প্রবীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সপ্তাহখানেক পরের কথা, কলিকাতা শহরে এখনও জাপানী বোমাবর্ষণ ছাড়া আর কোনও কথা নাই। কিন্তু আশঙ্কাটি বাস্তবায়িত হওয়ার জন্যই হোক বা ক্ষয়ক্ষতি সেরকম না হওয়ার জন্যই হোক, মানুষজন শহরে ফিরিয়া আসিতে শুরু করিয়াছেন। হ্যারিসন রোডও ধীরে ধীরে তার প্রাণচঞ্চলতা ফিরিয়া পাইতেছে।
ব্যোমকেশ প্রভাতী সংবাদপত্রটি টেবলের উপর ছুঁড়িয়া দিয়া বলিল, “কাগজওলারা এখন সুবিমল সান্যালের চোদ্দোগুষ্টিকে খুঁজে বেড়াচ্ছে।”
বলিলাম, “তারা যে তোমার চোদ্দোগুষ্টিকে খুঁজে বেড়াচ্ছে না এই ঢের।”
কথাটির মধ্যে কিছু সারবত্তা আছে, অমিয় এবং সুবিমল দুজনেই মারা গেলেও কমিশনার সাহেব ব্যোমকেশের প্রভূত প্রশংসা করিয়া সাংবাদিকদের জানাইয়াছিলেন ব্যোমকেশের সাহায্য ব্যতীত রামবাগানের রহস্য সমাধান সম্ভব হইত না। ফলে বীরেনবাবুর প্রভূত জ্বলন ঘটিয়াছিল, কাগজেও পর পর দুই-তিনদিন ব্যোমকেশের নাম উঠিয়াছিল।
হঠাৎ মনে পড়িল সেই হাতের লেখার রহস্য নিয়ে ব্যোমকেশ আর আলোকপাত করেনি। জিজ্ঞাসা করিলাম, “অমিয় সান্যাল যে কুহুর সঙ্গে পরিচিত হয় দেবদত্তর সূত্রেই সে নিয়ে তো সন্দেহ নেই। এই ছদ্ম-অপহরণের প্ল্যানটিও কি তাহলে কুহুরই?”
ব্যোমকেশ একটি চায়ের কাপটি নামাইয়া বলিল, “কুহু যে কে, কী তার আসল উদ্দেশ্য ছিল সে তো জানার উপায় নেই। সুবিমলের ওই বাড়িটি ড্রাগ চোরাচালানের কাজেই ব্যবহৃত হত, ওখানে থাকার ব্যবস্থা শুরুতে ছিল না। আমি জেনেছি ও বাড়িতে কুহু উঠে এসেছিল অতি সম্প্রতি। মনে হয় অমিয়র ছদ্ম-অপহরণের প্ল্যানটি বানানোর পর, যাতে অমিয়রও লোকচক্ষুর আড়ালে লুকিয়ে থাকতে সুবিধে হয়। এবং তুমি শুনলে বিস্মিত হবে, এ কাজে কুহুকে সাহায্য করেছিল বাঁটুল।”
আমি বিস্মিত হইয়া বলিলাম, “বলো কী? বাঁটুল?”
ব্যোমকেশ হাসিল, “আমাদের বাঁটুলও যে পঞ্চশরে কাবু হতে পারে এবারে সেই প্রমাণটুকুই হাতেনাতে পেলুম। ও বাড়িতে অসংখ্য ঘর সে কথা বাঁটুল জানত, সুবিমলের চাকরকে সে হাত করেছিল কুহুর জন্য একটি ঘর ছেড়ে দিতে। সুবিমল জানতেন না, চাকরটির উপরি পাওনা হত। এভাবেই সে আরও কয়েকটি ঘর ভাড়া দেয় ওই বাড়িতে, অমিয় এরকমই একটি ঘরে খদ্দের সেজে লুকিয়ে থাকত।”
“তোমার কি মনে হয় সুবিমল কুহুকে চিনতেন?”
ব্যোমকেশ মাথা নাড়িল, “তা তো জানি না। তবে মনে হয় না কলকাতায় সুবিমলের সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ ঘটেছিল, যদিও সুবিমল এবং শ্যামা-কুন্তীদের ওপর প্রতিহিংসা নিতেই তার কলকাতা আসা। সে আটঘাট বেঁধেই নেমেছিল, আমার ধারণা অমিয়কে প্রলুব্ধ করে কুহু-ই।”
“শুধু কুহুর কথাতেই তাহলে অমিয় খুনগুলো করে?”
ব্যোমকেশ চিন্তামগ্ন স্বরে বলিল, “শুধু কথা তো নয়, কুহু যেরকম প্ল্যান করে এসেছিল, তার কাছে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ থাকারই কথা। সেসব দেখে এবং মা-র খুন হওয়ার কথা জানতে পেরে অমিয় যেনতেনপ্রকারেণ প্রতিহিংসা নিতে চেয়েছিল।”
বলিলাম, “চিঠিগুলি কার লেখা? কুহুর?”
“উঁহু, কুহুর হাতের লেখা তো তুমি চেনো। তিনটি চিঠিই লিখেছিল অমিয়। সুবিমল সান্যাল আমাকে প্রথম যে চিঠিটি দিয়েছিলেন, সেটায় একটা অদ্ভুত জিনিস দেখতে পেয়েছিলাম — ও-কারের ওপর মাত্রা দেওয়া। সেই এক জিনিস দেখতে পাই দেবদত্তর পকেট থেকে পাওয়া চিঠিতে। প্রথম চিঠিটি বেঁকাচোরাভাবে লেখা হয়েছিল, কারণ বাবার কাছে নিজের হাতের লেখা লুকনোর জন্য অমিয় বাঁ হাতে লিখেছিল সে চিঠি। কিন্তু দেবদত্তর চিঠিতে ওই মাত্রাওলা ও-কার দেখেই চমকে উঠেছিলাম। বুঝেছিলাম অমিয় নিজেই যখন চিঠি লিখেছে দেবদত্তকে, তখন সে স্বেচ্ছায় লুকিয়ে রয়েছে কোনওখানে। নিজের অপহরণকাণ্ড নিজেই কেন সাজিয়েছে, সে ব্যাপারটা প্রথমে ধরতে পারিনি। আমি টাকাপয়সার সূত্রে ভাবছিলাম, ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরিতে বেলাডোনা বিষের কথাটা জানার পর থেকেই বুঝতে পারি টাকাপয়সা নয়, প্রতিহিংসাই এখানে মোটিভ। দেবদত্তর খুনটা অবশ্য অন্য কারণে, বীরেনবাবু ওই একটি ব্যাপারে নিজের অজান্তেই ঠিক বলে ফেলেছিলেন — কুহুর সঙ্গে অমিয়র আলাপ দেবদত্তই করিয়েছিল, সুতরাং তাকে পৃথিবী থেকে সরাতেই হত।”
আমি কিন্তু-কিন্তু করিয়া বলিলাম, “তাহলে সেদিন যে বড় বললে মুক্তিপণের দাবি জানিয়ে দ্বিতীয় যে চিঠিটি এসেছিল তার হস্তাক্ষরের সঙ্গে প্রথম চিঠির হস্তাক্ষরের কোনও মিল নেই?”
ব্যোমকেশ মৃদু মৃদু হাসিতে লাগিল, “নেই-ই তো।”
“তার মানে?”
“তার মানে এই যে আমাদের আসল চিঠিটি সুবিমলবাবু দেখান নি। যেটি দেখিয়েছিলেন সেটি জাল, ওনার নিজের হাতে লেখা। বীরেনবাবু কয়েকদিন আগে আসল চিঠিটি সুবিমলের দেরাজ থেকে উদ্ধার করেছেন। সে চিঠিতে লেখা ছিল নিজের কৃত পাপের পরিণাম চোকানোর জন্য তিরিশ হাজার টাকা নিয়ে দেখা করবে। স্বাভাবিকভাবেই সুবিমল সে চিঠি আমাকে দেখাতে ভরসা পন নি, কারণ কোন পাপের কথা বলা হচ্ছে সে নিয়ে প্রশ্ন উঠত।”
“কিন্তু আরও একটা কথা ব্যোমকেশ। সুবিমলের তো টাকা নিয়ে আরও একদিন পরে যাওয়ার কথা ছিল, নয় কি?”
ব্যোমকেশ বলিল, “সে নেহাত ধোঁকা। কুহুকে যে মুহূর্তে আমি কথা দিলাম তাকে রক্ষা করার জন্য রাস্তার মোড়ে দাঁড়াব, তখনই অমিয় নতুন একটি চিঠি তৈরি করে সুবিমলকে সেদিনকেই বস্তির ওই নির্জন প্রান্তটিতে ডেকে পাঠাল। সুবিমল নিজের প্রাণহানির আশঙ্কা বোধ হয় করেছিলেন, কিন্তু তিনি ছেলেকে সত্যিই ভালোবাসতেন। ছেলেকে ছাড়ানোর জন্য যে বিপদই আসুক না কেন, তার সম্মুখীন হতে চেয়েছিলেন। এমনই নিয়তি যে জানতেও পারলেন না, সেই ছেলেই তাঁকে খুন করার জন্য ডেকে পাঠিয়েছে।”
মনে পড়িল বাড়ি থেকে বেরনোর সময় সুবিমল ‘অজিতবাবু’ বলিয়া ডাকিয়া উঠিয়াছিলেন। সে কথা বলাতে ব্যোমকেশ বলিল, “শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বোধ হয় দোলাচলে ভুগছিলেন। চিঠিতেও তৃতীয় কোনও ব্যক্তিকে জানাতে বারণ করা হয়েছিল, বলা হয়েছিল নাহলে ছেলের মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী।”
“কিন্তু তোমার সন্দেহ হল কী করে?”
“ওই যে তুমি বললে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার নিজে বাড়িতে টাকা নিয়ে এসেছিল। সুবিমল সেদিন দুপুর-বিকাল নাগাদ ব্যাঙ্কে গিয়ে পরের দিনের জন্য টাকা তুলে আনবেন ঠিক করেছিলেন। কিন্তু সকালে চিঠি পেয়ে দেখলেন সেদিনকেই টাকা নিয়ে যেতে হবে, সম্ভবত প্যানিক করে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকেই টাকা যোগাড় করে চলে আসতে বলেছিলেন।
“আমার অবশ্য নিছক সন্দেহই হয়েছিল, তাই পুঁটিরামকে বলেছিলাম বাঁটুলকে নিয়ে সুবিমলের বাড়ির সামনে পাহারা দিতে। সুবিমল না বেরোলে তো কোনও সমস্যাই নেই। বেরোলে যেন বাঁটুল তাকে ফলো করে, আর পুঁটিরাম এসে রামবাগানের গলির মোড়ে আমাকে খবর দেয়। আমরা গায়েব হলে কুহুর সন্দেহ হতে পারে এই ভেবে ওকে আরও একটা কাজ দিয়েছিলাম, কোনও একটি বন্ধুকে দিয়ে কুহুকে কিছুক্ষণের জন্য ব্যস্ত রাখতে।”
হাসিয়া বলিলাম, “পুঁটিরাম তো দেখছি এ যাত্রা আমার থেকেও বেশি সার্ভিস দিয়েছে তোমায়।”
ব্যোমকেশ একটি কটাক্ষ হানিয়া বলিল, “তাই তো দেখছি। ভাবছি পরের অভিযানগুলো থেকে তোমাকে শুধু লেখালেখির দায়িত্বটুকুই দেব। এই যে পুঁটিরাম, তোমাকে নিয়েই কথা হচ্ছিল।”
পুঁটিরাম একগাল হাসিল, বলিল, “চিঠি দিতে এলাম বাবু।”
“চিঠি, এল কখন?”
“এক্ষুনি এল বাবু।”
ব্যোমকেশ অবাক হইয়া বলিল, “এই সাতসকালেই পিওন চিঠি দিতে শুরু করেছে?”
“আজ্ঞে পিওন না বাবু, একটি অল্পবয়স্ক ছেলে এসে দিয়ে গেল।”
আমি উৎসাহভরে বললাম, “খোলো খোলো, কাগজওলাদের দৌলতে তোমার তো এখন পোয়া বারো। মনে হচ্ছে নতুন মক্কেল।”
ব্যোমকেশ খামটি ছিঁড়তে বেরিয়ে এল একটি চিঠি এবং একটি আংটি। চিঠিতে এক ঝলক চোখ বুলিয়েই উত্তেজনায় ধড়মড় করিয়া উঠিয়া বসিল। তারপর শশব্যস্ত হইয়া ডাকিল, “পুঁটিরাম, পুঁটিরাম।”
পুঁটিরাম দৌড়াইয়া আসিতে ব্যোমকেশ জিজ্ঞাসা করিল, “একটি অল্পবয়স্ক ছেলে দিয়েছে বললে এ চিঠি?”
পুঁটিরাম ঘাড় চুলকাইয়া বলিল, “আজ্ঞা হাঁ, প্যান্ট শার্ট পরা ছেলে। তবে মুখটা বড় কচি দেখতে।”
ব্যোমকেশ অস্ফুটে বলিয়া উঠিল, “কুহু।”
আমি হতভম্ব হইয়া বলিলাম, “কুহু?”
ব্যোমকেশ হাতের চিঠিটি আমার দিকে আগাইয়া দিল।
দেখিলার কুহুর হস্তাক্ষরই বটে।
ব্যোমকেশবাবু,
সুবিমল সান্যালকে সপরিবারে নাশ করিব, এই পণ করিয়া আসিয়াছিলাম। সে সপরিবারেই গত হল বটে, কিন্তু আমার কোনও ইচ্ছাই পূর্ণ হইল না। না পারিলাম সুবিমলকে মারিতে, না পারিলাম অমিয়কে রাখিতে। অমিয়কে দেবদত্তর সঙ্গে রামবাগানে আসিতে দেখিয়া ধরিয়া লইয়াছিলাম, সে তার বাবার মতনই নরপিশাচ। আমার সে ধারণা ভাঙ্গিতে বেশি সময় লাগেনি। প্রথম দিন থেকেই তাকে ভালোবাসিয়া ফেলিয়াছিলাম, আমার আসল পরিচয় যখন সে জানিত না, তখনও একটি দিনের জন্যও সে আমায় অসম্মান করে নাই। সে সততই একাকী ছিল, মার মৃত্যু তাকে মানসিকভাবে নিঃশেষ করিয়াছিল। তার মার মৃত্যুর প্রতিশোধ আমরা একসাথে নেওয়ার শপথ লইয়াছিলাম, তার কারণও ছিল। অমিয়র মার জন্যই সুবিমল সান্যাল আমাকে বিষাক্ত ইঞ্জেকশন প্রয়োগে মারিতে পারেন নাই। তাঁর সাহায্যেই আমি পলাইতে সক্ষম হই, কিন্তু সুবিমলের হাতে তাঁর প্রাণ যায়। রেঙ্গুনের পাদ্রিদের দয়ায় লেখাপড়া শিখিতেছিলাম, হয়তো সুস্থ জীবনযাপন করিতে পারিতাম। কিন্তু প্রতিহিংসার আগুন সে ইচ্ছা গ্রাস করিল। তাই অমিয় নিজেও যখন প্রতিহিংসায় উন্মত্ত হইয়া খুন করিতে শুরু করিল, আমি তাহাকে বাধা দিই নাই। কুন্তী বা শ্যামার প্রতি আমার সামান্যতম সহানুভূতিটুকুও ছিল না, রেঙ্গুনের মেয়েরা আজও এদের নাম শুনিলে শিহরিয়া ওঠে। রমলা যথার্থই আমার সই ছিল, কিন্তু শ্যামাকে খুন করিবার সময় সে অমিয়কে দেখিয়া ফেলিয়াছিল। অমিয়র সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতার কথা সে জানিত না, বেচারি আমাকে এসেই তার গোপন কথাটি বলে। তাই আর কোনও উপায় রহিল না।
আমাকে সুবিমলের কাছে বেচিয়া শ্যামা একটি সোনার আংটি পাইয়াছিল। অমিয় তাই প্রবল আক্রোশে খুনের পর তার অনামিকাটি কাটিয়া লয়। সে অনামিকায় তখনও একটি আংটি ছিল, যা আমার কোনও কাজে লাগিবে না। আপনার জিম্মায় রাখিয়া গেলাম।
যতদিন না ফের দেখা হয় ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন। কিন্তু দেখা আর একটিবার হবেই, সে দিনের জন্য প্রস্তুত থাকিবেন। অমিয়কে আমার জীবন থেকে আপনিই কাড়িয়া লইয়াছেন, সে মূল্য না গুনিয়া লইয়া এ পৃথিবী ছাড়ি কী করে বলুন?
চিঠিটি পড়িয়া মিনিটখানেক বাক্যস্ফূর্তি হইল না। তারপর ব্যোমকেশকে বলিলাম, “কী বুঝলে? তোমার কি প্রাণহানির সম্ভাবনা দেখা দিল?”
ব্যোমকেশ আংটিটি ঘুরাইয়া ফিরাইয়া দেখিতেছিল। আমার দিকে তাকাইয়া বলিল, “কিছু কিছু নয় বাবা, কিছু কিছু নয়।”
আমাকে উত্তেজিত হইতে দেখিয়া এবার সে হাসিয়া ফেলিল। আমার হাত থেকে চিঠিটি লইয়া ভাঁজ করিতে করিতে বলিল, “বিচলিত হোয়ো না। কুহুর যদি ইচ্ছা হয়, তবে নিশ্চয় আমাদের আবার দেখা হবে। তবে আমার ধারণা খুব শীঘ্র তা হওয়ার নয়। রেঙ্গুন-কলকাতা মিলিয়ে সুবিমলের সাহায্যকারীর সংখ্যা খুব কম হবে না। কুহু আপাতত যাবে তাদের থেকে এক এক করে ভবনদী পারের কড়ি বুঝে নিতে। ও নিয়ে ভেবে মাথা খারাপ কোরো না, তুমি বরং কাগজটা আরেকবার বাড়াও।”
কুহুর কথাগুলি আমার মাথা থেকে বেরোচ্ছিল না, বিক্ষিপ্ত মনের কিছু বিনোদন আবশ্যিক। কাগজে চোখ বুলাইয়া বলিলাম, “সিনেমা দেখতে যাবে? নতুন সিনেমা এসেছে, বিষবৃক্ষ।”
ব্যোমকেশ একটি হাই তুলিয়া বলিল, “বেলাডোনাতেও মন ভরেনি দেখছি, আরও বিষ চাইছ। তা আছেন কে?”
“আছেন অনেকেই এবং নবাগতা সুনয়না দেবী।”
ব্যোমকেশ উঠিয়া দাঁড়াইল, “সুনয়না দেবীর সঙ্গে মোলাকাত পরে কখনও হবে। তার থেকে চলো, হাতিবাগান ঘুরে আসি। না ফাটা বোমার সন্ধানে সে চত্বরে নাকি মেলা বসে গেছে।”
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন