অবাঞ্ছিত আতিশয্য

তারাপদ রায়

আতিশয্য বিষয়ে দুটো প্রাচীন গ্রাম্য গল্প মনে পড়ছে। প্রথমে সে দুটো বলে নিই।

গল্পগুলো আজকের নয়, যেসব স্মৃতিমতী পাঠিকা এগুলো স্মরণ করতে পারবেন তাঁদের নিশ্চয় ঢের বয়েস হয়েছে, তাঁরা দয়া করে এবং নিজ গুণে এই অর্বাচীন হাস্যকর লেখককে ক্ষমা করে দেবেন।

গল্প দুটো প্রায় একই জাতের, সামান্য প্রকৃতিভেদ আছে। দুটো গল্পেই নব জামাতা শ্বশুরালয়ে গিয়েছেন, তাঁর সঙ্গী এক সেয়ানা বন্ধু।

প্রথম গল্পের জামাতা বাবাজীবনের একটু বাড়িয়ে বলার অভ্যাস রয়েছে। তাঁর সেয়ানা সঙ্গীর দায়িত্ব হল রাশ টেনে রাখা। ঠিক হয়েছে জামাতা যদি অভ্যাসের দোষে শ্বশুরবাড়িতে বেফাঁস কিছু বাড়াবাড়ি বলে ফেলেন, সঙ্গে সঙ্গে বন্ধুটি একটু কাশবেন বা গলাখাঁকারি দেবেন আর সেটা শোনামাত্র জামাতা তাঁর বক্তব্য অর্ধেক কমিয়ে ফেলবেন। জামাতা এবং তঁর বন্ধু শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে হাতমুখ ধুয়ে বৈঠকখানা ঘরে এসে বসেছেন। শ্বশুরমশায় কুশলাদি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার পরে জানতে চাইলেন পথে কোনও অসুবিধে হয়েছে কি না।

জামাতা বললেন, ‘না তেমন কিছু হয়নি। তবে নৌকো করে নদী দিয়ে আসার সময় একটা প্রকাণ্ড কুমির দেখলাম।’

শ্বশুরমশায় বললেন, ‘প্রকাণ্ড কুমির?’

জামাতা বললেন, ‘সে প্রায় দুশো হাত লম্বা হবে।’ শ্বশুরমশায়ের চোখ কপালে উঠল কুমিরের দৈর্ঘ্য শুনে। সেয়ানা বন্ধুটিও গলা খাঁকারি দিল।

জামাতা সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে সংশোধন করলেন, ‘কুমিরটা যখন নৌকোর কাছে এল দেখে বুঝলাম দুশো না হলেও অন্তত একশো হাত হবে।’

এটাও অবিশ্বাস্য, সেয়ানা সুহৃদ আবার গলা খাঁকারি দিলেন, জামাতা তখন বেশ চিন্তা করে মাথা চুলকিয়ে বললেন, ‘নদীর মধ্যে আরেকটা নৌকোয় এক শিকারি ছিল সে বন্দুক দিয়ে গুলি করে কুমিরটা মেরে ফেলল। মরা কুমিরটা ডাঙায় ওঠানো হলে বুঝলাম হাত পঞ্চাশেক হবে।’

আবার গলা খাঁকারি, জামাতা বাবাজীবনের সংশোধন, ‘ডাঙায় ওঠানোর পর ফিতে দিয়ে মেপে। দেখা গেল ঠিক পঁচিশ হাত।’

এতক্ষণে পুরো ব্যাপারটা রীতিমতো গোলমেলে হয়ে উঠেছে, শ্বশুরমশায় কেমন হতভম্ব হয়ে গেছেন সমস্ত ঘটনা শুনে, বন্ধুটির গলা খাঁকারি এবার তীব্রতর হল। কিন্তু এখন আর উপায় নেই, জামাতা তাঁর বন্ধুটির দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, ‘আর কমাব কী করে। মাপা হয়ে গেছে, এরপর আর কমানো যাবে না।’

পরের কাহিনীটিতেও নব জামাতা আর তাঁর সেয়ানা বন্ধু শ্বশুরবাড়িতে এসেছেন। তবে এই গল্পে জামাতা নন তাঁর বন্ধুটিই অবাঞ্ছিত আতিশয্য দোষে পীড়িত।

শ্বশুর মহোদয় নব জামাতার সঙ্গে গল্পের ছলে নানা বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। তবে কথাবার্তা প্রায় সবই চালাচ্ছেন বন্ধুবর। শ্বশুর প্রশ্ন করলেন, ֹ‘কালীঘাটের বাড়িটা তো তোমাদের নিজেদের?’ বন্ধুটি বললেন, ‘শুধু কালীঘাটের বাড়ির কথা বলছেন কী, ভবানীপুর, শ্যামবাজার, বালিগঞ্জ, টালিগঞ্জ, রাঁচি, মিহিজাম সব জায়গায় ওদের বাড়ি আছে।’ শ্বশুরমশায় বললেন, ‘তোমার এক কাকা বোধহয় দিল্লিতে থাকেন।’

সঙ্গে সঙ্গে তৎপর বন্ধুটি বললেন, ‘দিল্লি কী বলছেন, ওর আরেক কাকা থাকে বোম্বাইতে, দুই মামা আছে মস্কোতে, মেসো প্যারিসে, এক পিসেমশায় লন্ডনে, অন্য পিসেমশায় রামপুরহাটে।’

এই রকম ভালই চলছিল, কিন্তু এই সময় জামাই একটু হাঁচলেন, শ্বশুরমশায় বললেন, ‘তোমার কি একটু সর্দিকাশি আছে?’ বন্ধুটি বললেন, ‘সর্দিকাশি কী বলছেন, ওর ছোটবেলা থেকে হুপিং কাশি, ওদের বাড়ির প্রত্যেকের শ্লেষ্মকাশি, গুপোকাশি এমনকী যক্ষ্মাকাশিও পর্যন্ত রয়েছে।’

এরপর আর এই গল্প এগোতে দেওয়া মোটেই উচিত হবে না।

জামাতা বাবাজীবন এবং তাঁর সেয়ানা সুহৃদের এই রদ্দি গল্পগুলি অত্যন্ত মোটা দাগের, কিন্তু এগুলির মধ্যে আসল সত্যটি নিহিত রয়েছে। সোজা কথা, কোনও কিছু নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে শেষ পর্যন্ত একটা কিছু গোলমাল হবেই।

তা গোলমাল একটু হয় হোক। আমরা ইত্যবসরে আরও একটু গোলমেলে জায়গা থেকে ঘুরে আসি।

বহুক্ষেত্রেই অবাঞ্ছিত আতিশয্য ব্যাপারটা ঘটে তোষামোদ বা খোশামোদ করতে গিয়ে। এই শব্দ দুটি সম্পর্কে এখানে সামান্য কিছু বলে রাখা ভাল। বাংলা ভাষায় তোষামোদ একটি আশ্চর্য শব্দ। তোষামোদ এবং খোশামোদ শব্দের অর্থ একই, স্তাবকতা, মনোরঞ্জন, চাটুবৃত্তি, মোসাহেবি ইত্যাদি। খোশামোদ শব্দটি প্রায় খাঁটি ফারসি শব্দ, মূল ফারসিতে শব্দটি হল, ‘খুশ আমদ’ মানে মনোরঞ্জন। তোষামোদ শব্দটি রচনা হয়েছে সংস্কৃত আর ফারসি মিলিয়ে। সংস্কৃত তুষ থেকে ফারসি খুশ-আমদ্‌ শব্দের দৃষ্টান্তে গঠিত। এ রকম শব্দ আমাদের ভাষায় খুব বেশি নেই।

সে যাই হোক, পণ্ডিতি করব না। গালগল্পে ফিরে যাই। তোষামোদের কথায় মহামহিম গোপাল ভাঁড় মহোদয়ের সেই বিখ্যাত গল্পটি স্মরণীয়।

রাজা তাঁর পারিষদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। তাঁর মোসাহেব সবটাতেই রাজাকে তাল দিয়ে যাচ্ছেন। ব্যাপারটা প্রায় দৃষ্টিকটু (অথবা শ্রুতিকটু) পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

আলোচনার বিষয় হল তরকারি। কথায় কথায় পটলের কথা উঠল। রাজা বললেন, ‘পটল খুব ভাল তরকারি।’ মোসাহেব সায় দিলেন ‘ভাল মানে? খুব ভাল। ভাজা খান, সিদ্ধ খান, মাছে খান, নিরামিষ খান, সরষে বাটা খান, পটলের মতো তরকারি নেই, হুজুর।’

রাজা বললেন, ‘কিন্তু বড় তিতো।’ মোসাহেব ঘাড় কাত করে সায় দিলেন, ‘খুব তিতো, অতি বিদঘুটে।’ রাজা বললেন, ‘পটল মোটেই ভাল নয়। ভাল করে হজম হয় না।’

মোসাহেব বললেন, ‘পটল মোটেই ভাল নয়। হজম করা খুব কঠিন। হাতি পর্যন্ত পটলের বিচি হজম করতে পারে না। পটল সাংঘাতিক জিনিস হুজুর।’

রাজা আর থাকতে পারলেন না। মোসাহেবকে বললেন, ‘তোমার কথা তো কিছু বুঝতে পারছি না। তুমি কখনও বলছ পটল খুব ভাল, কখনও বলছ পটল খুব খারাপ।’মোসাহেব হাত কচলিয়ে বললেন, ‘আজ্ঞে হুজুর তা বলছি।’ রাজা বললেন, ‘তা হলে তোমার আসল কথাটা কী?’ মোসাহেব আরও হাত কচলিয়ে বললেন, ‘আজ্ঞে হুজুর, আমার কথাটা হল আমি তো আর পটলের গোলামি করি না, আমি আপনার গোলাম, আপনি যা বলেছেন আমি তাই বলেছি।’

স্বীকার করা উচিত এই মোসাহেবটি খুব উচ্চস্তরের নয়। স্তাবকতা খুব সূক্ষ্ম ব্যাপার, সেটা প্রকট হয়ে গেলে, মোসাহেবি ধরা পড়ে গেলে চলবে না। তাতে সাহেব এবং মোসাহেব দু’জনেরই বেকায়দা।

মোসাহেব নিয়োগের কাহিনীটি বলি।

এক সাহেব খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন মোসাহেব চেয়ে। অনেক লোক দরখাস্ত করেছে, সাক্ষাৎকার চলছে। সাহেব নিজেই তাঁর মোসাহেব বাছছেন। কিন্তু ঠিক মতো লোক পাওয়া খুব কঠিন। অবশেষে অনেক জনের পরে এল আসল ব্যক্তি। সাহেব এবং ওই চাকুরি প্রার্থীর নিম্নোক্ত কথোপকথন থেকে এই আসল ব্যক্তিটিকে কিছুটা বোঝা যাবে।

সাহেব: তুমি কি মোসাহেবের কাজ পারবে?

ভাবী মোসাহেব: আমারো কেমন খটকা লাগছে, আমি কি মোসাহেবের কাজ পারব।

সাহেব: আমার মনে হচ্ছে তুমি পারলেও পারতে পারো।

ভাবী মোসাহেব: আমারও একেক সময় সাহস হচ্ছে, হয়তো পারলেও পারতে পারি।

সাহেব: কিন্তু পারবে কি?

ভাবী মোসাহেব: পারব কি?

সাহেব: মোসাহেবির কাজ খুব কঠিন।

ভাবী মোসাহেব: খুব কঠিন স্যার।

সাহেব: তবে চেষ্টা করলে হয়তো পেরে যাবে।

ভাবী মোসাহেব: চেষ্টা করলে পারব হয়তো।

সাহেব: তোমার তো বেশ এলেম আছে। মনে হচ্ছে ভাল ভাবেই পেরে যাবে।

ভাবী মোসাহেব: তা ঠিক স্যার। এখন মনে হচ্ছে খুব ভালই পারব।

সাহেব: কিন্তু শেষে যদি না পারো?

ভাবী মোসাহেব: সত্যি শেষে যদি না পারি আমিও খুব ভাবছি স্যার।

সাহেব: থামো, তোমাকে আর ভাবতে হবে না।

ভাবী মোসাহেব: না স্যার, আমি আর ভাববো না।

বলা নিষ্প্রয়োজন, এই ব্যক্তিই মোসাহেবির কাজটা তখনই পেয়ে গিয়েছিল এবং পরবর্তী জীবনে একজন অত্যন্ত সফল মোসাহেব হিসেবে খ্যাতি অর্জন করে।

তবে অবাঞ্ছিত আতিশয্য অর্থাৎ অপ্রয়োজনীয় ও দৃষ্টিকটু বাড়াবাড়ি ব্যাপারটা শুধুই যে চাটুকারিতা এবং মোসাহেবির সঙ্গেই জড়িত এমন কথা বলা যাবে না।

অনেকের চরিত্রের মধ্যেই এই অসংগতি রয়েছে। এই রকম কারও বাড়িতে যান, তিনি সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে উঠে, ‘আসুন আসুন, কী সৌভাগ্য আমার, গরিবের বাড়িতে আপনি আসবেন, এ তো ভাবাই যায় না, বসতে আজ্ঞা হোক’, বলে চেয়ার ঠেলে বসিয়ে দিয়ে আপনাকে খালি ঘরে ফেলে সামনের খোলা দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাবেন। আপনি বোকার মতো বসে থাকবেন তাঁর বাইরের ঘরে, এসেছিলেন এক মিনিটের এক প্রয়োজনে কিংবা ভদ্রতার খাতিরে। গৃহকর্তা আধঘণ্টা কি পঁয়তাল্লিশ মিনিট পরে ফিরলেন হাতে এক চাঙারি সিঙাড়া, কচুরি, সন্দেশ, রসগোল্লা নিয়ে, ঘরে ঢুকে দেখলেন আপনি দরদর করে ঘামছেন, তাড়াতাড়ি বললেন, ‘আরে কী লজ্জার কথা পাখাটা খুলে দিয়ে যাইনি।’ বলে জোড়া হাতে পাখার সুইচটা অন করতে গিয়ে খাবারের চাঙারিটা হাত থেকে তিনি অবশ্যই ফেলে দেবেন। তিনি আবার ছুটবেন মোড়ের মাথায় গঙ্গারামে কিংবা সত্যনারায়ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে—

আপনি এই অবসরে অবশ্যই সরে পড়বেন কারণ আপনার হাতে আর অপেক্ষা করার মতো আধঘণ্টা সময় নেই। আর তা ছাড়া, ওই সন্দেশ রসগোল্লা, সিঙাড়া, কচুরি, ওগুলো সব আপনার পক্ষে বিষ, ডাক্তারের বারণ, আর ওসবের প্রতি আপনার তেমন রুচিও নেই। এরই রকমফের দেখা যায় সভা-সমিতিতে। যেখানে অতিথিকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় শ্রোতাদের সঙ্গে অবিশ্বাস্য সমস্ত বিশেষণ এবং অলংকারে ভূষিত করে। স্পষ্ট মনে আছে, মফস্বলের এক সাহিত্যসভার শেষে উদ্যোক্তাদের তরফ থেকে সভায় বলা হয়েছিল, ‘ওঁর মতো মহাপ্রাণ বিশিষ্ট উজ্জ্বল পুরুষকে ক্ষুদ্র ধন্যবাদ জানিয়ে আমরা ছোট করতে চাই না।’ এবং এর ঠিক পরের পঙ্‌ক্তি ছিল, ‘এঁকে শত শত ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি।’ আরেক ধরনের আতিশয্য ঘটে মদ্যপানের আসরে। এমনিতে মাতালেরা মদ খেয়ে নানা রকম বাড়াবাড়ি করে ফেলে কিন্তু সব চেয়ে মারাত্মক হল কোনও কোনও মদ্যপ কিছুটা পান করার পরে ঘরের কিংবা টেবিলের সকলকে পরের দিন সন্ধ্যায় তার বাড়িতে নিমন্ত্রণ করে বসে। কেউ যদি সেই নিমন্ত্রণ এড়াতে চায়, তবে অব্যাহতি নেই। ভীষণ জোরাজোরি হবে নিমন্ত্রণ কর্তার তরফে, এমনকী কাঁদাকাটি, হাতে-পায়ে ধরা হবে নিমন্ত্রণে যাওয়ার জন্যে।

এইখানেই আসল বিপদ। কোনও অনভিজ্ঞ ব্যক্তি যদি সরল চিত্তে এই নিমন্ত্রণ গ্রহণ করে এবং পরের দিন সন্ধ্যায় যদি ওই ব্যক্তির বাড়িতে যায় তাকে রীতিমতো জব্দ হতে হবে। নিমন্ত্রণ কর্তার বাড়ির লোকেরা বিস্মিত হবে তাকে দেখে কারণ সে বাড়িতে নিমন্ত্রণের কথা কিছুই বলেনি, এমনকী তার নিজেরই মনে নেই যে সে নিমন্ত্রণ করেছিল; সুতরাং যখন সে দরজা খুলে জিজ্ঞাসা করবে, ‘আরে কী মনে করে’, তখন দু’-চারটে বাজে কথা বলে ফিরে আসা ছাড়া গত্যন্তর নেই।

অবশেষে আতিশয্যহীনতার একটি চৈনিক উপাখ্যান দিয়ে দাঁড়ি টানি। এক কারখানা দেখতে গিয়েছেন জনৈক পর্যটক। চিনেদের একটি পারিবারিক সমাধিস্থলে গিয়ে দেখেন প্রত্যেকটি কবরের উপরে মৃতদের জন্যে ভূরিভোজ সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে বাহারি থালায়। দেখে পর্যটক খুব বিস্মিত হলেন। কিন্তু তিনি আরও বিস্মিত হলেন এরই মধ্যে একটি সমাধি দেখে যার উপরে থালায় মাত্র দুই কুচি শশা আর এক চিলতে লেবু দেওয়া রয়েছে। পর্যটক প্রশ্ন করলেন, ‘প্রত্যেকের এত খাবার, এর এত কম কেন?’ যে ব্যক্তি খাবার দিচ্ছিলেন তিনি বললেন, ‘ওটা উং চুংয়ের কবর, মরার সময় উং চুং ডায়েটিং করছিল, তাই এই খাবার দেওয়া হয়। উং চুংকে বেশি খাবার দিলে শুধু শুধু নষ্ট হবে।’

অবাঞ্ছিত আতিশয্যের এখানেই ইতি।

সকল অধ্যায়
১.
চুরিবিদ্যা
২.
নৈশকাহিনী
৩.
কালীঘাটের পাখা
৪.
ডাকাতের হাতে
৫.
পদ্মাসন
৬.
শিশুশিক্ষা (১)
৭.
ঘুম (১)
৮.
পাগলের কাণ্ডজ্ঞান
৯.
পদবি ও নাম
১০.
ছারপোকার এপিটাফ
১১.
ভাগ্যফল
১২.
বিশেষজ্ঞ
১৩.
ছাতা
১৪.
র‍্যাডিস উইথ মোলাসেস
১৫.
ঘড়ি
১৬.
দরজি
১৭.
সংখ্যাতত্ত্ব
১৮.
মাতালের কাণ্ডজ্ঞান
১৯.
ভূতের কাণ্ডজ্ঞান
২০.
বানরের কাণ্ডজ্ঞান
২১.
কিঙ্কর-কিঙ্করী
২২.
ডাক্তার-ডাক্তার
২৩.
দাঁত
২৪.
টেলিফোন
২৫.
আমি কীরকমভাবে
২৬.
মন মোর মেঘের সঙ্গী
২৭.
ভ্রমণকাহিনী (১)
২৮.
প্রসূতি সদন
২৯.
নিজের ওজন নিজে বুঝুন
৩০.
জীবজন্তুর কথা
৩১.
গোরু (১)
৩২.
প্রিয়তমাসু
৩৩.
অভিনয় নয়
৩৪.
ইঁদুর ও মদিরা
৩৫.
টর্চলাইট
৩৬.
রং
৩৭.
লিফট
৩৮.
মদমত্ত
৩৯.
সুচিকিৎসা
৪০.
অচলার প্রেম
৪১.
শেষ পরকীয়া
৪২.
তালা
৪৩.
কুকুর-কুকুর
৪৪.
গোপাল ভাঁড়
৪৫.
জগৎপারাবারের তীরে
৪৬.
হিন্দি
৪৭.
রেফ্রিজারেটর
৪৮.
কৃষ্ণকান্ত এবং…
৪৯.
মাতাল রহস্য
৫০.
আবার মনে মনে
৫১.
শেষের সেদিন
৫২.
ভবসিন্ধু
৫৩.
রবীন্দ্রনাথ
৫৪.
…বাচ্চা
৫৫.
কুকুর কুণ্ডলী
৫৬.
হে মাতাল, অমোঘ মাতাল
৫৭.
শিশুপাল
৫৮.
ভোজনালয়
৫৯.
বাড়ি ভাড়া
৬০.
হায় ছবি
৬১.
জীবনবিমা
৬২.
কোন বাণিজ্যে
৬৩.
ডাক্তারের হাতে
৬৪.
অঘটন আজও ঘটে
৬৫.
সুপরামর্শ
৬৬.
পুলিশ
৬৭.
ফাঁদ পাতা ভুবনে
৬৮.
ধরা পড়েছে দু’জনে
৬৯.
রুপোলি পর্দার অন্তরালে
৭০.
পিয়ো হে পিয়ো
৭১.
ও চাঁদা চোখের জলে
৭২.
দামদর
৭৩.
মিথ্যা কথা
৭৪.
কে কোথা ধরা পড়ে
৭৫.
সময়
৭৬.
হায় কবি, তুমি শুধু কবি
৭৭.
রোগীর বন্ধু
৭৮.
রসুন
৭৯.
রসিকতা
৮০.
স্বর্গ
৮১.
দুর্ঘটনার আগে ও পরে
৮২.
পণ্ডিত
৮৩.
সমস্যা
৮৪.
স্বেচ্ছাসেবক
৮৫.
বক্তা ও বক্তৃতা
৮৬.
আবার বক্তৃতা
৮৭.
কলিংবেল
৮৮.
ঈশ্বর সমীপে
৮৯.
জীব জগতের আজব কথা
৯০.
তামাক
৯১.
আবার তামাক
৯২.
রোগী কাহিনী
৯৩.
নরখাদকের কাহিনী
৯৪.
আয় শীত, যায় শীত
৯৫.
ঘটি-বাঙাল
৯৬.
চিড়িয়াখানায়
৯৭.
সমান-সমান
৯৮.
স্মৃতির খেয়া
৯৯.
অচলপত্র
১০০.
সচিত্র ভারত
১০১.
রাম ও রামকৃষ্ণ
১০২.
কৃষ্ণ ও রামকৃষ্ণ
১০৩.
স্বপ্ন ও রমণী
১০৪.
অবাঞ্ছিত আতিশয্য
১০৫.
যা দেবী সর্বভূতেষু
১০৬.
মরণ রে
১০৭.
ধৈর্যের পরীক্ষা
১০৮.
ভুল (১)
১০৯.
গল্পের গোরু
১১০.
কাজের মেয়ে
১১১.
বইমেলা
১১২.
স্ত্রী
১১৩.
প্রথম কোকিল
১১৪.
দ্বিতীয় কোকিল
১১৫.
তৃতীয় কোকিল
১১৬.
অমল ধবল পালে
১১৭.
স্বামী-স্ত্রী ইত্যাদি
১১৮.
চিকিৎসা
১১৯.
ভূত ও রিপোর্টার
১২০.
হাঁচির গল্প
১২১.
ভাষা-ভাষা
১২২.
বালুকা ডাকিনী
১২৩.
ফুটবল
১২৪.
প্রশ্নোত্তর
১২৫.
অসম্ভব
১২৬.
রসিকতার উৎস সন্ধানে
১২৭.
ডাক্তারবাবু নমস্কার
১২৮.
আত্মনেপদী
১২৯.
ভাগলপুরের পাঞ্জাবি
১৩০.
পুজোর বাজার
১৩১.
অপমান
১৩২.
জীবজন্তু (১)
১৩৩.
পুজোর ছুটি
১৩৪.
ক্রিমিনাল
১৩৫.
রবিবারের মহাভারত
১৩৬.
আইনের আঙিনায়
১৩৭.
বুদ্ধি
১৩৮.
শাশুড়ি
১৩৯.
দেয়া-নেয়া
১৪০.
হে হিসাব
১৪১.
মাছ (১)
১৪২.
কুসংস্কার
১৪৩.
জুয়া (১)
১৪৪.
এসো বসি আহারে
১৪৫.
শুভ নববর্ষ
১৪৬.
রমণী সমাজে
১৪৭.
স্বপ্ন
১৪৮.
কলকাতা তিনহাজার তিনশো
১৪৯.
আবার বইমেলা
১৫০.
এক সর্দারের গল্প (১)
১৫১.
এক সর্দারের গল্প (২)
১৫২.
এক সর্দারের গল্প (৩)
১৫৩.
জল
১৫৪.
শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন
১৫৫.
গাধা
১৫৬.
হাওয়াই
১৫৭.
সুনন্দর জার্নাল
১৫৮.
সরস কলকাতা
১৫৯.
সরস কবিতা
১৬০.
স্টুপিডেস্ট
১৬১.
অবনী, বাড়ি আছো?
১৬২.
জুয়া (২)
১৬৩.
সময়ের হিসেব
১৬৪.
কেনাকাটা: জুতো
১৬৫.
ভেজা চপ্পল
১৬৬.
জয়বাবা শান্তিনাথ
১৬৭.
টেলিফোন
১৬৮.
পরিশেষে
১৬৯.
জনগণের জোক!
১৭০.
মকারান্ত
১৭১.
কয়েকটি প্রশ্ন
১৭২.
খাওয়া-দাওয়া
১৭৩.
বলাবাহুল্য
১৭৪.
শরৎচন্দ্র এবং রসিকতা
১৭৫.
পৃথিবী
১৭৬.
সুখের লাগিয়া
১৭৭.
অন্দর মহলে
১৭৮.
জোক বুক
১৭৯.
সান্টা, বান্টা
১৮০.
সরল শৈশব
১৮১.
কথা বলার বিপদ
১৮২.
সিগারেট
১৮৩.
পাটিগণিত
১৮৪.
গ্রন্থবার্তা
১৮৫.
প্রেমিক-প্রেমিকা
১৮৬.
ডাক্তারবাবু
১৮৭.
বধূমাতা
১৮৮.
কেনাবেচা
১৮৯.
বালিশ
১৯০.
আপ রুচি খানা
১৯১.
কাণ্ডজ্ঞান
১৯২.
দুর্ঘটনা
১৯৩.
বিজনের রক্তমাংস
১৯৪.
বিলিতি বিয়ার-পাব
১৯৫.
রাজনীতি
১৯৬.
চপলতা
১৯৭.
বাগ্বিধি
১৯৮.
মশা ও লবণহ্রদ
১৯৯.
যদ্দৃষ্টং
২০০.
বয়েস বাড়ছে
২০১.
ধানাই-পানাই
২০২.
আমপাতা জোড়া-জোড়া
২০৩.
ভ্রমণকাহিনী (২)
২০৪.
হাস্যকবি সম্মেলন
২০৫.
মুড়ি-মিছরি
২০৬.
গণ্ডারের দুধ
২০৭.
তৈজসপত্র
২০৮.
পুলিশ
২০৯.
গোরু
২১০.
অণুনাটিকা
২১১.
যদিদং হৃদয়ং
২১২.
এমন বাদল দিনে
২১৩.
ফাঁসি
২১৪.
লেপ
২১৫.
ব্যাটবল
২১৬.
স্বপ্ন
২১৭.
বড়দিন
২১৮.
ধনীরাম
২১৯.
ব্যাঙ্ক
২২০.
জাহান্নাম
২২১.
ইতিহাস
২২২.
লুঙ্গি
২২৩.
সেই বই
২২৪.
ধ্বংসের মুখোমুখি
২২৫.
ফুরসতনামা
২২৬.
পোড়া বই
২২৭.
বার্তাকু ভক্ষণ বিল
২২৮.
অ্যালেন গিনসবার্গ
২২৯.
প্যাঁচ
২৩০.
শিশুশিক্ষা (২)
২৩১.
লেখাপড়া
২৩২.
ডেটলাইন শান্তিনিকেতন
২৩৩.
যেভাবে গল্প তৈরি হয়
২৩৪.
হায় ভীরু প্রেম
২৩৫.
মাতালের গল্প
২৩৬.
মনের কথা
২৩৭.
চিনা-অচিনা
২৩৮.
কয়েকটি অবিশ্বাস্য রসিকতা
২৩৯.
মনের চিকিৎসা
২৪০.
কান্তকবি
২৪১.
জ্যোতিষী
২৪২.
আবার জ্যোতিষী
২৪৩.
পথের ভিখিরি
২৪৪.
গুরু-শিষ্য সংবাদ
২৪৫.
ভুলোমন স্বামী
২৪৬.
বই চুরি
২৪৭.
ফিলমি-ফিলমি
২৪৮.
চার্চিল
২৪৯.
পঞ্জিকা
২৫০.
নিমন্ত্রণ
২৫১.
মাছ (২)
২৫২.
জানোয়ার
২৫৩.
তুমি যে আমার
২৫৪.
সৈয়দ মুজতবা আলি
২৫৫.
ধারদেনা
২৫৬.
শিবরাম চক্রবর্তী
২৫৭.
যাচ্ছেতাই লেখা লিখছি
২৫৮.
দুর্বৃত্তের শাসানি
২৫৯.
নিজের কোট খুলতে পারে না
২৬০.
ভোজসভা শেষে বক্তৃতা
২৬১.
শুধু পাঠিকারা চিঠি লেখে
২৬২.
পাসপোর্ট ফোটোর মতো
২৬৩.
আগে পাঁচ ডলারে, এখন?
২৬৪.
এত বুড়ো হব নাকো
২৬৫.
অপ্রত্যাশিত
২৬৬.
গরমের পাখা মাঘ মাসে
২৬৭.
বাংলায় কেন হয় না
২৬৮.
মধ্যযুগ
২৬৯.
শিলিগুড়ি
২৭০.
সেদিন বেঙ্গল ক্লাবে
২৭১.
বেয়ারা
২৭২.
এত কঠিন অঙ্ক
২৭৩.
বাড়িওয়ালা
২৭৪.
সুনীলের সঙ্গে
২৭৫.
পুলিশ এবং রবীন্দ্রসংগীত
২৭৬.
দিশি-বিলিতি পুলিশের বৃত্তান্ত
২৭৭.
রসলক্ষ্মীর সাধনা
২৭৮.
জানলা পড়ল মাথায়
২৭৯.
সেদিনের চুম্বনের পরে
২৮০.
হাসির উপন্যাস
২৮১.
ভুল (২)
২৮২.
মহিলা কবিরা
২৮৩.
পুরনো কলকাতা
২৮৪.
প্রথমেই পঞ্চম সংস্করণ
২৮৫.
ঘুষ
২৮৬.
আইনমাফিক
২৮৭.
বাঁকা কথা
২৮৮.
শিশু বিষয়ে
২৮৯.
শব্দকল্পদ্রুম
২৯০.
জামাইষষ্ঠী
২৯১.
আইরিশ রসিকতা
২৯২.
পূজা ও রমণী
২৯৩.
প্রতিযোগিতা
২৯৪.
টকটক গন্ধ
২৯৫.
যানবাহন
২৯৬.
রস ও রমণী
২৯৭.
অনুভব অথবা ভাল লাগা
২৯৮.
রেডিয়ো
২৯৯.
রিকশা
৩০০.
পরিবার পরিকল্পনা
৩০১.
মহিলা মহল
৩০২.
লালিমা পাল স্মরণে
৩০৩.
বোকার মা
৩০৪.
স্থূল ও অস্থূল
৩০৫.
দম্পতি, দম্পতী
৩০৬.
সাদা রাস্তা কালো বাড়ি
৩০৭.
লক্ষপতি
৩০৮.
গল্পের গতি
৩০৯.
পাকিস্তান
৩১০.
ইঁদুর
৩১১.
এ হর্স ফর মাই কিংডম
৩১২.
হায় ছবি, তুমি শুধু ছবি
৩১৩.
প্রজাপতয়ে
৩১৪.
একটি উড়ো কাহিনী
৩১৫.
সময়জ্ঞান
৩১৬.
আমাদের কলের গান
৩১৭.
থানা পুলিশ
৩১৮.
ভ্রমণকাহিনী (৩)
৩১৯.
বয়স বাড়ছে
৩২০.
ভুল, ভূল
৩২১.
জীবজন্তু
৩২২.
ব্যবসা-বাণিজ্য
৩২৩.
বিজ্ঞাপন
৩২৪.
কবিতার ভাল-খারাপ
৩২৫.
জোচ্চোর
৩২৬.
বলাই বাহুল্য
৩২৭.
গোলমাল
৩২৮.
সিনেমা হল
৩২৯.
বাসাবাড়ি
৩৩০.
তবুও মাতাল
৩৩১.
ঢাকঢাক-গুড়গুড়
৩৩২.
জলাঞ্জলি
৩৩৩.
টাকাপয়সা
৩৩৪.
ঘুম (২)
৩৩৫.
ওগো বধূ সুন্দরী
৩৩৬.
প্রবাসে দৈবের বশে
৩৩৭.
তিন পুলিশের গল্প
৩৩৮.
দুই শ্রাদ্ধের গল্প
৩৩৯.
দুই বাঘের গল্প
৩৪০.
ঢাকাই রসিকতা
৩৪১.
ওয়ার্ক কালচার
৩৪২.
আমি কবি হয়েছিলাম গায়ের জোরে
৩৪৩.
যাহা পাই, তাহা চাই না
৩৪৪.
পথে পথে কবিতা
৩৪৫.
হাং সাং টাঙ্গাইল
৩৪৬.
পত্রের উত্তর
৩৪৭.
আবার উত্তর
৩৪৮.
বিদূষক
৩৪৯.
মশা
৩৫০.
খাদ্য সমস্যা
৩৫১.
বউ কথা কও
৩৫২.
শেফালি
৩৫৩.
ভালবাসার সন্ধানে
৩৫৪.
স্বর্গ যদি কোথাও থাকে
৩৫৫.
তারি লাগি যত
৩৫৬.
জাহাজ
৩৫৭.
স্ত্রী রত্ন
৩৫৮.
আদ্যনারায়ণ
৩৫৯.
আমার ভাগ্য
৩৬০.
পরোপকার
৩৬১.
অফিস
৩৬২.
ভদ্রলোক
৩৬৩.
কাকের মাংস
৩৬৪.
স্বর্গ নরক

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%