৪.০৯ ভ্রষ্টা নারী এবং তার নওজোয়ান নাগর

ক্ষিতিশ সরকার

কোনও এক সময়ে মিশরের এক তহশীলদার বাস করতো। কর আদায় উপলক্ষে সারা বছরের বেশির ভাগ সময়ই তাকে বাইরে বাইরে ঘুরতে হতো।

তহশীলদারের ঘরে ছিলো যুবতী বৌ। স্বামীর অবর্তমানে বৌটার নিঃসঙ্গ রাত আর ফুরায় না। উদ্দাম যৌবন কেঁদে কেঁদে সারা হয়। কিন্তু তহশীলদারটার বয়সে ভাটা পড়েছিলো। তার

উপর হেঁটে হেঁটে ক্লান্ত হয়ে যেদিন সে ঘরে ফিরে আসে সেদিন আর শরীরটাকে ধরে রাখতে পারেনা। খেয়ে-দেয়ে বিছানায় শোয়া মাত্র নাক ডাকাতে থাকতো। বৌটা দেহের জ্বালায় জ্বলে জ্বলে খাক হয়ে ক্ষেপে উঠলো। কিছুদিনের মধ্যেই সে এক নওজোয়ান খুবসুরত নাগর জুটিয়ে নিলো।

ছেলেটির গায়ে তাগদ অনেক। বৌটা যখন ডাকতো তখনই এসে তার মনঃস্কামনা পূর্ণ করে যেত। মেয়েটির দেহমন খুশিতে ডগোমগো হয়ে ওঠে। কারণে অকারণে ছেলেটিকে সে নানারকম সাজ-পোশাক কিনে দেয়, নগদ অর্থও মুঠি মুঠি গুঁজে দেয় জামার পকেটে।

এই ভাবে দুটি নর-নারী অবৈধ সুখ-সঙ্গমে লিপ্ত হয়ে বেশ কয়েকটা বছর পার করে দিলো।

একদিন তহশীলদার ঘরে ফিরে এসে তার পর দিনই বৌকে বললো, আমার খচ্চরকে দানা-পানি খাইয়ে দাও। আর আমাকেও কিছু একটা খানা-পিনা দাও, এখুনি বেরুতে হবে।

বৌটা মনের আনন্দে চটপট স্বামীকে বিদায় করার জন্য কাজে লেগে গেলো। খচ্চরকে দানা-পানি খাইয়ে তার পিঠে জীন লাগাম চাপিয়ে দিলো। কিন্তু তহশীলদারকে খেতে দিতে গিয়ে দেখে রুটি চাপাটি কিছুনাই ঘরে। নিগ্রো দাসীটাকে বললো, এই, চট করে দু’খানা রুটির মতো খানিকটা গম পিষে দে তো, তোর মালিক খেয়ে এখুনি কাজে বেরুবে।

তহশীলদার বললো, এখন গম পিষে রুটি বানাতে বানাতে অনেক দেরি হয়ে যাবে। তার দরকার নাই, আমি বরং বাজার থেকে দু’খানা তন্দুরী রুটি কিনে নিয়ে আসছি। এই বলে সে দ্রুতপায়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাজারের পথে চলে গেলো। রাত্রি প্রভাত হয়ে আসে।

শাহরাজাদ গল্প থামিযে চুপ করে বসে থাকে।

আটশো একতম রজনী : আবার সে বলতে শুরু করে :

বৌটা তার স্বামীর বাজার থেকে ফেরার অপেক্ষায় দরজা ধরে দাঁড়িয়ে পথের দিকে তাকিয়েছিলো। দূর থেকে ওর নাগর ছেলেটা মেয়েটিকে পথের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে ভাবলো, তহশীলদারটা বোধ হয় কাজে বেরিয়ে গেছে, তাই বৌটা দরজা ধরে তারই প্রতীক্ষা করছে।

ছেলেটি বাড়িতে ঢুকতে ঢুকতে মেয়েটিকে বললো, আমার এখুনি তিনশো দিরহাম দরকার।

মেয়েটি বলে, কিন্তু আজ তো আমার হাতে কিছু নাই, গো।

ছেলেটি বলে, তোমাদের তো একটা খচ্চর আছে দেখছি। ওটা আমাকে দাও। আমি বিক্রি করে নেব। টাকাটা আমাকে আজ জোগাড় করতে হবে।

—তোমার কি মাথা খারাপ হয়েছে। আমার স্বামী ফিরে এসে যদি দেখে খচ্চরটা নাই, আমাকে আস্ত রাখবে সে?

কিন্তু ছেলেটি নাছোড়বান্দা। তার আব্দার এড়াতে পারেনা প্রেমিকা। খচ্চরটা নিয়ে চলে যায় ছেলেটি।

কিছুক্ষণ পরে তহশীলদার রুটি কিনে ফিরে আসে। আস্তাবলে ঢুকে রুটি ক’খানা ঝোলার মধ্যে পুরে নিতে যায়। কিন্তু এ কি! খচ্চরটা গেলো কোথায়? জীন লাগাম সব পড়ে আছে অথচ খচ্চরটা নাই! সে ছুটে আসে বৌ-এর কাছে। কী ব্যাপার খচ্চরটা কোথায়?

বৌটা শান্ত গলায় বললো, তুমি বাজারে যাওয়ার একটু পরেই খচ্চরটা মানুষের রূপ ধরে আমাকে বললে, আমাকে যাদু করে খচ্চর বানিয়ে রাখা হয়েছিলো। আসলে আমি সুলতানের কাজী। এখন আমি দরবারে চললাম। এই বলে সে গটগট করে বেরিয়ে গেলো।

তহশীলদার রাগে ফেটে পড়লো, তুমি আমার সঙ্গে মসকরা করছো?

-বারে মসকরা করতে যাবো কেন? যা ঘটেছে তাই বললাম। তোমার সঙ্গে ছলচাতুরী করে আমার কি ফয়দা হবে? তোমাকে বলতে আমি সাহস করিনি, খচ্চরটা সত্যিই মাঝে মাঝে মানুষের মতো কথা বলতে আমার সঙ্গে। আমি তো শরমে মরি। তাড়াতাড়ি বোরখায় মুখ ঢেকে আস্তাবল থেকে পালিয়ে আসতাম। কিন্তু আজ একেবারে তাজ্জব কাণ্ড ঘটে গেলো। আমি ঘরে দাওয়ায় বসে কাজ করছি হঠাৎ দেখি আস্তাবল থেকে এক সদাশয় বৃদ্ধ বেরিয়ে এসে উঠোনে দাঁড়ালেন। আমি ছুটে ঘরের মধ্যে পালাতে গেলাম। তিনি আমাকে মা বলে ডাকলেন। বললেন, মা, আমাকে শরম করার কিছু নাই। আমি তোমার বাপের মতো। কপাল দোষে এতদিন খচ্চর হয়ে ছিলাম। আজ আমার মুক্তি হয়েছে। আমি সুলতানের কাজী। এখন তাঁর দরবারেই ফিরে যাচ্ছি।

তহশীলদার চোখ কপালে তুলে বলে, ইয়া আল্লাহ, এমন আজব কাহিনী তো জীবনে কখনো শুনিনি। কিন্তু খচ্চর ছাড়া এখন আমি কাজে বেরুবো কী করে? আজ আমাকে কত গ্রামে যেতে হবে কর আদায় করতে! কী করে যাবো বলতো?

বৌটা পরামর্শ দেয়, তুমি এক কাজ কর। এক আঁটি বিচালী নিয়ে দরবারে গিয়ে কাজীকে দূর থেকে দেখাতে থাক। তা হলেই তিনি বুঝতে পারবেন। খচ্চর ছাড়া তোমার খুব অসুবিধে হচ্ছে। তখন তিনি দরবার ছেড়ে তোমার সঙ্গে চলে আসবেন।

তহশীলদারের খুব পছন্দ হলো বৌ-এর কথাগুলো। তখুনি একগোছা বিচালি নিয়ে দরবারে যাওয়ার জন্য তোড়জোড় করতে লাগলো।

বৌটা বললো, একটা কথা কিন্তু মনে রেখ, খুব সাবধান, কাজী আর খচ্চর একই ধাঁচের জানোয়ার। ওরা ভীষণ বদলা দেবার ফিকিরে থাকে। এতকাল তুমি ওঁর উপর যে-সব অত্যাচার করেছ, সে-সব কিন্তু তিনি একটুও ভুলে যাননি। মওকা পেলে তোমার ওপর শোধ তুলতে কসুর করবেন না তিনি।

বৌ-এর শেষ উপদেশটুকু মাথায় রেখে অতি সন্তর্পণে সে কাজীর আদালতে প্রবেশ করে। কাজী সাহেব তখন তার আসনে বসে মামলার কাজ পরিচালনা করছিলেন। বিরাট কক্ষের একেবারে পিছনে দেওয়াল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে রইলো তহশীলদার। হাতে এক আটি বিচালি, মাঝে মাঝে কাজী সাহেবের দিকে একটু উঁচু করে তুলে ধরে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করতে থাকলো।

ব্যাপারটা কাজীর নজর এড়ালো না। ইশারা করে ডাকলেন তিনি, এদিকে এগিয়ে এসো আমার সামনে।

কিন্তু তহশীলদার সেখান থেকে এগিয়ে না গিয়ে কাজী সাহেবকে ইশারা করে ডাকলো, আপনিই আসুন আমার কাছে।

কাজী সাহেব তহশীলদারকে চিনেছিলেন। সে যে সরকারের এক তহশীলদার তা তিনি জানতেন। ভাবলেন নিশ্চয়ই কোনও গোপন কাজকর্মের জন্য কোতোয়াল তাকে পাঠিয়েছে এখানে। তাই, সেদিনের মতো আদালতের সব কাজ মুলতুবী রেখে সকলকে বিদায় করে দিলেন

তিনি। তারপর তহশীলদারের কাছে এসে বললেন, কী ব্যাপার, কী হয়েছে? খুব কি জরুরী কিছু?

তহশীলদার সে-কথার কোনও জবাব না দিয়ে বিচালির গোছাটা কাজীর সামনে ধরে জিভ আর তালুর সাহায্যে পশু পোষ মানানোর মতো অদ্ভুত এক আওয়াজ তুলে তাকে পায়ে পায়ে আদালতের বাইরে ডেকে আনতে প্রলুব্ধ করতে লাগলো।

কাজী সাহেব ব্যাপারটা অনুধাবন করতে না পেরে তহশীলদারকে অনুসরণ করতে করতে আদালতের বাইরে বেরিয়ে এলেন। তখন তহশীলদার তার কানের কাছে মুখ এনে ফিস ফিস করে বলে, খোদা হাফেজ, সত্যিই আমি আপনার ভাগ্যবিপর্যয়ের কথা শুনে মর্মাহত হলাম। আপনি ভাববেন না, শুধু শুধু আপনাকে বিরক্ত করতে এসেছি এখানে। আজ আমাকে অনেক গুলো গাঁয়ে যেতে হবে আদায় করতে। সেজন্য আদালতের কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত আর অপেক্ষা করতে পারলাম না। তার আগেই আপনাকে ডাকতে হলো। যাই হোক, আর দেরি করা চলে না, নিন এবার আপনি আবার খচ্চরের রুপ ধরুন, আমি আপনার পিঠে চেপে এখুনি রওনা হবো।

কাজী সাহেব আতঙ্কে শিউরে ওঠেন, এ কি অদ্ভুত কথা!

তহশীলদার বেশ বিনীতভাবে বললো, না না, আর ওসব ভয় করবেন না। একবার যখন জেনেছি আপনি আসলে জানোয়ার নন, তখন কী আর আপনার পাছায় চাবুকের ঘা মারতে পারি? আমি জানি, আমাদের মানুষের পাছাগুলো কী থলথলে নরম! চাবুকের আঘাত পেলে বড় ব্যথা লাগে। আল্লাহর নামে কসম খেয়ে বলছি, আপনার কোনও ভয় নাই। চাবুক ছড়ি আমি হাতেই নেব না। যাক, আর দেরি করবেন না, এমনিতেই অনেক বেলা হয়ে গেছে। নিন লুন। কথা দিচ্ছি, রোজ রাতে যা দানা-পানি দিই আজ থেকে তার দু’গুন বরাদ্দ করে দেব।

কাজী সাহেব বুঝলেন, পাগলা গারদ থেকে কোনও ভাবে এই রুগীটা পাহারাদারদের চোখে ধুলো দিয়ে পথে বেরিয়ে পড়ছে। ভয়ে তার চোখ মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেলো। এক পা এক পা করে পিছু হটতে হটতে আদালতকক্ষের দরজা পেরিয়েই তিনি এজলাসের দিকে দৌড়ে পালাতে গেলেন। কিন্তু তহশীলদারও ছাড়বার পাত্র নয়। সেও তাকে ধাওয়া করে ছুটে এলো। কাজী সাহেব প্রমাদ গুণলেন। ঘরের সব লোককে তিনি ছুটি দিয়ে দিয়েছেন। সেই শুন্য কক্ষে তহশীলদারের কবল থকে উদ্ধার পাওয়ার আর কোনও পথ নাই। কাজী সাহেব খুব করুণ কণ্ঠে বললেন, বুঝতে পারছি, আপনার খচ্চরটা খোয়া গেছে। এবং একটা খচ্চর না হলে আপনার কাজ-কর্মও সব অচল হয়ে যাবে। ঠিক আছে, এক কাজ করুন, এই নিন তিনশো দিরহাম আপনাকে দিচ্ছি আমি। এ দিয়ে বাজার থেকে সেরা জাতের একটা খচ্চর কিনতে পারবেন অনায়াসেই। নিন ধরুন, টাকাটা নিয়ে আমাকে রেহাই দিন।

এই বলে ট্যাক থেকে তিনশো দিরহামের একটা তোড়া তহশীলদারের হাতে গুঁজে দিয়ে কাজী সাহেব আর কোন দিকে দৃকপাত না করে আদালত কক্ষ ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে চেঁচা দৌড় দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যান।

তহশীলদার ভাবে, কাজী সাহেব লোকলজ্জা এড়াতে তিনশো দিরহামের এই তোড়াটা তার হাতে গুঁজে দিয়ে পালালেন। তা যাক, ভালোই হলো, তিনশো দিরহামে ওর চাইতে তাজা তাগড়াই খচ্চর কিনতে পারবে সে।

তহশীলদার বাজারে গিয়ে একটা একটা করে অনেকগুলো খচ্চর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে থাকে। কিন্তু মনমতো পছন্দ হয় না একটাও। একটা দালাল বললো, কত দামের মধ্যে খুঁজছেন শেখ?

—পছন্দ হলে তিনশো দিরহাম পর্যন্ত দিতে পারি।

লোকটি লোলুপ উৎসাহে বলে, আপনি একটু দাঁড়ান, আমি ভালো মাল এনে দেখাচ্ছি। আপনাকে।

পাশের একটা কামরা থেকে একটা বেশ তাগড়াই খচ্চর বের করে নিয়ে এসে সে ওর সামনে দাঁড় করিয়ে বললো, দেখুন, চলবে?

ততক্ষণে তহশীলদারের চোখ কপালে উঠেছে, একি, এ যে তারই সেই খচ্চরটা। যেখানে যা যা খুঁত ছিলো সবহুবহু ঠিক আছে। তহশীলদার খচ্চরটার গায়ে মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করলো একটু, তারপর দালালটাকে বললো, না হে, এ রকম জানোয়ার চলবে না আমার। সত্যিকারের জানোয়ার চাই আমার।

লোকটা দাঁত-মুখ খিচিয়ে ওঠে, সত্যিকারের জানোয়ার মানে? এটা কি তবে মিথ্যেকারের জানোয়ার নাকি? কী বলতে চান আপনি। সওদা করতে এসেছেন না মসকরা করতে এসেছেন এখানে?

তহশীলদার বলে, না মসকরা করবো কেন? তবে যে কারণেই হোক, এটা আমি কিনবো না। অন্য কিছু আছে।

—বেশ তত পছন্দ না হয় অন্য খচ্চর দেখাচ্ছি।

তিনশো দিরহাম দিয়ে আর একটা খচ্চর পছন্দ করে সে কিনে বাড়ি ফিরে আসে। বলা বাহুল্য, আগাগোড়া কাহিনী সবিস্তারে বৌকে শোনালো সে।

এইভাবে চতুরা নষ্ট নারীর বুদ্ধির কৌশলে সবদিকই রক্ষা পেলো। মেয়েটি তার নাগরকে নিয়ে রসের সায়রে কেলি করে দিন কাটাতে থাকলো। তহশীলদার একটা নতুন তাগড়াই খচ্চর ফিরে পেলো এবং কাজী সাহেব মিথ্যা কেলেঙ্কারীর হাত থেকে অব্যাহতি পেলেন। অবশ্য তার জন্যে তিনশশ দিরহাম গচ্চা দিতে হলো তাকে। তা যাক, আদালতের ফি বাড়িয়ে দিয়ে তিনি তা উসুল করে নেবেন সুদে আসলে।

এই সময় রাত্রি শেষ হলে এলো। শাহরাজাদ গল্প থামিয়ে চুপ করে বসে রইলো।

সকল অধ্যায়
১.
১.০১ বাদশাহ শারিয়ার ও তার ভাই বাদশাহ শাহজামানের কাহিনী
২.
১.০২ গাধা, বলদ আর গৃহস্বামীর উপাখ্যান
৩.
১.০৩ সওদাগর আর আফ্রিদি দৈত্য
৪.
১.০৪ প্রথম শেখের কাহিনী
৫.
১.০৫ দ্বিতীয় শেখের কাহিনী
৬.
১.০৬ তৃতীয় শেখের কাহিনী
৭.
১.০৭ ধীবর আর আফ্রিদি দৈত্যের কাহিনী
৮.
১.০৮ উজির, সুলতান য়ুনান হেকিম রায়ানের কিসসা
৯.
১.০৯ সিনবাদ আর বাজপাখি
১০.
১.১০ শাহজাদা আর রাক্ষসী
১১.
১.১১ শাহজাদা আর রঙিন মাছ
১২.
১.১২ কুলি-ছেলে আর তিন কন্যা
১৩.
১.১৩ প্রথম কালান্দার ফকিরের কাহিনী
১৪.
১.১৪ দ্বিতীয় কালান্দর ফকিরের কাহিনী
১৫.
১.১৫ তৃতীয় কালান্দর ফকিরের কাহিনী 
১৬.
১.১৬ বড় বোন জুবেদার কাহিনী
১৭.
১.১৭ মেজো বোন আমিনার কাহিনী
১৮.
১.১৮ একটি স্ত্রীলোকের খণ্ডিত দেহ, তিনটি আপেল ও নিগ্রো রাইহান
১৯.
১.১৯ উজির সামস অল-দিন তার ভাই নূর অল-দিন ও হাসান বদর অল-দিন
২০.
১.২০ দর্জি, কুঁজো, ইহুদি হেকিম, বাবুর্চি, খ্রীস্টান দালাল
২১.
১.২১ খ্ৰীষ্টান দালালের কাহিনী
২২.
১.২২ বাবুর্চির কাহিনী
২৩.
১.২৩ ইহুদী হেকিমের কাহিনী
২৪.
১.২৪ দর্জির কাহিনী
২৫.
১.২৫ নাপিতের কাহিনী
২৬.
১.২৬ মধুমিতা আর আলী নূর-এর কাহিনী
২৭.
১.২৭ ঘানিম আইয়ুব আর কুৎ-অল-এর কাহিনী
২৮.
১.২৮ উমর অল-নুমান, তার পুত্র সারকান ও দু-অল মাকানের কাহিনী
২৯.
১.২৯ আজিজ আর আজিজার কাহিনী
৩০.
১.৩০ শাহজাদা তাজ অল-মূলক ও শাহজাদী দুনিয়া
৩১.
১.৩১ দু-অল মাকানের পুত্র কান মা-কানা
৩২.
১.৩২ চরস খোরের কাহিনী
৩৩.
১.৩৩ রাজহাঁস ও ময়ূর-ময়ূরী
৩৪.
১.৩৪ মেষপালক রাখাল আর একটি মেয়ে
৩৫.
১.৩৫ কচ্ছপ ও বকের কাহিনী
৩৬.
১.৩৬ নেকড়ে আর খেঁকশিয়ালের কাহিনী
৩৭.
১.৩৭ ইঁদুর আর নেউলের গল্প
৩৮.
১.৩৮ কাক ও কাঠবেড়ালীর কাহিনী
৩৯.
১.৩৯ আলী-ইবন বকর ও সুন্দরী সামস আল-নাহারের কাহিনী
৪০.
১.৪০ শাহজাদা কামার আল-জামান আর শাহজাদী বদর-এর প্রণয় কাহিনী
৪১.
১.৪১ খুশ বাহার ও খুশ নাহারের কাহিনী
৪২.
১.৪২ আলা অল-দিন আবু সামাতের কাহিনী
৪৩.
১.৪৩ বিদূষী হাফিজার কাহিনী
৪৪.
১.৪৪ কবি আবু নবাসের দুঃসাহসিক কীর্তি
৪৫.
২.০১ সিন্দাবাদের প্রথম সমুদ্র-যাত্রা
৪৬.
২.০২ সিন্দাবাদের দ্বিতীয় সমুদ্র-যাত্রা
৪৭.
২.০৩ সিন্দাবাদের তৃতীয় সমুদ্র-যাত্রা
৪৮.
২.০৪ সিন্দাবাদের চতুর্থ সমুদ্র-যাত্রা
৪৯.
২.০৬ সিন্দাবাদের ষষ্ঠ সমুদ্র-যাত্রা
৫০.
২.০৭ সিন্দাবাদের সপ্তম ও শেষ সমুদ্রযাত্রা
৫১.
২.০৮ সুন্দরী জুমুর‍্যুদ এবং আলী শার-এর কাহিনী
৫২.
২.০৯ নানা রঙের ছয় কন্যার কাহিনী
৫৩.
২.১০ তাম্র নগরীর কাহিনী
৫৪.
২.১১ ইবন আল-মনসুর এবং দুই নারীর কাহিনী
৫৫.
২.১২ কসাই ওয়াঁর্দার ও উজির-কন্যার কাহিনী
৫৬.
২.১৩ জামালিকার কাহিনী
৫৭.
২.১৪ বুলুকিয়ার কাহিনী
৫৮.
২.১৫ খুবসুরৎ নওজোয়ান সাদ-এর কাহিনী
৫৯.
২.১৬ হাসি-তামাশায় হারুন অল-রসিদ
৬০.
২.১৭ ছাত্র ও শিক্ষকের কাহিনী
৬১.
২.১৮ অদ্ভুত বটুয়ার কাহিনী
৬২.
২.১৯ হারুন অল রসিদের মহব্বতের কাহিনী
৬৩.
২.২০ কে ভালো—উঠতি বয়সের ছোকরা, না—মাঝ-বয়সী মরদ
৬৪.
২.২১ শসা-শাহজাদা
৬৫.
২.২২ পালিত কেশ
৬৬.
২.২৩ সমস্যা-সমাধান
৬৭.
২.২৪ আবু নবাস আর জুবেদার গোসলের কাহিনী
৬৮.
২.২৫ আবু নবাসের কবির লড়াই
৬৯.
২.২৬ গাধার গল্প
৭০.
২.২৭ আইনের প্যাঁচে জুবেদা
৭১.
২.২৮ স্ত্রী না পুরুষ
৭২.
২.২৯ বখরা
৭৩.
২.৩০ মাদ্রাসার মৌলভীর কিসসা
৭৪.
২.৩১ মেয়েদের সেমিজের কারুকর্মের কথা
৭৫.
২.৩২ পেয়ালার বাণী
৭৬.
২.৩৩ মসুলের বিখ্যাত কালোয়াতী গায়ক ইশাকের কাহিনী – বাক্সের মধ্যে খলিফা
৭৭.
২.৩৪ মুদ্যোফরাশ
৭৮.
২.৩৫ সুর্মার কাহিনী
৭৯.
২.৩৬ ছেলে অথবা মেয়ে
৮০.
২.৩৭ আজব খলিফা
৮১.
২.৩৮ গুলাবী এবং রোশন এর কাহিনী
৮২.
২.৩৯ কালো ঘোড়ার আশ্চর্য যাদু কাহিনী
৮৩.
২.০৫ সিন্দাবাদের পঞ্চম সমুদ্র-যাত্রা
৮৪.
৩.০১.১ ধূর্ত ডিলাইলাহ ও তার জালিয়াৎ কন্যা জাইনাবের কাহিনী
৮৫.
৩.০১.২ সওদাগর সিদি মুসিন আর খাতুনের কথা
৮৬.
৩.০১.৩ সেয়ানা চোর আলীচাঁদ-এর কিসসা
৮৭.
৩.০২ ধীবর যুদর অথবা আশ্চর্য যাদু-থলের কাহিনী
৮৮.
৩.০৩ আবু কাইর আর আবু শাইর-এর মজাদার কাহিনী
৮৯.
৩.০৪ দুই আবদাল্লার উপকথা
৯০.
৩.০৫ পীতাম্বর যুবকের কাহিনী
৯১.
৩.০৬ আনারকলি এবং বদর বাসিমের কিসসা
৯২.
৩.০৭ মিশরের ফাল্লাহ ও তার ফর্সা ছেলেমেয়েরা
৯৩.
৩.০৮ খলিফা ও জেলের কাহিনী
৯৪.
৩.০৯ বসরাহর হাসানের দুঃসাহসিক অভিযান
৯৫.
৩.১০ স্ত্রীলোকের চাতুরী
৯৬.
৩.১১ আবু অল হাসানের কাহিনী
৯৭.
৩.১২ জাইন মাওয়াসিফের মহম্মতের কিসসা
৯৮.
৩.১৩ কুঁড়ের বাদশার কাহিনী
৯৯.
৩.১৪ নওজোয়ান নূর এবং এক লড়াকু মেয়ের কিসসা
১০০.
৩.১৫ সপ্তম হীরক কন্যার কাহিনী
১০১.
৩.১৬.১ আলা অল-দিন ও আশ্চর্য চিরাগ বাতি
১০২.
৩.১৬.২ আলাদিনের চেরাগ (পার্ট ২)
১০৩.
৩.১৬.৩ আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ (পার্ট ৩)
১০৪.
৩.১৬.৪ আলাদিনের দৈত্য (পার্ট ৪)
১০৫.
৩.১৬.৫ আলাদিনের জাদুর চেরাগ (পার্ট ৫ / শেষ পর্ব)
১০৬.
৪.০১ হিতোপদেশের গল্প
১০৭.
৪.০১ হিতোপদেশের গল্প
১০৮.
৪.০২ গোলাপ-সুন্দরী ফারিজাদের কাহিনী
১০৯.
৪.০৩ কামর ও হালিমার কাহিনী
১১০.
৪.০৪ হারাম-আকিলের কাহিনী
১১১.
৪.০৫ সুলতান মহম্মদের ন্যায় বিচার
১১২.
৪.০৬ শেখ হাসান আবদাল্লার কাহিনী
১১৩.
৪.০৭ আবু কাশেমের অঙ্গবাস
১১৪.
৪.০৮ চরসের নেশায়
১১৫.
৪.০৯ ভ্রষ্টা নারী এবং তার নওজোয়ান নাগর
১১৬.
৪.১০ বৃদ্ধ কাজীর তরুণী বিবি
১১৭.
৪.১১ সুন্দরীর নূরের পাণিপ্রার্থীরা
১১৮.
৪.১২ মুতাবাকিল আল্লাহর বিত্ত বৈভব
১১৯.
৪.১৩ সুলতান মামুদের কাহিনী
১২০.
৪.১৪ বসরাহর আবু কাশেম
১২১.
৪.১৫ তিন কুলজী বিদ্যা-বিশারদের কাহিনী
১২২.
৪.১৬ সুলতান মাহমুদের বাঁদর
১২৩.
৪.১৭ তিন পাগলের কাহিনী
১২৪.
৪.১৮ আলিবাবা ও চল্লিশ চোর
১২৫.
৪.১৯ বাগদাদের বড় সেতুর উপরে অল-রসিদ
১২৬.
৪.২০ সিদি নুমানের কাহিনী
১২৭.
৪.২১ কাঠুরিয়া যুবরাজ
১২৮.
৪.২২ বৃদ্ধ শেখের কাহিনী
১২৯.
৪.২৩ খঞ্জ মাদ্রাসা শিক্ষকের কাহিনী
১৩০.
৪.২৪ অন্ধ ভিক্ষারীর কাহিনী
১৩১.
৪.২৫ গবেটচন্দরের কাহিনী
১৩২.
৪.২৬ তিন বোনের কাহিনী
১৩৩.
৪.২৭ তিন কন্যার কাহিনী
১৩৪.
৪.২৮ ফেরিওয়ালার তিন কন্যা
১৩৫.
৪.২৯ দামাসকাসের রূপবান সওদাগর
১৩৬.
৪.৩০ হাবিব হাবিবার কাহিনী
১৩৭.
৪.৩১ সর্দারের নষ্টাচরিত্রা বিবি
১৩৮.
৪.৩২ নফর ফিরুজের বিবি ও সুলতান
১৩৯.
৪.৩৩ অপরিণামদর্শী সিরিয়া সওদাগরের শিক্ষা
১৪০.
৪.৩৪ হারুন অল রসিদের গ্রন্থপাঠ
১৪১.
৪.৩৫ শাহজাদা হীরার কাহিনী
১৪২.
৪.৩৬ গোহা ও তার ইয়ার-বন্ধুরা
১৪৩.
৪.৩৭ তুফা অল কুলবের কাহিনী
১৪৪.
৪.৩৮ অল মালিক বাইবারসের দরবারে – দ্বাদশ সর্দারের কাহিনী
১৪৫.
৪.৩৯ চীন শাহজাদীর বাগানের সমুদ্র-গোলাপ
১৪৬.
৪.৪০ দজ্জাল বিবির অত্যাচারে দেশত্যাগী মারুফ-মুচির ভাগ্য-বিবর্তন
১৪৭.
৪.৪১ আলেকজান্দ্রা শহরের ধনী যুবকের কাহিনী
১৪৮.
৪.৪২ ফিন্দের দুই বীরাঙ্গনা কন্যা
১৪৯.
৪.৪৩ ফতিমার কাহিনী
১৫০.
৪.৪৪ কিণ্ডাইটের সম্রাট হজর ও তার স্ত্রী হিন্দের গল্প
১৫১.
৪.৪৫ আয়েশা কথিত কাহিনী
১৫২.
৪.৪৬ খলিফা ওমর ইবন অল-খাতাবের কাহিনী
১৫৩.
৪.৪৭ কুফার কবি মহম্মদ কথিত কাহিনী
১৫৪.
৪.৪৮ পরান্নভোজী তুফেনের কাহিনী
১৫৫.
৪.৪৯ খলিফা অল হাদীর অন্তিম দশা
১৫৬.
৪.৫০ অভিশপ্ত কণ্ঠহার
১৫৭.
৪.৫১ মশুলের গায়ক ইশাকের রোজনামচা
১৫৮.
৪.৫২ অল মামুন ও জুবেদা বেগমের কাহিনী
১৫৯.
৪.৫৩ জাফরের অন্তিম দশা
১৬০.
৪.৫৪ শাহজাদা জুঁই আর শাহজাদী বাদামের প্রেম উপাখ্যান

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%