১.০৮ উজির, সুলতান য়ুনান হেকিম রায়ানের কিসসা

ক্ষিতিশ সরকার

উজির, সুলতান য়ুনান হেকিম রায়ানের কিসসা

—ধীবর বলতে শুরু করে। তবে শোনো : পুরাকালে রুম দেশে ফার শহরে এক প্রবল প্রতাপ

ধনদৌলত ছিলো তার। কিন্তু মনে কোন শান্তি ছিলো না। সারা দেহে দুরারোগ্য কুণ্ঠব্যাধি। কত না ডাক্তার কবরেজ দেখিয়েছে। কিন্তু কেউ সারাতে পারে নি। কত শত জডিবাডি খেয়েছে। কত রকমের মলম মালিশ লাগিয়েছে। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়নি।

একদিন এক বৃদ্ধ হেকিম এলো বাদশাহর কাছে। শুধু বয়সে না, জ্ঞানেগুণেও সে বৃদ্ধ। তার নাম রায়ান। নানা ভাষায়, নানা বিদ্যায় তার তুল্য পণ্ডিত সে তল্লাটে কেউ ছিলো। কিনা সন্দেহ! গ্ৰীক, পার্শি, ল্যাটিন, আরবি-নানা ভাষার কিতাব পড়তে পারতো সে। নানা দেশের নানা বিদ্যা রপ্ত করেছিলো। গাছ-গাছড়ার গুণাগুণ বেশ ভালো ভাবে শিখেছিলো।

সুলতান য়ুনানের দরবারে এসে সালাম জানালো রায়ান-আমি আপনার ব্যাধির খবর পেয়ে এসেছি। শুনেছি, আপনার ব্যাধি নাকি দুরারোগ্য। কোন ওষুধেই নাকি তা সারানো যায় না। কিন্তু আমি আপনাকে সারিয়ে তুলবো। শুধু এই জন্যেই এ শহরে আমি এসেছি। আপনি সারা দেশের সুলতান। আমি এক নগণ্য হেকিম। আমাকে আপনি জানেন না, চেনেন না। আমার দেওয়া দাওয়াই আপনি খাবেন কেন? আমি দেবোও না। না, খাওয়ার বা লাগাবার কোন ওষুধ দেবো না আপনাকে।

তবে, সুলতান কৌতুহলী হয়, কী করে সারাবে শুনি? যাই হোক, যদি সারাতে পারো আমার এই দুরারোগ্য ব্যাধি, তাহলে যা চাও—অঢেল ধনদৌলত পাবে। শুধু তুমি না, তোমার ছেলেমেয়ে, নাতিনাতনি-বংশানুক্রমে মাসোহারা পাবে আমার কাছ থেকে। তোমাকে আমার সভার প্রধান পারিষদ করে রাখবো। তুমি হবে আমার আপনজন। বন্ধু।

এই বলে বাদশাহ য়ুনান সূক্ষ্ম কারুকার্য করা, মূল্যবান একখানা শাল উপহার দিলো রায়ানকে। তোমার যেমন ইচ্ছে সেইভাবে আমার চিকিৎসা করতে পারো, কোন আপত্তি নাই। আমার শুধু একমাত্র আশা, তুমি আমার রোগ সরিয়ে দেবে।

রায়ান ভরসা দিলো, আপনি নিশ্চিত থাকুন, হুজুর। আমি আপনাকে সম্পূর্ণ সারিয়ে তুলবো।

অনেকদিন বাদে সুলতানের মুখে হাসি দেখা গেলো, তাহলে আর দেরি করে কী লাভ? কাল থেকেই শুরু করো, বন্ধু!

রায়ান মাথা নুইয়ে সম্মতি জানালো, তাই হবে জাঁহাপনা।

প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে নিজের বাসায় ফিরে এলো রায়ান। ভাড়া করা একটা ঘর। শহরে এসেই এই ঘরটা ভাড়া করেছে। তার যতো সব গাছ-গাছড়া, জড়িবড়ি আর মোটা মোটা বইপত্তরে ঘরটিা ভরে গেছে।

প্রথমে একটা ওষুধ বানালো রায়ান। তারপর একটা ফাঁপা বাঁশের লাঠির মধ্যে পুরলো সেই গাছ-গাছড়ায় তৈরি খানিকটা ওষুধ। লাঠিটার মাথায় হাতল লাগিয়ে দিলো। এবার তৈরি করলো একটা পোলো বল। ভেতরে পুরে দিলো খানিকটা ওষুধ।

পরদিন সকালে সেই ছডি আর বল নিয়ে প্রাসাদে এলো রায়ান। আভুমি আনত হয়ে সুলতানকে কুর্নিশ করলো। তারপর বললো, আজ থেকে আপনাকে ঘোড়ায় চেপে পোলো খেলতে হবে। এই নিন। আপনার ছডি আর বল। ঘোড়ায় চেপে ছডিটা মুঠো করে ধরে পোলো খেলতে থাকবেন। যতক্ষণ না সারা শরীরে দর দর করে ঘাম ঝরে ততক্ষণ খেলবেন। তারপর প্রাসাদে গিয়ে বেশ ভালো করে গোসল করবেন। আর কিছু করতে হবে না। আপনাকে। এই আপনার চিকিৎসা। এতেই আপনি সেরে উঠবেন।

রায়ানের কথা মতো বাদশাহ য়ুনান তার আমির-অমাত্য-ওমরাহ-উজির-নাজির সমভিব্যাহারে ময়দানের দিকে রওনা হলো। সঙ্গে ধন্বন্তরী রায়ান।

ময়দানে পৌঁছে কী করে ছডিটা ধরতে হবে-নিজের হাতে ধরে শিখিয়ে দিলো রায়ান। ঘোড়ার পিঠে চেপে শক্ত মুঠিতে ছডিটা ধরে পোলো খেলতে লাগলো সুলতান। এক সময় ঘেমে নেয়ে গেলো সারা শরীর।

রায়ান থামিয়ে দিলো। আজ এখানেই থামান। এবার প্রাসাদে ফিরে গিয়ে হামামে ঢুকে পড়ুন।

সেদিন রাত্রে সুলতানের সুখ নিদ্রা হলো। সকালে উঠে। মনে হলো, দেহের জড়তা যেন অনেকটা কেটে গেছে। খুশি খুশি মেজাজ। ফুর্তি ফুর্তি ভাব।

রায়ান আসতেই সাদরে ডেকে কাছে বসালো। বললো, অনেকটা আরাম বোধ করছি। সেদিনও তাকে এক মূল্যবান পোশাক উপহার দিলো সুলতান। তারপর সদলবলে রওনা হয়ে গেলো ময়দানের দিকে।

এইভাবে আরও কয়েকটা দিন কাটলো। বাদশাহ দেখলো, তার দেহ থেকে কুষ্ঠের ক্ষতিগুলো আস্তে আস্তে মিলিয়ে যাচ্ছে। দারুণ আনন্দ হলো মনে।

রায়ান প্রতিদিনই দরবারে আসে। বাদশাহর সঙ্গে দেখা করে। খুশি হয়ে রোজই মূল্যবান সামগ্ৰী উপহার দেয় বাদশাহ।

একদিন লক্ষ্য করলো বাদশাহ, তার শরীরে আর কোন কুণ্ঠব্যাধি নাই। রায়ানকে ডেকে অনেক ধনদৌলত, মূল্যবান পোশাক-আশাক-অনেক কিছু দান করে দিলো। তার মনে আজ আনন্দের সীমা নাই।

তার এই দান-ধ্যান উজিারের সহ্য হলো না! হিংসায় কাতর সে। সুলতানের বিশ্বস্ত অমাত্য। প্রয়োজন হলে নিজের জানকেও কবুল করতে পারে সুলতানের জন্যে। সে কথা জানেনও তিনি। অথচ তার ওপর কোন নজর নাই বাদশাহর। কোথাকার কে এক গুপ্তচর্য! তাকে নিয়ে এতো

পরদিন সকালে খুস মেজাজে দরবারে এসে বসলো বাদশাহ। তার দুই পাশে আমি-অমাত্য-উজির-সবাই নত মস্তকে দণ্ডায়মান। একটু পরে রায়ান এলো। বাদশাহ শশব্যস্ত হয়ে উঠে এলো সিংহাসন ছেড়ে। বুকে জড়িয়ে ধরে নিয়ে গিয়ে বসালো তার পাশের আসনে। সে আসনে সমমর্যাদার কোন সুলতান ছাড়া বসতে পায় না।

বাদশাহর এবংবিধ আচারে ক্ষুব্ধ হলো অনেকেই। চাপা গুঞ্জন উঠলো দরবারে। কিন্তু মুখ ফুটে বলতে সাহস নেই কারও।

সেই হিংসা-কাতর উজির ফুসতে লাগলো। ভেতরটা জুলে পুড়ে খাক হয়ে যেতে থাকলো। সব মানুষই কাউকে না কাউকে হিংসা করে। কেউ প্রকাশ্যে কেউ মনে মনে। যারা দৃঢ়চেতা তারা প্রকাশ্যে করে। আর যারা হীনমন্য তারা করে মনে মনে।

সেই উজির বাদশাহর সামনে এগিয়ে এসে কুর্নিশ করে বললো, জাঁহাপনার শতায় কামনা করি, বাদশাহ চিরজীবী হোন, প্রার্থনা করি। এই অধমের একটা ছোট্ট আর্জি আছে আপনার দরবারে। কথাটা বলবো বলবো করেও বলতে পারি না। কিন্তু আমি আপনার একান্ত অনুগত, বিশ্বস্ত নোকর। না বলাও গুনাহ৷

উজিরের এই ভণিতায় বিরক্ত হয়ে বাদশাহ কিছু রুষ্টভাবেই বললো, সোজাসুজি খুলে বলে।

কী বলতে চাও?

–আমার গোস্তাকি মাফ করবেন জাঁহাপনা, যে লোক দানের যোগ্য নয় তাকে দান মানে অপাত্রে দান। যে গ্রহীতা শ্রদ্ধা না করে দান গ্রহণ করে সে পরম শত্ৰু।

–হেয়ালী রাখো, বাদশাহ গর্জে ওঠে, কে সেই লোক, নাম বলো।

উজির তখন আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বলে, এই হেকিম রায়ান। তার যা প্রাপ্য নয়। তাই তাকে আপনি দিচ্ছেন। আর সে অকৃতজ্ঞভাবে আত্মসাৎ করছে। ও আপনার পরম শত্রু। এইভাবে দিতে থাকলে আপনার আস্ত খাজাঞ্চিখানাই ও গিলে ফেলবে।

–থামো। ধমক দিয়ে থামিয়ে দেয় উজিরকে। কার সম্বন্ধে কী ভাবে কথা বলতে হয় তাও ভুলে গেছে দেখছি। তামাম দুনিয়ায় যদি একজনও পরম প্রিয় আপনজন থাকে আমার তা সে এই রায়ান। সে আমাকে নতুন জীবন দিয়েছে। আমার দুরারোগ্য কুণ্ঠ ব্যাধি সারিয়েছে। তার বদলে কতটুকু দিয়েছি তাকে! আমার সাল-তানিয়ৎটাই যদি তাকে দিয়ে দিই তাও এমন কিছু বেশি দেওয়া হয় না। তার পাওনা শোধ করা যায় না। তার ঋণ পরিশোধ হয় না। না না, এসব কথা তোমার মুখে সাজে না উজির। তুমি হিংসায় জুলছে। তোমার দিল সাফা করো। বাদশাহ সিনবাদকে নিয়ে ঠিক এই ধরনের একটা কাহিনী শুনেছিলাম—কোন এক পারিষদের কাছে।

এই সময় সুলতানের অনুমতি নিয়ে দরবার ছেড়ে চলে গেলো রায়ান।

শাহরাজাদ দেখলো প্রভাত সমাগত। এবার সে থামালো। দুনিয়াজাদ খুশিতে গদগদ হয়ে বলে, বাঃ মিষ্টি, কী সুন্দর তোমার গল্প দিদি।

শাহরাজাদ বলে। এর চেয়েও ভালো কাহিনী শোনাতে পারি বোন, যদি বেঁচে থাকি। শারিয়ার ভাবে, বাকী গল্পগুলো শোনার জন্যে আরও কিছুদিন ওকে বাঁচিয়ে রাখতেই হবে।

পরদিন পঞ্চম রজনীতে শাহেনশাহ শারিয়ারের অনুমতি নিয়ে আবার গল্প শুরু করে শাহরাজাদ। শুনুন শাহজাদা, সেই বাদশাহ য়ুনান তার উজিরকে ভর্ৎসনা করতে লাগলো, তোমার দিল সাফা করো উজির। তুমি হিংসায় জুলছো। তোমরা হয়তো চাও, রায়ানকে আমি হত্যা করি। এবং বাদশাহ সিনবাদ যেমন তার প্রাণ-প্রিয় বাজপাখীটাকে হত্যা করে অনুতাপের অনলে দগ্ধ হয়েছিলো, তেমনি আমিও দগ্ধ হতে থাকি।

উজির জানতে চাইলো, সিন্‌বাদের সেই কাহিনী আমি শুনিনি জাঁহাপনা। যদি মেহেরবানী করে শোনান, বুঝতে পারি।

সকল অধ্যায়
১.
১.০১ বাদশাহ শারিয়ার ও তার ভাই বাদশাহ শাহজামানের কাহিনী
২.
১.০২ গাধা, বলদ আর গৃহস্বামীর উপাখ্যান
৩.
১.০৩ সওদাগর আর আফ্রিদি দৈত্য
৪.
১.০৪ প্রথম শেখের কাহিনী
৫.
১.০৫ দ্বিতীয় শেখের কাহিনী
৬.
১.০৬ তৃতীয় শেখের কাহিনী
৭.
১.০৭ ধীবর আর আফ্রিদি দৈত্যের কাহিনী
৮.
১.০৮ উজির, সুলতান য়ুনান হেকিম রায়ানের কিসসা
৯.
১.০৯ সিনবাদ আর বাজপাখি
১০.
১.১০ শাহজাদা আর রাক্ষসী
১১.
১.১১ শাহজাদা আর রঙিন মাছ
১২.
১.১২ কুলি-ছেলে আর তিন কন্যা
১৩.
১.১৩ প্রথম কালান্দার ফকিরের কাহিনী
১৪.
১.১৪ দ্বিতীয় কালান্দর ফকিরের কাহিনী
১৫.
১.১৫ তৃতীয় কালান্দর ফকিরের কাহিনী 
১৬.
১.১৬ বড় বোন জুবেদার কাহিনী
১৭.
১.১৭ মেজো বোন আমিনার কাহিনী
১৮.
১.১৮ একটি স্ত্রীলোকের খণ্ডিত দেহ, তিনটি আপেল ও নিগ্রো রাইহান
১৯.
১.১৯ উজির সামস অল-দিন তার ভাই নূর অল-দিন ও হাসান বদর অল-দিন
২০.
১.২০ দর্জি, কুঁজো, ইহুদি হেকিম, বাবুর্চি, খ্রীস্টান দালাল
২১.
১.২১ খ্ৰীষ্টান দালালের কাহিনী
২২.
১.২২ বাবুর্চির কাহিনী
২৩.
১.২৩ ইহুদী হেকিমের কাহিনী
২৪.
১.২৪ দর্জির কাহিনী
২৫.
১.২৫ নাপিতের কাহিনী
২৬.
১.২৬ মধুমিতা আর আলী নূর-এর কাহিনী
২৭.
১.২৭ ঘানিম আইয়ুব আর কুৎ-অল-এর কাহিনী
২৮.
১.২৮ উমর অল-নুমান, তার পুত্র সারকান ও দু-অল মাকানের কাহিনী
২৯.
১.২৯ আজিজ আর আজিজার কাহিনী
৩০.
১.৩০ শাহজাদা তাজ অল-মূলক ও শাহজাদী দুনিয়া
৩১.
১.৩১ দু-অল মাকানের পুত্র কান মা-কানা
৩২.
১.৩২ চরস খোরের কাহিনী
৩৩.
১.৩৩ রাজহাঁস ও ময়ূর-ময়ূরী
৩৪.
১.৩৪ মেষপালক রাখাল আর একটি মেয়ে
৩৫.
১.৩৫ কচ্ছপ ও বকের কাহিনী
৩৬.
১.৩৬ নেকড়ে আর খেঁকশিয়ালের কাহিনী
৩৭.
১.৩৭ ইঁদুর আর নেউলের গল্প
৩৮.
১.৩৮ কাক ও কাঠবেড়ালীর কাহিনী
৩৯.
১.৩৯ আলী-ইবন বকর ও সুন্দরী সামস আল-নাহারের কাহিনী
৪০.
১.৪০ শাহজাদা কামার আল-জামান আর শাহজাদী বদর-এর প্রণয় কাহিনী
৪১.
১.৪১ খুশ বাহার ও খুশ নাহারের কাহিনী
৪২.
১.৪২ আলা অল-দিন আবু সামাতের কাহিনী
৪৩.
১.৪৩ বিদূষী হাফিজার কাহিনী
৪৪.
১.৪৪ কবি আবু নবাসের দুঃসাহসিক কীর্তি
৪৫.
২.০১ সিন্দাবাদের প্রথম সমুদ্র-যাত্রা
৪৬.
২.০২ সিন্দাবাদের দ্বিতীয় সমুদ্র-যাত্রা
৪৭.
২.০৩ সিন্দাবাদের তৃতীয় সমুদ্র-যাত্রা
৪৮.
২.০৪ সিন্দাবাদের চতুর্থ সমুদ্র-যাত্রা
৪৯.
২.০৬ সিন্দাবাদের ষষ্ঠ সমুদ্র-যাত্রা
৫০.
২.০৭ সিন্দাবাদের সপ্তম ও শেষ সমুদ্রযাত্রা
৫১.
২.০৮ সুন্দরী জুমুর‍্যুদ এবং আলী শার-এর কাহিনী
৫২.
২.০৯ নানা রঙের ছয় কন্যার কাহিনী
৫৩.
২.১০ তাম্র নগরীর কাহিনী
৫৪.
২.১১ ইবন আল-মনসুর এবং দুই নারীর কাহিনী
৫৫.
২.১২ কসাই ওয়াঁর্দার ও উজির-কন্যার কাহিনী
৫৬.
২.১৩ জামালিকার কাহিনী
৫৭.
২.১৪ বুলুকিয়ার কাহিনী
৫৮.
২.১৫ খুবসুরৎ নওজোয়ান সাদ-এর কাহিনী
৫৯.
২.১৬ হাসি-তামাশায় হারুন অল-রসিদ
৬০.
২.১৭ ছাত্র ও শিক্ষকের কাহিনী
৬১.
২.১৮ অদ্ভুত বটুয়ার কাহিনী
৬২.
২.১৯ হারুন অল রসিদের মহব্বতের কাহিনী
৬৩.
২.২০ কে ভালো—উঠতি বয়সের ছোকরা, না—মাঝ-বয়সী মরদ
৬৪.
২.২১ শসা-শাহজাদা
৬৫.
২.২২ পালিত কেশ
৬৬.
২.২৩ সমস্যা-সমাধান
৬৭.
২.২৪ আবু নবাস আর জুবেদার গোসলের কাহিনী
৬৮.
২.২৫ আবু নবাসের কবির লড়াই
৬৯.
২.২৬ গাধার গল্প
৭০.
২.২৭ আইনের প্যাঁচে জুবেদা
৭১.
২.২৮ স্ত্রী না পুরুষ
৭২.
২.২৯ বখরা
৭৩.
২.৩০ মাদ্রাসার মৌলভীর কিসসা
৭৪.
২.৩১ মেয়েদের সেমিজের কারুকর্মের কথা
৭৫.
২.৩২ পেয়ালার বাণী
৭৬.
২.৩৩ মসুলের বিখ্যাত কালোয়াতী গায়ক ইশাকের কাহিনী – বাক্সের মধ্যে খলিফা
৭৭.
২.৩৪ মুদ্যোফরাশ
৭৮.
২.৩৫ সুর্মার কাহিনী
৭৯.
২.৩৬ ছেলে অথবা মেয়ে
৮০.
২.৩৭ আজব খলিফা
৮১.
২.৩৮ গুলাবী এবং রোশন এর কাহিনী
৮২.
২.৩৯ কালো ঘোড়ার আশ্চর্য যাদু কাহিনী
৮৩.
২.০৫ সিন্দাবাদের পঞ্চম সমুদ্র-যাত্রা
৮৪.
৩.০১.১ ধূর্ত ডিলাইলাহ ও তার জালিয়াৎ কন্যা জাইনাবের কাহিনী
৮৫.
৩.০১.২ সওদাগর সিদি মুসিন আর খাতুনের কথা
৮৬.
৩.০১.৩ সেয়ানা চোর আলীচাঁদ-এর কিসসা
৮৭.
৩.০২ ধীবর যুদর অথবা আশ্চর্য যাদু-থলের কাহিনী
৮৮.
৩.০৩ আবু কাইর আর আবু শাইর-এর মজাদার কাহিনী
৮৯.
৩.০৪ দুই আবদাল্লার উপকথা
৯০.
৩.০৫ পীতাম্বর যুবকের কাহিনী
৯১.
৩.০৬ আনারকলি এবং বদর বাসিমের কিসসা
৯২.
৩.০৭ মিশরের ফাল্লাহ ও তার ফর্সা ছেলেমেয়েরা
৯৩.
৩.০৮ খলিফা ও জেলের কাহিনী
৯৪.
৩.০৯ বসরাহর হাসানের দুঃসাহসিক অভিযান
৯৫.
৩.১০ স্ত্রীলোকের চাতুরী
৯৬.
৩.১১ আবু অল হাসানের কাহিনী
৯৭.
৩.১২ জাইন মাওয়াসিফের মহম্মতের কিসসা
৯৮.
৩.১৩ কুঁড়ের বাদশার কাহিনী
৯৯.
৩.১৪ নওজোয়ান নূর এবং এক লড়াকু মেয়ের কিসসা
১০০.
৩.১৫ সপ্তম হীরক কন্যার কাহিনী
১০১.
৩.১৬.১ আলা অল-দিন ও আশ্চর্য চিরাগ বাতি
১০২.
৩.১৬.২ আলাদিনের চেরাগ (পার্ট ২)
১০৩.
৩.১৬.৩ আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ (পার্ট ৩)
১০৪.
৩.১৬.৪ আলাদিনের দৈত্য (পার্ট ৪)
১০৫.
৩.১৬.৫ আলাদিনের জাদুর চেরাগ (পার্ট ৫ / শেষ পর্ব)
১০৬.
৪.০১ হিতোপদেশের গল্প
১০৭.
৪.০১ হিতোপদেশের গল্প
১০৮.
৪.০২ গোলাপ-সুন্দরী ফারিজাদের কাহিনী
১০৯.
৪.০৩ কামর ও হালিমার কাহিনী
১১০.
৪.০৪ হারাম-আকিলের কাহিনী
১১১.
৪.০৫ সুলতান মহম্মদের ন্যায় বিচার
১১২.
৪.০৬ শেখ হাসান আবদাল্লার কাহিনী
১১৩.
৪.০৭ আবু কাশেমের অঙ্গবাস
১১৪.
৪.০৮ চরসের নেশায়
১১৫.
৪.০৯ ভ্রষ্টা নারী এবং তার নওজোয়ান নাগর
১১৬.
৪.১০ বৃদ্ধ কাজীর তরুণী বিবি
১১৭.
৪.১১ সুন্দরীর নূরের পাণিপ্রার্থীরা
১১৮.
৪.১২ মুতাবাকিল আল্লাহর বিত্ত বৈভব
১১৯.
৪.১৩ সুলতান মামুদের কাহিনী
১২০.
৪.১৪ বসরাহর আবু কাশেম
১২১.
৪.১৫ তিন কুলজী বিদ্যা-বিশারদের কাহিনী
১২২.
৪.১৬ সুলতান মাহমুদের বাঁদর
১২৩.
৪.১৭ তিন পাগলের কাহিনী
১২৪.
৪.১৮ আলিবাবা ও চল্লিশ চোর
১২৫.
৪.১৯ বাগদাদের বড় সেতুর উপরে অল-রসিদ
১২৬.
৪.২০ সিদি নুমানের কাহিনী
১২৭.
৪.২১ কাঠুরিয়া যুবরাজ
১২৮.
৪.২২ বৃদ্ধ শেখের কাহিনী
১২৯.
৪.২৩ খঞ্জ মাদ্রাসা শিক্ষকের কাহিনী
১৩০.
৪.২৪ অন্ধ ভিক্ষারীর কাহিনী
১৩১.
৪.২৫ গবেটচন্দরের কাহিনী
১৩২.
৪.২৬ তিন বোনের কাহিনী
১৩৩.
৪.২৭ তিন কন্যার কাহিনী
১৩৪.
৪.২৮ ফেরিওয়ালার তিন কন্যা
১৩৫.
৪.২৯ দামাসকাসের রূপবান সওদাগর
১৩৬.
৪.৩০ হাবিব হাবিবার কাহিনী
১৩৭.
৪.৩১ সর্দারের নষ্টাচরিত্রা বিবি
১৩৮.
৪.৩২ নফর ফিরুজের বিবি ও সুলতান
১৩৯.
৪.৩৩ অপরিণামদর্শী সিরিয়া সওদাগরের শিক্ষা
১৪০.
৪.৩৪ হারুন অল রসিদের গ্রন্থপাঠ
১৪১.
৪.৩৫ শাহজাদা হীরার কাহিনী
১৪২.
৪.৩৬ গোহা ও তার ইয়ার-বন্ধুরা
১৪৩.
৪.৩৭ তুফা অল কুলবের কাহিনী
১৪৪.
৪.৩৮ অল মালিক বাইবারসের দরবারে – দ্বাদশ সর্দারের কাহিনী
১৪৫.
৪.৩৯ চীন শাহজাদীর বাগানের সমুদ্র-গোলাপ
১৪৬.
৪.৪০ দজ্জাল বিবির অত্যাচারে দেশত্যাগী মারুফ-মুচির ভাগ্য-বিবর্তন
১৪৭.
৪.৪১ আলেকজান্দ্রা শহরের ধনী যুবকের কাহিনী
১৪৮.
৪.৪২ ফিন্দের দুই বীরাঙ্গনা কন্যা
১৪৯.
৪.৪৩ ফতিমার কাহিনী
১৫০.
৪.৪৪ কিণ্ডাইটের সম্রাট হজর ও তার স্ত্রী হিন্দের গল্প
১৫১.
৪.৪৫ আয়েশা কথিত কাহিনী
১৫২.
৪.৪৬ খলিফা ওমর ইবন অল-খাতাবের কাহিনী
১৫৩.
৪.৪৭ কুফার কবি মহম্মদ কথিত কাহিনী
১৫৪.
৪.৪৮ পরান্নভোজী তুফেনের কাহিনী
১৫৫.
৪.৪৯ খলিফা অল হাদীর অন্তিম দশা
১৫৬.
৪.৫০ অভিশপ্ত কণ্ঠহার
১৫৭.
৪.৫১ মশুলের গায়ক ইশাকের রোজনামচা
১৫৮.
৪.৫২ অল মামুন ও জুবেদা বেগমের কাহিনী
১৫৯.
৪.৫৩ জাফরের অন্তিম দশা
১৬০.
৪.৫৪ শাহজাদা জুঁই আর শাহজাদী বাদামের প্রেম উপাখ্যান

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%