৪.৪৪ কিণ্ডাইটের সম্রাট হজর ও তার স্ত্রী হিন্দের গল্প

ক্ষিতিশ সরকার

কিন্ডাইট সম্প্রদায়ের সম্রাট হজর ছিলেন অসীম সাহসী ও দুর্দান্ত হিংস্র যোদ্ধা। তার পুত্র ইমরু অল কেয়স ছিলো সে যুগের সুবিখ্যাত কবি। সম্রাট হজর এতো নৃশংস প্রকৃতির লোক ছিলেন যে, তার নিজস্ব পরিবারের লোকেরাও তার নির্দয়তার হাত থেকে মুক্তি পেতো না। পিতার নির্যাতনে রাজকুমার ইমরু ঘর ছেড়ে পলায়ন করতে বাধ্য হয়। তার পিতার বদ্ধমূল ধারণা ছিলো যে কবিত্ব শক্তির জন্ম কাপুরুষতা থেকে।

একদা সম্রাট হজর তার নিজস্ব অঞ্চল ছেড়ে অনেক দূরে বানী-আসাদ সম্প্রদায়ের সাথে যুদ্ধ সংক্রান্ত ব্যাপারে লিপ্ত হয়ে পড়েছিলেন। তার চিরন্তন শত্ৰু কোদেইদে সম্প্রদায় এই সুযোগে তার অঞ্চল আক্রমণ করে। বীর জিয়াদের নেতৃত্বে তারা কিণ্ডাইট সম্প্রদায়কে সহজেই নৃশংসভাবে পরাজিত করে। কারণ হজর তার বাহিনী নিয়ে তখন অনুপস্থিত ছিলেন। জিয়াদ তার বাহিনী সমেত কিণ্ডাইটদের সঞ্চয় থেকে প্রচুর শুকনো খেজুর, অশ্ব, উট অন্যান্য গৃহপালিত জন্তু এবং কিছু অল্পবয়সী সুন্দরী মহিলা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এদের মধ্যে ছিলেন সম্রাটের প্রিয়তমা পত্নী, কিণ্ডাইটের রত্ন-প্রতিম সুন্দরী রানী হিন্দ।

এই দুঃসংবাদকানে যেতেই সম্রাট হজর তার সৈন্যসামন্ত নিয়ে দ্রুত ফিরে এলেন এবং কোদেইদে বাহিনীর সন্ধানে বেরিয়ে পড়লেন। শত্রু সম্প্রদায়ের তাঁবুর কাছাকাছি এসে পড়তেই তিনি তার দু’জন বিশ্বস্ত গুপ্তচর সালিহ এবং সাদুসকে পাঠিয়ে দিলেন জিয়াদের বাহিনী সম্পর্কে গোপন র খোঁজ-খবর নিতে।

গুপ্তচরদ্বয় অনেক চেষ্টার পর কৌশলে শত্রু শিবিরে ঢুকে পড়ে। সেখানে তারা শত্রুবাহিনীর সৈন্যসংখ্যা, অস্ত্রশস্ত্র, রসদ ইত্যাদি সম্পর্কে বিশদ খোঁজ-খবর সংগ্রহ করে। কয়েক ঘন্টা অতিবাহিত হলে সালিহ তার সঙ্গীকে জানায়,—জিয়াদ বাহিনী সম্পর্কে আমরা অনেক তো সংবাদ সংগ্রহ করলাম, এখন চলো আমরা নিজেদের শিবিরে ফিরে যাই। সুলতানকে আমরা – জিয়াদের বুদ্ধি, পরিকল্পনা কি হতে পারে, এখন তা সহজেই বুঝিয়ে বলতে পারবো।

কিন্তু সাদুস উত্তর দেয়—না, আমি কিন্তু আরো সংবাদ সংগ্রহ করতে চাই। সালিহ্ ফিরে যায়, সাদুস একাই থেকে যায় শত্রু শিবিরে।

রাত্রি সমাগত হতেই জিয়াদের বাহিনী তাদের নেতার শিবিরে কড়া পাহারা মোতায়েন করে। সাদুস এতে বেশ মুশকিলে পড়ে যায়। অনেক চিন্তার পর সহসা সে এক অদ্ভুত সাহসের কাজ করে ফেলে। জিয়াদ বাহিনীর একজন রক্ষীর পিঠে সে অকস্মাৎ পদাঘাত করে বলতে চায়,—কে তুই গুপ্তচর! এখানে কি চাস?

লোকটি শঙ্কিত স্বরে নিজের বিশদ পরিচয় দিতে শুরু করে। এরপর আর সাদুসের পক্ষে মুক্তভাবে বিচরণ করতে কোন অসুবিধা হয় না। সকলে তাকে জিয়াদ বহিনীর রক্ষী বলেই ধরে নেয়।

জিয়াদের তাঁবুর সামনে সে কান পেতে রেখে অপেক্ষা করতে থাকে। তাঁবুর অভ্যন্তর থেকে জিয়াদ ও সম্রাজ্ঞী হিন্দের অন্তরঙ্গ ভাষ্যালাপ ও চুম্বনের শব্দ ভেসে আসে। জিয়াদের স্বর শোনা যায়—আমাদের এই অন্তরঙ্গ মিলনের সংবাদ পেলে তোমার স্বামী কি করতেন বলে?

হিন্দ উত্তর দেন,—আমি শপথ করে বলতে পারি, সে নেকড়ে বাঘের মত ছুটে এসে তোমাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তো। উন্মত্ত রাগে ও প্রতিহিংসায় সে পাগল হয়ে উঠতো, মুখ দিয়ে ফেনা উঠতে থাকতো।

জিয়াদ তার জবাব শুনে ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েন, হিন্দের গালে একটি চাপড় মেরে বলেন, -বুঝতে পারছি, ঐ বনমানুষটাকে এখনও তুমি ভালোবাস। ওর হাতে আমি পরাস্ত হই নির্যাতিত হই, তাই তুমি চাও।

হিন্দ সরবে প্রতিবাদ করতে শুরু করেন,—মোটেই না! আমি লাত এবং ও জাতের নামে শপথ করে বলতে পারি। আমার স্বামীকে যতদূর আমি ঘৃণা করি এমনটি আর কাউকেই কখনও করিনি। কিন্তু সেই সাথে আমি তোমাকেও সতর্ক করে দিতে চাই যে, কি শুতে, কি বসতে তার মত এমন সতর্ক আর বিচার বুদ্ধিসম্পন্ন লোক আমি দুটি দেখিনি।

জিয়াদ প্রশ্ন করেন,-কী রকম?

হিন্দ বলতে থাকেন,হজুর যখন নিদ্রা যায়, তখনও বোধ হয় ওর এক চোখ খোলা থাকে এবং মন থাকে অর্ধ জাগ্রত। একটা উদাহরণ দিচ্ছি। একদিন রাত্রে হজুর আমার পাশে ঘুমিয়েছিলো, আমি শুয়ে শুয়ে ওকে দেখছিলাম। এমন সময় দেখি একটা বিষধর সাপ ওর দিকে এগিয়ে আসছে। আমি রুদ্ধশ্বাসে প্রতীক্ষা করতে থাকি। সাপটি সোজা ওর মুখ লক্ষ্য করে হামাগুড়ি দিতে দিতে এগিয়ে আসছে। ঘুমিয়ে ঘুমিয়েই হজুর পাশ ফিরে শোয়, সাপটি তখন ওর খোলা হাতের পাতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, আমি দেখতে পেলাম এবারেও ও ঘুমের মধ্যেই হাতটি সরিয়ে নিলো। সাপটি তখনও সোজা এগিয়ে যাচ্ছে ওর পা লক্ষ্য করে। হজ্বর এবারেও ঘুমের মধ্যেই পা মুড়ে শোয়। আমি বিস্মিত নেত্রে দেখে যেতে থাকি। সাপটি ততক্ষণে হজুরের বিছানা অতিক্রম করে চলে গেছে। কাছেই এক পাত্র দুধ রাখা ছিলো, হজুরের জন্য। সাপটি লোভীর মত সেই দুধ পান করে তারপর সেই পাত্রেই সেই দুধটুকু বমি করে রেখে যায়। আমি মনে মনে খুশি হয়ে উঠি। এতদিন পর আমি ওর হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে চলেছি। কারণ ঘুম থেকে উঠে এই বিষাক্ত দুধটুকু পান করলেই তো ওর মৃত্যু অনিবার্য! খানিকক্ষণ পর হজুরের ঘুম ভেঙে যায়, তৃষ্ণার্ত বোধ করায় দুধের পাত্র সে হাতে তুলে নেয়, মুখে দিতে গিয়েও কি মনে হতে সে হাত নামিয়ে নেয়, দুধের গন্ধ শুকতেই তার হাত কাঁপতে থাকে। অবশেষে হাত থেকে পাত্রটি পড়ে যায় এবং চারদিকে সেই বিষাক্ত দুধটুকু ছড়িয়ে পড়ে। সমস্ত ব্যাপারেই ও এমন সতর্ক। বিপদ এসে পড়লেও বোধহয় আগে থাকতেই বুঝতেই পারে।

গুপ্তচরটি এরপর আর কোন বাক্যালাপ শুনতে পায় না। শুধু কিছু স্বাস-প্রশ্বাস ও চুম্বনের শব্দ ছাড়া আর কিছুই ভেসে আসে না ভেতর থেকে। সাদুস সন্তর্পণে উঠে দাঁড়ায়, তারপর সবার অলক্ষ্যে ফিরে আসে নিজেদের শিবিরে।

হজুরকে বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে, সাদুস তার ভাষ্য শেষ করে এই বলে, আমি যখন জিয়াদের শিবির ত্যাগ করে আসি সে তখন সাম্রাজ্ঞী হিন্দের কোলে মাথা রেখে শুয়ে আছে, আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি এখনও পর্যন্ত ওরা কোন সংবাদই পায়নি।

সম্রাট হজুর এই কথা শুনে এক নিশ্চিন্ততার নিঃশ্বাস ফেললেন, অবিলম্বে কোদেইদের শিবির আক্রমণ করতে আদেশ দিলেন তিনি।

ভোর হয়ে আসে। শাহরাজাদও গল্প থামিয়ে চুপ করে যায়।

নয়শত সাতাত্তরতম রজনী :

সে আবার বলতে শুরু করে :

কিন্ডাইটবাহিনী তাদের অনুসরণকারীদের অকস্মাৎ আক্রমণে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যায়। তাদের তাঁবুগুলি টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়, আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় তাতে। প্রচুর লোককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলো, কেউ কেউ অর্ধমৃত অবস্থায় পলায়ন করতে সক্ষম হলো।

পলায়নপর বাহিনীতে হজর জিয়াদকে খুঁজে পান। উন্মত্ত আক্রোশে তিনি ঘোড়া থেকেই জিয়াদকে এক ঝটকায় শূন্যে তুলে নেন। সমস্ত শক্তি বাহুতে জড় করে তিনি জিয়াদকে খেলনার মত শূন্যে ছুঁড়ে দেন। মাটিতে পড়ে যেতে জিয়াদের হাড়গোড় ভেঙ্গে যায়। তার মাথাটি বিচ্ছিন্ন করে নিজের ঘোড়ার লেজের সাথে বেঁধে দেন হজর।

আপন প্রতিহিংসা চরিতার্থ করে হজুর হিন্দের সন্ধানের প্রবৃত্ত হন। দুটি ঘোড়াকে দুদিকে মুখ করে দাঁড় করিয়ে দিয়ে হিন্দকে বেঁধে দেওয়া হয় তাদের মাঝখানে। তীক্ষ চাবুকের আঘাতে ঘোড়া দুটিকে ছুটিয়ে দিতেই হিন্দের দেহ ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হজুর চিৎকার করে তাকে জানিয়ে দেন,-তোমার মুখ ছিলো খুব মিষ্টি, কিন্তু বুকের মাঝখানটিতে বড় তিক্ত কথা লুকিয়ে ছিলো!

এই বন্য প্রতিহিংসার গল্প শেষ করে যুবকটি আবার বলতে শুরু করে :

সকল অধ্যায়
১.
১.০১ বাদশাহ শারিয়ার ও তার ভাই বাদশাহ শাহজামানের কাহিনী
২.
১.০২ গাধা, বলদ আর গৃহস্বামীর উপাখ্যান
৩.
১.০৩ সওদাগর আর আফ্রিদি দৈত্য
৪.
১.০৪ প্রথম শেখের কাহিনী
৫.
১.০৫ দ্বিতীয় শেখের কাহিনী
৬.
১.০৬ তৃতীয় শেখের কাহিনী
৭.
১.০৭ ধীবর আর আফ্রিদি দৈত্যের কাহিনী
৮.
১.০৮ উজির, সুলতান য়ুনান হেকিম রায়ানের কিসসা
৯.
১.০৯ সিনবাদ আর বাজপাখি
১০.
১.১০ শাহজাদা আর রাক্ষসী
১১.
১.১১ শাহজাদা আর রঙিন মাছ
১২.
১.১২ কুলি-ছেলে আর তিন কন্যা
১৩.
১.১৩ প্রথম কালান্দার ফকিরের কাহিনী
১৪.
১.১৪ দ্বিতীয় কালান্দর ফকিরের কাহিনী
১৫.
১.১৫ তৃতীয় কালান্দর ফকিরের কাহিনী 
১৬.
১.১৬ বড় বোন জুবেদার কাহিনী
১৭.
১.১৭ মেজো বোন আমিনার কাহিনী
১৮.
১.১৮ একটি স্ত্রীলোকের খণ্ডিত দেহ, তিনটি আপেল ও নিগ্রো রাইহান
১৯.
১.১৯ উজির সামস অল-দিন তার ভাই নূর অল-দিন ও হাসান বদর অল-দিন
২০.
১.২০ দর্জি, কুঁজো, ইহুদি হেকিম, বাবুর্চি, খ্রীস্টান দালাল
২১.
১.২১ খ্ৰীষ্টান দালালের কাহিনী
২২.
১.২২ বাবুর্চির কাহিনী
২৩.
১.২৩ ইহুদী হেকিমের কাহিনী
২৪.
১.২৪ দর্জির কাহিনী
২৫.
১.২৫ নাপিতের কাহিনী
২৬.
১.২৬ মধুমিতা আর আলী নূর-এর কাহিনী
২৭.
১.২৭ ঘানিম আইয়ুব আর কুৎ-অল-এর কাহিনী
২৮.
১.২৮ উমর অল-নুমান, তার পুত্র সারকান ও দু-অল মাকানের কাহিনী
২৯.
১.২৯ আজিজ আর আজিজার কাহিনী
৩০.
১.৩০ শাহজাদা তাজ অল-মূলক ও শাহজাদী দুনিয়া
৩১.
১.৩১ দু-অল মাকানের পুত্র কান মা-কানা
৩২.
১.৩২ চরস খোরের কাহিনী
৩৩.
১.৩৩ রাজহাঁস ও ময়ূর-ময়ূরী
৩৪.
১.৩৪ মেষপালক রাখাল আর একটি মেয়ে
৩৫.
১.৩৫ কচ্ছপ ও বকের কাহিনী
৩৬.
১.৩৬ নেকড়ে আর খেঁকশিয়ালের কাহিনী
৩৭.
১.৩৭ ইঁদুর আর নেউলের গল্প
৩৮.
১.৩৮ কাক ও কাঠবেড়ালীর কাহিনী
৩৯.
১.৩৯ আলী-ইবন বকর ও সুন্দরী সামস আল-নাহারের কাহিনী
৪০.
১.৪০ শাহজাদা কামার আল-জামান আর শাহজাদী বদর-এর প্রণয় কাহিনী
৪১.
১.৪১ খুশ বাহার ও খুশ নাহারের কাহিনী
৪২.
১.৪২ আলা অল-দিন আবু সামাতের কাহিনী
৪৩.
১.৪৩ বিদূষী হাফিজার কাহিনী
৪৪.
১.৪৪ কবি আবু নবাসের দুঃসাহসিক কীর্তি
৪৫.
২.০১ সিন্দাবাদের প্রথম সমুদ্র-যাত্রা
৪৬.
২.০২ সিন্দাবাদের দ্বিতীয় সমুদ্র-যাত্রা
৪৭.
২.০৩ সিন্দাবাদের তৃতীয় সমুদ্র-যাত্রা
৪৮.
২.০৪ সিন্দাবাদের চতুর্থ সমুদ্র-যাত্রা
৪৯.
২.০৬ সিন্দাবাদের ষষ্ঠ সমুদ্র-যাত্রা
৫০.
২.০৭ সিন্দাবাদের সপ্তম ও শেষ সমুদ্রযাত্রা
৫১.
২.০৮ সুন্দরী জুমুর‍্যুদ এবং আলী শার-এর কাহিনী
৫২.
২.০৯ নানা রঙের ছয় কন্যার কাহিনী
৫৩.
২.১০ তাম্র নগরীর কাহিনী
৫৪.
২.১১ ইবন আল-মনসুর এবং দুই নারীর কাহিনী
৫৫.
২.১২ কসাই ওয়াঁর্দার ও উজির-কন্যার কাহিনী
৫৬.
২.১৩ জামালিকার কাহিনী
৫৭.
২.১৪ বুলুকিয়ার কাহিনী
৫৮.
২.১৫ খুবসুরৎ নওজোয়ান সাদ-এর কাহিনী
৫৯.
২.১৬ হাসি-তামাশায় হারুন অল-রসিদ
৬০.
২.১৭ ছাত্র ও শিক্ষকের কাহিনী
৬১.
২.১৮ অদ্ভুত বটুয়ার কাহিনী
৬২.
২.১৯ হারুন অল রসিদের মহব্বতের কাহিনী
৬৩.
২.২০ কে ভালো—উঠতি বয়সের ছোকরা, না—মাঝ-বয়সী মরদ
৬৪.
২.২১ শসা-শাহজাদা
৬৫.
২.২২ পালিত কেশ
৬৬.
২.২৩ সমস্যা-সমাধান
৬৭.
২.২৪ আবু নবাস আর জুবেদার গোসলের কাহিনী
৬৮.
২.২৫ আবু নবাসের কবির লড়াই
৬৯.
২.২৬ গাধার গল্প
৭০.
২.২৭ আইনের প্যাঁচে জুবেদা
৭১.
২.২৮ স্ত্রী না পুরুষ
৭২.
২.২৯ বখরা
৭৩.
২.৩০ মাদ্রাসার মৌলভীর কিসসা
৭৪.
২.৩১ মেয়েদের সেমিজের কারুকর্মের কথা
৭৫.
২.৩২ পেয়ালার বাণী
৭৬.
২.৩৩ মসুলের বিখ্যাত কালোয়াতী গায়ক ইশাকের কাহিনী – বাক্সের মধ্যে খলিফা
৭৭.
২.৩৪ মুদ্যোফরাশ
৭৮.
২.৩৫ সুর্মার কাহিনী
৭৯.
২.৩৬ ছেলে অথবা মেয়ে
৮০.
২.৩৭ আজব খলিফা
৮১.
২.৩৮ গুলাবী এবং রোশন এর কাহিনী
৮২.
২.৩৯ কালো ঘোড়ার আশ্চর্য যাদু কাহিনী
৮৩.
২.০৫ সিন্দাবাদের পঞ্চম সমুদ্র-যাত্রা
৮৪.
৩.০১.১ ধূর্ত ডিলাইলাহ ও তার জালিয়াৎ কন্যা জাইনাবের কাহিনী
৮৫.
৩.০১.২ সওদাগর সিদি মুসিন আর খাতুনের কথা
৮৬.
৩.০১.৩ সেয়ানা চোর আলীচাঁদ-এর কিসসা
৮৭.
৩.০২ ধীবর যুদর অথবা আশ্চর্য যাদু-থলের কাহিনী
৮৮.
৩.০৩ আবু কাইর আর আবু শাইর-এর মজাদার কাহিনী
৮৯.
৩.০৪ দুই আবদাল্লার উপকথা
৯০.
৩.০৫ পীতাম্বর যুবকের কাহিনী
৯১.
৩.০৬ আনারকলি এবং বদর বাসিমের কিসসা
৯২.
৩.০৭ মিশরের ফাল্লাহ ও তার ফর্সা ছেলেমেয়েরা
৯৩.
৩.০৮ খলিফা ও জেলের কাহিনী
৯৪.
৩.০৯ বসরাহর হাসানের দুঃসাহসিক অভিযান
৯৫.
৩.১০ স্ত্রীলোকের চাতুরী
৯৬.
৩.১১ আবু অল হাসানের কাহিনী
৯৭.
৩.১২ জাইন মাওয়াসিফের মহম্মতের কিসসা
৯৮.
৩.১৩ কুঁড়ের বাদশার কাহিনী
৯৯.
৩.১৪ নওজোয়ান নূর এবং এক লড়াকু মেয়ের কিসসা
১০০.
৩.১৫ সপ্তম হীরক কন্যার কাহিনী
১০১.
৩.১৬.১ আলা অল-দিন ও আশ্চর্য চিরাগ বাতি
১০২.
৩.১৬.২ আলাদিনের চেরাগ (পার্ট ২)
১০৩.
৩.১৬.৩ আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ (পার্ট ৩)
১০৪.
৩.১৬.৪ আলাদিনের দৈত্য (পার্ট ৪)
১০৫.
৩.১৬.৫ আলাদিনের জাদুর চেরাগ (পার্ট ৫ / শেষ পর্ব)
১০৬.
৪.০১ হিতোপদেশের গল্প
১০৭.
৪.০১ হিতোপদেশের গল্প
১০৮.
৪.০২ গোলাপ-সুন্দরী ফারিজাদের কাহিনী
১০৯.
৪.০৩ কামর ও হালিমার কাহিনী
১১০.
৪.০৪ হারাম-আকিলের কাহিনী
১১১.
৪.০৫ সুলতান মহম্মদের ন্যায় বিচার
১১২.
৪.০৬ শেখ হাসান আবদাল্লার কাহিনী
১১৩.
৪.০৭ আবু কাশেমের অঙ্গবাস
১১৪.
৪.০৮ চরসের নেশায়
১১৫.
৪.০৯ ভ্রষ্টা নারী এবং তার নওজোয়ান নাগর
১১৬.
৪.১০ বৃদ্ধ কাজীর তরুণী বিবি
১১৭.
৪.১১ সুন্দরীর নূরের পাণিপ্রার্থীরা
১১৮.
৪.১২ মুতাবাকিল আল্লাহর বিত্ত বৈভব
১১৯.
৪.১৩ সুলতান মামুদের কাহিনী
১২০.
৪.১৪ বসরাহর আবু কাশেম
১২১.
৪.১৫ তিন কুলজী বিদ্যা-বিশারদের কাহিনী
১২২.
৪.১৬ সুলতান মাহমুদের বাঁদর
১২৩.
৪.১৭ তিন পাগলের কাহিনী
১২৪.
৪.১৮ আলিবাবা ও চল্লিশ চোর
১২৫.
৪.১৯ বাগদাদের বড় সেতুর উপরে অল-রসিদ
১২৬.
৪.২০ সিদি নুমানের কাহিনী
১২৭.
৪.২১ কাঠুরিয়া যুবরাজ
১২৮.
৪.২২ বৃদ্ধ শেখের কাহিনী
১২৯.
৪.২৩ খঞ্জ মাদ্রাসা শিক্ষকের কাহিনী
১৩০.
৪.২৪ অন্ধ ভিক্ষারীর কাহিনী
১৩১.
৪.২৫ গবেটচন্দরের কাহিনী
১৩২.
৪.২৬ তিন বোনের কাহিনী
১৩৩.
৪.২৭ তিন কন্যার কাহিনী
১৩৪.
৪.২৮ ফেরিওয়ালার তিন কন্যা
১৩৫.
৪.২৯ দামাসকাসের রূপবান সওদাগর
১৩৬.
৪.৩০ হাবিব হাবিবার কাহিনী
১৩৭.
৪.৩১ সর্দারের নষ্টাচরিত্রা বিবি
১৩৮.
৪.৩২ নফর ফিরুজের বিবি ও সুলতান
১৩৯.
৪.৩৩ অপরিণামদর্শী সিরিয়া সওদাগরের শিক্ষা
১৪০.
৪.৩৪ হারুন অল রসিদের গ্রন্থপাঠ
১৪১.
৪.৩৫ শাহজাদা হীরার কাহিনী
১৪২.
৪.৩৬ গোহা ও তার ইয়ার-বন্ধুরা
১৪৩.
৪.৩৭ তুফা অল কুলবের কাহিনী
১৪৪.
৪.৩৮ অল মালিক বাইবারসের দরবারে – দ্বাদশ সর্দারের কাহিনী
১৪৫.
৪.৩৯ চীন শাহজাদীর বাগানের সমুদ্র-গোলাপ
১৪৬.
৪.৪০ দজ্জাল বিবির অত্যাচারে দেশত্যাগী মারুফ-মুচির ভাগ্য-বিবর্তন
১৪৭.
৪.৪১ আলেকজান্দ্রা শহরের ধনী যুবকের কাহিনী
১৪৮.
৪.৪২ ফিন্দের দুই বীরাঙ্গনা কন্যা
১৪৯.
৪.৪৩ ফতিমার কাহিনী
১৫০.
৪.৪৪ কিণ্ডাইটের সম্রাট হজর ও তার স্ত্রী হিন্দের গল্প
১৫১.
৪.৪৫ আয়েশা কথিত কাহিনী
১৫২.
৪.৪৬ খলিফা ওমর ইবন অল-খাতাবের কাহিনী
১৫৩.
৪.৪৭ কুফার কবি মহম্মদ কথিত কাহিনী
১৫৪.
৪.৪৮ পরান্নভোজী তুফেনের কাহিনী
১৫৫.
৪.৪৯ খলিফা অল হাদীর অন্তিম দশা
১৫৬.
৪.৫০ অভিশপ্ত কণ্ঠহার
১৫৭.
৪.৫১ মশুলের গায়ক ইশাকের রোজনামচা
১৫৮.
৪.৫২ অল মামুন ও জুবেদা বেগমের কাহিনী
১৫৯.
৪.৫৩ জাফরের অন্তিম দশা
১৬০.
৪.৫৪ শাহজাদা জুঁই আর শাহজাদী বাদামের প্রেম উপাখ্যান

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%