ!’ হাসল সৈকত, ‘গুড জোক!’
—‘জোক নয়, হক কথা৷ দেখেছ পুরো শহরটাকে?’
—‘দেখুন, জন্ম থেকে এই শহরে আছি,’ একটু বিরক্তই হল সৈকত, ‘যতটুকু চেনার, ঠিকই চিনি৷’
—‘রেগে গেলে তো? আহা! তোমরা মানে এই ইয়ং জেনেরেশন বড্ডই শর্ট টেম্পারড বুঝলে?’ ভাবলেশহীন ভাবে নিজের মতটা জাহির করলেন ভদ্রলোক৷ সত্যিই অল্প অল্প রাগ হচ্ছে সৈকতের৷ কী মুশকিলে পড়া গেল! জানা নেই, চেনা নেই অথচ ভদ্রলোক ওকে বিচার করতে বসেছেন৷ বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ— তর্কে যেতে মোটেই ইচ্ছে করছে না৷ কিন্তু ইনিও তো নিজের মতামত জাহির না করে ছাড়ছেন না৷ উপায় না দেখে ব্যাগ থেকে হেডফোন বের করল ও৷ আড়চোখে ব্যাপারটা দেখলেন ভদ্রলোক, ‘আচ্ছা, এই যে এত লোক চারপাশে ৷ এত গাড়ি, এই ব্যস্ত রাস্তা৷ শব্দের কি অভাব আছে? খামোখা ওই কৃত্রিম শব্দ শোনা কেন বাপু? শুনেছি ওতে নাকি শরীর খারাপেরও চান্স থাকে৷’
—‘দেখুন কাকু, আমার গান শুনতে ভালো লাগে৷ তাই শুনছি,’ নিজের বিরক্তি স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিল সৈকত৷
—‘উহুঁ৷ অজুহাতটা গান নয়, জ্ঞান৷ আমার জ্ঞান শুনতে তোমার ভালো লাগছে না,’ ভদ্রলোক এমন মুখ করলেন যেন ভীষণ শক্ত কোনও সমস্যার সমাধান করে ফেলেছেন৷ এর উত্তরে কী বলা যায়, জানা নেই সৈকতের৷ ও একটু চোয়াল ফাঁক করল মাত্র৷ ইচ্ছে তো করছে সিট ছেড়ে উঠে পড়ে বাকি রাস্তাটা দাঁড়িয়েই চলে যেতে৷ কিন্তু সেটা অযথা সিন ক্রিয়েটিং এবং চূড়ান্ত বোকামো, দুই-ই হবে৷ অতএব নিজেকে শান্ত রাখা ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই৷ কী কুক্ষণেই না এই বাসটায় উঠেছিল ও! হেডফোনটা কানে লাগিয়ে ভলিউমটা বাড়িয়ে দিল সৈকত৷ একেই মেজাজটা খিঁচড়ে আছে, তার ওপর আবার এই ভদ্রলোক৷ মুড ঠিক করতে গানই ভরসা৷ হোয়াটস অ্যাপটা একবার চেক করল ও— যদি অনুশ্রী কোনও মেসেজ পাঠিয়ে থাকে৷ কিন্তু না, ওর চ্যাটবক্সে কোনও মেসেজ নেই৷ অথচ তিন মিনিট আগেও অনলাইন ছিল অনুশ্রী৷ মোবাইলটা বন্ধ করে জানলা দিয়ে রাস্তা দেখতে শুরু করল সৈকত৷ কানে গান বাজছে৷ হঠাৎ কাঁধে কে যেন আলতো টোকা মারল৷ চোখ ফেরাতেই ও দেখল পাশে বসা ভদ্রলোক ইশারায় ওকে হেডফোন খুলতে বলছেন৷ মুখখানা বিকৃত করে হেডফোন খুলল সৈকত, ‘আবার কী হল?’
—‘বলছি, তোমরা একাধিক কাজ একসঙ্গে করতে যাও কেন? ওতে মনঃসংযোগ নষ্ট হয়৷’
—‘আপনি আবার আমায় একাধিক কাজ একসঙ্গে করতে কোথায় দেখলেন?’ রাগত চোখে তাকাল সৈকত৷
—‘তুমি গান শুনছ৷ জানলা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখছ৷ আবার মেসেজও করছ,’ গম্ভীরভাবে বললেন ভদ্রলোক৷ ওঁর আচরণে অদ্ভুদ এক আভিজাত্য আছে৷ দুম করে ঝগড়া বাধিয়ে দেওয়া যায় না৷ তাই কয়েক সেকেন্ড সময় নিয়ে নিজেকে শান্ত করল সৈকত৷ জিজ্ঞেস করল,‘আচ্ছা, একটা কথা বলুন তো৷ আপনি কি আমার সঙ্গে রসিকতা করছেন?’
—‘শোনো ছোকরা, আমি কলকাতার এক নামকরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলাম৷ রসিকতা-টতা আমার ধাতে নেই৷’
—‘তাহলে?’ অসহায় গলায় জানতে চাইল সৈকত৷
—‘শোনো, সব কাজই ক্রিয়েটিভ৷ বুঝলে? এই যে গান শুনছ— এটা একটা আর্ট৷ চোখ বন্ধ করে শুনবে, গভীরতাটা উপলব্ধি করবে৷ কিংবা ধরো এই যে জানলা দিয়ে লোক দেখছ—তাদের পুরোটা অবজার্ভ করতে চেষ্টা করো৷ শুধু দেখলে হবে না৷ শব্দ ছাড়া যে কোনও পরিবেশই অসম্পূর্ণ৷’ ভদ্রলোকের কথায় কিছু একটা ছিল, যার জন্য এবার আর তেলে বেগুনে জ্বলে উঠল না সৈকত৷ মোবাইলের মিউজিক অ্যাপটা বন্ধ করে, আলতো হাতে হেডফোনটাও খুলে ফেলল কান থেকে৷‘কী হল? ওমনি রাগ?’ ভদ্রলোক চোখ কুঁচকোলেন৷
—‘নাহ! আপনার সঙ্গে কথা বলছি তো, তাই গানটা বন্ধ করলাম৷ একটা কাজেই কনসেনট্রেট করা উচিত,’ হাসল সৈকত৷
—‘বা-ববাহ! একটু আগে তো খুব রাগ করছিলে,’ হাসলেন ভদ্রলোক৷ ভদ্রলোকের কথা বলার সুরে হেসে ফেলল সৈকতও৷ মাঝে মাঝে অতিরিক্ত অসহায়তাও হাসতে বাধ্য করে৷ ভদ্রলোককে ও সরি বলতে যাবে, এমন সময় কন্ডাকটরদাদা এসে দাঁড়ালেন৷ সৈকত প্রথমে ভাড়া মেটাল৷ তারপর ওই ভদ্রলোক৷ উনি পিজি যাবেন আর সৈকত নামবে এক্সাইড মোড়ে৷ হঠাৎ হাতে ধরা মোবাইলটা ভাইব্রেট করে জানান দিল— মেসেজ এসেছে৷ তড়িৎগতিতে মোবাইলটা আনলক করল সৈকত৷ অনুশ্রীর মেসেজ কি? নাহ! অরিত্র মেসেজ করে কালকের মিটিং টাইম কনফার্ম করেছে৷ মুখ দিয়ে একটা বিরক্তিসূচক শব্দ করে ফোনটা পকেটে ঢুকিয়ে রাখল সৈকত৷ —‘কারুর মেসেজ আসার কথা আছে না কি হে?’ হেসে জিজ্ঞেস করলেন ভদ্রলোক৷
—‘নাহ তো!’
—‘কে? গার্লফ্রেন্ড?’
—‘হুঁ৷’
—‘বলো দেখি কী হয়েছে? হাজার হোক আমি এক্সপিরিয়েন্সড,’ ভদ্রলোক হাসলেন৷ প্রথমে বলতে না চাইলেও, ওঁর জোরাজুরিতে শেষে সবকিছু বলে দিল সৈকত৷ শুনে নিয়ে আবার একচোট হাসলেন ভদ্রলোক৷ ‘তোমরা এইরকম মনের মধ্যে অভিমান পুষে রাখ কেন? কথা বলে মিটিয়ে নিলেই পার,’ গলাটা পরিষ্কার করে নিলেন উনি, ‘তবে কথা মানে কিন্তু কথা৷
ফেস টু ফেস কনভারসেশন৷ ওই মেসেজে দশটা অ্যালফাবেট আর পাঁচটা হলদে মুখ নয়৷’
—‘ঝগড়াটা ও শুরু করেছিল আর এখন মিটমাট করার ভার আমার? সরি! পারব না,’ সজোরে দু-দিকে মাথা নাড়ল সৈকত৷
—‘এইসব হিসেবনিকেশে দেশের আইন-আদালত চললেও, প্রেম চলে না৷ একটা কথা সবসময় মনে রাখবে৷ যে আজ আছে, সে হয় তো কালও থাকবে৷ কিন্তু একইরকম ভাবে থাকবে—তার কোনও গ্যারান্টি নেই৷ তাই যাকে যা বলার বলে দেবে৷ সময় এমনিই অনেক কম৷ তাকে আবার রাগ, অভিমানে নষ্ট করার কোনও মানেই হয় না৷’ ভদ্রলোক থামলেও সৈকতের কেমন একটা ঘোর লেগে গেছে৷ সত্যিই তো, পাঁচবছর পরেও কি ও কিংবা অনুশ্রী একইরকম থাকবে? যেটুকু সময় ওরা পাশাপাশি আছে, সেটাকে তিক্ত করে ফেলার কোনও কারণ নেই৷ ‘নেমে ফোন করব৷ আমিই করব,’ বিড়বিড় করে বলল ও৷
—‘হ্যাঁ, অবশ্যই করবে৷ ওঠো এবার, তোমার স্টপেজ তো এসে গেল প্রায়’, ভদ্রলোক সৈকতের কাঁধে হাত রাখলেন৷
—‘উঠছি৷ আপনি পিজি যাচ্ছেন, সব ঠিক আছে তো? মানে হসপিটাল যাচ্ছেন তো, তাই জিজ্ঞেস করলাম৷’
—‘না, ঠিক নেই৷ আমার এক বন্ধু এই দুপুরবেলায় আমাদের ছেড়ে ভগবানের কাছে হাঁটা লাগিয়েছে৷’
—‘মানে?’ চমকে উঠল সৈকত, ‘এতক্ষণ বলেননি তো? আপনি বাসে উঠেছেন কেন? ট্যাক্সি নিলে এতক্ষণে পৌঁছে যেতেন৷’
—‘তুমি জানতে চাওনি, তাই বলিনি৷ এদিকে আমি কিন্তু তোমার সম্পর্কে অনেক কিছু জেনে গেছি৷ কারণ আমি কথা বলেছিলাম৷ আর বাসটা আমি ইচ্ছে করেই নিয়েছি৷ দুঃখ দেখার অত তাড়া কী? সময় তো চলেই গেছে৷ বন্ধুকে একটা কথা বলা হয়নি জানো?’
—‘কী কথা?’ গলা কেঁপে যাচ্ছে সৈকতের৷ বাসের গেটের দিকে এগোতে হবে এবার৷
—‘ছাত্রাবস্থায় ও ছিল আমার রুমমেট৷ লোভে পড়ে আমি একদিন হস্টেলের রান্নাঘর থেকে মিষ্টি চুরি করেছিলাম৷ সেই রাতেই ব্যাপারটা জানাজানি হয়ে যায়৷ আমি ভয়ে মিষ্টির ডিবেটা ওর ব্যাগে রেখে দিই৷ অনেক মার জুটেছিল ওর কপালে৷ ও নিশ্চয়ই বুঝেওছিলো ব্যাপারটা৷ কিন্তু কখনও আমাকে চার্জ করেনি৷ আমি রোজই ভেবেছি, পরের দিন কনফেস করে সরি বলব৷ পারিনি! আর আজ দেখো দিনই ফুরিয়ে গেল৷ এই যে এসে গেছে এক্সাইড মোড়৷ ভালো থেকো,’ হাত নাড়লেন ভদ্রলোক৷
বাকিদের সঙ্গে মিশে সৈকত নেমে পড়ল ওর স্টপেজে আর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই চোখের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেল বাসটা৷ ভদ্রলোক সৈকতের চিন্তাধারা কতখানি পাল্টে দিলেন অথচ ওঁর নামটাই জানতে পারেনি ও৷ অপরিচিত ব্যক্তি অপরিচিতই রয়ে গেলেন, অথচ পরিচয় হয়ে গেল তাঁর জীবনদর্শনের সঙ্গে৷ পকেট হাতড়ে ফোনটা বের করে অনুশ্রীকে ফোন করল সৈকত, —‘হ্যালো! কোথায় তুই?’
—‘...’
—‘একটু ওয়েট কর৷ আমি এক ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছচ্ছি৷’
—‘...’
—‘না৷ এখনই দেখা করতে হবে৷’
—‘...’
—‘খুব ইম্পর্ট্যান্ট কথা আছে৷’
—‘...’
—‘না, ফোনে বা মেসেজে বলা যাবে না৷ ফেস টু ফেস কনভারসেশন দরকার৷’
—‘...’
—‘সর্ট করে নেব মিস-আন্ডারস্ট্যান্ডিংগুলো৷’
—‘...’
—‘এই বাস চলে এসেছে৷ রাখছি রে৷ একটু ওয়েট কর৷ টা টা,’ ফোনটা পকেটে ঢুকিয়ে বাসের দিকে দৌড়ল সৈকত৷ অনুশ্রী অপেক্ষা করে আছে ওর জন্য৷
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন