শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
ক্লান্তিকর দিনশেষে বাইরে শরতের সন্ধ্যা নেমে এল। সূর্যের শেষ আভাটুকু ধীরে ধীরে মুছে যাচ্ছে আকাশ থেকে। আকাশ—দেবজিতের ল্যাবরেটরির কাচের শার্সি দিয়ে সেই আকাশই বা কতটুকু দেখা যায়? চারদিকে মহা মহা অট্টালিকা, তার ভিতর দিয়ে আকাশের সামান্য ভগ্নাংশমাত্র দেখা যায়। চারদিকে অজস্র কৃত্রিম আলোর বন্যায় তাও ভালো করে দেখার উপায় নেই।
দেবজিৎ অবশ্য আকাশ দেখছে না। একবার তাকিয়েই চোখ ফিরিয়ে আনল সামনে—যেখানে একটি লম্বা সরু টেবিলে ফুটফুটে একটি মেয়ে শুয়ে আছে। মেয়েটির রং ঈষৎ তাম্রাভ গৌর। মুখ একটু গোলাকৃতি, চোখ অসম্ভব টানা ও সুন্দর। নাতিদীর্ঘ দেহটি ছিপছিপে। মাথার খুলিটা অবশ্য এখনও লাগানো হয়নি। মস্তিষ্কের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কাজটি প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে এসেছে। দুজন বায়োনিক যন্ত্রবিদ খুব সতর্কতার সঙ্গে মনিটরের দিকে চেয়ে আছেন। বারংবার ত্রিমাত্রিক ছবি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পর্যবেক্ষণ করছেন মস্তিষ্কের অনুপুঙ্খ অংশ। তাঁরা যখন সন্তুষ্ট হবেন তখনই মস্তিষ্কের সংযোজন ঘটাবে একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র। তার পরেও অবশ্য এই মানবীর আচার ব্যবহার ইত্যাদি সাত দিন ধরে পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে এই যন্ত্রমানবী হবে দেবজিতের সঙ্গিনী। ঠিক যেমনটি দেবজিতের সঙ্গে খাপ খাবে তেমনভাবেই তৈরি করা হয়েছে। সন্তানধারণ ছাড়া গৃহিণীসুলভ সবকিছুই অতি নিপুণতার সঙ্গে করতে পারবে এই কৃত্রিম মানবী। দেবজিৎ ছয় মাস যাবৎ এই মানবীটিকে সৃষ্টি হতে দেখছে। অপেক্ষা করছে।
এই যন্ত্রবিদের একজন তেওকিল অ্যাডামস মুখ ফিরিয়ে দেবজিতের দিকে চেয়ে একটু হাসল, ফিলিং ইমপেশেন্ট?
দেবজিৎ মাথা নেড়ে বলে, না।
অ্যাডামস ইংরিজিতে বলল, মেয়েটা দারুণ হয়েছে। তুমি গর্ব করতে পারো।
দেবজিতের গলায় তেমন কোনো উৎসাহ নেই। নিস্পৃহ গলাতেই বলল, এরকম আর কয়েক লক্ষ আছে, গর্ব করার কিছু আছে বলে তো মনে হয় না।
অ্যাডামস মৃদু হেসে মাথা নেড়ে বলল, আছে হে আছে। উই হ্যাভ মেড হার এ ফেথফুল ওয়াইফ। সাধারণ যন্ত্রমানবীরা ফেথফুল হয় না। যে কোনো পুরুষই তাদের ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু তোমার এটি—কী যেন নাম দিয়েছো এর?
শিউলি।
ইয়েস। এই শিউলি কখনো তোমাকে ছাড়া আর কাউকে গ্রহণ করবে না। সোজা কথায়, তোমার গায়ের গন্ধ, শরীরের কম্পন, গলার স্বর সব আইডেন্টিফাই করার ব্যবস্থা এর ভিতরে রয়েছে। সম্পূর্ণ লক সিস্টেম। অন্য পুরুষ কাছে এলে রি—অ্যাক্ট করবে। ভায়োলেন্ট রিঅ্যাকশন।
আমি যদি অন্য যন্ত্রমানবীতে আসক্ত হই তা হলে কি এর হিংসে হবে?
ওঃ নোঃ, দ্যাট ইজ ইমপসিবল। একজন যন্ত্রমানবীর কাছে কি সেটা কাম্য?
দ্বিতীয় ইঞ্জিনিয়ার জাপানি কোসিমোটো কম কথার মানুষ। এবার সে মনিটর থেকে চোখ না সরিয়েই বলল, শিউলির ভিতরে আমরা একটা গুণ যোগ করে দিয়েছি। সে চমৎকার গান গাইতে পারবে।
দেবজিৎ জানে এটাও খুব বিরল গুণ নয়। যারা গান ভালোবাসে তারা গান—গাওয়া পুতুলকেই সঙ্গিনী করে নেয়।
কম্পিউটার একটা ও—কে সিগন্যাল দিল।
কোসিমোটো একটা সুইচ টিপতেই কৃত্রিম মস্তিষ্কটা ধীরে এগিয়ে এসে মেয়েটির মাথায় সংযোজিত হয়ে গেল। অ্যাডামস আর একটা যন্ত্র চালু করল। ঠিক তিন মিনিট বাদে দীর্ঘ কেশদামে ভরা মাথার খুলিটা এসে বসে গেল মাথায়। শিউলি সম্পূর্ণ হল।
দেবজিৎ বলল, এবার?
অ্যাডামস বলল, অপেক্ষা করো। পাঁচ মিনিট।
পাঁচ মিনিট বাদে শিউলির শরীরে বেতারে কিছু কম্পন সঞ্চার করা হল। মাত্র কয়েক সেকেন্ড। কৃত্রিম মানবীর শরীরের সমগ্র যন্ত্রাংশের মধ্যে একটা সংহতি ও সমন্বয় ঘটতে লাগল। তারপর ধীরে ধীরে অবিকল মানুষের মতোই চোখ খুলল শিউলি।
কেসোমোটো বলল, ওকে প্রশ্ন করো দেবজিৎ।
দেবজিৎ শিউলির কালো চোখে চোখ রেখে বলল, তোমার নাম কী?
সুরেলা গলায় জবাব এল শিউলি।
তোমার বয়স?
একুশ বছর।
তুমি কার?
তোমার।
তুমি কি আমাকে ভালোবাস?
হ্যাঁ।
আমার ঘর করবে?
হ্যাঁ।
এটা কত সাল জানো?
দু—হাজার সাতশো চব্বিশ।
কত তারিখ।
চোদ্দোই জানুয়ারি।
আমার নাম কী?
দেবজিৎ চ্যাটার্জি।
তুমি গান গাইতে পারো?
পারি।
একটা গান গাও তো!
তুমি যে আমায় চাও আমি তা জা—আ—নি—
বাঃ। আমাকে তোমার কিছু বলার আছে?
হ্যাঁ। আমি তোমাকে ভালোবাসি।
ভালোবাসা মানে কী?
তোমার যাতে ভালো হয় তাই করাই হচ্ছে ভালোবাসা।
এ কথাটা কার?
ঠাকুরের।
আমার ভালো কি ভাবে হবে জানো?
জানি।
আমি কেমন লোক?
খুব—খুব ভালো।
আমি দেখতে কেমন?
সুন্দর।
মিথ্যে কথা। আমি দেখতে সুন্দর নই।
হ্যাঁ, সুন্দর। আমার চোখে সুন্দর।
কোসিমোটো দেখতে কেমন?
খ্যাঁদাবোঁচা, বিচ্ছিরি।
তিনজনেই হেসে ওঠে।
আর জয় অ্যাডামস?
বড্ড বড় বড়, গুন্ডার মতো।
তিনজনের মধ্যে কে সুন্দর?
তুমি। পৃথিবীর মধ্যে তুমি সবচেয়ে সুন্দর।
ঠিক আছে। এবার ঘুমোও।
বাধ্য মেয়ের মতো শুয়ে চোখ বুজল শিউলি।
অ্যাডামস বলল, ইজ শি ওকে?
ইয়া!
কোসিমোটো মৃদু স্বরে বলে, মেড ফর ইচ আদার।
তিনজন একসঙ্গে ল্যাবলেটরি থেকে বেরিয়ে এল। তারপর যে যার বোমযানে উঠে পড়ল। দেবজিতের বাড়ি খুব দূরে নয়। সে তার ছোট চেয়ার—কারটি নিয়ে উড়ে দু—মিনিটের মধ্যেই তার ফ্ল্যাটে এসে ঢুকল। একশো আশি তলায় তার ছোট ফ্ল্যাট। সে একাই থাকে। এবার থেকে শিউলিও থাকবে।
দেবজিৎ একটু জল খেয়ে কফি নিয়ে টিভি চালু করল। দেয়ালজোড়া ত্রিমাত্রিক টিভি। ছবি বলে মনেই হয় না, মনে হয় যেন ঘটনাস্থলেই রয়েছি। বিশ্ব সরকারের প্রজনন ও জনসংখ্যা বিষয়ক এক বিশেষজ্ঞ মৃদু স্বরে উদ্বেগের সঙ্গে বলছেন, নর ও নারীর মধ্যে পার্থক্য বেড়ে যাওয়ায় সংসর্গ ক্ষীয়মাণ। মানুষের জন্মহার সাংঘাতিক নিম্নমুখী।
কথাটা নতুন কিছু নয়। অনেক দিন ধরেই নানা মাধ্যমে এরকম প্রচার করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই মহিলা ও পুরুষদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে চাপা ঘৃণা ও অপ্রকাশিত শত্রুতার। বাইরে বাইরে পরস্পরের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলেও স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে সম্পর্ক নেই। উপরন্তু দীর্ঘকাল ঘরে সমকামিতা ও অন্যান্য বিকৃতির ফলে লোপ পেয়েছে পারস্পরিক যৌন আকর্ষণও। যদি বা সে আকর্ষণ কিছু মহিলা—পুরুষের মধ্যে রয়েছে, তা মেটাচ্ছে যন্ত্র—মানব ও যন্ত্র—মানবীরা। ভয়াবহ আর একটি তথ্য হল, ইদানীং পরিসংখ্যান বলছে পৃথিবীর প্রায় ষাট শতাংশ পুরুষ ও চল্লিশ শতাংশ নারী সন্তান উৎপাদনে অক্ষম। বন্ধ্যা নারী ও নির্বীজ পুরুষের সংখ্যা এইভাবে বেড়ে গেলে মানুষের অস্তিত্ব অচিরেই লোপ পাবে পৃথিবী থেকে।
দেবজিৎ এ সবই জানে। তবে সে এ দিয়ে আর ভাবতে চায় না। এই সমস্যার সমাধান কীভাবে হবে তাও তার মাথায় আসে না। এই যে সে নিজের জন্য একটি মেয়ে—পুতুল তৈরি করে নিল এও বাধ্য হয়েই। শিউলি বাধ্য হয়ে অনুগত স্ত্রীর ভূমিকা পালন করবে ঠিকই, কিন্তু তবু সেও এক পুতুলখেলাই। দেবজিৎ নিরীহ, কাজপাগল মানুষ। মহিলাঘটিত ব্যাপারে সে কোনো ঝঞ্ঝাটে আর যেতে চায় না। কেন্দ্রীয় ভোজনালয় থেকে একজন ফিটফাট যন্ত্রদানব রাত সাড়ে নটায় তার খাবারের ট্রে এনে একটা কনসোলে রেখে গেল। রাত দশটায় নৈশভোজ সেরে যখন দেবজিৎ শুতে যাচ্ছে তখনই হঠাৎ টেলিফোন।
একটি নারীকণ্ঠ বলল, আমি শিউলি। দেবজিৎ শিহরিত হল। শিউলিকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে, তার তো টেলিফোন করার কথা নয়।
দেবজিৎ অবাক হয়ে বলল, কোন শিউলি?
তোমার বউ শিউলি।
সে কী! তুমি অ্যাকটিভ হলে কী করে?
হলাম। আমার বড্ড একা লাগছে, ভয় করছে।
একা! ভয়! দেবজিৎ ভীষণ অবাক হল। যন্ত্রমানবীর একা লাগবে কেন? ভয়ই বা করবে কেন? তাহলে কি কোসিমোটো আর অ্যাডামস ওর ভিতরে অভিনব কোনো মাইক্রোচিপ ঢুকিয়ে দিয়েছে রসিকতা করে?
বিস্মিত দেবজিৎ মনের ভাব চেপে রেখে বলল, তোমার বাঁ পাশে কোমরের কাছে একটা ছোট্ট সুইচ আছে। ওটা টিপে দিলে তুমি ঘুমিয়ে পড়বে।
না। আমি ঘুমোতে চাই না।
কেন?
শুধু শুধু ঘুমোব কেন?
তা হলে কী চাও?
আমি তোমাকে চাই। এখনই।
ঈশ্বর। আমাকে চাও? কিন্তু কেন?
আমার যে নিঃসঙ্গ লাগছে!
দেবজিৎ একটু উষ্মার সঙ্গে বলল, শোনো শিউলি, তোমার আচরণ আমাকে অবাক করেছে। ভুলে যেও না, তুমি যন্ত্রমানবী। যন্ত্রমানবীর একা লাগবার কথা নয়, ভয় পাওয়াও সম্ভব নয়। তুমি কী করে অ্যাকটিভ হলে তাও আমি বুঝতে পারছি না।
শোনো, তুমি একবার আমার কাছে এসো।
কেন?
ভীষণ দরকার। এসো লক্ষ্মীটি।
দেবজিৎ খুবই বিভ্রান্ত বোধ করছিল। শিউলি যে আচরণ করছে তা ব্যাখ্যার অতীত। ব্যাপারটা দেখা দরকার। যন্ত্রমানবীর মধ্যে মনুষ্যোচিত মানসিক প্রতিক্রিয়া কেন হচ্ছে সেটা না জানলেই নয়। দেবজিৎ বলল, ঠিক আছে, আসছি।
সে পোশাক পরল। তারপর ফ্ল্যাটের কোণের দিকে তার ফ্লাই প্যাড—এ গিয়ে ঢুকল। ছোট ছোট নানা ধরনের উড়ুক্কু যানবাহন সাজিয়ে রাখা। সে একটা নৌকোর মতো গাড়িতে উঠে নিঃশব্দে শূন্যে ঝাঁপিয়ে পড়ল।
দু—মিনিট পরে নামল ল্যাবরেটরির ল্যাডিং প্যাডে। ঝলমল করছে আলো, কিন্তু জনমানবশূন্য ল্যাবরেটরির করিডোর ধরে এগোতে এগোতে সে ভ্রূ কুঁচকে সমস্যাটার কথা ভাবছিল। কী হচ্ছে এ সব? সংকেত এবং আইডেনটিটি কার্ডের বাধা পেরিয়ে সে যখন নিস্তব্ধ ঘরটায় ঢুকল তখন রাত এগারোটা। এ ঘর সম্পূর্ণ শব্দহীন। শিউলির দিকে চেয়ে সে অবাক। শিউলির নিষ্প্রাণ দেহটি আগের মতোই শোয়ানো। সে শিউলির কাছে গিয়ে ভালো করে পরীক্ষা করে দেখল, শিউলি সম্পূর্ণ ঘুমন্ত। সেন্সর দিয়ে পরীক্ষা করে দেখল গত দু—ঘণ্টার মধ্যে শিউলি ক্রিয়াশীল হয়নি। তা হলে কী ব্যাপার? শব্দহীন ঘরে আচমকাই সে টের পেল, এ ঘরে একটা সত্তার উপস্থিতি রয়েছে। খুব মৃদু, প্রায় শ্রবণাতীত শ্বাসপ্রশ্বাসের একটা শব্দও সে পেল।
সে বলল, কে? কে এখানে?
আমি।
খুব মৃদু স্বরে কথাটা বলে একটি যন্ত্রের আড়াল থেকে একটি মেয়ে বেরিয়ে এল। পরনে শাড়ি। বিস্মিত দেবজিৎ দেখল, চার বছর আগে যে মেয়েটিকে সে সঙ্গিনী হিসেবে নিয়েছিল এবং তিন দিন বাদে বনিবনা না হওয়ায় যার সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় এ সেই অপরূপা গঙ্গোপাধ্যায়।
তুমি?
অপরূপার বিষণ্ণ মুখে কোনো হাসি নেই। মুখ গম্ভীর। চোখে টলটল করছে পতনোন্মুখ অশ্রু।
কী চাও অপরূপা?
আমি শিউলির ব্রেনটা খুলে শ্রেডারে দিয়ে নষ্ট করে ফেলেছি।
সে কী? কেন?
যন্ত্রমানব আর যন্ত্রমানবীদের আমি ধ্বংস করে দিতে চাই।
তাই বা কেন?
ভবিষ্যৎকে আর একটু আশাপ্রদ করার জন্য।
হতাশায় একটা চেয়ারে বসে পড়ল দেবজিৎ। তারপর বলল, তাতে লাভ কী? পৃথিবীর গতি কি অন্য মুখে ফেরানো যাবে?
তা জানি না। তবে ভাঙচুর দিয়েই গড়ার কাজ শুরু হয়।
দেবজিৎ অপরূপার দিকে চেয়ে বলল, কী গড়বে তুমি?
মানুষ দেবজিৎ, মানুষ।
চিন্তিত দেবজিৎ বলল, কীভাবে?
আমি তোমার স্ত্রী হতে চাই।
স্ত্রী?
হ্যাঁ। সঙ্গিনী নয়, স্ত্রী।
বিয়ের কথা বলছো?
হ্যাঁ।
কিন্তু—
শোনো, শিউলি তোমার জন্য যা যা করতে পারত, আমিও তোমার জন্য ঠিক তাই করব।
পারবে?
পারব। চেষ্টা করতেই হবে। শিউলি যা পারত না আমি তাও পারব। পৃথিবীকে আমি সন্তান দিতে পারব। শুধু তুমি যদি রাজি হও।
বিয়ে কীভাবে হয় তাই তো ভুলে গেছি। একজন বুড়ো ম্যারেজ রেজিস্ট্রার আমাদের জন্যই বসে আছেন পাশের ঘরে। চল। দেবজিৎ একটু হাসল। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে দ্বিধাহীন গলায় বলল, চল।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন