দরদিদিগিন্দ্রচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

পার্থ প্রতিম পাঁজা

চরিত্র: পিন্টু, নানু, মা, কবিতা।

[মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি ঘর। সকালবেলা পিন্টু ও নানু বসে পড়ছে।]

পিন্টু : ‘আপনারে লয়ে বিব্রত থাকিতে

আসি নাহি কেহ অবনী’ পরে।

সকলের তরে সকলে আমরা

প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’

[এক-একটা ছত্র দু-তিনবার করে পড়বে।]

নানু : ‘গোরু একটি চতুষ্পদ জন্তু। মানুষের বড়ো উপকারে আসে। গোরুর দুধ খাইয়া শিশুরা বাঁচে। দুধ হইতে দধি, ছানা, ঘৃত, মাখন ইত্যাদি প্রস্তুত হয়।’

[প্রতিছত্র একাধিকবার পড়বে।]

পিন্টু : তুই আমার খাতা নিয়েছিস কেন, নানু?

নানু : তোর খাতা? বাবা আমাকে এনে দিয়েছেন।

পিন্টু : তোকে এনে দিয়েছেন? তোর তো কতগুলো খাতা আছে। আমি বাবাকে বলেছিলাম, তাই তো বাবা কিনে এনেছেন। দে, আমার খাতা আমাকে দে।

নানু : ইশ! তোর খাতা না আরও কিছু! আমার বলে অঙ্কের খাতা নেই।

পিন্টু : খাতা না দিলে আমি ছিঁড়ে ফেলব কিন্তু।

নানু : আমার খাতা আমি তোকে দোব কেন?

পিন্টু : দিবি না?

নানু : না।

পিন্টু : দিবি কি না বল?

নানু : না।

পিন্টু : তবে রে! দাঁড়া, দেখাচ্ছি...দে।

[দু-ভাই খাতা নিয়ে টানাটানি করে।]

নানু : না (চেঁচিয়ে) মা, দ্যাখো, দাদা কেমন কচ্ছে!

মা : (নেপথ্যে) পিন্টু! কী হচ্ছে?

পিন্টু : আমার খাতা দিচ্ছে না, মা!

নানু : দাদার খাতা নয়, মা। আমার খাতা নিয়ে টানাটানি কচ্ছে।

মা : ঝগড়া করবি তো কেউ খাতা পাবি না। পড়তে বসে খালি ঝগড়া!

পিন্টু : আমার খাতা ও নেবে কেন?

মা : (নেপথ্যে) ফের কথা! মন দিয়ে পড়।

পিন্টু : (নানুকে) আসুক না বাবা বাজার থেকে। সব বলে দোব।

নানু : (মুখ ভেঙচিয়ে) ইঁ—ইঁ—ইঁ!

পিন্টু : নানু আমাকে ভেঙাচ্ছে, মা!

মা : (নেপথ্যে) আমি এলে কিন্তু ভ্যাঙানি বার করে দোব।

নানু : না মা, আমি ভ্যাঙাইনি। দাদা আমাকে চিমটি কাটছে।

পিন্টু : হুঁ, আমি চিমটি কেটেছি তোকে? মিথ্যুক কোথাকার!

নানু : না, কাটিসনি। নখটা কীরকম বসে গেছে।

পিন্টু : বেশ করেছি। আরও করব।

নানু : (নাকি কান্না) মা, দ্যাখো এসে...দাদা কেমন কচ্ছে!

মা : (নেপথ্যে) পিন্টু, আর যদি একটা কথা শুনেছি তো...। যে-যার পড়া পড়।

পিন্টু, নানু : (একসঙ্গে) আপনারে লয়ে বিব্রত থাকিতে...গোরু একটি চতুষ্পদ জন্তু...

[বার বার একই ছত্র পড়তে থাকে]

মা : (নেপথ্যে) পিন্টু-নানু, খাবার খেয়ে যা।

[নানু উঠে চলে যায়। পিন্টু বসে থাকে।]

পিন্টু, কানে গেল না?

পিন্টু : আমি খাব না।

মা : (নেপথ্যে) না খাস না খাবি। সাধাসাধির সময় নেই আমার। আরও কাজ আছে।

[পাশের বাড়ির জানলায় একটি ছোটোমেয়ের মুখ দেখা যায়।]

পিন্টু : (চাপা স্বরে) কবিতা, আমাদের বাড়ি আয়।

কবিতা : (তেমনি চাপা স্বরে) নারে পিন্টু, তোদের বাড়ি যাব না। তোদের সঙ্গে আমাদের আড়ি।

পিন্টু : কেন?

কবিতা : তোর মা আমার মা-র সঙ্গে কথা বলে না।

পিন্টু : কেন বলবে? তোর মা তার কলে আমার মাকে সেলাই করতে দেয়নি কেন?

কবিতা : কী করে দেবে? কল যে ভেঙে গেছে। মেরামত করতে পারেনি।

পিন্টু : মিথ্যে কথা।

কবিতা : নারে। সত্যি তাই।

পিন্টু : তোর বাবা কোথায়?

কবিতা : শুয়ে আছে।

পিন্টু : অফিসে যাবে না?

কবিতা : কী করে যাবে? বাবার যে ক-দিন থেকে জ্বর।

পিন্টু : তোদের গয়লা আজ অত চেঁচামেচি কচ্ছিল কেন রে?

কবিতা : টাকার জন্য।

পিন্টু : টাকা দেয়নি?

কবিতা : না। গয়লা দুধ বন্ধ করে দিয়েছে।

[নানুর প্রবেশ]

নানু : মা, দ্যাখো এসে, দাদা ও-বাড়ির কবিতার সঙ্গে কথা বলছে।

পিন্টু : (চাপা স্বরে) তাতে তোর কী? খালি নালিশ। বলবই তো। এক-শোবার বলব, হাজারবার বলব...

নানু : মা, দ্যাখো দাদা তোমার কথা শোনে না।

পিন্টু : নানু, ভালো হবে না বলছি। মায়ের কাছে লাগাবি তো তোর পিঠের হাড় আমি গুঁড়িয়ে দোব।

নানু : ও মা! দ্যাখো দাদা কেমন কচ্ছে!

পিন্টু : (ভেঙিয়ে) ম্যাঁ...দাদা কেমন কচ্ছে....

[পিন্টু নানুর পিঠে দড়াম করে এক কিল মারে। নানু ‘উঁ উঁ’ করে কাঁদতে থাকে।]

মা : (নেপথ্যে) দাঁড়া, দেখাচ্ছি তোদের। খালি ঝগড়া আর মারামারি।

[প্রবেশ]

কী হয়েছে?

নানু : দাদা ও-বাড়ির কবিতার সঙ্গে জানলা দিয়ে কথা বলছিল, মা!

মা : কী দরকার ও বাড়ির কারো সঙ্গে কথা বলার? বারণ করেছি না?

পিন্টু : কবিতার বাবার জ্বর, মা!

মা : পাড়ায় কার জ্বর, কার অতিসার, তা দিয়ে তোর দরকার কী? নিজের পড়া ফেলে রেখে খালি বকামি!

পিন্টু : ওদের গয়লা দুধ বন্ধ করেছে, মা।

মা : করেছে তো করেছে। তাতে তোর গলা শুকোচ্ছে কেন? নিজের পড়া ছেড়ে খালি চারদিকে মন। পড়।

[জানলাটা বন্ধ করে দেয়। ছিটকিনির আওয়াজ হয়।]

পিন্টু : জানলাটা বন্ধ করলে কেন মা? আমি আর কারো সঙ্গে কথা বলব না।

মা : না, বন্ধই থাকবে।...নানু, তুই পাশের ঘরে গিয়ে পড়। একসঙ্গে থাকলেই তো ঝগড়া।

পিন্টু : যাও, একাচোরা কোথাকার!

নানু : মা, দ্যাখো দাদা কী বলছে।

মা : বলুক। গায়ে ফোসকা পড়বে না। চল।

[ মা ও নানুর প্রস্থান। পিন্টু পড়তে থাকে।]

পিন্টু : সকলের তরে সকলে আমরা

প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।

[পাশের বাড়ি থেকে]

কবিতা : পিন্টু!

[পিন্টু আরও জোরে জোরে পড়ে।]

পিন্টু : সকলের তরে সকলে আমরা,

প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।

কবিতা : (কন্ঠস্বর চড়িয়ে) পি—ন—টু!

পিন্টু : (চেঁচিয়ে) আমি কথা বলব—অ—না—আ।

কবিতা : এই যে বললি—ই!

পিন্টু : না, বলিনি—ই!

কবিতা : জানলা বন্ধ করেছিস কে—ন—অ?

পিন্টু : আমি করিনি। মা করে—ছে—এ।

কবিতা : খুলে দে—এ।

পিন্টু : খুলতে বারণ আ—ছে—এ।

কবিতা : না খুললে আমি আর কক্ষনো কথা বল-ব—অ—না।

পিন্টু : রাখ, খুলে দি—চ্ছি—ই।

[পিন্টু জানলা খুলে দেয়। খোলার শব্দ হয়।]

কবিতা : (চাপা গলায়) পিন্টু, আমাদের বাড়ি আয়।

পিন্টু : তুই না এলে আমি যাব না।

কবিতা : আমি কী করে আসি? বাবার যে অসুখ।

পিন্টু : আমি কী করে যাই? মা-র যে নিষেধ।

কবিতা : মাকে না বলে চলে আয়-না।

পিন্টু : নারে। মা মারবে।

কবিতা : তোর জন্য আমার কষ্ট হচ্ছে ভাই।

পিন্টু : তোর জন্য আমার একটুও কষ্ট হচ্ছে না।

কবিতা : মিথ্যেকথা বলছিস তুই।

পিন্টু : তুইও তো মিথ্যেকথা বলছিস। কষ্ট হলে আসিস না কেন?

কবিতা : আজ বিকেলে মাঠে যাবি?

পিন্টু : তুই যাবি?

কবিতা : যাব।

পিন্টু : তবে আমিও যাব।

কবিতা : আমার সঙ্গে খেলবি তো?

পিন্টু : কথা শুনলে খেলব।

কবিতা : সেদিনকার মতো পেছন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিবি না তো?

পিন্টু : নারে, না।

[দরজার কাছে নানু আসে]

নানু : (নালিশের সুরে) ও মা, দ্যাখো এসে দাদা আবার জানলা খুলেছে।

ও-বাড়ির কবিতার সঙ্গে কথা বলছে।

পিন্টু : (ধমক দিয়ে) তোর কী তাতে? এখানে এসেছিস কেন? তোর ঘরে গিয়ে তুই পড়।

নানু : মা কলতলায় গিয়েছে আর অমনি পড়া রেখে দিয়ে তুই কথা বলছিস! দাঁড়া, আমি মাকে বলে দিচ্ছি।

পিন্টু : যা-না। কোটনা কোথাকার।

নানু : (নাকিসুরে) ও মা, দাদা আমাকে গাল পাড়ছে।

[নানুর প্রস্থান। পিন্টু জানলার ধারে যায়।]

পিন্টু : কবিতা! কবিতা!! (সাড়া না পেয়ে) এই ক-বি-তা!

কবিতা : কেন ডাকছিস?

পিন্টু : চলে গিয়েছিলি কেন?

কবিতা : মাসিমা যে তোকে বকবে।

পিন্টু : মা এখন কলতলায়। আসতে দেরি আছে। তুই আয়।

কবিতা : আচ্ছা যাচ্ছি।

[পিন্টু আবার পড়তে আরম্ভ করে।]

পিন্টু : আপনারে লয়ে বিব্রত থাকিতে...

আপনারে লয়ে বিব্রত থাকিতে...

[কবিতার প্রবেশ]

কবিতা : পিন্টু!

পিন্টু : ও! এসেছিস? তোর বাবার ক-দিন ধরে জ্বর রে কবিতা?

কবিতা : আজ পাঁচ দিন।

পিন্টু : জ্বর হল কেন রে?

কবিতা : কী করে বলব? বাবার তো প্রায়ই জ্বর হয়। ডাক্তার বলেছে ভালো ভালো খেতে।

পিন্টু : জ্বর হলে তোর বাবা কী খায়?

কবিতা : দুধ—সাগু।

পিন্টু : আজও তাই খাবে?

কবিতা : দুধ কোথায় পাবে? গয়লা তো দুধ দেয়নি।

পিন্টু : আমি দুধ দিলে খাবে?

কবিতা : তুই কোথায় দুধ পাবি?

পিন্টু : যেখানেই পাই না। খাবে কি না বল?

কবিতা : মা যদি বকে?

পিন্টু : কেন বকবে?

কবিতা : তোদের সঙ্গে যে আমাদের ভাব নেই।

পিন্টু : (অভিমানে) তবে চলে যা।

কবিতা : রাগ করলি ভাই?

পিন্টু : না। তুই আমার সঙ্গে আর কক্ষনো কথা বলিস না।

কবিতা : রাগ করিস না ভাই। সত্যি তুই দুধ দিবি?

পিন্টু : নিবি?

কবিতা : হ্যাঁ নোব। কেউ দেখতে পাবে না তো?

পিন্টু : না, কেউ দেখতে পাবে না। ওই চেয়ারটা এদিকে নিয়ে আয় তো।

[কবিতা একটা চেয়ার টেনে আনে। মেঝেতে শব্দ হয়]

পিন্টু : আস্তে। শব্দ হয় না যেন। টুলটা নিয়ে আয়।

[একটা কাঠের টুল নিয়ে আসে কবিতা। চেয়ারে লেগে ঠুক করে আওয়াজ হয়]

আবার শব্দ কচ্ছে বোকা মেয়ে কোথাকার!

[পিন্টু চেয়ারের ওপর টুলটা বসায়]

কবিতা : কী করবি?

পিন্টু : দেখে-ই না কী করি? শক্ত করে টুলটা ধরিস। নড়ে না যেন।

কবিতা : আচ্ছা।

পিন্টু : তাক থেকে দুধের টিনটা নামাতে হবে। গুঁড়োদুধ, কিন্তু খেতে খুব ভালো।...ধরেছিস?

কবিতা : ধরেছি।

পিন্টু : সাবধান। ছাড়িসনি কিন্তু। পড়ে যাব। এই... এই কবিতা। ছাতাটা দে তো।

কবিতা : ছাড়ব কী করে? পড়ে যাবি যে!

পিন্টু : আচ্ছা, আমি দেয়ালটা ধরে থাকি। তুই তাড়াতাড়ি ছাতাটা নিয়ে আয়।

[কবিতা আংটায় ঝোলানো ছাতাটা পেড়ে নিয়ে আসে]

কবিতা : এই নে।

পিন্টু : (ছাতা হাতে নিয়ে) ধরিস কিন্তু। ঠিক আছে?

কবিতা : ঠিক আছে।

[ছাতার বাঁট দিয়ে দুধের টিনটাকে টানতে থাকে। হঠাৎ অসাবধানে টিনটা মেঝেতে পড়ে যায়। শব্দ শুনে নানু ছুটে আসে। কবিতা পালিয়ে যায়। পিন্টু টুলের ওপর দাঁড়িয়ে কাঁপতে থাকে।]

মা : (নেপথ্যে) কী হল, কী হল রে, পিন্টু? কী ফেললি?

নানু : (নেপথ্যে) দুধ চুরি করে খাচ্ছে!

মা : রোসো, দেখাচ্ছি। (প্রবেশ) খেতে ডাকলাম, তখন কানে গেল না? এখন চুরি করে দুধ খাওয়া। দাঁড়া এই ছাতার বাঁট তোর পিঠে ভাঙব।

পিন্টু : পড়ে যাব, মা।

মা : নেমে আয়।

পিন্টু : তুমি মারবে যে!

মা : না, মারব কেন? ধানদুব্বো দোব! এতবাড় হয়েছে তোর! চুরি করে খাওয়া!

পিন্টু : আমাদের জন্য নয়, মা!

মা : তবে কার জন্য? কী চুপ করে আছিস যে?

নানু : ওদের বাড়ির কবিতাও ছিল, মা! তোমার গলার আওয়াজ পেয়ে পালিয়েছে।

মা : কী, তাই?

পিন্টু : কবিতার বাবার পাঁচ দিন ধরে জ্বর, মা! কাল থেকে গয়লা ওদের দুধ দেওয়া বন্ধ করেছে।

মা : তা তোর কাছে চেয়েছে নাকি ওরা?

পিন্টু : না, চায়নি। আমিই কবিতাকে ডেকে এনেছিলাম।

মা : ও! তা দিতে হয় আমাকে বলে দিলেই হত। আমি কি না করতাম নাকি?

পিন্টু : তুমি যে ওদের সঙ্গে কথা বলো না।

মা : তা বলি আর না-ই বলি—তা বলে বিপদে-আপদে মানুষকে মানুষ না দেখে পারে?...তা নয়। তোমার সর্দারিই বেশি।...কী করেছিস দেখ তো। সারাটা ঘরে দুধ ছড়িয়েছিস। আমার খালি কাজ বাড়ানো। দাঁড়িয়ে রইলি কেন? নেমে আয়।

পিন্টু : মারবে না, বলো।

মা : ওঃ! মারের কত ভয় তোমার আছে।...কীসে করেই বা দিই? নানু, খবরের কাগজটা দে তো।

নানু : আমি পারব না।

মা : না, তা পারবে কেন? পারো কেবল খেতে।

[পিনটু নেমে আসে। মা খবরের কাগজে করে খানিকটা দুধের গুঁড়ো তার হাতে দেয়।]

নে, দিয়ে আয় গিয়ে।

পিন্টু : (খুশি হয়ে) অনেকটা দিয়েছ যে মা!

মা : তা ভদ্রলোক জ্বরে পড়ে আছেন। সেরে উঠলে তো জোগাড় করবেন। দু-চার দিন চলে যায় এমন আন্দাজেই দিলাম।... যা দিয়ে আয়। আর মাসিমাকে বলিস, যখন যা দরকার পড়ে, আমার কাছে যেন চায়। বিপদের সময়ও লোক মান-অভিমান ছাড়তে পারে না। আশ্চর্য!

পিন্টু : (সোল্লাসে) কবিতা! কবিতা! কবিতা !!!

কবিতা : (নেপথ্যে) টুঁ—উঁ!

[পিন্টু মহোল্লাসে বেরিয়ে যায়। মা হাসিমুখে মেঝের দুধ টিনের কৌটোয় তুলতে থাকে।]

নানু : মা, আমি একটু গুঁড়োদুধ খাব।

মা : (খানিকটা দুধ হাতে নিয়ে) এই নে, খা। তোর তো কিছুতেই পেট ভরে না, রাক্ষস। দিনরাত ‘হাঁ’ করেই আছিস।

সকল অধ্যায়
১.
ছাত্রের পরীক্ষারবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২.
পেটে ও পিঠেরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩.
বেচারাম কেনারামউপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
৪.
বৃক ও মেষ পালাঅবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫.
কাক ও পনীর পালাঅবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬.
লক্ষ্মণের শক্তিশেল সুকুমার রায়
৭.
অবাক জলপান সুকুমার রায়
৮.
কাজির বিচারকাজী নজরুল ইসলাম
৯.
রাজপুত্রের নীতিশিক্ষা কাজী নজরুল ইসলাম
১০.
ঝড়ের দিনেসুনির্মল বসু
১১.
আলোলীলা মজুমদার
১২.
দরদিদিগিন্দ্রচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
১৩.
যেদিন জাগবে মুকুল বিমল ঘোষ
১৪.
ভীম বধনারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
১৫.
বহুরূপীদেবনারায়ণ গুপ্ত
১৬.
গুপীগাইন বাঘাবাইন সত্যজিৎ রায়
১৭.
দত্যি দানোর ছানাশৈলেন ঘোষ
১৮.
সৌরভবৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায়
১৯.
শ্রেয়সী অমল রায়
২০.
বোকা বাঘের ছানাড. পার্থপ্রতিম পাঁজা
২১.
রাক্ষসের সঙ্গে টক্কর ড. পার্থপ্রতিম পাঁজা

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%