প্রবীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বিডন স্ট্রিট থেকে রামবাগান হেঁটে যাওয়ার পথে ব্যোমকেশকে বলিলাম, “এই কেসেও দেখি রামবাগানের একটা ভূমিকা আছে।”
ব্যোমকেশ শালটি ভালো করিয়া জড়াইতে জড়াইতে বলিল, “কাকতালীয় বলেই মনে হয়। বাঁটুল বলছিল বটে যুদ্ধের দরুণ অগুনতি ভদ্রঘরের মেয়েকে এই রামবাগানের পথে পা বাড়াতে হয়েছে, হয়তো সে কারণেই দেবদত্ত বা অমিয়র মতন পয়সাওলা বাড়ির ছেলেদেরও এদিকে আনাগোনা বেড়েছে।”
মনটি আর্দ্র হইয়া উঠিয়াছিল, ভাবিতেছিলাম কী গতিক বাংলার এই হতভাগিনীদের। ব্যোমকেশকে প্রশ্ন করিলাম, “যুদ্ধ শেষ হলে কি অবস্থা ভালো হবে বলে মনে হয়?”
আবছা অন্ধকারে ঠিক ঠাহর করিতে পারিলাম না, কিন্তু মনে হইল ব্যোমকেশের মুখেও একটা বেদনার ছাপ পড়িয়াছে। শুধু বলিল, “যুদ্ধ কবে শেষ হয় দেখো আগে। মজুতদাররা যেভাবে ফুলে ফেঁপে উঠছে, যুদ্ধের পরেও মনে হয় না বাংলার অনটন সহজে ঘুচবে।”
রামবাগানের মুখটিতেই একটি ছায়ামূর্তি দাঁড়াইয়াছিল। আমরা অগ্রসর হইলে সে চাপা গলায় হাঁক দিল, “কর্তা নাকি?”
“কে, বাঁটুল?”
বাঁটুলই বটে। মুখ থেকে চাদর সরাইয়া উত্তেজিত স্বরে বলিল, “আজ্ঞে, আমিই। জব্বর খবর আছে। টর্চ আছে আপনাদের কাছে? এই দেখুন।”
মনে হইল বাঁটুল ব্যোমকেশের হস্তে একটি চিরকুট ধরাইল। আমরা তিনজন রাস্তার একপ্রান্তে সরিয়া আসিলাম। খোলা নালার গন্ধে এক মুহূর্ত টেঁকা দায়, ঘিঞ্জি জায়গায় মশককুলও রীতিমতন আক্রমণ শানাইতেছে, কিন্তু চিরকুটে কী লেখা তা দেখিবার উত্তেজনায় সেসব সমস্যা গ্রাহ্য করিলাম না। ব্যোমকেশ সন্তর্পণে টর্চটি জ্বালাইয়াছিল, দেখিলাম মেয়েলি হাতে গোটা গোটা ছাঁদে লেখা, “বাবুকে বোলো খুনের খবর আমার কাছে আছে।”
ব্যোমকেশ মুখ তুলিয়া জিজ্ঞাসা করিল, “এ চিরকুট তোমায় কে দিয়েছে?”
“যে দিয়েছে তার কাছেই আপনারা যাবেন এখন,” বলিতে বলিতে বাঁটুল মুখ দিয়া একটি তীক্ষ্ণ শিস বাহির করিল। কয়েক মিনিটের মধ্যে বাঁটুলের যে চ্যালাটি উদয় হইল, অন্ধকারে তার মুখ স্পষ্ট দেখিতে না পাইলেও উচ্চতা দেখিয়া বুঝিলাম বছর সাত-আটের বেশি তার বয়স নয়।
“যাঃ, বাবুদের জলদি সেই বাড়িতে নিয়ে যা।”
আমি তড়িঘড়ি প্রশ্ন করিলাম, “আর তুমি?”
অন্ধকারে মনে হইল হাসির আওয়াজ হইল, “আমিও আসছি বাবু, আপনাদের পেছনেই।”
রামবাগানের বস্তির গোলকধাঁধার মধ্য দিয়ে চক্কর কাটিতে কাটিতে একটি দ্বিতল বাড়ির সম্মুখে উপস্থিত হইলাম। বাড়িটি দ্বিতল হইলেও অন্ধকারেও বোঝা যাইতেছে প্রায় পোড়ো দশা। গলিঘুপচির মধ্যে এর আগে প্রায় নিভু নিভু কুপির আলো দেখা যাইতেছিল, চাপা স্বরে দরাদরিও কানে আসিতেছিল, কিন্তু বস্তির এই শেষ প্রান্তের নিস্তব্ধতা প্রায় অপ্রাকৃতিক। বাড়ির সম্মুখের দরজাটি খোলাই ছিল, ছেলেটি ইশারায় আমাদের ঢুকিতে বলিয়া চলিয়া গেল। এতক্ষণ পেছন পেছন বাঁটুলের পায়ের শব্দ পাইতেছিলাম, সে শব্দটিও বিলীন হইয়াছে।
বাড়িটিতে প্রবেশ করিয়া স্তব্ধ হইয়া দাঁড়াইয়া পড়িলাম দুজনে। অন্ধকারের প্রচণ্ডতা মনে হইল ব্যোমকেশকেও কিয়ৎক্ষণের জন্য বিহ্বল করিয়া তুলিয়াছিল। মিনিট কয়েক পরে চোখ ধাতস্থ হইয়া আসিলে বুঝিলাম সামনেই একটি সিঁড়ি, সে সিঁড়ি বাঁকিয়া আমাদের মাথার ওপর দিয়েই দ্বিতলে উঠিয়া গিয়াছে। আমি অগ্রসর হইতে যাচ্ছিলাম, ব্যোমকেশ আমার হাত ধরিয়া নিবৃত্ত করিল। তারপর কণ্ঠস্বরটি উচ্চগ্রামে তুলিয়া জিজ্ঞাসা করিল, “কেউ আছেন?”
কোনও উত্তর আসিল না।
ঘড়ির রেডিয়াম ডায়ালটি তুলিয়া দেখিলাম সাতটা বাজিয়া গিয়াছে। ব্যোমকেশকে জিজ্ঞাসা করিলাম, “বাঁটুল সরে পড়ল কেন বলো তো? ওই লোকটিকে আমি আদৌ বিশ্বাস করি না।”
সিঁড়ির নীচের ঘনীভূত অন্ধকারে ব্যোমকেশকে দেখিতে পাইলাম না, শুধু তার হাসির শব্দ ভাসিয়া আসিল। “বাঁটুল সরে পড়ায় তোমার তো খুশি হওয়াই উচিত ছিল অজিত, কিন্তু তা তো হল না। মনে হচ্ছে রামবাগানের এই পোড়োবাড়ির একতলায় তার সান্নিধ্য পেলে আরেকটু নিশ্চিন্ত থাকতে পারতে, নয় কি?”
আমি ক্ষীণ প্রতিবাদ করিতে যাচ্ছিলাম, এমন সময়ে সিঁড়ির উপর থেকে রিনিঠিনি আওয়াজ আসিল। মুহূর্তখানেকের মধ্যে আমাদের চোখের সামনে একটি কালিধরা লন্ঠন দেখা দিল, সিঁড়ির একধাপ উপর হইতে নরম স্বরে প্রশ্ন আসিল, “ব্যোমকেশবাবু?”

ব্যোমকেশ নিজ পরিচয় স্বীকার করিতে প্রশ্নকারিনী লন্ঠনটি সামান্য নত করিল। লন্ঠনের সামান্য আলোতেই তার মুখটি ঘরের ছায়ান্ধকারকে উদ্ভাসিত করিয়া উঠিল। কাজলপরা চোখটি আমাদের দিকেই তাকিয়ে। সে চোখে না দেখিলাম ছলনা, না পাইলাম চটক। নিলাজ চোখে শুধু ধরা পড়েছে প্রচ্ছন্ন আশঙ্কা। রামবাগানের মলিন পরিবেশে এমন অকপট সৌন্দর্য দেখিতে পাওয়ার সম্ভাবনা ব্যোমকেশের মনেও ছিল না, তরুণীকে প্রতিপ্রশ্ন করিতে তারও দেখিলাম কিছু সময় লাগিল।
“আপনিই চিরকুটটি পাঠিয়েছিলেন?”
তরুণী বলিল, “হ্যাঁ পাঠিয়েছি। আপনারা উপরে উঠে আসুন, তারপর বিশদে বলছি।”
অতি পুরানো বাড়ি, সঙ্কীর্ণ বারান্দাটি দেখলেই বোঝা যায়। তরুণীর লন্ঠনের আলোয় দেখিলাম সারি সারি দরজা, প্রতিটিতেই বাইরে থেকে তালা ঝুলিতেছে। বারান্দার শেষে একটি বড় ঘর, একমাত্র সেটিই উন্মুক্ত রহিয়াছে। সেখানে ঢুকিবা মাত্র একটি ভ্যাপসা গন্ধ নাকে আসিয়া প্রবেশ করিল, শীতকাল হইলেও ঘরটি যেন অতিমাত্রায় স্যাঁতসেঁতে। খান দুই চেয়ার রহিয়াছে, মেঝেতে একটি মাদুর পাতা। তরুণী মেঝের উপরে লন্ঠনটি রাখিয়া বলিল, “ক্ষমা করবেন এরকম ঘরে নিয়ে আসার জন্য। আমাদের আর কী-ই বা সামর্থ্য বলুন, শুনি বাড়িওলাও বোমার ভয়ে শহর ছেড়েছেন বেশ কিছু মাস হয়ে গেল। তাঁর চাকর এসে ভাড়াটুকু নিয়ে যায় শুধু।”
ব্যোমকেশ আর আমাকে চেয়ার দুটি আগাইয়া দিয়া তরুণীটি মাদুরের ওপর বসিল। আপত্তি করিয়াও কোনও ফল হইল না। ব্যোমকেশ ঘরের চারিপাশে চোখ বোলাইয়া বলিল, “এ ঘরে নিশ্চয় আপনি থাকেন না।”
তরুণী মাথা নাড়িল, “না, আমার ঘর বারান্দার ও প্রান্তে, আরও একটি মেয়ের সঙ্গে থাকতে হয়। তবে সেখানে আপনাদের নিয়ে যাওয়া যায় না। তাছাড়া এ মুহূর্তে সে ঘরে...” বাক্যটি না শেষ করিয়াই চুপ করিয়া গেল।
পুরো পরিবেশটি এত অচেনা যে কথা ঘোরাইবার জন্য প্রায় মরিয়া হয়ে উঠিলাম। বলিলাম, “আপনার নামটা?”
সামান্য নীরবতা, তারপর সংক্ষিপ্ত জবাব আসিল, “কুহু।”
কুহু ব্যোমকেশের দিকে চক্ষু ফিরাইয়া বলিল “ব্যোমকেশবাবু, আমি বড় বিপন্ন। আপনি সাহায্য না করলে হয়তো প্রাণেও বাঁচব না।”
ব্যোমকেশ একদৃষ্টিতে কুহুর দিকেই তাকাইয়া ছিল, এবার বলিল, “আপনি সব কথা খুলে বলুন। আমি যথাসাধ্য করব।”
কুহু একটু ইতস্তত করিয়া বলিল, “আমার ধারণা রামবাগানের খুনগুলো কে করেছে তা আমি জানি।”
ব্যোমকেশ একটু নড়িয়া বসিল, “কী জানেন আপনি?”
কুহু হঠাৎ ভাঙ্গিয়া পড়িল, মুখে হাত চাপা দিয়া কাঁদিতে কাঁদিতে বলিল, “আমারই দোষ। শুরুতেই যদি সব কথা বলতাম তাহলে হয়তো আরেকটি প্রাণ বাঁচানো যেত।”
ক্ষণিক পর একটু ধাতস্থ হইল, দেখিলাম তার দুটি চোখ থেকেই জলের ধারা নামিয়া এসেছে। বলিল, “এক সপ্তাহ আগে এরকমই এক রাত্রে আমি রমলার ঘরে ছিলাম, সে ছিল আমার সই। এ বাড়ি থেকে দু পা হাঁটলেই তার বাড়ি। তার আগের রাত থেকে ধুম জ্বর এসেছিল আমার, তাই ঠিক করি সে রাতটা রমলার কাছেই থাকব। যদি কিছু অনর্থ ঘটে, তাহলে অন্তত সেবাযত্ন করার একটা মানুষও থাকবে। সেই রাত্রেই মানুষটা আসে, রমলাকে নিয়ে যেতে চায়।
“রমলা প্রথমে রাজি ছিল না, পরে ফিরে এসে বলল, ‘প্রচুর টাকা দিচ্ছে, তায় গাড়ি করে নিয়ে যাবে, নিয়ে আসবে। তুই শুয়ে থাক, আমি ঘণ্টা তিনেকের মধ্যে ফিরে আসব।’
“সারা রাত কেটে গেল ব্যোমকেশবাবু, রমলা ফিরল না। আমিও জ্বরের ঘোরে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সকালে উঠে নিজের বাড়ি চলে আসি, আর সেদিন রাতেই খবরটা পাই।”
ব্যোমকেশ বলিল, “পরের খুনটার খবরও তো পেয়েছিলেন মনে হয়। তার পরেও বলে উঠতে পারেননি?”
কুহু মাথা নামিয়া বলিল, “ভয়, ব্যোমকেশবাবু। বড় ভয় পেয়েছিলাম। পুলিশকেও বিশ্বাস নেই, কোথা থেকে কী খবর ফাঁস হয়ে যায়।”
“তাহলে আজ হঠাৎ সব কথা বলতে মনস্থির করলেন কেন?”
কুহু সন্ত্রস্ত চোখে বলিল, “সে রাতে আমি জানলা দিয়ে গাড়ি দেখতে পেয়েছিলাম ব্যোমকেশবাবু। আজ সকালে আমি সেই কালো গাড়ি আবার দেখতে পেয়েছি।”
ব্যোমকেশ সচকিত হইয়া বলিল, “কিন্তু কালো গাড়ি তো কতই আছে, এ যে সেই গাড়ি তা বুঝলেন কী করে?”
কুহু বলিল, “গাড়ির রঙ দেখে নয়। আমি ইংরেজি নম্বর পড়তে জানি, সে গাড়ির নম্বর পুরো দেখতে পারিনি। কিন্তু শেষ দুটো সংখ্যা মনে ছিল — ছয় আর নয়। ছয়কে উলটে দিলেই নয় হয়ে যায়, তাই জন্য আরও মনে ছিল।”
প্রায়ান্ধকার ঘরেও মনে হইল ব্যোমকেশের মুখটি উত্তেজনায় জ্বলজ্বল করিতেছে। বলিল, “বাহবা! কিন্তু সে গাড়ি দেখলেন কোথায়?”
আতঙ্কে কুহুর মুখ কালিবর্ণ ধারণ করিল, “আজকে সে গাড়ির মালিকের থেকেই অগ্রিম নিয়েছি যে। গাড়ি যেই ঘুরল অমনি সেই ছয় আর নয়কে পাশাপাশি দেখতে পেলাম।”
ব্যোমকেশ স্তব্ধ হইয়া বসিয়া রহিল কিছুক্ষণ, তারপর মুখ তুলিয়া বলিল, “আপনাকে কখন যেতে হবে?”
কুহু মুখ নত করিল, “রামবাগানে ঢোকার মুখে যে বড়রাস্তা সেখানে আগামীকাল রাত আটটায় আমার দাঁড়ানোর কথা।” ব্যোমকেশের দিকে তার কাতর চোখ দুটি তুলে বলল, “আপনি থাকবেন তো? আপনি না থাকলে এ যাত্রায় আমাকে কেউ প্রাণে বাঁচাতে পারবে না।”
ব্যোমকেশকে চিন্তামগ্ন দেখিলাম। মিনিটখানেক পর ধীর স্বরে বলিল, “তাই হবে কুহু দেবী। আমরা থাকব রাস্তার উলটোদিকেই, কোনও ভয় নেই আপনার। তিন সপ্তাহ আগে ব্ল্যাক আউট শুরু হয়নি, কিন্তু এখন ব্ল্যাক আউট জারি থাকবে, সুতরাং রাত্রিবেলা গাড়ি আসার সম্ভাবনা নেই। খুনীকে পায়ে হেঁটেই আসতে হবে। আপনি তো সে লোককে দেখেছেন বললেন?”
কুহু দুপাশে মাথা নাড়িল।
“দেখেননি?”
“আমার ধারণা, যে টাকা দিয়েছে সে গাড়ির মালিক নয়। চাকরস্থানীয় দেখতে, যে টাকা পাঠিয়েছে তাকে বাবু বলে ডাকছিল।”
কুহু আমাদের সদর দরজা অবধি আগাইয়া দিতে আসিয়াছিল, ব্যোমকেশ বাহির হইবার পূর্বে আরও একবার অভয়প্রদান করিতে সে আর নিজেকে সামলাইতে পারিল না। ঝরঝর করিয়া কাঁদিয়া ফেলিল। ব্যোমকেশের হস্তদ্বয় স্পর্শ করিয়া বলিল, “এ দুখিনীকে আপনি নতুন জীবন দিলেন, আমি চিরকৃতজ্ঞ রইলাম।”
ঘটনার নাটকীয়তায় আমরা দুজনেই অল্পক্ষণের জন্য বাকরহিত হইলাম। কুহুও তাড়াতাড়ি সামলাইয়া লইয়া বলিল, “মাফ করবেন, আমি আসি এখন।”
বাহির হইয়া ব্যোমকেশকে বলিলাম, “গাড়ির চালকও তাহলে এই খুনের সঙ্গে জড়িত? সেই বিকৃতকাম পশুটির সাগরেদ?”
ব্যোমকেশ মাথা নাড়িল, “খুবই সম্ভব। অর্থের লোভ বা প্রাণের ভয়, সেও হয়তো কিছু বলে উঠতে পারছে না।” বলিতে বলিতে ব্যোমকেশ পিছনে ঘুরিয়া কী যেন দেখিল। কুয়াশাও পড়িয়াছে আজ, দুহাত দূরের জিনিসও ভালো ঠাহর হয় না, তাও মনে হল সে পিছনের পোড়ো বাড়িটিকেই দেখার চেষ্টা করিতেছে।
ব্যোমকেশকে পুনরায় চিন্তামগ্ন দেখিয়া বলিলাম, “কী ভাবছ?”
“বাড়িওলার কথা।”
বাড়িওলা আবার কী করিল? ব্যোমকেশকে জিজ্ঞাসা করিতে যাব এমন সময় আমাদের ঠিক পাশটি থেকে কে যেন বলিয়া উঠিল, “কর্তা এসে গেছেন?”
বাঁটুল।
ব্যোমকেশ জিজ্ঞাসা করিল “তুমি ছিলে কোথায়? আমি তো ভাবলাম তুমি বাড়ি চলে গেছ।”
বাঁটুলের খলখলে হাসি ভাসিয়া আসিল, “যাব আর কোন চুলোয়, আপনাদের এখান থেকে বার না করেই বা যাই কই? এ চত্বরেই ঘোরাফেরা করছিলাম।”
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন