বিশ্বরূপ মজুমদার

দু’হাতে মাথা টিপে কম্পিউটার কী বোর্ডের উপর মাথাটা রেখে বসেছিল স্নেহা। অফিসের কোনও কাজেই আজ মন বসছে না। শনিবার বিকেলের পর থেকে জীবনের চেনা ছন্দটা কেমন বদলে গেছে। গতকাল সারাটা দিন স্নেহা আশা করেছিল রাকেশ একবার অন্তত ফোন করবে। দু’বছরের সম্পর্ক এভাবে শেষ হয়ে যেতে বসেছে ও ভাবতেও পারে না। কিন্তু সেই বহু আকাঙ্ক্ষিত ফোনটা আসেনি। আজ বাধ্য হয়ে ও নিজেই ফোন করেছিল। কিন্তু সুইচড অফ বলছে।
অফিস থেকে দু’ লাখ টাকাটা লোন নিয়েছিল স্নেহা, রাকেশ বলেছিল তিন মাসের মধ্যে শোধ করে দেবে। কিন্তু...! ইদানীং মাঝে মধ্যেই টাকা চাইত ওর কাছে।
—“লাঞ্চ করবেন না? সবাই তো চলে গেল! শরীর খারাপ নাকি?” অ্যাকাউন্টসের প্রতীক রায়ের কথায় মাথা তোলে স্নেহা। লোকটা আট মাস হল বদলি হয়ে এসেছে এই ব্রাঞ্চে। একটু যেন গায়ে পড়া।
একটু বিরক্তি নিয়েই স্নেহা বলে, “আপনি এগোন। আমি পরে যাচ্ছি।”
প্রতীক কিছু একটা বলতে গিয়েও না-বলে এগিয়ে যায়।
স্নেহা আজ টিফিন আনেনি। অফিসের নীচেই দুটো খাবার দোকান রয়েছে, পাশেই রয়েছে এসবিআই ক্যান্টিন। কোথায় যাবে ভাবছিল ও, ঠিক তখনই ওর ফোনে টিকটক আওয়াজ তুলে মেসেজটা ঢোকে।
ওখানে দাঁড়িয়েই চটপট মেসেঞ্জারে মেসেজটা খোলে স্নেহা।
রাকেশ লিখেছে —‘টাকাটা ফেরত দিতে চাই এখনই। জারুল গাছটার কাছে।’
সেক্টর ফাইভের এই শেষদিকটা বড্ড ফাঁকা ফাঁকা। স্নেহাদের বিল্ডিংটা থেকে বের হলে সামনের বড় প্লটটা প্রচুর গাছ আর দেওয়াল দিয়ে ঘেরা, ওদের বাঁ-দিকে একটা বড় আইটি কোম্পানি, তারপর দুটো ফাঁকা প্লট। বেশ কিছু কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, জারুল গাছ রয়েছে ওই জায়গাটায় ফুটপাত ঘেঁষে। বেশ ফাঁকাই থাকে জায়গাটা। টিফিন আওয়ার্সে এর আগেও বেশ কয়েকবার রাকেশের সঙ্গে ওই জারুল গাছের নীচে দেখা করেছে ও। ঘড়িতে পৌনে তিনটে। আজ ব্যাপারটা একটা মিটমাট করেই অফিসে ঢুকবে ভেবে স্নেহা ভ্যানিটি ব্যাগটা নিয়ে বেরিয়ে আসে।
সিঁড়ি দিয়ে নেমেই সামনের গুমটিটায় দেখে প্রতীক রায় সিঁড়ির দিকে তাকিয়ে সিগারেট খাচ্ছে। এখনই দেখলে জুড়ে যাবে হয়তো। দ্রুত না দেখার ভান করে বাঁ দিক ঘুরে ফুটপাত বরাবর এগিয়ে যায় স্নেহা। কিন্তু ঝাঁকড়া জারুল গাছটার নীচে গিয়েও রাকেশকে দেখতে পায় না। একটা বাইকে হেলান দিয়ে একটা অচেনা ছেলে দাঁড়িয়ে রয়েছে, পাশে একটা কালো চামড়ার ব্যাগ। একটু ইতস্তত করে জারুল গাছটার নীচে দাঁড়িয়ে ফোনটা বের করে স্নেহা।
—“রাকেশ এই ব্যাগটা আপনাকে দিতে বলেছে।” সেই ছেলেটা ওর দিকে বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যাগটা।
বেশ রাগ হয় স্নেহার। কোঁকড়া চুল, ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি ছেলেটার হাত থেকে এক ঝটকায় ব্যাগটা নিয়ে স্নেহা বলে, “সে কোথায়? আপনি কে?”
—“একটা মেসেজ করে দেবেন শুধু। বাই।” বলেই ছেলেটা সামনে রাখা বাইকে উঠে বেরিয়ে যায়।
স্নেহা সেদিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থাকে। টাকাটা এত সহজে দিয়ে দিল রাকেশ! দেখাও করল না! দু’ বছরের সম্পর্ক এভাবে...বুকের ভেতরটা কেমন করছিল ওর। পরক্ষণেই স্নেহার মনে পড়ে ঠিক কীভাবে একঘর লোকের সামনে রাকেশ পনেরো লাখ টাকা চেয়েছিল!
ভগবান যা করেন মঙ্গলের জন্যই করেন। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে অফিসের দিকে ফিরে যায় ও। সম্পর্কটা বোধহয় শেষ হয়েই গেল। লাঞ্চ আর আজ করবে না ও।
লিফটের আশায় দাঁড়িয়ে না থেকে সিঁড়ি ভাঙতে শুরু করে ও। টাকাটা আজকেই ক্যাশে জমা করে দেবে মনে মনে ভাবে স্নেহা। কে জানে পুরো দু’ লাখ রয়েছে কি না!
ভিতরে ঢুকে নিজের কিউবিকলের সামনে দু’জন অচেনা লোক দেখে একটু থমকে যায় স্নেহা। কাস্টমার বলে মনে হচ্ছে না, আর ও তো ডাইরেক্ট কাস্টমার ডিল করে না! ওঁরা এখানে কী করছে!
দুটো কিউবিকল পার হতেই ব্রাঞ্চ ম্যানেজার রণজয় সেনকে দেখতে পায় স্নেহা। ওর দিকে তাকিয়ে মিঃ সেন বলেন, “এই তো মিস মিত্র এসে গেছেন! ওঁরা আপনাকেই খুঁজছিলেন।”
স্নেহা ব্যাগটা শক্ত করে ধরে বলে, “বলুন?”
—“মিস মিত্র, আমরা একটা ইনভেস্টিগেশনের ব্যাপারে থানা থেকে আসছি। আমি সঞ্জয় বোস, উনি আমার জুনিয়ার এ. এস. আই. প্রদীপ ঘোষ। আপনার সঙ্গে একটু দরকারি কথা ছিল। কোথায় বসা যায় বলুন তো?” সামনে দাঁড়ানো লোকটি বলে। দ্বিতীয় জনের চোখ ঘুরছে চারিদিকে।
স্নেহার মনে হয় ভূমিকম্প হচ্ছে। সারা মুখের রক্ত এক মুহূর্তে যেন শুষে নিয়েছে কেউ। কাঁধ থেকে কালো চামড়ার ব্যাগটা ধপ করে টাইলসের ফ্লোরের উপর পড়ে যায়। ওর শরীরটা হঠাৎ অবসন্ন হয়ে আসে।
ম্যানেজার সেনও ঘুরে তাকিয়েছেন ওঁদের দিকে। পরমুহূর্তেই পরিস্থিতি হালকা করার জন্য বললেন, “এনিথিং সিরিয়াস! আপনারা চাইলে আমার রুমে বসতে পারেন।”
—“একটু প্রাইভেসি দরকার। একটা রুটিন ইনভেস্টিগেশন চলছে। আশা করি মিস মিত্রর সহযোগিতা পাব।” মিঃ বোস বলে।
—“ক...কী ব্যাপারে...মানে...আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না!” কথাটা বলতে গিয়ে স্নেহার মনে হয় জিভটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে।
—“প্লিজ, আমার রুমে অথবা মিটিং রুমে এসে বসলে ভালো হয়।” মিঃ সেন এবার গলাটা একটু নামিয়েই বলেন। এই ব্রাঞ্চের রেপুটেশন ভালো। স্নেহা মেয়েটাও বেশ ভালোই। মিঃ সেন এখনও জানেন না পুলিশ কেন ব্যাঙ্কে এসে হানা দিয়েছে। কিন্তু এই নিয়ে ব্যাঙ্কের ভেতর কোনও ঝামেলা হোক ম্যানেজার হিসাবে সেটা কখনওই চাইবেন না।
—“মিটিং রুমটাই ভালো অপশন।” সঞ্জয় বোস বলে।
মিঃ সেনকে অনুসরণ করে সঞ্জয় বোস, প্রদীপ ঘোষ এবং সবার পেছনে স্নেহা এগিয়ে যায় করিডোরের শেষ মাথায় কনফারেন্স হল লেখা ঘরটার দিকে।
টাকার ব্যাগটা জোর করেই টেনে নিয়ে চলে স্নেহা। কিন্তু পুলিশ কেন? কিছুতেই বুঝতে পারে না! পরক্ষণেই মনে হয় রাকেশ তাকে কোনও ভাবে ফাঁসাচ্ছে না তো! টাকাটাই বা আজকেই এভাবে ফেরত দিল কেন?
দুটো ভিজিটারস চেয়ার টেনে দু’জন বসতেই মিঃ সেন বেরিয়ে যান।
স্নেহা দাঁড়িয়ে থাকে শক্ত হয়ে। ব্যাগটাকে নামিয়ে রাখে পায়ের কাছে। অফিসে সচরাচর এমন ব্যাগ নিয়ে কেউ আসে না। টাকাটাও গুনে দেখা হয়নি। অবশ্য এখন স্নেহার মাথায় একটাই চিন্তা। রাকেশ কি ওকে ফাঁসাতে চাইছে কোনও ব্যাপারে?
—“আপনি বসুন মিস মিত্র।” মিঃ বোস বলে।
চেয়ারের পেছনটা ধরে শক্ত হয়ে দাঁড়ায় স্নেহা। তারপর বলে, “বলুন আমায় কেন প্রয়োজন?”
—“রাকেশ সামন্তকে কতদিন ধরে চেনেন?”
এমন কিছু প্রশ্নই আশা করছিল স্নেহা।
—“দু’ বছরের একটু বেশি। কেন?”
—“শেষ কী কথা হয়েছিল আপনাদের মধ্যে?” এবার মিঃ বোসের গলা বেশ প্রফেশনাল মনে হয়।
—“দেখুন, সেগুলো ব্যক্তিগত ব্যাপার। এভাবে...” জিভ দিয়ে ঠোঁটটা ভিজিয়ে নিতে চায় স্নেহা।
—“ব্যক্তিগত ব্যাপারটা ঠিক কতটা ব্যক্তিগত জানার জন্যই আমরা এসেছি। কোনও ব্যক্তিগত আক্রোশের থেকেই কী খুন হয়েছে রাকেশ সামন্ত? এটুকু জানতেই আসা!”
স্নেহা এতটা অবাক আগে কখনও হয়নি, কী বলছে লোকটা! রাকেশ...খুন...না না, এই তো মেসেজ করল রাকেশ! ব্যাগটা তবে কে পাঠাল?
—“রাকেশ সামন্তর সঙ্গে কিছু ঝামেলা হয়েছিল আপনার?” সঞ্জয় বোস বলে।
—“না...মানে...ও শনিবার বিকেলে এসেছিল আমাদের বাড়ি। বিয়ের কথাই চলছিল। কিন্তু...!”
—“কিন্তু ও মোটা টাকা পণ চেয়ে বসে। আর আপনাদের মাথা গরম হয়ে যায়। আপনার ভাই ওকে থ্রেট দিয়েছিল, আর আপনি...”
এবার আর সঞ্জয় বোস নিজের কথা শেষ করতে পারে না। তার আগেই স্নেহা বলে, “রাকেশ আজ কিছুক্ষণ আগেও মেসেজ করেছিল। ও খুন হয়েছে বলছেন! মানে...তাহলে মেসেজ কে করল?”
—“দেখুন, আমরা রাকেশের ডেড বডিটা পেলেও ওর ফোনটা এখনও পাইনি। তবে ফোনটা সুইচড অফ।”
—“ও মেসেঞ্জারে মেসেজ করে আমায় একটা জিনিস দিতে ডেকেছিল অফিসের বাইরে।”
—“মেসেঞ্জারে! সে তো পাসওয়ার্ড হ্যাক করে যে কেউ ব্যবহার করতে পারে। দেখা করেছিলেন আপনি?” প্রদীপ ঘোষ এই প্রথম প্রশ্ন করল।
—“হ্যাঁ...মানে না। ও আসেনি। একটা ছেলেকে পাঠিয়েছিল।” স্নেহা ওড়নাটা টেনে মুখ মোছে। সেন্ট্রাল এসি ঘর হলেও ওর কপালে ফুটে উঠেছে স্বেদবিন্দু।
—“স্ট্রেঞ্জ...তারপর?” সঞ্জয় আর প্রদীপ একে অপরের দিকে তাকায়।
—“অ্যাকচুয়েলি অফিসার...ও আমার থেকে দু’ লাখ টাকা লোন নিয়েছিল কয়েকমাস আগেই। ও সেটাই দিতে আসবে বলেছিল। কিন্তু ওর বদলে আরেকটি ছেলে এই ব্যাগটা আমায় দিয়ে যায়।” ব্যাগটার দিকে একবার তাকিয়ে স্নেহা ফোনের পর্দায় মেসেজটা খুলে দেখায়।
—“টাকাটা দেখে নিয়েছিলেন? ওকে যে দিয়েছিলেন তার প্রুফ আছে তো?” সঞ্জয় ভ্রূ কুঁচকে ব্যাগটা লক্ষ করে।
—“না, মানে পথের ভেতর কী করে চেক করব! আর অফিসে ঢুকেই দেখলাম আপনারা এসেছেন।” গলায় জোর আনার চেষ্টা করে মেয়েটা।
—“ওয়েল...আপনি টাকাটা এখন গুনে নিতেই পারেন। বাকিটা আমরা দেখছি।” মৃদু হেসে স্নেহার বাড়িয়ে দেওয়া ফোনটা ফেরত দেয় সঞ্জয় বোস।
স্নেহা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। ওর তখনও বিশ্বাস হচ্ছে না যে রাকেশ নেই। তবে টাকাটা কে পাঠাল?
—“ম্যাম, প্লিজ...ব্যাগটা খুলুন।” প্রদীপ ঘোষ তাড়া দেয় একটু।
ধীরে ধীরে কালো চামড়ার ব্যাগটা একটা ফাঁকা চেয়ারে তোলে স্নেহা। চেনটা খুলতে ইচ্ছা করছে না, একটা ভয় ধীরে ধীরে গ্ৰাস করছে ওর সমগ্ৰ সত্তা।
—“টাকাটা কি লোন করেছিলেন?” সঞ্জয় প্রশ্ন করে।
—“হ্যাঁ, ম্যানেজার জানেন। সব পেপার রয়েছে।”
—“যে এসেছিল টাকাটা দিতে আপনি চেনেন?”
মাথা নাড়ে স্নেহা। সত্যিই ও ছেলেটাকে চেনে না।
দুরু দুরু বুকে ব্যাগটা খুলে দেখে স্নেহা, বেশ কিছু ধূসর রঙের পাঁচশোর বান্ডিল উঁকি দিচ্ছে ব্যাগের ভেতর থেকে। ব্যাঙ্কে কাজ করার সুবাদে ও দেখেই বুঝতে পারে এগুলোয় পঞ্চাশটা করে নোট রয়েছে। তাহলে আটটা বান্ডিল হওয়ার কথা, কিন্তু আটটা বান্ডিলে তো ব্যাগটা এত ভারী হওয়ার কথা নয়।
—“কী হল ম্যাডাম, সব ঠিক আছে তো?”
এ. এস. আই. প্রদীপ ঘোষের প্রশ্নে তাড়াতাড়ি ব্যাগটা বন্ধ করে স্নেহা বলে, “মনে তো হচ্ছে ঠিকই আছে। আজকেই জমা করে দেব।”
—“যদি আপনার আপত্তি না থাকে বান্ডিলগুলো একটু দেখতাম ম্যাডাম।” উঠে দাঁড়ায় প্রদীপ ঘোষ।
এবার একটু বিরক্ত হয় স্নেহা। বলে, “এটাও কি আপনাদের ইনভেস্টিগেশনের ভেতর পড়ছে?”
—“দেখুন মিস মিত্র, রাকেশ সামন্ত খুন হয়েছে শনিবার মাঝরাতে। এদিকে আপনি বলছেন এই টাকাটা রাকেশ পাঠিয়েছে, ও আজ দুপুরে মেসেজ করেছিল। আপাতত এটা একটা এভিডেন্স হিসাবে আমরা বাজেয়াপ্ত করতেই পারি, ঠিক কে টাকাটা ফেরত দিল জানা দরকার। এতগুলো টাকা নিশ্চয়ই ভূতে পাঠায়নি।” সঞ্জয় বোস বলে। ওঁর চোখের ইশারায় প্রদীপ ঘোষ ব্যাগটা টেবিলে তুলে দুটো বান্ডিল বের করে আনে। রাবার ব্যান্ড দিয়ে প্যাঁচানো। ব্যাঙ্কের কোনও স্ট্যাম্প মারা নেই।
সঞ্জয় বোস বান্ডিলটা টেনে নিয়ে বলে, “বাকিগুলোও বার করো।”
প্রদীপ ঘোষ বাকি বান্ডিলের প্রথম কয়েকটা নোট পরীক্ষা করতেই মুখের কোণে ফুটে ওঠে এক চিলতে হাসি। সঞ্জয় বোসের দিকে তাকিয়ে বলে, “সবগুলোই জাল স্যার।”
শিরদাঁড়া বেয়ে একটা শীতল স্রোত নেমে আসে স্নেহার। ধপ করে চেয়ারটার উপর বসে পড়ে ও।
গত মাসে রাকেশের নেপাল থেকে একটা বড় পেমেন্ট এসেছিল ক্যাশে, তার মধ্যে নাকি দুটো জাল টাকার বান্ডিল ছিল। যেহেতু স্নেহা ব্যাঙ্কে রয়েছে রাকেশ আবদার করেছিল টাকাগুলো বদলে দেওয়ার জন্য। প্রথমে স্নেহা ব্যাপারটা ইয়ার্কি ভাবলেও রাকেশ কিন্তু সিরিয়াস ছিল। এই নিয়ে একটা ছোট ঝগড়াও হয়েছিল ওদের ভেতর। পরে অবশ্য রাকেশ ব্যাপারটা মিটিয়ে নেয়। জাল টাকাগুলো কী করেছিল স্নেহা কখনও জানতে চায়নি।
—“স্যার, ব্যাগের ভিতর এটাও ছিল!’’ প্রদীপ ঘোষের হাতে একটা বেশ বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট।

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন