যুডাস

বরুণ চন্দ

আজ সকালে অফিসে আসা মাত্র বড় সাহেবের ঘরে অবিনাশ রায়ের তলব পড়ে৷ বড় সাহেব মানে ডিসি৷ ডেপুটিকমিশনার অফ পুলিশ৷ অবিনাশ রায় কলকাতা পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ ডিটেকটিভ অফিসার৷ এরা দুজনেই লাল বাজারে বসে৷

—অবিনাশ...৷ ঘরে ঢুকতেই বড়সাহেব একগাল হাসি হাসে৷

—তোমার লেখার হাতটা চিরকালই ভাল৷ আমার একটা রিপোর্ট যদি প্রিপেয়ার করে দাও৷ আসলে...আমিই লিখতাম... কিন্তু সকালেই নবান্নতে ডাক পড়েছে৷ বুঝতেই পার...

মিনিষ্টার ডাকলে না গিয়ে...যাক্‌গে৷ সেকথা যাক৷ পরের দশ মিনিট বড় সাহেব বলে যায় রিপোর্টের বগুব্য বিষয়টা কী৷

—ব্যাপারটা পরিষ্কার তো?

রায় সংক্ষিপ্তভাবে মাথা এড করে৷

—এনি কোয়েশ্চেনস?

—নো৷

একথা মানতেই হবে বড়সাহেবের মত এত সুন্দর করে গুছিয়ে প্রাঞ্জল করে কেউ ব্রিফ দিতে পারবে না৷

—ও হ্যাঁ...৷ রায় বলে যাচ্ছিল৷ ফিরে তাকায়৷

—আইডিয়াল হয় যদি রিপোর্টটা লাঞ্চের মধ্যে তৈরি হয়ে যায়৷ না হলে...বিকেলে পেলেও চলবে৷

রায় ঘরে ফিরে আসে৷ প্রদ্যোৎ স্যরের মুখ দেখে বোঝার চেষ্টা করে বড়সাহেবের সঙ্গে মিটিংটা ভাল হয়েছে, না খারাপ৷ প্রদ্যোৎ গত চার বছর অবিনাশ রায়ের অ্যাসিসটেন্ট হয়ে কাজ করেছে৷

—আজ সকালে নো ফোন কলস ফর মি৷ আমি ব্যস্ত৷ নাঃ! প্রদ্যোৎ ডিসাইড করে৷ মিটিংটা খারাপের দিকেই গেছে৷

সারাটা সকাল রায় একমনে কম্পিউটারে টাইপ করতে থাকে৷ রঞ্জন কিছু একটা বলতে ঘরে ঢুকেছিল৷ প্রদ্যোৎ ঠোঁটে আঙুল দিয়ে ওকে চুপ থাকতে বলে৷ বেচারা রঞ্জন কী আর করে, মুখ গোম্‌রা করে বলে যায়৷

ঘরে দেয়ালঘড়িতে তিনটে বাজে৷ রায় তখনও ক্ষিপ্তভাবে টাইপ করে যাচ্ছে৷ এমন সময় ল্যান্ড লাইনে একটা কল আসে৷ রায় প্রদ্যোৎকে ইশারা করে ফোনটা তুলতে৷

প্রদ্যোৎ চাপা গলায় টেলিফোনে কারও সঙ্গে কথা বলে৷

—স্যর...৷ টেলিফোনের মুখ হাত দিয়ে চেপে প্রদ্যোৎ আম্‌তা আম্‌তা করে৷ রায় কম্পিউটার থেকে চোখ তোলে৷

—স্যর...বলছে আপনার সঙ্গে কথা বলাটা অত্যন্ত জরুরি৷

অথচ নাম বলছে না৷

প্রদ্যোৎকে রায় টেলিফোনটা নামিয়ে রাখতে ইশারা করে৷ একটুক্ষণের টেলিফোনটা আবার বেজে ওঠে৷

—ওফ্‌ঃ! বলে রায় টান মেরে রিসিভারটা কানে তোলে৷

—কে বলছেন?

—কে বলছেন না... কে বলছিস্‌৷ আমি ‘পাকা’...

—পাকা মানে? বিরগু হয়ে রায় জিজ্ঞেস করে৷

—কলেজের দিনে ফিরে যা...পাকা বলে কাউকে মনে পড়ে?

—‘পাকা’? রায় মনে করার চেষ্টা করে৷

—‘পাকা তো নয় ডেঁপো’ বলে একজনের কথা মনে পড়ছে৷

—ইয়েস! আমি সেই ‘পাকা’ ওরফে ‘ডেঁপো৷’

রায়ের মনে পড়ে৷ প্রেসিডেন্সিতে থাকতে ওদেরই সঙ্গে ইংরেজি পড়তো একটি ছেলে৷ কম বয়েসেই মাথার চুল সব পেকে গিয়েছিল বলে সববাই ওকে ঐ নামে ডাকতো৷ ভাল নামটা যেন কী? রায় ডেসপারেটলি মনে করার চেষ্টা করে৷

—দেবজিৎ নিয়োগি৷

—গ্রেট! নামটা তাহলে এখনও মনে আছে দেখছি৷

—তা...এত বছর পরে হঠাৎ কী মনে করে? রায় প্রশ্ন করে৷

—সেই কথাইতো বলছি৷ শোন্‌ রায়...ইউ হ্যাভ টু হেল্প মি...আই অ্যাম ইন ডীপ ট্রাবল! একবার আমার অফিসে চলে আয়৷ রাইট নাও৷

-চলে আয় বললেই হল! শেষ বয়সে আমার চাকরিটা খাবি নাকি? রায়ের সঙ্গে অপরিচিত ব্যগুিটির কিছুক্ষণ কথা হয়৷ রায় একবার হাতঘড়ির দিকে তাকায়৷

—ঠিক আছে৷ হাভ অ্যান যাওয়ার পর—৷

পরের কুড়ি মিনিট রায় পাগলের মত কম্পিউটারে টাইপ করে৷ তারপর চেয়ার ছেড়ে দাড়ায়৷

—প্রদ্যোৎ...আমি একটু বেরুচ্ছি৷ কখন ফিরবো বলতে পারছি না৷ ইন দ্য মীন টাইম, আমার রিপোর্টের প্রিন্টআউট বার করে তাতে একবার ভাল করে চোখ বুলিয়ে নাও৷ যাতে কোন টাইপিং এরার না থাকে৷ কারেকশন হয়ে গেলে ফাইনাল প্রিন্টআউট সীলড খামে ভরে বড় সাহেবের ঘরে দিয়ে আসবে৷

—উনি যদি জিজ্ঞেস করেন আপনি কোথায়?

—করবেন না৷ ওনার কাজ পাওয়া নিয়ে কথা৷ করলে বোলো...বেরিয়েছি৷

রায় যখন দেবজিৎ-এর অফিসে গিয়ে পৌঁছয় তখন চারটে বাজে৷ রিসেপশনে এক সুদৃশ্য মহিলা ওরই জন্য অপেক্ষা করছিল৷ রায় পৌঁছনো মাত্র দেবজিৎ-এর ধরে নিয়ে যায়৷ রায়কে দেখেই দেবজিৎ সীট ছেড়ে উঠে এলে ওকে জড়িয়ে ধরে৷

—থ্যাঙ্ক ইউ...থ্যাঙ্ক ইউ ফর কামিং৷

—স্যর...সুদৃশা মহিলা দেবজিৎকে জিজ্ঞেস করে৷

—ইউ রিকুঢয়ার এনিথিং?

—ও হ্যাঁ...কী খাবি বল্‌৷

দেবজিৎ রায়কে জ্ঞেস করে৷

চা কফি...হোয়াট?

—একটা স্যান্ডউইচ বলবি...দুপুরে খাওয়ার সময় হয়নি৷

আর সঙ্গে সম্ভব হলে..৷গ্রীনটি৷

—নো প্রবলেম স্যর৷ নীচেই যাস্ট বেকড-এর দোকান আছে৷

পাঁচ মিনিটে এসে যাবে৷

—ওহ্‌...আর আমার জন্য একটা ব্ল্যাক কফি৷ স্ট্রং...

মিষ্টি হাসি হেসে নিয়োগির সেক্রেটারি বলে যায়৷ কামরার দরজা বন্ধ হতে দেবজিৎ রায়ের দিকে ফিরে থাকায়৷

—আই অ্যাম ইন এ ম্যাসিভ প্রবেলম রায়৷ এবং একমাত্র তুই আমাকে বাঁচাতে পারিস৷

দেবজিৎ ফোঁস করে মুখ দিয়ে নিশ্বাস ফেলে৷

—আগে কী হয়েছে বল্‌...তারপর দেখছি৷

—আজ লাঞ্চ করতে বেরিয়েছি...কী কুক্ষনেই যে বেরিয়েছিলাম৷

ফিরতে ফিরতে আড়াইটা৷ ফিরে এসে আবিষ্কার করলাম, আমার রুম থেকে একটা মোস্ট কনফিডেনশ্যাল ডকুমেন্ট মিসিং৷

ওটা না পেলে আমার চাকরি যাবে৷

—কম্পিউটারে ব্যাকআপ সাপোর্ট নেই?

—আছে৷ বাট দ্যাটস নট দ্য প্রবলেম৷ ওটা অন্য কারও হাতে পড়লে মুশকিল৷

—রাইভাল কোম্পানি৷?

—একজ্যাকটলি৷ অন্য কেউ এটা জানতে পারলে আমাদের সব ফিউচার প্ল্যানস ভেস্তে যাবে৷ মাই যব উড বি অ্যাট ৯৷

—বুঝলাম৷

গভীরভাবে কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করতে গেলে নিজের গালে হাত বোলানো রায়ের এক পুরোনো অভ্যেস৷ যেন শেভটা ভাল করে হয়েছে কিনা সেটা পরখ করে দেখছে৷

—আচ্ছা...তোর আউটার চেম্বারেই তো তোর সেক্রেটারির বসে৷

ও কাউকে ঘরে আসতে দেখেনি?

—দ্যাটস দ্য থিং৷ রিসেসের সময় আমাদের অফিসের সেক্রেটারির সবাই একসঙ্গে বসে লাঞ্চ শেয়ার করে৷

—তার মানে...তোর ঘরে তখন যে কেউ এসে ডকুমেন্টটা আত্মস্বাৎ করে থাকতে পারে?

—যে কেউ না৷ একমাত্র সিনিয়র অফিসারদের এক্রিয়ার আছে না বলে ঘরে ঢোকার৷

—সে রকম অফিসার তোর অফিসে ক’জন? রায় জিজ্ঞেস করে৷ দেবজিৎ ভুরু কুঁচ্‌কে একটুক্ষণ চিন্তা করে৷

—ছ’সাতজন...ইয়েস দ্যাটস অ্যাবাউট ইট৷

হাতে আধখাওয়া স্যান্ডউইচ নিয়ে রায় চিন্তা করে৷

—এরা সবাই এখন অফিসে?

—আই থিঙ্ক সো৷ ৮ মি সুজাতা৷

সেক্রেটারি ঘরে এলে দেবজিৎ ছ’জন অফিসারের নাম বলে৷ জানতে চায় ওরা সবাই এখন অফিসে কিনা৷

—স্যর...মিস্টার রায় ইজ আউট অফ টাউন৷ এ ছাড়া আর সবাই অফিসে আছেন৷

—কী করে জানলেন?

সেক্রেটারি মিষ্টি হেসে জবাব দেয়৷

—থ্রু হিস সেক্রেটারি স্যর৷

—ওহ...হ্যাঁ৷ তোমরা তো আবার সবাই একসাথে লাঞ্চ করো৷

সুজাতা ঘর থেকে চলে যায়৷

—অর্থাৎ...আমাদের সাশপেক্টস-এর সংখ্যা আরেকজন কমলো৷ রায় স্বগতোগুি করে—৷

—পাঁচজন৷ এই পাঁচজনের মধ্যেই তাহলে একজন যুডাস৷

—যুডাস?

—যুডাস ইসৃকরিয়াস৷ অ্যাজ ইন জিসাস ক্রাইস্ট৷ যাক্‌গে, ওদের সববাইকে একবার কনফারেন্স রুমে আসতে বলা যায়?

—অবশ্যই৷

পনেরো মিনিট পর কনফারেন্স রুমে সববাইকে একত্রিত করা হয়৷ একদিকে দেবজিৎ ও রায় বসে৷ অন্য দিকে পাঁচজন, সিনিয়র অফিসার৷

—একটা অত্যন্ত ডিসটারবিং নিউজ আছে...দেবজিৎ শুরু করে৷

—সেই জন্যই তোমাদের সবাইকে এখানে ডাকা৷

অফিসাররা গম্ভীর হয়ে কথাটা শোনে৷ কেউ কথা বলে না৷

—হ্যাভ কফি জেনটেলমেন৷

বড় ট্রে’তে অনেক কাপ কফি তৈরি করা রয়েছে৷ একে এক করে সবাই কফির কাপ হাতে তুলে নেয়৷

—আমার ঘর থেকে আজ দুপুরে লাঞ্চ আওয়ারসে একটা মোস্ট ইম্পরেটন্ট এবং কনফিডেনশ্যাল ডকুমেন্ট চুরি গেছে৷

কথাটা শুনে অফিসাররা সবাই স্তম্ভিত৷

—আমি জানি তোমাদের মধ্যেই কেউ একজন এই ডকুমেন্টটা সরিয়ছো৷ দেবজিৎ বলে৷

সমস্ত কনফারেন্স রুম থম্‌ থমে৷ কেউ কতা বলছে না৷

—কে করেছেন...প্লিজ হাত তুলুন৷

এতক্ষণে রায় কথা বলে৷

সবাই পরস্পরের দিকে মুখ চাওয়া চাওয়ি করে৷ কিন্তু, কেউ হাত তোলে না৷

—যাক...৷ রায়ের মুখে স্মিত হাসি৷

—তাহলে অন্ততঃ জানা গেল আপনাদের মধ্যে কেউ এটা করেন নি৷ রায় ফিস্‌ফিস্‌ করে দেবজিৎ-এর সঙ্গে কী একটা কথা বলে৷ দেবজিৎ মাথা এড করে৷

—তোমরা সবাই এখন আসতে পার৷

সবাই যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো এরকম ভাবে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়৷ দেবজিৎ রায়কে নিয়ে ঘরে ফিরে আসে৷

—তুই শিয়োর? দেবজিৎ রায়কে জিজ্ঞেস করে৷

—মনে তো হয়৷ রায় হেসে উত্তর দেয়৷

কিছুক্ষণ পর দেবজিৎ-এর দরজায় একটা নক হয়৷

—মে আই কাম ইন স্যর?

—প্লিজ ডু৷

একজন মধ্যবয়স্ক লোক দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি পারে৷ একে আমরা একটুক্ষণ আগেই কনফারেন্স রুমে দেখেছি৷

—সিট ডাউন মিস্টার খাস্তগির৷

মিস্টার খাস্তগির একটা চেয়ার টেনে বসে৷ একটুক্ষণ কেউ কথা বলে না৷

—আলাপ করিয়ে দিই...দেবজিৎ রায়কে দেখিয়ে বলে৷

—আমার ঘনিষ্ট বন্ধু অবিনাশ রায়৷ কলকাতা পুলিশ ডিপার্টমেন্ট-এর একজন সিনিয়র ডিটেকটিভ অফিসার৷ ওঁকে আজ আমি অফিসে ডাকতে বাধ্য হই এই ক্রাইমটা সলভ করার জন্য৷

—তা...৷ খাস্তগির জিজ্ঞেস করে৷

—জানতে পারলেন কে এই ডকুমেন্টটা নিয়েছে?

—হ্যাঁ৷ রায়ের মুখে স্মিত হাসি৷ —আপনি৷

—আমি? খাস্তগির আকাশ থেকে পড়ে৷

—এ কী অদ্ভুত কথা বলছেন আপনি? আমি কেন এই ডকুমেন্ট সরাতে যাব? আমার কী স্বার্থ থাকতে পারে?

—সেটা তো আপনি জানাবেন৷

রায়ের মুখে আর হাসি নেই৷ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে সে খাস্তগিরের দিকে তাকিয়ে থাকে৷

—মিস্টার খাস্তগির...ডিনাই করে কোন লাভ নেই৷ আমি কোয়ইট শিয়োর ডকুমেন্টটা আপনিই সরিয়েছেন৷

—দিস ইজ শিয়র ম্যাডনেস৷ আপনি কী করে শিয়োর হতে পারেন?

—বলছি৷ যখন আপনাদের জিজ্ঞেস করা হয় ডকুমেন্টটা কে নিয়েছেন হাত তুলুন, তখন সববাই পরস্পরের দিকে মুখ যাওয়াযাওয়ি করে৷ কেবল আপনি ছাড়া৷ একমাত্র আপনার দৃষ্টি ঘরের কার্পেট-এর দিকে নিবদ্ধ ছিল৷ সেটা একটাই কারণে৷ আপনি জানেন কে ডকুমেন্টটা সরিয়েছে৷

—আই অ্যাম নট গোয়িং টু টলারেট দিস এনি মোর৷

খাস্তগির উত্তেজিত ভাবে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাড়ায়৷

—সিট মিস্টার খাস্তগির৷ রায়ের মুখ কঠিন হয়ে ওঠে৷

—নো নীড ফর ড্রামাটিকস৷ নিয়োগি...ওহ্‌ ঘরে লোক পাঠা৷ সার্চ হিজ অফিস৷ ডকুমেন্টটা এখুনি পেয়ে যাবি৷ আরেকটা ব্যাপার...যখন কে কালপ্রিট জানতে চাওয়া হয় একমাত্র আপনার কাপ থেকে কফি ছল্‌কে পড়ে৷

—সেতো পড়তেই পারে৷ কফির কাপটা ভর্তি ছিল তাই৷ খাস্তগিরের মুখে বিক্রপাত্মক হাসি৷

—না...মিস্টার খাস্তগির৷ কোন কাপই ভর্তি ছিল না৷

রিমেমবার...কাপে কফি আগে থেকেই ঢালা ছিল৷ খাস্তগির একদম চুপ৷

—এখন আপনার কাছে দুটো পথ খোলা আছে৷

এক...আপনি ঘরে গিয়ে ডকুমেন্টটা নিজে নিয়ে আসুন৷ অ্যান্ড আফটার দ্যাট পুট ইন ইয়োর রেজিগনেশন লেটার৷ অন্য অলটারনেটিভটা অবশ্য অনেক বেশি খারাপ৷ পুলিশ আপনাদের এখান থেকে অ্যারেস্ট করে নিয়ে যাবে৷

—কোনটা প্রেফারেবল বলো? নিয়োগি জিজ্ঞেস করে৷

খাস্তগির একটুক্ষণ চুপ করে কী ভাবে৷ তারপর চেয়ার ছেড়ে দাড়ায়৷

—আপনারা অপেক্ষা করুন...আমি আসছি৷

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%