ওয়ার্ক কালচার

তারাপদ রায়

কোনও অফিসের বড়কর্তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ‘আপনার অফিসে কতজন লোক কাজ করে?’

প্রশ্নটা সরল প্রকৃতির, নিতান্তই সংখ্যানৈতিক। বললেই চুকে যেত, ‘আশি, একশো কী দেড়শো লোক কাজ করে।’

বড়কর্তা কিন্তু এমন সোজা উত্তর দেননি। সাধে কি আর তিনি বড়কর্তা। তিনি বলেছিলেন, ‘তা প্রায় শতকরা পঞ্চাশজন কাজ করে।’ মানে দাঁড়াল, তাঁর অফিসে যতজন লোক আছেন, তার অর্দ্ধেক কাজ করেন আর বাকি অর্ধেক কোনও কাজ করেন না।

একথা জানার পরে কেউ হয়তো বলতে পারেন, ‘এই বড়কর্তা অতি ভাগ্যবান ব্যক্তি এমন অনেক অফিস আছে যেখানে শতকরা পঁচিশজন লোকও মানে এক-চতুর্থাংশ লোক কোনও কাজ করেন না।’

অবশ্য এরও ব্যতিক্রম আছে। এমন অনেক অফিস আছে যেখানে একজনও কোনও কাজ করেন না। কিন্তু সেটা তাঁদের দোষ তা বলা যাবে না, কার্যকারণবশত সেখানে কোনও কাজ নেই। কলকাতায় প্লেগের অফিসে তিরিশ বছর কোনও কাজ ছিল না। ম্যালেরিয়া অফিস বেকার ছিল প্রায় কুড়ি বছর। কিন্তু অফিস, পদ, মাস শেষের বেতনাদি সবই ছিল, এমনকী ভাল কাজের জন্য এইসব কাজহীন অফিসে প্রমোশনও হয়েছে।

হঠাৎ বহুকাল বাদে প্লেগভীতি এবং তারপরে ম্যালেরিয়া আতঙ্ক এসে এইসব অফিসে হুলুস্থূল পড়ে গেছে। সবাই অবাক হয়ে জেনেছে, এইসব অফিস এতকাল ধরে দেশে ছিল। প্রশ্ন উঠেছে, এঁরা এইসব অফিসের কর্মচারীরা এতদিন কী করতেন।

অনেক জেলায় এখনও আছে কি না জানি না। কিছুদিন আগে পর্যন্ত মাংকি অফিসার (Monkey Officer) কিংবা ওই জাতীয় নামের একটা পদ ছিল। পদের একজন রীতিমতো গাদাবন্ধুকধারী অধিকারীও ছিলেন।

মাংকি অফিসার কোনও প্রতীকী পদার্থ নয়, সত্যিই বানরের অফিসার। না, বানরের দেখাশোনা, দেখভাল, পরিবার-পরিকল্পনা, পুনর্বাসন এসব এই অধিকারীর কাজ নয়, এই ব্যক্তি বানর সংহার অফিসার। শস্যখেতে বা জনপদে কোথাও অতিরিক্ত বানরের উৎপাত দেখা দিলে এঁর কাজ হল সেই বানরকে গুলি করে হত্যা করে বিনাশ করা। বলা বাহুল্য, কাজ করার সুযোগ এঁদের জীবনে কদাচিৎ আসে। আমি একবার এক বানর অধিকারীর দেখা পেয়েছিলাম, যাঁর গাদাবন্দুকের চওড়া নলে বোলতা বাসা বেঁধেছিল।

তাই বলে কি এই ভদ্রলোকের কোনও কাজ ছিল না। না, তা নয়। প্রত্যেক সপ্তাহে ওপরওয়ালা মারফত হেড অফিসে রিটার্ন পাঠাতে হত। আগের সপ্তাহ, আগের মাস পর্যন্ত কতগুলো বানর নিধন করা হয়েছে। এ সপ্তাহে বানরের অত্যাচারের খবর কতগুলো এসেছে। এ সপ্তাহে ঠিক কতগুলো বানর মারা গেছে কি না এবং সেক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এইরকম চতুর্দশপদী রিটার্ন।

স্বাভাবিক কারণেই ভদ্রলোক জিরো রিটার্ন পাঠাতেন, মানে সবই শূন্য, শূন্য। ভদ্রলোকের ওপরওয়ালারা চোখবুজে আরও পঞ্চাশটা সাপ্তাহিক রিটার্নের সঙ্গে সেটার নীচেও একটা সই করে দিতেন।

সেই রিটার্ন হেড অফিসে যেত। কোনওটার রিটার্ন পাঠাতে গাফিলতি হলে, কখনও কখনও মাস তিনেকের মাথায় রিমাইন্ডার আসত। কালেভদ্রে গুরুতর গাফিলতি হলে অর্থাৎ একাধিকবার রিটার্ন না গেলে হেড অফিসের বড় সাহেব ডেমি-অফিসিয়াল চিঠি দিয়ে হুমকি দিতেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের গাফিলতি আর বরদাস্ত করা হবে না।’

দুঃখের বিষয়, কেউ কখনও খতিয়ে দেখতেন না ব্যাপারটা কী, কীসেরই বা রিটার্ন? দায়সারা গড্ডালিকাপ্রবাহ চলছে তো চলছেই।

টাক্কাভি ঋণ নামে এক প্রাগৈতিহাসিক কৃষিঋণ ছিল, বহুকাল হল সে আপদ চুকেছে। কিন্তু দশ বছর আগেও একটা অফিসে দেখেছি, সেই ঋণদানের ও আদায়ের পৌনঃপুনিক অতি জটিল মাসিক রিটার্ন অফিস ছুটির পর বড়বাবুর সঙ্গে বসে কেরানিবাবু মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সেই রিটার্ন মেলাচ্ছেন। মেলাচ্ছেন মানে বহু পুরনো বাতিল হিসেবের সঙ্গে সাম্প্রতিক একগাদা শূন্য যোগ দিয়ে একটা বেশ বড় গোল্লা।

এই উদাহরণগুলো এই জন্যে এসে গেল যে, আসলে কাজ করাটাই সব কথা নয়, কাজটা সঠিক কাজ কি না সেটাও কাউকে দেখতে হবে। ডিসেম্বর মাসে কেউ জীবিত থাকলে সে নভেম্বর বা অক্টোবরেও জীবিত ছিল এর প্রমাণ চাওয়ার সমস্যা শুধু পেনশন অফিসেরই নয়, সব অফিসেরই অল্পবিস্তর রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ থাক। এবার ওয়ার্ক কালচার বিষয়ক কয়েকটি উড়ো কাহিনী বলি।

এসব গল্প শুনে কেউ কেউ হয়তো বলবেন সম্পূর্ণ গাঁজাখুরি কথাবার্তা। আমি তাঁদের জানাতে চাই, এসব গল্প আমি রচনা করিনি, আমি শুধু নতুন পরিবেশন করছি।

প্রথম গল্পটা সত্যিই খুব পুরনো। আমি নিজের নামে এটা একাধিকবার চালিয়েছি। এবারেও তাই করি।

আগেরদিন রাত্রিতে গভীর ও দীর্ঘ আড্ডা দিয়ে অনেক বেলায় ঘুম থেকে উঠেছি। সে অনেকদিন আগের কথা, প্রায় তিরিশ বছর হবে। আমি তখন কিনু গোয়ালার গলি কবিতার সেই দুখিসুখী নায়ক হরিপদর মতো সরকারি অফিসের কনিষ্ঠ কেরানি।

সেই সময়ে আমার এক অতি বিপজ্জনক ওপরওয়ালা ছিলেন। তাঁর মতো গোলমেলে লোক বিশ্বসংসারে বিরল।

সে যাক হোক, সেদিন বেশি বেলায় ঘুম থেকে উঠে তাড়াতাড়ি স্নান খাওয়া সেরে অফিস যাওয়ার জন্যে প্রস্তুত হলাম। কিন্তু আগের রাত্রির অনিদ্রা এবং ক্লান্তির জন্যে খাওয়া-দাওয়ার পরে বিছানায় একটু শরীর এলিয়ে দিতেই চোখ বুজে এল এবং ক্রমশ ঘুমিয়ে পড়লাম।

ঘুম ভেঙে উঠে দেখি বেলা প্রায় দুপুর। আমি তাড়াতাড়ি ছুটে অফিস অভিমুখে রওনা হলাম। অফিসে পৌঁছে ঢোকার মুখে দেখি আমার সেই গোলমেলে ওপরওয়ালা দাঁড়িয়ে রয়েছেন। মুখোমুখি হতেই তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী এত দেরি?’

আমি আর কী বলব, সত্যি কথাই বললাম, ‘স্যার, বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঠিক অফিস আসার মুখে।’

এই কথা শুনে আমার সেই ওপরওলা যৎপরোনাস্তি অবাক হয়ে গেলেন, ‘সে কী মশায়, আপনি বাড়িতেও ঘুমোন নাকি?’

ইঙ্গিতটি অবশ্যই স্পষ্ট। আমি অফিসেই যথেষ্ট ঘুমোই, আমার আবার বাড়িতে ঘুমোনোর প্রয়োজন কি?

এই কাহিনীর সূত্রে অন্য একটা ঘটনার কথা মনে পড়ছে।

সেও অনেকদিন আগের কথা। তখন আমি মহাকরণে একটি দপ্তরে উপসচিব। আমার এক সহকর্মী, তিনিও উপসচিব, আমার সঙ্গে একই ঘরে বসেন। তিনি প্রায় প্রতিদিনই জনৈক সহায়কের বিষয়ে গজগজ করতেন, আমার কাছে অনুযোগও করতেন।

ওই সহায়কটিকে আমিও হাড়েচড়ে চিনতাম। অমন অকর্মণ্য, সময় অচেতন, মিথ্যাবাদী সরকারি কর্মচারী সহজলভ্য নয়। আমার ভাগ্য ভাল, সে আমার শাখায় কাজ করত না।

আমার সহকর্মীর ভাগ্যও ভাল। কারণ এর মধ্যেই জানা গেল, ওই কর্মচারীটি অন্যত্র কাজ পেয়ে চলে যাচ্ছে। চলে যাওয়ার আগে সহায়কটি যথারীতি তার অফিসার, মানে আমার উপসচিব বন্ধুটিকে একটা ভাল ক্যারেক্টর সার্টিফিকেটের জন্যে অনুরোধ জানাল। অগত্যা রাজি না হওয়া ছাড়া তাঁর উপায় ছিল না।

কিন্তু কী সার্টিফিকেট তিনি দেবেন। কাজকর্ম, উপস্থিতি, আচারব্যবহার কোনওটাই জ্ঞানত, ধৰ্মত ভাল বলা যায় না। শেষ পর্যন্ত অনেক কাটাকুটি করে মাত্র আড়াই পঙ্‌ক্তির একটা সার্টিফিকেট হয়েছিল, তার মধ্যে কাজকর্ম ইত্যাদি বিষয়ে কথা নেই। তবে ভাল বলা হয়েছে, ‘ভাল ঘুমোতে পারে।’

অবশেষে একটা প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ দিই। সদা তৎপর হলেই ওয়ার্ক কালচার উন্নত করা যায় না।

এটা এক পোস্ট অফিসের ঘটনা। যেমন হয়, কাউন্টারে এক ভদ্রলোক কিছু বলেছেন। তার জবাবে কাউন্টারে কর্মরত কেরানিবাবু বললেন, ‘না নেই। প্রায় মাসখানেক নেই।’

এই কথা তৎপর নতুন পোস্টমাস্টার মশায়ের কানে যেতে তিনি ছুটে সেই ভদ্রলোককে বললেন, ‘না, নেই কেন? আপনি ওই নয় নম্বর কাউন্টারে যান, ওখানে পাবেন।’

মাস্টারমশাই ভেবেছিলেন বেশ কিছুদিন পোস্টকার্ডের অভাব যাচ্ছে, এই ভদ্রলোক বোধহয় পোস্টকার্ডের খোঁজ করছেন।

আসলে তিনি অন্য জায়গার লোক। পোস্টঅফিসে টিকিট কিনতে এসে কথায় কথায় জিজ্ঞাসা করেছিলেন, এখানে বৃষ্টি হচ্ছে কি না। তারই জবাবে কেরানিবাবুটি জানান, না, চার সপ্তাহ নেই।

সুতরাং এবার যখন মাস্টারমশায়ের কাছে জানতে পারলেন, নয় নম্বর কাউন্টারে বৃষ্টি আছে, তিনি একটু অবাক হলে কারও কিছু করার নেই।

ইংরেজি সরস সাহিত্যের গুরুদেব, অবিস্মরণীয় জেরোম কে জেরোম তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘থ্রি মেন ইন এ বোট’ বইতে লিখেছিলেন,

‘আমি কাজ ভালবাসি। কাজ আমাকে আকর্ষণ করে। আমি কাজের কাছে বসে থাকি এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজের দিকে তাকিয়ে থাকি। আমি ভালবাসি কাজটাকে নিজের কাছে ধরে রাখতে। কাজ ছাড়া হতে আমার হৃদয় ভেঙে যায়।’

রসিকতাটি খুবই উচ্চমানের এবং সে জন্যেই স্পষ্ট। কাজ করতে না চাওয়া লোকের পক্ষেই শুধু এ রকম যুক্তির অবতারণা করা সম্ভব। কাজ করি না কারণ কাজকে ভালবাসি আর তাই কাজ ধরে রাখি।

যে কোনও কাজ ফাঁকি দেওয়া লোক, তিনি যাই হোন না কেন, এ রকম একটি সরস যুক্তির আড়ালে অনায়াসেই আশ্রয় নিতে পারেন। কিন্তু তা তিনি নেন না। সাধারণত কাজ পড়ে থাকার জন্যে যে কারণগুলি দেখানো হয়, তা হল,

(এক) স্ত্রীর শরীর খারাপ। স্ত্রী নাম্নী ভদ্রমহিলা এসব ব্যাপারে খুব কাজে আসেন। তিনি হয়তো জানেন না কী সব দুরারোগ্য অসুখে তিনি ভুগছেন, যার জন্যে তাঁর স্বামী অফিসের কাজ ঠিক সময়ে তুলতে পারছেন না।

(আজকাল অবশ্য অফিসের মহিলা কর্মীরা স্বামীর অসুখের সুবাদে একই পদ্ধতিতে কাজ এড়িয়ে যাচ্ছেন।)।

(দুই) রাস্তায় যানবাহনের অভাব। সেইজন্য অফিস আসতে দেরি হয়ে যায়। অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বেরতে হয়।

(এই যুক্তিটা অবশ্য আপাতগ্রাহ্য। কিন্তু তাঁকে যদি বলা হয়, আপনি সকাল-সকাল এলে এবং দেরি করে অফিস থেকে বেরলে ভিড় এড়াতে পারেন, তিনি যা যা বলতে পারেন সেটা অকল্পনীয়।)

(তিন) ছেলে বা মেয়ের পরীক্ষা চলছে। সুতরাং তাঁকে হলে ছেলেকে পৌঁছে দিয়ে অফিসে আসতে হয়। এসেই বেরিয়ে যান পরীক্ষার্থীর টিফিন দিতে। দ্বিতীয় বেলার পরীক্ষা আরম্ভ হওয়ার পর অফিসে এসে মিনিট পনেরো থেকে আবার পরীক্ষা কেন্দ্রে যাত্রা পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ছেলে বা মেয়েকে বাড়ি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্যে।

অবশ্য এসবের বিপরীতে আমি অন্য একটি গল্প জানি, সেটি খুবই মর্মান্তিক।

কোনও এক অফিসে এক দায়িত্ব সচেতন ব্যক্তি গত পনেরো বছর ধরে কাজ করছেন। কখনও অনিয়মিতভাবে অফিসে আসেননি। বিনা অনুমতিতে কামাই করেননি। ঠিকঠাক দশটার মধ্যে অফিসে এসেছেন। সারাদিন ঘাড় গুঁজে কাজ করেছেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় অফিস ছুটির পরে বাড়ি রওনা হয়েছেন।

একদিন সেই ভদ্রলোক বেলা সাড়ে বারোটায় এসে অফিসে উপস্থিত হলেন। কিন্তু একী চেহারা তাঁর। মাথা ফাটা, কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধা। চুল উসকোখুসকো। হেঁড়া জামাকাপড় ধুলো মাখামাখি। হাত ছড়ে গিয়েছে। কোনওরকমে খোঁড়াতে খোঁড়াতে তিনি এসে অফিস পৌঁছালেন।

তাঁকে দেখে ওপরওয়ালা খেঁচিয়ে উঠলেন, ‘কী ব্যাপার, এত বেলায় সং সেজে কোথা থেকে এলেন?’

ভদ্রলোক কাতর কণ্ঠে বললেন, ‘আমার কোনও দোষ নেই স্যার।’

ওপরওলা আবার খেঁচিয়ে উঠলেন, ‘তা হলে আমার দোষ?’

ভদ্রলোক অনুনয় করে বললেন, ‘স্যার, আমার কথাটা একবার শুনুন।’

অতঃপর ওপরওলা গম্ভীর হয়ে তাকালেন তাঁর দিকে। সেই জ্বলন্ত দৃষ্টির সামনে থেকে চোখটা নামিয়ে ভদ্রলোক বললেন, ‘স্যার অফিসে আসার জন্যে দৌড়ে মিনিবাসে উঠতে গেছি এমন সময় পেছন থেকে একটা গাড়ি এসে আমাকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দিল। অনেক দূরে ছিটকে গিয়ে ফুটপাথের ওপরে পড়ে গিয়েছিলাম, মাথাটা ফেটে গেল, কিন্তু প্রাণে বেঁচে গেলাম।’

ওপরওলা এতক্ষণে অস্থির হয়ে পড়েছেন, তিনি হুমকি দিলেন, ‘কথা সংক্ষিপ্ত করুন।’

ভদ্রলোক বললেন, ‘বলছি স্যার, আর একটু। রাস্তা থেকে লোকজন ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেল। সেখানে ব্যান্ডেজ করল, ইঞ্জেকশন দিল। বুঝতেই পারছেন স্যার।’

অবশেষে ওপরওলা বললেন, ‘তাই বলে এত দেরি!’

অনেকদিন আগের একটা ঘটনা মনে পড়ছে। কী যেন একটা চাকরির জন্যে অফিসে একটি ইন্টারভিউ নিতে হচ্ছিল। খুব দুঃখজনক কাজ, যতজনের ইন্টারভিউ নেয়া হবে তার মধ্যে শতকরা দশজনও কাজ পাবে কি না বলা কঠিন। আবার যাদের সাক্ষাৎকার নেয়া হচ্ছে, তাদের অধিকাংশরই যোগ্যতা সন্দেহজনক।

এরই মধ্যে এক চাকরি প্রার্থীকে পেলাম যার আবেদনপত্রে দেখা গেল, সে লিখেছে এর আগে সে আরও তিন জায়গায় কাজ করেছে।

স্বভাবতই তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘এই যে তিন জায়গায় তুমি এর আগে কাজ করেছ লিখেছ দরখাস্তে, তা সেসব জায়গা থেকে তোমাকে কোনও সার্টিফিকেট দেয়নি?’

উত্তরে চাকরি প্রার্থী জানান, ‘হ্যাঁ, দিয়েছিল।’

তখন তাকে বলা হল, ‘দেখি সার্টিফিকেটগুলো দাও তো।’

সে এবার জানাল, সার্টিফিকেটগুলো নেই, সে সেগুলো ছিঁড়ে ফেলে দিয়েছে।

একথা শুনে আমরা যারা সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলাম সবাই অবাক হয়ে গেলাম। সে কী কথা!

এরপরে সে যা বলল সে খুবই মর্মান্তিক। তার বক্তব্য হল, সেই সার্টিফিকেটগুলোয় তার সম্পর্কে যা লেখা ছিল তা দেখলে তাকে আর কেউ চাকরি দিত না।

বলাবাহুল্য, আমাদের ওখানেও তার চাকরি হয়নি।

পরিহাসের কথা থাক। এবার একটু কঠিন বাস্তবে আশা যাক।

অফিসগুলোতে অনেকেই কাজ করে না। ঠিকমতো অফিসে আসে না। ধুমধাড়াক্কা ছুটি নেয়। দরকারি কাগজপত্র, নথি ফেলে রাখে। কাজ ফেলে আড্ডা দেয়। খেলার মাঠে, সিনেমায় যায়। প্রেম করে।

মাঝে মধ্যেই খবরের কাগজে দেখা যায়, লোকমুখে আলোচনাও শোনা যায়। অমুক অফিসে একজন ডিরেক্টর বা কমিশনার এসেছেন। নাম বজ্ৰপানি চক্রবর্তী কিংবা কৃতান্ত বাগ। তিনি এসেই অফিসে হুলুস্থূল বাধিয়ে দিয়েছেন। সাংঘাতিক কড়াকড়ি শুরু করেছেন। সবাইকে নির্দিষ্ট সময়ে আসতে হবে, সিটে থাকতে হবে, টিফিনের সময় কোনও কারণেই আধঘণ্টার বেশি অফিসের বাইরে বা টেবিল ছেড়ে চলে যাওয়া যাবে না।

বেশ একটা কাজ-কাজ হইচই পড়ে যায়। কিছু পুরনো নথির ওঠানামা শুরু হয়। ধুলোময়লা, মাকড়শার জালের নীচ থেকে অনেক পুরনো কাগজ বেরিয়ে আসে।

কিন্তু দুঃখের বিষয় ব্যাপারটা কেমন যেন অল্পদিন পরেই থিতিয়ে যায়। আবার ঢিলেমি, কাজে ফাঁকি শুরু হয়। সেই দোর্দণ্ড প্রতাপ বড় কর্তাও ইতিমধ্যে যথা নিয়মে বদলি হয়ে যান। আবার যে কে সেই। সেই ভূতাবস্থা।

আসলে কোনও একক অফিসে বিক্ষিপ্তভাবে কিছু করা যায় না। দু’-চার দিন বিধি নিয়ম প্রয়োগ করে ভয় দেখিয়ে কিছুটা কাজ হয়তো হয়, কিন্তু সেটা স্থায়ী হয় না।

কোথাও কোনও অফিসে ঠিকমতো কাজ হচ্ছে না। তার মধ্যে একটি অফিস যথাযথ চলবে এ রকম হতে পারে না।

ওয়ার্ক কালচার অনেক বড় ব্যাপার। যে কাজ করবে তার যদি কাজ করার মনোভাব না থাকে, সদিচ্ছা ও দায়িত্ববোধ না থাকে, তা হলে ভয় দেখিয়ে, জোর করে কাজ করানো কঠিন।

কলু তার ঘানির বলদের গলায় ঘন্টা বেঁধে দেয়, যাতে তার অসাক্ষাতে বলদ যদি ঘানিতে পাক না দিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে পড়ে, ঘণ্টা বাজা থেমে যেতেই সে বুঝতে পারবে। এক পণ্ডিতমশায় এই দেখে কলুকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘কিন্তু তোমার বলদ যদি ঘানিতে পাক না নিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গলা দুলিয়ে ঘণ্টা নাড়ে, তা হলে তুমি তো বুঝতে পারবে না যে সে কাজে ফাঁকি দিচ্ছে।’

এ কথা শুনে কলু রেগে গিয়ে পণ্ডিতমশায়কে বলেছিল, ‘আমার বলদের অত বুদ্ধি নেই। সে তো আর আপনার পাঠশালায় পড়েনি।’

ওয়ার্ক কালচারের সমস্যা যাদের নিয়ে তারা সবাই কিন্তু ওই পণ্ডিতমশায়ের পাঠশালার ছাত্র।

সকল অধ্যায়
১.
চুরিবিদ্যা
২.
নৈশকাহিনী
৩.
কালীঘাটের পাখা
৪.
ডাকাতের হাতে
৫.
পদ্মাসন
৬.
শিশুশিক্ষা (১)
৭.
ঘুম (১)
৮.
পাগলের কাণ্ডজ্ঞান
৯.
পদবি ও নাম
১০.
ছারপোকার এপিটাফ
১১.
ভাগ্যফল
১২.
বিশেষজ্ঞ
১৩.
ছাতা
১৪.
র‍্যাডিস উইথ মোলাসেস
১৫.
ঘড়ি
১৬.
দরজি
১৭.
সংখ্যাতত্ত্ব
১৮.
মাতালের কাণ্ডজ্ঞান
১৯.
ভূতের কাণ্ডজ্ঞান
২০.
বানরের কাণ্ডজ্ঞান
২১.
কিঙ্কর-কিঙ্করী
২২.
ডাক্তার-ডাক্তার
২৩.
দাঁত
২৪.
টেলিফোন
২৫.
আমি কীরকমভাবে
২৬.
মন মোর মেঘের সঙ্গী
২৭.
ভ্রমণকাহিনী (১)
২৮.
প্রসূতি সদন
২৯.
নিজের ওজন নিজে বুঝুন
৩০.
জীবজন্তুর কথা
৩১.
গোরু (১)
৩২.
প্রিয়তমাসু
৩৩.
অভিনয় নয়
৩৪.
ইঁদুর ও মদিরা
৩৫.
টর্চলাইট
৩৬.
রং
৩৭.
লিফট
৩৮.
মদমত্ত
৩৯.
সুচিকিৎসা
৪০.
অচলার প্রেম
৪১.
শেষ পরকীয়া
৪২.
তালা
৪৩.
কুকুর-কুকুর
৪৪.
গোপাল ভাঁড়
৪৫.
জগৎপারাবারের তীরে
৪৬.
হিন্দি
৪৭.
রেফ্রিজারেটর
৪৮.
কৃষ্ণকান্ত এবং…
৪৯.
মাতাল রহস্য
৫০.
আবার মনে মনে
৫১.
শেষের সেদিন
৫২.
ভবসিন্ধু
৫৩.
রবীন্দ্রনাথ
৫৪.
…বাচ্চা
৫৫.
কুকুর কুণ্ডলী
৫৬.
হে মাতাল, অমোঘ মাতাল
৫৭.
শিশুপাল
৫৮.
ভোজনালয়
৫৯.
বাড়ি ভাড়া
৬০.
হায় ছবি
৬১.
জীবনবিমা
৬২.
কোন বাণিজ্যে
৬৩.
ডাক্তারের হাতে
৬৪.
অঘটন আজও ঘটে
৬৫.
সুপরামর্শ
৬৬.
পুলিশ
৬৭.
ফাঁদ পাতা ভুবনে
৬৮.
ধরা পড়েছে দু’জনে
৬৯.
রুপোলি পর্দার অন্তরালে
৭০.
পিয়ো হে পিয়ো
৭১.
ও চাঁদা চোখের জলে
৭২.
দামদর
৭৩.
মিথ্যা কথা
৭৪.
কে কোথা ধরা পড়ে
৭৫.
সময়
৭৬.
হায় কবি, তুমি শুধু কবি
৭৭.
রোগীর বন্ধু
৭৮.
রসুন
৭৯.
রসিকতা
৮০.
স্বর্গ
৮১.
দুর্ঘটনার আগে ও পরে
৮২.
পণ্ডিত
৮৩.
সমস্যা
৮৪.
স্বেচ্ছাসেবক
৮৫.
বক্তা ও বক্তৃতা
৮৬.
আবার বক্তৃতা
৮৭.
কলিংবেল
৮৮.
ঈশ্বর সমীপে
৮৯.
জীব জগতের আজব কথা
৯০.
তামাক
৯১.
আবার তামাক
৯২.
রোগী কাহিনী
৯৩.
নরখাদকের কাহিনী
৯৪.
আয় শীত, যায় শীত
৯৫.
ঘটি-বাঙাল
৯৬.
চিড়িয়াখানায়
৯৭.
সমান-সমান
৯৮.
স্মৃতির খেয়া
৯৯.
অচলপত্র
১০০.
সচিত্র ভারত
১০১.
রাম ও রামকৃষ্ণ
১০২.
কৃষ্ণ ও রামকৃষ্ণ
১০৩.
স্বপ্ন ও রমণী
১০৪.
অবাঞ্ছিত আতিশয্য
১০৫.
যা দেবী সর্বভূতেষু
১০৬.
মরণ রে
১০৭.
ধৈর্যের পরীক্ষা
১০৮.
ভুল (১)
১০৯.
গল্পের গোরু
১১০.
কাজের মেয়ে
১১১.
বইমেলা
১১২.
স্ত্রী
১১৩.
প্রথম কোকিল
১১৪.
দ্বিতীয় কোকিল
১১৫.
তৃতীয় কোকিল
১১৬.
অমল ধবল পালে
১১৭.
স্বামী-স্ত্রী ইত্যাদি
১১৮.
চিকিৎসা
১১৯.
ভূত ও রিপোর্টার
১২০.
হাঁচির গল্প
১২১.
ভাষা-ভাষা
১২২.
বালুকা ডাকিনী
১২৩.
ফুটবল
১২৪.
প্রশ্নোত্তর
১২৫.
অসম্ভব
১২৬.
রসিকতার উৎস সন্ধানে
১২৭.
ডাক্তারবাবু নমস্কার
১২৮.
আত্মনেপদী
১২৯.
ভাগলপুরের পাঞ্জাবি
১৩০.
পুজোর বাজার
১৩১.
অপমান
১৩২.
জীবজন্তু (১)
১৩৩.
পুজোর ছুটি
১৩৪.
ক্রিমিনাল
১৩৫.
রবিবারের মহাভারত
১৩৬.
আইনের আঙিনায়
১৩৭.
বুদ্ধি
১৩৮.
শাশুড়ি
১৩৯.
দেয়া-নেয়া
১৪০.
হে হিসাব
১৪১.
মাছ (১)
১৪২.
কুসংস্কার
১৪৩.
জুয়া (১)
১৪৪.
এসো বসি আহারে
১৪৫.
শুভ নববর্ষ
১৪৬.
রমণী সমাজে
১৪৭.
স্বপ্ন
১৪৮.
কলকাতা তিনহাজার তিনশো
১৪৯.
আবার বইমেলা
১৫০.
এক সর্দারের গল্প (১)
১৫১.
এক সর্দারের গল্প (২)
১৫২.
এক সর্দারের গল্প (৩)
১৫৩.
জল
১৫৪.
শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন
১৫৫.
গাধা
১৫৬.
হাওয়াই
১৫৭.
সুনন্দর জার্নাল
১৫৮.
সরস কলকাতা
১৫৯.
সরস কবিতা
১৬০.
স্টুপিডেস্ট
১৬১.
অবনী, বাড়ি আছো?
১৬২.
জুয়া (২)
১৬৩.
সময়ের হিসেব
১৬৪.
কেনাকাটা: জুতো
১৬৫.
ভেজা চপ্পল
১৬৬.
জয়বাবা শান্তিনাথ
১৬৭.
টেলিফোন
১৬৮.
পরিশেষে
১৬৯.
জনগণের জোক!
১৭০.
মকারান্ত
১৭১.
কয়েকটি প্রশ্ন
১৭২.
খাওয়া-দাওয়া
১৭৩.
বলাবাহুল্য
১৭৪.
শরৎচন্দ্র এবং রসিকতা
১৭৫.
পৃথিবী
১৭৬.
সুখের লাগিয়া
১৭৭.
অন্দর মহলে
১৭৮.
জোক বুক
১৭৯.
সান্টা, বান্টা
১৮০.
সরল শৈশব
১৮১.
কথা বলার বিপদ
১৮২.
সিগারেট
১৮৩.
পাটিগণিত
১৮৪.
গ্রন্থবার্তা
১৮৫.
প্রেমিক-প্রেমিকা
১৮৬.
ডাক্তারবাবু
১৮৭.
বধূমাতা
১৮৮.
কেনাবেচা
১৮৯.
বালিশ
১৯০.
আপ রুচি খানা
১৯১.
কাণ্ডজ্ঞান
১৯২.
দুর্ঘটনা
১৯৩.
বিজনের রক্তমাংস
১৯৪.
বিলিতি বিয়ার-পাব
১৯৫.
রাজনীতি
১৯৬.
চপলতা
১৯৭.
বাগ্বিধি
১৯৮.
মশা ও লবণহ্রদ
১৯৯.
যদ্দৃষ্টং
২০০.
বয়েস বাড়ছে
২০১.
ধানাই-পানাই
২০২.
আমপাতা জোড়া-জোড়া
২০৩.
ভ্রমণকাহিনী (২)
২০৪.
হাস্যকবি সম্মেলন
২০৫.
মুড়ি-মিছরি
২০৬.
গণ্ডারের দুধ
২০৭.
তৈজসপত্র
২০৮.
পুলিশ
২০৯.
গোরু
২১০.
অণুনাটিকা
২১১.
যদিদং হৃদয়ং
২১২.
এমন বাদল দিনে
২১৩.
ফাঁসি
২১৪.
লেপ
২১৫.
ব্যাটবল
২১৬.
স্বপ্ন
২১৭.
বড়দিন
২১৮.
ধনীরাম
২১৯.
ব্যাঙ্ক
২২০.
জাহান্নাম
২২১.
ইতিহাস
২২২.
লুঙ্গি
২২৩.
সেই বই
২২৪.
ধ্বংসের মুখোমুখি
২২৫.
ফুরসতনামা
২২৬.
পোড়া বই
২২৭.
বার্তাকু ভক্ষণ বিল
২২৮.
অ্যালেন গিনসবার্গ
২২৯.
প্যাঁচ
২৩০.
শিশুশিক্ষা (২)
২৩১.
লেখাপড়া
২৩২.
ডেটলাইন শান্তিনিকেতন
২৩৩.
যেভাবে গল্প তৈরি হয়
২৩৪.
হায় ভীরু প্রেম
২৩৫.
মাতালের গল্প
২৩৬.
মনের কথা
২৩৭.
চিনা-অচিনা
২৩৮.
কয়েকটি অবিশ্বাস্য রসিকতা
২৩৯.
মনের চিকিৎসা
২৪০.
কান্তকবি
২৪১.
জ্যোতিষী
২৪২.
আবার জ্যোতিষী
২৪৩.
পথের ভিখিরি
২৪৪.
গুরু-শিষ্য সংবাদ
২৪৫.
ভুলোমন স্বামী
২৪৬.
বই চুরি
২৪৭.
ফিলমি-ফিলমি
২৪৮.
চার্চিল
২৪৯.
পঞ্জিকা
২৫০.
নিমন্ত্রণ
২৫১.
মাছ (২)
২৫২.
জানোয়ার
২৫৩.
তুমি যে আমার
২৫৪.
সৈয়দ মুজতবা আলি
২৫৫.
ধারদেনা
২৫৬.
শিবরাম চক্রবর্তী
২৫৭.
যাচ্ছেতাই লেখা লিখছি
২৫৮.
দুর্বৃত্তের শাসানি
২৫৯.
নিজের কোট খুলতে পারে না
২৬০.
ভোজসভা শেষে বক্তৃতা
২৬১.
শুধু পাঠিকারা চিঠি লেখে
২৬২.
পাসপোর্ট ফোটোর মতো
২৬৩.
আগে পাঁচ ডলারে, এখন?
২৬৪.
এত বুড়ো হব নাকো
২৬৫.
অপ্রত্যাশিত
২৬৬.
গরমের পাখা মাঘ মাসে
২৬৭.
বাংলায় কেন হয় না
২৬৮.
মধ্যযুগ
২৬৯.
শিলিগুড়ি
২৭০.
সেদিন বেঙ্গল ক্লাবে
২৭১.
বেয়ারা
২৭২.
এত কঠিন অঙ্ক
২৭৩.
বাড়িওয়ালা
২৭৪.
সুনীলের সঙ্গে
২৭৫.
পুলিশ এবং রবীন্দ্রসংগীত
২৭৬.
দিশি-বিলিতি পুলিশের বৃত্তান্ত
২৭৭.
রসলক্ষ্মীর সাধনা
২৭৮.
জানলা পড়ল মাথায়
২৭৯.
সেদিনের চুম্বনের পরে
২৮০.
হাসির উপন্যাস
২৮১.
ভুল (২)
২৮২.
মহিলা কবিরা
২৮৩.
পুরনো কলকাতা
২৮৪.
প্রথমেই পঞ্চম সংস্করণ
২৮৫.
ঘুষ
২৮৬.
আইনমাফিক
২৮৭.
বাঁকা কথা
২৮৮.
শিশু বিষয়ে
২৮৯.
শব্দকল্পদ্রুম
২৯০.
জামাইষষ্ঠী
২৯১.
আইরিশ রসিকতা
২৯২.
পূজা ও রমণী
২৯৩.
প্রতিযোগিতা
২৯৪.
টকটক গন্ধ
২৯৫.
যানবাহন
২৯৬.
রস ও রমণী
২৯৭.
অনুভব অথবা ভাল লাগা
২৯৮.
রেডিয়ো
২৯৯.
রিকশা
৩০০.
পরিবার পরিকল্পনা
৩০১.
মহিলা মহল
৩০২.
লালিমা পাল স্মরণে
৩০৩.
বোকার মা
৩০৪.
স্থূল ও অস্থূল
৩০৫.
দম্পতি, দম্পতী
৩০৬.
সাদা রাস্তা কালো বাড়ি
৩০৭.
লক্ষপতি
৩০৮.
গল্পের গতি
৩০৯.
পাকিস্তান
৩১০.
ইঁদুর
৩১১.
এ হর্স ফর মাই কিংডম
৩১২.
হায় ছবি, তুমি শুধু ছবি
৩১৩.
প্রজাপতয়ে
৩১৪.
একটি উড়ো কাহিনী
৩১৫.
সময়জ্ঞান
৩১৬.
আমাদের কলের গান
৩১৭.
থানা পুলিশ
৩১৮.
ভ্রমণকাহিনী (৩)
৩১৯.
বয়স বাড়ছে
৩২০.
ভুল, ভূল
৩২১.
জীবজন্তু
৩২২.
ব্যবসা-বাণিজ্য
৩২৩.
বিজ্ঞাপন
৩২৪.
কবিতার ভাল-খারাপ
৩২৫.
জোচ্চোর
৩২৬.
বলাই বাহুল্য
৩২৭.
গোলমাল
৩২৮.
সিনেমা হল
৩২৯.
বাসাবাড়ি
৩৩০.
তবুও মাতাল
৩৩১.
ঢাকঢাক-গুড়গুড়
৩৩২.
জলাঞ্জলি
৩৩৩.
টাকাপয়সা
৩৩৪.
ঘুম (২)
৩৩৫.
ওগো বধূ সুন্দরী
৩৩৬.
প্রবাসে দৈবের বশে
৩৩৭.
তিন পুলিশের গল্প
৩৩৮.
দুই শ্রাদ্ধের গল্প
৩৩৯.
দুই বাঘের গল্প
৩৪০.
ঢাকাই রসিকতা
৩৪১.
ওয়ার্ক কালচার
৩৪২.
আমি কবি হয়েছিলাম গায়ের জোরে
৩৪৩.
যাহা পাই, তাহা চাই না
৩৪৪.
পথে পথে কবিতা
৩৪৫.
হাং সাং টাঙ্গাইল
৩৪৬.
পত্রের উত্তর
৩৪৭.
আবার উত্তর
৩৪৮.
বিদূষক
৩৪৯.
মশা
৩৫০.
খাদ্য সমস্যা
৩৫১.
বউ কথা কও
৩৫২.
শেফালি
৩৫৩.
ভালবাসার সন্ধানে
৩৫৪.
স্বর্গ যদি কোথাও থাকে
৩৫৫.
তারি লাগি যত
৩৫৬.
জাহাজ
৩৫৭.
স্ত্রী রত্ন
৩৫৮.
আদ্যনারায়ণ
৩৫৯.
আমার ভাগ্য
৩৬০.
পরোপকার
৩৬১.
অফিস
৩৬২.
ভদ্রলোক
৩৬৩.
কাকের মাংস
৩৬৪.
স্বর্গ নরক

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%