দশম পর্ব : বনবীথি পাত্র

বিশ্বরূপ মজুমদার

10

গঙ্গার ধারে বসে আনমনে জলের দিকে তাকিয়ে ছিল সজল। পাশেই খেয়াঘাট। নতুন হয়েছে এই ঘাটটা। আগেও অনেকবার খোসবাগ এসেছে সজল। আগের খেয়াঘাটটা নাকি নদীর ভাঙনে গঙ্গাতেই তলিয়ে গেছে। গঙ্গার ভাঙন ক্রমেই যেন গ্রাস করছে ভূমিভাগ। ঘাটে দাঁড়ানো নৌকাটা ছেড়ে যেতেই সজল হাতঘড়ির দিকে তাকাল। তৃণা তো এখনও এল না! অথচ এই খোসবাগে এইসময় দেখা করার প্ল্যানটা তৃণাই ঠিক করেছিল। শহর থেকে একটু দূরে এসে এখানে একটু নিরিবিলিতে বসা যাবে। আর শহরের মধ্যে যেখানেই যাও বসে একটু নিরিবিলিতে কথা বলতে যাবে, ঠিক চেনা কারও সঙ্গে দেখা হয়ে যাবে। কলেজে পড়তে এসে ছেলেদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, গল্পগুজবের খবরটা কেউ যদি একবার বাবার কান আবধি পৌঁছে দেয়, তাহলে তৃণার পড়াশুনো এখানেই খতম হয়ে যাবে। বাবা কালকেই এখানে এসে কান ধরে টানতে টানতে বাড়ি নিয়ে যাবে। তৃণার কথায় তাই খোসবাগে আসতে কোনও অমত করেনি সজল। বরঞ্চ তৃণার পরিবারের প্রতি একটা শ্রদ্ধাভাব গড়ে উঠেছিল ওর মনে। বাবা-মা যদি প্রথম থেকে দিদির ওপর ওইভাবে খেয়াল রাখত, আজ অন্তত সজলের জীবনটা এমন এলোমেলো হয়ে যেত না। পাঁচটায় আসবে বলেছিল তৃণা। কিন্তু ঘড়ির কাঁটা তো অন্য কথা বলছে। দু’-পাঁচ মিনিট দেরি না হয় হতেই পারে, কিন্তু তাই বলে পঁয়তাল্লিশ মিনিট! মনটা হঠাৎ কেমন তিতকুটে হয়ে যায়। তৃণা কি তবে ইচ্ছা করেই বোকা বানাল সজলকে? ওরই বোধহয় এত সহজে তৃণাকে এতটা বিশ্বাস করা ঠিক হয়নি। ভাবনার মাঝেই তৃণার কণ্ঠস্বর, “আমি আসব না ভাবছিলেন, তাই না?”

একটু উদগ্রীব ভাবেই উঠে দাঁড়ায় সজল, “না না তেমন কিছু না।”

—“তেমন না কিছু বললেই হবে! আপনার চোখ তো অন্য কথা বলছে।”

—“আপনি বুঝি চোখের ভাষা পড়তে পারেন?”

দুষ্টু হাসি খেলে যায় তৃণার দু’চোখে। সালোয়ারের ওড়না সামনে নদীর ধারে বসতে বসতে বলে, “সব চোখের ভাষা পারি না। যে চোখ মনের মধ্যে গেঁথে যায়, শুধু সেই চোখের ভাষাই পড়তে পারি।”

তৃণার এইটুকু কথাতেই কেমন যেন অপ্রস্তুত হয়ে যায় সজল। কথাটার প্রত্যুত্তরে তার কী করা উচিত সেটাই যেন বুঝতে পারছে না। বোকার মতো একমুখ হেসে বসে পড়ে তৃণার পাশে। তৃণা মনে মনে হাসে, পাখি পুরোপুরি ফেঁসেছে দেখছি! এখন শুধু সুযোগ বুঝে খাঁচায় ভরার অপেক্ষা...

“মাথাটা খুব ধরেছে, একটু চা খেলে ভালো লাগত।”

একটু অন্য প্রসঙ্গের ফাঁকটুকু যেন সজলও খুঁজছিল। সে তাড়াতাড়ি বলে, “দাঁড়ান দেখি, চায়ের কোনও ব্যবস্থা করতে পারি কি না! কাছেপিঠে চায়ের কোনও দোকান তো দেখছি না।”

“এই তো আসার পথেই দেখলাম একটা দোকান। চলুন চা খেয়ে এসে না-হয় বসা যাবে। তবে একটা শর্ত আছে কিন্তু। আপনি রাজি হলে তবেই আমি চা খেতে যাব। সেদিন আপনি চা খাইয়েছেন, আজ কিন্তু আমি খাওয়াব।”

হেসে ফেলে সজল, “আচ্ছা চলুন তাই হবে।”

ছোট একটা গুমটি হলে কী হবে, মাটির ভাঁড়ে চা-টা মন্দ করেনি। তৃণা ভেবেছিল চায়ের পর সজল নিশ্চয় একটা সিগারেট কিনবে, সচরাচর ধূমপায়ী মানুষরা যেমনটা কিনে থাকে। তাহলে কি বিদ্যুতের কাছে ভুল খবর ছিল! কোনওরকম নেশা নেই সজলের? ধূমপানের নেশা না থাকলে পানীয়ের নেশা থাকে কী! জানা নেই তৃণার।

“কী ভাবছেন তখন থেকে? চলুন গঙ্গার ধারে গিয়ে একটু বসা যাক।”

সজলের কথায় যেন সম্বিত ফেরে তৃণার। হালকা হেসে হাঁটতে থাকে সজলের পাশে পাশে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কথার ভীষণ প্রয়োজন; অথচ দুজনেই যেন কথা খুঁজে পাচ্ছে না। সজলই প্রথম কথার সূত্রপাত করে, “জানেন ছোটবেলায় দাদু আমাদের সব ভাইবোনদের একসঙ্গে খোসবাগে ঘুরতে নিয়ে আসত। দাদুর মুখে ইতিহাসের গল্প শুনতে শুনতে মনে হত, সেইসব ঘটনা যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি। স্বপ্নের মধ্য নবাব সিরাজউদ্দৌলার ঘোড়ার খুরের আওয়াজও যেন শুনতে পেতাম। ছোটবেলায় সবার মনের মধ্যেই বোধহয় অমন কল্পনার একটা জগৎ থাকে। সেই ছোটবেলায় যদি ফিরে যাওয়া যেত তো বেশ ভালো হত।”

কথাগুলো বলে হাসতে থাকে সজল। তৃণা মুখ কাঁচুমাচু করে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।

“আমার ছোটবেলাটা একদম অন্যরকম। অত কঠিন বাস্তবের মধ্যে দিয়ে বড় হয়েছি যে কল্পনার কোনও অবকাশই পাইনি। আমি তাই আর কিছুতেই ছোটবেলায় ফিরে যেতে চাই না। জীবনের সফরটা শেষ হলে বাঁচি!”

তৃণার প্রতি কেমন যেন একটা মায়া হয় সজলের। এত অল্পবয়সী একটা মেয়ের মনে এতখানি দুঃখ! তৃণা গলার স্বর আরও কিছুটা নামিয়ে অপরাধীর ভঙ্গিতে বলে, “আমি না একটা ভীষণ সমস্যায় মধ্যে আছি। আমার বোধহয় আর পড়াশুনোটা শেষ করা হবে না। কিন্তু বাবা-মাকে কথাটা কী করে জানাব সেটাই বুঝতে পারছি না। আসলে ওঁরা আমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেছিলেন...”

মেয়েটা সেদিন ছিনতাইবাজের হাত থেকে সেলফোনটা ফেরত পেয়ে অনেকখানি ভরসা করে ফেলেছে সজলকে। নাহলে এত অল্প পরিচয়ে কেউ নিজের সমস্যার কথা বলতে চায় না। সজল মনে মনে হাসে। কবে যে কলকাতা ফিরতে পারবে তার তো কোনও ঠিক নেই। মালটা পটে গেলে এই একঘেয়ে বনবাস পর্বটা মন্দ যাবে না! সজল আলগোছে তৃণার হাতটা ছোঁয়। নরম গলায় জানতে চায়, “কী সমস্যা আমাকে কি বলা যায় না?”

“জানেন আমি কিন্তু খারাপ মেয়ে নই। কিন্তু জীবনে সেই ছোটবেলা থেকে এত মানসিক চাপ নিতে নিতে আমি ক্লান্ত। তাই বোধহয় বন্ধুদের সঙ্গে সেদিন...”

তৃণা বলতে বলতে থেমে যেতেই সজল হাত রাখে তৃণার পিঠে।

“বলুন কী হয়েছে। আমার কাছে কোনও সংকোচ করতে হবে না।”

তৃণা আর্দ্র কণ্ঠে বলতে থাকে, “শুনেছিলাম মদ নাকি মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়। তাই তো সেদিন রুমাদির কথায়...”

কথা শেষ না করেই কাঁদতে থাকে তৃণা। সজল কি করবে বুঝে ওঠার আগেই রুমালে চোখ মুছে তৃণা বলতে থাকে, “বিশ্বাস করুন, সেইদিনই প্রথমবার খেলাম। অথচ সেটাই দেখে ফেলল আমাদের পেয়িং গেস্টের আন্টি। আমাকে আর রুমাদিকে সাত দিনের ঘর ছাড়ার নোটিশ ধরিয়ে দিয়েছে। আচ্ছা মদ খেলেই বুঝি খারাপ মেয়ে হয়ে যায়?”

স্নেহাকেও মদ খেতে দেখেছে সজল। স্নেহা কি তাহলে খারাপ মেয়ে! স্নেহা যদি খারাপ না হবে তাহলে তৃণাই বা মদ খেয়েছে বলে খারাপ হবে কেন? সজলের উত্তরের অপেক্ষা না করেই ওর হাত দুটো নিজের হাতের মুঠোয় ধরে তৃণা বলে, “আপনার তো এখানে অনেকদিনের যাতায়াত। আমাকে থাকার মতো একটা ঘরের ব্যবস্থা করে দিন না প্লিজ...”

দু’জনে কথায় এতই বিভোর হয়েছিল, ঈশান কোণে বিশাল মৌচাকের মতো কালো মেঘটা খেয়ালই করেনি। এলোমেলো ঝোড়ো হাওয়া বইতেই সম্বিত ফেরে দু’জনের। ততক্ষণে টিপটিপ বৃষ্টি পড়তে শুরু করে দিয়েছে। কোনও একটা আশ্রয়স্থলের সন্ধানে কথা অর্ধসমাপ্ত রেখেই উঠে পড়ে দু’জনে। এদিকটায় শুধুই গাছপালা। জনবসতি বা দোকানপাট কিছুই তেমন নেই যে একটু তার নীচে দাঁড়াবে! তৃণা ব্যাগ থেকে ছাতা বের করলেও, তাতে দু’জনের মাথাটুকুও ঠিকমতো বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচছে না। বৃষ্টির বেগ ক্রমেই যেন বাড়ছে, সঙ্গে এলোমেলো হাওয়া। দূরে একটা ভাঙাচোরা বাড়ি দেখে দু’জনে ছুটে গিয়ে সেখানেই আশ্রয় নেয়। কাছে এসে বুঝতে পারে এটা কোনও বাড়ি নয়, বহু পুরনো স্থাপত্যের ভগ্নপ্রায় অংশ বিশেষ। এই ভগ্নস্তূপও হয়তো কোনও ইতিহাসের সাক্ষী! ইঁট পাথরের ফাঁকে ফাঁকে আগাছা সঙ্গে কিছু বট অশ্বত্থ গাছও নিজের অস্তিত্ব মেলে ধরেছে। মাকড়সার জালে ভিতরে ঢোকার সাধ্যি নেই। তবু বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচার মতো এই আশ্রয়টুকুই এখন অনেক। ওড়না দিয়ে হাত মুখটা মুছতে মুছতে তৃণা বলে, “বৃষ্টির বেগটা একটু কমলেই কিন্তু এখান থেকে চলে যাব। দিনের আলো তো প্রায় নিভেও এসেছে। ভরসা বলতে এই মোবাইলের টর্চের আলোটুকু। আমি অন্ধকারে কিছুতেই এখানে থাকব না। একে অন্ধকার, তারপর এই পুরনো আমলের ঘরবাড়ি! এমন স্থানেই তো তেনাদের অবাধ বিচরণ।”

তৃণার কথা বলার ভঙ্গি দেখে হেসে ওঠে সজল।

“তেনাদের মানে ভূতের কথা বলছেন? আপনি বুঝি ভূতপ্রেতে বিশ্বাস করেন!”

মৃদু ধমক লাগায় তৃণা।

“উফ, তেনাদের নামটা উচ্চারণ না করলেই কি চলছিল না আপনার?”

কথাটা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একটা তীক্ষ্ম আওয়াজ। সজল প্রথমটা ভেবেছিল বোধহয় বাজ পড়ার শব্দ। কিন্তু পরমুহূর্তেই তৃণার আর্ত চিৎকারে বুঝতে পারল, বন্দুকের গুলির আওয়াজ। গুলি তৃণার গলায় লেগেছে। ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরচ্ছে। তৃণার শরীরটা দু’-একবার ঝাঁকিয়ে উঠেই স্থির হয়ে গেল। তখনই সামনের একটা বড় গাছের আড়াল থেকে কেউ একজন ছুটে যাওয়ার আওয়াজ পায় সজল। সম্ভবত সেই গুলিটা চালিয়েছে। তখনই বিদ্যুৎ চমকে ওঠায় পলায়মান মানুষটির পিছনটা দেখতে পায় সজল। কোঁকড়ানো চুলটা দেখেই কেন জানি সজলের মুখ থেকে অজান্তেই উচ্চারিত হয় একটা শব্দ, “রাকেশ!”

**********

খবরটা শোনা মাত্র হন্তদন্ত হয়ে এস. আই. সঞ্জয় বোসের চেম্বারে ঢুকতে গিয়েও থমকে যান এ. এস. আই. প্রদীপ ঘোষ। পর্দার আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে রেখে ভিতরের কথোপকথনে মনঃসংযোগ করেন।

“হা হা হা হা...

পুলিশ লাইনে না-এসে অভিনয় দুনিয়াতে গেলে বেশি উন্নতি করতাম বলছেন! যাই বলুন দুঁদে পুলিশ অফিসার হয়েও সেদিন স্নেহাদের বাড়িতে গিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলার সময় একটু কিন্তু চাপে ছিলাম। যতই হোক বয়সের একটা অভিজ্ঞতা তো আছে। তবে অযথাই চাপ খেয়েছিলাম। দু’জনকেই বেশ ঘাবড়ে দিতে পেরেছিলাম।

আর বলবেন না, আমার এই কেসে সঙ্গীটি আবার সত্যবাদী যুধিষ্ঠির! ওর মতো যুধিষ্ঠিরের সঙ্গে কাজ করাটা মাইরি হেব্বি ঝঞ্ঝাটের। প্রত্যেকটা পদক্ষেপ সামলে ফেলতে হয়। তবে এতখানি কঠিন কাজের পুরস্কারটাও নিশ্চয় বেশ চমকদার হবে।

না না সেভেনটি-থার্টি নয় সিক্সটি-ফর্টি করুন। আমি তো প্রথম থেকেই এটাই বলছি। এতখানি রিক্স নিয়ে কাজ করাটা নাহলে পোষাবে না আমার। আচ্ছা আপনার সেই ফরেন ট্রিপটার কথা মনে আছে তো! আমার গিন্নি কিন্তু অ্যাঙ্কশাসলি ওয়েট করছে। কর্তার ইচ্ছায় কর্ম ব্যাপারটা শুধু নিচু ক্লাসের ব্যাকরণ বইয়ের কারকের চ্যাপ্টারেই সীমাবদ্ধ। সংসার জীবনে একমাত্র কত্রীর ইচ্ছাতেই কর্ম সম্পন্ন হয়। তাই আর বেশি দেরি করেন না। কেসটা একটু সামলে নিয়েই আমি ছুটি ম্যানেজের চেষ্টা করছি; আপনি বরঞ্চ ততদিনে ফ্লাইটের টিকিট, হোটেল এইসবগুলোর ব্যবস্থা করে ফেলুন।”

মোবাইলের ওপারের কোনও কথাই শুনতে পাচ্ছে না এ. এস. আই. প্রদীপ ঘোষ। কিন্তু এপারের কথা শুনেই পুরো ব্যাপারটা তার কাছে জলের মতো পরিষ্কার হওয়ার বদলে যেন আরও গুলিয়ে গেল। চাকরি জীবনে ঢুকে থেকে যে সঞ্জয় বোসকে নিজের আদর্শ হিসাবে ভেবে এসেছে, আজ সেই মানুষটার এ কোন রূপ তার চোখের সামনে ধরা দিল! নিজেকেই কেমন যেন কিংকর্তব্যবিমূঢ় মনে হচ্ছে প্রদীপ ঘোষের। যে গুরুত্বপূর্ণ খবরটা দেবে বলে স্যারের কাছে এসেছিল, সেটা আর স্যারকে বলবে কি না বুঝে উঠতে পারছে না। কিন্তু একজন অধস্তন কর্মচারী হিসাবে স্যারকে খবরটা দিতে তো সে বাধ্য। প্রদীপ ঘোষ নিজেকে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক করে দরজার সামনে এসে বলে, “মে আই কাম ইন স্যার?”

“আরে এসো এসো। কিছু নতুন খবর আছে নাকি!”

“হ্যাঁ স্যার। বহরমপুর পুলিশ স্টেশন থেকে একটু আগে ফোন এসেছিল। খোসবাগের কাছে একটা ভাঙা বাড়িতে একজন যুবতীর গুলিবিদ্ধ ডেডবডি পাওয়া গেছে। তার মোবাইলে শেষ যে ফোনটা এসেছিল, তার নাম সেভ করা আছে বিদ্যুৎ নামে। তাকে ফোন করেই পুলিশ জানতে পারে মৃতার নাম তৃণা বসু। তবে খুনের কথাটা শুনতেই বিদ্যুৎ ফোন কেটে দেয়। তারপর থেকেই বলছে সুইচড অফ। তৃণা বসু বিদ্যুৎকে একজনের ছবি হোয়াটসঅ্যাপ-এ পাঠিয়েছিল দু’দিন আগে। সেই ছবিটা দেখেই বহরমপুর পুলিশ আমাদের ফোন করেছে।”

এস. আই. সঞ্জয় বোস উত্তেজিত ভাবে জানতে চান, “সেই ছবিটা কার?”

প্রদীপ ঘোষ উত্তর দেন, “স্নেহাদেবীর ভাই সজলের...”

imgbin_drawing-png
সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%