বছর ঘুরে আইলো ফিরে আইলো রে বৈশাখ,
আকাশের ঐ দখিন হাওয়ায় দেওয়ায় দিলো ডাক।
দেওয়ায় গুড়গুড়াইয়া দিলো ডাক।
বৈশাখে জানাইলো নব-বর্ষের আমন্ত্রণ,
নতুন দিনের আগমনকে জানাই অভিনন্দন।
আমরা জানাই অভিনন্দন।
ফুলের ডালা দিয়ে এসো বরণ করি তারে,
মনের সুখে গান গেয়ে যাই দুঃখ দূরে থাক।
দেওয়ায় গুড়গুড়াইয়া দিলো ডাক।
জোয়ার পাইয়া মরা নদীর পানিতে ঢেউ খ্যালে,
গাছের মরা পাতা ঝইরা নতুন পাতা ম্যালে।
দ্যাখো নতুন পাতা ম্যালে।
দেইখা সবুজ ফসলের মাঠ আনন্দে মন ভরে,
আম-কাঁঠালের মধুর রসে প্রাণটা ভরে যাক।
দেওয়ায় গুড়গুড়াইয়া দিলো ডাক।
[রচনাকাল: ০৭-০৮-১৯৮৮; সুরকার: জাহিদ মনসুর]
দখিন হাওয়ায় বয়ে আশার আলো নিয়ে,
নব-বর্ষের দিয়েছে ডাক।
আবার এলো রে, এলো রে ফিরে
পহেলা বৈশাখ।
জোয়ার পেয়ে মরা নদীর পানিতে ঢেউ খেলছে,
বৃক্ষের মরা পাতা ঝরে নতুন পাতা মেলছে।
সবুজ রঙের ফসলের মাঠ,
দেখলে মন খুশিতে অবাক।
বৈশাখ আমন্ত্রণ জানায়, সমস্যার চায় সমাধান,
নতুন বছরে শপথ করে চালাও কৃষি অভিযান।
স্বনির্ভর হতে সঠিক পথে,
নিজে জোগাও নিজের খোরাক।
[রচনাকাল: ০১.০৭.১৯৭৭]
বছর ঘুরে আবার ফিরে এলো বৈশাখ মাস,
দখিনা বাতাসে দোলায় মনের আকাশ।
বন্ধু কবে এসে ভালোবেসে,
ঘুচাবে মোর হাহুতাশ?
বৈশাখ মাসে পাকে গাছে আম-জাম-কাঁঠাল,
তারই আশায় চেয়ে আমি থাকবো কতকাল?
সে যে বলছে মোরে আসবে ফিরে,
সেই আশা হইলো নিরাশ।
উড়ে যাও রে উড়া পাখি দু’পাখা মেলে,
আমার খবর পৌঁছে দিও প্রাণবন্ধুরে পেলে।
আমি তার বিচ্ছেদে মনের খেদে,
মরবো গলায় দিয়া ফাঁস।
[রচনাকাল: ০৬.০১.১৯৮০]
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন