ভাঙা অমিত্রাক্ষরের স্রষ্টা কে?

হেমেন্দ্রকুমার রায়

তথাকথিত 'গৈরিশ' বা 'গৈরিশী' ছন্দের নাম যে অনেকেই অবহেলাভরে উল্লেখ করেন, এটা প্রায়ই লক্ষ করেছি। আধুনিক সাহিত্যিকদের অনেকেই তাকে আমলে আনতেই রাজি নন। তাঁদের বিশ্বাস, সাহিত্যক্ষেত্রে ওরকম ছন্দ পতিত; ওকে একটা বাজে থিয়েটারি ছন্দ ছাড়া আর কিছুই বলা চলে না।

পৌরাণিক ও ধর্মমূলক নাটকের পক্ষে ওই ছন্দটির উপযোগিতা যে অত্যন্ত অধিক, গিরিশচন্দ্র সেটুকু উপলব্ধি করেছিলেন বিশেষভাবেই। ঐতিহাসিক নাটকেও স্থানে স্থানে বিশেষ উচ্ছ্বাস প্রকাশের সময়ে তিনি ওই ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেছিলেন বটে, কিন্তু তা ততটা সফল হয়নি। কারণ বাস্তব ইতিহাসের ক্ষেত্রে, আধুনিকদের কানে বাজে গজেন পাশে ওই ছন্দটি। তবে এই পরীক্ষা তিনিই প্রথম করেননি, তাঁরও আগে করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্তও।

'গৈরিশী' ছন্দ নিয়ে আলোচনা করবার আগে অমিত্রাক্ষর ছন্দ সম্বন্ধে মাইকেলের অভিমত নিয়ে দু-চার কথা বলা দরকার।

'তিলোত্তমাসম্ভব'-এ (কবির প্রথম কাব্য) অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করে মাইকেল লিখেছিলেন: 'আমার বিলক্ষণ প্রতীতি হইতেছে যে, এমন কোন সময় অবশ্যই উপস্থিত হইবে যখন এদেশে সর্ব্বসাধারণ জনগণ ভগবতী বাগদেবীর চরণ হইতে মিত্রাক্ষর-স্বরূপ নিগড় ভগ্ন দেখিয়া চরিতার্থ হইবেন। কিন্তু হয়তো সে শুভকালে এ কাব্য-রচয়িতা এতাদৃশী ঘোরতর মহানিদ্রায় আচ্ছন্ন থাকিবেক যে, কি ধিক্কার, কি ধন্যবাদ, কিছুই তাহার কর্ণকুহরে প্রবেশ করিবেক না।'

প্রসঙ্গক্রমে বলা যায়, সত্যদ্রষ্টা কবির এই ভবিষ্যদবাণী বিফল হয়নি। তাঁর যুগেই একাধিক বাঙালি কবি অমিত্রাক্ষর ছন্দে বিখ্যাত কাব্য রচনা করেছেন। তারপর যত দিন গিয়েছে ততই বেড়ে উঠেছে অমিত্রাক্ষরের প্রভাব। প্রমাণ, রবীন্দ্রনাথের অসংখ্য রচনা। এবং বর্তমান যুগেও দেখছি, অতি-আধুনিক কবিরা যেন অমিত্রাক্ষর ছন্দেরই বেশি পক্ষপাতী। কিন্তু আপাতত যাক ও কথা।

মধুসূদন কেবল মহাকবি নন, বাংলা রঙ্গালয়ের যখন জন্ম হয়, তখন নাট্যকাররূপেও তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়। যুগধর্মের গতি বুঝে প্রাচীন সংস্কৃত আদর্শ ছেড়ে পাশ্চাত্য আদর্শে তিনিই প্রথম বাংলা নাটক রচনা করেন। এবং আধুনিক নাট্যকাররাও তাঁর অবলম্বিত আদর্শ ত্যাগ করে এক পদও অগ্রসর হতে পারেননি। সাধারণ রঙ্গালয়ের প্রথম যুগেও মধুসূদন হয়েছিলেন বেঙ্গল থিয়েটারের নিজস্ব প্রধান নাট্যকার। অভিনয়ের অস্বাভাবিকতা দূর করবার জন্যে তিনিই প্রথম সাধারণ রঙ্গালয়ে অভিনেত্রী আনবার ব্যবস্থা করেছিলেন।

মধুসূদন নাট্যকলায় বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তাই তিনি বলেছেন: 'যতদিন না নাটকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহৃত হবে, ততদিন তার কোনও উন্নতিই আশা করা যায় না।' আর পরে হয়তো এই সত্যই বুঝে নাট্যকলারসজ্ঞ রবীন্দ্রনাথও 'বিসর্জন' এবং 'রাজা ও রাণী' রচনার সময়ে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সাহায্য না নিয়ে পারেননি।

'তিলোত্তমাসম্ভব' মধুসূদনের অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্য হলেও ওই ছন্দটিকে গদ্যের সঙ্গে সঙ্গে তিনি প্রথম ব্যবহার করেন 'পদ্মাবতী' নাটকে।

কিন্তু নাটক বা দৃশ্যকাব্য প্রধানত পাঠ করবার জন্যে নয়, অভিনয় করবার জন্যে। মধুসূদনের অমিত্রাক্ষর ছন্দের কবিতায় প্রসারের মতো প্রতি পঙক্তিতে চৌদ্দটি করে অক্ষর আছে। এরকম কবিতা পাঠ বা সাধারণ আবৃত্তির পক্ষে যতটা উপযোগী, অভিনয়ের পক্ষে ততটা নয়। এইটুকু উপলব্ধি করে মধুসূদন 'পদ্মাবতী' নাটকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ নিয়ে প্রথম পরীক্ষার সময়ে মাঝে মাঝে ব্যবহার করেছিলেন ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দই। যথা:

(প্রথম)

''এ বিদর্ভপুরে

নৃপতি রাজেন্দ্র ইন্দ্রনীল; তার প্রতি

অতি প্রতিকূল এবে ইন্দ্রাণী সুন্দরী।''

(দ্বিতীয়)

''এ কি? ওই না সে পদ্মাবতী?

আয় লো কামিনী—

এইরূপে কুরঙ্গিণী নিঃশব্দে অভাগা''

(তৃতীয়)

''কিঞ্চিৎ কালের জন্য অদৃশ্য হইয়া

দেখি কি করা উচিত।''

(চতুর্থ)

''হেন দুরাচার আর আছে

কি জগতে? ভাল, কলিদেব—

কিছু কি হলো না দয়া তোমার হৃদয়ে?'' প্রভৃতি

বোধহয় প্রমাণিত করতে পেরেছি যে, গিরিশচন্দ্রের অনেক আগেই সর্বপ্রথমে ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করে গিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এতদিন এই সত্যটির দিকে কারো দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়নি কেন, জানি না। তারপর কালীপ্রসন্ন সিংহের পালা।

কালীপ্রসন্ন সিংহ কেবল মহাভারতের অনুবাদক ও 'হুতোম প্যাঁচার নক্সা'র লেখকই ছিলেন না, সেই সঙ্গে তিনি ছিলেন নট, নাট্যকার ও নাট্য-সমালোচকও। তিনি চারখানি নাটক রচনা করেছিলেন—'বাবু', 'বিক্রমোর্ব্বশী', 'সাবিত্রী-সত্যবান' ও 'মালতীমাধব'। তাঁর নাটকের ভাষা কীরকম ছিল বলতে পারি না, কারণ নাটকগুলি পাঠ করবার—এমনকী দেখবারও—সৌভাগ্য চক্ষে আমার হয়নি।

কালীপ্রসন্ন সিংহের কবি বলে খ্যাতি নেই। কিন্তু কোন খেয়ালে জানি না, 'হুতোম প্যাঁচার নক্সা'য় তিনি কয়েক পঙক্তির একটি কবিতা-কণিকা রচনা করেছিলেন। পঙক্তিগুলি এই:

''হে সজ্জন!

স্বভাবের সুনির্ম্মল পটে,

রহস্য-রসের রঙ্গে,

চিত্রিনু চরিত্র দেবী সরস্বতী-বরে:

কৃপা-চক্ষে হের একবার;

শেষে বিবেচনামতে,

তিরস্কার কিংবা পুরস্কার যাহা হয়,

দিও তাহা মোরে,

বহু মানে লব শির পাতি।''

এই ছোটো কবিতায়ও ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দই ব্যবহার করা হয়েছিল।

গিরিশচন্দ্র যখন পৌরাণিক নাটক রচনায় হাত দিলেন তখন প্রথমেই অনুভব করলেন নাটকের উপযোগী ভাষার অভাব। ঠিক সেই সময়েই দৈবগতিকে তাঁর চোখে পড়ল কালীপ্রসন্নের রচিত কয়েকটি পঙক্তি। হাত বাড়িয়ে তিনি পেলেন স্বর্গ! পৌরাণিক নাটকের পক্ষে এই তো আদর্শ ভাষা। সেই ভাষায় প্রথমেই রচিত হল তাঁর 'রাবণবধ'। তারপর রঙ্গমঞ্চের উপরে ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দের অসামান্য সফলতা দেখে তিনি তাঁর প্রত্যেক পৌরাণিক ও অধিকাংশ ধর্মমূলক নাটকে ওই এক ছন্দই ব্যবহার করে গিয়েছেন। আমার মনে হয় 'পদ্মাবতী' নাটক রচনাকালে মাইকেল মধুসূদনও কালীপ্রসন্নের মতোই অমিত্রাক্ষর ছন্দের চৌদ্দ অক্ষর-সংবলিত পঙক্তি মাঝে মাঝে ভেঙে দিয়েছিলেন, এটা গিরিশচন্দ্রের লক্ষে পড়েনি।

গত বৈশাখের 'শনিবারের চিঠি'তে শ্রীযুক্ত ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় একটি তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন যে, 'বাংলা নাটকে ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দের বিরাট সম্ভাবনা উপলব্ধি করিয়া রাজকৃষ্ণ রায়ই সর্ব্বপ্রথমে এই ছন্দে ''হরধনুভঙ্গ'' নামে পঞ্চাঙ্ক নাটক রচনা করেন; তিনিই বাংলা নাটকে— কাব্যেও বটে— ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম প্রবর্তক। গিরিশচন্দ্রের ''রাবণবধ'' ও রাজকৃষ্ণের ''হরধনুভঙ্গ'' একই বৎসরে, ১২৮৮ সালে, প্রকাশিত হইলেও অভিনয় ও পুস্তক প্রকাশ— উভয়ক্ষেত্রেই রাজকৃষ্ণ গিরিশচন্দ্রের পূর্ব্বগামী।'

বাংলা নাটকে রাজকৃষ্ণ রায়ই অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম প্রবর্তক কি না, সে কথা নিয়ে পরে আলোচনা করব। কিন্তু আপাতত এই প্রশ্নই মনে জাগে, গিরিশচন্দ্র 'রাবণবধ'-এ ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করবার আগে রাজকৃষ্ণের রচনার কথা জানতেন কি না? আমাদের মতে, না-জানাই স্বাভাবিক। কারণ, গিরিশচন্দ্র যখন 'রাবণবধ'-এর রচনাকাব্য সম্পূর্ণ করেন, রাজকৃষ্ণের 'হরধনুভঙ্গ' তখনও অভিনীত বা প্রকাশিত হয়নি। ওই দুখানি নাটকই প্রায় একই সময়ে অভিনীত হয়— 'হরধনুভঙ্গ' ও 'রাবণবধ'-এর অভিনয়ের মধ্যে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধান। সুতরাং এইটেই বুঝতে হবে যে, দুই নাট্যকারই স্বাধীনভাবে ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দ গ্রহণ করেছিলেন পরস্পরের অজ্ঞাতসারেই।

গিরিশচন্দ্র স্বীকার করেছেন যে, কালীপ্রসন্ন সিংহই তাঁর পথপদর্শক। কিন্তু রাজকৃষ্ণের সামনে কোন আদর্শ ছিল, আজ আর তা জানবার উপায় নেই। তবে তিনি যে বাংলা নাটকে 'ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম প্রবর্তক' নন, সে বিষয়ে কোনোই সন্দেহ নেই।

আসলে বহুনিন্দিত 'গৈরিশী ছন্দ' মোটেই গিরিশচন্দ্রের সৃষ্ট নয়, তাঁর আগেই বাংলায় তিনজন প্রতিভাধর অমর সাহিত্যিক ওই ছন্দ নিয়ে নাড়াচাড়া করে গিয়েছেন। তবে একথা অবশ্য স্বীকার্য যে, গিরিশচন্দ্রের হাতে না পড়লে ওই ছন্দটি আজ এত বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারত না। কিন্তু ছন্দটি জনপ্রিয় হয়ে সুফল প্রসব করেনি। কারণ পরে অনধিকারী নাট্যকারদের হাতে পড়ে ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দের শোচনীয় দুরবস্থা হয়েছে যে তা বর্ণনা করতে গেলে প্রকাণ্ড একটি প্রবন্ধ রচনা করতে হয়।

গিরিশচন্দ্রের ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দ দেখে দার্শনিক কবিবর দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর সম্পাদিত 'ভারতী' পত্রিকায় লিখেছিলেন: 'আমরা শ্রীযুক্ত গিরিশচন্দ্রের নূতন ধরনের অমিত্রাক্ষর ছন্দের বিশেষ পক্ষপাতী। ইহাই যথার্থ অমিত্রাক্ষর ছন্দ। ইহাতে ছন্দের পূর্ণ স্বাধীনতা ও ছন্দের মিষ্টতা উভয়ই রক্ষিত হইয়াছে। কি মিত্রাক্ষরে কি অমিত্রাক্ষরে অলঙ্কারশাস্ত্রোক্ত ছন্দ না থাকিয়া হৃদয়ের ছন্দ প্রচলিত হয়, ইহাই আমাদের একান্ত বাসনা ও ইহাই আমরা করিতে চেষ্টা করিয়া আসিতেছি। গিরিশ বাবু এ বিষয়ে আমাদের সাহায্য করাতে আমরা অতিশয় সুখী হইলাম।'

সাহিত্যাচার্য অক্ষয়চন্দ্র সরকারের মত: 'এত দিনে নাটকের ভাষা সৃজিত হইয়াছে।'

কবিবর নবীনচন্দ্র সেনও করেছিলেন সুখ্যাতিপূর্ণ এক দীর্ঘ সমালোচনা।

অনেকের হয়তো বিশ্বাস আছে যে, প্রত্যেক পঙক্তিতে চৌদ্দ অক্ষর বজায় রেখে অমিত্রাক্ষর ছন্দে নাটক রচনা সুকঠিন বলেই গিরিশচন্দ্র ভাঙা অমিত্রাক্ষর আশ্রয় নিয়েছিলেন। এঁদের মুখ বন্ধ করবার জন্যে আমি গিরিশচন্দ্রের এমন কয়েকখানি নাটকের নাম করতে পারি যেগুলির সর্বত্রই ব্যবহৃত হয়েছে চতুর্দশাক্ষর অমিত্রাক্ষর ছন্দই। এটা সর্বদাই মনে রাখা উচিত, গিরিশচন্দ্র কবি এবং নির্দোষ মিত্রাক্ষর ছন্দে বহু কবিতাও রচনা করেছেন। তিনি ভাঙা অমিত্রাক্ষরের আশ্রয় নিয়েছিলেন নিজের সুবিধার জন্যে নয়, অভিনয়ের সুবিধার জন্যেই। প্রথম চেষ্টাতেই ভাঙা অমিত্রাক্ষর ছন্দে তাঁর রচনা কতটা মধুর এবং অভিনয়ের উপযোগী হয়েছিল তা বোঝাবার জন্যে 'রাবণবধ' নাটকের এক টুকরো নমুনা এখানে তুলে দেওয়া হল।

সীতা বলছেন শ্রীরামচন্দ্রকে:

''কোন দোষে অপরাধী শ্রীচরণে?

কহ,.... কেন ত্যজ উপনিধি?

সতী নারী আমি,

কহি চন্দ্র-সূর্য্য সাক্ষী করি—

সাক্ষী মম দিবস-শর্বরী,

সাক্ষী রুক্ষ কেশ, মলিন বসন,

সাক্ষী শীর্ণ কায়।

সাক্ষী আপাদমস্তক বেত্রাঘাত,—

সাক্ষী বয়ানে রোদন-চিহ্ন।

সাক্ষী নয়নের নীর

ঝরিতেছে অবিরল,

সাক্ষী পবননন্দন হনু,

সাক্ষী বিভীষণ,—

সাক্ষী, নাথ, তোমার অন্তর।''

মনে রাখবেন, এ রচনার ভাষা হচ্ছে আজ থেকে পঁয়ষট্টি বৎসর আগেকার ভাষা। তখন বঙ্কিম-যুগ চলছে এবং মাইকেল মধুসূদনের মৃত্যু হয়েছে মাত্র আট-নয় বৎসর আগে।

মাসিক বসুমতী জুন ১৯৪৮

সকল অধ্যায়
১.
ভারতের দ্বিতীয় প্রভাতে
২.
ভগবানের চাবুক
৩.
মহাভারতের শেষ মহাবীর
৪.
হন্তারক নরদানব
৫.
রক্ত বাদল ঝরে
৬.
আলেকজান্ডার দি গ্রেট
৭.
দিগবিজয়ী নেপোলিয়ন
৮.
পঞ্চনদের তীরে
৯.
উপন্যাসের চেয়ে আশ্চর্য
১০.
সত্যিকার অ্যাডভেঞ্চার
১১.
সাত হাজারের আত্মদান
১২.
মরা মানিক আর জ্যান্ত মানিক
১৩.
ভারতের একমাত্র সুলতানা
১৪.
সূর্য দেবী, পর্মল দেবী
১৫.
মারাঠার লিওনিডাস
১৬.
মুসলমানের জহরব্রত
১৭.
মৃগনয়না মহিষমর্দিনী
১৮.
ব্যাঘ্রভূমির বঙ্গবীর
১৯.
অনামা বীরাঙ্গনা
২০.
ভারতের থার্মোপলি
২১.
সিরাজের বিজয় অভিযান
২২.
ছত্রপতির অ্যাডভেঞ্চার
২৩.
ইতিহাসের রক্তাক্ত দৃশ্য
২৪.
মহাভারতের মহারথ
২৫.
'বীরাঙ্গনা, পরাক্রমে ভীমা-সমা'
২৬.
রক্ত পাথারের সাঁতারু
২৭.
ছত্রপতির ছত্রভঙ্গ
২৮.
তিন সম্রাটের ত্র্যহস্পর্শ-যোগ
২৯.
আলেকজান্ডারের পলায়ন
৩০.
ওষ্ঠাধরে রাজদণ্ড
৩১.
ইতিহাস আশ্রিত রচনা
৩২.
এ যুগের সবচেয়ে বড়ো ডাকাত
৩৩.
আধুনিক রবিনহুড
৩৪.
ইয়াঙ্কি খোকা-গুণ্ডা
৩৫.
গুপ্ত কবির কদলী-কবিতা
৩৬.
ভাঙা অমিত্রাক্ষরের স্রষ্টা কে?
৩৭.
নূতন বাংলার প্রথম কবি
৩৮.
বুদ্ধদেব
৩৯.
বাংলাদেশে বোম্বেটেরাজ
৪০.
ঋষি টলষ্টয়
৪১.
দুই ঠাকুরের কাহিনি
৪২.
আশ্চর্য মূর্খ পণ্ডিত
৪৩.
অতুল্য শ্রুতিধর
৪৪.
বর্গি এল দেশে
৪৫.
প্রথম বাঙালি সম্রাট
৪৬.
জগন্নাথদেবের গুপ্তকথা
৪৭.
মরণ বিজয়ীর দল
৪৮.
সত্যিকার দানব-দানবী
৪৯.
প্যারিসের কুব্জ-রাজা
৫০.
ফরাসি বিপ্লবে বাঙালির ছেলে
৫১.
বিখ্যাত চোরের অ্যাডভেঞ্চার
৫২.
টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি
৫৩.
প্যারির বালক-বিভীষিকা
৫৪.
পৃথিবীর প্রথম গোয়েন্দা কাহিনি
৫৫.
শিবদাস ভাদুড়ি
৫৬.
সেকালের সপ্ত আশ্চর্য

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%