৪.১৯ বাগদাদের বড় সেতুর উপরে অল-রসিদ

ক্ষিতিশ সরকার

একদিন জাফর আর মাসরুরকে সঙ্গে করে খলিফা হারুণ অল রসিদ টাইগ্রীসের দিকে বেড়াতে বেরিয়েছিলেন। বেড়াতে বেড়াতে এক সময় তিনি একটা সেতুর ওপরে এসে দেখলেন এক অন্ধ পদ্মাসন হয়ে বসে ভিক্ষে মেগে চলেছে। সুলতান হাত বাড়িয়েএকটি স্বর্ণমুদ্রা দিলো তার ভিক্ষাপাত্রে। অন্ধটি সঙ্গে সঙ্গে দাতার হাতখানা চেপে ধরে, আপনার এই দান-এর যোগ্য প্রতিদান আপনি পাবেন মালিক। আল্লাহ আপনাকে সবচেয়ে সেরা বস্তু দান করবেন। আমার। একটা অনুরোধ আছে, আপনাকে রক্ষা করতে হবে।

খলিফা ঈষৎ বিরক্তই হলেন। বলেন, বেশ তো কী অনুরোধ, বলল শুনি।

—আমাকে যারা দান করেন তাদের হাতের একটা ঘুষি না পেলে আমি কিছুই গ্রহণ করতে পারি না। তাই আপনাকেও আমার অনুরোধ, যদি দিতেই চান তবে আমার মুখে একটা ঘুষি লাগিয়ে দিন।

খলিফা অবাক হন, সে কি কথা, তুমি অন্ধ আতুর মানুষ। আমি দয়াপরবশ হয়ে তোমাকে সাধ্যমতো কিছু দান করবো, তা ঘুষি দিতে যাবো কেন?

-তা যদি না-দিতে পারেন মালিক, আপনার দান আপনি ফিরিয়ে নিন। আমার শপথ আছে, নিতে পারবো না।

বৃদ্ধ অন্ধটার একগুয়েমী দেখে খলিফা বেশ বিরক্তই বোধ করেন। কিন্তু লোকটা দান গ্রহণ করবে না। অগত্যা বাধ্য হয়ে তার কানের গোড়ায় ছোট্ট একটা টোকা দিয়ে রেহাই পান।

একটু দুরে গিয়ে জাফরকে বলেন খলিফা, ইয়া আল্লাহ একি আজব মানুষ। নিশ্চয়ই ওর জীবনে এমন কোনও ঘটনা ঘটেছিলো, যার জন্যে এই ধরনের এক অদ্ভুত শপথ নিতে হয়েছিলো। যাও লোকটার কাছে গিয়ে বলে এসো আগামীকাল দুপুরে তাকে খলিফার দরবারে হাজির হতে হবে।

জাফর ফিরে এলে আবার খলিফা হাঁটতে থাকেন। কিছু দূরে গিয়ে আর এক ভিক্ষুকের দেখা পান। লোকটি খঞ্জ! মুখের এক পাশ কাটা। সেও ভিক্ষাপাত্র বাড়িয়ে ধরলো। খলিফা সহজভাবে একটি দিনার দিলেন তার পাত্রে। স্বর্ণমুদ্রা দেখে লোকটির চোখ দুটো চকচক করে ওঠে, ওরে বাবা, গোটা একটা মোহর? যখন মাদ্রাসার মৌলভী ছিলাম তখনও এক সঙ্গে একটা গোটা মোহর চোখে দেখিনি কখনও।

–লোকটা বলে কি, হারুণ অল রসিদ বিস্ময়াহত হয়ে বলেন, একটা মাদ্রাসার মৌলভীর এই দীন ভিখারীর দশা হলো কি করে? জাফর, লোকটা কি সত্যিই বলছে? সে কি কোনওকালে শিক্ষক ছিলো তোমার মনে হয়? যাই হোক মনে হচ্ছে, এরও জীবনের ঘটনাস্রোত সোজা পথে বয়ে চলেনি। তা না হলে আজ সে ভিক্ষে করে খাবে কেন? তুমি একেও কাল দুপুরে আমার দরবারে হাজির করবে! জাফর বলে, জো কুম, জাঁহাপনা।

এরপরে ওরা তিনজনে আরও খানিকটা এগোতে অন্যতম ভিখারীর উচ্ছ্বসিত আশীর্বাণী শুনতে পেলেন। সুলতান দেখলেন, এক বৃদ্ধ সওদাগর বেশ মুঠিভর্তি স্বর্ণমুদ্রা দান করছে ভিক্ষুকটিকে এবং তাতে সে দিশাহারা হয়ে কি ভাবে তাকে যে কৃতজ্ঞতা জানাবে তার ভাষা খুঁজে পাচ্ছে না। খলিফা লক্ষ্য করলেন, বৃদ্ধ সত্যই বেশ মোটা অঙ্কের মুদ্রা দরাজহাতে দান করেছে তার পাত্রে। খলিফা অবাক হলেন এই ভেবে, একজন সাধারণ নাগরিক যা দান করতে পারে তিনি নিজে সুলতান হয়েও তা পারেন না। জাফরকে বললেন তিনি, শোনো সাহেবকে কাল দুপুরে খলিফার দরবারে হাজির হতে বলো।

আরও একটু এগোতে খলিফা দেখলেন রাস্তার দু পাশের মানুষজন সন্ত্রস্ত হয়ে ছুটে পালাচ্ছে, আর এক অশ্বারোহী সেনাপতি হাঁক ছাড়ছে। এই, খবরদার, পথ ছেড়ে দাঁড়াও। চীন-সম্রাটের রাজকুমারীর স্বামী আসছেন! হট যাও, তফাত যাও, মহামান্য চীন-সম্রাটের জামাতা হিন্দুস্তানের সম্রাট আসছেন এই পথে। দেখা গেলো একটি প্রিয়দর্শন যুবক রাজবেশে সুসজ্জিত হয়ে অশ্বারোহী সেনাপতিটির পিছনে পিছনে এগিয়ে আসছে।

খলিফা জাফরকে বললেন, আমার শহরে এমন মেহেমান এসেছেন। নিশ্চয়ই আলাপ-পরিচয় করা দরকার। জাফর, তুমি ঐ মিছিলের পিছনে পিছনে ধাওয়া কর। দেখ, তারা কোথায় গিয়ে ওঠে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। নিশ্চয়ই আমার এই শহরেই কোথাও রাত্রিবাস করবে। তুমি কাল দুপুরে আমার দরবারে তাকে আমন্ত্রণ করে নিয়ে আসবে। আমি আর মাসরুর প্রাসাদে ফিরে যাচ্ছি। এদের খোঁজ খবর নিয়ে তুমিও ফিরে এসে জানাও আমাকে। এদের খবরা-খবর জানার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকবো আমি।

আরও খানিকটা এগোতে খলিফা দেখলেন, এক যুবক একটা সুন্দর মাদী ঘোড়ায় চেপে সাঁই সাঁই করে চাবকাচ্ছে আর ঘোড়াটি তারস্বরে চিহি চিহি করে চিৎকার ছাড়ছে। কিন্তু যুবকের কি অমানুষিক খেলা! গায়ের সর্বশক্তি দিয়ে বা ঘোড়াটাকে সে একটানা বেদম প্রহার করেই চলেছে। উঃ কী নৃশংস!

একটুক্ষণের মধ্যেই সাদা ঘোড়াটার গা ফেটে লাল রক্তের ধারা গড়িয়ে পড়তে থাকলো, কিন্তু তবুও ছেলেটি ক্ষান্ত হতে চায় না।

খলিফা নিজে এক অশ্বপ্রিয় ব্যক্তি। ঘোড়াকে কেউ কষ্ট দিচ্ছে দেখলে তিনি ঠিক থাকতে পারেন না। পথচারীদের অনেককে ডেকে ডেকে তিনি জিজ্ঞেস করেন, কী ব্যাপারটা কী? সাহেব এতে ক্ষেপে গেছেন কেন?

কিন্তু খলিফার প্রশ্নের কেউই জবাব দিতে পারে না। বলে, খোদা জানেন, আমরা কি করে বলবো? তবে এইটুকু শুধু বলতে পারি, এই যুবক নিয়ম করে প্রতিদিন ঠিক এই সময় ঘোড়ায় চেপে এখানে আসেন এবং এলোপাতাড়ি পিটাতে পিটাতে রক্তের বন্যা বইয়ে দেন। কেন, কী কারণে তা কেউ জানে না।

খলিফা মাসরুরকে বললেন, যাও ওকে গিয়ে জিজ্ঞেস কর কেন সে এইরকম ভাবে এক নিরীহ জানোয়ারের ওপর অত্যাচার করে। যদি সহজ কথায় জবাব না দেয় ওকে গ্রেপ্তার করে কাল দুপুরে আমার দরবারে হাজির করবে।

এরপরে হারুণ অল রসিদ প্রাসাদে ফিরে এলেন।

ত্রি শেষ হয়ে আসে। শাহরাজাদ গল্প থামিয়ে চুপ করে বসে রইলো।

আটশো একষট্টিতম রজনী। আবার সে বলতে থাকে–

পরদিন দুপুরের নামাজ শেষে খলিফা দরবারে এলেন। জাফর সুলতানের সামনে ঐ পাঁচজনকে হাজির করলেন। সকলে যথাবিহিত কুর্ণিশ জানিয়ে সুলতানের মসনদের সামনে অধোবদনে দাঁড়িয়ে থাকলো। খলিফা ইশারায় তাদের বসতে আদেশ করলেন।

তখন খলিফা সেই সাদা ঘোড়ার সওয়ার যুবককে উদ্দেশ্য করে বললেন, আমি কাল বিকেলে নিজের চোখে দেখেছি তুমি একটি বোবা জানোয়ারের পিঠে চেপে নির্মমভাবে তাকে প্রহার করছিলে। কিন্তু কেন, কারণ কী? তুমি তোমার ঘোড়ায় চাপবে তাতে কোনও অপরাধ নাই। কিন্তু একটা অসহায় জানোয়ারকে ঐ ভাবে প্রহার করা অমানুষিকতা। সহ্য করা যায় না। আমি এও লক্ষ্য করেছি সেখানে যারা উপস্থিত ছিলো তারা সকলেই তোমার ত্রাসে আতঙ্কিত। কেউ কিছু জানে কি না জানি না, কিন্তু আমরা বারবার জিজ্ঞাসা সত্ত্বেও তারা মুখ খুলতে সাহস করলো না। এরই বা কারণ কী? আমার এমনই ক্রোধ জন্মেছিলো, নিজের ছদ্মবেশের কথা ভুলে গিয়ে তখুনি তোমাকে সমুচিত শিক্ষাদানের কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু সে যাই হোক, নিজেকে সামলে নিয়ে কোনও রকমে ঘটনাস্থল থেকে চলে এসেছি। কিন্তু তা বলে ব্যাপারটা আমি ভুলতে পারিনি আদৌ। আজ তোমাকে ডাকা হয়েছে তার উপযুক্ত কারণ দর্শাবার জন্য। তোমার সব কথা। শোনার পর আমি যদি সন্তুষ্ট হই তবেই তুমি রেহাই পাবে; নচেৎ যোগ্য সাজা তোমার, জন্য অপেক্ষা করছে। নাও, দেরি কোরো না তোমার যদি কিছু বক্তব্য থাকে দ্বিধাহীন চিত্তে তা পেশ করতে পার এখানে।

খলিফার ফরমান শুনে ঘোড়সওয়ার বাবাজীর মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেলো। ঘাড় গুজে সে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলো কিছুক্ষণ। দু’গাল বেয়ে নেমে এলো অশ্রুধারা।

যুবককে কাঁদতে দেখে খলিফা কিছুটা নরম হয়ে বললেন, তোমার কিছু ভয় নাই। তুমি ভুলে যাও, তোমার সামনে স্বয়ং খলিফা বসে আছেন। নাও, খোলসা করে বলো দেখি কাহিনীটা কী? ঠিক আছে, আমি তোমাকে জবান দিচ্ছি, তোমাকে কোনও সাজা দেব না। অবশ্য যদি সত্যি কথা সব খুলে বলল।

জাফরও ভরসা দেয়, ভয় নাই, জাঁহাপনা যখন অভয় দিচ্ছেন তখন নির্ভয়ে সত্যি কথা বলতে পার তুমি।

এরপর যুবকটি চোখের জল মুছে মুখ তুলে সোজা হয়ে বসে।

সকল অধ্যায়
১.
১.০১ বাদশাহ শারিয়ার ও তার ভাই বাদশাহ শাহজামানের কাহিনী
২.
১.০২ গাধা, বলদ আর গৃহস্বামীর উপাখ্যান
৩.
১.০৩ সওদাগর আর আফ্রিদি দৈত্য
৪.
১.০৪ প্রথম শেখের কাহিনী
৫.
১.০৫ দ্বিতীয় শেখের কাহিনী
৬.
১.০৬ তৃতীয় শেখের কাহিনী
৭.
১.০৭ ধীবর আর আফ্রিদি দৈত্যের কাহিনী
৮.
১.০৮ উজির, সুলতান য়ুনান হেকিম রায়ানের কিসসা
৯.
১.০৯ সিনবাদ আর বাজপাখি
১০.
১.১০ শাহজাদা আর রাক্ষসী
১১.
১.১১ শাহজাদা আর রঙিন মাছ
১২.
১.১২ কুলি-ছেলে আর তিন কন্যা
১৩.
১.১৩ প্রথম কালান্দার ফকিরের কাহিনী
১৪.
১.১৪ দ্বিতীয় কালান্দর ফকিরের কাহিনী
১৫.
১.১৫ তৃতীয় কালান্দর ফকিরের কাহিনী 
১৬.
১.১৬ বড় বোন জুবেদার কাহিনী
১৭.
১.১৭ মেজো বোন আমিনার কাহিনী
১৮.
১.১৮ একটি স্ত্রীলোকের খণ্ডিত দেহ, তিনটি আপেল ও নিগ্রো রাইহান
১৯.
১.১৯ উজির সামস অল-দিন তার ভাই নূর অল-দিন ও হাসান বদর অল-দিন
২০.
১.২০ দর্জি, কুঁজো, ইহুদি হেকিম, বাবুর্চি, খ্রীস্টান দালাল
২১.
১.২১ খ্ৰীষ্টান দালালের কাহিনী
২২.
১.২২ বাবুর্চির কাহিনী
২৩.
১.২৩ ইহুদী হেকিমের কাহিনী
২৪.
১.২৪ দর্জির কাহিনী
২৫.
১.২৫ নাপিতের কাহিনী
২৬.
১.২৬ মধুমিতা আর আলী নূর-এর কাহিনী
২৭.
১.২৭ ঘানিম আইয়ুব আর কুৎ-অল-এর কাহিনী
২৮.
১.২৮ উমর অল-নুমান, তার পুত্র সারকান ও দু-অল মাকানের কাহিনী
২৯.
১.২৯ আজিজ আর আজিজার কাহিনী
৩০.
১.৩০ শাহজাদা তাজ অল-মূলক ও শাহজাদী দুনিয়া
৩১.
১.৩১ দু-অল মাকানের পুত্র কান মা-কানা
৩২.
১.৩২ চরস খোরের কাহিনী
৩৩.
১.৩৩ রাজহাঁস ও ময়ূর-ময়ূরী
৩৪.
১.৩৪ মেষপালক রাখাল আর একটি মেয়ে
৩৫.
১.৩৫ কচ্ছপ ও বকের কাহিনী
৩৬.
১.৩৬ নেকড়ে আর খেঁকশিয়ালের কাহিনী
৩৭.
১.৩৭ ইঁদুর আর নেউলের গল্প
৩৮.
১.৩৮ কাক ও কাঠবেড়ালীর কাহিনী
৩৯.
১.৩৯ আলী-ইবন বকর ও সুন্দরী সামস আল-নাহারের কাহিনী
৪০.
১.৪০ শাহজাদা কামার আল-জামান আর শাহজাদী বদর-এর প্রণয় কাহিনী
৪১.
১.৪১ খুশ বাহার ও খুশ নাহারের কাহিনী
৪২.
১.৪২ আলা অল-দিন আবু সামাতের কাহিনী
৪৩.
১.৪৩ বিদূষী হাফিজার কাহিনী
৪৪.
১.৪৪ কবি আবু নবাসের দুঃসাহসিক কীর্তি
৪৫.
২.০১ সিন্দাবাদের প্রথম সমুদ্র-যাত্রা
৪৬.
২.০২ সিন্দাবাদের দ্বিতীয় সমুদ্র-যাত্রা
৪৭.
২.০৩ সিন্দাবাদের তৃতীয় সমুদ্র-যাত্রা
৪৮.
২.০৪ সিন্দাবাদের চতুর্থ সমুদ্র-যাত্রা
৪৯.
২.০৬ সিন্দাবাদের ষষ্ঠ সমুদ্র-যাত্রা
৫০.
২.০৭ সিন্দাবাদের সপ্তম ও শেষ সমুদ্রযাত্রা
৫১.
২.০৮ সুন্দরী জুমুর‍্যুদ এবং আলী শার-এর কাহিনী
৫২.
২.০৯ নানা রঙের ছয় কন্যার কাহিনী
৫৩.
২.১০ তাম্র নগরীর কাহিনী
৫৪.
২.১১ ইবন আল-মনসুর এবং দুই নারীর কাহিনী
৫৫.
২.১২ কসাই ওয়াঁর্দার ও উজির-কন্যার কাহিনী
৫৬.
২.১৩ জামালিকার কাহিনী
৫৭.
২.১৪ বুলুকিয়ার কাহিনী
৫৮.
২.১৫ খুবসুরৎ নওজোয়ান সাদ-এর কাহিনী
৫৯.
২.১৬ হাসি-তামাশায় হারুন অল-রসিদ
৬০.
২.১৭ ছাত্র ও শিক্ষকের কাহিনী
৬১.
২.১৮ অদ্ভুত বটুয়ার কাহিনী
৬২.
২.১৯ হারুন অল রসিদের মহব্বতের কাহিনী
৬৩.
২.২০ কে ভালো—উঠতি বয়সের ছোকরা, না—মাঝ-বয়সী মরদ
৬৪.
২.২১ শসা-শাহজাদা
৬৫.
২.২২ পালিত কেশ
৬৬.
২.২৩ সমস্যা-সমাধান
৬৭.
২.২৪ আবু নবাস আর জুবেদার গোসলের কাহিনী
৬৮.
২.২৫ আবু নবাসের কবির লড়াই
৬৯.
২.২৬ গাধার গল্প
৭০.
২.২৭ আইনের প্যাঁচে জুবেদা
৭১.
২.২৮ স্ত্রী না পুরুষ
৭২.
২.২৯ বখরা
৭৩.
২.৩০ মাদ্রাসার মৌলভীর কিসসা
৭৪.
২.৩১ মেয়েদের সেমিজের কারুকর্মের কথা
৭৫.
২.৩২ পেয়ালার বাণী
৭৬.
২.৩৩ মসুলের বিখ্যাত কালোয়াতী গায়ক ইশাকের কাহিনী – বাক্সের মধ্যে খলিফা
৭৭.
২.৩৪ মুদ্যোফরাশ
৭৮.
২.৩৫ সুর্মার কাহিনী
৭৯.
২.৩৬ ছেলে অথবা মেয়ে
৮০.
২.৩৭ আজব খলিফা
৮১.
২.৩৮ গুলাবী এবং রোশন এর কাহিনী
৮২.
২.৩৯ কালো ঘোড়ার আশ্চর্য যাদু কাহিনী
৮৩.
২.০৫ সিন্দাবাদের পঞ্চম সমুদ্র-যাত্রা
৮৪.
৩.০১.১ ধূর্ত ডিলাইলাহ ও তার জালিয়াৎ কন্যা জাইনাবের কাহিনী
৮৫.
৩.০১.২ সওদাগর সিদি মুসিন আর খাতুনের কথা
৮৬.
৩.০১.৩ সেয়ানা চোর আলীচাঁদ-এর কিসসা
৮৭.
৩.০২ ধীবর যুদর অথবা আশ্চর্য যাদু-থলের কাহিনী
৮৮.
৩.০৩ আবু কাইর আর আবু শাইর-এর মজাদার কাহিনী
৮৯.
৩.০৪ দুই আবদাল্লার উপকথা
৯০.
৩.০৫ পীতাম্বর যুবকের কাহিনী
৯১.
৩.০৬ আনারকলি এবং বদর বাসিমের কিসসা
৯২.
৩.০৭ মিশরের ফাল্লাহ ও তার ফর্সা ছেলেমেয়েরা
৯৩.
৩.০৮ খলিফা ও জেলের কাহিনী
৯৪.
৩.০৯ বসরাহর হাসানের দুঃসাহসিক অভিযান
৯৫.
৩.১০ স্ত্রীলোকের চাতুরী
৯৬.
৩.১১ আবু অল হাসানের কাহিনী
৯৭.
৩.১২ জাইন মাওয়াসিফের মহম্মতের কিসসা
৯৮.
৩.১৩ কুঁড়ের বাদশার কাহিনী
৯৯.
৩.১৪ নওজোয়ান নূর এবং এক লড়াকু মেয়ের কিসসা
১০০.
৩.১৫ সপ্তম হীরক কন্যার কাহিনী
১০১.
৩.১৬.১ আলা অল-দিন ও আশ্চর্য চিরাগ বাতি
১০২.
৩.১৬.২ আলাদিনের চেরাগ (পার্ট ২)
১০৩.
৩.১৬.৩ আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ (পার্ট ৩)
১০৪.
৩.১৬.৪ আলাদিনের দৈত্য (পার্ট ৪)
১০৫.
৩.১৬.৫ আলাদিনের জাদুর চেরাগ (পার্ট ৫ / শেষ পর্ব)
১০৬.
৪.০১ হিতোপদেশের গল্প
১০৭.
৪.০১ হিতোপদেশের গল্প
১০৮.
৪.০২ গোলাপ-সুন্দরী ফারিজাদের কাহিনী
১০৯.
৪.০৩ কামর ও হালিমার কাহিনী
১১০.
৪.০৪ হারাম-আকিলের কাহিনী
১১১.
৪.০৫ সুলতান মহম্মদের ন্যায় বিচার
১১২.
৪.০৬ শেখ হাসান আবদাল্লার কাহিনী
১১৩.
৪.০৭ আবু কাশেমের অঙ্গবাস
১১৪.
৪.০৮ চরসের নেশায়
১১৫.
৪.০৯ ভ্রষ্টা নারী এবং তার নওজোয়ান নাগর
১১৬.
৪.১০ বৃদ্ধ কাজীর তরুণী বিবি
১১৭.
৪.১১ সুন্দরীর নূরের পাণিপ্রার্থীরা
১১৮.
৪.১২ মুতাবাকিল আল্লাহর বিত্ত বৈভব
১১৯.
৪.১৩ সুলতান মামুদের কাহিনী
১২০.
৪.১৪ বসরাহর আবু কাশেম
১২১.
৪.১৫ তিন কুলজী বিদ্যা-বিশারদের কাহিনী
১২২.
৪.১৬ সুলতান মাহমুদের বাঁদর
১২৩.
৪.১৭ তিন পাগলের কাহিনী
১২৪.
৪.১৮ আলিবাবা ও চল্লিশ চোর
১২৫.
৪.১৯ বাগদাদের বড় সেতুর উপরে অল-রসিদ
১২৬.
৪.২০ সিদি নুমানের কাহিনী
১২৭.
৪.২১ কাঠুরিয়া যুবরাজ
১২৮.
৪.২২ বৃদ্ধ শেখের কাহিনী
১২৯.
৪.২৩ খঞ্জ মাদ্রাসা শিক্ষকের কাহিনী
১৩০.
৪.২৪ অন্ধ ভিক্ষারীর কাহিনী
১৩১.
৪.২৫ গবেটচন্দরের কাহিনী
১৩২.
৪.২৬ তিন বোনের কাহিনী
১৩৩.
৪.২৭ তিন কন্যার কাহিনী
১৩৪.
৪.২৮ ফেরিওয়ালার তিন কন্যা
১৩৫.
৪.২৯ দামাসকাসের রূপবান সওদাগর
১৩৬.
৪.৩০ হাবিব হাবিবার কাহিনী
১৩৭.
৪.৩১ সর্দারের নষ্টাচরিত্রা বিবি
১৩৮.
৪.৩২ নফর ফিরুজের বিবি ও সুলতান
১৩৯.
৪.৩৩ অপরিণামদর্শী সিরিয়া সওদাগরের শিক্ষা
১৪০.
৪.৩৪ হারুন অল রসিদের গ্রন্থপাঠ
১৪১.
৪.৩৫ শাহজাদা হীরার কাহিনী
১৪২.
৪.৩৬ গোহা ও তার ইয়ার-বন্ধুরা
১৪৩.
৪.৩৭ তুফা অল কুলবের কাহিনী
১৪৪.
৪.৩৮ অল মালিক বাইবারসের দরবারে – দ্বাদশ সর্দারের কাহিনী
১৪৫.
৪.৩৯ চীন শাহজাদীর বাগানের সমুদ্র-গোলাপ
১৪৬.
৪.৪০ দজ্জাল বিবির অত্যাচারে দেশত্যাগী মারুফ-মুচির ভাগ্য-বিবর্তন
১৪৭.
৪.৪১ আলেকজান্দ্রা শহরের ধনী যুবকের কাহিনী
১৪৮.
৪.৪২ ফিন্দের দুই বীরাঙ্গনা কন্যা
১৪৯.
৪.৪৩ ফতিমার কাহিনী
১৫০.
৪.৪৪ কিণ্ডাইটের সম্রাট হজর ও তার স্ত্রী হিন্দের গল্প
১৫১.
৪.৪৫ আয়েশা কথিত কাহিনী
১৫২.
৪.৪৬ খলিফা ওমর ইবন অল-খাতাবের কাহিনী
১৫৩.
৪.৪৭ কুফার কবি মহম্মদ কথিত কাহিনী
১৫৪.
৪.৪৮ পরান্নভোজী তুফেনের কাহিনী
১৫৫.
৪.৪৯ খলিফা অল হাদীর অন্তিম দশা
১৫৬.
৪.৫০ অভিশপ্ত কণ্ঠহার
১৫৭.
৪.৫১ মশুলের গায়ক ইশাকের রোজনামচা
১৫৮.
৪.৫২ অল মামুন ও জুবেদা বেগমের কাহিনী
১৫৯.
৪.৫৩ জাফরের অন্তিম দশা
১৬০.
৪.৫৪ শাহজাদা জুঁই আর শাহজাদী বাদামের প্রেম উপাখ্যান

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%