পাঁচ

শৈলেন ঘোষ

সন্ধ্যার চাঁদ উঠেছে। তারা ফুটেছে আকাশে। আকাশের নিচে ছোট্ট একটি কুঁড়ে ঘর। কুঁড়ের পাশ দিয়ে একটি নদী এঁকে-বেঁকে বয়ে যাচ্ছে। নদীর জলে চাঁদের আলো পড়েছে। ঢেউ নাচছে চাঁদের আলোয়। অরুণ বরুণ কিরণমালাকে নিয়ে সোনার পাখি এখানে এল। দাঁড়াল।

সোনার পাখি

অরুণ, বরুণ, কিরণমালা!

তিনজনে

কেন ভাই সোনার পাখি?

সোনার পাখি

ছোট্ট কুঁড়ে ঘরটা দেখিয়ে

ঐ যে দূরে ছোট্ট নদী দেখছ, নদীর ধারে ছোট্ট কুঁড়ে দেখছ—ঐখানে তোমাদের মা আছেন।

কিরণমালা

চোখ দুটি খুশিতে চকচক করে উঠল, ব্যস্ত হয়ে এগিয়ে গেল।

মা? আমাদের মা? সত্যি বলছ পাখিভাই? তা হলে মাকে আনতে যাই!

সোনার পাখি

চট করে কিরণমালার পথ আগলে দাঁড়াল

না, না। এখন না। এখনও অনেক কাজ বাকি।

কিরণমালা

খুশিমাখা চোখ দুটি হঠাৎ যেন ফ্যাকাশে হয়ে গেল

আবার কী কাজ?

সোনার পাখি

আগে রাজার কাছে যেতে হবে। চল রাজবাড়ি যাই।

অরুণ

অবাক হয়ে গেল

রাজার কাছে?

বরুণ

রাজবাড়ি? আমাদের ঢুকতে দেবে কেন?

সোনার পাখি

আমার সঙ্গে যাবে। কে ঢুকতে দেবে না?

কিরণমালা

কেন যাব ভাই রাজার কাছে?

সোনার পাখি

সব কেন কী আগে বলা যায়?

তিনজনে

খুশিতে নেচে উঠল

তাই ভাল, সেই ভাল

এই ভাল ভাই,

চল ভাই, বেশ ভাই

রাজবাড়ি যাই।

পাখির সঙ্গে নাচতে নাচতে বেরিয়ে গেল।

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%