সুজন দাশগুপ্ত
শুকতারা চিঠিটা হাতে ধরে স্তব্ধ হয়ে বসেছিলেন। তাঁর সমস্ত প্ল্যান, সমস্ত প্রচেষ্টা এক চিঠিতেই বানচাল হয়ে গেছে। আজকের বিকেলের ট্রেনেই কলকাতা যাচ্ছিলেন। চন্দ্রিমার বিয়ের ব্যবস্থা এক ইঞ্চি এগোবার আগে কাকিমাকে জানাতে হবে এদিককার কদর্য ব্যাপারটা। এগুলো ফোনে হয় না, চিঠিতেও নয়। কাকিমার অতিপ্রিয় বন্ধুটির এই পুত্ররত্ন শান্তনুচন্দ্র যে কী চিজ, দায়িত্বের খাতিরে অনিচ্ছাসত্ত্বেও শুকতারাকে সেটা জানাতে হবে। এগুলো সংক্ষেপে হয় না। ছোট বোন চন্দ্রিমার ভবিষ্যৎ এর সঙ্গে জড়িত... ছেলেখেলা এটা নয়! এর মধ্যেই এই চিঠি—
দিদি,
আমার বিয়ের ব্যাপারে তোমরা এগিও না। আইনত আমি বিবাহিত। সঞ্জীবনের সঙ্গে কিছুদিন আগে রেজিস্ট্রি করে আমার বিয়ে হয়ে গেছে। পরে বিস্তারিত লিখব।
- চন্দ্রিমা
পুঃ সঞ্জীবন সুললিতা মাসিদের পাড়াতেই ডাক্তারি করে।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন