চট্টগ্রামের মাইজভান্ডারী বাবার আশেকান,
অন্তর ধ্যানে রূপ দর্শনে কেঁদে উঠে প্রাণ।
মাইজভান্ডারী বাবায় ছিলেন চিশতিয়া তরিকায়,
জ্ঞানের আলো মনে জ্বেলে অন্ধকারে পথ দেখায়।
আশেকানে মাশুক ধ্যানে,
পায় যেন আকাশের চাঁন।
মনসুর বলে, মুর্শিদ ছবি ধ্যানে-জ্ঞানে রাখো,
আধ্যাত্মিক সাধনার চোখে মুর্শিদ ছবি দেখ।
তাইতো বলি, আমার অলি
মাইজভান্ডারী বাবাজান।
[রচনাকাল: ০৮-০৭-১৯৯৭]
বাবা মাইজভান্ডারী মুর্শিদ চাঁন,
এই তোমায় দেখিলে জুড়াইতো পরান।
নাম শুনিয়া পাগল হইয়া,
হারাইয়াছি কুলমান।
এই তোমার প্রেমে মইজা, পাগল সাইজা,
খুঁইজা হইলাম পেরেশান,
কত মাইর খাইলাম, ব্যথা পাইলাম,
হইলাম কত অপমান,
এই তোমায় দেখিলে জুড়াইতো পরান।
পোড়া কপাল, দয়ার কাঙাল হইলাম এ সংসারে,
তুমি দয়াল আর কতকাল কান্দাইবা আমারে?
এই তোমার রূপ দেখিতে সদায় চিত্তে,
ভাবতে ভাবতে যায় পরান।
কুটি মনসুর কয়, মোর দিন ফুরাইলো,
বেলা হইলো অবসান,
এই তোমায় দেখিলে জুড়াইতো পরান।
[রচনাকাল: ১০-০১-১৯৯৬]
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন