একাদশ অধ্যায়

চকিতা চট্টোপাধ্যায়

একটু আগেই ফোনটা পেয়েছে দেবী। কলকাতা থেকে ইনভেস্টিগেটর তাকে ফোন করে জানিয়েছে নীলের গোপন অভিসারের কথাটা! ওর সন্দেহটা তাহলে ঠিকই ছিল! বাঃ! নীল বর্মা! শেষপর্যন্ত তাহলে তুমি খুঁজে পেলে তোমার সেই হারিয়ে ফেলা প্রেমিকাকে! যার জন্য সারা জীবন ধরে মনে মনে অপেক্ষা করেছিলে তুমি! যার জন‍্য তুমি আমার মতো সুন্দরী সেক্সি নারীকেও অনায়াসে উপেক্ষা করার স্পর্ধা দেখাতে পেরেছিলে! মনে মনে এই কথাগুলো দেওয়ালে টাঙানো নীলের ফটোর দিকে চেয়ে বলল দেবযানী। চোখের সামনে ভেসে উঠল ওদের ক‍্যামোফ্লেজড দাম্পত‍্যের একটা টুকরো দৃশ্য!

সেদিন বিছানায় ছিটকে উঠেছিল দেবী! ওর মুখে ছিল একরাশ হতাশা! হিসহিসিয়ে বলেছিল, ‘বার বার একই ঘটনা! আমারও তো ধৈর্যের একটা সীমা আছে নীল! আফটার অল আমিও একজন রক্তমাংসের মানুষ!’

বিছানায় আধশোয়া অবস্থাতেই নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে নীল একটা সিগারেট ধরিয়েছিল শুধু। কোনও উত্তর দেয়নি। এতে দেবীর ক্রোধ আরও বেড়ে গিয়েছিল! সে নীলের চোখে চোখ রেখে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘আমি কি এতটাই অপছন্দ করার মতো নীল?’

— ‘সে কথা কী আমি বলেছি?’
— ‘মুখে বলোনি হয়তো… কিন্তু এটা যে একজন মেয়ের পক্ষে বোঝা অসম্ভব না সেটা তুমি ভালো করেই জানো!’
— ‘শোনো দেবী, এই কথাগুলো বোধহয় এর আগেও বহুবার আমাদের মধ্যে হয়েছে… আমরা হাজব‍্যান্ড অ‍্যান্ড ওয়াইফ সোশ্যালি, হয়তো বা ফিজিক্যালিও… কিন্তু ভুলে যেও না এটা জাস্ট একটা ডিলের বিয়ে! তাই আমার মনের মধ্যে ঢোকার চেষ্টা কোরো না! কারণটা তোমার অজানা নয়…’
— ‘জানি তো! সেখানে শুধু একজনই আছে…’
— ‘শুধু যে আছে তাই নয় এমনকি—’
— ‘এমনকি? বলো? থামলে কেন?’
— ‘এমনকি তোমার সঙ্গে ফিজিক্যাল রিলেশানের সময়ওে সে থাকে আমার কল্পনা জুড়ে!’
— ‘না!’

ফোটোর ভেতরের নীল বর্মার হাস‍্যরত মুখটার ওপর হাতের খালি মদের গ্লাসটা ছুড়ে মারে দেবযানী! ঝনঝন শব্দে ভেঙে পড়ে কাচগুলো! চাপা গলায় নিজের মনেই বলে ওঠে দেবী, “তুমিও দেবীকে চেনো না নীল বর্মা! এটা যে আমার কতখানি হার ওই মেয়েটার কাছে, তা তুমি জানো না! আর দেবযানী কোনওদিনও হারতে পছন্দ করে না!”

একটা অন্ধকার ফাঁকা রাস্তা। গভীর রাত। চারিপাশে জনপ্রাণী নেই। মৌতাতটা আজ বেশ ভালোই জমেছিল রাজেন্দ্র ত্রিবেদীর ক্লাবে! দীপায়ণবাবুকে বলে যে মেয়েগুলোকে উপস্থিত করিয়েছিল সে আজ, তাদের দেখে রাজেন্দ্র যে বেশ লোভে পড়ে গেছে তা ওর মুখচোখ দেখেই টের পাচ্ছিল দীপ! তবে ও সব দিকে নজর দেবার সময় ছিল না ওর। কারণ তখন দামি স্কচের বোতলগুলো যে ওকে হাতের ইশারায় ডাকছিল! পরের পয়সায় স্কচ খাওয়ার সুযোগ পেলে কোন শালা আবার অন্য কোনও দিকে মন দেয় অ‍্যাঁ? এমন বোকা… তো দীপ সরকার নয়! তাই তো আকণ্ঠ গিলতেই ব‍্যস্ত হয়ে পড়েছিল ও। একটু আগে রাজেন্দ্র ওকে এইখানে নামিয়ে দিয়ে মেয়ে দুটোকে নিয়ে চলে গেল! বোধহয় আজ সারারাত মেহফিল বসবে! দীপায়ণবাবু তো ওদের দু’জনকে এনেছিল ফিল্মে চান্স দেবার নাম করে! এরপর যা হবে ওরা নিজেরা বুঝে নেবে! তাতে দীপ সরকারের কোনও দায় নেই! আফটার অল সবাই তো অ‍্যাডাল্ট!

টলমল পায়ে এগিয়ে চলল দীপ। হঠাৎ ওর কোমরের কাছে একটা ঠান্ডা ধাতব স্পর্শ টের পেল ও! কী এটা? হাত দিয়ে স্পর্শ করল ও।

— “আরে! কী এটা? একটা নল বলে মনে হচ্ছে!”

দীপ ঘুরে দাঁড়াতেই দেখে তার ঘাড়ের কাছে এক আগন্তুক! নেশাগ্রস্ত চোখ টান করে দীপ চিনতে চেষ্টা করল আগন্তুককে!

— “কে? কে তুমি? এ-এই নলটা কীসের?”
— “রিভলবারের!”

এক ঝটকায় দামি স্কচের নেশাটা কেটে গেল দীপ সরকারের! বিস্ফারিত চোখে সে দেখল ল‍্যাম্প পোস্টের আলোয় চকচক করছে তার দিকে তাক করে রাখা রিভলবারের নলটা!

— “কে তুমি? কী চাও?”
— “চুপচাপ গাড়িতে ওঠো—”
— “গা-গাড়িতে কেন? কী চাও আমার কাছে?”
— “গাড়িতে ওঠো!”

আগন্তুক একটু দূরে পার্ক করে রাখা একটা গাড়িকে দেখাল। কথা না বাড়িয়ে বাধ‍্য ছেলের মতো গাড়িতে উঠে পড়ল দীপ। তার কপাল দিয়ে ঘাম গড়িয়ে পড়ছে ভয়ে আর উত্তেজনায়!

আগন্তুক উঠে বসতেই চলতে শুরু করল গাড়িটা। আউটস্কার্টসে এসে থামল একেবারে।

— “নামো।”

হিমলীতল কণ্ঠে হুকুম করল অগন্তুক। দীপ আবারও বাধ‍্য ছেলের মতো নামল গাড়ি থেকে। নামল আগন্তুকও। এবার সরাসরি পিস্তল তাক করল সে দীপের বুক লক্ষ করে! দীপের গলা দিয়ে একটা আর্তনাদ বেরিয়ে এল!

— “না! না! আমাকে মেরো না! আমি তো তোমাকে চিনিই না! কে তুমি? কী চাও বলো? আমাকে ছেড়ে দাও! প্লিজ! আমার সঙ্গে তো কোনও শত্রুতা নেই তোমার!”
— “নেই? কে বলল শত্রুতা নেই? যদি বলি তোমার সঙ্গে আমার যুগ যুগ ধরে শত্রুতা!”
— “তা কী করে সম্ভব? আমি তো তোমাকে চিনিই না!”
— “ফ্লেকা ওয়েলকামকে মনে পড়ে?”
— “কে? কী নাম বললে?”

বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো ছিটকে উঠল দীপ! ওর বিস্মিত হতভম্ব দৃষ্টি দেখে হেসে উঠল আগন্তুক!

— “জয় চ‍্যাটার্জীকে ভুলে যাওনি নিশ্চয়ই?”
— “জ-জয়!”
— “যাক এতক্ষণে তবু পুরনো বন্ধুকে চিনতে পেরেছিস! ভুল বললাম। বন্ধু তো নয়, পরম শত্রু! কি তাই তো দীপ সরকার? শত্রু না হলে কি কেউ বন্ধুর প্রেমিকাকে কেড়ে নিয়ে নিজের বউ বানায়?”
— “তুই–তুই সবটা জানিস!”
— “জানি। আর তাই… You have to pay for it my friend! And that is now! In this very moment only!”

জয় রিভলবার তুলে ধরল। প্রাণভয়ে চিৎকার করে উঠল দীপ!

− “এতবছর বাদে এসব কথা কেন তুলছিস জয়! ক্ষমা করে দে আমায়!”
− “ক্ষমা? তোর মতো শয়তানকে?”
− “প্লিজ! অন্তত জয়িতার কথা ভেবে! আমি মরে গেলে জয়িতার কী হবে বল?”

জয় শব্দ করে হেসে ওঠে!

— “জয়িতা জাস্ট বেঁচে যাবে তোর মতো একটা স্কাউন্ড্রেলের হাত থেকে!”
— “না! তুই আমাকে মারতে পারিস না! আমার কথা না ভাবিস, অন্তত নিজের কথা ভাব! আমাকে মারলে তো তুই নিজে একজন খুনী হয়ে যাবি সেটা ভেবে দেখেছিস?”

জয় এবার অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে! চারিদিকের নির্জনতায় ওর সেই অট্টহাসিটা যেন প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরে ফিরে আসতে থাকে!

— “তুই কি ভাবলি? তোকেই প্রথম খুন করব নাকি আমি?”
— “মানে?”
— “মানে আমি একজন প্রোফেশনাল সুপারি কিলার!”
— “না!!”

এবার চিৎকারটা দীপের কাছ থেকে এল না! এল ওদের পেছন দিক থেকে। জয় চমকে তাকিয়ে দেখল, কখন যেন জয়িতা এসে দাঁড়িয়েছে সেখানে! তার চোখে অবিশ্বাস! ভয়ার্ত চোখে সে চেয়ে আছে জয়ের দিকে!

— “জয়িতা!”
— “তুই–তুই একজন সুপারি কিলার? না না! এ হতে পারে না!”

জয়িতা চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে পেছন ফিরে দৌড়তে শুরু করে!

— “জয়িতা… দাঁড়া! যাস না জয়িতা!”

এবার অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে দীপ!

জয়িতা ক্রমশ দূরে চলে যাচ্ছে…. জয় আর ওর নাগাল পাচ্ছে না ওর পেছন পেছন ছুটেও! পেছন থেকে কানে ভেসে আসছে দীপ সরকারের ব‍্যঙ্গের হাসি! আঃ!

ধড়মড় করে বিছানায় উঠে বসল জয়! নাইট ল‍্যাম্পের আলোয় ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল রাত দুটো! এ.সি. রুমের ভেতরেও ঘেমে জল হয়ে গেছে জয়! গলা শুকিয়ে কাঠ! তার মানে এতক্ষণ ধরে স্বপ্ন দেখছিল ও! ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা জলের বোতল বের করে সরাসরি গলায় ঢালল জয়। তারপর আস্তে আস্তে জানালায় এসে দাঁড়াল ও। কিন্তু ও কী! এত রাতে জানালায় যে জয়িতা দাঁড়িয়ে আছে! তার মানে ও ঘুমোয়নি? জয়কে দেখতে পেয়েই জয়িতা সন্তর্পণে হাত নাড়ল! জয়ও ওর দিকে হাত নাড়ল!

না না! জয়িতার মনে ওর সম্পর্কে নতুন করে যে বিশ্বাস, যে নির্ভরতা জন্মেছে, তাকে ও কিছুতেই নষ্ট হতে দিতে পারে না! ওর আসল পরিচয়টা জানলে এবার যে চিরকালের মতো ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নেবে জয়িতা! কিন্তু–কিন্তু কী করবে তাহলে ও?

সেই কিশোরবেলায় জয়িতাকে নিয়ে মন যখন কল্পনার পাখা মেলত, তখন জয় প্রায়ই ভাবত জয়িতা আর ও দু’জনে ভিক্টোরিয়ায় হাত ধরাধরি করে ঘুরছে! আজ এত যুগ পরে ওর সেই স্বপ্নটা সত্যি হয়েছে! ভিক্টোরিয়ায় বসে আছে ওরা দু’জনে। পাশাপাশি একটা বেঞ্চে। ঠিক যেমন করে দু’জনে ক্লাসে পাশাপাশি বসত! না—ওদের আশেপাশের সদ‍্য তরুণ কাপলদের মতো কোনও প্রগলভতা করার বিন্দুমাত্র কোনও আগ্রহ ওদের মধ্যে নেই। বরং জয় একটু অস্বস্তি বোধ করছে এই সব দৃশ্য দেখে। কিন্তু জয়িতার যেন কোনও দিকে ভ্রূক্ষেপই নেই! ওর মুখে কী অপরিসীম নির্লিপ্ততা! হয়তো জীবনযুদ্ধে বিধ্বস্ত, ক্লান্ত জয়িতার ভেতরে অন‍্য কোনও অনুভূতি আজ আর অবশিষ্ট নেই!

— “কী রে? কী ভাবছিস?”

জয়ের প্রশ্নে ঈষৎ চমকে তাকাল জয়িতা। তারপর আচমকা জিজ্ঞেস করল, “তোর হোয়াটসঅ‍্যাপ নাম্বারের ডিপিতে দেখলাম তোর সঙ্গে তোর বউ আর মেয়ের ছবি—”

— “দেবযানী আর টুসি।”

উত্তরটা শুনে কি জয়িতার মুখটা ফ্র‍্যাকশান অফ সেকেন্ডের জন্য ম্লান হয়ে গেল?

জয় মনে মনে ভাবল। মুখে হাসি টেনে পরক্ষণেই জয়িতা বলে উঠল, “বাঃ! খুব ভালো! অ্যাটলিস্ট তুই তো সুখী হতে পেরেছিস!”

— “না জয়িতা! তুই যা ভাবছিস তা নয়—”
— “মানে?”
— “আমি সুখী নই—একটুও সুখী নই!”
— “জয়!”
— “হ‍্যাঁ রে! তুই যা দেখছিস তার সবটাই একটা কম্প্রোমাইজ—একটা—”

জয় থমকে গেল। কী বলতে যাচ্ছিল ও জয়িতাকে! ও যে একজন সুপারি কিলার—সমাজের চোখে আই ওয়াশের জন্য একটা মেকি ফ‍্যামিলিম‍্যান সেজে থাকতে হয়েছে বাধ‍্য হয়ে—এই কথা জয়িতা শুনলে তো—

— “কী হল? থেমে গেলি যে? বলা যাবে না আমায়?”
— “বলব। তোকে সব বলব। কিন্তু আজ না। আজ শুধু একটা কথা শুনে রাখ—”

কোলের ওপর জড়ো করে রাখা জয়িতার হাত দুটোর ওপর নিজের হাত দুটো রাখল জয়। তারপর ওর চোখে চোখ রেখে বলল, “তুই ছাড়া আমি মন থেকে কাউকে কোনওদিনও ভালোবাসিনি! আর স্ত্রী’র আসনেও বসাইনি জয়িতা! আজও আমি তাই মনে মনে রিগ্রেট করি একটাই কারণে—”

— “কী?”
— “নিজের হাতে তোর সিঁথিতে সিঁদুর পরানো হয়নি বলে!”
— “জয়!!”

জয়িতা চমকে তাকাল জয়ের দিকে। ওর চোখ দিয়ে নেমে এল জলের ধারা!

— “জয়িতা, আজ খুব ইচ্ছে করছে আবার নতুন করে জীবনটাকে শুরু করতে! জানি হয়তো অনেকটা দেরি হয়ে গেছে—কিন্তু তবুও…”

বুক থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল জয়িতার!

— “কেন? সত্যিই কি এটা হতে পারে না? জয়িতা?”
— “কোনটা হওয়ার কথা বলছিস?”
— “তুই কি আমার জীবনে আসবি?”
— “জয়! এসব কী বলছিস তুই?”
— “কেন? এতটাই কি অসম্ভব সেটা?”
— “না—এ হয় না!”
— “কেন?”
— “কেন তা তুই নিজে জানিস না? আমার নিজের তো ঘর থেকেও নেই! তাই জন্যই আর কারও ঘর আমি ভাঙতে পারব না জয়!”
— “ওটা ঘর নয় জয়িতা!”
— “মানে?”
— “মানে… আমিও সুখী হতে পারিনি রে! তাইতো বলছি—তুই চাইলে আবার আমরা হয়তো এক হতে পারি!”
— “তোর মাথার ঠিক নেই বোধহয়!”
— “তুই যদি রাজি থাকিস, তাহলে আমার কাছে সারা পৃথিবী একদিকে আর শুধু তুই আরেক দিকে! এটা তুই খুব ভালো করেই জানিস!”
— “কিন্তু জয়…”
— “আজ রঞ্জিতের বলা একটা কথা খুব মনে পড়ছে… আগর জিন্দেগি কাভি ভি তুম দোনো কো মিলায়েঁ, তো সমঝ লেনা সেকেন্ড চান্স দেনে কে লিয়েই শায়েদ মিলায়া হোগা রব নে!”
— “আমাকে লোভ দেখাস না জয়! প্লিজ!”
— “একটা সত্যি কথা বলব?”
— “কী?”
— “আমার নিজের জীবনের এই একটাই স্বপ্ন নিয়ে বলতে পারিস আমি বেঁচে আছি জয়িতা!”

জয়িতার চোখের জল ওদের দু’জনের পরস্পরকে জড়িয়ে রাখা হাতের পাতার ওপর এসে পড়ল!

— “জয়িতা! ধরে নে না যে আজ থেকে আমাদের নতুন জীবনের পথ চলার অঙ্গীকার করলাম আমরা দু’জন! তুই পাশে থাকলে আমি সব প্রতিবন্ধকতাকেই উড়িয়ে দিতে পারব বিশ্বাস কর!”

কথাগুলো বলার পর, এই প্রথমবার বাস্তবে জয়িতাকে নিজের বুকের মধ্যে টেনে নিল জয়! জয়িতার চোখের জলে জয়ের বুকের কাছটা যত ভিজে যেতে থাকল, ততই যেন নিজের বুকের ভেতর নতুন করে জয়িতাকে জীবনে ফিরে পাবার অদম‍্য আকাঙ্ক্ষাটার মাথা চাড়া দিয়ে ওঠা অনুভব করল জয় চ‍্যাটার্জী! সে শুধু ফিসফিস করে জয়িতার কানে কানে বলল, “আজ এই মুহূর্তে আমার থেকে সুখী আর কেউ নেই জয়িতা!”

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%