বয়স বাড়ছে

তারাপদ রায়

গল্পটা মোটামুটিভাবে প্রচলিত আছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে। তবে গল্পটির একাধিক রকম-ফের আমি শুনেছি এবং একবার একটা পুরনো বাংলা সিনেমাতেও ব্যবহৃত হয়েছিল এই গল্প।

শরৎচন্দ্র-জড়িত গল্পটি লেখাই ভাল। শরৎচন্দ্র গ্রামে নতুন বাড়ি করেছেন, কলকাতা থেকে কিছু বন্ধুবান্ধব, অনুরাগী ভক্তজন গিয়েছেন শরৎচন্দ্রের সেই গ্রামের বাড়িতে। যেমন হয়, একথা-সেকথার পরে বাড়ি-ঘর দেখেশুনে, সারা গাঁয়ে ঘুরে বেড়িয়ে অতঃপর অতিথিরা শরৎচন্দ্রের কাছে জানতে চাইলেন, ‘কলকাতা থেকে এত দূরে এই পল্লীগ্রামে এসে যে এত কষ্ট করে বাড়ি করে বসবাস আরম্ভ করলেন, তা এখানকার, আপনাদের এই গ্রামের জলবায়ু, আবহাওয়া, স্বাস্থ্য কী রকম?’

শরৎচন্দ্রের তখন প্রবীণ বয়স। প্রৌঢ়ত্ব সমাপ্ত করে বার্ধক্যের সোনার সিঁড়িতে পা দিয়েছেন, তিনি মৃদু হেসে স্বভাবোচিত ভঙ্গিতে বললেন, ‘আর বোলো না। এই যে আমার এত বয়স হল, এখনও এ গাঁয়ে এলে আমাকে লুকিয়ে হুঁকো খেতে হয়।’

কথাসাহিত্যিকের এই উক্তিটির ব্যঞ্জনাটি লক্ষণীয়। গ্রামে তাঁর চেয়েও বয়স্ক লোকের সংখ্যা এত বেশি যে গুরুজনদের আড়াল করার জন্যে হুঁকো টানার সময় লুকিয়ে টানতে হয়, যাতে প্রবীণদের সম্মানহানি না হয়। সুতরাং যে গ্রামে প্রবীণের সংখ্যা এত বেশি সেখানকার স্বাস্থ্য বা আবহাওয়া ভাল বলেই তো সেটা সম্ভব।

দীর্ঘায়ু হওয়া সব মানুষেরই স্বপ্ন। স্নেহাস্পদদের দীর্ঘজীবী হও অথবা শতায়ু হও বলে আশীর্বাদ , করা শুধু আমাদের দেশে নয়, পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই রীতি।

দীর্ঘায়ু হওয়া বা শতায়ু হওয়া নিয়ে আমি কোনও রসিকতা করব না। আমি নিজে এখন যে , বয়সে এসে পৌঁছেছি, উনপঞ্চাশী পবন আমার বয়সের নৌকোর পাল প্রায় ছুঁতে চলেছে, অথচ শুনছি এটাই নাকি মধ্যবয়স।

কেন যে এই পঞ্চাশের কাছাকাছি বয়সের লোক মধ্যবয়সি হবে তা আমার হিসেবের মধ্যে পড়ছে না। তাহলে কি ধরে নিতে হবে সব মানুষকে শতায়ু ধরে নিয়ে এই হিসেবটা করা হয়েছে।

এক ইংরেজ বাচাল বলেছিলেন, মধ্যবয়েস হল সেই বয়স যে বয়সে তোমার বন্ধুদের মাথায় বিশাল টাক পড়ে যায়, তারা মোটা হয়ে যায়, তারা এমন বদলে যায় যে তারা আর তোমাকে চিনতে পারে না। যখন টেলিফোন বেজে উঠলে মনে হয়, এ ফোনটা আমার নয় অন্য কারও জন্যে বাজছে। কিংবা রং নম্বর।

কুড়ি বছর বয়সে আমরা যা ইচ্ছে করি, কোনওদিন মাথা ঘামাই না অন্যেরা আমাদের নিয়ে কী ভাবছে সে বিষয়ে। পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে পৌঁছে আমরা ভাবতে শুরু করি সত্যি সত্যি অন্যেরা কী ভাবছে আমাদের নিয়ে, খারাপ কিছু ভাবছে না তো। তারপর একদিন আমরা পঞ্চাশ বছর বয়সে এসে পৌঁছে যাই এবং তখন টের পাই, আবিষ্কার করে বিস্মিত হই, কেউ কখনও আমাদের নিয়ে ভাবেনি, মাথা ঘামায়নি; কেউ কখনও কোথাও কোনওদিন মাথা ঘামায় না।

আর অন্য কেউ যদি কখনও মাথা ঘামিয়েই থাকে, তা হলেই বা শেষ পর্যন্ত কী আসে যায়? আমার এক প্রবীণ আত্মীয়ের জন্মদিনে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম, এই মাত্র কয়েকদিন আগে। বয়স বাড়ার অনেক সুবিধে। তার একটা সেদিন জানা গেল তাঁর কাছে। বৃদ্ধদের যে ধরনের বিশিষ্ট একটা সূক্ষ্ম হাসি আছে, যার মধ্যে মেশানো থাকে কিছুটা বোধ, কিছুটা অভিজ্ঞতা আর অনেকটা পরিহাস আমার সেই প্রবীণ আত্মীয় সেই হাসি ঠোঁটে টেনে কথায় কথায় আমাকে জানালেন, ‘আমার কোনও শত্রু নেই।’ কথাটা শুনে চুপ রইলাম, কিন্তু বৃদ্ধ ছাড়লেন না, হাসি ঠোঁটেই জোর করলেন, ‘বলো তো কেন?’

কী আর বলব? বললে বলতে হয়, আপনি ভাল মানুষ, কোনওদিন কারও ক্ষতি করেননি, কারও সঙ্গে ঝগড়াঝাঁটি করেননি; আপনার কেন শত্রু থাকবে? কিন্তু এসব তোষামোদি কথা শুধু শুধু বলতে যাব কেন?

অবশ্য আমাকে নিজে থেকে কিছুই বলতে হল না। বৃদ্ধ নিজেই বললেন, ‘সব মরে গেছে। যত ব্যাটা শত্রু ছিল সব মরে ভূত হয়ে গেছে। বেঁচেই থাকল না, তা আর শত্রুতা করবে কী?’ তবে বহুদিন বেঁচে থাকলে শুধু শত্রুদের হাত থেকেই যে অব্যাহতি পাওয়া যাবে তা নয়, বন্ধুদের হাত থেকেও অব্যাহতি পাওয়া যাবে। এমন একদিন হয়তো এসে যাবে যখন নাম ধরে ডাকার কোনও লোক তো থাকবেই না এমনকী অমুকদা বলে ডাকারও লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে।

তা হোক তবু বলি বয়স বাড়ার একটা মাধুর্য আছে। লোলচৰ্মা, শুভ্রকেশী এক আদিবাসী বৃদ্ধার এক ফটোগ্রাফ দেখেছিলাম অনেকদিন আগে, বোধহয় সুনীল জানার তোলা। মানুষ বৃদ্ধ না হলে যে সুন্দর হয় না এই কথা ওই আলোকচিত্র দেখে অনুভব করেছিলাম।

এই প্রসঙ্গে বয়স বাড়া সম্পর্কে একটি ফরাসি প্রবাদ অন্য কারণে স্মরণীয়। এই প্রবাদটি অনুসারে মানুষেরা নাকি ব্যারেলবন্দি মদের মতো, যদি ভাল হয় তবে যত পুরনো হয় তত ভাল হয় আর যদি খারাপ হয় তবে যত দিন যায় ততই খারাপ হতে থাকে।

বয়স বেড়ে যাচ্ছে, বুড়ো হয়ে যাচ্ছি—এসব নিয়ে দুঃখ করার অবশ্য কোনও মানে হয় না। একথা সর্বদাই স্মরণীয় যে এই মরপৃথিবীতে অসংখ্য মানুষ, আমাদের চেনাজানা, আত্মীয় বন্ধু, আপন-পর হাজার হাজার লোক সুযোগ পেল না, সুযোগ পায় না, বুড়ো হয়ে যাচ্ছি এই দুঃখ করার। তার ঢের আগে তারা সুখদুঃখের ঊর্ধ্বে চলে যায়।

আর শেষ পর্যন্ত বুড়ো হওয়া ব্যাপারটা অনেকটাই মানসিক। সেই যে একটা কথা হয়েছে, তোমার বয়স ঠিক ততটা যতটা তুমি বোধ কর; যতটা তোমাকে দেখায় তা নয়। এই সূত্রে একটি মজার কথা বলেছিলেন উনিশ শতকের এক জনপ্রিয় লেখক, কলম্বাসের জীবনীকার ওয়াশিংটন আরভিং। তিনি বলেছিলেন, ‘যখনই দেখবে লোকেরা তোমাকে বলছে আপনাকে খুব কমবয়সি, খুব কাঁচা, খুব ইয়াং দেখাচ্ছে, বুঝে নেবে বয়স বাড়ছে, বুড়ো হচ্ছ।’

তা বুড়ো হতে আপত্তি কী? মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে। কিন্তু তাই বলে বুড়ো বয়সে বুড়ো হব না। তিরিশ বছর বয়সে আমার মাথার চুল নাই পাকল তাই বলে পঞ্চাশে পাকলে কলপ দিতে হবে কেন? পঁচিশ বছর বয়সে দাঁত তুলে ফেলতে হলে নিশ্চয়ই দুঃখের তাই বলে চল্লিশে, পঞ্চাশে দু’-একটা দাঁত নড়বে না, চোখে উঠবে না পজিটিভ চশমা?

ছোটদের প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল খেলার বয়স ও উচ্চতার সীমা দেওয়া থাকে। শক্তি চট্টোপাধ্যায় সেই কবে লিখেছিলেন।

‘বয়েস দাঁড়ায়ে থাকে

কোনো মাঠে স্কেলকাঠি হাতে

মানুষ মাপিতে যায়, মানুষী মাপিতে যায়

বালকেরা হাসে।’

কাব্যের কথা আপাতত থাক। একটা সরল গল্প দিয়ে এ যাত্রা শেষ করি।

হাওড়া হাটের প্রবেশমুখে বিশাল ভিড়। এক প্রাচীন সাধু মৃতসঞ্জীবনী বটিকা বেচছেন, সাধুর দীর্ঘ চুলদাড়ি, সবল স্বাস্থ্য, তিনি মন্দ্রকণ্ঠে ঘোষণা করছেন, ‘এই বটিকা দু’বেলা দুটো করে খেয়ে আজ সোয়া তিনশো বছর আমি এইরকম স্বাস্থ্য নিয়ে বেঁচে আছি।’ আলখাল্লার আস্তিন গুটিয়ে নিজের বাহুর মাংসপেশি দেখিয়ে সন্ন্যাসী সবাইকে প্রভাবান্বিত করতে লাগলেন। একটা কৌটোর মধ্যে গোল গোল কালো বড়ি নাচাতে নাচাতে সন্ন্যাসীর সহকারী অন্য এক গাট্টাগোট্টা মধ্যবয়সি আলখাল্লাধারী সমবেত দর্শকদের সামনে ঘুরছেন। আমি তাঁকে গলা নামিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘দাদা! সন্ন্যাসী ঠাকুর যে বলছেন ওঁর সোয়া তিনশো বছর বয়স, তার কি কোনও প্রমাণ আছে?

অম্লানবদনে সহকারীটি জবাব দিলেন, ‘তা আমি বলতে পারব না, আমি তো মাত্র দুশো পনেরো বছর ওঁর কাছে কাজ করছি।’

সকল অধ্যায়
১.
চুরিবিদ্যা
২.
নৈশকাহিনী
৩.
কালীঘাটের পাখা
৪.
ডাকাতের হাতে
৫.
পদ্মাসন
৬.
শিশুশিক্ষা (১)
৭.
ঘুম (১)
৮.
পাগলের কাণ্ডজ্ঞান
৯.
পদবি ও নাম
১০.
ছারপোকার এপিটাফ
১১.
ভাগ্যফল
১২.
বিশেষজ্ঞ
১৩.
ছাতা
১৪.
র‍্যাডিস উইথ মোলাসেস
১৫.
ঘড়ি
১৬.
দরজি
১৭.
সংখ্যাতত্ত্ব
১৮.
মাতালের কাণ্ডজ্ঞান
১৯.
ভূতের কাণ্ডজ্ঞান
২০.
বানরের কাণ্ডজ্ঞান
২১.
কিঙ্কর-কিঙ্করী
২২.
ডাক্তার-ডাক্তার
২৩.
দাঁত
২৪.
টেলিফোন
২৫.
আমি কীরকমভাবে
২৬.
মন মোর মেঘের সঙ্গী
২৭.
ভ্রমণকাহিনী (১)
২৮.
প্রসূতি সদন
২৯.
নিজের ওজন নিজে বুঝুন
৩০.
জীবজন্তুর কথা
৩১.
গোরু (১)
৩২.
প্রিয়তমাসু
৩৩.
অভিনয় নয়
৩৪.
ইঁদুর ও মদিরা
৩৫.
টর্চলাইট
৩৬.
রং
৩৭.
লিফট
৩৮.
মদমত্ত
৩৯.
সুচিকিৎসা
৪০.
অচলার প্রেম
৪১.
শেষ পরকীয়া
৪২.
তালা
৪৩.
কুকুর-কুকুর
৪৪.
গোপাল ভাঁড়
৪৫.
জগৎপারাবারের তীরে
৪৬.
হিন্দি
৪৭.
রেফ্রিজারেটর
৪৮.
কৃষ্ণকান্ত এবং…
৪৯.
মাতাল রহস্য
৫০.
আবার মনে মনে
৫১.
শেষের সেদিন
৫২.
ভবসিন্ধু
৫৩.
রবীন্দ্রনাথ
৫৪.
…বাচ্চা
৫৫.
কুকুর কুণ্ডলী
৫৬.
হে মাতাল, অমোঘ মাতাল
৫৭.
শিশুপাল
৫৮.
ভোজনালয়
৫৯.
বাড়ি ভাড়া
৬০.
হায় ছবি
৬১.
জীবনবিমা
৬২.
কোন বাণিজ্যে
৬৩.
ডাক্তারের হাতে
৬৪.
অঘটন আজও ঘটে
৬৫.
সুপরামর্শ
৬৬.
পুলিশ
৬৭.
ফাঁদ পাতা ভুবনে
৬৮.
ধরা পড়েছে দু’জনে
৬৯.
রুপোলি পর্দার অন্তরালে
৭০.
পিয়ো হে পিয়ো
৭১.
ও চাঁদা চোখের জলে
৭২.
দামদর
৭৩.
মিথ্যা কথা
৭৪.
কে কোথা ধরা পড়ে
৭৫.
সময়
৭৬.
হায় কবি, তুমি শুধু কবি
৭৭.
রোগীর বন্ধু
৭৮.
রসুন
৭৯.
রসিকতা
৮০.
স্বর্গ
৮১.
দুর্ঘটনার আগে ও পরে
৮২.
পণ্ডিত
৮৩.
সমস্যা
৮৪.
স্বেচ্ছাসেবক
৮৫.
বক্তা ও বক্তৃতা
৮৬.
আবার বক্তৃতা
৮৭.
কলিংবেল
৮৮.
ঈশ্বর সমীপে
৮৯.
জীব জগতের আজব কথা
৯০.
তামাক
৯১.
আবার তামাক
৯২.
রোগী কাহিনী
৯৩.
নরখাদকের কাহিনী
৯৪.
আয় শীত, যায় শীত
৯৫.
ঘটি-বাঙাল
৯৬.
চিড়িয়াখানায়
৯৭.
সমান-সমান
৯৮.
স্মৃতির খেয়া
৯৯.
অচলপত্র
১০০.
সচিত্র ভারত
১০১.
রাম ও রামকৃষ্ণ
১০২.
কৃষ্ণ ও রামকৃষ্ণ
১০৩.
স্বপ্ন ও রমণী
১০৪.
অবাঞ্ছিত আতিশয্য
১০৫.
যা দেবী সর্বভূতেষু
১০৬.
মরণ রে
১০৭.
ধৈর্যের পরীক্ষা
১০৮.
ভুল (১)
১০৯.
গল্পের গোরু
১১০.
কাজের মেয়ে
১১১.
বইমেলা
১১২.
স্ত্রী
১১৩.
প্রথম কোকিল
১১৪.
দ্বিতীয় কোকিল
১১৫.
তৃতীয় কোকিল
১১৬.
অমল ধবল পালে
১১৭.
স্বামী-স্ত্রী ইত্যাদি
১১৮.
চিকিৎসা
১১৯.
ভূত ও রিপোর্টার
১২০.
হাঁচির গল্প
১২১.
ভাষা-ভাষা
১২২.
বালুকা ডাকিনী
১২৩.
ফুটবল
১২৪.
প্রশ্নোত্তর
১২৫.
অসম্ভব
১২৬.
রসিকতার উৎস সন্ধানে
১২৭.
ডাক্তারবাবু নমস্কার
১২৮.
আত্মনেপদী
১২৯.
ভাগলপুরের পাঞ্জাবি
১৩০.
পুজোর বাজার
১৩১.
অপমান
১৩২.
জীবজন্তু (১)
১৩৩.
পুজোর ছুটি
১৩৪.
ক্রিমিনাল
১৩৫.
রবিবারের মহাভারত
১৩৬.
আইনের আঙিনায়
১৩৭.
বুদ্ধি
১৩৮.
শাশুড়ি
১৩৯.
দেয়া-নেয়া
১৪০.
হে হিসাব
১৪১.
মাছ (১)
১৪২.
কুসংস্কার
১৪৩.
জুয়া (১)
১৪৪.
এসো বসি আহারে
১৪৫.
শুভ নববর্ষ
১৪৬.
রমণী সমাজে
১৪৭.
স্বপ্ন
১৪৮.
কলকাতা তিনহাজার তিনশো
১৪৯.
আবার বইমেলা
১৫০.
এক সর্দারের গল্প (১)
১৫১.
এক সর্দারের গল্প (২)
১৫২.
এক সর্দারের গল্প (৩)
১৫৩.
জল
১৫৪.
শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন
১৫৫.
গাধা
১৫৬.
হাওয়াই
১৫৭.
সুনন্দর জার্নাল
১৫৮.
সরস কলকাতা
১৫৯.
সরস কবিতা
১৬০.
স্টুপিডেস্ট
১৬১.
অবনী, বাড়ি আছো?
১৬২.
জুয়া (২)
১৬৩.
সময়ের হিসেব
১৬৪.
কেনাকাটা: জুতো
১৬৫.
ভেজা চপ্পল
১৬৬.
জয়বাবা শান্তিনাথ
১৬৭.
টেলিফোন
১৬৮.
পরিশেষে
১৬৯.
জনগণের জোক!
১৭০.
মকারান্ত
১৭১.
কয়েকটি প্রশ্ন
১৭২.
খাওয়া-দাওয়া
১৭৩.
বলাবাহুল্য
১৭৪.
শরৎচন্দ্র এবং রসিকতা
১৭৫.
পৃথিবী
১৭৬.
সুখের লাগিয়া
১৭৭.
অন্দর মহলে
১৭৮.
জোক বুক
১৭৯.
সান্টা, বান্টা
১৮০.
সরল শৈশব
১৮১.
কথা বলার বিপদ
১৮২.
সিগারেট
১৮৩.
পাটিগণিত
১৮৪.
গ্রন্থবার্তা
১৮৫.
প্রেমিক-প্রেমিকা
১৮৬.
ডাক্তারবাবু
১৮৭.
বধূমাতা
১৮৮.
কেনাবেচা
১৮৯.
বালিশ
১৯০.
আপ রুচি খানা
১৯১.
কাণ্ডজ্ঞান
১৯২.
দুর্ঘটনা
১৯৩.
বিজনের রক্তমাংস
১৯৪.
বিলিতি বিয়ার-পাব
১৯৫.
রাজনীতি
১৯৬.
চপলতা
১৯৭.
বাগ্বিধি
১৯৮.
মশা ও লবণহ্রদ
১৯৯.
যদ্দৃষ্টং
২০০.
বয়েস বাড়ছে
২০১.
ধানাই-পানাই
২০২.
আমপাতা জোড়া-জোড়া
২০৩.
ভ্রমণকাহিনী (২)
২০৪.
হাস্যকবি সম্মেলন
২০৫.
মুড়ি-মিছরি
২০৬.
গণ্ডারের দুধ
২০৭.
তৈজসপত্র
২০৮.
পুলিশ
২০৯.
গোরু
২১০.
অণুনাটিকা
২১১.
যদিদং হৃদয়ং
২১২.
এমন বাদল দিনে
২১৩.
ফাঁসি
২১৪.
লেপ
২১৫.
ব্যাটবল
২১৬.
স্বপ্ন
২১৭.
বড়দিন
২১৮.
ধনীরাম
২১৯.
ব্যাঙ্ক
২২০.
জাহান্নাম
২২১.
ইতিহাস
২২২.
লুঙ্গি
২২৩.
সেই বই
২২৪.
ধ্বংসের মুখোমুখি
২২৫.
ফুরসতনামা
২২৬.
পোড়া বই
২২৭.
বার্তাকু ভক্ষণ বিল
২২৮.
অ্যালেন গিনসবার্গ
২২৯.
প্যাঁচ
২৩০.
শিশুশিক্ষা (২)
২৩১.
লেখাপড়া
২৩২.
ডেটলাইন শান্তিনিকেতন
২৩৩.
যেভাবে গল্প তৈরি হয়
২৩৪.
হায় ভীরু প্রেম
২৩৫.
মাতালের গল্প
২৩৬.
মনের কথা
২৩৭.
চিনা-অচিনা
২৩৮.
কয়েকটি অবিশ্বাস্য রসিকতা
২৩৯.
মনের চিকিৎসা
২৪০.
কান্তকবি
২৪১.
জ্যোতিষী
২৪২.
আবার জ্যোতিষী
২৪৩.
পথের ভিখিরি
২৪৪.
গুরু-শিষ্য সংবাদ
২৪৫.
ভুলোমন স্বামী
২৪৬.
বই চুরি
২৪৭.
ফিলমি-ফিলমি
২৪৮.
চার্চিল
২৪৯.
পঞ্জিকা
২৫০.
নিমন্ত্রণ
২৫১.
মাছ (২)
২৫২.
জানোয়ার
২৫৩.
তুমি যে আমার
২৫৪.
সৈয়দ মুজতবা আলি
২৫৫.
ধারদেনা
২৫৬.
শিবরাম চক্রবর্তী
২৫৭.
যাচ্ছেতাই লেখা লিখছি
২৫৮.
দুর্বৃত্তের শাসানি
২৫৯.
নিজের কোট খুলতে পারে না
২৬০.
ভোজসভা শেষে বক্তৃতা
২৬১.
শুধু পাঠিকারা চিঠি লেখে
২৬২.
পাসপোর্ট ফোটোর মতো
২৬৩.
আগে পাঁচ ডলারে, এখন?
২৬৪.
এত বুড়ো হব নাকো
২৬৫.
অপ্রত্যাশিত
২৬৬.
গরমের পাখা মাঘ মাসে
২৬৭.
বাংলায় কেন হয় না
২৬৮.
মধ্যযুগ
২৬৯.
শিলিগুড়ি
২৭০.
সেদিন বেঙ্গল ক্লাবে
২৭১.
বেয়ারা
২৭২.
এত কঠিন অঙ্ক
২৭৩.
বাড়িওয়ালা
২৭৪.
সুনীলের সঙ্গে
২৭৫.
পুলিশ এবং রবীন্দ্রসংগীত
২৭৬.
দিশি-বিলিতি পুলিশের বৃত্তান্ত
২৭৭.
রসলক্ষ্মীর সাধনা
২৭৮.
জানলা পড়ল মাথায়
২৭৯.
সেদিনের চুম্বনের পরে
২৮০.
হাসির উপন্যাস
২৮১.
ভুল (২)
২৮২.
মহিলা কবিরা
২৮৩.
পুরনো কলকাতা
২৮৪.
প্রথমেই পঞ্চম সংস্করণ
২৮৫.
ঘুষ
২৮৬.
আইনমাফিক
২৮৭.
বাঁকা কথা
২৮৮.
শিশু বিষয়ে
২৮৯.
শব্দকল্পদ্রুম
২৯০.
জামাইষষ্ঠী
২৯১.
আইরিশ রসিকতা
২৯২.
পূজা ও রমণী
২৯৩.
প্রতিযোগিতা
২৯৪.
টকটক গন্ধ
২৯৫.
যানবাহন
২৯৬.
রস ও রমণী
২৯৭.
অনুভব অথবা ভাল লাগা
২৯৮.
রেডিয়ো
২৯৯.
রিকশা
৩০০.
পরিবার পরিকল্পনা
৩০১.
মহিলা মহল
৩০২.
লালিমা পাল স্মরণে
৩০৩.
বোকার মা
৩০৪.
স্থূল ও অস্থূল
৩০৫.
দম্পতি, দম্পতী
৩০৬.
সাদা রাস্তা কালো বাড়ি
৩০৭.
লক্ষপতি
৩০৮.
গল্পের গতি
৩০৯.
পাকিস্তান
৩১০.
ইঁদুর
৩১১.
এ হর্স ফর মাই কিংডম
৩১২.
হায় ছবি, তুমি শুধু ছবি
৩১৩.
প্রজাপতয়ে
৩১৪.
একটি উড়ো কাহিনী
৩১৫.
সময়জ্ঞান
৩১৬.
আমাদের কলের গান
৩১৭.
থানা পুলিশ
৩১৮.
ভ্রমণকাহিনী (৩)
৩১৯.
বয়স বাড়ছে
৩২০.
ভুল, ভূল
৩২১.
জীবজন্তু
৩২২.
ব্যবসা-বাণিজ্য
৩২৩.
বিজ্ঞাপন
৩২৪.
কবিতার ভাল-খারাপ
৩২৫.
জোচ্চোর
৩২৬.
বলাই বাহুল্য
৩২৭.
গোলমাল
৩২৮.
সিনেমা হল
৩২৯.
বাসাবাড়ি
৩৩০.
তবুও মাতাল
৩৩১.
ঢাকঢাক-গুড়গুড়
৩৩২.
জলাঞ্জলি
৩৩৩.
টাকাপয়সা
৩৩৪.
ঘুম (২)
৩৩৫.
ওগো বধূ সুন্দরী
৩৩৬.
প্রবাসে দৈবের বশে
৩৩৭.
তিন পুলিশের গল্প
৩৩৮.
দুই শ্রাদ্ধের গল্প
৩৩৯.
দুই বাঘের গল্প
৩৪০.
ঢাকাই রসিকতা
৩৪১.
ওয়ার্ক কালচার
৩৪২.
আমি কবি হয়েছিলাম গায়ের জোরে
৩৪৩.
যাহা পাই, তাহা চাই না
৩৪৪.
পথে পথে কবিতা
৩৪৫.
হাং সাং টাঙ্গাইল
৩৪৬.
পত্রের উত্তর
৩৪৭.
আবার উত্তর
৩৪৮.
বিদূষক
৩৪৯.
মশা
৩৫০.
খাদ্য সমস্যা
৩৫১.
বউ কথা কও
৩৫২.
শেফালি
৩৫৩.
ভালবাসার সন্ধানে
৩৫৪.
স্বর্গ যদি কোথাও থাকে
৩৫৫.
তারি লাগি যত
৩৫৬.
জাহাজ
৩৫৭.
স্ত্রী রত্ন
৩৫৮.
আদ্যনারায়ণ
৩৫৯.
আমার ভাগ্য
৩৬০.
পরোপকার
৩৬১.
অফিস
৩৬২.
ভদ্রলোক
৩৬৩.
কাকের মাংস
৩৬৪.
স্বর্গ নরক

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%