কাশিমবাজারের রাজপরিবার

লোকনাথ ঘোষ

কাশিমবাজারের রাজপরিবার

যে সকল সদগুণ মানবচরিত্রের অলঙ্কারস্বরূপ, সে সকলের মধ্যে আর্তের সেবা ও ভাগ্যহীনদের প্রতি সহানুভূতিই বোধ হয় সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তম। এর দ্বারা, বিচার বিবেচনা করে হলেও, সম্পদের প্রকৃত সদব্যবহার হয়। শিক্ষাবিস্তার, জাতির নৈতিক উন্নতি এবং আর্তের সেবার জন্য কাসিমবাজার রাজপরিবারের মহারাণী স্বর্ণময়ী যে বিপুল পরিমাণ দান নিয়মিতভাবে করে থাকেন, তার তুলনা বর্তমান বাংলায় কেন, ভারতেও বোধ হয় নেই। দান, সেবা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য তিনি বোধ হয় শুধুমাত্র নাটোরের রাণী ভবানী ও ইন্দোরের অহল্যাবাঈ-এর সঙ্গে তুলনীয়া।

বনেদী ও সম্ভ্রান্ত এই পরিবারটির ইতিহাস মোটামুটি সকলেরই জানা। বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসের অধীনে ও আনুকূল্যে বাবু (পরবর্তীকালে, দেওয়ান) কৃষ্ণকান্ত নন্দী, বা কান্ত বাবু বিত্ত ও মর্যাদার অধিকারী হন। কিন্তু জনগণ ও সরকারের কাছে এই বংশের যে মর্যাদা তার মূলে আছে সদগুণের অধিকারিণী মহারাণী স্বর্ণময়ীর ধর্মপ্রণতা ও জনহিতৈষণার জন্য দান। ওয়ারেন হেস্টিংস যখন কাশিমবাজারে কোম্পানির রেসিডেন্ট পদে নিযুক্ত ছিলেন, সেই সময় বাংলার তদানীন্তন নবাব নাজিম সিরাজউদ্দৌলা কোন কারণে রুষ্ট হয়ে হেস্টিংস সহ সেখানকার সকল ইংরেজকে বন্দী করবার নির্দেশ দেন। এই দুঃসময়ে হেস্টিংসকে আত্মগোপন করবার ও পালাবার ব্যবস্থা ও সুযোগ করে দেন এই কান্তবাবু। এই সাহায্য না পেলে হেস্টিংস হয়তো প্রাণে মারা পড়তেন। হেস্টিংস কখনও এই উপকারের কথা ভোলেন নি। ১৭৭২ এ বাংলার গভর্নর জেনারেল হয়ে তিনি কান্তবাবুকে দেওয়ান পদে নিয়োগ করেন। হেস্টিংয়ের সমগ্র শাসনকালে কান্তবাবু এই পদেই আসীন ছিলেন।

কান্তবাবুর রাজভক্তি এবং কোম্পানির উপকার হয় এমন বহু সৎকাজের স্বীকৃতিস্বরূপ হেস্টিংস তাঁকে গাজিপুর এবং আজমগড় জেলায় ‘দুহা বেহারা’ জাগীর দেন আর তাঁর পুত্র লোকনাথকে রাজা বাহাদুর খেতাব দান করেন।

১১৯৫ বঙ্গাব্দের (১৭৮৮ খ্রীস্টাব্দের) পৌষ মাসে কান্তবাবু পরলোকগমন করেন। তাঁর সমগ্র সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন রাজা লোকনাথ রায় বাহাদুর।

আঠারো বছর কাল অর্থাৎ ১৮০৪ পর্যন্ত রাজা লোকনাথ রায় বাহাদুর এই বংশের প্রধান ছিলেন; কিন্তু এর অর্ধেক সময় তিনি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় কাটান। তাঁর মৃত্যুকালে তাঁর পুত্র হরিনাথের বয়স ছিল মাত্র এক বছর।

কুমার হরিনাথ সবালকত্ব প্রাপ্ত হন ১৮২০ তে। ১৮৮৫এর ২৬ ফেব্রুয়ারি আর্ল অ্যামহার্সট একটি সনদ দ্বারা তাঁকে রাজা বাহাদুর পদবীতে ভূষিত করেন। স্বল্পায়ু রাজা হরিনাথের বহু বিশিষ্ট দানের মধ্যে রয়েছে কলকাতায় হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য ২০,০০০ টাকা দান এবং কাশিমবাজারে সংস্কৃত শিক্ষার প্রসারের জন্য উদারভাবে অর্থব্যয়। উল্লেখ্য যে, তাঁর সময়ে ওই অঞ্চল সংস্কৃত শিক্ষার বিশেষ প্রসার ঘটে। ১২৩৯ বঙ্গাব্দের (১৮৩২ খ্রিস্টাব্দে) অগ্রহায়ণ মাসে তাঁর মৃত্যু হয়, মৃত্যুকালে তিনি রেখে যান তাঁর একমাত্র পুত্র কিষেণনাথকে, তিনিই হন সমস্ত সম্পদের উত্তরাধিকারী।

১৮৪০ (১২৪৭ বঙ্গাব্দ)-এ কুমার কিষেণনাথ সাবালকত্ব লাভ করেন। ১৮৪১-এ লর্ড অক্ল্যান্ডের শাসনকালে তাঁকে রাজা বাহাদুর খেতাব দ্বারা ভূষিত করা হয়।

তিনি বিশ্বাস করতেন যে, শিক্ষা সুচারু ও সঠিকভাবে পরিচালিত হলে এর দ্বারাই দেশবাসীর নৈতিক ও অর্থনৈতিক মানের উন্নতি হবে এবং প্রাচীন ভারতের মতো নতুন ভারত আবার জ্ঞানের ক্ষেত্রে উন্নত স্থানের অধিকারী হতে পারবে; বয়সে তরুণ হলেও তিনি শিক্ষার একাগ্র ও উৎসাহী পৃষ্ঠপোষক হয়ে উঠেছিলেন। স্বয়ং যেমন তিনি শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিটি আন্দোলনে অগ্রণীর ভূমিকায় থাকতেন, তেমনি শিক্ষা প্রসারে যারা সক্রিয় অংশ নিতেন তাঁদেরও তিনি মর্যাদা দানে পিছিয়ে থাকতেন না। ডেভিড হেয়ারের মৃত্যুতে শিক্ষিত দেশবাসীর মনোভাব উপলব্ধি করে তিনি এই সমুন্নত মানবপ্রেমিক এবং ভারতীয় জনগণের মহান ও প্রকৃত বন্ধুর স্থায়ীভাবে স্মৃতিরক্ষার জন্য ব্যবস্থাগ্রহণের উদ্দেশ্যে কলকাতায় মেডিক্যাল কলেজের থিয়েটারে একটি সভা আহ্বান করেন। ডেভিড হেয়ারের একটি মূর্তিস্থাপনের প্রস্তাবে তিনি সানন্দ সমর্থন জানান এবং এজন্য সংগৃহীত অর্থের বৃহত্তম অংশ আসে তাঁরই প্রদত্ত চাঁদা থেকে। বয়সে তরুণ হওয়ায়, তাঁর জনহিতৈষণার কাজে যুক্তি অপেক্ষা ভাবপ্রবণতা থাকত অনেক অধিক; কিন্তু এ কথাও সত্য যে যাঁরা তাঁর কাজ করতেন বা তাঁর সৎ কাজে তাঁর সঙ্গে সহযোগিতা করতেন, সুচিন্তিত ভাবেই তিনি তাঁদের গুণের মূল্য দিতেন। বাংলার হিন্দু সমাজের সম্ভ্রান্ত ও সুপরিচিত ব্যক্তি রাজা দিগম্বর মিত্র, সি এস আই-কে তিনি এক লক্ষ টাকা উপহার দিয়েছিলেন।

(মহারাণী) স্বর্ণময়ীর স্বামী রাজা কিষেণনাথ রায়, বাহাদুর আত্মহননের পথ বেছে নেন। তিনি আত্মহত্যা করেন ১৮৪৪-এর ৩১ অক্টোবর। এই দুঃখজনক ঘটনার পর সরকার পরিবারটির সমগ্র সম্পত্তি অধিগ্রহণ করেন; ‘স্ত্রীধন’ ব্যতীত রাজা কিষেণনাথের পত্নী স্বর্ণময়ীর আর কোনো সম্পত্তি রইল না। স্বীয় সম্পত্তির সুপরিচালনা ও মিতব্যয়িতা দ্বারা অর্থ সঞ্চয় করে তিনি স্বামীর সম্পত্তিতে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্টে মোকদ্দমা করলেন। এই অবস্থাতেও বংশের মর্যাদা অনুযায়ী সংসারের ব্যয় নির্বাহ তাঁকে করতে হয়েছিল।

রাজা কাশীনাথের শেষ উইল অনুযায়ীই কোম্পানি উক্ত সম্পত্তি অধিকার করেছিলেন; কিন্তু সাক্ষ্যে প্রমাণিত হল যে, উইল সম্পাদনের সময় রাজা মানসিক দিক থেকে সুস্থ ছিলেন না; ফলে এই মামলায় মহারাণী জয়ী হলেন। সম্পত্তির পুনরুদ্ধার হলেও, কাশিমবাজার রাজ এস্টেটের অবস্থা তখন শোচনীয়; জমিদারীতে চলছে অরাজক অবস্থা; খাজনা আদায় নেই বললেই চলে; তার ওপর এস্টেটটি ঋণে ঋণে জর্জরিত। এই পরিস্থিতিতে স্বর্ণময়ী এস্টেটের পরিচালনার দায়িত্ব স্বহস্তে তুলে নিলেন; আন্তরিক ও নিঃস্বার্থ সহায়তা পেলেন দেওয়ান রাজীবলোচন রায় বাহাদুরের কাছ থেকে; জমিদারী-সংক্রান্ত সকল বিষয়ে রাজীবলোচন ছিলেন গভীর জ্ঞানের অধিকারী; চরিত্রও ছিল তাঁর নিষ্কলঙ্ক। দুজনের মিলিত প্রচেষ্টা ও পরিচালনায় জমিদারীটি তার পূর্ব গৌরবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হল। এই জমিদারীর রায়তগণই বোধ হয় সব থেকে বেশি সন্তুষ্ট ও সুখী; তৎসত্ত্বেও জমিদারী থেকে যে আয় হতে থাকল, তার দ্বারা উচ্চতম ব্রিটিশ অভিজাতদের সমপর্যায়ে পরিবারটির মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভবপর হল।

সকল অধ্যায়
১.
নবাব আমির আলি খান বাহাদুর
২.
পারশ্যের কলিকাতাস্থ কনসাল, মানকজী রুস্তমজী মহাশয়
৩.
পাথুরিয়াঘাটা ও চোরবাগানের মল্লিক পরিবার
৪.
কলুটোলার মতিলাল শীল ও তাঁর পরিবারবর্গ
৫.
শ্যামবাজারের দেওয়ান কৃষ্টরাম বসুর পরিবারবর্গ
৬.
রেভারেন্ড কৃষ্টমোহন ব্যানার্জী, এল এল ডি
৭.
জোড়াসাঁকোর রায় কৃষ্ণদাস পাল বাহাদুর, সি আই ই
৮.
বড়বাজারের দেওয়ান কাশীনাথের পরিবারবর্গ
৯.
সুকিয়াস স্ট্রিটের পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, সি আই ই
১০.
পাথুরিয়াঘাটার অনারেবল অনুকূলচন্দ্র মুখার্জী
১১.
হাটখোলার দত্ত পরিবার
১২.
ঠনঠনিয়ার দিগম্বর মিত্র, সি এস আই
১৩.
ঝামাপুকুরের বাবু দুর্গাচরণ লাহা এবং তাঁর দুই ভাই
১৪.
কুমারটুলির গোবিন্দরাম মিত্র ও তাঁর পরিবার
১৫.
জোড়াসাঁকোর বাবু হরচন্দ্র ঘোষ
১৬.
পাথুরিয়াঘাটার দেওয়ান রামলোচন ঘোষের পরিবারবর্গ
১৭.
টনটনিয়ার ঠেনঠনিয়া বাবু রামগোপাল ঘোষ
১৮.
সিমলার রামদুলাল দে-র পরিবারবর্গ
১৯.
বাগবাজারের মহারাজা রাজবল্লভের পরিবারবর্গ
২০.
জোড়াবাগানের দেওয়ান রাধামাধব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশ
২১.
জানবাজারের পিরিতরাম মাড়ের পরিবারবর্গ
২২.
বাগবাজারের নন্দলাল বসু ও পশুপতিনাথ বসু
২৩.
বড়বাজারের মল্লিক পরিবার
২৪.
সুকিয়াস স্ট্রিটের রাজা রামমোহন রায়ের পরিবারবর্গ
২৫.
রামবাগানের রসময় দত্তের পরিবারবর্গ
২৬.
জোড়াসাঁকোর দেওয়ান শান্তিরাম সিংহীর পরিবারবর্গ
২৭.
শোভাবাজারের রাজপরিবারবর্গ
২৮.
মহারাজা নবকৃষ্ণ দেব বাহাদুর
২৯.
বড় তরফ : রাজা গোপীমোহন দেব বাহাদুর
৩০.
রাজা স্যার রাধাকান্ত দেব বাহাদুর, কে সি এস আই
৩১.
রাজা রাজেন্দ্রনারায়ণ দেব, বাহাদুর
৩২.
রামকোমল সেন
৩৩.
হরিমোহন সেন
৩৪.
মুরলীধর সেন
৩৫.
হরিমোহন সেনের পুত্রগণ
৩৬.
নরেন্দ্রনাথ সেন
৩৭.
বিহারীলাল গুপ্ত
৩৮.
পিয়ারীমোহন সেন
৩৯.
কলুটোলার সেন পরিবার
৪০.
রাজা প্রসন্ননারায়ণ দেব বাহাদুর
৪১.
ছোট তরফ : রাজা রাজকৃষ্ণ দেব বাহাদুর
৪২.
রাজা কালীকৃষ্ণ দেব, বাহাদুর
৪৩.
কুমার অপূর্বকৃষ্ণ দেব, বাহাদুর
৪৪.
মহারাজা কমলকৃষ্ণ দেব, বাহাদুর
৪৫.
মহারাজা নরেন্দ্রকৃষ্ণ দেব বাহাদুর
৪৬.
রাজা হরেন্দ্রকৃষ্ণ দেব বাহাদুর
৪৭.
রাজা সীতানাথ বোস বাহাদুর
৪৮.
কুমারটুলি বনমালী সরকারের পরিবারবর্গ
৪৯.
নবীনচন্দ্র সেন
৫০.
কুমারটুলি বেণীমাধব মিত্রের পরিবারবর্গ
৫১.
মহারাজা রমানাথ ঠাকুর সি এস আই
৫২.
দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫৩.
দ্বারকানাথ ঠাকুর
৫৪.
অনারেবল প্রসন্নকুমার ঠাকুর সি এস আই
৫৫.
প্রমোদকুমারের বিবাহ উৎসব
৫৬.
রাজা শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর
৫৭.
দি অনারেবল মহারাজা যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর সি এস আই
৫৮.
কৃষ্ণবিহারী সেন
৫৯.
কেশবচন্দ্র সেন
৬০.
কলকাতার শেঠ ও বসাকগণ
৬১.
রাজা সুখময়ের পরিবারবর্গ (পাথুরিয়াঘাটা)
৬২.
ঠাকুর পরিবার
৬৩.
ডা: যদুনাথ মুখার্জি, কলিকাতা
৬৪.
ঈশানচন্দ্র ব্যানার্জি ও মহেশচন্দ্র ব্যানার্জি
৬৫.
(সিমলা) কাঁসারীপাড়ার হরচন্দ্র বসুর পরিবারবর্গ
৬৬.
বাগবাজারের গোকুলচন্দ্র মিত্রের পরিবারবর্গ
৬৭.
হোগলকুড়িয়ার গুহ পরিবার
৬৮.
আরপুলির ঘোষ পরিবার
৬৯.
বাগবাজারের দেওয়ান দূর্গাচরণ মুখার্জীর পরিবারবর্গ
৭০.
তালতলার ডা: দূর্গাচরণ ব্যানার্জি
৭১.
সিমলার বসু পরিবার
৭২.
মাননীয় দ্বারকানাথ মিত্র, ভবানীপুর
৭৩.
হরিশচন্দ্র মুখার্জি (সম্পাদক, হিন্দু পেট্রিয়ট)
৭৪.
পাইকপাড়া রাজ পরিবার
৭৫.
রাজা রাজেন্দ্রলাল মিত্র বাহাদুর এল এল ডি, সি আই ই (শুরাহ্ রাজপরিবার)
৭৬.
দি অনারেবল রমেশচন্দ্র মিত্র ও তাঁর পরিবারবর্গ
৭৭.
অনারেবল শম্ভুনাথ পন্ডিত (ভবানীপুর)
৭৮.
বাগবাজারের গুহ বা সরকার পরিবার
৭৯.
কাঁটাপুকুর, বাগবাজারের দেওয়ান হরি ঘোষের পরিবারবর্গ
৮০.
জোড়াসাঁকোর তারকনাথ প্রামাণিক
৮১.
শ্যামবাজারের তুলসীরাম ঘোষের পরিবারবর্গ
৮২.
কামারপুকুরের সেন পরিবার
৮৩.
রামচন্দ্র রায় (আন্দুলের রাজপরিবার)
৮৪.
বাবু ভূদেবচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
৮৫.
বাগবাজারের সোম পরিবার
৮৬.
আপার চিৎপুর রোডস্থ নতুনবাজারের সান্ডেল পরিবার
৮৭.
দরমাহাটার রসিকলাল ঘোষের পরিবারবর্গ
৮৮.
শোভাবাজারের নন্দরাম সেনের পরিবারবর্গ
৮৯.
বাগবাজারের নিধুরাম বসুর পরিবারবর্গ
৯০.
জোড়াসাঁকোর পাল পরিবার
৯১.
চোরবাগানের পিরারীচরণ সরকার ও তাঁর পরিবারবর্গ
৯২.
দর্জিপাড়ার রাধাকৃষ্ণ মিত্রের পরিবারবর্গ
৯৩.
(কলকাতার) রাজন্দ্রেনাথ মিত্রের পরিবারবর্গ
৯৪.
অধ্যাপক ক্ষেত্রমোহন গোস্বাসী
৯৫.
কাশিমবাজারের রাজপরিবার
৯৬.
মহারাণী স্বর্ণময়ী সি আই
৯৭.
রায় রাজীবলোচন রায় বাহাদুর
৯৮.
বাবু রামদাস সেন, মজিদার, বহরমপুর

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%