হায় ভীরু প্রেম

তারাপদ রায়

ভালবাসা নাকি চাঁদের মতো। কখনও এক অবস্থায় থাকে না। হয় বাড়ে না-হয় কমে। চন্দ্রকলার মতো হয় প্রেম ক্রম বিকশিত হয় নতুবা ক্রম বিনাশিত হয়।

জানি এসৰ ছেঁদো দার্শনিক তত্ত্ব এই হালকা হাসির লঘু নিবন্ধে আর যাই হোক তারাপদ রায়ের কাছে কেউ আশা করেন না। সুতরাং আপাতত তরল কাহিনীর স্রোতে কিছুটা এগোনো যাক। ধরা যাক সেই প্রেমিক-প্রেমিকার কথা যাঁরা দীর্ঘ প্রেমলীলার পর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং তারপরে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আবিষ্কার করেছিলেন তাঁদের দু’জনের মধ্যে কোথাও কোনও বিষয়ে সামান্যতম মিল নেই। শুধু একটা জায়গায় মিল ছিল দু’জনের, দু’জনারই বিয়ের তারিখ এক, তা ছাড়া দু’জনারই এক ম্যারেজ রেজিষ্ট্রার।

এ-গল্পটা আসলে সেই পুরনো গল্পটার মতো যেখানে গল্পের নায়ক দুঃখ করে বলেছিলেন, ‘আমাদের বাড়িতে আজ পর্যন্ত কারও ভাল বিয়ে হয়নি একমাত্র আমার স্ত্রী ছাড়া।’ স্বামী-স্ত্রীর প্রসঙ্গে যথাস্থানে আসা যাবে, এখন প্রেমিক-প্রেমিকার ব্যাপারটা একটু তলিয়ে দেখা যাক।

অনেকদিন আগে একটি ছেলে আমাকে বলেছিল যে, তার যে প্রেমিকা সেই মেয়েটি যমজ সন্তানের একজন! আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, দু’জনার মধ্যে ঠিক কোনজন তোমার প্রেমিকা বুঝতে তোমার কোনও অসুবিধা হয় না?

ছেলেটি ঘাড় নেড়ে আমাকে জানিয়েছিল, আরে না, না দাদা, অসুবিধে হবে কেন? ওর ভাইয়ের একটা গোঁফ আছে যে। এই রকম অন্য একটি ক্ষেত্রে আমি নিজে যে জবাবটা দিয়েছিলাম সেটাও এই সূত্রে স্মরণীয়। সে অনেককাল আগের কথা। জনৈক ভদ্রলোক আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আপনার স্ত্রী এবং শ্যালিকা দু’জনেই তো একরকম দেখতে, কে আপনার স্ত্রী, কে আপনার শ্যালিকা চটপট বুঝতে অসুবিধে হয় না আপনার?

যাঁরা বিদ্যাবুদ্ধি পড়েছেন তারা জানেন আমি কী বলেছিলাম, আমি বলেছিলাম, বোঝার খুব চেষ্টা করি না।

সেই কবে পবিত্র বাইবেলে লেখা হয়েছিল ভালবাসা মৃত্যুর মতোই শক্তিশালী। এই বাইবেল-বাক্য স্মরণে রেখেই বোধহয় একজন প্রেমিক তার প্রেমিকাকে এক আবেগবিহ্বল মুহূর্তে জিজ্ঞাসা করেছিল, আচ্ছা আমি যদি হঠাৎ মরে যাই তা হলে তুমি খুব দুঃখ পাবে?

প্রেমিকের এই শিশুসুলভ প্রশ্নে খুবই কৌতুক বোধ করেছিল যুবতীটি কিন্তু মুখে বলেছিল, ‘নিশ্চয়’।

এরপর প্রেমিক জানতে চেয়েছিল, তুমি খুব কাঁদবে?

প্রেমিকা বলেছিল, কাঁদব না কেন?

তখন সেই প্রেমিক অন্যায় আবদার করে বসল, একটু কেঁদে দেখাও না।

এই অনুরোধ রক্ষা করার বদলে একটি অতি নিষ্ঠুর জবাব দিয়েছিল যুবতীটি, একটু মরে দেখাও না।

জানি না, এর পরেও ভালবাসা মৃত্যুর মতো শক্তিশালী ছিল কি না, এর পরেও টিকেছিল কিনা।

প্রেম ও মৃত্যুর ব্যাপারে সেই ঘটনাটাও মনে পড়ছে। প্রেম নিবেদন করার পরে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরে খুবই ভেঙে পড়েছিল সেই প্রেমিক। শুধু প্রণয় নিবেদন নয়, সে কিন্তু পরিণয় প্রস্তাবও দিয়েছিল। মেয়েটি রাজি না হওয়ায় সে বেচারা একেবারে মুষড়িয়ে যায়, প্রায় কান্নাকাটি করে আর কী।

মেয়েটি তখন সমবেদনার সুরে জিজ্ঞাসা করল, কী হল তোমার? এত ভেঙে পড়লে কেন, শেষে আত্মহত্যা করবে নাকি?

ছেলেটি বলল, এসব ক্ষেত্রে আমি সাধারণত আত্মহত্যাই করে থাকি।।

অন্য এক ঘটনায় এক বাক্যবাগীশ প্রেমিক তার দয়িতাকে বড় গলায় বলেছিল, আমি দরকার হলে মৃত্যুর সামনে দাঁড়াতে পারি। ভালবাসার কথা চলছিল এক পার্কের পাশের বেঞ্চিতে বসে। এমন সময় পার্কের ভিতরে ভারী একটা শোরগোল উঠল। সবাই যে যেদিকে পারে ছুটতে লাগল একটু পরেই বোঝা গেল ব্যাপারটা, দূরে দেখা গেল শিং উঁচিয়ে একটা বিরাট পাগলা যাঁড় ছুটে আসছে। প্রেমিক-প্রেমিকা যে বেঞ্চিতে বসে ছিল দেখা গেল ফোঁস ফোঁস করতে করতে সেই দিকেই ষাঁড়টা ছুটে যাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে বেঞ্চের ওপরে দাঁড়িয়ে উঠে শ্রীযুক্ত প্রেমিক আর্তচিৎকার দিয়ে এক লাফে পার্কের রেলিং পার হয়ে বড় রাস্তায় পড়ে ছুট লাগাল। এদিকে প্রেমিকের এই আর্তচিৎকার শুনে এবং দীর্ঘ লক্ষ দেখেই বোধহয় ষাঁড়টি গতিপথ বদল করে অন্য দিকে ধাবমান হল।

একটু পরে ষাঁড়টি যে রকম ভীমবেগে এসেছিল ঠিক সেভাবেই পার্কের খোলা গেট দিয়ে বেরিয়ে গেল। নিরাপদ দূরত্ব থেকে শ্রীযুক্ত প্রেমিক এর পরে গুটিগুটি প্রেমিকার কাছে ফিরে এল।

ভালবাসার মানুষের এই কাপুরুষতা দেখে প্রেমিকাটি তখন রীতিমতো উত্তেজিতা। প্রেমিক সামনে আসতেই তাকে চেপে ধরল, এইমাত্র তুমিই না বলেছিলে আমার জন্য মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়াতে পারো আর একটা ষাঁড় দেখেই আমাকে ফেলে ছুটে পালালে। শ্রীযুক্ত প্রেমিক মাথা চুলকিয়ে বলল, কী করব বলো, ষাঁড়টা যে মৃত ছিল না।

শুধু ষাঁড় দেখেই যে প্রেমিকেরা পলায়নপর হয় তা কিন্তু নয়। কমলার বাবা কমলাকে বলেছিলেন, এই যে অমিত না অসিত কী নাম যেন ছেলেটির, ওই যে ছেলেটি তোমার লাভার, ওর সঙ্গে আর কোনওদিন তোমার দেখা হবে না।

এই শুনে কমলা ডুকরে কেঁদে উঠল, কী করেছ তুমি তার, বলো কী করেছ?

কমলার বাবা বললেন, আমি তার কী করব, কিছুই করিনি। সে আমার কাছে একশো টাকা ধার চেয়েছিল, সেই টাকাটা তাকে দিয়েছি।

টাকাপয়সার ব্যাপার আরও আছে।

জয়ন্তীর সঙ্গে জয়ন্তর নতুন আলাপ।

দু’জনে গলির মোড়ে ভিড়ের মধ্যে লুকিয়ে ফুচকা খাচ্ছিল। হঠাৎ জয়ন্তের মুখটা কেমন ফ্যাকাশে হয়ে গেল, তাই দেখে জয়ন্তী জানতে চাইল, কী ব্যাপার জয়ন্তদা, কী হল আপনার।

জয়ন্ত বলল, ওই যে পটল না কী যেন নাম, তোমার সেই বিচ্ছু ভাইটা— আমাদের ফুচকা খেতে দেখে ফেলেছে।

এদিক ওদিক তাকিয়ে জয়ন্তী বলল, কই, কোথাও তো পটলাকে দেখতে পাচ্ছি না। আপনি নিশ্চয় ভুল দেখেছেন জয়ন্তদা।

জয়ন্ত বলল, ওই দেখো সামনের ফুটপাতের ল্যাম্পপোস্টের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে।

জয়ন্তী ভাল করে দেখে বলল, এ তো পটলা নয়। ও হল ছেন্টু, আমার খুড়তুতো ভাই।

জয়ন্ত বলল, তাতে কিছু সুবিধে হচ্ছে?

জয়ন্তী বলল, খুবই সুবিধে। এসব জায়গায় পটলা পঞ্চাশ টাকার কমে ছাড়ে না। ছেন্টুটা বোকাসোকা ভালমানুষ, ওকে আপনার বিশ টাকা দিলেই হবে।

এই জয়ন্ত-জয়ন্তীর বিয়েতে প্রতিবেশী হিসেবে আমি নিমন্ত্রণ খেয়েছিলাম। তারা দু’জনেই এখন সুখী দম্পতি। পটলার মাঝে মধ্যে অনুপ্রবেশ ঘটে, কিন্তু তাতে কিছু আসে যায় না।

আমি নিজে এক প্রাচীন পাপী, দীর্ঘদিন আগে সেই কবে পরিণয়পাশে আবদ্ধ হয়েছিলাম। প্রেমিক-প্রেমিকার কাহিনী লিখতে গিয়ে আমি বার বার দাম্পত্য কাহিনীতে চলে যাচ্ছি। কিন্তু চৌকশ লোকেরা বলেন দাম্পত্য-প্রেম প্রেম নয়, বৈষ্ণব কবির সেই রজকিনী প্রেমের মতো নিকষিত হেম, কামগন্ধ নাহি তায়। এতে অবশ্য আমারই সুবিধে, সবাই জানেন, কাজকর্মে আমার তেমন ফুর্তি নেই। মদালসা নবীনা পাঠিকা হয়তো একটু দুঃখিত হবেন, কিন্তু এ বয়সে, যখন তিনকাল গিয়ে এক্কালে ঠেকার বয়সে প্রায় এসে গেছি, আমি একটু ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে চাই। প্রেমবিষয়ক দুটি অধরা, অছোঁয়া গল্প বলি।

এক নৈশ সমাহারে একটি পরমা সুন্দরী কন্যা সকলের দৃষ্টি বাঁচিয়ে ঘরের এক প্রান্তে একটা পাতাবাহারের টবের পাশে দাঁড়িয়ে। সেখানেও এক মধ্যবয়সি ভদ্রলোক, তাঁর কৌতূহলও কম নয়, তিনি জানতে চাইলেন, তুমি ওই হলের মধ্যে হইচই হাসি-তামাশা থেকে এখানে চলে এলে কেন?

মেয়েটি বলল, আরে পুরুষমানুষগুলো, বেঁটে-লম্বা রোগা-মোটা, কালো-ফরসা, যুবক-বুড়ো সবাই আমাকে বিরক্ত করছে, খালি জানতে চাইছে, আমি থাকি কোথায়? বর্তমান ভদ্রলোক এবার সুন্দরীকে আপাদমস্তক ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করে বললেন, তা তুমি জবাবে কী বললে? খুব ছোট একটা হাই চাঁপার কলির মতো আঙুলের তুড়ি দিয়ে নিবৃত্ত করে সুন্দরী বলল, কী আর বলব? বললাম যে আমি শহরতলিতে থাকি।

মুখে তুড়ি দেওয়ার সময় সুন্দরী যে দেহবিভঙ্গ রচনা করেছিল বর্তমান ভদ্রলোক তার পর স্ট্যাচু হয়ে গিয়েছিলেন, এবার খুবই আমতা আমতা করে বললেন, কিন্তু সত্যি তুমি থাকো কোথায়?

এবার সুন্দরী নয়নধনুকে শর সংযোজন করে বলল, ওই তো বললাম না, আমি তো শহরতলিতে থাকি।

এই রকমই অধরা গল্প অন্য একটা। কোথা থেকে টুকে যেন লিখেছিলাম, এখন গ্রন্থস্থ অবস্থায় শোধবোধ-এ আছে। নিজের কাছে নিজেই অনুমতি নিয়ে গল্পটি আবার বলছি । ⋯পার্টিতে, উৎসবে, অনুষ্ঠানে, হা-প্রেম লোকেরা তাকে দেখে অভিভূত হয়ে যেত। তার ঘনিষ্ঠ হতে চেষ্টা করত।

একদা এক উদ্‌ভ্রান্ত, প্রেমপাগল যুবক সেই যুবতীকে এক আসরে পেয়ে আর কিছুতেই কাছ ছাড়া করছে না। তার চোখে গদগদ দৃষ্টি তার কণ্ঠে ভালবাসার মধু। কিন্তু মেয়েটির সে কিছুতেই পাত্তা পেল না। কতবার অনুরোধ করল, জানতে চাইল, আপনি কি একা এসেছেন, আপনি কী করে ফিরবেন, আমি আপনাকে নামিয়ে দেব, মেয়েটি হ্যাঁ, না, থ্যাঙ্ক ইউ ইত্যাদি টুকটাক সংক্ষিপ্ত জবাবে পাশ কাটিয়ে গেল।

অবশেষে ভগ্নহৃদয়ে যুবকটি বলল, আপনার ফোননম্বরটা যদি দেন, কোনওদিন যদি ফোন করি।

মেয়েটি বলল, টেলিফোন ডিরেক্টরিতে পাবেন।

অতঃপর মরিয়া হয়ে যুবকটি শেষতম মোক্ষম প্রশ্নটি করল, কিন্তু আপনার নাম।

মেয়েটি মৃদু হেসে বলল, সে-ও ওই টেলিফোন ডিরেক্টরির মধ্যে পাবেন।

মেয়েরা যে সহজে পাত্তা দিতে চায় না, অনায়াসেই প্রত্যাখ্যান করে এ তো সকলেরই জানা কথা।

অল্প বয়সে আমার এক সহকর্মী আমাকে বলেছিলেন, প্রেম পারাপারে ঝাঁপিয়ে দেখুন অনেক মেয়েই আপনার সঙ্গে সাঁতরাতে রাজি হবেন, অনেকটা দূর সাঁতরাবেন, কিন্তু কিছুতেই তীরে উঠে ঘর বাঁধতে চাইবেন না।

আমি একটু বোকার মতো বলেছিলাম, মানে?

সহকর্মী করুণ হেসে বলেছিলেন, মানে আর কী? বহু মেয়ে আছে যারা বিয়ে করতে চায় না।

আমি বললাম, জানলেন কী করে?

কী করে আর, সহকর্মী বললেন, আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে। আমি যে অনেককেই বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে দেখেছি।

আমার এই সহকর্মী বন্ধুটির মতো অভিজ্ঞতা নিশ্চয়ই অনেকেরই আছে। তবে আমার নেই। কোনওদিন কোনও মহিলাকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার এমনকী তার প্রেমে পড়ার সৌভাগ্য আমার হয়নি। এতদিন পরে এ নিয়ে কোনও আফসোসও নেই আমার। যাক সেসব অন্য কথা। এইবার কাহিনীমালার বিরতি টানতে হয়। তবে দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, শেষ গল্পটি বড়ই মর্মান্তিক।

বলরাম বনলতাকে আলিঙ্গনে আবদ্ধ করে বলল, দেখো, হয়তো আমি বলহরির মতো দেখতে সুন্দর নই; হয়তো আমরা বলহরির মতো বড়লোক নই, তার মতো আমার এয়ার কন্ডিশন বাড়ি নেই, সাজানো ফ্ল্যাট নেই কিন্তু বনলতা আমি তোমাকে ভালবাসি, ভালবাসি, ভালবাসি। আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারব না। এক মুহূর্তও থাকতে পারব না।

কোনওরকমে আলিঙ্গন ছাড়িয়ে বনলতা বলল, সে তো আমি বুঝতে পারছি, আমিই কী তোমাকে কম ভালবাসি নাকি। কিন্তু এই যে বারবার বলহরি বলহরি বলছ, এই বলহরি লোকটা কোথায় থাকে বলো তো?

তথাপি:

তথাপি একটা এমন গল্প বাদ থেকে গেল যে সেটা না বললে অন্যায় হবে। ঠিক গল্পও নয়, একটা প্রশ্ন।

খুবই সাধারণ, সাদামাটা জিজ্ঞাসা এটা। সেই সাবেকি পুরনো একটা প্রশ্ন।

গভীর আপ্লুত কণ্ঠে প্রেমিক বেচারা প্রেমিকাকে প্রশ্ন করলেন, আনোয়ারা আমিই কি তোমার জীবনে প্রথম?

আনোয়ারা মৃদু হেসে বললেন, ছিঃ ছিঃ এসব কী প্রশ্ন করছ? তুমি ছাড়া আর কে? আর অন্য কারও কথা আসে কী করে?

আনোয়ার বলল, তবু একেক সময় কেমন যেন খটকা লাগে।

আনোয়ারা এবার বিরক্ত হয়ে বলল, এই এক সমস্যা তোমাদের এই পুরুষমানুষদের নিয়ে। সবাই জানতে চায় সেই প্রথম কিনা?

পুনশ্চ:

অবশেষে নিজের প্রেমের কথা বলি।

অনেকদিন আগে, তা প্রায় তিরিশ বছর, আমার এক বন্ধু কয়েকদিন ধরে অফিসে আসছিলেন না। আমরা দুপুরে একসঙ্গে চা খেতাম, আড্ডা দিতাম। একদিন কার কাছে শুনলাম, তাঁর জ্বর হয়েছে। ভাবলাম একদিন দেখে আসা উচিত। পরের দিন দুপুরবেলা টিফিনের সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলাম। কলেজ স্ট্রিটের মেসবাড়ি, তখন মেসবাড়ি ব্যাপারটা কলকাতায় ভালভাবেই রয়েছে। আমার বন্ধুটি থাকতেন দোতলায়। ভরদুপুরের মেসবাড়ি একেবারে ফাঁকা, একতলার খোলা দরজায় দাঁড়িয়ে আমি বন্ধুর নাম ধরে ডাকতে থাকলাম। বেশ একটু পরে তাঁর সাড়া পেলাম কিন্তু তার আগে দ্রুতপদে দোতলার সিঁড়ি দিয়ে একটি লাল শাড়ি-পরা মেয়ে আমার দিকে না তাকিয়ে সদর দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেল। দোতলায় আমার বন্ধুর ঘরে গিয়ে পৌঁছতে তিনি আমাকে বললেন, জ্বরটা ছেড়ে গেছে। আমি তাঁকে বললাম, হ্যাঁ, দেখলাম, এইমাত্র সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেল। প্রেম সম্বন্ধে আমার এই গোলমেলে মনোভাব কতটা সত্যি, এ বয়সে আর বুকে হাত দিয়ে বলতে পারব না। তবে আমার এই কর্কশ কণ্ঠ, গোলাকার চেহারা, তদুপরি নিয়ত প্রতিবাদ-প্রবণ মন, কোনও দিনই সফল প্রেমিক হওয়ার যোগ্যতা আমার ছিল না। মেয়েরা আমাকে ভয় করতে পারে, ভক্তি করতে পারে, ঘৃণাও করতে পারে, কিন্তু কখনও ভালবাসবে কিনা আমার গভীর সন্দেহ আছে।

প্রেমে বিশ্বাস করি কি না এই প্রশ্নে আমার সংক্ষিপ্ত জবাব হল, প্রেম আমার কাছে অনেকটা ভূতের মতো। ভূতে বিশ্বাস করি না কিন্তু ভয় পাই, প্রেমেও ভয় পাই। আগে হয়তো কখনও প্রেমে পড়লেও পড়তে পারতাম, কিন্তু এখন আর তা সম্ভব নয়। তার একমাত্র কারণ অবশ্য আমার বয়স নয়। এ বয়সেও ঢের ঢের লোক প্রেমে পড়ে। আমার অসুবিধে অন্যরকম। যতদূর শুনেছি এবং সেই শরৎচন্দ্রের উপন্যাস থেকে পড়ে আসছি, প্রেমিকা খুব ভালভাবে ভাল ভাল সামগ্রী বেঁধে খুব যত্ন করে খাওয়ায়। আমার পক্ষে ভাল জিনিস খাওয়া এখন বিষতুল্য। এমনিই যা খাই তাতে শরীর ফুলেফেঁপে রয়েছে। তা ছাড়া প্রেম করলে শুধু রেস্তোরাঁয় বা কফিহাউসে নয়, পার্কে, নদীর ধারে হাত-পা ছড়িয়ে প্রেমিকার পাশে অনেকক্ষণ বসে থাকার নিয়ম আছে। কিন্তু আমি মেঝেতে বা উঠোনে বসতে পারি না। ওরকমভাবে বসলে দশ মিনিটেই আমার পায়ের পাতা থেকে হাঁটু পর্যন্ত ফলে ঢোল হয়ে যাবে। বিখ্যাত ঐতিহাসিক গিবন সাহেবের কথা মনে পড়ে। তিনি প্রচণ্ড স্থূলাকার ছিলেন। একদা এক আসরে তিনি কায়দামাফিক হাঁটু গেড়ে বসে এক সুন্দরীকে প্রেম নিবেদন করতে যান। তারপর সুন্দরী সেই পটভূমি থেকে অন্তর্হিত হয়ে গেলেন কিন্তু হাজার চেষ্টা করেও আর গিবন সাহেব উঠে দাঁড়াতে পারলেন না। প্রায় আধঘণ্টা পরে বহুজনের সাহায্যে তিনি উঠে দাঁড়ান। মদনদেবের কাছে আমার প্রার্থনা, এই পরিণতি থেকে আমাকে রক্ষা করুন।

সকল অধ্যায়
১.
চুরিবিদ্যা
২.
নৈশকাহিনী
৩.
কালীঘাটের পাখা
৪.
ডাকাতের হাতে
৫.
পদ্মাসন
৬.
শিশুশিক্ষা (১)
৭.
ঘুম (১)
৮.
পাগলের কাণ্ডজ্ঞান
৯.
পদবি ও নাম
১০.
ছারপোকার এপিটাফ
১১.
ভাগ্যফল
১২.
বিশেষজ্ঞ
১৩.
ছাতা
১৪.
র‍্যাডিস উইথ মোলাসেস
১৫.
ঘড়ি
১৬.
দরজি
১৭.
সংখ্যাতত্ত্ব
১৮.
মাতালের কাণ্ডজ্ঞান
১৯.
ভূতের কাণ্ডজ্ঞান
২০.
বানরের কাণ্ডজ্ঞান
২১.
কিঙ্কর-কিঙ্করী
২২.
ডাক্তার-ডাক্তার
২৩.
দাঁত
২৪.
টেলিফোন
২৫.
আমি কীরকমভাবে
২৬.
মন মোর মেঘের সঙ্গী
২৭.
ভ্রমণকাহিনী (১)
২৮.
প্রসূতি সদন
২৯.
নিজের ওজন নিজে বুঝুন
৩০.
জীবজন্তুর কথা
৩১.
গোরু (১)
৩২.
প্রিয়তমাসু
৩৩.
অভিনয় নয়
৩৪.
ইঁদুর ও মদিরা
৩৫.
টর্চলাইট
৩৬.
রং
৩৭.
লিফট
৩৮.
মদমত্ত
৩৯.
সুচিকিৎসা
৪০.
অচলার প্রেম
৪১.
শেষ পরকীয়া
৪২.
তালা
৪৩.
কুকুর-কুকুর
৪৪.
গোপাল ভাঁড়
৪৫.
জগৎপারাবারের তীরে
৪৬.
হিন্দি
৪৭.
রেফ্রিজারেটর
৪৮.
কৃষ্ণকান্ত এবং…
৪৯.
মাতাল রহস্য
৫০.
আবার মনে মনে
৫১.
শেষের সেদিন
৫২.
ভবসিন্ধু
৫৩.
রবীন্দ্রনাথ
৫৪.
…বাচ্চা
৫৫.
কুকুর কুণ্ডলী
৫৬.
হে মাতাল, অমোঘ মাতাল
৫৭.
শিশুপাল
৫৮.
ভোজনালয়
৫৯.
বাড়ি ভাড়া
৬০.
হায় ছবি
৬১.
জীবনবিমা
৬২.
কোন বাণিজ্যে
৬৩.
ডাক্তারের হাতে
৬৪.
অঘটন আজও ঘটে
৬৫.
সুপরামর্শ
৬৬.
পুলিশ
৬৭.
ফাঁদ পাতা ভুবনে
৬৮.
ধরা পড়েছে দু’জনে
৬৯.
রুপোলি পর্দার অন্তরালে
৭০.
পিয়ো হে পিয়ো
৭১.
ও চাঁদা চোখের জলে
৭২.
দামদর
৭৩.
মিথ্যা কথা
৭৪.
কে কোথা ধরা পড়ে
৭৫.
সময়
৭৬.
হায় কবি, তুমি শুধু কবি
৭৭.
রোগীর বন্ধু
৭৮.
রসুন
৭৯.
রসিকতা
৮০.
স্বর্গ
৮১.
দুর্ঘটনার আগে ও পরে
৮২.
পণ্ডিত
৮৩.
সমস্যা
৮৪.
স্বেচ্ছাসেবক
৮৫.
বক্তা ও বক্তৃতা
৮৬.
আবার বক্তৃতা
৮৭.
কলিংবেল
৮৮.
ঈশ্বর সমীপে
৮৯.
জীব জগতের আজব কথা
৯০.
তামাক
৯১.
আবার তামাক
৯২.
রোগী কাহিনী
৯৩.
নরখাদকের কাহিনী
৯৪.
আয় শীত, যায় শীত
৯৫.
ঘটি-বাঙাল
৯৬.
চিড়িয়াখানায়
৯৭.
সমান-সমান
৯৮.
স্মৃতির খেয়া
৯৯.
অচলপত্র
১০০.
সচিত্র ভারত
১০১.
রাম ও রামকৃষ্ণ
১০২.
কৃষ্ণ ও রামকৃষ্ণ
১০৩.
স্বপ্ন ও রমণী
১০৪.
অবাঞ্ছিত আতিশয্য
১০৫.
যা দেবী সর্বভূতেষু
১০৬.
মরণ রে
১০৭.
ধৈর্যের পরীক্ষা
১০৮.
ভুল (১)
১০৯.
গল্পের গোরু
১১০.
কাজের মেয়ে
১১১.
বইমেলা
১১২.
স্ত্রী
১১৩.
প্রথম কোকিল
১১৪.
দ্বিতীয় কোকিল
১১৫.
তৃতীয় কোকিল
১১৬.
অমল ধবল পালে
১১৭.
স্বামী-স্ত্রী ইত্যাদি
১১৮.
চিকিৎসা
১১৯.
ভূত ও রিপোর্টার
১২০.
হাঁচির গল্প
১২১.
ভাষা-ভাষা
১২২.
বালুকা ডাকিনী
১২৩.
ফুটবল
১২৪.
প্রশ্নোত্তর
১২৫.
অসম্ভব
১২৬.
রসিকতার উৎস সন্ধানে
১২৭.
ডাক্তারবাবু নমস্কার
১২৮.
আত্মনেপদী
১২৯.
ভাগলপুরের পাঞ্জাবি
১৩০.
পুজোর বাজার
১৩১.
অপমান
১৩২.
জীবজন্তু (১)
১৩৩.
পুজোর ছুটি
১৩৪.
ক্রিমিনাল
১৩৫.
রবিবারের মহাভারত
১৩৬.
আইনের আঙিনায়
১৩৭.
বুদ্ধি
১৩৮.
শাশুড়ি
১৩৯.
দেয়া-নেয়া
১৪০.
হে হিসাব
১৪১.
মাছ (১)
১৪২.
কুসংস্কার
১৪৩.
জুয়া (১)
১৪৪.
এসো বসি আহারে
১৪৫.
শুভ নববর্ষ
১৪৬.
রমণী সমাজে
১৪৭.
স্বপ্ন
১৪৮.
কলকাতা তিনহাজার তিনশো
১৪৯.
আবার বইমেলা
১৫০.
এক সর্দারের গল্প (১)
১৫১.
এক সর্দারের গল্প (২)
১৫২.
এক সর্দারের গল্প (৩)
১৫৩.
জল
১৫৪.
শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন
১৫৫.
গাধা
১৫৬.
হাওয়াই
১৫৭.
সুনন্দর জার্নাল
১৫৮.
সরস কলকাতা
১৫৯.
সরস কবিতা
১৬০.
স্টুপিডেস্ট
১৬১.
অবনী, বাড়ি আছো?
১৬২.
জুয়া (২)
১৬৩.
সময়ের হিসেব
১৬৪.
কেনাকাটা: জুতো
১৬৫.
ভেজা চপ্পল
১৬৬.
জয়বাবা শান্তিনাথ
১৬৭.
টেলিফোন
১৬৮.
পরিশেষে
১৬৯.
জনগণের জোক!
১৭০.
মকারান্ত
১৭১.
কয়েকটি প্রশ্ন
১৭২.
খাওয়া-দাওয়া
১৭৩.
বলাবাহুল্য
১৭৪.
শরৎচন্দ্র এবং রসিকতা
১৭৫.
পৃথিবী
১৭৬.
সুখের লাগিয়া
১৭৭.
অন্দর মহলে
১৭৮.
জোক বুক
১৭৯.
সান্টা, বান্টা
১৮০.
সরল শৈশব
১৮১.
কথা বলার বিপদ
১৮২.
সিগারেট
১৮৩.
পাটিগণিত
১৮৪.
গ্রন্থবার্তা
১৮৫.
প্রেমিক-প্রেমিকা
১৮৬.
ডাক্তারবাবু
১৮৭.
বধূমাতা
১৮৮.
কেনাবেচা
১৮৯.
বালিশ
১৯০.
আপ রুচি খানা
১৯১.
কাণ্ডজ্ঞান
১৯২.
দুর্ঘটনা
১৯৩.
বিজনের রক্তমাংস
১৯৪.
বিলিতি বিয়ার-পাব
১৯৫.
রাজনীতি
১৯৬.
চপলতা
১৯৭.
বাগ্বিধি
১৯৮.
মশা ও লবণহ্রদ
১৯৯.
যদ্দৃষ্টং
২০০.
বয়েস বাড়ছে
২০১.
ধানাই-পানাই
২০২.
আমপাতা জোড়া-জোড়া
২০৩.
ভ্রমণকাহিনী (২)
২০৪.
হাস্যকবি সম্মেলন
২০৫.
মুড়ি-মিছরি
২০৬.
গণ্ডারের দুধ
২০৭.
তৈজসপত্র
২০৮.
পুলিশ
২০৯.
গোরু
২১০.
অণুনাটিকা
২১১.
যদিদং হৃদয়ং
২১২.
এমন বাদল দিনে
২১৩.
ফাঁসি
২১৪.
লেপ
২১৫.
ব্যাটবল
২১৬.
স্বপ্ন
২১৭.
বড়দিন
২১৮.
ধনীরাম
২১৯.
ব্যাঙ্ক
২২০.
জাহান্নাম
২২১.
ইতিহাস
২২২.
লুঙ্গি
২২৩.
সেই বই
২২৪.
ধ্বংসের মুখোমুখি
২২৫.
ফুরসতনামা
২২৬.
পোড়া বই
২২৭.
বার্তাকু ভক্ষণ বিল
২২৮.
অ্যালেন গিনসবার্গ
২২৯.
প্যাঁচ
২৩০.
শিশুশিক্ষা (২)
২৩১.
লেখাপড়া
২৩২.
ডেটলাইন শান্তিনিকেতন
২৩৩.
যেভাবে গল্প তৈরি হয়
২৩৪.
হায় ভীরু প্রেম
২৩৫.
মাতালের গল্প
২৩৬.
মনের কথা
২৩৭.
চিনা-অচিনা
২৩৮.
কয়েকটি অবিশ্বাস্য রসিকতা
২৩৯.
মনের চিকিৎসা
২৪০.
কান্তকবি
২৪১.
জ্যোতিষী
২৪২.
আবার জ্যোতিষী
২৪৩.
পথের ভিখিরি
২৪৪.
গুরু-শিষ্য সংবাদ
২৪৫.
ভুলোমন স্বামী
২৪৬.
বই চুরি
২৪৭.
ফিলমি-ফিলমি
২৪৮.
চার্চিল
২৪৯.
পঞ্জিকা
২৫০.
নিমন্ত্রণ
২৫১.
মাছ (২)
২৫২.
জানোয়ার
২৫৩.
তুমি যে আমার
২৫৪.
সৈয়দ মুজতবা আলি
২৫৫.
ধারদেনা
২৫৬.
শিবরাম চক্রবর্তী
২৫৭.
যাচ্ছেতাই লেখা লিখছি
২৫৮.
দুর্বৃত্তের শাসানি
২৫৯.
নিজের কোট খুলতে পারে না
২৬০.
ভোজসভা শেষে বক্তৃতা
২৬১.
শুধু পাঠিকারা চিঠি লেখে
২৬২.
পাসপোর্ট ফোটোর মতো
২৬৩.
আগে পাঁচ ডলারে, এখন?
২৬৪.
এত বুড়ো হব নাকো
২৬৫.
অপ্রত্যাশিত
২৬৬.
গরমের পাখা মাঘ মাসে
২৬৭.
বাংলায় কেন হয় না
২৬৮.
মধ্যযুগ
২৬৯.
শিলিগুড়ি
২৭০.
সেদিন বেঙ্গল ক্লাবে
২৭১.
বেয়ারা
২৭২.
এত কঠিন অঙ্ক
২৭৩.
বাড়িওয়ালা
২৭৪.
সুনীলের সঙ্গে
২৭৫.
পুলিশ এবং রবীন্দ্রসংগীত
২৭৬.
দিশি-বিলিতি পুলিশের বৃত্তান্ত
২৭৭.
রসলক্ষ্মীর সাধনা
২৭৮.
জানলা পড়ল মাথায়
২৭৯.
সেদিনের চুম্বনের পরে
২৮০.
হাসির উপন্যাস
২৮১.
ভুল (২)
২৮২.
মহিলা কবিরা
২৮৩.
পুরনো কলকাতা
২৮৪.
প্রথমেই পঞ্চম সংস্করণ
২৮৫.
ঘুষ
২৮৬.
আইনমাফিক
২৮৭.
বাঁকা কথা
২৮৮.
শিশু বিষয়ে
২৮৯.
শব্দকল্পদ্রুম
২৯০.
জামাইষষ্ঠী
২৯১.
আইরিশ রসিকতা
২৯২.
পূজা ও রমণী
২৯৩.
প্রতিযোগিতা
২৯৪.
টকটক গন্ধ
২৯৫.
যানবাহন
২৯৬.
রস ও রমণী
২৯৭.
অনুভব অথবা ভাল লাগা
২৯৮.
রেডিয়ো
২৯৯.
রিকশা
৩০০.
পরিবার পরিকল্পনা
৩০১.
মহিলা মহল
৩০২.
লালিমা পাল স্মরণে
৩০৩.
বোকার মা
৩০৪.
স্থূল ও অস্থূল
৩০৫.
দম্পতি, দম্পতী
৩০৬.
সাদা রাস্তা কালো বাড়ি
৩০৭.
লক্ষপতি
৩০৮.
গল্পের গতি
৩০৯.
পাকিস্তান
৩১০.
ইঁদুর
৩১১.
এ হর্স ফর মাই কিংডম
৩১২.
হায় ছবি, তুমি শুধু ছবি
৩১৩.
প্রজাপতয়ে
৩১৪.
একটি উড়ো কাহিনী
৩১৫.
সময়জ্ঞান
৩১৬.
আমাদের কলের গান
৩১৭.
থানা পুলিশ
৩১৮.
ভ্রমণকাহিনী (৩)
৩১৯.
বয়স বাড়ছে
৩২০.
ভুল, ভূল
৩২১.
জীবজন্তু
৩২২.
ব্যবসা-বাণিজ্য
৩২৩.
বিজ্ঞাপন
৩২৪.
কবিতার ভাল-খারাপ
৩২৫.
জোচ্চোর
৩২৬.
বলাই বাহুল্য
৩২৭.
গোলমাল
৩২৮.
সিনেমা হল
৩২৯.
বাসাবাড়ি
৩৩০.
তবুও মাতাল
৩৩১.
ঢাকঢাক-গুড়গুড়
৩৩২.
জলাঞ্জলি
৩৩৩.
টাকাপয়সা
৩৩৪.
ঘুম (২)
৩৩৫.
ওগো বধূ সুন্দরী
৩৩৬.
প্রবাসে দৈবের বশে
৩৩৭.
তিন পুলিশের গল্প
৩৩৮.
দুই শ্রাদ্ধের গল্প
৩৩৯.
দুই বাঘের গল্প
৩৪০.
ঢাকাই রসিকতা
৩৪১.
ওয়ার্ক কালচার
৩৪২.
আমি কবি হয়েছিলাম গায়ের জোরে
৩৪৩.
যাহা পাই, তাহা চাই না
৩৪৪.
পথে পথে কবিতা
৩৪৫.
হাং সাং টাঙ্গাইল
৩৪৬.
পত্রের উত্তর
৩৪৭.
আবার উত্তর
৩৪৮.
বিদূষক
৩৪৯.
মশা
৩৫০.
খাদ্য সমস্যা
৩৫১.
বউ কথা কও
৩৫২.
শেফালি
৩৫৩.
ভালবাসার সন্ধানে
৩৫৪.
স্বর্গ যদি কোথাও থাকে
৩৫৫.
তারি লাগি যত
৩৫৬.
জাহাজ
৩৫৭.
স্ত্রী রত্ন
৩৫৮.
আদ্যনারায়ণ
৩৫৯.
আমার ভাগ্য
৩৬০.
পরোপকার
৩৬১.
অফিস
৩৬২.
ভদ্রলোক
৩৬৩.
কাকের মাংস
৩৬৪.
স্বর্গ নরক

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%