প্রলয় কুমার নাথ
সাল - ১৯৪৯
স্থান - বর্ধমানের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম, মন্তেশ্বর
দুই বছর আগেই স্বাধীনতার মুক্ত বাতাস বয়েছে গোটা বঙ্গদেশ জুড়ে। ব্রিটিশ শাসকের দল এই দেশ থেকে পাততাড়ি গোটালেও শেষ ষড়যন্ত্রটা করে দিয়ে গিয়েছেন, দেশ ভাগ। তার জেরেই ওপার বাংলার কত রাজা জমিদার যে নিঃস্ব এবং সর্বশান্ত হয়ে কাঁটাতারের এইপারে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন, তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু এপার বাংলার জমিদার পরিবারগুলোর অবস্থা কিঞ্চিৎ ভালো, তাদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের ঠাট বাট এখনো বজায় রাখতে পেরেছেন। এমনই একটি পরিবার হল বর্ধমান জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম, মন্তেশ্বরের রায়চৌধুরী পরিবার। কয়েকমাস আগেই ইহলোকের মায়া ত্যাগ করেছেন রায়বাহাদুর উপাধি প্রাপ্ত রাজবল্লভ রায়চৌধুরী। মৃত্যুর আগে তিনি রেখে গিয়েছেন তার তিন ছেলেকে, যারা এই বংশের বর্তমান উত্তরাধিকারী। তার জ্যৈষ্ঠ পুত্র রাজশেখর রায়চৌধুরী বিবাহ করেননি, আজন্ম লেখালিখি করেই কাটিয়ে গিয়েছেন। বাড়ির মেজো ছেলে হলেন বিনয়শেখর রায়চৌধুরী, যার স্ত্রীর নাম প্রমীলা। বিবাহের বেশ কিছু বছর হওয়ার পরেও এই দম্পতি এখনো নিঃসন্তান। এই পরিবারের সবচেয়ে ছোট ছেলে হলেন শশাঙ্কশেখর রায়চৌধুরী। তার স্ত্রী কৃপালিনীর বয়স মোটে আঠেরো বছর হলেও এর মধ্যেই পরপর দুই বছর দুটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছে সে। বড় ছেলে উমাশঙ্করের বয়স দেড় বছর, আর ছোটটি হল বরদাশঙ্কর, যার বয়স মাত্র ছয় মাস।
এক কথায় সুখে স্বাচ্ছন্দেই দিন কেটে যাচ্ছিল এই পরিবারের সকল সদস্যদের, শুধু মাঝে মাঝে কৃপালিনীর দুই সন্তানকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলত প্রমীলা। কৃপালিনী তার মনে দুঃখ বুঝতে পারত, তাই নিজের সন্তানদুটিকে তাদের জেঠিমার কাছে অধিকাংশ সময় রেখে আসত, যাতে প্রমীলাও কিছুটা মাতৃত্বের স্বাদ নিতে পারে। প্রমীলাও নিজের ছোট জাকে বোনের মতই ভালোবাসত, আর তার দুই সন্তানকে নিজের সন্তানের মতই স্নেহ করত। কিন্তু তাও যখন গ্রামের মেয়ে বউরা তাকে কানাঘুষো বাঁজা অপবাদ দিত, তখন সে বুঝতে পারত নিজের আর পরের সন্তানের মধ্যে তফাৎ কতটা। দুইচোখ ভরে জল আসত প্রমীলার, কিন্তু মুখ বুজে সব কথা সহ্য করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকত না তার কাছে।
কিন্তু বিয়ের প্রায় ছয় বছরের মাথায় ঈশ্বর যেন প্রমীলার দিকে চোখ তুলে চাইলেন। সন্তানসম্ভবা হল প্রমীলা। রায়চৌধুরী পরিবারে যেন খুশির রোশনাই বয়ে যেতে লাগল। গ্রামের যে সব মেয়ে বউরা প্রমীলাকে বাঁজা বলে অপবাদ দিত, তাদের মুখে যেন ঝামা ঘষে দিলেন স্বয়ং ওপরওয়ালা। প্রমীলার পর আর যদি কেউ সব চেয়ে বেশি খুশি হয়ে থাকে এই খবর শুনে, তা সে হল কৃপালিনী। যথা সময়ে একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছিল প্রমীলা, ছেলের নাম রেখেছিল অভয়শঙ্কর।
জমিদার বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত এই গাঁয়ের শিব মন্দির। প্রায় বারোটা দেউলের প্রতিটাতেই আছে এক একটি শিবলিঙ্গ। এই জমিদার পরিবারের পূর্বপুরুষরাই এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছেন। খুব ঘটা করে শিব পুজো হয় এই গাঁয়ে, শিবরাত্রির সময় তো সাতদিন ধরে এখানে মেলা বসে, চলে গ্রামের হতদরিদ্র মানুষগুলোকে অন্ন ও বস্ত্র বিতরণ। সেদিন সকালে সদ্যজাত ছেলেকে নিয়ে স্বামীর সাথে মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিল প্রমীলা। কৃপালিনীও তার সন্তানদের নিয়ে তাদের সাথে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু সেই দিন তার স্বামী শশাঙ্কশেখরের শরীর ঠিক না থাকায় তাকে রয়ে যেতে হয়েছিল বাড়িতেই। প্রমীলা আর বিনয়শেখরের সাথে গাঁয়ের বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীও মন্দিরে পুজোর কাজ দেখতে এসেছিল। শিব মন্দিরগুলোর মাঝে সে সবচেয়ে বড় দেউলটি আছে, সেখানেই জড়ো হয়েছিল সবাই, চলছিল পুজোর উপাচার। সেখানে বেষ্টিত এক পাথরের দেবীমূর্তির সামনে পুজোর তত্ত্বাবধান করছিলেন এই মন্দিরের বংশানুক্রমিক পূজারী, রাধামাধব চাটুজ্যে।
পুজোর এলাহী আয়োজন হয়েছিল সেই দিন। তেল-হলুদ-দই, ঘট, বটের ডাল ইত্যাদি উপকরণে তো ছিলই, এছাড়াও ছিল তালের পাখা, দুর্বা ঘাস এবং গোবর দিয়ে তৈরী এই দেবীরই আরেকটি প্রতিরূপ। পান, সুপারি, নানাবিধ ফল, ফুল, মিষ্টি, পায়েস দিয়ে নৈবেদ্য সাজানো হয়েছিল মায়ের উদ্দেশ্যে। এছাড়াও রাখা রয়েছিল কিছু ছোট ছোট মাটির পুতুল এবং মায়ের মঙ্গলকারী ডোর। সপুত্রক প্রমীলা এবং বিনয়শেখর বসেছিল একেবারে মায়ের মূর্তির সামনে, রাধামাধবের পাশেই। বাকি গ্রামবাসীরা বসেছিল একটু দূরে। রাধামাধব সকলকে এই দেবীর মহত্ব বোঝাতে বলেছিলেন এক একটি আচর্য্য ঘটনার কথা।
—"ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ এবং দেবী ভাগবত পুরাণে উল্লিখিত আছে স্বায়ম্ভুব মনুর পুত্র, রাজা প্রিয়ব্রত এবং তার স্ত্রী মালিনীর কথা, যাঁরা পুত্রকামেষ্টি যজ্ঞ করেছিলেন সন্তান লাভের আশায়", বলে চলেছিলেন রাধামাধব, "কিন্তু বারো বছর পরে যখন একটি মৃত পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন মালিনী তখন খুব ভেঙে পড়েছিলেন এই দম্পতি। শোকস্তব্ধ রাজা প্রিয়ব্রত তার মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছিলেন শ্মশানের পথে। এমন সময় তিনি দেখলেন আকাশের বুকে ধীরে ধীরে ফুটে উঠল একটি অত্যাশ্চর্য রথের অবয়ব, এবং সেই রথে বিরাজমানা এক শুভ্র পোশাকে সজ্জিতা অপরূপ সুন্দরী নারী মূর্তি। সেই দেবী রাজাকে নিজের পরিচয় জানিয়ে, তার মৃত বাচ্চাটিকে বাঁচিয়ে তাকে নিয়ে চলে যেতে উদ্যত হলেন আকাশ পথে। সেই মুহূর্তে রাজা প্রিয়ব্রত ছুটে গিয়ে দেবীর পা ধরে তাকে তার সন্তানকে ফিরিয়ে দিতে অনুরোধ করলেন। দেবী তাকে জানালেন, তিনি তাঁর সন্তানকে ফিরিয়ে দিতে পারেন একটি শর্তে…রাজা প্রিয়ব্রতকে দেবীর পূজার প্রচলন করতে হবে এই স্বর্গ, মর্ত এবং পাতালে। সেই শর্তে রাজি হলেন রাজা, দেবীও ফিরিয়ে দিলেন তার সন্তানকে এবং বাচ্চাটির নামকরণ করলেন সুব্রত।"
সকলে মুগ্ধ হয়ে শুনছিল রাধামাধবের বর্ণনা, তিনি বলেই চলেছিলেন,
—"আরো একটি গল্প প্রচলিত আছে এই দেবীকে নিয়ে। কোন এক বেণেবাড়ির ছোট বউএর ছিল বড্ড খাওয়ার নোলা। দেবীর পূজার জন্য রাখা ফল মিষ্টি গোপনে চুরি করে খেয়ে নিত সে, আর দোষ চাপাত একটি কালো বেড়ালের ওপর। বেড়ালটা ঠিক করল এই বউকে একটা শিক্ষা দিতে হবে। এরপর একে একে সাত সাতটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছিল বউটি, কিন্তু প্রতিবারই রাতে সে ঘুমোলে সেই কালো বেড়ালেটা তার বাচ্চাদের মুখে করে নিয়ে যেতে লাগল। বাচ্চাদের হারিয়ে হাহাকার করে উঠল বউটি, তাই এরপরেও যখন সে একটি কন্যাসন্তানকে জন্ম দিল তখন সারা রাত জেগে থাকল সে। হাতে নাতে ধরেও ফেলল সেই বেড়ালটাকে, নিজের হাতের গহনা ছুঁড়ে মারল বেড়ালটাকে। তবুও আহত রক্তাক্ত বেড়ালটা তার মেয়েকে মুখে করে নিয়ে চলে গেল। বেড়ালের রক্তের দাগ বরাবর বউটিও ছুটে চলল তার পিছু। সে পৌঁছলো একটি জঙ্গলের মাঝে, সেখানে গিয়ে দেখা পেল এই দেবীর। দেবীর কোলে তার মেয়েটি এবং আগের সাত সাতটি পুত্রসন্তান পরমানন্দে খেলা করছে। দেবীর কথামত বেড়ালটির কাছে ক্ষমা চেয়ে নিল বউটি, ফিরে পেল তার সকল সন্তানদের। এরপর দেবীকে দেওয়া কথামত সে গাঁয়ে ফিরে দেবীর পুজোর প্রচলন…"
রাধামাধবের কথার মাঝেই কোথা থেকে যেন একদল লোক ছুটে এলো মন্দিরের কাছে, এবং চক্ষের নিমেষে বাইরে থেকে সশব্দে বন্ধ করে দিল মন্দিরের লোহার দরজা! দরজার বাইরে তালা দেওয়ার শব্দও মন্দিরের ভেতরে সকলে শুনতে পেল। অবাক হয়ে সকলে এর ওর দিকে চাইতে লাগল, বিনয়শেখর এবং অন্যান্য বেশ কিছু গ্রামবাসীরা ছুটে গিয়ে মন্দিরের দরজা ধাক্কাতে লাগল, কিন্তু কেউ শুনল না তাদের কথা।
—"দরজা খোলো…কে তোমরা?…খোলো দরজা…", চিৎকার করতে লাগল সবাই। কিন্তু বৃথাই গেল তাদের রব, কারণ একটু পরেই তারা বুঝতে পারল কি ভয়ানক নিয়তি ঘনিয়ে আসছে তাদের সকলের জীবনে! যে লোকগুলো মন্দিরের দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল, তারা দেউলটির চারিধারে 'ছপাক…ছপাক' করে কি যেন এক তরল পদার্থ ঢেলে দিচ্ছে। একটু পরেই ওদের সকলের আতঙ্কগ্রস্থ চোখের সামনেই দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠল চারিপাশে। ভেতরে উপস্থিত নারী ও শিশুরা চিৎকার করে উঠল তারস্বরে, ছুটে গিয়ে আরো জোড়ে দরজা ধাক্কাতে লাগল, কিন্তু তাদের সকল প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হল। সেই জ্বলন্ত অগ্নিশিখার প্রবল উত্তাপে এবং বিষিয়ে যাওয়া বায়ুর মাঝে মৃত্যু বরণ করেছিল অর্ধেকেরও বেশি মানুষ। এই ঘটনায় যারা মারা গিয়েছিল, সেই তালিকায় ছিল বিনয়শেখর, প্রমীলা এবং ছোট্ট অভয়শেখরের নামও!
সেদিন সন্ধ্যায় বাড়ির ছাদে একাকী দাঁড়িয়ে ছিলেন রায়চৌধুরী বাড়ির ছোট ছেলে শশাঙ্কশেখর। এই বাড়ি তথা সারা মন্তেশ্বরময় যখন সকালের ঘটনায় মৃতদের পরিবার পরিজনদের শোকস্তব্ধতা এবং হাহাকার, তখন মৃত ভাইয়ের পরিবারের জন্য নীরবে অশ্রু বিজর্জন করে চলেছিলেন তিনি। ভাই এবং তার পরিবারের প্রতিটা স্মৃতি ভেসে উঠছিল তার জলে ভরা চোখের সামনে। এমন ভয়ানক মৃত্যু তাদের কপালে লেখা ছিল! আজ যদি তার শরীর খারাপ না হত, যদি তিনিও কৃপালিনী আর তার দুই ছেলের সাথে ওই মন্দিরে যেতেন, তাহলে!! ভাবতেই শিউরে উঠলেন তিনি। এত শত কথা ভাবতে ভাবতে কখন যে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত নামল তা বুঝতেই পারলেন না তিনি। ঠিক এমন সময় পেছন থেকে কারোর শীতল নিঃশ্বাসের স্পর্শ পেয়ে তিনি চমকে উঠে পেছন ঘুরে দাঁড়ালেন। অবাক হয়ে তিনি চেয়ে দেখলেন, রাতের অন্ধকারের মাঝে একটি নারীর কালো অবয়ব এসে দাঁড়িয়েছে তার পেছনে। তার পাশেই রয়েছে একটি ঘোর কৃষ্ণবর্ণ বেড়াল, অন্ধকারের মাঝে আগুনের ফুলকির মত জ্বলছে তার হলুদ চোখ দুটো।
—"জ্বালা…বড্ড জ্বালা…বড্ড জ্বালা হচ্ছে রে আমার গোটা শরীরময়..."
একটা হিসহিসে অপার্থিব নারীকণ্ঠের যন্ত্রনাকাতর গলার আওয়াজ ভেসে এলো শশাঙ্কের কানে।
—"কে…কে…কে তুমি?", ভয়ে চিৎকার করে উঠলেন শশাঙ্ক। কিন্তু তাতে কোন লাভ হল না। জমাট অন্ধকার দিয়ে তৈরি সেই নারীমূর্তি ধীরে ধীরে এগিয়ে আসতে লাগল তার আরো কাছে। চাঁদের আলো এসে পড়ল সেই নারীর গায়ে, আর সেই দিকে একবার তাকিয়েই ভয়ে থরথর করে কেঁপে উঠলেন শশাঙ্ক। তার খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছে গাছ কোমর করে ময়লা লালপেড়ে শাড়ি পরিহিতা এক বুড়ি। তার সারা গায়ের চামড়া ঝলসানো…আগুনে পোড়া দগদগে ঘা তার সারা শরীরময়। শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে পোড়া মাংস আর চামড়া যেন গলে গলে খসে পড়ছে নীচে। নিজের পোড়া কালো দুটি হাত সামনের দিকে ধীরে ধীরে বাড়িয়ে দিল সেই বুড়ি।
—"জ্বালা…বড্ড জ্বালা…আর সহ্য করা যায়না এই জ্বালা!", আবার শোনা গেল সেই বুড়ির কাতর কণ্ঠস্বর। শশাঙ্কের মনে হল সেই মহিলার হাতদুটি যেন ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে…সেটা ক্রমশ যেন পরিণত হচ্ছে বটগাছের ঝুড়ির ন্যায় কিছুতে! সেই ঝুড়িগুলি ক্রমশ দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে, ক্রমশ এগিয়ে আসছে শশাঙ্কের গলার খুব কাছে।
—"আ হা হা হা হা…", এবার আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে খিলখিল করে হেসে উঠল বুড়িটি। আর সহ্য করতে পারলেন না শশাঙ্ক, আতঙ্কে পেছতে পেছতে কখন যে ছাদের কার্নিশের কাছে তিনি এসে পড়েছেন তা বুঝতেই পারলেন না। তারপর তাল সামলাতে না পেরে দোতলার ছাদ থেকে পড়ে গেলেন সোজা নিচে।
সেই যাত্রায় প্রাণে না মরলেও মাথায় প্রচন্ড আঘাত পেয়েছিলেন শশাঙ্ক, মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছিলেন তিনি। তবে আর যে কয়েকটি মাস তিনি বেঁচে ছিলেন, সেই কয়েকটি দিন তিনি যাকেই দেখতেন তাকেই বলতেন সেই রাতে দেখা বুড়ি এবং কালো বেড়ালটার কথা। কেউ বিশ্বাস করত, কেউ করত না। কিন্তু কে ছিল ওই বুড়িটা আর কেনই বা সে সেদিন শশাঙ্কের এত বড় ক্ষতি করল, এই বিষয়টা আমৃত্যু রহস্যই থেকে গিয়েছিল শশাঙ্কের কাছে!
************
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন