শিশু বিষয়ে

তারাপদ রায়

ছাদের ওপরে ঠাকুরমা আমের আচার রোদে দিয়েছেন। বারবার ছাদে উঠে গিয়ে দেখে আসছেন কাকে মুখ দিচ্ছে কি না। তিনি প্রত্যেকবারই দেখলেন তাঁর প্রিয় বালক নাতিটি আচারের বয়ামের কাছ ঘেঁষে বসে আছে। ঠাকুরমা ভাবলেন, ভালই তো, থাকুক না এখানে—কাক আসতে সাহস পাবে না।

কিন্তু নাতিটি একেবারে বয়াম ঘেঁষে বসে আছে। ঠাকুরমা সিঁড়ির ওপরে থেকেই বললেন, ‘দাদু, অত বয়ামের কাছ ঘেঁষে বসতে হবে না।’

পরেরবার ছাদে উঠেও ঠাকুরমা দেখলেন নাতিটি বয়ামের কাছ ছাড়েনি, বরং আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। এবার ঠাকুরমা বললেন, ‘দাদু, তোমাকে না বললাম বয়ামের কাছ ঘেঁষে বসবে না!’

নাতি বলল, ‘আর বসব না ঠাকুরমা, আর বসে লাভ নেই।’

ঠাকুরমা বললেন, ‘কী লাভ নেই?’

নাতি বলল, ‘বয়ামে আর এক ফোঁটা আচারও নেই।’

অন্য একটা গল্প বলি।

দুই ভাই, জগাই এবং মাধাই। আগে অবশ্য তাদের নাম জগা এবং মধু ছিল, তবে সামান্য বয়েস বাড়তে তারা এত দুষ্ট হয়েছে যে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই নামবদল হয়ে তারা এখন জগাই, মাধাই হয়েছে।

জগাই-মাধাইয়ের বাবা একদিন অফিস থেকে ফিরে দেখেন বাড়ির বাইরের ঘরে কাচের শার্শি ভাঙা, বাইরের ঘরে জগাই-মাধাই দু’জনায় পরস্পর ধুন্ধমার লড়াই করছে। তাদের মা বোধহয় আশেপাশের কোনও বাড়িতে গল্পগুজব করতে গেছেন, সেই সুযোগ দু’ভাই সদ্বব্যহার করছে।

দুই হাতে দুই ভাইয়ের কান ধরে পিতৃদেব প্রশ্ন করলেন, ‘জানলার কাচ কে ভেঙেছে?’

জগাই বলল, ‘মাধাই।’

মাধাই বলল, ‘জগাই।’

দুই ভাইকে কষে দুটো করে থাপ্পড় লাগালেন, পরে জানা গেল, প্রকৃত অর্থে কেউই মিথ্যে বলেনি। জগাই মাধাইয়ের মাথা লক্ষ করে একটা পেপার ওয়েট ছুড়েছিল। মাধাই অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সঙ্গে তার মাথা সরিয়ে নেয়, ওটা গিয়ে জানালার কাচে লাগে, কাচ ভাঙে। জগাই অবশ্যই দায়ি, কারণ সেই ঢিলটা ছোড়ে। আবার মাধাইও দায়ি, কারণ সে তার মাথা সরিয়ে না নিলে ঢিলটা কাচে লাগত না।

এই জগাই একবার ক্লাসের পরীক্ষায় অত্যন্ত কম নম্বর পেয়েছিল। বাবা ধরলেন, ‘তুমি এত কম নম্বর পেলে কী করে?’

জগাই অম্লান বদনে জবাব দিল, ‘আমি যে ক্লাসের সবার শেষে, লাস্ট বেঞ্চের লাস্টে বসেছিলাম।

জগাইয়ের পিতৃদেব অবাক, ‘তার জন্য কী হয়েছে?’

জগাই ব্যাখ্যা দিল, ‘সবার নম্বর দিতে দিতে আমার পর্যন্ত এসে মাস্টারমশাইয়ের নম্বর কম পড়ে গিয়েছিল।’

আর মাধাই হল সেই শিশু যাকে ‘কাক কেন কালো?’ জিজ্ঞাসা করায় বলেছিল, ‘কাক আর কী করবে? ওর যে মা কালো, বাবাও কালো, তাই ও নিজেও এত কালো হয়েছে।’

রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘জগৎপারাবারের তীরে শিশুরা করে খেলা।’

শুধু জগৎপারাবারের তীরেই নয় শিশুরা মাঠে-ঘাটে, রাস্তায়-ফুটপাথে, ঘরে-বারান্দায়, ছাদের কার্নিশে, জানালার রেলিংয়ে—এমনকী গাছের ডালে, পুকুরের জলে খেলা করে। তাদের খেলার কোনও সময় অসময় নেই। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে রাতে ঘুমোনো পর্যন্ত সকাল-দুপুর-বিকেল-সন্ধ্যা তারা সবসময় খেলা করে। শিশুরা খাওয়া নিয়েও খেলা করে।

এই আমারই ছোটবেলার কথা মনে পড়েছে। ভাতের থালা সামনে, কিন্তু ভাত খাচ্ছি না। মা তখন এসে ভাত-ডাল-তরকারি ঘন করে মেখে ছোট ছোট দলা বানাচ্ছেন, গোল গোল ডিমের মতো দলা। তারপর বলতেন, ‘এই হল হাঁসের ডিম’, আমি হাঁসের ডিম খেতাম, তারপর ‘এই বাঘের ডিম’, ‘এই ঈগলের ডিম’, ‘এই গণ্ডারের ডিম’ …এইভাবে চলত—আমিও খেয়ে নিতাম।

আমি কি আর জানতাম না যে ওগুলো ভাতের দলা, বাঘের বা ঈগলের ডিম নয়! সব শিশুই যেমন জানে আমিও জানতাম। কিন্তু সেও ছিল একটা খেলা, খাওয়া-খাওয়া খেলা।

শিশুদের নিয়ে আরও বেশ কয়েকটা গল্প হাতের কাছে রয়েছে। পরে কোথায় হারিয়ে ফেলব, তার থেকে আরেক দফা লিখে রাখি।

শিশুরা কী জন্য যে কী চায়, সেটা সবসময়ে জানা যায় না। তারা ঠাকুরদার মোটা কাচের চশমা নিয়ে রোদ্দুরে আতস কাচের মতো করে ধরে শুকনো ঘাসে কিংবা ছেঁড়া কাগজে আগুন ধরানোর চেষ্টা করে। ফলে সে ঠাকুরদার কাছে যখন তাঁর চশমাটা অল্পক্ষণের জন্য চায়, সে বৃদ্ধ বুঝতে পারেন না ওই হাই পাওয়ারের চশমা ওইটুকু শিশুর কী কাজে লাগবে।

একটি শিশু যখন গামছা চায়, ধরে নেওয়া যায় সে স্নান করার জন্য গামছা চাইছে না—সে বাড়ির সামনের সদ্য জমা হাঁটুজলে ওই গামছা দিয়ে জালের মতো করে মাছ ধরবে, তা সে জলে মাছ থাকুক বা না থাকুক।

শিশুরা পেনসিলকাটা ছুরি চায় পেনসিল কাটার জন্য নয়, বাড়ির জানলা-দরজা অথবা স্কুলের বেঞ্চে কাঠ কেটে নিজের নাম খোদাই করবে বলে।

তালিকা বিস্তৃত করে লাভ নেই। এবার আমি যে গল্পটি বলতে যাচ্ছি, সেটি খুবই বিপজ্জনক।

সন্ধ্যাবেলা। লোডশেডিং চলছে। শোবার ঘরে একটি বালক মোমবাতি জ্বালিয়ে স্কুলের পড়া করছে। তার মা রান্নাঘরে রান্না করছেন।

হঠাৎ বালকটি রান্নাঘরে ছুটে এল, ‘মা, তাড়াতাড়ি এক গ্লাস জল দাও।’

মা জল দিলেন, ছেলেটি জল নিয়ে শোবার ঘরে ছুটে গেল। তারপর এক মিনিট পরে বালকটি আবার ছুটে এল, ‘মা, আরেক গ্লাস জল দাও।’

আবার বালকটি জল নিয়ে ছুটে গেল। তারপর আবার জল চাইতে এল। চারবারের বার মা জিজ্ঞেস করলেন, ‘পড়াশুনো না করে এত জল দিয়ে কী করছ?’

বালকটি বলল, ‘কী করব! মোমবাতিটা উলটিয়ে গিয়ে বিছানায় আগুন ধরে গেছে, কিছুতেই নিবছে না।’

এই বালকটি খুবই সরল। এবার এক ধূর্ত বালকের কাহিনী বলি।

এই ধূর্তটিকে মাস্টারমশাইরা সবাই ভাল করে চেনেন। তাঁদের সব ক্লাসেই এ রকম বালক বা বালিকা দুয়েকটি সবসময়েই থাকে।

মাস্টারমশাই ক্লাসে বাক্যরচনার পাঠ নিচ্ছেন। বাক্যরচনার ক্লাসে অনেকরকম মজার মজার ব্যাপার ঘটে। হয়তো কোনও ছাত্র বাক্যরচনা করল, ‘কলকাতার চিড়িয়াখানায় একটি তুলসীবনের বাঘ আছে।’ আরেকজন বলল, ‘সুখের পায়রার মাংস অতি সুস্বাদু।’ এমনকী এও দেখা গেছে যে, ‘বরের ঘরের মাসি, কনের ঘরের পিসি দু’জনেই বিধবা।’

এসবের মধ্যে যথেষ্টই হাসির ব্যাপার আছে। কিন্তু যে বালকটিকে ‘কিংকর্তব্যবিমূঢ়’ দিয়ে বাক্যরচনা করতে দেওয়া হয়েছিল, সে যা করেছিল সেটা তার ধূর্ততার নিদর্শন। সে অনেক ভেবেচিন্তে লিখেছিল, ‘শিক্ষক মহাশয় কিংকর্তব্যবিমূঢ় শব্দটি দিয়ে বাক্যরচনা করতে দিয়েছেন।’

এই বাক্যরচনার জন্য ধূর্ত বালকটি কি নম্বর পাবে? শুধু মাস্টারমশাই এবং ঈশ্বর বলতে পারবেন।

শিশুদের নিয়ে অনেক হল। এবার শেষ করি যমজ শিশু দিয়ে।

দুই যমজ ভাই। বছর পাঁচেক বয়স। তাদের বাড়িতে এক ভদ্রলোক এসেছেন। বাইরের ঘরে দু’জনে খেলছে, তাদের ভদ্রলোক বললেন, ‘এই যে খোকারা, তোমাদের মা-বাবা কোথায়?’

ভাইদের মধ্যে একজন উত্তর দিল, ‘আমার মা রান্নাঘরে রান্না করছে আর ওর বাবা শোয়ার ঘরে বিছানায় শুয়ে খবরের কাগজ পড়ছে।’

ভদ্রলোক তাজ্জব হয়ে গেলেন। দুই যমজ ভাই নিজেদের মধ্যে মা-বাবা ভাগাভাগি করে নিয়েছে। একজনের ভাগে বাবা, একজনের ভাগে মা।

শিশুকাহিনী সহজে ফুরবার নয়। অন্যসব উলটো-পালটা লেখার চেয়ে এ অবশ্য অনেক সরল ব্যাপার।

সর্বত্রই শিশু খুব সহজলভ্য। কিন্তু তাদের সব থেকে বেশি ঝোঁক সভা-সমিতির প্রতি। গ্রামগঞ্জে, মফস্বলে—এমনকী কলকাতার পাড়ায় পাড়ায় যেখানেই কোনও অনুষ্ঠান, জলসা বা সভা-সমিতি হোক, শিশুরা অবশ্যই ভিড় জমাবে। সে সভা রবীন্দ্রজয়ন্তীর জলসা হতে পারে কিংবা পরিবার পরিকল্পনার সরকারি প্রচারের জমায়েত হতে পারে। মাইক-প্যান্ডেল-মঞ্চ এসব থাকলেই ঝাঁকে ঝাঁকে শিশু এসে যাবে—ঠেকানো যাবে না।

তাই অনুষ্ঠানের কর্মকর্তারা ঠিক মঞ্চের সামনে কয়েক হাত জায়গা শিশুদের জন্য নির্দিষ্ট করে ফরাস পেতে রাখেন, বালখিল্যদের জন্যে ঢালাও বন্দোবস্ত।

সত্যি কথা বলতে কী, আমি এমন অনেক সভা দেখেছি, যেখানে বয়স্ক শ্রোতার সংখ্যা বড়জোর দশ-পনেরো। তাঁরা সামনের দুই সারি কাঠের চেয়ারে ইতস্তত অবিন্যস্তভাবে বসে আছেন। আর তাঁদের ঠিক সামনেই ফরাসের ওপর শ’আড়াই শিশু খলবল করছে।

আমার এক সুরসিক বক্তৃতাবাজ বন্ধু যখন কোনও সভায় যেতেন, বলতেন, ‘যাই, শিশুপাল বধ করে আসি।’

এ শিশুপাল মহাভারতের চরিত্র নয়, এ হল শিশুর পাল—শিশুপাল। ষষ্ঠী তৎপুরুষ। যারা সভামঞ্চের সামনে ফরাসে বসে থাকে।

শিশুদের বিষয়ে দু’-একটা পুরনো গল্প মনে পড়ছে।

‘কান্ডজ্ঞানে’ এক যুগ আগে দু’টি শিশুর কথা বলেছিলাম। বলা বাহুল্য, তারা আর শিশুটি নেই। দু’জনই এখন সরকারি হিসেবে প্রাপ্তবয়স্ক। গত নির্বাচনে সাতসকালে গিয়ে পরমোৎসাহে ভোট দিয়ে এসেছে। এবং তারা এখন এতই সাবালক যে, কাকে কিংবা কোন দলকে ভোট দিয়েছে, সেকথা ফাঁস করেনি। কিছু প্রশ্ন করলে মিটিমিটি হেসেছে।

এর মধ্যে প্রথমজন ছিল প্রকৃত বিচ্ছু। তখন তার চার-পাঁচ বছর বয়স। তাদের বাড়িতে একদিন সন্ধ্যাবেলা আড্ডা দিতে গেছি, শিশুটির বাবার জন্য বাইরের ঘরে অপেক্ষা করছি, এমন সময় সে ঘরে প্রবেশ করল, আর আমাকে দেখেই বাড়ির মধ্যে ছুটে গিয়ে একটা বাটি নিয়ে এল।

তারপর হাতের বাটিটা আমাকে দেখিয়ে প্রশ্ন করল, ‘এটা কী?’

আমি সরলভাবে বললাম, ‘বাটি।’

শিশুটি সঙ্গে সঙ্গে আমাকে বলল—‘তোর বউয়ের সঙ্গে সাঁতার কাটি।’

ক্ষুদ্র শিশুটির এই দূরাভিলাষ দেখে সেদিন চমৎকৃত হয়েছিলাম।

দ্বিতীয় শিশুটি অবশ্য এতটা গোলমেলে ছিল না। তার একটা বাঁধা গৎ ছিল। তাদের বাড়িতে কোনও অবিবাহিত বা অবিবাহিতা ছেলেমেয়ে এলে সে প্রশ্ন করত, ‘আচ্ছা বাটা (Bata) বানান কী?’

যেই উত্তর আসত ‘বি এ টি এ’—সে বলত, ‘তুমি বিয়ে-টিয়ে কিছু করবে না?’

পুনশ্চ:

এক দুরন্ত শিশুর পিতৃদেবকে তার এক প্রতিবেশী সেই শিশুর বিরুদ্ধে নালিশ করেছিলেন। নালিশের বিষয়বস্তু হল, ‘আপনার ছেলেটি আজ দুপুরে ঢিল ছুড়ে আমার সামনের বারান্দার কাচের জানলা ভাঙার চেষ্টা করেছিল।’

একথা শুনে স্বাভাবিকভাবেই উক্ত পিতৃদেব জানতে চাইলেন, ‘আপনার জানালার কাচ ভেঙেছে কী?’

প্রতিবেশী বললেন, ‘না ভাঙেনি—ভাঙতে পারেনি।’

পিতৃদেব একথা শুনে নিশ্চিতভাবে বললেন, ‘মনে হচ্ছে আপনি ভুল করেছেন, আমার ছেলে কিছুতেই ঢিল ছোড়েনি। সে ঢিল ছুড়লে আপনার জানলার কাচ ভাঙতই ভাঙত।’

সকল অধ্যায়
১.
চুরিবিদ্যা
২.
নৈশকাহিনী
৩.
কালীঘাটের পাখা
৪.
ডাকাতের হাতে
৫.
পদ্মাসন
৬.
শিশুশিক্ষা (১)
৭.
ঘুম (১)
৮.
পাগলের কাণ্ডজ্ঞান
৯.
পদবি ও নাম
১০.
ছারপোকার এপিটাফ
১১.
ভাগ্যফল
১২.
বিশেষজ্ঞ
১৩.
ছাতা
১৪.
র‍্যাডিস উইথ মোলাসেস
১৫.
ঘড়ি
১৬.
দরজি
১৭.
সংখ্যাতত্ত্ব
১৮.
মাতালের কাণ্ডজ্ঞান
১৯.
ভূতের কাণ্ডজ্ঞান
২০.
বানরের কাণ্ডজ্ঞান
২১.
কিঙ্কর-কিঙ্করী
২২.
ডাক্তার-ডাক্তার
২৩.
দাঁত
২৪.
টেলিফোন
২৫.
আমি কীরকমভাবে
২৬.
মন মোর মেঘের সঙ্গী
২৭.
ভ্রমণকাহিনী (১)
২৮.
প্রসূতি সদন
২৯.
নিজের ওজন নিজে বুঝুন
৩০.
জীবজন্তুর কথা
৩১.
গোরু (১)
৩২.
প্রিয়তমাসু
৩৩.
অভিনয় নয়
৩৪.
ইঁদুর ও মদিরা
৩৫.
টর্চলাইট
৩৬.
রং
৩৭.
লিফট
৩৮.
মদমত্ত
৩৯.
সুচিকিৎসা
৪০.
অচলার প্রেম
৪১.
শেষ পরকীয়া
৪২.
তালা
৪৩.
কুকুর-কুকুর
৪৪.
গোপাল ভাঁড়
৪৫.
জগৎপারাবারের তীরে
৪৬.
হিন্দি
৪৭.
রেফ্রিজারেটর
৪৮.
কৃষ্ণকান্ত এবং…
৪৯.
মাতাল রহস্য
৫০.
আবার মনে মনে
৫১.
শেষের সেদিন
৫২.
ভবসিন্ধু
৫৩.
রবীন্দ্রনাথ
৫৪.
…বাচ্চা
৫৫.
কুকুর কুণ্ডলী
৫৬.
হে মাতাল, অমোঘ মাতাল
৫৭.
শিশুপাল
৫৮.
ভোজনালয়
৫৯.
বাড়ি ভাড়া
৬০.
হায় ছবি
৬১.
জীবনবিমা
৬২.
কোন বাণিজ্যে
৬৩.
ডাক্তারের হাতে
৬৪.
অঘটন আজও ঘটে
৬৫.
সুপরামর্শ
৬৬.
পুলিশ
৬৭.
ফাঁদ পাতা ভুবনে
৬৮.
ধরা পড়েছে দু’জনে
৬৯.
রুপোলি পর্দার অন্তরালে
৭০.
পিয়ো হে পিয়ো
৭১.
ও চাঁদা চোখের জলে
৭২.
দামদর
৭৩.
মিথ্যা কথা
৭৪.
কে কোথা ধরা পড়ে
৭৫.
সময়
৭৬.
হায় কবি, তুমি শুধু কবি
৭৭.
রোগীর বন্ধু
৭৮.
রসুন
৭৯.
রসিকতা
৮০.
স্বর্গ
৮১.
দুর্ঘটনার আগে ও পরে
৮২.
পণ্ডিত
৮৩.
সমস্যা
৮৪.
স্বেচ্ছাসেবক
৮৫.
বক্তা ও বক্তৃতা
৮৬.
আবার বক্তৃতা
৮৭.
কলিংবেল
৮৮.
ঈশ্বর সমীপে
৮৯.
জীব জগতের আজব কথা
৯০.
তামাক
৯১.
আবার তামাক
৯২.
রোগী কাহিনী
৯৩.
নরখাদকের কাহিনী
৯৪.
আয় শীত, যায় শীত
৯৫.
ঘটি-বাঙাল
৯৬.
চিড়িয়াখানায়
৯৭.
সমান-সমান
৯৮.
স্মৃতির খেয়া
৯৯.
অচলপত্র
১০০.
সচিত্র ভারত
১০১.
রাম ও রামকৃষ্ণ
১০২.
কৃষ্ণ ও রামকৃষ্ণ
১০৩.
স্বপ্ন ও রমণী
১০৪.
অবাঞ্ছিত আতিশয্য
১০৫.
যা দেবী সর্বভূতেষু
১০৬.
মরণ রে
১০৭.
ধৈর্যের পরীক্ষা
১০৮.
ভুল (১)
১০৯.
গল্পের গোরু
১১০.
কাজের মেয়ে
১১১.
বইমেলা
১১২.
স্ত্রী
১১৩.
প্রথম কোকিল
১১৪.
দ্বিতীয় কোকিল
১১৫.
তৃতীয় কোকিল
১১৬.
অমল ধবল পালে
১১৭.
স্বামী-স্ত্রী ইত্যাদি
১১৮.
চিকিৎসা
১১৯.
ভূত ও রিপোর্টার
১২০.
হাঁচির গল্প
১২১.
ভাষা-ভাষা
১২২.
বালুকা ডাকিনী
১২৩.
ফুটবল
১২৪.
প্রশ্নোত্তর
১২৫.
অসম্ভব
১২৬.
রসিকতার উৎস সন্ধানে
১২৭.
ডাক্তারবাবু নমস্কার
১২৮.
আত্মনেপদী
১২৯.
ভাগলপুরের পাঞ্জাবি
১৩০.
পুজোর বাজার
১৩১.
অপমান
১৩২.
জীবজন্তু (১)
১৩৩.
পুজোর ছুটি
১৩৪.
ক্রিমিনাল
১৩৫.
রবিবারের মহাভারত
১৩৬.
আইনের আঙিনায়
১৩৭.
বুদ্ধি
১৩৮.
শাশুড়ি
১৩৯.
দেয়া-নেয়া
১৪০.
হে হিসাব
১৪১.
মাছ (১)
১৪২.
কুসংস্কার
১৪৩.
জুয়া (১)
১৪৪.
এসো বসি আহারে
১৪৫.
শুভ নববর্ষ
১৪৬.
রমণী সমাজে
১৪৭.
স্বপ্ন
১৪৮.
কলকাতা তিনহাজার তিনশো
১৪৯.
আবার বইমেলা
১৫০.
এক সর্দারের গল্প (১)
১৫১.
এক সর্দারের গল্প (২)
১৫২.
এক সর্দারের গল্প (৩)
১৫৩.
জল
১৫৪.
শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন
১৫৫.
গাধা
১৫৬.
হাওয়াই
১৫৭.
সুনন্দর জার্নাল
১৫৮.
সরস কলকাতা
১৫৯.
সরস কবিতা
১৬০.
স্টুপিডেস্ট
১৬১.
অবনী, বাড়ি আছো?
১৬২.
জুয়া (২)
১৬৩.
সময়ের হিসেব
১৬৪.
কেনাকাটা: জুতো
১৬৫.
ভেজা চপ্পল
১৬৬.
জয়বাবা শান্তিনাথ
১৬৭.
টেলিফোন
১৬৮.
পরিশেষে
১৬৯.
জনগণের জোক!
১৭০.
মকারান্ত
১৭১.
কয়েকটি প্রশ্ন
১৭২.
খাওয়া-দাওয়া
১৭৩.
বলাবাহুল্য
১৭৪.
শরৎচন্দ্র এবং রসিকতা
১৭৫.
পৃথিবী
১৭৬.
সুখের লাগিয়া
১৭৭.
অন্দর মহলে
১৭৮.
জোক বুক
১৭৯.
সান্টা, বান্টা
১৮০.
সরল শৈশব
১৮১.
কথা বলার বিপদ
১৮২.
সিগারেট
১৮৩.
পাটিগণিত
১৮৪.
গ্রন্থবার্তা
১৮৫.
প্রেমিক-প্রেমিকা
১৮৬.
ডাক্তারবাবু
১৮৭.
বধূমাতা
১৮৮.
কেনাবেচা
১৮৯.
বালিশ
১৯০.
আপ রুচি খানা
১৯১.
কাণ্ডজ্ঞান
১৯২.
দুর্ঘটনা
১৯৩.
বিজনের রক্তমাংস
১৯৪.
বিলিতি বিয়ার-পাব
১৯৫.
রাজনীতি
১৯৬.
চপলতা
১৯৭.
বাগ্বিধি
১৯৮.
মশা ও লবণহ্রদ
১৯৯.
যদ্দৃষ্টং
২০০.
বয়েস বাড়ছে
২০১.
ধানাই-পানাই
২০২.
আমপাতা জোড়া-জোড়া
২০৩.
ভ্রমণকাহিনী (২)
২০৪.
হাস্যকবি সম্মেলন
২০৫.
মুড়ি-মিছরি
২০৬.
গণ্ডারের দুধ
২০৭.
তৈজসপত্র
২০৮.
পুলিশ
২০৯.
গোরু
২১০.
অণুনাটিকা
২১১.
যদিদং হৃদয়ং
২১২.
এমন বাদল দিনে
২১৩.
ফাঁসি
২১৪.
লেপ
২১৫.
ব্যাটবল
২১৬.
স্বপ্ন
২১৭.
বড়দিন
২১৮.
ধনীরাম
২১৯.
ব্যাঙ্ক
২২০.
জাহান্নাম
২২১.
ইতিহাস
২২২.
লুঙ্গি
২২৩.
সেই বই
২২৪.
ধ্বংসের মুখোমুখি
২২৫.
ফুরসতনামা
২২৬.
পোড়া বই
২২৭.
বার্তাকু ভক্ষণ বিল
২২৮.
অ্যালেন গিনসবার্গ
২২৯.
প্যাঁচ
২৩০.
শিশুশিক্ষা (২)
২৩১.
লেখাপড়া
২৩২.
ডেটলাইন শান্তিনিকেতন
২৩৩.
যেভাবে গল্প তৈরি হয়
২৩৪.
হায় ভীরু প্রেম
২৩৫.
মাতালের গল্প
২৩৬.
মনের কথা
২৩৭.
চিনা-অচিনা
২৩৮.
কয়েকটি অবিশ্বাস্য রসিকতা
২৩৯.
মনের চিকিৎসা
২৪০.
কান্তকবি
২৪১.
জ্যোতিষী
২৪২.
আবার জ্যোতিষী
২৪৩.
পথের ভিখিরি
২৪৪.
গুরু-শিষ্য সংবাদ
২৪৫.
ভুলোমন স্বামী
২৪৬.
বই চুরি
২৪৭.
ফিলমি-ফিলমি
২৪৮.
চার্চিল
২৪৯.
পঞ্জিকা
২৫০.
নিমন্ত্রণ
২৫১.
মাছ (২)
২৫২.
জানোয়ার
২৫৩.
তুমি যে আমার
২৫৪.
সৈয়দ মুজতবা আলি
২৫৫.
ধারদেনা
২৫৬.
শিবরাম চক্রবর্তী
২৫৭.
যাচ্ছেতাই লেখা লিখছি
২৫৮.
দুর্বৃত্তের শাসানি
২৫৯.
নিজের কোট খুলতে পারে না
২৬০.
ভোজসভা শেষে বক্তৃতা
২৬১.
শুধু পাঠিকারা চিঠি লেখে
২৬২.
পাসপোর্ট ফোটোর মতো
২৬৩.
আগে পাঁচ ডলারে, এখন?
২৬৪.
এত বুড়ো হব নাকো
২৬৫.
অপ্রত্যাশিত
২৬৬.
গরমের পাখা মাঘ মাসে
২৬৭.
বাংলায় কেন হয় না
২৬৮.
মধ্যযুগ
২৬৯.
শিলিগুড়ি
২৭০.
সেদিন বেঙ্গল ক্লাবে
২৭১.
বেয়ারা
২৭২.
এত কঠিন অঙ্ক
২৭৩.
বাড়িওয়ালা
২৭৪.
সুনীলের সঙ্গে
২৭৫.
পুলিশ এবং রবীন্দ্রসংগীত
২৭৬.
দিশি-বিলিতি পুলিশের বৃত্তান্ত
২৭৭.
রসলক্ষ্মীর সাধনা
২৭৮.
জানলা পড়ল মাথায়
২৭৯.
সেদিনের চুম্বনের পরে
২৮০.
হাসির উপন্যাস
২৮১.
ভুল (২)
২৮২.
মহিলা কবিরা
২৮৩.
পুরনো কলকাতা
২৮৪.
প্রথমেই পঞ্চম সংস্করণ
২৮৫.
ঘুষ
২৮৬.
আইনমাফিক
২৮৭.
বাঁকা কথা
২৮৮.
শিশু বিষয়ে
২৮৯.
শব্দকল্পদ্রুম
২৯০.
জামাইষষ্ঠী
২৯১.
আইরিশ রসিকতা
২৯২.
পূজা ও রমণী
২৯৩.
প্রতিযোগিতা
২৯৪.
টকটক গন্ধ
২৯৫.
যানবাহন
২৯৬.
রস ও রমণী
২৯৭.
অনুভব অথবা ভাল লাগা
২৯৮.
রেডিয়ো
২৯৯.
রিকশা
৩০০.
পরিবার পরিকল্পনা
৩০১.
মহিলা মহল
৩০২.
লালিমা পাল স্মরণে
৩০৩.
বোকার মা
৩০৪.
স্থূল ও অস্থূল
৩০৫.
দম্পতি, দম্পতী
৩০৬.
সাদা রাস্তা কালো বাড়ি
৩০৭.
লক্ষপতি
৩০৮.
গল্পের গতি
৩০৯.
পাকিস্তান
৩১০.
ইঁদুর
৩১১.
এ হর্স ফর মাই কিংডম
৩১২.
হায় ছবি, তুমি শুধু ছবি
৩১৩.
প্রজাপতয়ে
৩১৪.
একটি উড়ো কাহিনী
৩১৫.
সময়জ্ঞান
৩১৬.
আমাদের কলের গান
৩১৭.
থানা পুলিশ
৩১৮.
ভ্রমণকাহিনী (৩)
৩১৯.
বয়স বাড়ছে
৩২০.
ভুল, ভূল
৩২১.
জীবজন্তু
৩২২.
ব্যবসা-বাণিজ্য
৩২৩.
বিজ্ঞাপন
৩২৪.
কবিতার ভাল-খারাপ
৩২৫.
জোচ্চোর
৩২৬.
বলাই বাহুল্য
৩২৭.
গোলমাল
৩২৮.
সিনেমা হল
৩২৯.
বাসাবাড়ি
৩৩০.
তবুও মাতাল
৩৩১.
ঢাকঢাক-গুড়গুড়
৩৩২.
জলাঞ্জলি
৩৩৩.
টাকাপয়সা
৩৩৪.
ঘুম (২)
৩৩৫.
ওগো বধূ সুন্দরী
৩৩৬.
প্রবাসে দৈবের বশে
৩৩৭.
তিন পুলিশের গল্প
৩৩৮.
দুই শ্রাদ্ধের গল্প
৩৩৯.
দুই বাঘের গল্প
৩৪০.
ঢাকাই রসিকতা
৩৪১.
ওয়ার্ক কালচার
৩৪২.
আমি কবি হয়েছিলাম গায়ের জোরে
৩৪৩.
যাহা পাই, তাহা চাই না
৩৪৪.
পথে পথে কবিতা
৩৪৫.
হাং সাং টাঙ্গাইল
৩৪৬.
পত্রের উত্তর
৩৪৭.
আবার উত্তর
৩৪৮.
বিদূষক
৩৪৯.
মশা
৩৫০.
খাদ্য সমস্যা
৩৫১.
বউ কথা কও
৩৫২.
শেফালি
৩৫৩.
ভালবাসার সন্ধানে
৩৫৪.
স্বর্গ যদি কোথাও থাকে
৩৫৫.
তারি লাগি যত
৩৫৬.
জাহাজ
৩৫৭.
স্ত্রী রত্ন
৩৫৮.
আদ্যনারায়ণ
৩৫৯.
আমার ভাগ্য
৩৬০.
পরোপকার
৩৬১.
অফিস
৩৬২.
ভদ্রলোক
৩৬৩.
কাকের মাংস
৩৬৪.
স্বর্গ নরক

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%