শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
গোবিন্দবাবু না! তা এই ভরসন্ধেবেলা তেঁতুলতলায় দাঁড়িয়ে আছেন যে!
সন্ধেবেলা ছাড়া আর সুবিধে হয় না কিনা! এই হাঁফ ছাড়তে নিরিবিলিতে একটু দাঁড়িয়ে আছি আরকি!
তা খবর সব ভালো তো! শুনেছিলাম গুটি চারপাঁচ মামলা চলছে আপনার নামে! সেগুলো সব চুকেবুকে গেছে তো! মামলা বড়ো নচ্ছার জিনিস মশাই, একবার পিছু নিলে আর ছাড়তে চায় না। ভালো কথা, আপনার মেজো খোকাটি, কী যেন নাম! হরেকেষ্ট না? তা সে কি জেল থেকে বেরিয়েছে? আহা কচি কচি তিনটে আন্ডাবাচ্চা রেখে এর মধ্যে বার দুয়েক জেলে গেল। বউবাচ্চা রেখে জেলে যাওয়া কি ভালো! আপনাকেই তো বোধহয় হ্যাপা সামলাতে হয়! আর বটকৃষ্ণর কোনো খবরটবর পেলেন? সেও তো কত বছর হল ফেরার! না মশাই, আপনি শক্তপোক্ত লোক, নইলে এসব সামাল দেওয়া কি সোজা কাজ।
দেখ পাঁচুগোপাল, তুমি যে বাচাল তা সবাই জানে। তা বলে এই ভরসন্ধেবেলা তেঁতুলতলায় দাঁড়িয়ে বুক বাজিয়ে মিছে কথাগুলো না বললেই নয়? সবাই জানে যে, আমার জ্ঞাতি শত্তুররা আমাকে জব্দ করার জন্য মিছিমিছি কতগুলো সাজানো মামলা ফেঁদে মজা দেখছে, তাই সেদিন জজসাহেবও দুঃখু করে বলছিলেন, ওহে গোবিন্দ, তোমার মতো একজন সজ্জনের নামে এত যে মিছে মামলা দায়ের হয়েছে তাই থেকেই বোঝা যায় যে, এটা ঘোর কলিকাল। আর দেখো পাঁচু, তুমি ভালোই জানো যে আমার মেজোখোকা হরেকেষ্ট একজন নামকরা তবলচি। আর এও জানো যে জেলারসাহেব নিজে একজন উচ্চাঙ্গের কালোয়াৎ। হরেকেষ্টর তো কবেই জেল থেকে ছুটি হয়ে গেছে, সরকারসাহেব নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়ে ছেড়েও দিয়েছে তাকে, কিন্তু জেলারসাহেব তাকে বড্ড ধরে পড়েছেন, ওরে হরেকেষ্ট, তুই চলে গেলে আমার সঙ্গে সংগত করবে কে? তাই জেলারসাহেবের কথা ফেলতে না পেরে সে জেলখানায় কটা দিন আয়েস করছে। আছেও তোফা। দোবেলা মোগলাই খাবার, নরম বিছানা, জামাই আদর। আর বটকৃষ্ণর নামে যে কুচ্ছো করছ তাতে কি তোমার ভালো হবে! সে ফেরার হতে যাবে কোন দুঃখ বলো তো! লোকে বদনাম করে করে তার নামে জোর করে হুলিয়া বের করেছে বলেই কি আর সে ছেলে খারাপ? সে গেছে তীর্থ করতে।

পঞ্চকেদার, নর্মদাপরিক্রমা সেরে সে এখন হৃষিকেশে হরিদাস বাবার তপোবনে কিছুদিন জপতপ নিয়ে আছে আর কি!
তা সে তো ভালো কথা গোবিন্দবাবু, শুনে ভারী প্রীত হলাম। আপনার দুটি ছেলেই তো দেখছি রত্ন! তা আপনার ছাপাখানার যে ব্যবসাটা চলছিল তা আছে তো?
আহা, তা থাকবে না কেন? সেটা তো আমার সেজো ছেলে নবকৃষ্ণই দেখভাল করে আর কি? চলছেও ভালো। দোহাত্তা কামাই! বুঝলে, ছাপাখানার ব্যবসা কিন্তু খুব পয়া ব্যবসা।
যে আজ্ঞে, ব্যাংকনোট ছাপানো গেলে তো আর কথাই নেই! কী বলেন?
ছিঃ ছিঃ, কী যে বলো পাঁচু, তোমার মুখের দেখছি কোনো আগলই নেই! একজন ধর্মভীরু লোককে নিয়ে অমন কথা বলাও পাপ। কথাটা রটাচ্ছে কে বলো তো! আমার ভায়রাভাই তমোনাশ নাকি? তা তমোনাশ তো রটাবেই, ঘরের শত্তুর কিনা! ভিতরকার খবর তো আর রাখো না। মোক্তা কথা হল তমোনাশ গিরিজার পানের বরোজটা গাপ করার তালে ছিল, আমি গিরিজাকে সময়মতো টিপে না দিলে হয়েও যেত হাতবদল। সেই থেকে আমার ওপর খার। নানা কথা রটাচ্ছে। আমার ছাপাখানায় নাকি ব্যাংকনোট ছাপা হয়!
এসব আষাঢ়ে গপ্পো কেউ বিশ্বাস করবে?
তা তাই হবে হয়তো। তবে নরেন সরকারের কাছে কিছু নকল নোট তো পাওয়াও গেছে কিনা। আর এও সবাই জানে নরেন সরকার হল আপনার ছাপাখানার ম্যানেজার। পুলিশের কাছে সে কবুলও করেছে যে, নবকৃষ্ণের হুকুমে সে নোট ছেপেছে বটে।
তা তো সে বলবেই। ম্যানেজার হওয়ার সুবাদে কম পয়সা হাতিয়েছে এতকাল? কার কী মাথামুণ্ডু ছেপে দিয়ে পয়সা লুটেছে, নবকৃষ্ণের চোখকে ফাঁকি দিয়ে। ধরা খেয়ে যখন চাকরিটা খোয়ালো তখন থেকেই ওসব রটিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশ কি আর বিশ্বাস করেছে ওর কথা?
তাহলে হাজতবাস করতে হচ্ছে কেন বলো!
তাও তো বটে! কিন্তু লোকে একথাও বলে যে, দারোগাবাবু বগলাকান্ত হাজরার সঙ্গে নাকি আপনার দহরমমহরম। টাকার লেনদেনও আছে নাকি!
শোনো কথা! ওরে বাপু, তল্লাটের সকলের সঙ্গেই যে আমার দহরমমহরম! ভালোমানুষ হওয়ার ওই একটা সুবিধে, সবাই ভারী বন্ধু হয়ে যায়। তা দারোগাবাবুই বা বাদ যাবেন কেন। তিনিও ভারী স্নেহ করেন আমায়। মাঝেমাঝে বলেন, না গোবিন্দবাবু, কী করে মানুষকে বশ করতে হয় তা আপনার কাছে শিখতে হবে। আর টাকার লেনদেন! এলাকায় একজন গণ্যমান্য লোক এলে তাকে একটু নজরানা দেওয়ার নিয়ম তো সেই বাদশাহি আমল থেকেই চালু আছে রে বাপু। সেটা কি নতুন কিছু? এটা ওদের ন্যায্য পাওনা বই তো নয়! এর মধ্য দু নম্বরি খোঁজা কি ঠিক হবে পাঁচু? সবাই দেয়, আমিও দিই। তার জন্য কোনো সুবিধে আদায়ের চেষ্টাও করি না, আমাদের কি ধর্মভয় নেই? ঘুষ দিয়ে কি পাতকে পড়ব?
তা তো ঠিকই, এর মধ্যে অন্যায় খোঁজা ভারী শক্ত কাজ! তবে কিনা আপনার চার নম্বর ছেলে রাসকৃষ্ণের কিন্তু ইদানীং খুব বদনাম শুনতে পাই মশাই।
বদনাম। বলো কি হে পাঁচুগোপাল! রাসুর বদনাম। সে যে চোখ তুলে কারও দিকে তাকায় না! মাটিতে চোখ রেখে হাঁটে। তার বদনাম! সেও কি সম্ভব!
আকাশ থেকে পড়লে তো হবে না গোবিন্দবাবু! বাজারহাটে, রাস্তায়ঘাটে, আশেপাশের সব জায়গায় যেখানেই যাবেন সেখানেই শুনবেন খুন জখম রাহাজানি গুন্ডামি অপহরণ সবকিছুর পিছনেই নাকি রাসকৃষ্ণের হাত আছে! সে নাকি তোলাবাজও বটে।
রাধামাধব! এসব কী শুনছি হে! মানুষ কি এত মিথ্যে কথাও বলতে পারে? রাসু যে মোটে মানুষের দুঃখ সইতেই পারে না। সেই ছোট্টটি থেকে নিজের দুখানা রুটি থেকে একখানা কাঙালকে ভাগ করে দিত। একেবারে স্বামীজির ছায়া! সেই রোখ নিয়ে বড়ো হয়ে এখন চাঁদা তুলে গরিবদের উপকার করে বেড়ায়। এখন চাঁদা তোলাকে কেউ যদি তোলাবাজি বলে তবে সেটা কি ঠিক? তারপরে ধরো, গাঁয়েগঞ্জে কত লোকের প্রতি কত অন্যায় অত্যাচার হয়, সবার তো আদালতে যাওয়ার সাধ্য নেই, তখন তারা রাসুকে এসে ধরে পড়লে তাকেই তো বিলিব্যবস্থা বা বিহিত করতে হবে, নাকি! আর দুর্বলকে রক্ষা করা যে গুন্ডামি সেটা এই প্রথম শুনলাম বাপু! অবশ্য কাকেই বা দোষ দেব? পরের ভালো যারাই করতে গেছে তাদেরই কপালে বদনাম, লাঞ্ছনা, শত্রুতা জুটেছে। গান্ধিবাবা অবধি বাদ যাননি। তা রাসুই বা বাদ যাবে কেন? এসব শুনে আর বাঁচতে ইচ্ছে করে না হে!
আচ্ছা, বাঁচার কথাটা পরে হবে। তার আগে বলুন তো, জগাছার নিমাই দাস, পাটপুকুরের অনাদি রায়, বামনগাছার মহেন্দ্র পাটনি কিংবা বিজয়নগরের তপেন তা আপনার নামে ছিছিক্কার না করে জলগ্রহণ করে না কেন? তারা বলে, আপনার চার গুণধর ছেলের সঙ্গে নিজের নিজের মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে তারা নাকি সর্বস্বান্ত হয়েছে! আপনি নাকি পণের জন্য নানাভাবে তাদের কাছ থেকে লাখোলাখো টাকা আর জিনিসপত্র আদায় করেছেন! এ তো ভালো কথা নয় গোবিন্দবাবু!
বলে বুঝি! বলবেই তো! ভগবান মুখ যখন দিয়েছেন এবং তাতে ট্যাক্স যখন বসাননি তখন বলতে বাধা কি? নিমাই দাসের মেয়ে, অর্থাৎ আমার বড়ো বউমাটিকে তো তুমি দেখনি! আর দেখবেই বা কীভাবে, দিনমানেও তাকে টর্চ না জ্বেলে দেখার উপায় নেই কিনা!
কেন মশাই, দিনের বেলাও টর্চ জ্বেলে তাকে দেখতে হয় কেন?
সে আর বোলো না। পাত্রী দেখতে গিয়ে নিমাই দাসের মেয়েকে খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না, পরে ঘটকমশাই টর্চ জ্বেলে মেয়ে দেখালেন। গায়ের রং কালো তো অনেক মেয়েরই হয়, কিন্তু এ একেবারে নিকশ কালো তো, টর্চ না জ্বাললে...
মেয়ের কালো বলেই কি পণের রেট বাড়িয়ে দিলেন নাকি গোবিন্দবাবু? সেটা কি ঠিক হল?
ওই দেখো! পণের কথা এই পাপমুখে উচ্চারণও করিনি যে! নিমাই নিজেই হাতেপায়ে ধরে কয়েক বান্ডিল নোট হাতে গুঁজে দিয়েছিল জোরজবরদস্তি করে।
এখন কুচ্ছো গাইলে তো হবে না!
আর অনাদি রায়? সেও কি মিছে কথা কইছে?
ওরে বাবা, অনাদির মেয়ে অর্থাৎ আমার মেজো বউমাটি লগ্নভ্রষ্টা হতে বসেছিল তো, ওই পণ নিয়েই কি সব গোলমাল যেন। আমি তো সাতেও ছিলাম না পাঁচেও ছিলাম না, গিয়েছিলাম নেমন্তন্ন খেতে, হঠাৎ হই হই শুনে গিয়ে দেখি, বরপক্ষ বরকে তুলে নিয়ে চলে যাচ্ছে, আর দুই পক্ষে চলছে তুমুল বিতণ্ডা। তা আমি তখন ভালোমানুষী করতে গিয়ে নিজের ছেলের কথা প্রস্তাব করে ফেললাম। তাতে অনাদির এত আহ্লাদ হল যে, বিস্তর দানসামগ্রী আর নগদ দিয়ে ফেলল। সে যদি সেসব ফেরত চায় তাহলে আমার তো ফেরত দিতে আপত্তি নেই। কিন্তু লগ্নভ্রষ্টা মেয়ের বিপদের কথাটাও তো তার ভাবা দরকার। আমার ছেলে বিয়ে না করলে সেই মেয়ে যে আজও বাপের গলগ্রহ হয়ে থাকত হে!
মহেন্দ্র পাটনির সঙ্গে তো আপনার দায়ে-কুড়ুলে সম্পর্ক, কেন বলুন তো? বেয়াই বলে কথা!
তা হবে না কেন? বলি মহেন্দ্রকে চেনো তো তুমি? সে ছিল গিয়ে গ্যাংলিডার গোরা মস্তানের ডানহাত, একসময়ে প্রতিপত্তিও খুব ছিল। কিন্তু ওসব করলে বদনামেরও তো ভয় আছে। ঠিক কিনা! মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে হাড়েহাড়ে বুঝতে পারল, গুন্ডামস্তানের মেয়ের ভদ্রসমাজে বিয়ে হওয়া কঠিন। তাই তখন আমাকে ধরে পড়েছিল। আমার আবার মনটা ভারী নরম তো, মহেন্দ্রর অসহায় মুখখানা দেখে মায়াও হল খুব। তাই রাজি হয়ে গেলাম। তখন ভদ্রসমাজে ঢোকার দক্ষিণা বাবদ কয়েক লাখ টাকা যেন দিয়েছিল, হাতদুটো ধরে কাকুতিমিনতি করে বলেছিল, আমাকে একটু ভদ্রসমাজে তুলে দাও দাদা, নইলে পাঁচজনকে মুখ দেখাতে পারছি না। তা এই হল আসল বৃত্তান্ত। টাকা আমি গুনেও দেখিনি, পত্রপাঠ আমার চ্যারিটেবল ট্রাস্টে দান করে দিয়েছি।
আপনার চ্যারিটেবল ট্রাস্টের কথা আর কবেন না মশাই, লোকে বলে তা থেকে নাকি টাকা বেরোয় না, শুধু ঢোকে! সে যাকগে কিন্তু তপেন তা সম্পর্কেও কি আপনার কিছু বলার আছে?
তপেন তা তো খারাপ কিছু ছিল না। বলতে নেই তার মেয়েটিও ভালো। ওই কানে একটু যা কম শোনে। তা তাতে আর এমন কি যায় আসে, সবাই কানে বেশি শোনে বলেই তো সংসারে এত অশান্তি। আমি তাই ঠাসা মানুষ একটু পছন্দই করি। তারপর শোনা গেল, শিশুকালে পোলিও হয়ে নাকি একটা পাও একটু সরুমতো। কিন্তু আমি ভাবি মানুষের অত দোষত্রুটি ধরতে নেই। সরু পা তো কি হয়েছে, হরিণেরও তো সরু পা। তা তারপর শোনা গেল একটা চোখেও নাকি একটু ঝাপসা দেখে। তা আমি সেসব নিয়ে মাথা ঘামাইনি কিন্তু। তপেন নিজেই মেয়ের সব খামতি পূরণ করবে বলে কান, পা আর চোখ বাবদ কী একটা হিসেব করে কত টাকা যেন দিতে চেয়েছিল। আমি কিছুতেই নেব না, সেও ছাড়বে না। অগত্যা নিতে হল আর কি!
তাই তো! আপনি তো দেখছি বেশ ভালো লোকই বটেন! তবু যে লোকে কেন রটিয়ে বেড়ায় যে, গোবিন্দ বিশ্বাস একনম্বর মিথ্যেবাদী।
বলে নাকি? আচ্ছা বাপু পাঁচুগোপাল, একটু ভেবে বলো তো, লোকে আজকাল কার সম্পর্কে ভালো কথা কইছে! দেশের মাথায় যে লোকটা বসে আছে সে থেকে শুরু করে লঘুগুরু কার পিণ্ডি না চটকাচ্ছে মানুষ, বলো তো! এ যা দিনকাল এল, যতই ভালোমানুষ হওনা কেন তুমি, কেউ তোমার গুণগান করবে না হে! তাই লোকে আমার কুচ্ছো গাইছে জেনেও আমি নির্বিকার থাকি। কি করব বলো, কারও মুখ তো আর বন্ধ করতে পারব না! হেহে...
কিন্তু এখন যে এত লোক আপনার বাড়িতে ফুল আর মালা নিয়ে এসে জড়ো হয়েছে, আপনার নানারকম গুণের কথা বলাবলি করছে, আপনার শোকে সমবেদনাও জানাচ্ছে, এতে আপনার ভালো লাগছে না! হয়তো মিছিমিছিই বলছে, কিন্তু বলছে তো...
বলো কী হে! এই ভরসন্ধেবেলা আমার বাড়িতে লোকজন জড়ো হয়েছে কেন বলো তো! আর ফুল বা মালাই বা কী জন্যে? আর গুণের কথাই বা বলছে কেন? মরেছে, এ আবার কী বিপত্তি!
আহা, আমিও তো আপনার বাড়ি থেকেই আসছি! রজনিগন্ধার স্টিক বাবদ ষাটটা টাকা খসে গেছে মশাই, কিন্তু কি আর করা, মানুষ মরলে যে তার প্রেস্টিজ বেড়ে যায়। আপনারও বেড়েছে দেখলাম। যারা আপনার নাম শুনলে কানে হাতচাপা দিত তারাও এখন মুখে শোকের পাউডার মেখে দাঁড়িয়ে আছে।
অ্যাঁ! কী সব্বোনেশে কাণ্ড। আমি কি মরেছি নাকি হে পাঁচুগোপাল?
তা মরেছেন বইকি! না মরে থাকলে কি আজ এত কথা মুখের ওপর বলতে সাহস পেতুম! আর ভরসন্ধেবেলা আপনিও তেঁতুলতলায় দাঁড়িয়ে হাওয়া খাওয়ার লোক নন।
অ্যাঁ!
শুকতারা, শারদীয়া ২০২১
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন