অমিত দেবনাথ
স্যার হাকাবাক হাস্কারভিলের অন্তর্ধান এবং তার পরপরই যে সব অদ্ভুত ঘটনাগুলো ঘটেছিল, সেগুলোর কোনওটাই পুরোপুরি জনসমক্ষে আসেনি। কাজেই হার্লক শোমসের সঙ্গী এবং জীবনীকার হিসেবে সে ঘটনাগুলো জনসমক্ষে তুলে ধরা আমার কর্তব্য বলেই আমি মনে করছি। বলাই বাহুল্য যে শোমসই এই রহস্যের সমাধান করেছিল, পুলিশ পাক্কা তিনটি সপ্তাহ ধরে মাথা ঘামিয়েও এর মাথামুন্ডু কিছু খুঁজে পায়নি। কাজেই এর পুরো কৃতিত্বই আমার আশ্চর্য বন্ধুর প্রাপ্য।
এই হাস্কারভিলেরা স্লপশায়ারের অন্যতম পুরোন বাসিন্দা। কাজেই এই পরিবারের কর্তা স্যার হাকাবাকের অন্তর্ধান রহস্য যে চারদিকে আলোড়ন ফেলবে, তাতে আর আশ্চর্য কী! চারদিকে এরকম ফিসফিস গুজগুজও শুরু হয়ে গেল যে এর পেছনে পারিবারিক গন্ডগোল আছে। আরও পরিস্কার করে বললে, সবাই বলতে শুরু করল লেডি হাস্কারভিলের সঙ্গে ঝগড়ার ফলেই নাকি এই কান্ডটা হয়েছে। ঝগড়াটা হয়েছিল নাকি ব্রেকফাস্ট টেবিলে, তারপরেই এই ব্য্যারোনেট মনের দুঃখে তাঁদের প্রাচীন প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে পড়েন এবং হাস্কারভিল পার্কের মাঝখানে যে গভীর গর্তটা আছে, সেখানে লাফিয়ে পরে জীবন বিসর্জন দেন; আর ও গর্ত এমনই গভীর যে সেখান থেকে তাঁর আর উঠে আসার আশা নেই।
হাস্কারভিল পার্কের এই মারাত্মক গহ্বর নিয়ে নানা রকম অদ্ভুত গল্প শোনা যায়। প্রচলিত আছে যে হাস্কারভিল বংশের কোনও এক পূর্বপুরুষ, যিনি যুদ্ধের সময় রাজা চার্লসের পক্ষে ছিলেন, তিনি পার্লামেন্টের সমস্ত সৈন্যদের নিয়ে বিরাট এক লাফ মেরে এই বিরাট গর্তটা পেরিয়ে যান এবং রক্ষা পান। তারপর থেকেই এই জায়গাটার নাম হয়ে যায় হাস্কারভিলের সীমানা বা “দি বাউন্ড অব দ্য হাস্কারভিলস”। এই কাহিনির সঙ্গে আরেকটা তথ্য জুড়ে দিলেও অত্যুক্তি হবে না যে যুদ্ধের আগে রাজসভায় এই পূর্বপুরুষটির লম্ফবিশারদ বলেও বেশ সুনাম ছিল।
যাই হোক, তাঁর বংশধর এই স্যার হাকাবাক যে এই গর্তে পড়েই প্রাণ হারিয়েছেন, এতে কোনও সন্দেহই নেই। তাঁর পায়ের ছাপ দেখতে পাওয়া গেছিল গর্তের গোড়া পর্যন্ত, কিন্তু ফিরে আসার কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাঁর পূর্বপুরুষ লাফ মারতে পারলেও তিনি এই গর্তে পড়েই অক্কা পেয়েছেন, এ রকম ভাবার যথেষ্ট কারণ আছে।
আর লেডি হাস্কারভিল! তাঁর কষ্ট আর চোখে দেখা যাচ্ছিল না। কয়েকদিন ধরে তিনি সিনেমা-থিয়েটারে পর্যন্ত যাননি মনের দুঃখে। কাজেই এক সকালে যখন আমি আর হার্লক শোমস আমাদের শেকার স্ট্রিটের বাসায় বসে ব্রেকফাস্ট করছি, তখন সেখানে লেডি হাস্কারভিল দেখা দেবেন, তাতে আর আশ্চর্য কী!
শোমসকে তখন একটু বিরক্তই লাগছিল, কারণ ও তখন দে পাস্তে হিরের অন্তর্ধান রহস্য নিয়ে খুবই ব্যস্ত ছিল, কাজেই অন্যদিকে মন দেওয়ার সময় ছিল না। কিন্তু লেডি হাস্কারভিলকে দেখেই দেখলাম ওর মুখ বেশ রসালো হয়ে উঠল। যতই লেডি হাস্কারভিল এখন সাজগোজের ব্যাপারে বন্ড স্ট্রিটের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে থাকুন, এককালে যে তিনি খুবই সুন্দরী ছিলেন, তা তো আর অস্বীকার করা যায় না।
“মিঃ শোমস,” বললেন তিনি কাতর কন্ঠে, “আপনিই আমার শেষ ভরসা! পুলিশ কিছুই করতে পারবে না। কিছু করুন, প্লিজ!”
শোমস হাসল। কাষ্ঠ হাসি।
“পুলিশ না পারলে লোকে আমার কাছেই আসে। নতুন কিছু নয়। কিন্তু ব্যাপার হল... লেডি হাস্কারভিল, আপনি বসুন আগে... আমি এখন নতুন কোনও কেস হাতে নিতে পারব না। অন্য একটা কেস নিয়ে আমি এখন খুবই ব্যস্ত।”
“দয়া করুন, মিঃ শোমস! অনেক আশা নিয়ে এসেছি। হতাশ করবেন না!”
আমি শোমসের দিকে তাকালাম, মুখের কোনও পরিবর্তন হয় কিনা দেখার জন্য। দেখলাম শোমস হাত তুলল।
“ঠিক আছে, ঠিক আছে,” বলল সে, “দেখি কী করা যায়। সব খুলে বলুন। আমার বন্ধু জটসনের সামনে আপনি সব কথাই খুলে বলতে পারেন।”
“স্যার হাস্কারভিল বেঁচে আছেন,আমি নিশ্চিত,” লেডি হাস্কারভিল কাঁদতে শুরু করেছেন, “কিন্তু তিনি আর ফিরবেন না। আমার জন্যই ফিরবেন না। আমারই দোষ। একবার যদি তিনি ফিরে আসতেন, আমি হাঁটু গেড়ে ক্ষমা চাইতাম। হেরিং মাছগুলো পুড়ে গেছিল।”
“হেরিং মাছ?” হার্লক শোমস অবাক হল।
“খুব ঝগড়া হয়েছিল সেদিন সকালে, মিঃ শোমস,” লেডি হাস্কারভিল বললেন চোখের জল ফেলতে ফেলতে, “ব্রেকফাস্টে স্যার হাকাবাকের প্রিয় খাবার হল হেরিং মাছের ঝোল। হেরিং মাছ আমার মোটেই পছন্দ না, আমি পছন্দ করি চিংড়ি মাছ। মিঃ শোমস, আমাদের মধ্যে ভালবাসার অভাব নেই, কিন্তু রোজই সকালে আমাদের এই নিয়ে ঝামেলা হবেই। সেদিনও সকালে আমাদের মধ্যে খুব ঝগড়া হয়েছিল, মিঃ শোমস... গরম গরম কথাবার্তা হয়েছিল। স্যার হাকাবাকের মতে মাছটা পুড়ে গেছিল। আমি বলেছিলাম একদম ঠিকঠাক হয়েছে। কিন্তু মিঃ শোমস, আমার বলতে লজ্জা হচ্ছে – আমি সেদিন মাছটা ঠিকঠাক রান্না করতেই পারিনি – পুড়িয়ে ফেলেছিলাম!” ফুঁপিয়ে উঠলেন লেডি হাস্কারভিল।
শোমসের মুখ এখন খুবই গম্ভীর।
“তারপর?” ঠান্ডা গলায় প্রশ্ন করল সে।
“তারপর মিঃ শোমস, স্যার হাকাবাক প্রচন্ড রেগে গেলেন এবং বললেন যদি তাঁকে পোড়া মাছ খেতে হয়, তাহলে তাঁর আর এই হাস্কারভিল পার্কে না থাকাই ভাল। আমিও তখন এত রেগে গেছিলাম যে আমি আর নিজের মধ্যে ছিলাম না। আমিও শুনিয়ে দিলাম, মাছ নিয়ে যদি তাঁর এইরকম মতামত চলতেই থাকে, তাহলে আমিও আর তাঁকে দেখতে চাই না। শুনে তিনি আমার দিকে কড়া চোখে তাকিয়ে – বেরিয়ে গেলেন। আমার তাঁকে ডাকতে একটু দেরি হয়ে গেছিল, তিনি শুনতে পাননি, না হলে তিনি যেতে পারতেন না। আমি ভাবলাম, গেছেন গেছেন, একটু বাদেই ফিরে আসবেন। রুচির তফাৎ হতেই পারে, কিন্তু আমি তাঁকে খুবই ভালবাসি। কিন্তু তিনি এলেন না। কত খোঁজা হল, পুলিশ এল। তারপর দেখা গেল তাঁর বুটের ছাপ সেই গর্ত অবধি চলে গেছে, পার্কের যে জায়গাটাকে হাস্কারভিলের সীমানা বলে। সেখানে গিয়েই জুতোর দাগ শেষ হয়েছে, তাঁকেও আর দেখা যায়নি।”
লেডি হাস্কারভিল ফোঁপাচ্ছিলেন সমানে। আমার চোখ দুটোও ভিজে ভিজে লাগছিল এরকম একজন সুন্দরী মহিলার দুঃখের কথা ভেবে। একমাত্র শোমসই দেখলাম অস্বাভাবিক রকমের নির্বিকার।
লেডি হাস্কারভিল এখন আবেগটা অনেকখানি সামলে নিয়েছেন। তিনি বললেন, “কিন্তু তিনি মারা গেছেন বলে আমি বিশ্বাস করি না। তিনি আমার সঙ্গে থাকবেন না বলে গা ঢাকা দিয়ে আছেন। আমার ওভাবে কথা বলা ঠিক হয়নি, ওগুলো তাঁর খুবই গায়ে লেগেছে। আর আমি এটাও জানি, তিনি হেরিং মাছ খাওয়া কখনোই ছাড়বেন না। আমার বিশ্বাস, তিনি নিশ্চিন্তে রোজ সকালে হেরিং মাছের ঝোল খাবেন বলেই কোনও গোপন জায়গায় লুকিয়ে আছেন। তাঁকে খুঁজে বার করে দিন মিঃ শোমস, না হলে আমি বাঁচব না। এর একটা বিহিত হওয়া দরকার।”
“আচ্ছা, গর্ত অবধি যে জুতোর দাগ, সেটা স্যার হাস্কারভিলেরই তো?” জিজ্ঞেস করল শোমস।
“কোনও সন্দেহই নেই। তাঁর জুতোর ছাপ সবাই চেনে। এগারো নম্বর জুতো।”
হার্লক শোমস তার চিবুকটা চুলকে নিল একবার। কিছু একটা ভাবল। তারপর উঠে দাঁড়াল।
“আপনার গাড়ি বাইরে আছে, লেডি হাস্কারভিল?”
“হ্যাঁ, মিঃ শোমস। আপনি কি যাবেন আমার সঙ্গে?” লেডি হাস্কারভিল জিজ্ঞেস করলেন আগ্রহ নিয়ে।
“আমি নই, আমরা,” সংশোধন করল হার্লক শোমস, “আমার সঙ্গে আমার বন্ধু জটসনও যাবে। একদিনের জন্য রোগীদের ছেড়ে যেতে ওর বোধহয় খুব অসুবিধে হবে না।”
“কোনও অসুবিধেই হবে না,” আমি চেঁচিয়ে উঠলাম।
দশ সেকেন্ডের মধ্যেই আমরা চড়ে বসলাম গাড়িতে, দুর্দান্ত গতিতে গাড়ি ছুটে চলল স্লপশায়ারের কেন্দ্রস্থলের সেই প্রাচীন হাস্কারভিল প্রাসাদের দিকে।
“এই তাহলে সেই বিখ্যাত হাস্কারভিলের সীমানা?” বলল হার্লক শোমস।
আমরা চলে এসেছি হাস্কারভিল পার্কে, এবং আসা মাত্রই আমরা চলে এসেছি সেই জায়গায়, যেখানে ব্যারোনেটের তথাকথিত আত্মহত্যাটি ঘটেছে। ঘাসের চাপড়াগুলোতে পায়ের দাগ তখনও একইরকম ছিল, সেই দাগ ধরে ধরেই আমরা চলে এসেছিলাম সেই গহ্বরের দিকে।
শোমস জায়গাটাকে মন দিয়ে দেখছিল, মুখে চিন্তার ছাপ। ওর দুর্দান্ত মস্তিস্ক কী নিয়ে ভাবছে, আমি তাই ভাবছিলাম। একটুক্ষণের জন্য ও প্রাসাদে ঢুকেছিল টেলিফোন করার জন্য। কাকে টেলিফোন করল, আমি জানি না। এখন আমরা সেই “দুর্ঘটনাস্থল”-এ দাঁড়িয়ে আছি। স্যার হাকাবাক এই জায়গা থেকেই উধাও হয়েছেন তিন সপ্তাহ হয়ে গেল। তাহলে শোমস এখন এখানে কী পাওয়ার আশা করছে?
তারপর তার মুখে একটা হাসি দেখলাম। সে হাসির তুলনা নেই।
“একটু ঘুরতে যাবে নাকি, জটসন?” সে বলল।
“যা বলবে, শোমস।”
“চল তাহলে, যাওয়া যাক।”
আমরা সেই বিশাল গর্তের ধার দিয়ে হাঁটা শুরু করলাম। প্রায় সিকি মাইল হেঁটে আমরা অন্য প্রান্তে এসে পৌঁছলাম, তারপর তার ধার দিয়ে ঘুরে উলটোদিকে গিয়ে দাঁড়ালাম। সামনে দেখা যাচ্ছিল চমৎকার গ্রামের দৃশ্য। শোমস পকেট থেকে একটা জোরালো দূরবীন বার করে চোখে লাগিয়ে দেখতে শুরু করল। খানিকটা দূরে অনেক গাছগাছালি। সেখানকার একটা কুটির থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছিল গাছগাছালির মাথার ওপর দিয়ে।
শোমস সেই দিকেই হাঁটতে শুরু করল, আমি তার পেছন পেছন, একটু অবাক হয়েই, বলতে কী। কুটিরের কাছাকাছি পৌঁছতেই বোঝা গেল ভেতরে জোর খাওয়াদাওয়া চলছে, কারণ খোলা জানলা দিয়ে খাসা মাছভাজার গন্ধ
ভেসে আসছিল।
শোমস দরজায় টোকা মারল।
দরজা খুলল একজন মানুষ, নোংরা জামাকাপড় পরা, পায়ে বিশাল সাইজের ভারি বুটজুতো। লোকটা অবাক হয়ে তাকাল শোমসের দিকে।
“কী চাই?” কর্কশ গলা লোকটার।
শোমস হাসল।
“আপনিই তো স্যার হাকাবাক হাস্কারভিল?” তার গলা অত্যন্ত নরম।
লোকটা ছিটকে পিছিয়ে গেল। একটা বিস্ময়সূচক শব্দ বেরিয়ে এল আমার মুখ দিয়ে। “শোমস, কী আশ্চর্য!”
“না না,” বলে উঠল লোকটা। “উনি তো মারা গেছেন।”
“স্যার হাকাবাক,” শোমস বলল শান্ত গলায়, “আর লুকিয়ে লাভ নেই। কিন্তু স্যার, আমি আপনার বন্ধু হিসেবেই এসেছি, আমাকে অন্যভাবে নেবেন না। আপনার স্ত্রী খুবই মনকষ্টে আছেন। আর আমি আপনাকে কথা দিচ্ছি, ভবিষ্যতে আপনার মাছ ভাজা খাওয়া নিয়ে তিনি একটি কথাও বললেন না। স্যার হাকাবাক, আমার কথাটা একবার শুনুন। লেডি হাস্কারভিলের মুখ চেয়ে বাড়ি চলুন।”
স্যার হাস্কারভিল ইতস্তত করলেন।
“চলুন, চলুন,” হেসেই বলল শোমস। তারপর খানিকটা দোনোমোনো করে ব্যারোনেট বেরিয়ে এলেন কুটির থেকে।
লন্ডনের দিকে দুর্দান্ত গতিতে ছুটে চলেছিল আমাদের এক্সপ্রেস ট্রেন। “শোমস, আমি অভিভূত,” আমি বললাম, “এর আগে তুমি বহুবার আমাকে অবাক করে দিয়েছ। কিন্তু এবারে...”
শোমস হেসে একটা সিগারেট ধরাল।
“জটসন,” বলল সে, “ব্যাপারটা কিন্তু খুবই সহজ।”
“কিন্তু পুলিশ...”
শোমস কাঁধ ঝাঁকাল।
“আরে, পুলিশ তো সেই পুরোন হাস্কারভিলের গহ্বরের গল্পটাই ধরে বসেছিল,” বলল সে, “কিন্তু তারা আজেবাজে সূত্রগুলো বাদ দিতে শেখেনি। ব্যারোনেট ঠিক করলেন উধাও হবেন। কাজেই এগারো নম্বর জুতোর ছাপ চলে গেল গহ্বরের একদম ধার পর্যন্ত। আর হাস্কারভিল বংশের ব্যাপারে একটা কথা প্রচলিত আছে যে এঁদেরই কোনও এক পূর্বপুরুষ এক লাফে গহ্বরটা পেরিয়েছিলেন। কাজেই সবাই ভাবল এই ব্যারোনেটও এক লাফেই এটাও পেরোতে গেছিলেন এবং তার ফলে সোজা গর্তের মধ্যে পপাত চ, মমার চ। কাজেই আমি এটা নিয়ে ভেবেছিলাম,জটসন, এবং এটাও বুঝতে পেরেছিলাম, উনি এই সংস্কারটা কাজে লাগিয়েই দুরন্ত এক লাফে গর্তটা পেরিয়ে অন্য কোথাও ঘাঁটি গেড়েছিলেন।”
“দারুণ!” শোমস হাসল।
“আমার আরও জানার দরকার ছিল, স্যার হাকাবাক তাঁর পূর্বপুরুষের মতোই এই লম্ফনের ব্যাপারটা কোথাও দেখিয়েছিলেন কিনা। সে জন্যই আমি অক্সফোর্ড কলেজে ফোন করি। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই জেনে যাই যে সেখানে পড়ার সময় লং-জাম্পে তিনিই ছিলেন সবার সেরা। কোকেন আছে, জটসন? ধন্যবাদ।”
তারপর শেকার স্ট্রিটে পৌঁছন অবধি শোমস বসে রইল শিবনেত্র হয়ে।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন