শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

ক্যানসারের ওষুধ যে প্রায় আবিষ্কার করে ফেলেছেন তা লোহিতাক্ষ নিজেই বুঝতে পারছিলেন৷ উত্তেজনায় তাঁর বুক কাঁপছিল, তেষ্টা পাচ্ছিল, হাত-পা ঠান্ডা আর মাথা গরম হয়ে উঠছিল৷
লোহিতাক্ষর সামনে একটা কাচের পাত্র বুনসেন বার্নারের ওপর বসানো৷ ভিতরে একটা সবুজ তরল টগবগ করে ফুটছে৷ সবুজ রংটা আরও গাঢ় হয়ে কালচে মেরে এলে তিনি সেটা একটা পিউরিফায়ারের মধ্যে রাখবেন৷ একটা ফানেলের ভিতর দিয়ে পরিশুদ্ধ তরলটি একটি টেস্ট টিউবে এসে জমবে৷ তারপর আর মাত্র দুটো পর্যায় থাকবে৷ ক্যানসারগ্রস্ত একটা ইঁদুর খাঁচায় ধুঁকছে৷ তার ওপর প্রয়োগ করবেন৷ কিন্তু ফলাফল কী হবে তা লোহিতাক্ষ জেনে গেছেন৷ তাঁর একটা ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় আছে৷ সেটা হল, কপালের বাঁ-দিকে একটা আব৷ যখনই তিনি কোনো সাফল্যের কাছাকাছি আসেন তখনই ওই আবটার মধ্যে একটা কুড় কুড় শব্দ হয়৷ ঠিক যেন একটা পোকা আবের মধ্যে ঘুরে ঘুরে কুড় কুড় কুড় কুড় করে আনন্দে গান গায়৷
লোহিতাক্ষর আবের মধ্যে পোকাটা এখন কুড় কুড় কুড় কুড় শব্দ করছে; লোহিতাক্ষ যখন সর্দিকাশির ওষুধ আবিষ্কার করেছিলেন তখনও আবের মধ্যে এরকমই শব্দ হয়েছিল৷ আর সে কী ওষুধ! চার বার নাক ঝাড়লেই সর্দি সাফ৷ সেবার সর্দির ওষুধ আবিষ্কারের জন্য তাঁকে নোবেল প্রাইজ দেওয়া হয়৷ ক্যানসারের ওষুধ আবিষ্কারের জন্য অতএব দ্বিতীয়বার নোবেল প্রাইজও তাঁর বাঁধা৷ আবের ওপর আদর করে একটু হাত বুলিয়ে নিলেন লোহিতাক্ষ৷
এমন সময়ে ল্যাবরেটরির দরজা খুলে বনমালী ঢুকল৷ বনমালী লোহিতাক্ষর কাজের লোক৷
'বাইরে দু-জন লোক এসেছেন৷'
'এই সকালে আবার কে এল?'
'তা কী জানি৷ একজন বেঁটে, অন্যজন লম্বা৷ ভালো লোক বলে মনে হচ্ছে না৷ যান গিয়ে দেখুন৷'
'ভালো লোক নয় কী করে বুঝলি?'
'আপনিও বুঝবেন৷ আমি শুধু কয়েছিলুম যে, বাবু এখন কাজে ব্যস্ত, দেখা হবে না, তাইতে প্রায় মারতে এল৷'
'ঃও তাই বুঝি খারাপ লোক! তা কী চায় তারা?'
'তা আর জিজ্ঞেস করার সাহস হয়নি৷ আপনার ভিজিটার আপনি গিয়ে সামাল দিন৷'
লোহিতাক্ষ সাধারণত উটকো লোকজনের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করেন না৷ কিন্তু আজ তিনি নিজের সাফল্যের আনন্দে এত ডগমগ যে, বার্নারের তাপটা কমিয়ে উঠে পড়লেন, 'চল তো গিয়ে দেখি কেমন লোক৷'
লোহিতাক্ষর বাইরের ঘরে যে দু-জন অপেক্ষা করছিল তারা সুবিধের লোক নয় তা এক নজরেই বোঝা যায়৷ বেঁটে লোকটা ভীষণ বেঁটে, পাঁচ ফুটের নীচেই হবে৷ আর তার চেহারা অনেকটা ফুটবলের মতো গোলাকার৷ লম্বা লোকটা আবার বিসদৃশ রকমের লম্বা এবং দৈত্যের মতোই তার স্বাস্থ্য৷ মিল একটা জায়গায়৷ দু-জনের চোখই ভাঁটার মতো জ্বলন্ত৷ দেখলেই মনে হয়, তারা চোখের ইশারায় মানুষের গলা নামিয়ে দিতে পারে৷ কোন দেশের লোক তাও বুঝবার উপায় নেই৷ গায়ের রং তামাটে উজ্জ্বল, মুখ ভাবলেশহীন, চুল কালো৷ সাহেব, বাঙালি, চীনে সবই হতে পারে৷
'কী চাই আপনাদের?'
বেঁটে লোকটা তার ভাঁটার মতো চোখ দুটোকে গনগনে করে লোহিতাক্ষর দিকে চেয়ে থাকে৷ পরিষ্কার বাংলায় বলল, 'তুমিই জড়িবুটিওয়ালা লোহিতাক্ষ সেন?'
এ কথায় কার না রাগ হয়? নোবেলজয়ী বৈজ্ঞানিক লোহিতাক্ষ বিশ্ববন্দিত বিজ্ঞানী৷ তাঁকে প্রথম পরিচয়ে 'তুমি' করে সম্বোধন আর 'জড়িবুটিওয়ালা' বললে তো তাঁর খেপে যাওয়ারই কথা৷ লোহিতাক্ষও খেপলেন এবং দাঁত কড়মড় করে বললেন, 'তার মানে? এটা কি ইয়ার্কির জায়গা?'
বেঁটে লোকটা একটা মস্ত চুরুট ধরিয়ে এক গাল কটু গন্ধের ধোঁয়া ছেড়ে বলল, 'শান্ত হও৷ তুমি যে একটা মেডেল পেয়েছ তা আমরা জানি৷'
লোহিতাক্ষ অবাক হয়ে বললেন, 'মেডেল৷ কীসের মেডেল?'
'ওই যে নোবেল প্রাইজ না কী যেন! তা সে যাকগে, তুমি যে ভালো ছেলে তা আমরা জানি৷'
লোহিতাক্ষ রাগে কাঁপছিলেন বটে, কিন্তু কাঁপতে কাঁপতেও তিনি লক্ষ করলেন, বেঁটে লোকটার বাঁ-কপালে একটা কালো রঙের জরুল৷ লোকটা মাঝে মাঝে জরুলটায় হাত দিচ্ছে৷
লোহিতাক্ষ বললেন, 'আপনারা বেরিয়ে যান৷ আমার বাজে কথায় নষ্ট করার মতো সময় নেই৷'
বেঁটে লোকটা একটু গা-জ্বালানো হাসি হেসে বলল, 'কেন? কী এমন রান্নাবান্নার কাজে ব্যস্ত আছ হে? অ্যাঁ৷'
বলেই লোহিতাক্ষর মুখে এক ঝাঁক ধোঁয়া ছেড়ে লোকটা খ্যাক খ্যাক করে অপমানসূচক একটা তাচ্ছিল্যের হাসি হাসল৷ তারপর বলল, 'আগেকার লোকেরা ভক্তি শ্রদ্ধা জানত, আর এখনকার তোমরা! ছ্যা ছ্যা, একটু ভদ্রতাও জাননা দেখছি৷'
এ কথায় লোহিতাক্ষ লোকটাকে খুন করার জন্য পকেটে হাত দিয়ে রিভলবার খুঁজতে লাগলেন৷ কিন্তু হঠাৎ মনে পড়ে গেল তাঁর রিভলবার নেই৷ কস্মিনকালেও ছিল না৷
বেঁটে লোকটা কিন্তু লোহিতাক্ষর মনের কথা টের পেল এবং সঙ্গীর দিকে হাত বাড়িয়ে বলল, 'খেলনাটা দাও তো৷'
দৈত্যটা একটা রিভলবার বের করে বেঁটের হাতে দিল৷ আর বেঁটেটা রিভলবারটা নিজের বুকের দিকে তাক করে ট্রিগার টিপে দিল৷ ভীষণ একটা শব্দ ও ধোঁয়ার ভিতরে বুলেটটা লোকটার বুকে লেগে ঠং করে মেঝেয় গড়িয়ে পড়ল৷
বেঁটে লোকটা খ্যাক খ্যাক করে হেসে বলল, 'দেখলে তো! বিশ্বাস না হয় নিজেই চেষ্টা করে দেখো৷ এই নাও রিভলবার৷ জেনুইন জিনিস, সত্যিকারের গুলিই ভরা আছে৷'
বলতে বলতে রিভলবারটা এগিয়ে দিল লোকটা৷
লোকটা সোফায় গা এলিয়ে বসে আর এক কুণ্ডলী ধোঁয়া ছেড়ে বলল, 'আরে লজ্জা কী? চালাও না৷ আচ্ছা আনাড়ি রে বাবা৷'
লোহিতাক্ষ রিভলবারটা তুলে দুম করে গুলি করলেন৷ গুলিটা আগের বারের মতোই লোকটার বুকে লেগে ছিটকে পড়ল৷
লোকটা খ্যাক খ্যাক করে হাসতে হাসতে বলল, 'কী বলো হে মেডেল-পাওয়া কম্পাউন্ডার, সুবিধে করতে পারলে? দাও খেলনাটা আমার হাতে দাও৷ আর শোনো, আমি হচ্ছি ভগবান৷ আমার সঙ্গে ইয়ার্কি করতে নেই৷'
লোহিতাক্ষ রাগে গড়গড় করে বললেন, 'ভগবানই হোন আর যাই হোন আপনি অত্যন্ত অভদ্র৷'
বেঁটে লোকটা আবার হাসতে লাগল৷ গা দুলিয়ে, ভুঁড়ি নাচিয়ে৷ তারপর বলল, 'ওরে বাপু, আমার নাম ভগবান নয়, আমি স্বয়ং ভগবান৷ যাদের মূর্তি-টুর্তি তোমরা পুজো করো তাদেরই একজন৷'
লোহিতাক্ষ নাস্তিক লোক৷ আর নাস্তিক বলেই তাঁর ভগভদ্ভক্ত স্ত্রীর সঙ্গে প্রায়ই খুব ঝগড়া হয়৷ তাঁর স্ত্রী মোটেই তাঁর নাস্তিকতাকে ভালো চোখে দেখেন না৷
লোহিতাক্ষ লোকটার দিকে চেয়ে ঠাট্টার হাসি হেসে বললেন, 'ভগবান তো একটা বোগাস ব্যাপার৷ আমি ওসব বিশ্বাস করি না৷ আর আপনাদেরও আমার ভালো লোক মনে হচ্ছে না৷ আপনি থার্ড গ্রেড ম্যাজিসিয়ান মাত্র৷ অনেক সময় নষ্ট হয়েছে, এখন আসুন৷ নমস্কার৷'
বেঁটে লোকটা আবার হাসতে লাগল৷ তারপর বলল, 'বিশ্বাস করো না কী হে? জলজ্যান্ত দেখতে পাচ্ছ চোখের সামনে৷ কত লোক আমাকে একবার চোখের দেখা দেখার জন্য কত সাধ্যসাধনা করে৷'
'আমার ইয়ার্কি করার সময় নেই৷ ল্যাবরেটরিতে আমি একটা জরুরি কাজ করছি৷ আপনারা আসতে পারেন৷'
বলতে বলতেই লোহিতাক্ষ অবাক হয়ে দেখলেন, বেঁটে লোকটার মধ্যে কী-একটা পরিবর্তন অতি দ্রুত ঘটে যাচ্ছে৷ কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে দেখা গেল, মেঝের ওপর পাতা বাঘছালে স্বয়ং মহাদেব বসে আছেন, ছাই মাখা শরীর, মাথায় জটাজুট, ধ্যান-নিমীলিত চোখ, সারা গায়ে ফোঁস ফোঁস করে সাপ ঘুরে বেড়াচ্ছে৷
লোহিতাক্ষ তাড়াতাড়ি চোখ কচলাতে লাগলেন৷ ততক্ষণে শিবের বদলে ধনুর্ধর রামচন্দ্র দেখা দিয়েছেন৷ পরমুহূর্তেই রামচন্দ্র গায়েব হয়ে বংশীধারী কৃষ্ণকে দেখা গেল৷
বেঁটে লোকটা তেমনি গা-জ্বালানো হাসি হেসে বলল, 'দেখলে তো! এবার প্রত্যয় হল?'
লোহিতাক্ষ একটু কেমন যেন হয়ে গেলেন৷ ম্যাজিসিয়ানরা অনেক কৌশল জানে ঠিকই, কিন্তু ম্যাজিক বলে তাঁর মনে হচ্ছিল না৷ একটু ধন্দে পড়ে কিন্তু কিন্তু করতে লাগলেন৷
এমন সময় অন্দরমহল থেকে তাঁর স্ত্রী একটা শাঁখ হাতে আলুথালু হয়ে ছুটে এলেন৷ 'তোমার যে মহাপাপ হচ্ছে৷ স্বয়ং ভগবান এসেছেন আর তুমি তাঁকে গালমন্দ করছ? ওরে বনমালী, শিগগির জল বাতাসা আর ফুল নিয়ে আয়, ধূপ দীপ জ্বালা...'
বেঁটে লোকটা খুব ভুঁড়ি দুলিয়ে হাসতে লাগল৷ লোহিতাক্ষর স্ত্রী ধূপ দীপ জ্বেলে জল বাতাসা আর ফুল দিয়ে ঘণ্টা নেড়ে যাবতীয় স্তবস্তুতি আউড়ে যেতে লাগলেন৷ লোহিতাক্ষ বেকুবের মতো চেয়ে দেখতে লাগলেন৷
পুজো হয়ে গেলে লোহিতাক্ষকে একটা কনুইয়ের ঠেলা দিয়ে গিন্নি বললেন, 'হলটা কী তোমার? প্রণাম করো৷'
লোহিতাক্ষ অগত্যা অনভ্যস্ত ভঙ্গিতে একটা প্রণামও করে ফেললেন৷
বেঁটে লোকটা খুব খুশি হয়ে বলল, 'লোহিতাক্ষ গাড়ল হলেও বউমাটি ভারি লক্ষ্মীমন্ত৷ তা তোমরা বর-টর চাইবে না?'
বরের কথায় কর্তা-গিন্নি মুখ চাওয়াচাওয়ি করতে লাগলেন৷
লোকটা একটু হেসে বললেন, 'আরে লজ্জা কীসের? চেয়ে ফেলো, চেয়ে ফেলো, আমার আর বিশেষ সময় নেই৷'
গিন্নি ধরা গলায় বললেন, 'আমি আর কী চাইব বাবা? স্বামী পুত্র নিয়ে যেন সুখে থাকতে পারি...'
'তথাস্তু৷'
লোহিতাক্ষ করুণ গলায় বললেন, 'দ্বিতীয়বার নোবেল প্রাইজটি...'
'তথাস্তু৷'
এই বলে ভগবান উঠে দাঁড়ালেন, তারপর লোহিতাক্ষর দিকে চেয়ে বললেন, 'তবে বাপু, আমারও কিছু চাওয়ার আছে৷ ওই যে কী একটা ওষুধ বানাচ্ছ, ওটা আর বানিয়ো না, একটা-দুটো দুরারোগ্য রোগ আছে বলেই মানুষ এখনও ভগবানের ডাক খোঁজ করে৷ রোগভোগ লোপাট হয়ে গেলে সেটুকুর পাটও উঠে যাবে৷ তুমি বরং একটা দাদের মলম বা আমাশয়ের ওষুধ বানাও, তাতেই নোবেল পেয়ে যাবে৷ বুঝেছ?'
'যে আজ্ঞে৷ কিন্তু...'
'আর কিন্তু নয়৷ এখনই গিয়ে সব ফর্মুলা নষ্ট করে দাও গে৷ শুভস্য শীঘ্রম৷'
'ওকে যেতে হবে না ঠাকুর, আমিই গিয়ে সব নর্দমায় ফেলে দিয়ে আসছি৷' বলে গিন্নিই উঠে গেলেন৷
বেঁটে লোকটা একটা বাতাসা মুখে পুরে উঠে পড়ল, তারপর লোহিতাক্ষর দিকে চেয়ে বলল, 'চলি হে৷ অনেকটা দূর যেতে হবে৷ যাওয়ার আগে আসল কথাটা বলে যাই৷ আমি ভগবান-টগবান নই৷ তবে গ্রহান্তরের মানুষ৷ পৃথিবীতে অনেকদিন ধরেই আমাদের আনাগোনা৷ বাঁদর থেকে তোমাদের মানুষ বানিয়েছি আমরাই৷ বিজ্ঞানে তালিম দিয়েছি, চাকা বানানো থেকে অ্যাটম বোমা তৈরি অবধি সব ব্যাপারেই আমাদের অদৃশ্য হাত ছিল৷ আর এসব যা দেখালুম তোমায় সবই বুজরুকি বটে, তবে আসল ভগবানও একজন আছেন৷ কিন্তু তত দূরে তোমাদের ধারণা পৌঁছোয় না বলে এই আমাদেরই তোমরা এতকাল ভগবান ভেবে পুজো আচ্চা করে এসেছ...'
লোহিতাক্ষ লাফিয়ে উঠে বললেন, 'অ্যাঁ৷ তাহলে আমার দ্বিতীয় নোবেলের কী হবে?'
'তার আমি কী জানি? আমার বর ফলে কি না তা আমি জানি না৷'
লোহিতাক্ষ রাগে কাঁপতে কাঁপতে বললেন, 'ইয়ার্কি হচ্ছে? ঠিক আছে ফর্মুলা আমার মুখস্থ৷ আমি ক্যানসারের ওষুধ আবার বের করে ফেলব৷'
লোকটা মাথা নাড়ল, 'না বের করবে না৷ বের করলে কী হবে জান?'
'কী হবে?'
'তুমি যে রোজ চুষিকাঠি ছাড়া ঘুমোতে পার না, সে-কথা সবাইকে জানিয়ে দেব৷'
কথাটা ঠিক৷ লোহিতাক্ষ এত বড়ো বিজ্ঞানী হওয়া সত্ত্বেও বাচ্চা ছেলের মতো একটা স্বভাব আছে তাঁর৷ এখনও চুষিকাঠি ছাড়া তিনি ঘুমোতে পারেন না৷ কিন্তু সে কথা বাড়ির লোক ছাড়া কেউ জানে না৷
লোহিতাক্ষ স্তিমিত হয়ে গিয়ে বললেন, 'যে আজ্ঞে৷'
লোক দুটো বেরিয়ে গেল৷

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন